১৯৮৬ সালের ৭ মে, বাঞ্ছারামপুর থানার ৩য় জাতীয়কদমতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব সহিদুর রহমান
সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.)তাঁর জন্ম-১৯৫০ সালে
ছিলেন
১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ, বাঞ্ছারামপুর থানার ৪র্থডোমরাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. ওয়ালি
জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধিআশরাফউনার জন্ম-১৯৩৭ সালে, মৃত্যু-১৯-১১-১৯৯৪
(এম.পি.) ছিলেনতারিখ
১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর থানারডোমরাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. ওয়ালি
৫ম জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচতআশরাফউনার জন্ম-১৯৩৭ সালে, মৃত্যু-১৯-১১-১৯৯৪
প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেনতারিখ
১৯৯৪ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার ৫ম১৯৯৪ সালের জাতীয় সংসদ-সদস্য উপ-নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি
জাতীয় সংসদ-সদস্য উপ-নির্বাচনেহলেন রূপসদী গ্রামের মরহুম মোঃ শাহজাহান হাওলাদার (সূজন) তাঁর
নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেনজন্ম-১৯৬৫ সালে, মৃত্যু-০৩-০৭-২০০১ তারিখ
১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর থানার১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে
৬ষ্ঠ জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচতনির্বািচত প্রতিনিধি হলেন রূপসদী গ্রামের মোঃ শাহজাহান
প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেনহাওলাদার (সূজন)তাঁর জন্ম-১৯৬৫ সালে,
মৃত্যু-০৩-০৭-২০০১ তারিখ
১৯৯৬ সালের ১২ জুনের, বাঞ্ছারামপুর থানার ৭মপাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি.
জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচততাজুল ইসলাম (তরু/তাজ)তাঁর জন্ম-১৯৪৬ সালের ১৮ জুন
প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন
২০০১ সালের ১ অক্টোবর, বাঞ্ছারামপুরবাড়াইলচর(বাহেরচর) গ্রামের অধিবাসী জনাব এম.এ. খালেক, পি.এস.সি.
থানার ৮ম জাতীয় সংসদ-সদস্য(বাংলাদেশ আমলে ১৯৭৩, ১৯৭৯, ১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯১, ১৯৯৬ সালের ১৫
নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধিফেব্রুয়ারি, ১৯৯৬ সালের ১২ জুন, ২০০১ সালের ১ অক্টোবরউনার
(এম.পি.) হলেনজন্ম-১৯৩৮ সালে
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর,পাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ বাঞ্ছারামপুর উপজেলা(তরু/তাঁজ)তাঁর জন্ম-১৯৪৬ সালের ১৮ জুনদ্বিতীয়বার তিনি
এবং নবীনগর উপজেলারব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার
আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দিআংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি ইউনিয়ন) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের
ইউনিয়ন-এর ৯ম জাতীয় সংসদ-সদস্যমুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হন ০৬-০১-২০০৯ তারিখবাঞ্ছারামপুর
নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধিউপজেলাবাসীর মধ্যে মন্ত্রী হওয়ার দিক থেকে তিনি দ্বিতীয় ব্যক্তি
(এম.পি.) হলেন
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬পাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলারইসলাম (তরু/তাঁজ)তাঁর জন্ম-১৯৪৬ সালের ১৮ জুন
আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি ইউনিয়ন-এর ১০মতৃতীয়বার তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬(বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এবং
জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়নবীনগর উপজেলার আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি ইউনিয়ন)
নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) হলেন
১৯৮৫ সালে বাঞ্ছারামপুর১৯৮৫ সালে উপজেলা পদ্ধতি চালু হওয়ার পর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে
উপজেলার প্রথম উপজেলা পরিষদমানিকপুর গ্রামের অধিবাসী প্রাক্তন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য ও ডি.
