দাখিল মাদ্রাসা
এ উপজেলার ২৬তম প্রতিষ্ঠান কোনটি১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি, তেজখালী কাজী এম.এ. মালেক দাখিল
মাদ্রাসা
এ উপজেলার ২৭তম প্রতিষ্ঠান কোনটি১৯৯৯ সালের ১২ আগস্ট, আইয়ূবপুর তাজুল ইসলাম জুনিয়র সেকেন্ডারী
স্কুল
এ উপজেলার ২৮তম প্রতিষ্ঠান কোনটি২০০২ সালের ১ জানুয়ারি, শাহ রাহাত আলী দাখিল মাদ্রাসা
এ উপজেলার ২৯তম প্রতিষ্ঠান কোনটি২০০২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, হাইদারনগর টি.পি. দাখিল মাদ্রাসা
এ উপজেলার ৫ম কলেজ২০০২ সালের ৩ জুলাই, রূপসদী সুজন দুলু কলেজ
এ উপজেলার ৩০তম প্রতিষ্ঠান কোনটি২০১০ সালের ১ জানুয়ারি, পূর্বহাটি তাজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়
এ উপজেলার ৩১তম প্রতিষ্ঠান কোনটি২০১২ সালের ১ জানুয়ারি, আকানগর তাজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়
এ উপজেলার ৩২তম প্রতিষ্ঠান কোনটি২০১৩ সালে মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়
এ উপজেলার ৩৩তম প্রতিষ্ঠান কোনটি২০১৩ সালে সোনারামপুর তাজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়
উপরোক্ত উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায়(১) স্কুল-১৯,৯৬৫(উনিশ হাজার নয়শত পঁয়সট্টি) জন
ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কতজন ২০১৪ সালে(২) মাদ্রাসায়-২,৮০০(দুই হাজার আটশত)জনমোট=২২,৭৬৫(বাইশ হাজার
সাতশত পঁসট্টি) জন
বাঞ্ছারামপুরে কতজন বা কতভাগ২২,৭৬৫ জন ছাত্র-ছাত্রী বা শতকরা ৬.৫০ ভাগ ছেলে-মেয়ে পড়ালেখা করে
ছেলে-মেয়ে উচ্চ বিদ্যালয় ওউচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় গড়ের সমান ছেলে-মেয়ে পড়ালেখা করে
মাদ্রাসাগুলোতে লেখাপড়া করে
বাংলাদেশে কতজন ছেলে-মেয়ে উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় পড়ালেখা করে১,০৭,০০,০০০(এক কোটি)
ছেলে-মেয়ে
২০১৪ সালের পরিসংখ্যান উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় শতকরা কতভাগশতকরা ৬.২৯ ভাগ
ছেলে-মেয়ে পড়ালেখা করে
বাংলাদেশে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন থেকে উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায়২,৫০,০০,০০০(দুই কোটি পঁঞ্চাশ
লেখাপড়া করতে পারে নালক্ষ)
প্রাইমারী ও কিন্ডাগার্টেনগুলো থেকে ঝড়ে যায় শতকরা কতভাগ ছেলে-মেয়েশতকরা ১৪.৭০ ভাগ ছেলে-মেয়ে
২০১৩ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন১,৬৭১ জন
২০১৩ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাস করেন১,৬৩৬ জন
২০১৩ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতভাগ পাস করেন০.৪৭ ভাগ
২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে১৩,০৩,২০৩
২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় কতভাগ অংশ নেয়০.৭৭ ভাগ
২০১৩ সালে জাতীয় গড়ে বাঞ্ছারামপুরবাসী পায় বাংলাদেশের ৪৮৬ ভাগের এক ভাগ২,৬৮২ জন
পরীক্ষার্থী মানে ২,৬৮২ জন পরীক্ষার্থী
২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাস করেন কতজন১১,৬৯,২০৪জন
২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাস করেন কতভাগ ছাত্র-ছাত্রী০.৬৯ ভাগ
