১৯৮৩ সালের ১৭ নভেম্বর, বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৮৩ সালে ঢাকা আহসানিয়া মিশন এতিম শিশু সদন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৮৫ সালের ৪ নভেম্বর, আহসান মঞ্জিল জাদুঘরের প্রতিষ্ঠা হয় (১৯৯২ সালে দর্শনার্থীেদর জন্য উন্মুক্ত করা হয়)। ফোন-৭৩৯১১২২, ৭৩৯৩৮৬৬।

১৯৮৯ সালে রাজধানীর মহাখালীতে ইরাক সরকারের আর্থিক অনুদানে প্রতিষ্ঠিত করেন মাওলানা এম. এ. মান্নান আর এক অমর কীর্তি মসজিদে গাউছুল আযম ও জমিয়াতুল মোদার্রেছীন কমপ্লেক্স।

১৯৯০ সালে ঢাকাকে সিটি কর্পোেরশনে উন্নীত করা হয়।

১৯৯১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, ''দি ডেইলি স্টার' পত্রিকা প্রকাশিত হয়।

১৯৯১ সালে ঢাকায় লোকসংখ্যা ছিল ৬৮ লাখ ৪৪ হাজার ১শ' ৩১ জন।

১৯৯১ সালে ঢাকায় লোকসংখ্যা ছিল: ৬৪ লঅ ৮৭ হাজার। ২০০১ সালে ৯৬ লাখ ৭২ হাজার। ২০১১ সালে ১ কোটি ৪৫ লাখ ৪৩ হাজার। ২০১৪ সালে ১ কোটি ৬৯ লাখ। দিনে ঢাকায় বাড়ছে ১৫০০ জন। বছরে বাড়ছে ৫,৭০,৫৭০ জন। মানুষের সঙ্গে বাড়ছে যানবাহনও। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বলছে, ঢাকায় নিবন্ধিত যানবাহন সাত লাখ ৯৭ হাজার ১৮৪টি। প্রতিদিন রাস্তায় ১৮০টি নতুন যান। ৩৫ ভাগ মানুষ বস্তিতে বাস করে।

১৯৯৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর, প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া 'নগরভবন'' উদ্বোধন করেন।

১৯৯৮ সালের ২৪ অক্টোবর, ঢাকায় মিনি বিশ্বকাপ ক্রিকেট শুরু হয়।

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর, একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জািতক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেসকো। ২০০০ সাল থেকে একুশে ফেব্রুয়ারি পালিত হচ্ছে আন্তর্জািতক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে।

২০০১ সালে ঢাকায় লোকসংখ্যা ছিল-৯৬ লাখ ৭২ হাজার (আয়তন ছিল-৩৫৩ বর্গমাইল)।

ঢাকার সেই খালগুলো এখন কেবল স্মৃতিচিহ্ন: একদিন এ রাজধানী ঢাকায় ছিল 'বাইশখাল'। এ খালগুলোর দু'তীর জুড়ে ছিল গ্রামীণ আবহ। সুখী ঢাকাবাসী আয়োজন করতো নৌকা বাইচের। আদি ঢাকার গৌরব মিশে ছিলো অন্যান্য খাল ও ধোলাইখালের প্রবাহ ছন্দে। জনসংখ্যার চাপে 'তিলোত্তমা' ঢাকা গড়ার নামে হরণ করা হয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যেক।

২০০৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, ভাসানী নভোথিয়েটার প্রতিষ্ঠিত হয়।

২০০৪ সালের ৮ আগষ্ট, ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর হারিয়ে যাওয়া ২৬টি খাল অবিলম্বে পুনরুদ্ধারের সিদ্ধান্ত। ২৬টি খালের সর্বেমাট দৈর্ঘয ছিল-২৫৬ কিলোমিটার। এ সভায় জানানো হয়েছে যে, ৬০-এর দশকে ঢাকা নগরীতে প্রায় ৫০টি খাল ছিল। এ জন্য কোন খালের এলাকার মধ্যে যদি ২০-তলা ভবনও থাকে তবে তা ভেঙ্গে ফেলা হবে। ঢাকার আশপাশের সকল জলাভূমি ও নীচু ভূমি অধিগ্রহণ করারও সুপারিশ করা হয়।

