২০১৬ সালের ২০ জুন, প্রথম আলো: ২০০৪ থেকে ২০১৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত ক্রসফায়ার বা বন্দুকযুদ্ধে-মোট-১,৭১৫ জন নিহত।

২০১৬ সালের ২৪ জুন, প্রথম আলো: গত ১০ বছরে পাচার সাড়ে চার লাখ কোটি টাকা বা ৫,৫৮৭.৬০ কোটি ডলার।। যেভাবে পাচার হয়-২০১৩-২০১৫ সময়ে বাংলাদেশে আনা চালের আমদানি মূল্য ছিল টনপ্রতি মূল্য ছিল টনপ্রতি ৮০০ থেকে ১০০০ ডলার। অথচ আন্তর্জািতক বাজারে তা বিক্রি হয়েছে ৫০০ ডলার।

২০১৬ সালের ২৮ জুন, প্রথম আলো: মহিলা পরিষদের আলোচান সভা: শ্রমবাজারে নারীর অন্তর্ভুিক্ত বাড়ানোর তাগিদ। এখনো ৩৬ মিলিয়ন নারী শ্রমবাজারের বাহিরে আছে।

২০১৬ সালের ২ জুলাই, প্রথম আলো: ১-০৭-২০১৬ তারিখ শুক্রবারের সন্ধ্যারাত। রাজধানীর গুলশান লেকপাড়ের অভিজাত ৭৯ নম্বর সড়কের হলি আর্টিজান বেকারি রেস্তোরা। দেশি-বিদেশী অতিথিদের সৌম্য উপস্থিতি। জিম্মি সংকট রুদ্ধশ্বাস ১২ ঘন্টা। শনিবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে ১২ ঘন্টার রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষা শেষে সাঁজোয়া যান নিয়ে দেয়াল গুঁড়িয়ে রেস্তোরার ভিতরে ঢুকে পড়েন সেনা কমান্ডোরা। শুরু হয় 'অপারেশন থান্ডারবোল্ট'। প্রচন্ড গোলাগোলিতে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে গুলশান এলাকা। ১৩ মিনিটের মধ্যে সাত জঙ্গিকে কাবু করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন কমান্ডোরা। জীবিত উদ্ধার করেন ১৩ জিম্মিকে। ৫০ মিনিট পর অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। দুই পুলিশ অফিসার বাদে রাতেই ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। (১) ১ জন ভারতীয় নারী (২) ৩ জনের মধ্যে একজন বাংলাদেশি আমেরিকান (৩) ৭ জন জাপানি ও (৪) ৯ জন ইতালীয়। ৬ জঙ্গি নিহত, ১ সন্দেহভাজন আটক ও ১৩ জিম্মি উদ্ধার করা হয়। ১৩ মিনিটের অপারেশন থান্ডারবোল্ট।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল থেকে আজ (৩০-০৬-২০১৬ তারিখ পর্যন্ত কতজন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন এবং টাকার মান কি ছিল :

।স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে ১৭(সতের) জন ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট হয়েছেন, এ ১৭ জনের মধ্যে ৩ জন দ্বিতীয়বার।

।প্রেসিডেন্ট হয়েছেন এবং স্পিকার এ্যাডভোকেট আবদুল হামিদ ২০তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২০-০৩-২০১৩।