ছাত্র-ছাত্রী
২০১৩ সালে এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাসের গড়ে বাংলাদেশের ৪৮৬ ভাগের এক ভাগ২,৪০৬ জন ছাত্র-ছাত্রী
বাঞ্ছারামপুরবাসী পাইলে হইত ২,৪০৬ জন
২০১৩ সালে এস.এস.সি. পাসের গড়ে বাঞ্ছারামপুরবাসী পেয়েছে বাংলাদেশের ৭১৫ ভাগের১,৬৩৬ জন
এক ভাগছাত্র-ছাত্রী
২০১৪ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন১,৮২২ জন
২০১৪ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন২৩৩ জন
২০১৪ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় কারিগরি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন২৪০ জন= =২,২৯৫ জন
২০১৪ সালে এস.এস.সি. পাস=১৩৬৮ জন + দাখিল পাস=২০৫ জন + কারিগরি পাস=২০২=১,৭৭৫ জন
জন=১,৭৭৫ জন পাস করেছে
২০১৩ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতভাগ পাস করেন০.৪৭ ভাগ
২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে১৩,০৩,২০৩
২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় কতভাগ অংশ নেয়০.৭৭ ভাগ
২০১৩ সালে জাতীয় গড়ে বাঞ্ছারামপুরবাসী পায় বাংলাদেশের ৪৮৬ ভাগের এক ভাগ২,৬৮২ জন
পরীক্ষার্থী মানে ২,৬৮২ জন পরীক্ষার্থী
২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাস করেন কতজন১১,৬৯,২০৪জন
২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাস করেন কতভাগ ছাত্র-ছাত্রী০.৬৯ ভাগ
ছাত্র-ছাত্রী
২০১৩ সালে এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাসের গড়ে বাংলাদেশের ৪৮৬ ভাগের এক ভাগ২,৪০৬ জন ছাত্র-ছাত্রী
বাঞ্ছারামপুরবাসী পাইলে হইত ২,৪০৬ জন
২০১৩ সালে এস.এস.সি. পাসের গড়ে বাঞ্ছারামপুরবাসী পেয়েছে বাংলাদেশের ৭১৫ ভাগের১,৬৩৬ জন
এক ভাগছাত্র-ছাত্রী
বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতজন ছেলে-মেয়ে ইন্টারমেডিয়েট ও সমমান পড়ালেখা করে১৫০০ জন
বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতভাগ ছেলে-মেয়ে কলেজ ও সমমান-এ পড়ালেখা করেশতকরা ০.৪৩ ভাগ
বাংলাদেশে ২০১৩ সালে ১১,০০,০০০ লক্ষ ছেলে-মেয়ে কলেজ ও সমমানে লেখাপড়া করেশতকরা ০.৬৫ ভাগ
বাংলাদেশের হারে করলে বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতভাগ ছেলে-মেয়ে কলেজ ও সমমান-এ২,২৬৩ জন
পড়ালেখা করতো
২০১৪ সালে বাংলাদেশের হারে লেখাপড়া করলে ইন্টারমেডিয়েট ও সমমান-এ কতভাগশতকরা ০.৬৫ ভাগ
ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করত
বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতজন ছেলে-মেয়ে উচ্চ শিক্ষায় পড়ালেখা করে৯০০ জন
বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতভাগ ছেলে-মেয়ে উচ্চ শিক্ষায় পড়ালেখা করে০.৩০ ভাগ
বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রথম বর্ষে ৬,০০,০০০(ছয় লক্ষ) ছেলে-মেয়ে উচ্চ শিক্ষায় লেখাপড়াশতকরা ০.৩৫ ভাগ
করে
বাংলাদেশের হারে বাঞ্ছারামপুরবাসী কতজন ছেলে-মেয়ে উচ্চ শিক্ষায় পড়ালেখা করতো১,২৩৫ জন বা ০.৩৫
ভাগ
২০১৪ সালে ১০টি বোর্ডে এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে১৪,২৬,০০০ জন
ছেলে-মে