২০০৯ সালের ১৮ জানুয়ারি, আমাদের সময়: রাজধানীর ৪৩ খালের ১৭টি এখন অস্তিত্বহীন। নতুন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আসছে ঢাকা ওয়াসা। ২৬টি খাল উদ্ধার করেছে ওয়াসা। ২০০৯ সালের ১৬ জুলাই, প্রথম আলো: সংসদীয় কমিটিকে মন্ত্রণালয়-রাজধানীর ৪৩টি খাল 'নিখোজ'। ধোলাইখালসহ রাজধানীর ৪৩টি খাল বাস্তবে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

২০০৪ সালের ১৫ অক্টোবরের রিপোর্ট: ঢাকার ৩৫টি খাল উদ্ধারে সংসদীয় কমিটি গঠন।

২০০৪ সালের ১৫ অক্টোবর, স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকায় ৮ রিখটার স্কেলে ভূমিকম্প হলে ৪২ ভাগ ঘরবাড়ী ধ্বংস হবে: ঢাকার মেয়র।

২০০৪ সালের ৪ নভেম্বর, মহাখালীতে ফ্লাইওভার যান চলাচলের জন্য উন্মক্ত করা হয়।

২০০৫ সালে ঢাকায় লোকসংখ্যা ছিল ১ কোটি ৩০ লাখ। ১৯৫১ সালে ঢাকার আয়তন ছিল ২৮ বর্গমাইল যা ১৯৮৯ সালে ৫ গুন বৃদ্ধি পেয়ে হয় ১৫৫ বর্গমাইল। ১৯৯১ সালে ঢাকার আয়তন বৃদ্ধি পেয়ে ৫২২ বর্গমাইল দাঁড়িয়েছে। ২০০৫ সালে ঢাকা মহানগরীর আয়তন ১,৫৫০ বর্গিকলোমিটার।

২০০৬ সালের একটি জরিপ অনুযায়ী, নগরে বস্তির সংখ্যা চার হাজার ৯৬৬টি। এসব বস্তিতে ৩৪ লাখ লোক বাস করে। এদের শতকরা ২৫ জন সেপটিক ট্যাংক ও পয়োনিস্কাশন সুবিধা পায়। ২০১৩ সালের মধ্যে সবার জন্য নগরে শত ভাগ স্যানিটেশন নিশ্চিত করা কঠিন হবে বলে তিনি জানান। আমি বলি সরকারের কথা এবং কাজের মাঝে মিল পাওয়া যায়নি।

২০০৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ঢাকা সিটি করপোরেশনের হিসাব অনুযায়ী ঢাকা শহরে হোল্ডিং নম্বর আছে প্রায় দুই লাখ ৩১ হাজার ৫৮০টি। হোল্ডিং নম্বর নেই এমন বাড়ির সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়।

২০০৯ সালের ১০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: রাজধানীর নিখোঁজ ৪৩টি খালগুলোর মধ্যে ২৬টির খোঁজ মিলেছে।

২০১০ সালের ২১ এপ্রিল, প্রথম আলো: ভূমি জরিপ অধিদপ্তরের প্রতিবেদন-৩৯ খালের দখলদার। এক হাজার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান।

২০১০ সালে মোট ঢাকা শহরের হোল্ডিংসংখ্যা হচ্ছে-এক লাখ ৮৬ হাজার ৬৪৬। আর ঢাকা শহরের জনসংখ্যা নিয়েও বিভ্রান্তি রয়েছে। নগরবিদ অধ্যাপক নজরংল ইসলামের হিসাবমতে, এ জনসংখ্যা ৮৫ লাখ। কিন্তু লোকজনের ধারণা, এ জনসংখ্যা এক কোটি ৩০ লাখ বা তারও বেশি। দি ওয়াল্র্ড এলমেনাক এন্ড বুক অব ফেক্টসের ২০১১ সালের তথ্য অনুসারে ঢাকার লোকসংখ্যা-১(এক) কোটি ৪২(বিয়াল্লিশ) লাখ।

