২০০৯ সালের ১৩ মে, প্রথম আলো: উপজেলা চেয়ারম্যানদের জন্য ১৮০টি পাজেরো গাড়ি কেনা হচ্ছে এবার। আগামী অর্থবছরে হবে ২৪০টি। বাকি ৬১ জনকে গাড়ি দেওয়া না-দেওয়া নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
২০০৯ সালের ১৩ মে, প্রথম আলো: শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি সাড়ে চার হাজার টাকা করার দাবি।
২০০৯ সালের ১৩ মে, প্রথম আলো: রাস্তা ব্যাপক না খুঁড়ে ঢাকায় তিন হাজার ৩৮১ কিলোমিটার পাইপ বসবে। পরীক্ষামূলক কাজের উদ্বোধন।
২০০৯ সালের ১৪ মে, প্রথম আলো: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত-অপরাধ ঘটলে পুলিশকে জবাবদিহি করতে হবে।
২০০৯ সালের ১৫ মে, প্রথম আলো: জ্বালানিবিহীন গাড়ি-বগুড়ার আমির হোসেন-গাড়ির নাম রেখেছেন 'রফ-রফ তাহিয়া' অর্থাৎ সুন্দর ও দ্রুততম যান। ২৫০ কেজি ওজনের এ গাড়ি পরিবেশ-সহায়ক, তেল-মবিল লাগে না। চালকসহ পাঁচজন আরোহী নিয়ে ঘন্টায় ৭০-৮০ কিলোমিটার বেগে চলবে এ গাড়ি। গাড়ির গতিশক্তির উৎস ১২ ভোল্টের পাঁচটি চার্জযবল ব্যাটারি আর ৬০ ভোল্ট ডিসি মোটর। এ গতিশক্তি ইলেক্ট্রনিক টারবাইন ডিজিটালপদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রিত হয় বলে জানালেন আমির হোসেন। অটোপুশ বটমে চাপ দিলেই ঘুরতে থাকে গিয়ার হুইল। গতি পায়-এর সঙ্গে লাগানো চাকা। চালকের সামনে থাকছে একটি মনিটর, যা দিয়ে গাড়িটি পরিচালনা ও গতি বাড়ানো-কমানো যায়। আর গাড়ির হেড লাইট, ব্রেক লাইট চলবে ব্যাটারির সাহায্যে। ২২০ ভোল্ট বিদ্যুতে দুই হাজার ওয়াটের ডিজিটাল মোটরে পাঁচ ঘন্টা চার্জ দিলেই একটানা আট ঘন্টা চলে। খরচ হয় সর্বোচ্চ ২০ টাকার বিদ্যুৎ। প্রচলিত মোটর যানের মতো জটিল ইঞ্জিনিয়ারিং ফাংশন নেই বলে 'রফ-রফ তাহিয়া' ঝুঁকিমুক্ত। যান্ত্রিক কারণে দুঘর্টনার আশঙ্কাও নেই। আমির হোসেনের সাধ ও সাধনা থাকলেও সাধ্য সীমিত। তিনি বহু যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করলেও সরকারি সহযোগিতা মেলেনি আজও। এরই মধ্যে বগুরা শহরে গাড়িটি চালিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। গাড়িটি উদ্ভাবন করার পর কিন্তু বসে নেই আবিস্কার পাগল এ মানুষটি। আরেকটি কাজে ইতিমধ্যে নেমে পড়েছেন তিনি। এবারও গাড়ি। যাতে কোনো ইঞ্জিন বা জ্বালানির প্রয়োজন হবে না। তবে কি গাড়ি চলবে হাওয়া দিয়ে। হ্যাঁ, আক্ষরিক অর্থে তা-ই। এ গাড়ির ট্যাংকে থাকবে ঘনীভূত বাতাস। কম্প্রেসার দিয়ে মাত্র আট মিনিটেই ট্যাংক ভরে যাবে বাতাসে। চার ঘন্টা পর পর গাড়িতে কম্প্রেসারের মাধ্যমে বিকল্প পথে বাতাস ভরানোর সুযোগ থাকবে। গাড়ির কাঠামো তৈরি হবে স্টেইনলেস স্টিল দিয়ে। ওজন মাত্র ২০০ কেজি। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই রাখা হবে গাড়িটির দাম। আর এ গাড়িও হবে ৫ আসনের। যা দেখেন অবিকল তা-ই বানিয়ে ফেলতে জুড়ি নেই আমির হোসেনের।
