বটমলেস পিট' (পূর্ব পাকিস্তান হলো একটা তলাবিহীন পাত্র)মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের নিরাপত্তা
উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার ১৯৭১ সালেই বাংলাদেশ সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে এ দেশকে একটি 'ইন্টারন্যাশনাল
বাস্কেট কেস' বলেছিলেনআমাদের গণমাধ্যমে লেখা হলো তলাবিহীন ঝুড়ি (বটমলেস বাস্কেট)এ কথাটা
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার বলেছিল মনে হয় ১৯৭৪ সালে২০১৫ সালের ৪ নভেম্বর, প্রথম আলো:
২০৫০ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতি হবে ২৩তম এবং আকার হবে ৩,৩৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার২০১৪ সালে
৩১তম আর ডলারে হবে-৫৩৬ বিলিয়ন ডলার২০৩০ সালে হবে ২৯তম আর অর্থনীতির আকার হবে-১,২৯১ বিলিয়ন
ডলারক্রয়ক্ষমতার সক্ষমতার ভিত্তিতে২০১৪-২০৫০ সাল পর্যন্ত বিশ্বে মাত্র তিনটি দেশের জিডিপিতে গড় প্রবৃদ্ধি
৫ শতাংশের বেশি হবেএর একটি বাংলাদেশ২৩তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ! প্রাইস ওয়াটারহাউস
কুপারসের গবেষণা
বিশ্বে গাছের সংখ্যা কত=গোটা বিশ্বে গাছের সংখ্যা এখন তিন ট্রিলিয়নের কিছু বেশিএক ট্রিলিয়ন হচ্ছে
১ লক্ষ কোটিনতুন একটি গবেষণায় এ কথা বলা হয়েছেযুক্তরাষ্ট্রের নামকরা ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় এ গবেষণা
করেছেপৃথিবীতে মোট গাছের সংখ্যা নিয়ে আগেও অনেকগুলো মূল্যায়ন করা হয়েছেতবে কোনো হিসাবেই
সংখ্যা ৪০০ বিলিয়নের (১ বিলিয়ন ১০০ কোটিতে) বেশি ওঠেনিনতুন এই মূল্যায়নে সে ধারণার চেয়ে আট
গুণ বেশি গাছ আছে বলে জানা গেলইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ধমাস ক্রোদার ও তাঁর সহযোগীরা
স্যাটেলাইট চিত্রের সাহায্য নিয়ে বিরাট পরিসরে একটি ভূমি জরিপ চালানবিবিসি

আয়-ব্যয় ও আশাবাদ=নতুন বাজেটে আয়ের বিশাল পরিকল্পনা আছে, ব্যয়েরও নানা উৎসের কথা বলা আছে। বাজেট কিছু মানুষকে স্বস্তি দিয়েছে, অনেক মানুষকে হতাশও করেছে। আছে অসৎ মানুষের জন্য নানা সুবিধা। আছে নানা চমকও। আয়-১,৭৪.১২৯ কোটি টাকা, ব্যয়-২,২২,৪৯১ কোটি টাকা। ঘাটতি-৪৮,৩৬২ কোটি টাকা। 'অশোভনীয় আশাবাদের' বাজেট। বিনিয়োগে হতাশা: বেসরকারি বিনিয়োগ আরও এক দফা কমেছে। ২০১১-২০১২ অর্থবছরে ছিল জিডিপির ২০.০৪%, পরের অর্থবছরে তা কমে হয়েছে-১৮.৯৯%। ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে বেসরকারি বিনিয়োগ হয়তো আরও কমবে।

২০১৩ সালের ১৪ এপ্রিল, প্রথম আলো: নিম্ন বিনিয়োগের ফাঁদে আটক বাংলাদেশবিশ্বব্যাংক বলছে,
বাংলাদেশের যে মাথাপিছু আয়, সে অনুযায়ী এ দেশে বিনিয়োগের হার হওয়া উচিত ৩১ দশমিক ৪ শতাংশ