২০১২ সালের ৫ জুন: ঢাকা শহরের লোকসংখ্যা-১ কোটি ৫৮ লাখ। (ঢাকার শহরের আয়তন-৫০০ বর্গিকলোমিটার বা ৩১২.৫ বর্গমাইল)। সারাদেশে ছোট-বড় মিলিয়ে শহর ৬২৫টি। পুরোনো শহরগুলোকে অবহেলায় রেখে নতুন উপশহর নির্মােণর সিদ্ধান্ত হবে আত্মঘাতী-অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, নগরবিদ।

ঢাকা মহনগরের ৩৫৩ বর্গিকলোমিটারের মধ্যে বৃক্ষ আচ্ছাদিত এলাকার পরিমাণ মাত্র ৩৫ বর্গিকলোমিটার, আর জলাভূমির পরিমাণ ৭০ বর্গিকলোমিটার। জলাজয় কমছে আশঙ্কাজনক হারে। সবুজ হারিয়ে ক্রমশ ধূসর হয়ে উঠছে ঢাকা। এ চিত্র পাওয়া গেছে একটি সমীক্ষা থেকে। জাতিসংঘের তিনটি সংস্থা ও বিসিএএস পরিচালিত এ সমীক্ষা থেকে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন ইফতেখার মাহমুদ। কমছে সবুজ-এক যুগ আগেও ঢাকার আশপাশে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জমি ছিল সবুজে ঢাকা। নগরায়ণের নামে এলাকাগুলো ধূসর হয়ে উঠছে। বাড়ছে তাপমাত্রা-নিম্নভূমি ও জলাভূমি ভরাট করে একের পর এক কংক্রিটের ভবন ও পিচঢালা পথ নির্মােণর ফলে শহরে তাপমাত্রাও বাড়ছে। এক যুগে ৯০ শতাংশ জলাভূমি ভরাট।

২০১২ সালের ৫ এপ্রিল, বাংলাদেশ প্রতিদিন: ঢাকাই জামদানি প্রায় ৪০০ বছর ধরে প্রতি শুক্রবার ভোর থেকে তাঁতিরা তাদের বোনা এ কাপড় বিক্রি করতে আসেন ডেমরার হাটে। গবেষক ড. আবদুল করিম তাঁর 'ঢাকাই মসলিন' গ্রন্থে যে ডেমরার আড়ংয়ের কথা বলেছেন সেটিই বর্তমানে ডেমরার হাট। দেশ থেকে অনেক কিছু হারিয়ে গেলেও ডেমরার আড়ংটি রয়ে গেছে। এই আড়ং থেকে মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের জন্য উৎকৃষ্ট জামদানি কেনা হতো। ওইসব জামদানির প্রতিটির দাম ছিল ৪০০ টাকা। ১৭৭৭ সালে মুর্শিদাবাদের নবাবদের জন্য এখান থেকে একখন্ড জামদানি কেনা হয়েছিল ৫৬০ টাকায়। ঢাকার নায়েব-ই-নাজিম মোহাপম্মদ রেজা খাঁ প্রতিটি জামদানির দাম পরিশোধ করতেন ৪৫০ টাকা করে। ১৯০৭ সালে ২০০ টাকা করে এ কাপড় কেনা হতো ত্রিপুরার মহারাজাদের জন্য। ১৯০৩ সালে দিল্লীতে ভারত শিল্প প্রদর্শনীতে ডেমরার জামদানি প্রথম হয়ে ৫০০ টাকা পুরস্কার লাভ করে। তবে ডেমরার আড়ংয়ে এখন আর মসলিন পাওয়া যায় না। শুধু পাওয়া যায় মসলিনের মোটা ফর্ম জামদানি।