চেয়ারম্যান নির্বাচনে নির্বািচতআই. জি. (অব.) মরহুম এম. এ. আউয়াল, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম উপজেলা
চেয়ারম্যান ছিলেনচেয়ারম্যান নির্বািচত হনউনার জন্ম-১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৭-০৮-১৯৮৫
তারিখ
১৯৮৬ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার১৯৮৬ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান
প্রথম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানউপ-নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান হন দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ড.
উপ-নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যানএ. ডবিস্নও. এম. আবদুল হক
ছিলেন
১৯৯০ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দ্বিতীয়বুধাইরকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ দুদ মিঞা মাষ্টার
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনেএরপর আর উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নিউনার জন্ম-১৯৪৩
নির্বািচত চেয়ারম্যান ছিলেনখ্রিষ্টাব্দে
২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি বাঞ্ছারামপুরদশদনা গ্রামের জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)
উপজেলার তৃতীয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানউনি বাংলাদেশ সরকারের যুগ্ম-সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন
নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান হলেন
২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারিদরিয়াদৌলত গ্রামের ডলি আক্তার (আওয়ামী লীগ) ও জনাব মোঃ শফিকুল
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তৃতীয় উপজেলাইসলাম (আওয়ামী লীগ)শফিকুল ইসলাম মারা গেছেন ০২-০৮-২০১০
পরিষদ নির্বাচনে প্রথম নির্বািচততারিখ
দু'জন ভাইস-চেয়ারম্যান-এর মধ্যেউপজেলা পরিষদে এবারই একজন পুরুষ ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদ সৃষ্টি
একজন পুরুষ ও একজন মহিলা:হয়েছে
২০১৪ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ৪র্থ উপজেলা পরিষদমানিকপুর গ্রামের মো: নুরুল ইসলামবাঞ্ছারামপুর
চেয়ারম্যান নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান হলেনউপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম ব্যক্তি ঢাকাফরদবাদ গ্রামের অধিবাসী (বর্তমান ধানমন্ডি, ভূতেরগুলির বাসিন্দা)
শহরের আজিমপুর ইউনিয়ন পরিষদেরআলহাজ্জ মোঃ ইউনুস মিঞাউনার জন্ম-১৯০১ সালে, মৃত্যু-২৭-১১-১৯৭৭
চেয়ারম্যান ছিলেনতারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম পন্ডিত আবদুল হাকিম ও মরহুমা মিসেস
সর্বপ্রথম ঢাকা শহরে বইয়েরআমেনা বেগমের পুত্রদ্বয় জনাব মোঃ ইদন মিঞা ও মরহুম মোঃ মিদন
লাইব্রেরী কাদের ছিলমিঞা-তারা উভয়ে ১৯৪৭ সাল থেকে ঢাকার ইসলামপুরে সিটি পাবলিসার
নামে লাইব্রেরী দিয়েছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেভেলানগর গ্রামের আবদুল মান্নান (কেনু মিঞা), ১৯৬৪ সালে লন্ডন চলে
সর্বপ্রথম সবচেয়ে দামী বিল্ডিংযানগ্রামের বাড়ীতে উনার ছেলেরা ভেলানগর সরকারবাড়ীতে দুই কোটি
গ্রামের বাড়ীতে কে তৈরী করেনটাকার উপরে খরচ করে বিদেশী মডেলে একটি দ্বোতালা বিল্ডিং তৈরী
করেছে-২০০৪ খ্রিষ্টাব্দেউনার জন্ম-১৯২২, মৃত্যু-১৭-১০-২০০১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে২০০৪ সালে রূপসদী গ্রামের সরকারবাড়ীর সাথে তিনতলা (৭,০০০ হাজার)
সর্বপ্রথম সবচেয়ে বড় হসপিটাল প্রথমবর্গফুট আয়তনের মাহবুবুর রহমান মেমোরিয়াল হসপিটাল প্রতিষ্ঠিত হয়
কোন গ্রামে প্রতিষ্ঠিত করেনপ্রতিষ্ঠাতা হলেন-জনাব মোঃ মজিবুর রহমান, মোঃ শফিকুর রহমান, মো:
আতিকুর রহমান ও অন্যান্য ভাইয়েরা মিলিতভাবে বাবার নামে এ হসপিটাল
প্রতিষ্ঠা করেন
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণবাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতি প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাঞ্ছারামপুর গ্রামের অধিবাসী
সমিতির প্রথম অফিসকলাবাগান-এ বর্তমান নিবাসী মরহুম মোঃ যাকারিয়ার গ্রীণ রোডস্থ দোকানে এবং
কোথায় ছিলতাঁর কলাবাগানের বাসায় সমিতির অস্থায়ী অফিস হিসেবে প্রায় ৩(তিন) বছরের মত
সময় ব্যবহার করা হয়
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণবাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির অফিস মিরপুর গ্রামের অধিবাসী মেজর (অব.) এস.
