‹ আমার দেখা ঢাকা অংশ ৪২ / ৫২
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একজনও ছিল না
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমানিকপুর গ্রামের জনাব মোঃ আবদুল আউয়াল, পি.এস.সি. (অব.)
সি.এস.এস. থেকে পি.এস.সি.উনি ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দের সি.এস.এস. প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ
হয়েছিলেনহয়ে পাকিস্তান পুলিশ সার্ভিেস যোগদান করেন ও ডি.আই.জি.,
বি.আর.টি.সি'র চেয়ারম্যান এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য
ছিলেনউনার জন্ম-১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৭-০৮-১৯৮৫ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাড়াইল(বাহেরচর) গ্রামের মেজর (অব.) এম.এ. খালেক, পি.এস.সি.
(বাংলাদেশ আমলে) প্রথম পুলিশউনি সেনাবাহিনী থেকে ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে অবসর গ্রহণ করে, ১৯৭৬
বিভাগে সর্বোচ্চ কর্মকর্তা ছিলেনখ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিেস যোগদান করে অতিরিক্ত মহা
পুলিশ পরিদর্শক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং অবঃ গ্রহণ করে-তিনি ১
অক্টোবর, ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে (বি-বাড়িয়া-৬ আসনে) বাঞ্ছারামপুর থানার
সংসদ-সদস্য নির্বািচত হয়েছেনউনার জন্ম-১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমহায়দরনগর গ্রামের মোহাম্মদ হোসেন, ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে ই.পি.সি.এস.
ই.পি.সি.এস. ছিলেনহয়েছিলেনতিনি মহা-পরিচালক(বি.আই.এম.) থেকে অবসর গ্রহণ
করেনউনার জন্ম-১৯৩১, মৃত্যু-১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়খাল্লা গ্রামের মফিজ-উদ-দীন শিকদার, ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দের
ই.পি.সি.এস. ছিলেনই.পি.সি.এস. হয়েছিলেনউনি অতিরিক্ত সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণ
করেনউনার জন্ম-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২৯-০৫-২০০১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদশদনা গ্রামের মোঃ সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ ভাই), যুগ্ম-সচিব পদ
দু'জন ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে বি.সি.এস.থেকে অবসর গ্রহণ করেনউনার জন্ম-১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দেজনাব সিরাজ
মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেনভাই ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দের বি.সি.এস. পরীক্ষায় ৪২০ জনের মধ্যে ১০ম স্থান
অধিকার করেন এবং খাল্লা গ্রামের মোঃ আমিরুল করিম (মাওলা),
যুগ্ম-সচিবের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেনউনার জন্ম-১৯৪৩
খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদৌলত গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন) ও তাঁরই ছোট
কোন গ্রামের ২(দুই) ভাই ১৯৮১ভাই মোঃ মাহমুদুল করিম (মজনু)তাঁরা উভয়েই যুগ্ম-সচিব
খ্রিষ্টাব্দে বি.সি.এস. পরীক্ষায় উত্তীর্ণহিসেবে কর্মরত ছিলেন২৭-১১-২০০৫ তারিখ মোঃ শফিকুল ইসলাম
হয়(মোমেন), অতিরিক্তি সচিব হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেনউনার
জন্ম-১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একমাত্রদরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন), অতিরিক্ত
সচিবসচিব-এর পদ থেকে ১৮-০৯-২০০৭ তারিখ সচিব পদে উন্নতি লাভ করেন
এবং ১৫-০২-২০০৮ সাল থেকে এল.পি.আর.-এ যান
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন),
(১৬-০২-২০০৮ তারিখের পর) একজনও১৫-০২-২০০৮ তারিখ থেকে এল.পি.আর.-এ চলে গেছেন এবং
সচিব পদে বহাল নেই১৫-০২-২০০৯ তারিখ থেকে তাঁর অবসর সময়
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদৌলত গ্রামের মরহুম মৌলভী গোলাম মোস্তফা খন্দকার-এর
কোন গ্রামের মহিলা ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দেমেয়ে মিসেস ছামেনা বেগম, যুগ্ম-সচিব (পর্যটন করপোের্রশন)
বি.সি.এস. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার অধীবাসী অধ্যাপক ও ভাষা বিশেষজ্ঞ
ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিতি লাভমুহি-উদ-দীন আহমদউনার জন্ম-১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে,মৃত্যু-১৩-১২-১৯৯৬
করেতারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের উত্তরপাড়ার অধীবাসী বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও
অর্থনীতিবিদ হিসেবে পরিচিতি লাভঅধ্যাপক আবদুল আজীজ খানউনার জন্ম-১৯২০, মৃত্যু-১৭-০৭-১৯৮৩
করেতারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমবাখরনগর গ্রামের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক কাজী আম্বর
স্কুল শিক্ষক হিসেবে জাতীয় পুরস্কারআলী, বি.এ., বি.এল., বি.টি. আলীগরতিনি শিক্ষকতার জন্য
পানপূর্ব-পকিস্তানের শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের জাতীয় পুরস্কার পান ও ২১ মরনোত্তর
পদকও লাভ করেনউনার জন্ম-১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে, আজিমপুরে
মৃত্যু-১২-১২-১৯৯৪ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমউলুকান্দি গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক নোমান, এম. এ. (ইংরেজী),
কলেজ শিক্ষক হিসেবে জাতীয় পুরস্কারঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষাবিদ নোমানকে ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান
পানসরকার শ্রেষ্ঠ ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে খেতাব প্রদান করেন এবং তিনি
১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে জাতীয় ২১ পদকও লাভ করেনউনার জন্ম-১৯২৫
খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৩-০৯-১৯৯৬ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মিজানুর রহমান-নবীনগর
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেউচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৭ম স্থান
ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৭ম স্থানঅধিকার করেনউনার জন্ম-১৮৯৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৫-০৮-১৯৮১
অধিকারতারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেকৃঞ্চনগর গ্রামের অধিবাসী ডা. মোঃ ইয়াকুব আলী ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেউজানচর কে. এন. উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৩তম
ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৩তম স্থানস্থান অধিকার করেনউনার জন্ম-১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৩-০২-২০০০
অধিকারতারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ১০মদরিকান্দি গ্রামের জনাব আ.কা.মো. যাকারিয়া-১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দে
স্থান (ঢাকা বোর্ডে)ঢাকা কলেজ হতে আই.এ. পরীক্ষায় ১০ম স্থান অধিকার করেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ডক্টর মোয়াজ্জেম-উল-হক (মামুন),
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১ম১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ হতে আই. এ. পরীক্ষায় ১ম
স্থান অধিকারস্থান অধিকার করেন এবং একই ব্যক্তি ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৯৪৩
খ্রিষ্টাব্দে ৪র্থ স্থান অধিকার করেনউনার জন্ম-১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ডক্টর মোয়াজ্জেম-উল-হক (মামুন)
হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিমামুনের পরিচয় হলো বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম প্রফেসর মোহাম্মদ
বিভাগের অধ্যাপক ছিলেনসানাউল্লাহর ছেলে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাহেরচর গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ড. মোঃ তাহেরুল ইসলাম, ১৯৫০
পূর্ব-বাংলা বোর্ডে ১৬তম স্থানখ্রিষ্টাব্দে উজানচর কে.এন. উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায়
অধিকার করেন১৬তম স্থান অধিকার করেনউনার জন্ম-১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-০২-০৭-১৯৯৩ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেরূপসদী-খানেপাড়ার অধিবাসী অধ্যাপক শ্রী অমরেশ চন্দ্র দাস, ১৯৫৭
পূর্ব-পাকিস্তান বোর্ডে ৮ম স্থানখ্রিষ্টাব্দে রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন
অধিকার করেনপরীক্ষায় ৮ম স্থান অধিকার করেনতিনি হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের
অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেনউনার জন্ম-১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী প্রকৌশলী মোঃ মমিনুল হক
কুমিল্লা বোর্ডে ৩য় স্থান অধিকার(খোকন), ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট সরকারী স্কুল হতে এস.এস.সি.