২০১৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: রাজধানীতে বস্তির সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজার। এতে ৪০ লাখের বেশি মানুষের বসবাস, যার অর্ধেেকর বেশি শিশু। বস্তির নোংরা ঘিঞ্জি পরিবেশে বাস করা মেয়েশিশুরা কেমন আছে? তাদের নিয়েই ইউনিসেফের সহযোগিতায় প্রথম আলোর বিশেষ মাসিক দুই পৃষ্ঠার আয়োজন। সবার আগে শিশু-প্রকাশিত হলো আজ। তা থেকে কিছু কথা বলার ছিল, তা বলতে পারিনি।

২০১৩ সালের ২৬ এপ্রিল, প্রথম আলোর অন্য আলো: নতুন করে লিখতে হবে ঢাকার ইতিহাস। সতেরো শতকের অজানা ঢাকা সম্পর্কে অজস্র তথ্য ছড়িয়ে আছে ওলন্দাজ বণিকদের ভ্রমণ বিবরণী, ডায়েরি, বার্ষিক প্রতিবেদন, লেজার বুকসহ নানান চিঠিপত্রে। নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত জাতীয় মহাফেজখানায় সংরক্ষিত এসব নথির কারণে নতুন করে লিখতে হবে ঢাকার ইতিহাস। লিখেছেন-আজিজুল ইসলাম। তথ্যের স্বপ্লতার কারণে সতেরো শতকের ঢাকার ইতিহাস রচনা করতে ইতিহাসবিদদের বিশেষ সমস্যায় পড়তে হয়। ১৬০২ সালে ওলন্দাজরা গঠন করেছিল ফেরেনগডি ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি বা ভিওসি, ইংরেজিতে যাকে আমরা ডাস ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নামে চিনি। কোম্পানি প্রতিষ্ঠার পর এক দশকের মধ্যেই পর্তুিগজদের হটিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়ায় কোম্পানি তার আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে এই নথিপত্রগুলো সংরক্ষিত আছে হেগ শহরে অবস্থিত জাতীয় মহাফেজখানায়। ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলায় কারখানা স্থাপন করে-১৬৩০-এর দশকে। তবে ঢাকায় ওলন্দাজরা কারখানা প্রতিষ্ঠা করে আরও অনেক বছর পর। নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত ন্যাশনাল আর্কাইভ। বর্তমান বৃহত্তম নোয়াখালী জেলা একসময় ভুলুয়া নামে পরিচিত ছিল। শুধু ফানদের হেইডেনের ভ্রমণ বিবরণীই নয়, এই মহাফেজখানায় রক্ষিত আছে আরও অনেক ভ্রমণ বিবরণী, ঢাকা ডায়েরি, কোম্পানির বার্ষিক প্রতিবেদন, লেজার বুক, মানচিত্র এবং চিঠিপত্রে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ঢাকা এবং পূর্বভঙ্গ সম্পর্কে অনেক বিচিত্র এবং প্রয়োজনীয় তথ্য। এর সবই সতেরো শতকের পূর্বভঙ্গ তথা বাংলাদেশ এবং ঢাকার ইতিহাস পুনর্গঠনে ঠিক সোনার খনির মতোই। ঢাকার নারিন্দায় অবস্থিত আঠারো শতকের ওলন্দাজ বণিক উইলিয়াম কের্কমানের সমাধি। রাজশাহীর পদ্মার তীরে অবস্থিত ওলন্দাজ কুঠি।