।তারিখ ক্রমানুসারে তাঁদের নামের তালিকাগুলো নিম্নে দেয়া হলো:।

ক্রমিক নংনামমেয়াদকাল
মরহুম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১মবার১৭-০৪-১৯৭১-১২-০১-১৯৭২
মরহুম সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত)১৭-০৪-১৯৭১-০৯-০১-১৯৭২
মরহুম বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী১২-০১-১৯৭২-২৪-১২-১৯৭৩
মরহুম মোহাম্মদ উল্লাহ২৪-১২-১৯৭৩-২৫-০১-১৯৭৫
মরহুম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-২য়বার২৫-০১-১৯৭৫-০৬-০৮-১৯৭৫
মরহুম খন্দকার মুশতাক আহমেদ১৬-০৮-১৯৭৫-০৬-১১-১৯৭৫
মরহুম বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম০৬-১১-১৯৭৫-২১-০৪-১৯৭৭
মরহুম লেঃ জেনারেল জিয়াউর রহমান২১-০৪-১৯৭৭-৩০-০৫-১৯৮১
মরহুম বিচারপতি আবদুস সাত্তার(অস্থায়ী)৩০-০৫-১৯৮১-১৯-১১-১৯৮১
মরহুম বিচারপতি আবদুস সাত্তার২০-১১-১৯৮১-২৩-০৩-১৯৮২
মরহুম এ. এফ. এম. আহসান উদ্দিন চৌধুরী২৪-০৩-১৯৮২-১০-১২-১৯৮৩
লে. জেনারেল হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ১০-১২-১৯৮৩-০৬-১২-১৯৯০
বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমেদ০৬-১২-১৯৯০-০৯-১০-১৯৯০
আইনজীবি আবদুর রহমান বিশ্বাস০৯-১০-১৯৯০-০৯-১০-১৯৯৬
বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ-২য় বার০৯-১০-১৯৯৬-১৪-১১-২০০১
ডা. এ. কি. এম. বদরোজদৌজা চৌধুরী১৪-১১-২০০১-২১-০৬-২০০২
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার(অস্থায়ী)২১-০৬-২০০২-০৬-০৯-২০০২
মরহুম র্পরফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহমদ০৬-০৯-২০০২-১২-০২-২০০৯
মরহুম এ্যাডভোকেট মোঃ জিল্লুর রহমান১২-০২-২০০৯-২০-০৩-২০১৩
এ্যাডভোকেট মোঃ আবদুল হামিদ২০-০৩-২০১৩ ও ২৪-০৪-২০১৩ তারিখ থেকে

।স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে ১০ জন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, ১০ জনের মধ্যে ২ জন তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, ২।

।জন হয়েছেন ৩য়বার এবং শেখ হাসিনা ১৪তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন (্‌ক্রমানুসারে তাঁদের নামের তালিকা।

।নিম্নে দেয়া হলো):।

ক্রমিক নংনামমেয়াদকাল
মরহুম তাজউদ্দিন আহমেদ১০.০৪.১৯৭১-১২.০১.১৯৭২
মরহুম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান১২.০১.১৯৭২-২৫.০১.১৯৭৫
মরহুম মনসুর আলী২৫.০১.১৯৭৫-১৫.০৮.১৯৭৫
মরহুম শাহ আজিজুর রহমান১৫.০৪.১৯৭৯-২৪.০৩.১৯৮২
মরহুম আতাউর রহমান খান৩০.০৩.১৯৮৪-১৫.০১.১৯৮৫
মরহুম মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরী০৯.০৭.১৯৮৬-২৭.০৩.১৯৮৮
ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ২৮.০৩.১৯৮৮-১২.০৮.১৯৮৯
মরহুম কাজী জাফর আহমেদ(বিপস্নবী)১২.০৮.১৯৮৯-০৬.১২.১৯৯০
বেগম খালেদা জিয়া২০.০৩.১৯৯১-১৪.০২.১৯৯৬
বেগম খালেদা জিয়া১৭.০২.১৯৯৬-২০.০৩.১৯৯৬
শেখ হাসিনা২৩.০৬.১৯৯৬-১৫.০৭.২০০১
বেগম খালেদা জিয়া১০.১০.২০০১-২৯.১০.২০০৬
শেখ হাসিনা০৬.০১.২০০৯-১২-০১-২০১৪
শেখ হাসিনা২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে

।মুদ্রাবাজার ১৯৭২ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত পঁচিশ বছরে টাকার মূল্য ১০ পয়সায় পরিণত হয়েছে এবং ২২-০১-২০১১ থেকে।

২৪-০৭-২০১৩ তারিখ পর্যন্ত ডলারের বিপরীতে টাকার দর১-ডলারে টাকার সমপরিমাণ (বাংলাদেশ ব্যাংক প্রদত্ত