২০১৪ সালে বাঞ্ছারামপুরে বাস করে-৩,০০,০০০ জন বা বাংলাদেশের ৫৩৩.৩৩ ভাগের এক২,৯৩৪ জন পরীক্ষার্থী
ভাগ লোক, সে হিসেবে হলে গড়েহয়
২০১৪ সালের এস.এস.সি. পরীক্ষায় কতজন ছাত্র-ছাত্রীর অংশগ্রহণ১,৮২৭ জন
২০১৪ সালে এস.এস.সি. মাদ্রিাসা বোর্ডে অংশগ্রহণ করেছে২৩৪ জন
২০১৪ সালে এস.এস.সি. ও মাদ্রাসা বোর্ড থেকে পরীক্ষায় মোট কতজন অংশগ্রহণ করেছে=২,০৬১ জন
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ২০১৫২০,৫৭৭(বিশ হাজার পাঁচশত সাতাত্তর) জনবর্তমানে এন্ট্রান্স পাশ করা
খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে এন্ট্রান্স,লোক একজনও আমাদের উপজেলায় বেঁচে নেই১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এন্ট্রান্স
ম্যাট্রিকুলেশন ও এস.এস.সি.পরীক্ষা ছিল, ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা শুরু এবং শেষ হয়
পাশের সংখ্যা কত১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে তারপর ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে এস.এসসি. পরীক্ষা শুরু হয়...
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগশতকরা ৬.৮৬ ভাগ মানুষ
মানুষ ম্যাট্রিক ও এস.এস-সি. পাস
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে এইচ.এস.সি. ও সমমান পাশের সংখ্যা১০,০০০(দশ হাজার) জন
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ মানুষ এইচ.এস-সি. ও সমমানশতকরা ৩.৩৩ ভাগ মানুষ
পাস
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে বি.এ., বি.এস-সি., বি.কম. ও৫,৯৩৫(পাঁচ হাজার নয়শত পঁয়ত্রিশ) জন
সমমান-এর সংখ্যা কত
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ মানুষ বি.এ., বি.এস-সি.,শতকরা ১.৯৮ ভাগ মানুষ
বি.কম. বিবিএ ও সমমান পাস
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে এম.এ., এম.এস-সি., এম.কম.,৩,০৬৭(তিন হাজার সাষট্রি) জন
এমবিএ. ও সমমান-এর সংখ্যা কত
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ মানুষ এম.এ., এম.এস-সি.,শতকরা ১.০২ ভাগ মানুষ
এম.কম. এমবিএ ও সমমান পাস
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে প্রায় ৩,৫০০(তিন
(জীবিত ও মৃতসহ)হাজার পাঁচশত) ১ম এবং দ্বিতীয় শ্রেণীর অফিসার আছেশহর ও গ্রামসহ জীবিত এবং
অফিসারের সংখ্যা কতমৃতসহ একমাত্র ভেলানগর গ্রামের অফিসারের সংখ্যা হলো-১৫০ জন
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রাম, শহর এবং বিদেশসহ
কতজন লোক দোকানধারী ব্যবসারপ্রায় ১০,৯৫০(দশ হাজার নয়শত পঞ্চাশ) জন লোক দোকানধারী ব্যবসার
সাথে জড়িতসাথে জড়িত
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রাম, শহর এবং বিদেশসহ
কতজন লোক ব্যবসা করেপ্রায় ৮,০১১(আট হাজার এগার) জন ব্যবসার সাথে জড়িত
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রাম, শহর এবং বিদেশসহ
কতজন লোক চাকরি করেপ্রায় ৫০(পঁঞ্চাশ) হাজার লোক চাকরির সাথে জড়িত
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের প্রায় ৩০ ভাগ
কৃষির সাথে জড়িতলোক কৃষির সাথে জড়িত
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের প্রায় ৪০ ভাগ