৩১-১০-২০১৩ তারিখের ঢাকা: এক নজরে আজকের ঢাকা: (১) আয়তন ১,৪৬৩.৬০ বর্গিকলোমিটার (২) মোট জনসংখ্যা-১ কোটি ২৫ লাখ ১৭ হাজার ৩৬১ জন (৩) পুরুষ-৬৮,১৩,৪৬৩ ও (৪) ৫৭,০৩,৯০৮ জন (৫) শিক্ষার হার-৭০.৫০% (৬) খানা-২৭,৮৬,১৩৩টি (৭) জনসংখ্যার ঘনত্ব-৮,২২৯ জন (৮) জনসংখ্যা প্রবৃদ্ধির হার-৩.৪৮(প্রতিবছর) (৯) শহরায়ন-%ঃ৭৭.৩৬ (১০) উপজেলার সংখ্যা-৫টি, (১১) মেট্রো পলিটন থানার সংখ্যা-৪৮, (১২) সিটি করপোশেনের সংখ্যা-২টি, (১৩) পৌরসভার সংখ্যা-৩টি, (১৪) ইউনিয়নের সংখ্যা-৮৬টি, (১৫) মৌজার সংখ্যা-৯৭৪টি, (১৬) গ্রাম সংখ্যা-১ হাজার ৯৯৯টি, (১৭) সিটি ওয়ার্ড-৯২টি, (১৮) সিটি মহল্লা-১৩৩টি, (১৯) সংসদীয় আসন সংখ্যা-২০টি, (২০) উন্নয়ন সার্কেল-১টি, (২১) কলেজের সংখ্যা-১৬৭টি, (২২) উচ্চ বিদ্যালয়ের সংখ্যা-৪৭৯টি, (২৩) মাদ্রাসার সংখ্যা-৬৮৯ (২৪) মসজিদের সংখ্যা-৩,০৮৮টি, (২৫) মন্দিরের সংখ্যা-৮০৮টি, (২৬) গির্জার সংখ্যা-৩৩টি, (২৭) মো আবাদি জমির পরিমাণ-১,০৯,১২৯ হেক্টর (২৮) অর্থকরী ফসল-পাট, তুলা ও আখ (২৯) রাস্তার মোট সংখ্যা-১,৫৯৮টি (৩০) রাস্তার মোট দৈর্ঘয-৪,১০৭ কি.মি. (৩১) কাঁচা রাস্তা-৩,১৪৬ কি.মি. (৩২) আধা পাকা রাস্তা-৫৪৬ কি.মি. (৩৩) ই্‌টপাকা-৩৯৯ কি.মি. (৩৪)শক্ত আরসিসি রাস্তা-১৬ কি.মি. (৩৫) খাদ্য গুদামের সংখ্যা-৭টি, ধারণক্ষমতা-৪৬,২৫০ মেট্রিক টন (৩৬) জলাভূমি সংখ্যা-১২টি(বিশ একরের উধ্র্বে) (৩৭) মোট মৌজার সংখ্যা-১,০৯৬টি। (১) মোগল আমল-১৬০৮-১৭৬৫ (২) ব্রিটিশ আমল-১৭৬৫-১৯৪৭ ও (৩) পাকিস্তান আমল-১৯৪৭-১৯৭১ (৪) বাংলাদেশ আমল-১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে-

১৯৫৩ সালে নবাবপুর এক্সল মোটর ওয়ার্কশপই সম্ভবত ঢাকার প্রথম মোটর ওয়ার্কশপ। শ্মশান: আদিতে ঢাকার নদী ও খালপাড়ে মরদেহ পোড়ানো হতো। ঢাকার আদি স্বীকৃত শ্মশানের মধ্যে দয়াগঞ্জ শ্মশানঘাট, পোস্তগলা ও লালবাগ শ্মশানের কথা জানা যায়। ডক্টরেট-পি-এইচডি: নিশিকান্ত চট্টোপাধ্যায় বাংলার যাত্রাপালা নিয়ে গবেষণা করে সুইজারল্যান্ড থেকে প্রথম ঢাকাবাসী হিসেবে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। নায়েব নাজিম ছিলেন-ঢাকার প্রথম নায়েব নাজিম মুহম্মদ আলী খান। মুসলমান র্গযাজুয়েট: ঢাকার প্রথম র্গযাজুয়েট আদিনাথ সেনের মতে, ঢাকার প্রথম মুসলমান র্গযাজুয়েট খাজা মুহম্মদ আসগর। নারী চিত্রশিল্পী: নবাব পরিবারের মেহেরবানু খানমই সম্ভবত ঢাকার প্রথম নারী চিত্রশিল্পী।