২০০৯ সালের ১৮ মে, প্রথম আলো: রাজউকের ৯৫ ভাগ কর্মকর্তা যাচাই-বাছাইয়ে ব্যস্ত। উত্তরার প্রতি পস্নটের জন্য ৫০ জন, পূর্বাচলের জন্য ২৩ আবেদন।
২০০৯ সালের ১৮ মে, প্রথম আলো: বরিশালে সন্ধা নদী ভরাট করে আবাসন প্রকল্প।
২০০৯ সালের ২১ মে, প্রথম আলো: চাঁদাবাজিতে বাসভাড়া বৃদ্ধি বিপাকে দিনমজুরেরা।
২০০৯ সালের ২৮ মে, প্রথম আলো: বাংলাদেশে ৮৫ শতাংশ প্রসব হয় বাড়িতে অদক্ষ দাইয়ের হাতে।
২০০৯ সালের ২৯ মে, প্রথম আলো: ত্রাণের আশায় লাখো প্রাণ। দুর্গম এলাকা, দুর্লভ ত্রাণ। ক্ষুধার আগুন চরবাসীর পেটে।
২০০৯ সালের ৩১ মে, প্রথম আলো: ক্রয়বিধি শিথিল হচ্ছে দাতাদের উদ্বেগ। দলীয় লোকজনকে সুবিধা দিতে এ উদ্যোগ?
২০০৯ সালের ৩১ মে, প্রথম আলো: উপকুলের দুই কোটি মানুষ অরক্ষিত।
২০০৯ সালের ১ জুন, প্রথম আলো: ১০ কোটি টাকা নগদ বরাদ্দ: খাদ্যমন্ত্রী। আইলায় ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধ ঘরবাড়ি নির্মােণ ১১৬ কোটি টাকা প্রয়োজন।
২০০৯ সালের ২ জুন, প্রথম আলো: ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগোবে ১৯ জুন থেকে ১২টা যখন বাজবে তখন ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা বাড়িয়ে করা একটা। ইতিহাস: ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে দিনের আলো বেশিক্ষণ ব্যবহারের কথা প্রথম ভাবেন উইলিয়াম উইলেট নামের একজন ব্রিটিশ নাগরিক ১৯০৭ সালে। তিনি একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের মালিক ছিলেন এবং তাঁর প্রধান কাজ ছিল দিনের বেলায় এবং বহিরাঙ্গনে (আউটডোরে)। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়, ১৯১৬ সালে জার্মািনতে প্রথম এ পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। ১৯১৮ সালে শুরু করে যক্তরাষ্ট্র। কিন্তু সেখানকার কৃষকেরা এ পদ্ধতি অপছন্দ করায় বিশ্বযুদ্ধের পর তা তুলে দেওয়া হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আবার তারা এটা প্রবর্তন করে। ১৯৬৬ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এটা নিয়মিত করা হচ্ছে। পাকিস্তান ও ইরানে এ ব্যবস্থা কার্যকর আছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, এ ব্যবস্থা পৃথিবীর ৭০টির মত দেশে আছে। আমার মতামত এ ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে না। বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে অফিস-আদালত, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, দোকান-পাঠ ও খেলা-ধুলার জন্য যে এয়ার-কুলার-এয়ার-কন্ডিশনার ব্যবহার করা হয় তা বন্ধ করা হলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। নতুবা বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে না বরং অপচয় বাড়বে।
২০০৯ সালের ২ জুন, প্রথম আলো: সাত বছরে ১৩ বার উচ্ছেদ তবু নদী দখল চলছেই।