বিনিয়োগ ঘাটতির পরিমাণ ৬ দশমিক ২ শতাংশএই বিনিয়োগ-ফাঁদ থেকে উত্তরণ ঘটানোই দেশের বড় চ্যালেঞ্জ
বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক
২০১৩ সালের ৩ জুন, প্রথম আলো: বিনিয়োগশূন্য প্রবৃদ্ধির ফাঁদে দেশ২৯ দশমিক ৪ শতাংশ জাতীয়
সঞ্চয়ের হার২৫ দশমিক ৪ শতাংশ বিনিয়োগের হারবিশ্বব্যাংক বলছে, বাংলাদেশের যে মাথাপিছু আয়, সে
অনুযায়ী এ দেশে বিনিয়োগের হার হওয়া উচিত মোট দেশজ উৎপাদনের ৩১ দশমিক ৪ শতাংশঅথচ দেশে
বিনিয়োগের হার ২৫ দশমিক ৪ শতাংশঅর্থাৎ বড় ধরনের বিনিয়োগ ঘাটতির মধ্যে আছে দেশতবে
অর্থনীতিবিদেরা একে বলছেন বিনিয়োগশূন্য প্রবৃদ্ধিশ্রীলঙ্কায় বিনিয়োগের হার ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ,
জাতীয় সঞ্চয় ২৪ শতাংশআবার ভারতে বিনিয়োগের হার ৩৫ দশমিক ১ শতাংশ, সঞ্চয়ের হার ৩২ দশমিক ৩
শতাংশবিশ্বের প্রায় সব দেশেই বিনিয়োগ-সঞ্চয়ের সম্পর্কটা এ রকম উল্টোটাই কেবল বাংলাদেশেশ্রমশক্তি
জরিপ ২০১০ অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে শ্রমশক্তির পরিমাণ পাঁচকোটি ৬৭ লাখএর মধ্যে পাঁচ কোটি ৪১ লাখ
মানুষের কাজ আছেএর অর্থ, মাত্র ২৬ লাখ মানুষ বেকারতবে এই পরিসংখ্যানে কৌশল রয়েছেকারণ,
জরিপেই বলা আছে যে পরিবারের মধ্যে কাজ করেন কিন্তুু কোনো মজুরি পান নাএমন মানুষের সংখ্যা এক
কোটি ১১ লাখএ ছাড়া আছেন আরও এক কোটি ছয় লাখ দিনমজুরবিশ্বব্যাংক মনে করে, বাংলাদেশে
প্রকৃত পক্ষে বেকারত্বের হার ১৪ দশমিক ২ শতাংশএর ওপর এখন প্রতিবছর নতুন করে ১৩ লাখ মানুষ
শ্রমবাজারে যোগ হচ্ছেনসুতরাং নতুন বিনিয়োগের বিকল্প নেইঅথচ বিনিয়োগ বাড়ানো যাচ্ছে না
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, স্বাধীনতার ৪০ বছর সময়ের মধ্যে ৩৪ বছরে বাংলাদেশের
মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৫০০ ডলারআর গত ছয় বছরে তা দ্বিগুণ বেড়ে এক হাজার ৪৪ ডলার ছাড়িয়েছে
১৯৭২-৭৩ সাল থেকে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২০০৬-২০০৭ অর্থবছরে তা দাঁড়ায় মাত্র ৫২৩ ডলারেআর
২০০৭-২০০৮ অর্থবছর থেকে ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে তা দ্বিগুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪৪ ডলারে
ভারতীয়দের ক্রয়ক্ষমতা আমাদের দ্বিগুণ এবং শ্রীলঙ্কার ক্রয়ক্ষমতা তিনগুণজিডিপির তুলনায় বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে
২৮ দশমিক ৭০ ভাগ ও সঞ্চয় ৩০ দশমিক ৮৫ ভাগনতুন ভিত্তি বছরের কৃষি খাতের উপখাতে ২৪টি নতুন শস্যসহ
সর্বেমাট ১২৪টি শস্যের উৎপাদন তথ্য অন্তর্ভূক্ত হয়েছেনতুন রেকর্ড-পাঁচ বছরে গার্মেন্টস রফতানি বেড়েছে
