| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একজনও ছিল না |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মানিকপুর গ্রামের জনাব মোঃ আবদুল আউয়াল, পি.এস.সি. (অব.) |
| সি.এস.এস. থেকে পি.এস.সি. | উনি ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দের সি.এস.এস. প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ |
| হয়েছিলেন | হয়ে পাকিস্তান পুলিশ সার্ভিেস যোগদান করেন ও ডি.আই.জি., |
| বি.আর.টি.সি'র চেয়ারম্যান এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য |
| ছিলেন | উনার জন্ম-১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৭-০৮-১৯৮৫ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | বাড়াইল(বাহেরচর) গ্রামের মেজর (অব.) এম.এ. খালেক, পি.এস.সি. |
| (বাংলাদেশ আমলে) প্রথম পুলিশ | উনি সেনাবাহিনী থেকে ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে অবসর গ্রহণ করে, ১৯৭৬ |
| বিভাগে সর্বোচ্চ কর্মকর্তা ছিলেন | খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিেস যোগদান করে অতিরিক্ত মহা |
| পুলিশ পরিদর্শক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং অবঃ গ্রহণ করে-তিনি ১ |
| অক্টোবর, ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে (বি-বাড়িয়া-৬ আসনে) বাঞ্ছারামপুর থানার |
| সংসদ-সদস্য নির্বািচত হয়েছেন | উনার জন্ম-১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | হায়দরনগর গ্রামের মোহাম্মদ হোসেন, ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে ই.পি.সি.এস. |
| ই.পি.সি.এস. ছিলেন | হয়েছিলেন | তিনি মহা-পরিচালক(বি.আই.এম.) থেকে অবসর গ্রহণ |
| করেন | উনার জন্ম-১৯৩১, মৃত্যু-১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | খাল্লা গ্রামের মফিজ-উদ-দীন শিকদার, ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দের |
| ই.পি.সি.এস. ছিলেন | ই.পি.সি.এস. হয়েছিলেন | উনি অতিরিক্ত সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণ |
| করেন | উনার জন্ম-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২৯-০৫-২০০১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দশদনা গ্রামের মোঃ সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ ভাই), যুগ্ম-সচিব পদ |
| দু'জন ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে বি.সি.এস. | থেকে অবসর গ্রহণ করেন | উনার জন্ম-১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে | জনাব সিরাজ |
| মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন | ভাই ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দের বি.সি.এস. পরীক্ষায় ৪২০ জনের মধ্যে ১০ম স্থান |
| অধিকার করেন এবং খাল্লা গ্রামের মোঃ আমিরুল করিম (মাওলা), |
| যুগ্ম-সচিবের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন | উনার জন্ম-১৯৪৩ |
| খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিয়াদৌলত গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন) ও তাঁরই ছোট |
| কোন গ্রামের ২(দুই) ভাই ১৯৮১ | ভাই মোঃ মাহমুদুল করিম (মজনু) | তাঁরা উভয়েই যুগ্ম-সচিব |
| খ্রিষ্টাব্দে বি.সি.এস. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ | হিসেবে কর্মরত ছিলেন | ২৭-১১-২০০৫ তারিখ মোঃ শফিকুল ইসলাম |
| হয় | (মোমেন), অতিরিক্তি সচিব হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন | উনার |
| জন্ম-১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একমাত্র | দরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন), অতিরিক্ত |
| সচিব | সচিব-এর পদ থেকে ১৮-০৯-২০০৭ তারিখ সচিব পদে উন্নতি লাভ করেন |
| এবং ১৫-০২-২০০৮ সাল থেকে এল.পি.আর.-এ যান |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন), |
| (১৬-০২-২০০৮ তারিখের পর) একজনও | ১৫-০২-২০০৮ তারিখ থেকে এল.পি.আর.-এ চলে গেছেন এবং |
| সচিব পদে বহাল নেই | ১৫-০২-২০০৯ তারিখ থেকে তাঁর অবসর সময় |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিয়াদৌলত গ্রামের মরহুম মৌলভী গোলাম মোস্তফা খন্দকার-এর |
| কোন গ্রামের মহিলা ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দে | মেয়ে মিসেস ছামেনা বেগম, যুগ্ম-সচিব (পর্যটন করপোের্রশন) |
| বি.সি.এস. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার অধীবাসী অধ্যাপক ও ভাষা বিশেষজ্ঞ |
| ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিতি লাভ | মুহি-উদ-দীন আহমদ | উনার জন্ম-১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে,মৃত্যু-১৩-১২-১৯৯৬ |
| করে | তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের উত্তরপাড়ার অধীবাসী বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও |
| অর্থনীতিবিদ হিসেবে পরিচিতি লাভ | অধ্যাপক আবদুল আজীজ খান | উনার জন্ম-১৯২০, মৃত্যু-১৭-০৭-১৯৮৩ |
| করে | তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | বাখরনগর গ্রামের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক কাজী আম্বর |
| স্কুল শিক্ষক হিসেবে জাতীয় পুরস্কার | আলী, বি.এ., বি.এল., বি.টি. আলীগর | তিনি শিক্ষকতার জন্য |
| পান | পূর্ব-পকিস্তানের শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের জাতীয় পুরস্কার পান ও ২১ মরনোত্তর |
| পদকও লাভ করেন | উনার জন্ম-১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে, আজিমপুরে |
| মৃত্যু-১২-১২-১৯৯৪ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | উলুকান্দি গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক নোমান, এম. এ. (ইংরেজী), |
| কলেজ শিক্ষক হিসেবে জাতীয় পুরস্কার | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় | শিক্ষাবিদ নোমানকে ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান |
| পান | সরকার শ্রেষ্ঠ ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে খেতাব প্রদান করেন এবং তিনি |
| ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে জাতীয় ২১ পদকও লাভ করেন | উনার জন্ম-১৯২৫ |
| খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৩-০৯-১৯৯৬ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মিজানুর রহমান-নবীনগর |
| কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে | উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৭ম স্থান |
| ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৭ম স্থান | অধিকার করেন | উনার জন্ম-১৮৯৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৫-০৮-১৯৮১ |
| অধিকার | তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | কৃঞ্চনগর গ্রামের অধিবাসী ডা. মোঃ ইয়াকুব আলী ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে |
| কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে | উজানচর কে. এন. উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৩তম |
| ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৩তম স্থান | স্থান অধিকার করেন | উনার জন্ম-১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৩-০২-২০০০ |
| অধিকার | তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ১০ম | দরিকান্দি গ্রামের জনাব আ.কা.মো. যাকারিয়া-১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দে |
| স্থান (ঢাকা বোর্ডে) | ঢাকা কলেজ হতে আই.এ. পরীক্ষায় ১০ম স্থান অধিকার করেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ডক্টর মোয়াজ্জেম-উল-হক (মামুন), |
| কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১ম | ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ হতে আই. এ. পরীক্ষায় ১ম |
| স্থান অধিকার | স্থান অধিকার করেন এবং একই ব্যক্তি ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৯৪৩ |
| খ্রিষ্টাব্দে ৪র্থ স্থান অধিকার করেন | উনার জন্ম-১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ডক্টর মোয়াজ্জেম-উল-হক (মামুন) |
| হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি | মামুনের পরিচয় হলো বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম প্রফেসর মোহাম্মদ |
| বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন | সানাউল্লাহর ছেলে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | বাহেরচর গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ড. মোঃ তাহেরুল ইসলাম, ১৯৫০ |
| পূর্ব-বাংলা বোর্ডে ১৬তম স্থান | খ্রিষ্টাব্দে উজানচর কে.এন. উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় |
| অধিকার করেন | ১৬তম স্থান অধিকার করেন | উনার জন্ম-১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-০২-০৭-১৯৯৩ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | রূপসদী-খানেপাড়ার অধিবাসী অধ্যাপক শ্রী অমরেশ চন্দ্র দাস, ১৯৫৭ |
| পূর্ব-পাকিস্তান বোর্ডে ৮ম স্থান | খ্রিষ্টাব্দে রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন |
| অধিকার করেন | পরীক্ষায় ৮ম স্থান অধিকার করেন | তিনি হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের |
| অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন | উনার জন্ম-১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী প্রকৌশলী মোঃ মমিনুল হক |
| কুমিল্লা বোর্ডে ৩য় স্থান অধিকার | (খোকন), ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট সরকারী স্কুল হতে এস.এস.সি. |
| করেন | পরীক্ষায় ৩য় স্থান অধিকার করেন | উনার জন্ম-১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | রূপসদী গ্রামের উত্তরপাড়ার মোঃ ফরিদউদ্দিন আহমেদ, ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে |
| কুমিল্লা বোর্ডে ১৮তম স্থান অধিকার | রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় মেধা |
| করেন | তালিকায় ১৮তম স্থান অধিকার করে | তাঁর জন্ম-১৯৫৫ খ্রিঃ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দশদনা গ্রামের শাফিউন নাহিন শিমুল, ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর |
| কুমিল্লা বোর্ডে ১ম স্থান অধিকার | এস.এম. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় মেধা |
| করেন (সমাজবিজ্ঞান বিভাগে) | তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে | তার জন্ম-১৯৭৮ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | বাখরনগর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবু সাঈদ মুহাম্মদ শহীদ | তিনি |
| টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন | ১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন | ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে |
| এম.এস. করেন এবং আমেরিকা ম্যানচেষ্টার থেকে ডাবল ফেলোশীপ লাভ |
| করেন | উনার জন্ম-১৯৩৭ খ্রিঃ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব খোশাল দিওয়ান | উনি বলদাখাল বা |
| প্রথম সরকারী কর্মকর্তা | বরদাখাতের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ছিলেন | উনার জন্ম-১৭৬০ |
| খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৫-০১-১৮৪৪ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব খোশাল দিওয়ানের ছোট ভাই |
| প্রথম বিচার বিভাগে ছিলেন | মুন্সেফ হোসাইন-উদ-দীন মুনশি | উনার জন্ম-১৭৮০ |
| খ্রিষ্টাব্দে,মৃত্যু-১৮৬০খ্রি. |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ীতে | খোশাল দিওয়ান স্কুলটি প্রতিষ্ঠা |
| প্রথম কোন গ্রামে পারিবারিক স্কুল | করেন |
| প্রতিষ্ঠিত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব | রূপসদী গ্রামের অধিবাসী দারোগা আমির-উদ-দীন | ঢাকার |
| প্রথম পুলিশ বিভাগে ছিলেন | বাদামতলিতে তাঁর নির্মিত পাঁকা মসজিদ ও মাদ্রাসা আছে এবং |
| তিনি প্রচুর অর্থের মালিক ছিলেন | উনার জন্ম-১৭৮৯ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-১৮৬২ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়ির মসজিদটি |
| পাঁকা মসজিদ কোনটি | বর্তমানে খান সাহেব মৌঃ তুজাম্মেল আলী ওরফে মোঘল মিঞা |
| (সাব-বাড়ী) হিসেবে পরিচিতি লাভ করে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়িটিকে সাব-বাড়ী |
| সাব-বাড়ী কোনটি | বলা হয় |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | খাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীন সাহেবের নামানুসারেই |
| দারোগা বাড়ী কোনটি | (খাল্লা দারোগা বাড়ীর) নামকরণ করা হয় |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ানবাড়ির আবদুল্লাহ ডিপুটির বড় ছেলে ড. |
| শিক্ষা বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | মাহমুদ | উনি ডি.পি.আই. হয়েছিলেন (পশ্চিমবাংলা, ভারত) | ১৯৪৭ |
| খ্রিষ্টাব্দে দেশ-বিভাগের পর ভারতেই থেকে যান | উনার জন্ম-১৯১৪ |
| খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ানবাড়ির আবদুল্লাহ ডিপুটির দ্বিতীয় ছেলে |
| পুলিশ বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | মোহাম্মদ মাসুদ (গেদু মিঞা) | উনি আই.জি.পি. হয়েছিলেন |
| (পশ্চিমবাংলা, ভারত) এবং ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে দেশ-বিভাগের পর ভারতেই |
| থেকে যান | উনার জন্ম-১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | রূপসদী গ্রামের অধিবাসী ও ঢাকা শহরের বাদামতলিতে বসবাসকারী |
| স্থানীয় জমিদার ছিলেন | দারোগা আমির-উদ-দীন |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | ভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলী | উনার জন্ম-১৮৫৮ |