২০০৯ সালের ৩ জুন, প্রথম আলো: বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে অতিরিক্ত খরচ-৮,৪৯০ কোটি টাকা না ৩,৫০০ কোটি টাকা। জানা যায় ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে বিদ্যমান হারে রাজস্ব বাজেটভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাজেট প্রাক্কলন করা হয় ২৪ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা। এর সঙ্গে অতিরিক্ত আট হাজার ৪৯০ কোটি টাকা না ৩,৫০০ কোটি টাকা যুক্ত হলে জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে বছরে মোট খরচ হবে ৩২ হাজার ৯৯৪ কোটি টাকা না ২৮ হাজার ৪ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের জন্য পৃথক বেতন কাঠামো প্রণয়নেরও সুপারিশ রয়েছে পে-কমিশনের প্রতিবেদনে। বর্তমানে প্রচলিত বিভিন্ন ভাতার হার বৃদ্ধি, অবসরভোগীদের জন্য অবসর ভাতা, নিট পেনশন ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে।
২০০৯ সালের ৪ জুন, প্রথম আলো: শুল্কমুক্ত নয়, সাংসদেরা সরকারি গাড়ি পাবেন। ১৯৮৮ সালের ২৪ মে সরকার প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে সাংসদদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুযোগ করে দেয়। অষ্টম সংসদ পর্যন্ত তা বহাল ছিল। বিগত তত্ত্ববধায়ক সরকার অধ্যাদেশ জারি করলে এ সংক্রান্ত আইনটি বাতিল করে। কিন্তু বর্তমান সরকার সংসদে অধ্যাদেশটির বৈধতা না দেওয়ায় আইনটি বহাল থেকে যায়। এ অবস্থায় সাংসদদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুযোগ থাকলেও সরকার এখন নিজস্ব ব্যবস্থায় তাঁদের গাড়ি দিচ্ছে।
২০০৯ সালের ৪ জুন, প্রথম আলোঃ চট্টগ্রামে ছিন্নমূলদের সামনে রেখে নদী ও পাহাড় দখল।
২০০৯ সালের ৪ জুন, প্রথম আলো: মংলা বন্দরের ৫৯ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ২৫৫টি গাড়ি আমদানি ও খালাস করা হয়।
২০০৯ সালের ৭ জুন, প্রথম আলো: 'ইংলিশ ইন স্কুল' প্রকল্পের উদ্বোধন। ইংরেজি শেখার ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করবে সরকার।
২০০৯ সালের ৮ জুন, প্রথম আলো: মন্ত্রী-সাংসদদের বাড়ি উঠে গেছে আর সাধারণ মানুষ পস্নটই পাচ্ছে না। ১৯৮৯ সালে উত্তরা আবাসিক প্রকল্পে বরাদ্দ পেয়ে এখনো পস্নট বুঝে পায়নি অর্ধশত সাধারণ মানুষ।
২০০৯ সালের ৯ জুন, প্রথম আলো: তিন লাখ করদাতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নতুন বাজেটে।
২০০৯ সালের ১১ জুন, প্রথম আলো: আইআরআইয়ের জরিপ-৭৫ শতাংশ মানুষের মত দেশ সঠিক পথে চলছে।
২০০৯ সালের ১১ জুন, প্রথম আলো: সংসদে প্রশ্নোত্তর-রাজধানীর যানজট নিরসনে উড়াল সড়ক ও সেতু হবে। ঢাকায় পথচারীদের পারাপারের জন্য তিনটি আন্ডারপাস ও ৫২টি ফুটওভারব্রিজ আছে। পাঁচটি ফুটওভারব্রিজ নির্মােণর জন্য দরপত্র আহবান করা হয়েছে। এ ছাড়া আগামী দুই বছরের মধ্যে আরও ২৫টি ফুটওভারব্রিজ হবে।
২০০৯ সালের ১১ জুন, প্রথম আলো: কালো টাকা আবার সাদা করার সুযোগ, গাড়ি থাকলেই কর।