দ্বিগুণ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে ১২ বিলিয়ন ডলার এবং ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে ২১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে
২০-০৯-২০০৮ অর্থবছরে ছিল ৪,৯২৫টি এবং ২০-১২-২০১২ অর্থবছরে পোশাক কারখানা ৫,৬০০টিতে দাঁড়িয়েছে
০৯-০৯-২০১৩ সামস্টিক অর্থনীতি: ২০০৯-২০১০ থেকে ২০১২-২০১৩ তারিখ পর্যন্ত অর্জন: চার বছরে গড়ে
বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৩০%৮২ লাখ ৬০ হাজার লোকের কর্মসংস্থানরাজস্ব আয় বেড়েছে ৩.১১ গুণ
সরকারি বিনিয়োগ বড় ধরণের উল্লস্ফনমূল্যস্ফীতির তির নিম্নমুখীকর শনাক্তকারী নম্বর নেই ৭৩ হাজার
বাড়িওয়ালারপ্রবাসী আয়ে বাংলাদেশ সপ্তম১৫০০ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় আসবে এ বছর১২১% বেশি
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের তুলনায়৭,১০০ কোটি ডলার নিয়ে ভারত এবারও শীর্ষে থাকবে
২০০১ ও ২০০৩ এর শুমারিতে ছিল-৩৭ লাখ ৮ হ্‌াজার ১৪৪টি অর্থৈনতিক ইউনিট২০১৩ সালের শুমারিতে ৮০ লাখ
৭৫ হাজার ৭০৪টি অর্থৈনতিক ইউনিট পাওয়া গেছে২০১৩ সাল পর্যন্ত অর্থৈনতিক ইউনিটের বৃদ্ধির হার
দাঁড়িয়েছে ১১৮ শতাংশশুমারির প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ-(১) সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে-২৫ লাখ ৯৯
হাজার ৩৭২টি (২) চট্টগ্রাম বিভাগে-১৩ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৭টি (৩) রাজশাহী বিভাগে-১২ লাখ ১৭ হাজার
৬৩৩টি (৪) রংপুর বিভাগে-১০ লাখ ৮৮ হাজার ২৫৫টি (৫) খুলনা বিভাগে-১০ লাখ ৩৪ হাজার ৫৮১টি (৬)
বরিশাল বিভাগে-৩ লাখ ৮৫২ হাজার ২৩৩টি ও (৭) সিলেট বিভাগে-৩ লাখ ৬৫ হাজার ৮৭৩টি অর্থৈনতিক ইউনিট
রয়েছে২০৩০ সালে একজন দরিদ্রলোকও খুঁজে পাওয়া যাবে না-ওই সময়ের মধ্যে দেশকে দারিদ্রমুক্ত করার লক্ষ
নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী-আ. হ. ম. মুস্তফা
কামাল(২৩-০২-২০১৪ তারিখের দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকার কথা)এই কথার উত্তরে আমি মোঃ জাকির
হুসেন(আলমগীর) বলি যে-এই ব্যবস্থায় শেখ হাসিনার সরকার বা খালেদা জিয়ার সরকার দেশকে দারিদ্রমুক্ত
করতে পারবে না
২০১৪ সালের ২১ নভেম্বর, প্রথম আলো : আগামী চার বছরের মধ্যে দারিদ্রমুক্ত হবে বাংলাদেশ : অর্থমন্ত্রী
আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন আগামী ২০১৮ সালের মধ্যে দেশ দারিদ্রমুক্ত হবেআমি মো: জাকির
হুসেন(আলমগীর) বলছি যে আগামী চার বছর পর মানে আগামী ২০১৮ সালে বাংলাদেশে আরো দারিদ্র
পরিবার বাড়বে এবং দেশ রসাতলে যাবেএ ব্যবস্থায় দেশ আগাবে না বা আগামী ২০৫০ সালেও দেশের গরীব