সমিতির অফিস দীর্ঘ সময়এ. মান্নান সাহেবের বাসায় (৭৪, নর্থ রোড, ভূতেরগুলি, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫)
কোথায় ছিলসমিতির অফিসের কাজ-কর্ম করা হয় এবং রেজিষ্টার্ড অফিস হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে
প্রায় ২৪ বছর যাবত মেজর (অব.) এস. এ. মান্নান ও উনার স্ত্রী আসিয়া খাতুন
সমিতির কল্যাণে ঢাকা প্রবাসী (বাঞ্ছারামপুর থানার) মানুষদের জন্য যে ত্যাগ
স্বীকার করেছেন তার জন্য ধন্যবাদ
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণঢাকার তোপখানা রোডের মেহেরবা পস্নাজার ১২তলাতে সমিতির স্থায়ী অফিসসেখানে
সমিতির অফিস বর্তমানেসমিতির লোকজনদের যাতায়াত খুব কমকিন্তু সমিতির স্থায়ী অফিসের পরিবর্তে
কোথায়ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মালিক জনাব সাঈদ আহামেদ (বাবুর), গ্রীণ
রোডের কনকর্ড আর্কেিডয়ার ৬ষ্ঠ তলাতে ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের ক্লাশ রুমে প্রতি
মাসের ২য় সপ্তাহের সোমবার দিন বিকেল ৫ ঘটিকার সময় সমিতির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
হয়সমিতি এ সুযোগ যদি ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মালিক জনাব সাঈদ
আহামেদ (বাবুর) নিকট না পেত, তা'হলে সমিতির বিকাশ আশা করা যেত না
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণপাড়াতুলি গ্রামের জনাব মোঃ মজিবুর রহমানের আন্তরিক সহযোগিতায় নায়েম
সমিতির সাধারণ সভাগুলিঅডিটরিয়ামে সমিতির সবগুলি সাধারণ সভা ও বিশেষ সাধারণ সভাগুলি অনুষ্ঠিত হয়ে
প্রায়ই অনুষ্ঠিত হয়েছে কোথায়আসছেমুজিবুর রহমানের জন্ম-১৯৪০ সালে পাড়াতুলি গ্রামে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ১৯৯২ সালে ছিল-১২ জন, ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে ছিল-৪০৬ জন এবং ২০০৬ সালের আগষ্টে
সমিতির আজীবন সদস্যসংখ্যাহয়েছে প্রায়-৭৩১ জন, ২০০৭ সালে ৭৩৮ জন, ১১-০৩-২০০৮ তারিখ ৭৪৬ জন এবং
২০১০ সালের ২৩ জানুয়ারি-পর্যন্ত আজীবন সদস্যসংখ্যা-৭৭১ জন এরমধ্যে মারা
গেছেন ৩৮ জন এবং ১৫-০১-২০১১ তারিখ পর্যন্ত ৮০৬ জন আর মারা গেছে ৪২ জন
৮১৭ জন আজীবন সদস্য ০৭-০৩-২০১৪ তারিখ পর্যন্তএর মধ্যে মারা গেছেন-৪৯
জন
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির১২৩ জন+৪ জন=১২৭ জন বৃত্তি তহবিলে দান করেছেন এবং টাকার
স্থায়ী বৃত্তি তহবিল (০৭-০৩-২০১৪পরিমাণ=২৩,৫৮,৮৬৪ (তেইশ লাখ আটান্ন হাজার আটশত চৌসট্টি) টাকা
তারিখ) পর্যন্ত কত টাকা হয়েছে এবংমাত্র২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি, আরো ৪(চার) জন ১০,০০০(দশ হাজার)
২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি, আরোকওে ৩০,০০০(ত্রিশ হাজার) এবং ময়নাল হোসেন চৌধুরী বাবার
৪(চার) জন দান করেছেনামে=৫০,০০০(পঁঞ্চাশ) হাজার মোট=৮০,০০০/-=২৪,৩৮,৮৬৪/-(চব্বিশ লাখ
আটত্রিশ হাজার আটশত চৌসট্টি) টাকা মাত্র