২০০৯ সালের ১৩ জুন, প্রথম আলো: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মহিত স্বীকার করলেন কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া রাজনৈতিক আপস। বাজেট প্রণয়নের চেয়ে বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের সরকার এ চ্যালেঞ্জ নিয়েছে।
২০০৯ সালের ১৪ জুন, প্রথম আলো: কালো টাকা সাদা করলে কোনো আইনেই প্রশ্ন তোলা যাবে না।
২০০৯ সালের ১৫ জুন, প্রথম আলোঃ জেনারেল মইন উ আহমেদ সেনা প্রধান পদ থেকে বিদায়।
২০০৯ সালের ১৫ জুন, প্রথম আলো: এশীয় মহাসড়কে যুক্ত হতে তিনটি বিকল্প পথের প্রস্তাব। পথগুলো হচ্ছে ভারত-বেনাপোল-যশোর-ঢাকা-কাঁচপুর-তামাবিল-ভারতের আসাম; ভারত-বাংলাবান্ধা-হাটিকুমরুল-ঢাকা-কাঁচপুর-তামাবিল-ভারত এবং মংলা-যশোর-হাটিকুমরুল ঢাকা-কাঁচপুর-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-টেকনাফ-মিয়ানমার। সূত্র জানায়, ১৯৫১ সালে জাতিসংঘ এশীয় প্রশান্ত মহাসাগীয় অঞ্চলের অর্থৈনতিক ও সামাজিক কমিশন (ইউএন-এসকাপ) এশীয় মহাসড়ক প্রকল্প নেয়। ১৯৬৯ সালে জাতিসংঘ এশীয় সড়কের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য বলে। তারপর ১৯৯২ সালে চীনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এশীয় মহাসড়ক, ট্রান্সএশিয়া রেলওয়ে ও ল্যান্ড ট্রান্সপোর্ট ফ্যাসিলিটেশনের সমন্বয়ে এশীয় পরিবহন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প গঠনের বিষয়টি অনুমোদন করা হয়। ২০০৩ সালে ব্যাংককে এসকাপের ৫২তম সম্মেলনে এশিয়ার ৩২ দেশের মধ্যে আন্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তি হয়। এতে এ পর্যন্ত ২৮টি দেশ সই করেছে। ২০০৫ সালের ১২ ডিসেম্বর তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনটি বিকল্প পথ নিয়ে আলোচনা হয়।
২০০৯ সালের ১৭ জুন, প্রথম আলো: অর্থনীতি সমিতির বাজেট বিশেস্নষণ: ইশতেহারে কালো টাকার বিরুদ্ধে বলে এখন কালো টাকা গ্রহণযোগ্য।
২০০৯ সালের ১৭ জুন, প্রথম আলো: রাতে বেশিক্ষণ টিভি দেখলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।
২০০৯ সালের ১৭ জুন, প্রথম আলো: সংসদে প্রশ্নোত্তরে পরিবেশমন্ত্রী-ঢাকার নদীদূষণের জন্য ৬০ ভাগ দায়ী শিল্পকারখানার বর্জয।
২০০৯ সালের ১৭ জুন, প্রথম আলো: বাংলাদেশকে ৪০০ যাত্রীবাহী বাস দেবে ভারত: যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন।
২০০৯ সালের ২৩ জুন, প্রথম আলো: ডাইনোসরের ওজন আগের হিসাবে ছিল ৩৮ টন। কিন্তু এখন গবেষণার পর এর ওজন পাওয়া যাচ্ছে ১৮ টনের কাছাকাছি। এএফপি।
২০০৯ সালের ২৪ জুন, প্রথম আলো: এক বছরের মধ্যে কারখানায় বর্জয শোধনাগার স্থাপনের নির্দেশ। হাইকোর্টের রায়-২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সালের মধ্যে হাজারীবাগের চামড়াশিল্প স্থানান্তর করতে হবে। দেশের সব শিল্পকারখানায় বর্জয শোধনাগার (ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট পস্ন্যান্ট-ইটিপি) এবং অন্যান্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (পলুশন ফাইটিং ডিভাইস-পিএফডি) স্থাপন করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ জন্য এক বছরের সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে।