২০১৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ তারিখ ডিসি-১০ বিমানের শেষ যাত্রা। শরীরে বার্ধক্র, জড়িয়েছে বিতর্কেও। বিদায় বেলায় নাম উঠেছে বিশ্ব উড্ডয়ন ইতিহাসের পাতায়। শেষ যাত্রীবাহী সফরের দিনে ঘুরে এসে লিখেছেন-ইকবাল হোসাইন চৌধুরী।

২০১৪ সালের ১ মার্চ, প্রথম আলো: হাজার বছর আগের পরিকল্পিত জনপদ: মুন্সিগঞ্জে প্রাচীন বৌদ্ধবিহার ও মন্দিরের সন্ধান। মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ি উপজেলার নাটেশ্বর গ্রামে একটি বিশালাকৃতির টিবিতে প্রত্নতাত্ত্বিক খননে পাওয়া গেছে প্রাচীন বৌদ্ধমন্দির। খননে মাটির তলা থেকে যেসব স্থাপনা বেরিয়ে আসছে, তাতে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত জনপদের চিত্রই গবেষকদের সামনে দৃশ্যমান হয়ে উঠছে। এটি প্রায় ১১শ বছর আগের। আধুনিক যুগে আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচীন রূপ হলো বৌদ্ধবিহার, যেখানে ধর্মশাস্ত্রের পাশাপাশি জ্ঞানবিজ্ঞানের চর্চা করা হতো। আর স্তুত হলো বৌদ্ধদের ধমীয় আচার-অনুষ্ঠানের বিশেষ স্থান। এই জনপদ ছিল বৌদ্ধ ধর্মপ্রচারক ও পন্ডিত শ্রীজ্ঞান অতীশ দীপঙ্করের জন্মস্থান। প্রায় ১০০ বর্গিকলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত মন্দিরটির বেশির ভাগ ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে গেলেও পশ্চিম-দক্ষিণ কোনার প্রায় পৌনে দুই মিটার প্রশস্থ রয়েছে। প্রায় আড়াই মিটার উঁচু দেয়ালের ভিত্তিমূলে ব্যবহার করা হয়েছে "ঝামা ইট", যা ভবনকে আদ্র্রতায় দুর্বল হওয়া থেকে সুরক্ষা দিত। গতকাল (২৮-০২-২০১৪ তারিখ) তোলা ছবি।

২০১৪ সালের ৩ মার্চ, প্রথম আলো: সংসদে পূর্তমন্ত্রী-ঢাকায় অবৈধ ভবন চার হাজার ৯৭টি।

২০১৪ সালের ১৩ মার্চ, দৈনিক জনকন্ঠ: ১৭৮ দেশের মধ্যে দূষিত বায়ু সেবন বাংলাদেশে সর্বািধক।