করেনপরীক্ষায় ৩য় স্থান অধিকার করেনউনার জন্ম-১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেরূপসদী গ্রামের উত্তরপাড়ার মোঃ ফরিদউদ্দিন আহমেদ, ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে
কুমিল্লা বোর্ডে ১৮তম স্থান অধিকাররূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় মেধা
করেনতালিকায় ১৮তম স্থান অধিকার করেতাঁর জন্ম-১৯৫৫ খ্রিঃ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদশদনা গ্রামের শাফিউন নাহিন শিমুল, ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর
কুমিল্লা বোর্ডে ১ম স্থান অধিকারএস.এম. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় মেধা
করেন (সমাজবিজ্ঞান বিভাগে)তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেতার জন্ম-১৯৭৮ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাখরনগর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবু সাঈদ মুহাম্মদ শহীদতিনি
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে
এম.এস. করেন এবং আমেরিকা ম্যানচেষ্টার থেকে ডাবল ফেলোশীপ লাভ
করেনউনার জন্ম-১৯৩৭ খ্রিঃ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব খোশাল দিওয়ানউনি বলদাখাল বা
প্রথম সরকারী কর্মকর্তাবরদাখাতের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ছিলেনউনার জন্ম-১৭৬০
খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৫-০১-১৮৪৪ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব খোশাল দিওয়ানের ছোট ভাই
প্রথম বিচার বিভাগে ছিলেনমুন্সেফ হোসাইন-উদ-দীন মুনশিউনার জন্ম-১৭৮০
খ্রিষ্টাব্দে,মৃত্যু-১৮৬০খ্রি.
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ীতেখোশাল দিওয়ান স্কুলটি প্রতিষ্ঠা
প্রথম কোন গ্রামে পারিবারিক স্কুলকরেন
প্রতিষ্ঠিত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বরূপসদী গ্রামের অধিবাসী দারোগা আমির-উদ-দীনঢাকার
প্রথম পুলিশ বিভাগে ছিলেনবাদামতলিতে তাঁর নির্মিত পাঁকা মসজিদ ও মাদ্রাসা আছে এবং
তিনি প্রচুর অর্থের মালিক ছিলেনউনার জন্ম-১৭৮৯ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-১৮৬২ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমরূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়ির মসজিদটি
পাঁকা মসজিদ কোনটিবর্তমানে খান সাহেব মৌঃ তুজাম্মেল আলী ওরফে মোঘল মিঞা
(সাব-বাড়ী) হিসেবে পরিচিতি লাভ করে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমরূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়িটিকে সাব-বাড়ী
সাব-বাড়ী কোনটিবলা হয়
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমখাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীন সাহেবের নামানুসারেই
দারোগা বাড়ী কোনটি(খাল্লা দারোগা বাড়ীর) নামকরণ করা হয়
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমভেলানগর গ্রামের দিওয়ানবাড়ির আবদুল্লাহ ডিপুটির বড় ছেলে ড.
শিক্ষা বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেনমাহমুদউনি ডি.পি.আই. হয়েছিলেন (পশ্চিমবাংলা, ভারত)১৯৪৭
খ্রিষ্টাব্দে দেশ-বিভাগের পর ভারতেই থেকে যানউনার জন্ম-১৯১৪
খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমভেলানগর গ্রামের দিওয়ানবাড়ির আবদুল্লাহ ডিপুটির দ্বিতীয় ছেলে
পুলিশ বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেনমোহাম্মদ মাসুদ (গেদু মিঞা)উনি আই.জি.পি. হয়েছিলেন
(পশ্চিমবাংলা, ভারত) এবং ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে দেশ-বিভাগের পর ভারতেই
থেকে যানউনার জন্ম-১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমরূপসদী গ্রামের অধিবাসী ও ঢাকা শহরের বাদামতলিতে বসবাসকারী
স্থানীয় জমিদার ছিলেনদারোগা আমির-উদ-দীন
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলীউনার জন্ম-১৮৫৮
নায়েব ছিলেনসালের ৩১ ডিসেম্বর, মৃত্যু-৩০-০৬-১৯২৫ তারিখহায়দর আলী হলো
নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদা
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথম ব্যক্তিনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর), ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ
ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি ওপরিচিতি ও দেশ-বিদেশের তথ্য-বইয়ের জন্য নয়১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে
দেশ-বিদেশের তথ্যের লেখক (১৭৮০২০০২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি (৯ম পুরুষের
থেকে ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত)বাস ভেলানগর গ্রামে) এ ধরণের কাজ বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে আর
কে করেছেন আমার জানা নেই২০১২ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ নভেম্বর তথ্য
অনুসারে, এ পর্যন্ত ভেলানগর বড়বাড়ির বংশে জন্ম হয়েছে-২,০৪০ জন,
মৃত্যুবরণ করেছে-৬৪৫ জন এবং জীবিত আছে-১,৩৯৫ জনবিদেশ,
ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য শহরসহ ভেলানগর বড়বাড়ির লোক বাস
করে-৪৩৬ জনের মধ্যে একমাত্র বিদেশে চাকুরী ও বসবাস করে ১২১ জন
এবং তালাকপ্রাপ্ত ও চলে গেছেন মোট স্ত্রীর সংখ্যা হলো-৮০ জন
জীবিত বিবাহিত মেয়েরা স্বামীরবাড়িতে বাস করে-২৬২ জন, বিবাহিত
১৩ জন মেয়ে স্বামীর বাড়ির পরিবর্তে বাবার বাড়িতে বাস করে এবং
গ্রামে বাস করে-৬১৭ জনভেলানগর বড়বাড়ির প্রকৃত লোকসংখ্যা
হলো-১,০৫৩ জনআমাদের পূর্ব-পুরুষরা আসছে নবীনগর উপজেলার
ইব্রাহিমপুর গ্রাম হতে ভেলানগর গ্রামে এসে বসতি স্থাপন করে-১৭৮০
খ্রিষ্টাব্দেনবীনগর থানার ইব্রাহিমপুর গ্রামে আসে আমাদের
পূর্ব-পুরুষরা কিশোরগঞ্জ জেলার জঙ্গলবাড়ি হতেকিশোরগঞ্জ জেলার
জঙ্গলবাড়িতে আসছে আমাদের পূর্ব-পুরুষরা ভারতের উত্তর প্রদেশ
থেকেআমাদের পূর্ব-পুরুষরা মঙ্গোলিয়া ও আফগানিস্থান থেকে
এসে মিলিত হয়েছে ভারতের উত্তর প্রদেশেএর বেশী আর কিছু জানার
চেষ্টা করিনি বা জানিও না
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে ভেলানগর বড়বাড়ির লোকসংখ্যা-২০১২
(নিবন্ধকার)-এর জানামতে লোকসংখ্যারখ্রিষ্টাব্দের ১৬ নভেম্বর, হিসেব অনুসারে জন্মগ্রহণ করে-২,০৪০ জন
দিক দিয়ে প্রথম হবে ভেলানগর(স্ত্রীসহ পুরুষ-মহিলা)এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে জীবিত
বড়বাড়ির লোকসংখ্যা-১৬-১১-২০১২আছে-১,৩৯৫ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছে ২৩২ বছরে-৬৪৫ জন৭৪ জন
তারিখ পর্যন্তস্ত্রী তালাকপ্রাপ্ত, ৬ স্ত্রী চলে গেছেন এবং ২৬২ জন মেয়ে
স্বামীরবাড়িপ্রকৃত লোক সংখ্যা-১,০৫৩ জন এরমধ্যে ৪৩৬ জন শহর ও
বিদেশে বাস করে আর গ্রামে বাস করে ৬১৬ জনবাঞ্ছারামপুর থানার
১২৪টি গ্রামের মধ্যে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর
জানামতে আর কোন বংশে এত লোক জন্মগ্রহণ করেনি এবং এত লোক
আর কোন বংশে বেঁচেও নেই এবং বাঞ্ছারামপুর থানায় আর দ্বিতীয়টি
নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ীর আবদুল্লাহ ডিপুটির তৃতীয় ছেলে
সেনাবাহিনী কর্মকর্তাকর্ণেল (অবঃ) রেযাউনার জন্ম-১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দেউনি ১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দে
কমিশন পান (বৃটিশ আর্মীেত)
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়ফরদাবাদ গ্রামের গফুর দারোগার বড় ছেলে ব্রিগেডিয়ার এম. এ.
সেনাবাহিনী কর্মকর্তাজলিল (বাচ্চু)উনি ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে
যোগদান করেন এবং ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে
অবসর গ্রহণ করে পাকিস্তানে বসবাস করেনউনার জন্ম-১৯৩৩
খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমনগরিরচর গ্রামের অধিবাসী মেজর জেনারেল (অব.) শিকদার মোঃ
সর্বোচ্চ পদে সেনাবাহিনীরশাহাবুদ্দীন, পি.এস.সি.জি.উনার জন্ম-১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দে
কর্মকর্তা ছিলেন০২-১০-২০০৮ তারিখ পর্যন্ত বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে আর কেউ