২০০৯ সালের ২৫ জুন, প্রথম আলো: নরসিংদীতে কলেজের হাট। ১৬টি কলেজের আটটি চালু হয়েছে এবার, সাতটি কলেজে অননুমোদিত তোরণ নির্মাণ করে শিক্ষার্থীেদর স্বাগত।
২০০৯ সালের ২৬ জুন, প্রথম আলো: বিশ্বব্যাংকের বাজেট বিশেস্নষণ-টাকা সাদা করার সুযোগ আইন ও আন্তর্জািতক সনদের পরিপন্থি।
২০০৯ সালের ২৬ জুন, প্রথম আলো: সরকার উপজেলা পর্যােয় আবার আদালত চালু করবে: আইনমন্ত্রী।
২০০৯ সালের ২৬ জুন, প্রথম আলো: ঢাকার চার নদী বাঁচাতে হাইকোর্টের ১২ নির্দেশনা। আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সিএস রেকর্ড অনুযায়ী চার নদী বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু ও তুরাগের সীমানা নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ। এক হাজার একর জায়গা ফিরে পাবে নদীগুলো।
২০০৯ সালের ২৬ জুন, প্রথম আলো: ২০১১ সালেই আসছে উড়ন্ত গাড়ি। দুই আসনের এ উড়ন্ত যানজটপ্রবণ শহরে চলাচলে বেশ সহায়ক হবে।
২০০৯ সালের ২৬ জুন, প্রথম আলো: মন্ত্রিসভায় উপদেষ্টাদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন জলিলের। তিনি বলেছেন, উপদেষ্টারা রাষ্ট্রের গোপনীয়তা রক্ষার শপথ নেননি। ফলে তাদের মন্ত্রিসভায় উপস্থিতি সাংবিধানিক হয় না। এই সরকার সেনাবাহিনীকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। সেনাবাহিনী গর্বের ধন। কয়েক দিন আগে তাদের যমুনা সেতুর টোল আদায়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, যেটা আন্তর্জািতক খোলা দরপত্রের মাধ্যমে হওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী হলো রাষ্ট্রের অঙ্গ, সরকারের চাকর। তাদের আমরা ব্যাংক দিচ্ছি। সেনাবাহিনী কি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান? এর দ্বারা মূল দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত হচ্ছে।
২০০৯ সালের ২ জুলাই, প্রথম আলো: পিনাক রঞ্জন কূটনীতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি। পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তীর বাবার বাড়ি বিক্রমপুর।
২০০৯ সালের ২ জুলাই, প্রথম আলো: বিআরটিএর কার্যালয়ে ৮০ শতাংশ কাজ হয় দালালের মাধ্যমে।
২০০৯ সালের ৪ জুলাই, প্রথম আলো: শিশুশ্রম নিরসন নীতিমালা চূড়ান্ত হয়নি এখনো। ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিযুক্ত শিশুর সংখ্যাও অজানা।
২০০৯ সালের ৫ জুলাই, প্রথম আলো: প্রথম অধিবেশনে কোরাম সংকট অপচয় সাড়ে ৫ কোটি টাকা। টিআইবির প্রতিবেদন প্রকাশ।
২০০৯ সালের ৫ জুলাই, প্রথম আলো: মাদারীপুরে বসে সারা দেশে ফোনে চাঁদাবাজি। কিছু সরকারি কর্মকর্তা চাঁদাবাজদের তথ্য দেন। তিন গ্রামের ২৫ প্রতারক জড়িত। ঢাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী, রাজশাহী ও খুলনায় চাঁদাবাজি হয় চরমপন্থীদের নামে।