।হিসেবে)।

ক্রমিক নংসনটাকার পরিমাণ(১ ডলারের বিপরীতে)
১৯৬৪-৬৫৪.৭৫
১৯৭১-৭২৭.৩০
১৯৭২-৭৩৭.৮৭
১৯৭৩-৭৪৭.৯৬
১৯৭৪-৭৫৮.৮৭
১৯৭৫-৭৬১৫.০৫
১৯৭৭-৭৮১৫.১২
১৯৭৮-৭৯১৫.২২
১৯৭৯-৮০১৫.৪৯
১৯৮০-৮১১৬.২৬
১৯৮১-৮২২০.০৭
১৯৮২-৮৩২৩.৮০
১৯৮৩-৮৪২৪.৯৪
১৯৮৪-৮৫২৫.৯৬
১৯৮৫-৮৬২৯.৮৯
১৯৮৬-৮৭৩০.৬৩
১৯৮৭-৮৮৩১.২৪
১৯৮৮-৮৯৩২.১৪
১৯৯০-৯১৩৫.৬৮
১৯৯১-৯২৩৫.৬৮
১৯৯২-৯৩৩৯.১৫
১৯৯৩-৯৪৪০.০০
১৯৯৪-৯৫৪০.২০
১৯৯৫-৯৬৪০.৮৪
১৯৯৬-৯৭৪২.৪৩
১৯৯৭-৯৮৪৪.৭১
১৯৯৮-৯৯৪৪.৭১
১৯৯৯-২০০০৪৯.৫০
২০০০-২০০১৫৩.৮৫
২০০১-২০০২৫৬.৫০ থেকে ৫৭.৫০
২০০২ তারিখের হিসেব৫৭.৭০ থেকে ৫৮.৮০ টাকা
২০০৫ তারিখের হিসেব৬৭ টাকা থেকে ৬৮ টাকা(৩০-০৯-২০০৫)
২৫-০১-২০০৬ তারিখের হিসেব৬৮.৯০ টাকা
২০-০২-২০০৬ তারিখের হিসেব৭০.৭৫ টাকা
২৯-০৩-২০০৬ তারিখের হিসেব৭২.০০ টাকা
১৯-১১-২০০৬ তারিখের হিসেব৭২.৯৫ টাকা
১৭-১২-২০০৭ তারিখের হিসেব৬৯.২০ টাকা
২২-১২-২০১০ তারিখের হিসেব৭০.৬০৯২ টাকা
৩১-১২-২০১০ তারিখের হিসেব৭২.৭৩ টাকা
২২-০১-২০১১ তারিখের হিসেব৭১.২৩১৮ টাকা
২২-০৩-২০১১ তারিখের হিসেব৭১.২৩১৮ টাকা
২২-০৬-২০১১ তারিখের হিসেব৭৪.২৫২১ টাকা
২২-০৮-২০১১ তারিখের হিসেব৭৪.৮৬৯২ টাকা
২২-১০-২০১১ তারিখের হিসেব৭৫.৭৬২১ টাকা
০৪-১২-২০১১ তারিখের হিসেব৭৭ টাকা
০৮-১২-২০১১ তারিখর হিসেব৮০ টাকা(দৈনিক জনকন্ঠ)
০৯-১২-২০১১ তারিখের হিসেব৮১ টাকা(দৈনিক জনকন্ঠ)
১৫-১২-২০১১ তারিখের হিসেব৮০.৮০ টাকা(দৈনিক জনকন্ঠ)
২২-১২-২০১১ তারিখের হিসেব৮১.১৯৯৯ টাকা(প্রথম আলো)
০৪-০১-২০১২ তারিখের হিসেব৮৩.৬০ টাকা আমদানির জন্য ঘোষিত দর
০৪-০১-২০১২ তারিখের হিসেব৮৬.০০ টাকা অঘোষিত দর
২১-০৬-২০১২ তারিখের হিসেব৮১.৩৫ ক্রয়, ৮২.৩৫ বিক্রয় অঘোষিত
১৬-০১-২০১৩ তারিখের হিসেবডলার=ক্রয়-৭৯.৩৩ ও বিক্রয়-৮০.৫৫
২৪-০৭-২০১৩ তারিখের হিসাবডলার=ক্রয়-৭৭.১৩ ও বিক্রয়=৭৮.৩৫
২৭-১০-২০১৫ তারিখের হিসাবডলার=ক্রয়-৭৭.২৫ ও বিক্রয়-৭৮.২৫

২০০২ সালের হিসেবমতে: স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে একশতবার টাকার মান (ডলারের সাথে) কমানো হয়েছে।

।হরতালে ক্ষতির পরিমাণ ২০০১ সালের ৩০ এপ্রিল, ইত্তেফাকের রির্পোট: গত ৫৩ বছরে (১৯৪৭ থেকে ২০০০) বাংলাদেশে ৩।