বা দারিদ্রমুক্ত হবে না
২০১৫ সালের ১৩ জুলাই, প্রথম আলো : বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠান ৬ লাখ, মূসক বিবরণী দেয় ৬০,০০০(ষাট
হাজার) লোকদেশের কম-বেশি চার কোটি লোক আয় করেনএর মধ্যে মাত্র ১১ লাখ লোক কর দেনগতকাল
অর্থমন্ত্রী-আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন-এ কথাদেশের ১৮ লাখ লোক কর শনাক্তকারী নম্বর(টিআইএন)
রয়েছেকর এবং মূসক দেন জনগণএফবিসিসিআইর সভাপতি মাতলুব আহমদ বলেন-নতুন মূসক আইন অনুযায়ী,
ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের ব্যবসায়ীরা ১৫ শতাংশ হারে মূসক দিতে পারবেন নাএ ছাড়া ২৪ লাখের পরিবর্তে
৩৬ লাখ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক লেনদেনে মূসক অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব করেন তিনি৮০ লাখ টাকার
পরিবর্তে দেড় কোটি টাকা পর্যন্ত ৩ শতাংশ টার্নওভার করারোপের প্রস্তাবও করেন তিনি
২০১৬ সালের ১৪ মার্চ, প্রথম আলো: জেনেও বিপৎসংকেত দেওয়া হয়নিরিজার্ভের অর্থ চুরিএ ঘটনা না
জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ধৃষ্টতা দেখিয়েছেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : অর্থমন্ত্রী আবুল মাল
আবদুল মুহিত৪ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার, দিবাগত রাত প্রায় সাড়ে ১২টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সুইফটের
বার্তা বা সংকেত ব্যবহার করে, ৩৫টি অর্থ স্থানান্তরের পরামর্শ বা অ্যাডভাইস পাঠানো হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের
ফেডারেল রির্জাভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কেবাংলাদেশ ব্যাংকে সুইফট পদ্ধতি ব্যবহারের ব্যাক অফিসে কর্মরত অঅট
কর্মকর্তা ৫ ফেব্রুয়ারি শুক্রবারও কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনের জন্য এসেছিলেনওই কার্যালয়ে এসে তাঁরা
কমপিউটার খুলতে পারেননিকমপিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত প্রিন্টারগুলোও অকেজো দেখতে পানকিন্তু তাঁরা
উধ্র্বতন মহলের কাছে এই বিপদসংকেতটি পৌঁছাননিআর এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রিজার্ভের ১০ কোটি ১০
লাখ মার্কিন ডলার বা ৮০০(আটশত) কোটি টাকা চুরি হয়ে চলে যায় শ্রীলংকা ও ফিলিপাইনে১৭-০৩-২০১৬
তারিখ ঘটনা দ্রুত প্রকাশ হলে অর্থ আটকানো যেত? ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকিং করপোরেশনের জুপিটার
শাখার ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস দেগুইতোকে অর্থ পাচারে সহযোগিতার জন্য দায়ী করা হয়েছেমায়া নিজের