২০০৯ সালের ৬ জুলাই, প্রথম আলো: ৫০টি সরকারি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ছাড়লে সরবরাহ বাড়বে ৭০ হাজার কোটি টাকা।
২০০৯ সালের ৭ জুলাই, প্রথম আলো: উজাড় হচ্ছে উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী-ছিল ১২৫ একর, এখন আছে ২০ একর। সীতাকুন্ডের মধ্যম সোনাইছড়ি মৌজায় গত আট মাসে শতাধিক একর উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনীর গাছ কেটে ফেলেছেন শিপইয়ার্ড মালিকেরা।
২০০৯ সালের ৮ জুলাই, প্রথম আলো: বিদেশি কোম্পানি দিয়ে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ তুলে নেওয়ার ফন্দি। জেম গেস্নাবাল ইল্ড ফান্ড লিমিটেডের কাছে শেয়ার ঋণ দেওয়ার নতুন একটি অভিনব প্রস্তাব প্রচন্ড রাজনৈতিক চাপের মধ্যে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদন করেছে। নতুনভাবে আবার ফন্দিফিকির করা হচ্ছে বড় ধরনের কেলেঙ্কারি ঘটিয়ে অর্থ পাচারের। এ কাজে সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ও পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার সাবেক এক সদস্যকে ব্যবহার করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এ কোম্পানির মাধ্যমে শেয়ার লেনদেন করে ১৫ কোটি টাকা দেশ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রভাবশালীরা চেষ্টা করছেন শর্ত ছাড়াই কীভাবে শেয়ার ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা যায়। জেম গেস্নাবালের কাছে শেয়ার ঋণ দেওয়ার এ প্রস্তাব নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সশরীরে তদবিরকারীদের মধ্যে আছেন বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান ও ১৯৯৬ সালে দেশের শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সময়কালীন এসইসির সদস্য ড. শাহাবুব আলম।
২০০৯ সালের ১০ জুলাই, প্রথম আলো: দেশে কিশোরী মাতৃত্বের হার ৩৩ শতাংশ। বাংলাদেশে নারীদের বিয়ের গড় বয়স ১৫ দশমিক ৩ বছর।
২০০৯ সালের ১৪ আগষ্ট, প্রথম আলো: বাংলাদেশে ৬৬ শতাংশ মেয়ে বল্যবিবাহের শিকার। আইন বলছে, ১৮ বছরের নিচে মেয়েদের বিয়ে দেয়া দন্ডনীয় অপরাধ। অথচ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে গড়ে সাড়ে ১৫ বছর বয়সে মেয়েদের বিয়ে হচ্ছে।
২০০৯ সালের ১৮ আগষ্ট, প্রথম আলো: মাতৃমৃত্যুর ১৪% ঘটে অনিরাপদ গর্ভপাতে।
২০০৯ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: ৩৩ শতাংশ গর্ভধারণ অপরিকল্পিত গর্ভপাতের দায় শুধুই নারীর।
২০০৯ সালের ৭ অক্টোবর, আমাদের সময়: বাংলাদেশে শিশুশ্রম আইন জোরালো নয়। বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশের বেশি বাল্য বিবাহ হয় ভারতে। ইউনিসেফ।
২০১০ সালের ১৮ জানুয়ারি, আমাদের সময়: দেশে সক্ষম দম্পতির সংখ্যা ২ কোটি ৫০ লাখ ৭৮ হাজার ৫৯ জন এরমধ্যে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করে ১ কোটি ৮৫ লাখ ২৯ হাজার ২৫৪ জন।