বছর ৪ মাস ৪ দিন হরতাল ছিল
বিবরণক্ষতির পরিমাণ
২৪-৩-১৯৮২ থেকে ৬-১২-১৯৯০ সাল পর্যন্ত২৭,১৮৪ কোটি টাকা
২৭-২-১৯৯১ থেকে ৩০-৩-১৯৯৬ সাল পর্যন্ত৩১,৫০০ কোটি টাকা
২৩-৬-১৯৯৬ থেকে ৩০-৪-২০০১ সাল পর্যন্ত২৫,৫০০ কোটি টাকা
বাংলাদেশে মোট= ৩(তিন) বছর ৪(চার) মাস ৪(চার) দিন হরতালে ক্ষতিরসর্বেমাট=৮৪,১৪৮(চুরাশি হাজার একশত
পরিমাণ-৮৪,১৪৮(চুরাশি হাজার একশত আটচল্লিশ কোটি) টাকাআটচল্লিশ) কোটি টাকা

২০১৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: 'দাস-শ্রমের পণ্য' নেবে না যক্তরাষ্ট্র। ট্যারিফ আইন ষংশোধন। ১৯৩০ সালের ট্যারিফ আইন সংশোধন করেছে দেশটি। গত বুধবার এই আইন সংশোধনের বিলে সই করেছেন প্রেসিডেন্ট ওবামা। আন্তর্জািতক শ্রম সংস্থার (আইএলও) হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বে অন্তত ২ কোটি ৯০ লাখ মানুষকে এ রকম জোর করে কাজ করানো হয়। এই অবৈধ শিল্প থেকে মুনাফা আসে বছরে ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

২০১৫ সালের ৩ নভেম্বর, প্রথম আলো: দেশে ১ কোটি ৬২ লাখ নারী কর্মেক্ষত্রে রয়েছেন। মাতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে বৈষম্য চলছে। সরকারি খাতে কর্মজীবী মায়েরা মাতৃত্বকালীন ছুটি পাচ্ছেন ছয় মাস। বেসরকারি খাতে মাতৃত্বকালীন ছুটি মালিক বা কর্তাব্যক্তিদের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। তৈরি পোশাকশিল্পে আইন অনুযায়ী মায়েদের চার মাস ছুটি পাওয়ার কথা। অভিযোগ আছে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মায়েরা এ ছুটি পাচ্ছেন না।

২০১৫ সালের ২২ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: দেশে ২০১০ সালের লেবার ফোর্স সার্ভে অনুযায়ী গৃহশ্রমিকের সংখ্যা ছিল প্রায় ১৪ লাখ। ২০১৫ সালে এসে মনে হয় ২০(বিশ) লাখের বেশি। গৃহকর্মী সুরক্ষায় নতুন নীতিমালা।

২০১৬ সালের ১৩ মার্চ, বাংলাদেশ প্রতিদিন: বাংলাদেশে ২ কোটি ২৫ লাখের বেশি মানসিক রোগী আছে।

২০১৬ সালের ৮ এপ্রিল, প্রথম আলো: দুই বছরে কর্মসংস্থান মাত্র ৬ লাখ। বিবিএসের (বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো) গবেষণা সম্প্রতি জনশক্তি জরিপ ২০১৫ জুলাই-সেপ্টেম্বর রিপোর্টের কাজ শেষ করেছে। বেকারের সংখ্যা এখন দেড় দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি, বেকারদের মধ্যে ৭৪ শতাংশই তরুণ-তরুণী। শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, দেশে কর্মরত এমন লোকের সংখ্যা ৫ কোটি ৮৭ লাখ। এর মধ্যে ৭২ লাখ ৮৭ হাজার জন গৃহস্থালির কাজে পরিবারকে সহায়তা করেন, মজুরি পান না। ২০১৩ সালের জরিপ অনুযায়ী, কর্মরত মানুষের সংখ্যা ছিল-৫ কোটি ৮১ লাখ।

বর্তমানে শ্রমশক্তিতে ৬ কোটি ১৪ লাখ নারী-পুরুষ আছেন। এর মধ্যে পুরুষ-৪ কোটি ৩১ লাখ এবং নারী-১ কোটি ৮৩ লাখ। দেশের কৃষি খাত এখনো কর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় এ খাতে ২ কোটি ৫৭ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে, যা মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৪৩ শতাংশ। এর পরের স্থানে থাকা সেবা খাতে কাজ করেন ২ কোটি ১৪ লাখ। আর শিল্প খাতে ১ কোটি ১৪ লাখ লোক কাজ করেন।