লোক কৃষির উপর নির্ভরশীললোক কৃষির উপর নির্ভরশীল
নিজ জমির ফসল খায়২৫ ভাগ লোক সারা বছর
নিজ জমির ফসল খায়২৫ ভাগ লোক তিন থেকে ছয় মাস
নিজ জমির ফসল খায় না৫০ ভাগ লোক
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের প্রায় ৮০ ভাগ
লোক ভূমিহীনলোক ভূমিহীন
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বসবাস করে তাঁদের মাথাপিছু আয় হবে-৪৫০
মাথাপিছু আয় কতডলারবাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় হলো-১৩১৬ ডলার
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর,বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ৬৬.৬৬ ভাগ জমি
পর্যন্ত কতভাগ জমি সেচের আওতায়সেচের আওতায় আসে
আসে
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ৬৬.৬৬ ভাগ জমি
কতভাগ জমি ট্রাক্টর দ্বারা চাষ হয়ট্রাক্টর দ্বারা চাষ করা হয়
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের কর্মক্ষম বেকার ১৮
কতভাগ লোক বেকার(ছেলে-মেয়ে)বছর বয়স পর্যন্ত হলো-৪০ ভাগ লোক
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ৫০ ভাগ লোক
কতভাগ লোক বিদ্যুৎ সুবিধা পেয়েছেবিদ্যুৎ সুবিধা পায়বাংলাদেশে ৪৭ ভাগ বিদ্যুৎ সুবিধা পায়
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ২৫ ভাগ লোক
কতভাগ লোক চাকরির উপর নির্ভরশীলচাকরির উপর নির্ভরশীল
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ২০ ভাগ লোক
কতভাগ লোক ব্যবসার উপর নির্ভরশীলব্যবসার উপর নির্ভরশীল
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ২০ ভাগ লোক
কতভাগ লোক বিদেশী টাকার উপরবিদেশী টাকার উপর নির্ভরশীল
নির্ভরশীল
বাঞ্ছারামপুর থানার কতজন লোক বিশবাঞ্ছারামপুর থানার প্রতিটি গ্রামে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেছে যে,
শতকের পূর্বে শহরে লেখাপড়া করতেবিশ শতকের পূর্বে এ থানার বাহিরে লেখাপড়া করতে যায় প্রায়
যায়২০১(দুইশত এক) জন ব্যক্তি
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর,বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ৮০ ভাগ মহিলা
পর্যন্ত কতভাগ মহিলা জন্ম-নিয়ন্ত্রণজন্ম-নিয়ন্ত্রণ মেনে চলে
মেনে
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ২৫ ভাগ লোকের
কতভাগ লোকের স্বাস্থ্যসম্মত বাসস্থানস্বাস্থ্যসম্মত বাসস্থান আছে
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর,বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ৪০ ভাগ লোকের
পর্যন্ত কতভাগ লোকের স্বাস্থ্যসম্মতস্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট আছে
টয়লেট
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ৮০ ভাগ লোক
লোক স্বাস্থ্যসম্মত পানি পান করেস্বাস্থ্যসম্মত পানি পান করে
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর,বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ৬ ভাগ লোক
কতভাগ লোক রাতকানা রোগে ভোগেরাতকানা রোগে ভোগে
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর,বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ৫ ভাগ লোক
কতভাগ লোক নেশাগ্রস্থনেশাগ্রস্থ