গাড়িতে ২ কোটি পেসো সরিয়েছেন ৫ ফেব্রুয়ারি কাগজের ব্যাগে করে আমি নিজে দেখেছিঅর্থমন্ত্রী আবুল
মাল আবদুল মুহিতের সাক্ষাৎকার(১৭-০৩-২০১৬ তারিখ) কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তারা জড়িত১৯-০৩-২০১৬
তারিখ প্রথম আলোতে অর্থমন্ত্রীর ব্যাখ্যা-প্রকাশিত সাক্ষাৎকারের বক্তব্য গ্রহণযোগ্য মনে করি নাআবার ম
ুহিত বলেছে যে-০৮-০৬-২০৬ তারিখ ব্যাকিং খাতে সাগরচুরি হয়েছে-অর্থমন্ত্রী-আবুল মাল আবদুল মুহিত
২০১৬ সালের ৯ জুন, প্রথম আলো: দেশের মোট আয়ের অর্ধেকই যাচ্ছে ধনীর পকেটেপিপিআরসির গবেষণা
ঃ মাথাপিছু গড় আয়(১) সবচেয়ে ধনী-১০ শতাংশ-৪,৯৬২ ডলার (২) সবচেয়ে গরীব-৪০ শতাংশ-৩৫৯ ডলার
(৩) মাঝামাঝি-৪০ শতাংশ-৮৬৭ ডলার (৪) রাজধানীর ধনী-১০ শতাংশ ১১,৭৯১ ডলার

।বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীদের নাম-১৬-১২-১৯৭১ সাল থেকে ৩০-০৬-২০০৮ পর্যন্ত।

জনাব তাজউদ্দিন আহমেদঅর্থমন্ত্রী১৩/০১/৭২-২৬/১০/৭৪
জনাব তাজউদ্দিন আহমেদঅর্থমন্ত্রী১৯৭২-৭৩
জনাব তাজউদ্দিন আহমেদঅর্থমন্ত্রী১৯৭৩-৭৪
জনাব তাজউদ্দিন আহমেদঅর্থমন্ত্রী১৯৭৪-৭৫
ড.আজিজুর রহমান মল্লিকঅর্থমন্ত্রী২৬/০১/৭৫-০৮/১১/৭৫
ড.আজিজুর রহমান মল্লিকঅর্থমন্ত্রী১৯৯৫-৭৬
জিয়াউর রহমানভারপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ও রাষ্টপতি১০/১১/৭৫-১৪/০৪/৭৯
জিয়াউর রহমানভারপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ও রাষ্টপতি১৯৭৬-৭৭
জিয়াউর রহমানভারপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ও রাষ্টপতি১৯৭৭-৭৮
জিয়াউর রহমানভারপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ও রাষ্টপতি১৯৭৮-৭৯
ড. মির্জা নুরুল হদাঅর্থমন্ত্রী১৫/০৪/৭৯-২৪/০৪/৮০
ড. মির্জা নুরুল হদাঅর্থমন্ত্রী১৯৭৯-৮০
জনাব এম.সাইফুর রহমানঅর্থমন্ত্রী২৫/০৪/৮০-১১/০১/৮২
জনাব এম.সাইফুর রহমানঅর্থমন্ত্রী১৯৮০-৮১
জনাব এম.সাইফুর রহমানঅর্থমন্ত্রী১৯৮১-৮২
ড. ফসিহ উদ্দিন মাহতাবঅর্থমন্ত্রী১২/০১/৮২-২৬/০৩/৮২
জনাব এ. এম. এম. মুহিতঅর্থমন্ত্রী৩১/০৩/৮২-০৯/০১/৮৪
জনাব এ.এম.এম. মুহিতঅর্থমন্ত্রী১৯৮২-৮৩
জনাব এ.এম.এম. মুহিতঅর্থমন্ত্রী১৯৮৩-৮৪
জনাব এম. সাইদুজ্জামানউপদেষ্টা০৯/০১/৮৪-২৯/১১/৮৬
জনাব এম. সাইদুজ্জামানউপদেষ্টা১৯৮৪-৮৫
জনাব এম. সাইদুজ্জামানউপদেষ্টা১৯৮৫-৮৬
জনাব এম. সাইদুজ্জামানঅর্থমন্ত্রী৩০/১১/৮৬-২৭/১২/৮৭
জনাব এম. সাইদুজ্জামানঅর্থমন্ত্রী১৯৮৬-৮৭
জনাব এম. সাইদুজ্জামানঅর্থমন্ত্রী১৯৮৭-৮৮
মেঃ জেঃ (অ.) এম.এ.মুনএমঅর্থমন্ত্রী২৭/১২/৮৭-০৫/০৮/৮৮
মেঃ জেঃ (অ.) এম.এ.মুনএমঅর্থমন্ত্রী১৯৮৮-৮৯
ড. ওয়াহিদুল হকঅর্থমন্ত্রী০৬/০৮/৮৮-১৬/০৩/৯০
ড. ওয়াহিদুল হকঅর্থমন্ত্রী১৯৮৯-৯০
মেঃ জেঃ (অ.) এম.এ.মুনএমউপদেষ্টা২০/০৩/৯০-০৬/১২/৯০