| নায়েব ছিলেন | সালের ৩১ ডিসেম্বর, মৃত্যু-৩০-০৬-১৯২৫ তারিখ | হায়দর আলী হলো |
| নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদা |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথম ব্যক্তি | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর), ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ |
| ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি ও | পরিচিতি ও দেশ-বিদেশের তথ্য-বইয়ের জন্য নয় | ১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে |
| দেশ-বিদেশের তথ্যের লেখক (১৭৮০ | ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি (৯ম পুরুষের |
| থেকে ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত) | বাস ভেলানগর গ্রামে) এ ধরণের কাজ বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে আর |
| কে করেছেন আমার জানা নেই | ২০১২ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ নভেম্বর তথ্য |
| অনুসারে, এ পর্যন্ত ভেলানগর বড়বাড়ির বংশে জন্ম হয়েছে-২,০৪০ জন, |
| মৃত্যুবরণ করেছে-৬৪৫ জন এবং জীবিত আছে-১,৩৯৫ জন | বিদেশ, |
| ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য শহরসহ ভেলানগর বড়বাড়ির লোক বাস |
| করে-৪৩৬ জনের মধ্যে একমাত্র বিদেশে চাকুরী ও বসবাস করে ১২১ জন |
| এবং তালাকপ্রাপ্ত ও চলে গেছেন মোট স্ত্রীর সংখ্যা হলো-৮০ জন |
| জীবিত বিবাহিত মেয়েরা স্বামীরবাড়িতে বাস করে-২৬২ জন, বিবাহিত |
| ১৩ জন মেয়ে স্বামীর বাড়ির পরিবর্তে বাবার বাড়িতে বাস করে এবং |
| গ্রামে বাস করে-৬১৭ জন | ভেলানগর বড়বাড়ির প্রকৃত লোকসংখ্যা |
| হলো-১,০৫৩ জন | আমাদের পূর্ব-পুরুষরা আসছে নবীনগর উপজেলার |
| ইব্রাহিমপুর গ্রাম হতে ভেলানগর গ্রামে এসে বসতি স্থাপন করে-১৭৮০ |
| খ্রিষ্টাব্দে | নবীনগর থানার ইব্রাহিমপুর গ্রামে আসে আমাদের |
| পূর্ব-পুরুষরা কিশোরগঞ্জ জেলার জঙ্গলবাড়ি হতে | কিশোরগঞ্জ জেলার |
| জঙ্গলবাড়িতে আসছে আমাদের পূর্ব-পুরুষরা ভারতের উত্তর প্রদেশ |
| থেকে | আমাদের পূর্ব-পুরুষরা মঙ্গোলিয়া ও আফগানিস্থান থেকে |
| এসে মিলিত হয়েছে ভারতের উত্তর প্রদেশে | এর বেশী আর কিছু জানার |
| চেষ্টা করিনি বা জানিও না |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে ভেলানগর বড়বাড়ির লোকসংখ্যা-২০১২ |
| (নিবন্ধকার)-এর জানামতে লোকসংখ্যার | খ্রিষ্টাব্দের ১৬ নভেম্বর, হিসেব অনুসারে জন্মগ্রহণ করে-২,০৪০ জন |
| দিক দিয়ে প্রথম হবে ভেলানগর | (স্ত্রীসহ পুরুষ-মহিলা) | এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে জীবিত |
| বড়বাড়ির লোকসংখ্যা-১৬-১১-২০১২ | আছে-১,৩৯৫ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছে ২৩২ বছরে-৬৪৫ জন | ৭৪ জন |
| তারিখ পর্যন্ত | স্ত্রী তালাকপ্রাপ্ত, ৬ স্ত্রী চলে গেছেন এবং ২৬২ জন মেয়ে |
| স্বামীরবাড়ি | প্রকৃত লোক সংখ্যা-১,০৫৩ জন এরমধ্যে ৪৩৬ জন শহর ও |
| বিদেশে বাস করে আর গ্রামে বাস করে ৬১৬ জন | বাঞ্ছারামপুর থানার |
| ১২৪টি গ্রামের মধ্যে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর |
| জানামতে আর কোন বংশে এত লোক জন্মগ্রহণ করেনি এবং এত লোক |
| আর কোন বংশে বেঁচেও নেই এবং বাঞ্ছারামপুর থানায় আর দ্বিতীয়টি |
| নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ীর আবদুল্লাহ ডিপুটির তৃতীয় ছেলে |
| সেনাবাহিনী কর্মকর্তা | কর্ণেল (অবঃ) রেযা | উনার জন্ম-১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে | উনি ১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দে |
| কমিশন পান (বৃটিশ আর্মীেত) |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | ফরদাবাদ গ্রামের গফুর দারোগার বড় ছেলে ব্রিগেডিয়ার এম. এ. |
| সেনাবাহিনী কর্মকর্তা | জলিল (বাচ্চু) | উনি ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে |
| যোগদান করেন এবং ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে |
| অবসর গ্রহণ করে পাকিস্তানে বসবাস করেন | উনার জন্ম-১৯৩৩ |
| খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | নগরিরচর গ্রামের অধিবাসী মেজর জেনারেল (অব.) শিকদার মোঃ |
| সর্বোচ্চ পদে সেনাবাহিনীর | শাহাবুদ্দীন, পি.এস.সি.জি. | উনার জন্ম-১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দে |
| কর্মকর্তা ছিলেন | ০২-১০-২০০৮ তারিখ পর্যন্ত বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে আর কেউ |