।বৃটিশ-ভারতে পৌরসভা গঠনের ইতিবৃত্ত:।

পৌরসভা গঠনের ইতিবৃত্ত: ১৭৯৩ সালে বৃটিশ পার্লােমন্টে চার্টােরর মাধ্যমে এদেশে প্রথম কলকাতা, মুম্বাই ও মাদ্রাজ শহরে পৌরসভার সূচনা হয়। এ আইনে জাস্টিস অব পীস নিয়োগ, করারোপ এবং চৌকিদার ও ঝাড়ুদার নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়। ১৮৪২ সালে পৌরসভা প্রতিষ্ঠান গঠনের আইন পাশ হয়। এই আইন শহরে বসবাসকারী বাড়ির প্রধানদের দুই-তৃতীয়াংশের আবেদনের প্রেক্ষিতে টাউন কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু এ আইনের সুবিধা ভোগের জন্য বাসিন্দাদের মধ্যে কোন আগ্রহ ছিল না। ১৮৫০ সালে মিউনিসিপ্যাল এ্যাক্ট পৌরসভা গঠনের ইতিবৃত্ত ছিল। ১৮৬৮ সালে ডিস্ট্রিক্ট টাউন এ্যাক্টের অধীনে আরও অধিকসংখ্যক শহরে পৌরসভা গঠন করা হয়। লর্ড রিপন স্থানীয় সরকারের ব্যাপারে খুবই উৎসাহী ছিলেন। তাঁহার আমলে আগের সকল আইনকে একত্রিত করে ১৮৮৪ সালে বেঙ্গল মিউনিসিপ্যালিটির আয়ের জন্য বেশ কয়েকটি উৎস নির্ধারণ করা হয়। ১৮৯৬ সালে নূতন আইণ প্রণয়নের মাধ্যমে আগের সকল আইন একত্রিত করিয়া আবার একটি নূতন আইন পাশ করা হয়। ১৯৪৭ সালের পূর্বে ১১৮টি পৌরসভা ছিল অবিভক্ত বাংলায়, এরমধ্যে ৫২টি ছিল পূর্ব বাংলায়। বাংলাদেশে প্রথম পৌরসভা হয়-চট্টগ্রাম পৌরসভা-১৮৬৪ সালের ৫ জুলাই (১৮৬৪ সালে যাত্রা শুরু হওয়া ঢাকা পৌরসভা ঢাকা সিটি করপোরেশন পরিচয়ে ১৪৭ বছর পার করছে চলতি ২০১১ সালে। ১৪৭ বছরে ঢাকার ৪৮ প্রশাসক ও মেয়র। ২০১১ সালের ৩০ নভেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকা: জাতীয় সংসদে বিল পাস।। তিন মাসের মধ্যেই নির্বাচন নবগঠিত দুই ডিসিসিতে-আলোচিত স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন বিল-২৯-১১-২০১১ তারিখ। আর এ বিলটি পাসের ফলে বিলুপ্ত ঘটল ঢাকা সিটি করপোরেশনের বর্তমান ঢাকা সিটি করপোরেশন এখন 'ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন' এবং 'ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন'-এ উন্নীত হল।) দ্বিতীয় পৌরসভা হয়-ঢাকা পৌরসভা গঠিত হয়-১৮৬৪ সালের ১ আগষ্ট, তৃতীয় পৌরসভা হয়-কুমিল্লা পৌরসভা ৩০ নভেম্বর ১৮৬৪ সালে, তারপর পৌরসভা গঠিত হয় ১ আগষ্ট ১৮৬৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা। ১৮৭৬ সালে রাজশাহী পৌরসভা গঠিত হয়। বাংলাদেশে ৩১-০৩-২০০৯ তারিখের হিসেব অনুসারে ৩০৯(তিনশত নয়টি)টি পৌরসভা আছে এরমধ্যে ৭(সাত)টি পৌরসভা বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছিল। প্রায় ৩(তিন) হাজার বছরের পুরানো জনপদ নারায়ণগঞ্জ। ১৮৭৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, নারায়ণগঞ্জকে পৌরসভায় উন্নীত করা হয়। ১৮৮২ সালে একে মহকুমার মর্যাদা দান করা হয়। ১৮৮৫ সালে বৃটিশরা এখানে রেললাইন স্থাপন করে। কমিশন থেকে জানা গেছে সারা দেশে ৩২০টি পৌরসভা আছে(১৫-০৯-২০১৫ তারিখ পর্যন্ত)। ৩২০তম পৌরসভা পিরোজ জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার সদরকে পৌরসভা করা হয়েছে-১৪-০৯-২০১৫ তারিখ মন্ত্রীপরিষদের সভায়। বাংলাদেশে ০৮-০১-২০১৩ তারিখ পর্যন্ত টঙ্গীকে নিয়ে গাজীপুর সিটি কপোের্রশন-১১তম।