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির৬ জন উচ্চ বৃত্তি তহবিলে দান করেছেন এবং টাকার
''উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি তহবিল' কতজন দানপরিমাণ=১৮,০০,০০০/=(আঠার লক্ষ) টাকা২৪-০১-২০১৫ তারিখ ইঞ্জিনিয়ার
করেছেন ২৪-০১-২০১৫ তারিখআজহারুল হক-৫,০০,০০০/-টাকা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ক্যাপ্টেন(অব.) এ.
মোট-১৩৩ জন সাধারণ ও উচ্চ বৃত্তিবি. তাজুল ইসলাম, এম.পি.=১০,০০,০০০/-(দশ লক্ষ) টাকা দিয়েছেন
দিয়েছেনমোট=৩৩,০০,০০০/- টাকা হয়েছে
বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতিরপ্রথম ১৯৭৪, ১৯৮৮, ১৯৯৮ ও ২০০৪ সালের বন্যাত্তোর ত্রাণ ও পূর্ণবাসন
মাধ্যমে কোন কোন বছর বন্যাত্তোরকর্মসূচী বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির মাধ্যমে বাঞ্ছারামপুর থানার
ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মসূচী পালিত হয়সবগুলি গ্রামে নগদ টাকা, বেশকিছু ওষধপত্র ও অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী বন্যা
দূর্গতদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছিল
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথমপাক্ষিক বাঞ্ছারামপুর বার্তা২০০৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর, সরকারী
সরকার র্কতৃক অনুমোদিতঅনুমোদনপ্রাপ্ত প্রথম পাক্ষিক বাঞ্ছারামপুর বার্তার ১ম সংখ্যা প্রকাশিত
বাঞ্ছারামপুর পাক্ষিক কোনটিহয়সম্পাদক ও প্রকাশক মনিরুজ্জামান পামেন (বাঁশগাড়ী) ও প্রধান
সম্পাদক জান্নাতুল ইসলাম(ডালিম)-এর বাড়ি-পাড়াতুলি
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতিরবাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির মুখপত্র শিকড়ের সন্ধানে প্রথম সংখ্যা
মুখপত্র শিকড়ের সন্ধানে প্রথম প্রকাশ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশ করা হয়বলা হয়েছে প্রতি তিন মাস
করা হয়:অন্তর পত্রিকাটি প্রকাশ করা হবে এবং আরো বলা হয়েছে নিরপেক্ষতা বজায়
রেখে শিকড়ের সন্ধানে সত্য ও ঐতিহ্য সন্ধান করে যাবে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথম কোনরূপসদী গ্রামের(উত্তরপাড়ার) অধিবাসী জনাব মোঃ
গ্রামের বাসিন্দা-১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দেহারুন-অর-রশীদ(খলিফা), পিতা-মোঃ আবু মিঞা, গ্রাম-রূপসদী,
''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' পুরস্কারেপোঃ-রূপসদী, বাঞ্ছারামপুর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বিভাগ-চট্টগ্রাম,
ভূষিত হয়বাংলাদেশ''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' রচনা কমপিটিশনে ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে
তাকে রেডিও বেইজিং, বেইজিং টুরিযম এডমিনিস্ট্রেশন, সাটিফিকেট কার্ড
ফর এ্যাসে কমপিটিশন-১৯৮৮ ''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' পুরস্কারে ভূষিত