২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল, প্রথম আলো: তরুণদের দেশ বাংলাদেশ। ইউএনডিপির আঞ্চলিক মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন। মোট জনসংখ্যার মধ্যে ২৪ বছর বা তার নিচে মানুষের সংখ্যা ৪৯%। কর্মক্ষম জনসংখ্যা-২০১৫ সালে ১০ কোটি ৫৬ লাখ মোট জনসংখ্যার-৬৬%। ২০৩০ সালে ১২ কোটি ৯৮ লাখ মোট জনসংখ্যার-৭০% এবং ২০৫০ সালে ১৩ কোটি ৬০ লাখ মোট জনসংখ্যার-৬৭%।

২০১৬ সালের ২৭ এপ্রিল, প্রথম আলো: দেশে ৮০% কর্মজীবীর দিনে আয় ৩১৩ টাকা। ইউএনডিপির আঞ্চলিক মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ। এই অঞ্চলে শ্রমিকদের দক্ষতা কম বলে তাঁরা স্বপস্ন মজুরিতে কাজ করেন। দক্ষিণ এশিয়ায় ২৪ শতাংশ কর্মজীবী দিনে সোয়া ডলারের কম আয় করেন। তাঁরা শোচনীয় দারিদ্রোর ফাঁদে আটকা পড়ছেন। বাংলাদেশে শ্রমজীবীর সংখ্যা ৫ কোটি। শ্রমজীবীর মেলে না নূন্যতম বেতন। প্রতি মন্ত্রী বলেন, দেশে আনুষ্ঠানিক ৪২টি খাত রয়েছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত খাত পাঁচ বছর পর কমিশন গঠন করে। এর বাইরে অন্য খাতগুলো চাহিদা জানালে তা নিম্নতম মজুরি বোর্ডে পাঠানো হয়। বোর্ড শ্রমিক ও মালিক প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতা সাপেক্ষে মজুরি নির্ধারণ করে।

২০১৬ সালের ৩ মে, প্রথম আলো: নারীর গড় মজুরি কমেছে। বিবিএসের জরিপ। পুরুষের মাসিক গড় মজুরি-১১,৭৩৩ টাকা আর নারীর মাসিক গড় মজুরি ১০,৮১৭ টাকা। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর(বিবিএস) সর্বেশষ ২০১৫ সালের ত্রৈমাসিক শ্রমশক্তি জরিপে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) এ তথ্য পাওয়া গেছে। জরিপ অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের ২ কোটি ৩১ লাখ নারী-পুরুষ মজুরি বা বেতন পান। দুই বছর আগে এমন কর্মজীবীর সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৩৯ লাখ ৭০ হাজার। বর্তমান মানে ২০১৫ সালে শ্রমশক্তিতে ৬ কোটি ১৪ লাখ নারী-পুরুষ আছেন। এর মধ্যে কোনো না কোনোভাবে কাজে সম্পৃক্ত আছেন ৫ কোটি ৮৭ লাখ। যাঁরা সপ্তাহে কমপক্ষে এক ঘন্টা ক্‌াজ করেন, তাঁদের কর্মজীবী হিসেবে ধরা হয়। শ্রমশক্তিতে থাকা বাকিরা সবাই বেকার।