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর,বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামে ও শহরে যারা
কতভাগ লোক হেপাটাইটিস-বিবসবাস করে তাঁদেরসহ ১০ ভাগ লোক হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসে আক্রান্ত
ভাইরাসে আক্রান্ত
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ লোকবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামে ও শহরে যারা
ক্যান্সার-এ আক্রান্তবসবাস করে তাদেরসহ ১ ভাগ লোক ক্যান্সার-এ আক্রান্ত
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ কিডনীবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামে ও শহরে যারা
রোগী বিনা চিকিৎসায় মারা যানবসবাস করে তাদেরসহ ৯৫ ভাগ কিডনী রোগী বিনা চিকিৎসায় মারা যান
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ লোকবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামে ও শহরে যারা
থ্যালাসেমিয়া রোগের জিন বহন করছেবসবাস করে তাদেরসহ প্রায় ৭ ভাগ লোক থ্যালাসেমিয়া রোগের জিন বহন
করছে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টিবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে প্রায়-৯০টি
ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে কয়টিনামের বংশ পরিচিতি পাওয়া যায়:-যেমন-বড়বাড়ি, ভূইয়া বাড়ী, দেওয়ান
বংশ পাওয়া যায়বাড়ী, খাঁ বাড়ী, শিকদার বাড়ী, কাজী বাড়ী, খন্দকার বাড়ী, চৌধুরী
বাড়ী, মিয়া বাড়ী, মীর বাড়ী, হাঁজী বাড়ী, মাঝি বাড়ী, বেগ বাড়ী,
মির্যা বাড়ী, গাঁজী বাড়ী, তালুকদার বাড়ী, মোল্লা বাড়ী, উকিল
বাড়ী, মোক্তার বাড়ী, মাষ্টার বাড়ী, প্রফেসর বাড়ী, আমীন বাড়ী, সরকার
বাড়ী, সৈয়দ বাড়ী, ব্যাপারী বাড়ী, মুন্সেফ বাড়ী, কালেক্টর বাড়ী, জজ
বাড়ী, ডিপটি বাড়ী, কেরাণী বাড়ী, পেশকার বাড়ী, কাননগো বাড়ী,
হাবিলদার বাড়ী, মেম্বার বাড়ী, চেয়ারম্যান বাড়ী, প্রেসিযেন্ট বাড়ী,
এম.পি'র বাড়ী, মন্ত্রীর বাড়ী, সাব-রেজিস্ট্রার বাড়ী, ঘোষ বাড়ী, সাহা
বাড়ী, যোগী বাড়ী, নাথ বাড়ী, কৈবর্ত বাড়ী, দাস বাড়ী, পাল বাড়ী,
দত্ত বাড়ী, রায় বাড়ী, ঠাকুর বাড়ী, পোদ্দার বাড়ী, শীল বাড়ী, গোসাই
বাড়ী, তাঁতী বাড়ী, কামার বাড়ী, কুমার বাড়ী, মিস্ত্রী বাড়ী, মুঁচি
বাড়ী, ঋৃষি বাড়ী, বাঁজাইন্না বাড়ী, নাগারইরর্সা বাড়ী, ওস্তা বাড়ী
(হাযম বাড়ী), সাব-বাড়ী, হাওলাদার বাড়ী, সৈনিক বাড়ী, সারেং বাড়ী,
দারোগা বাড়ী, নায়েব বাড়ী, পন্ডিত বাড়ী, বকস বাড়ী, ডাক্তার বাড়ী,
কবিরাজ বাড়ী, ইঞ্জিনিয়ার বাড়ী, খলিফা বাড়ী, মুন্সিবাড়ী, মৌলভী
বাড়ী, মোয়াজ্জিন বাড়ী, ইমাম বাড়ী, ফকির বাড়ী, পীর বাড়ী, দরবেশ
বাড়ী, ভূতের বাড়ী, জ্বীন বাড়ী, জমিদার বাড়ী, ওযা বাড়ী, আলগা
বাড়ী, খোদাই বাড়ী, ওস্তাকার বাড়ী, সৈয়ল বাড়ী, সর্দার বাড়ী,
চকিদার বাড়ী, দফাদার বাড়ী, কসাই বাড়ী ইত্যাদিএছাড়াও অসংখ্য নাম
না জানা বংশ বা বাড়ী আছে বাঞ্ছারামপুর
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টিবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে গ্রামে এবং