মেঃ জেঃ (অ.) এম.এ.মুনএমউপদেষ্টা১৯৯০-৯১
জনাব কফিলউদ্দিন মাহমুদউপদেষ্টা০৯/১২/৯০-১৬/০৩/৯১
জনাব এম. সাইফুর রহমানঅর্থমন্ত্রী২০/০৩/৯১-৩০/০৩/৯৬
জনাব এম. সাইফুর রহমানঅর্থমন্ত্রী১৯৯১-৯২
জনাব এম. সাইফুর রহমানঅর্থমন্ত্রী১৯৯২-৯৩
জনাব এম. সাইফুর রহমানঅর্থমন্ত্রী১৯৯৩-৯৪
জনাব এম. সাইফুর রহমানঅর্থমন্ত্রী১৯৯৪-৯৫
জনাব এম. সাইফুর রহমানঅর্থমন্ত্রী১৯৯৫-৯৬
ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদউপদেষ্টা৩০/০৩/৯৬-২৩/০৬/৯৬
ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদউপদেষ্টা১৯৯৬-৯৭
শাহ এ.এস.এম.এস. কিবরিয়াঅর্থমন্ত্রী২৩/০৬/৯৬-১৩/০৭/০১
শাহ এ.এস.এম.এস. কিবরিয়াঅর্থমন্ত্রী১৯৯৭-৯৮
শাহ এ.এস.এম.এস. কিবরিয়াঅর্থমন্ত্রী১৯৯৮-৯৯
শাহ এ.এস.এম.এস. কিবরিয়াঅর্থমন্ত্রী১৯৯৯-২০০০
শাহ এ.এস.এম.এস. কিবরিয়াঅর্থমন্ত্রী২০০০-২০০১
শাহ এ.এস.এম.এস. কিবরিয়াঅর্থমন্ত্রী২০০১-২০০২
জনাব এম হাফিজ উদ্দিন খানউপদেষ্টা১৫/০৭/০১-১০/১০/০১
জনাব এম.সাইফুর রহমানঅর্থমন্ত্রী১১/১০/২০০১-থেকে
জনাব এম. সাইফুর রহমানঅর্থমন্ত্রী২০০২-২০০৩
জনাব এম. সাইফুর রহমানঅর্থমন্ত্রী২০০৩-২০০৪
জনাব এম. সাইফুর রহমানঅর্থমন্ত্রী২০০৪-২০০৫
জনাব এম. সাইফুর রহমানঅর্থমন্ত্রী২০০৫-২০০৬
মরহুম এম. সাইফুর রহমানমন্ত্রী-মারা গেছেন(০৫-০৯-০৯)২০০৬-২০০৭
জনাব ড. এ.বি. মির্জা আজিজুল ইসলামঅর্থ উপদেষ্টা২০০৭-২০০৮
জনাব ড. এ.বি. মির্জা আজিজুল ইসলামঅর্থ উপদেষ্টা২০০৮-২০০৯
আবুল মাল আবদুল মুহিতঅর্থমন্ত্রী২০০৯-২০১০
আবুল মাল আবদুল মুহিতঅর্থমন্ত্রী২০১০-২০১১
আবুল মাল আবদুল মুহিতঅর্থমন্ত্রী২০১১-২০১২
আবুল মাল আবদুল মুহিতঅর্থমন্ত্রী২০১২-২০১৩
আবুল মাল আবদুল মুহিতঅর্থমন্ত্রী০৬-০৬-২০১৩-২০১৪
আবুল মাল আবদুল মুহিতঅর্থমন্ত্রী০৫-০৬-২০১৪-২০১৫
আবুল মাল আবদুল মুহিতঅর্থমন্ত্রী০৪-০৬-২০১৫-২০১৬
আবুল মাল আবদুল মুহিতঅর্থমন্ত্রী০২-০৬-২০১৬-২০১৭
বছরমাথাপিছু আয়(মার্কিন ডলার)পরিবর্তন(শতাংশ)
১৯৭১১২৯-
১৯৮০২২০৭১
১৯৯০২৮১২৮
২০০০৩৫৬২৭
২০১০৭৬৩১১৪মাথাপিছু আয় বনাম নিম্ন
২০১৫১৩১৬৭০নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ
২০১৬১৪৬৬(৩০-০৬-২০১৬)১১.৪০-
সমকালীন বিশ্বে তিনিই এ বিরল সম্মানের অধিকারে যিনি ১৫টি বাজেট পেশ করেছেনজনাব সাইফুরের বিশ্ব রেকর্ড:

।১৫(পনের) বার সংসদে বাজেট পেশ: আজ জাতীয় সংসদে ৩৫তম বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম.।

সাইফুর রহমানএর পরের স্থানে রয়েছেন শ্রীলংকার সাবেক অর্থমন্ত্রী বনি ডিমেলের ১১টি বাজেট পেশের স্থান
তারপর রয়েছে ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন, তিনি পেশ করেছেন ৯টি বাজেটতবে আধুনিক বিশ্বে সর্বপ্রথম সংসদে