করে
মুক্তিযোদ্ধা৪৯৫ জন ছিল, ৩১-০৫-২০১০ তারিখে ৮১৮ জন ছিল বর্তমানে ৭৭৩ জন এবং
ভোটার-৬৪৫ জন৬৮২ জন মুক্তিযোদ্ধা
বাঞ্ছারামপুর থানার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ১টি
বাঞ্ছারামপুর থানার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডারআসাদনগর গ্রামের জনাব এইচ. এম. আবদুল
কাদির
শহীদ মুক্তিযোদ্ধা২৭ জন
আহত মুক্তিযোদ্ধা৩৯ জন
১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক ঘটনাবলিপাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখযুদ্ধে দু'জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ
হন
বিদ্যুতায়িত গ্রাম১২১টি
সিনেমা হল৩টি
পোষ্ট অফিস১৮টি
টেলিগ্রাম অফিস১টি
টেলিফোন একচেঞ্জ১টি
পি.সি.ও.৩টি
বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় খাদ্য উৎপাদন৪০,৫৪৮ মেট্রিক টনবাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির মেগাজিনে এবং
কত টনবাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্র-ছাত্রী মৈত্রী সমিতির মেগাজিনে খাদ্য উৎপাদন
দেখানো হয়েছে-৭,৮৮,৪২২ মে. টনএটা ভুল দেখানো হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় খাদ্য উৎপাদন হয়-৭,৮৮,৪২২ মে. টনজেলার
খাদ্যউৎপাদন বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় দেখানো হয়েছে এটা মারাত্ত্বক ভুল
বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় খাদ্য চাহিদা৫৩,০৪৭ ম্যাট্রিক টন
কত টন
বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় খাদ্য উৎপাদন৪৮,৮৫৫ ম্যাট্রিক টন২০১২-২০১৩ সালের
কত টন
বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় খাদ্য ঘাটতি৪,১৯২ ম্যাট্রিক টন
কত টন
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মহিলারাবাঞ্ছারামপুর উপজেলায় যে পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হয় তার অর্ধেক
খাদ্যশস্য উৎপাদন করেনারীর পরিশ্রমের ফসল
টেলিভিশন আছে কয়টি৩০,৫০০টি পরিবারের২৮-০৩-২০১৫ তারিখ
রঙ্গিন টেলিভিশন আছে১১,৯০০টি পরিবারের
সেচ গভীর নলকুপনেই
অ-গভীর নলকুপ১,৫৮৩টি
স্যালো নলকুপ১০৭টি
শক্তিচালিত পাম্প২২১টি
পানীয় জলের নলকুপ২৪,৪২৩টি
সেনীটারী ল্যাট্রিন৫৪,৩৫৫টি
সরকারী হাসপাতাল০১টি
ডাক্তারের সংখ্যা২২ জন
কর্মরত সরকারি ডাক্তার১৪ জন
ডাক্তার অনুপাত মানুষ১:২১,০০০ জন
বে-সরকারি হাসপাতাল৪টি
ক্লিনিক কয়টি১টি
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র১৪টি
পশু চিকিৎসা কেন্দ্র০১টি
পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র০২টি
মৎস্য খামার কয়টি৫০টিআয়তন ৩৩ একর
পুকুর১,৩১৩টি
হ্যাচারীনেই
পোনা উৎপাদন কেন্দ্র৬টি(নার্সারী)
বার্ষিক পোনা উৎপাদন ক্ষমতা৮৩,৫০,০০০টি
বার্ষিক মাছ উৎপাদন ক্ষমতা৬,৪৭০ ম্যাট্রিক টন
গবাদি পশু খামার০১টি
হাঁস-মুরগির খামার০৪টি
কৃতিম প্রজনন উপকেন্দ্র কয়টি১টি পয়েন্ট ৪টি