।বাংলাদেশের বাজেট সম্পর্কিত ১৬-১২-১৯৭১ সাল থেকে ২০১৫-২০১৬ সাল পর্যন্ত।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত রাজস্ব আয়-৪৮.৫২(আটচল্লিশ কোটি বায়ান্ন
লক্ষ) টাকা, রাজস্ব ব্যয় ৯৯.১৩(নিরানব্বই কোটি তের লক্ষ) টাকা, রাজস্ব ঘাটতি ছিল ৫০.৬১(পঞ্চাশ কোটি
একষট্টি লক্ষ) টাকা এবং উন্নয়ন বাজেট ১৫৮.৭৭(একশত আটান্ন কোটি সাতাত্তর লক্ষ) টাকারাজস্ব এবং উন্নয়ন
বাজেট মিলিয়ে মোট ২৫৭.৯০(দুইশত সাতান্ন কোটি নব্বই লক্ষ) টাকা মাত্রসামগ্রিক ঘাটতি ২০৯.৩৮(দইশত
নয় কোটি আটত্রিশ লক্ষ) টাকা নিয়ে স্বাধীন দেশের যাত্রা শুরু১৯৭১ সালে মাথাপিছু আয় ছিল-১২৯(একশত
উনত্রিশ) মার্কিন ডলার২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ধনীর কাতারে: খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন,
হাসিনার সরকার বলেছিল-২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার পরিকল্পনা নিয়েছিল
কিন্তু সে লক্ষ্যমাত্রা ২০১৮ সালের মধ্যেই পূরণ হবেএখন সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে
পরিণত করার স্বপ্ন দেখছেএসব কথা বলে জনগণকে প্রতারণা করছে
১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা, রাজস্ব আয়-২৮৫.৩৮(দুইশত পঁচাশি কোটি আটত্রিশ লক্ষ) টাকা, রাজস্ব
ব্যয়-২১৮.৪৩(দুইশত আঠার কোটি তেতাল্লিশ লক্ষ) টাকা, রাজস্ব উদ্বৃত্ত-৬৬.৯৫(সিষট্টি কোটি পঁচানব্বই লক্ষ)
টাকা, উন্নয়ন বাজেট-৫০০.৯৮(পাঁচশত কোটি আটানব্বই লক্ষ) টাকারাজস্ব এবং উন্নয়ন
বাজেট=৭৮৬.৩৬(সাতশত ছিয়াশি কোটি ছয়ত্রিশ লক্ষ) টাকা, সামগ্রিক ঘাটতি-৫০০.৯৮(পাঁচশত কোটি আটানব্বই
লক্ষ) টাকাকৃষি উন্নয়ন খাতে ১০৩(একশত তিন কোটি) টাকা, সামরিক খাতে-৪৫(পঁয়তাল্লিশ কোটি) টাকা ও
শিক্ষাখাতে-৪৩.৭২(তেতাল্লিশ কোটি বাহাত্তর লক্ষ) টাকা
১৯৭৩-৭৪ অর্থবছরের বাজেট: রাজস্ব আয়-৪১১.৩১(চারিশত এগার কোটি একত্রিশ লক্ষ) টাকা, রাজস্ব
ব্যয়-২৯৫.৩০(দুইশত পঁচানব্বই কোটি ত্রিশ লক্ষ) টাকা, রাজস্ব উদ্বৃত্ত-১১৬.০১(একশত ষোল কোটি এক লক্ষ)
টাকাসংশোদিত বাজেটে রাজস্ব আয়-৩৭৭.৩৬(তিনশত সাতাত্তর কোটি ছয়ত্রিশ লক্ষ) টাকা, রাজস্ব
ব্যয়-৩৬৪.৩৯(তিনশত চৌষট্রি কোটি উনচল্লিশ লক্ষ) টাকা, রাজস্ব উদ্বৃত্ত-১২.৯৭(বার কোটি সাতানব্বই লক্ষ)
টাকাউন্নয়ন বাজেট-৪৬৩.৬০(চারিশত চৌষট্রি কোটি ষাট লক্ষ) টাকারাজস্ব ব্যয়+উন্নয়ন
বাজেট=৮৪০.৯৬(আটশত চল্লিশ কোটি ষাট লক্ষ) টাকাসামগ্রিক ঘাটতি-৪৬৬.২৪(চারিশত সিষট্টি কোটি চব্বিশ
লক্ষ) টাকা১৯৭৩-৭৪ অর্থবছর থেকে শুরু করে বিদায় ২০০৬-২০০৭ অর্থবছরের মার্চ মাস পর্যন্ত মোট বৈদেশিক
ঋণের দায় হিসেবে ৫২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করেছে১৯৭৩-৭৪ অর্থবছরে মোট ঋণের সুদ এবং আসল
হিসেবে ফেরৎ দেয়া হয় ১ কোটি ৮০ লাখ ডলারওই সময়ে এক ডলারের মূল্যমান ছিল ৭.৯৬ টাকা
১৯৭৪-৭৫ অর্থবছরের বাজেট: (১৯-০৬-১৯৭৪) রাজস্ব আয়-৪৭০.২৩(চারিশত সত্তর কোটি তেইশ লক্ষ) টাকা,
প্রকৃত রাজস্ব ব্যয়-৩৬৪.৩৯(তিনশত চৌষট্টি কোটি উনচল্লিশ লক্ষ) টাকা, রাজস্ব উদ্বৃত্ত-১০৫.৮৪(একশত পাঁচ