২০০৫ সালের ২৪ এপ্রিল, ৩৭,৭১০টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকসংখ্যা-১,৬৭,১২৬ জন, রেজিষ্টার্ড বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়-এর সংখ্যা-১৯,৫৭৫টি এবং শিক্ষকসংখ্যা-৭৫,৭৮২ জন।

২০০৬ সালের ১৯ জানুয়ারি, ইনকিলাব: ৩,৭৭৮টি কমিউনিটি স্কুল আছে বাংলাদেশে এবং ১৫ হাজারের অধিক শিক্ষক আছে। শিক্ষকের বেতন দেয়া হয় ৭৫০/-টাকা।

২০০৬ সালের ১৯ জানুয়ারি, শিক্ষাঙ্গন রিপোর্ট: এবারও প্রাথমিক স্তরে ৬৩ লাখ শিক্ষার্থী বই পাচ্ছে না।

২০০৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: বাংলাদেশে গত বছরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রাইমারী স্কুল ছাড়া শুধুমাত্র হাইস্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা, পলিটেকনিক, ভোকেশনাল ও নার্সিংসহ বিভিন্ন প্রকারের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে-২৭,৫০০টি। শুধুমাত্র এ প্রতিষ্ঠানগুলিতে শিক্ষার্থী দেড় কোটি। আর এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারী আছেন ৫-লাখ। এর বাইরে আছে-২১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ৫৪টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ শিক্ষা মানব সম্পদ। গত অর্থবছরে ২৫-লাখ মেয়েকে শিক্ষিত করে তুলতে দেয়া হয়েছে ২০৯ কোটি টাকা।

২০০৬ সালের ১৩ মার্চ, মোহাম্মদ আবদুর রহিম: ৩১৭টি সরকারী স্কুলে ১,০৫০ জন শিক্ষকের পদ শূন্য। হাজার হাজার শিক্ষার্থী অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন।

২০০৬ সালের ৩০ এপ্রিল, দেশের ৮০% উচ্চশিক্ষার দায়িত্ব পালন করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-অধ্যাপক ড. ওয়াকিল আহমেদ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১,৬০০ কলেজের ৮(আট) লাখ ছেলেমেয়ে লেখাপড়া করে।

২০০৬ সালের ৭ আগষ্ট, ইনকিলাব রিপোর্ট: সাড়ে ২৬ হাজার স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসার লাগাতার এক মাস ধর্মঘটের পর গতকাল শর্ত জুড়ে দিয়ে শতভাগ বেতনের দাবী বাস্তবায়নের ঘোষণা দেয়া হয়েছে-৫ লাখ বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীর মাসব্যাপী আন্দোলন। শতভাগ বেতনের প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকারের শর্তযুক্ত ঘোষণা। এজন্য সরকারের অতিরিক্ত ২৮০ কোটি টাকা লাগবে। ৫ ভাগ নগদ প্রদানে লাগবে ১৬০ কোটি টাকা। বাজেটারী সমস্যার কারণে ৫ ভাগ বন্ডের মাধ্যমে দেয়া হবে। টিউশন ফি জমা হবে সরকারী কোষাগারে। বাড়ী ভাড়ার জন্য লাগবে ১২০০ কোটি টাকা-উৎসব ভাতার জন্য লাগবে ৪০০ কোটি টাকা-চিকিৎসা ভাতার জন্য লাগবে-২০৬ কোটি টাকা। এসব দাবী নাচক। শিক্ষকদের সকল দাবী পূরণে অতিরিক্ত ২,২৩৮ কোটি টাকা প্রয়োজন। এমনিতেই নতুন জাতীয় স্কেলের পর থেকে ২,৯০০ কোটি টাকা বেতন-ভাতা বাবদ (৯০% হারে) দিতে হয়। যা জাতীয় বাজেটে মোট শিক্ষা বরাদ্দের ৬৯ ভাগ। সরকার সমর্থকদের কর্মসূচী স্থগিত। অন্যদের আন্দোলন অব্যাহত। সরকারী কলেজ শিক্ষকদের আলোচনায় বসার আহবান।

২০০৬ সালের ২৫ আগষ্ট, সুলতান মাহমুদ: ডিগ্রী কলেজের নীতিমালায় ফাজিল কামিল মাদ্রাসা অধিভূক্ত করা হবে। ১,১১৮টির মধ্যে শর্তের মারপ্যাঁচে অধিভূক্তির আবেদন পর্যােয়ই ছেঁটে ফেলা হবে সহস্রাধিক মাদ্রাসা। ২০০০ সালে সিন্ডিকেট র্কতৃক সংশোধিত ডিগ্রী কলেজ অধিভূক্তের শর্ত পূরণে ব্যর্থ হবে সেসব মাদ্রাসা কোন অবস্থাতেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভূক্ত করা হবে না। অর্থাৎ ওসব ফাজিল কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ডিগ্রী ও মাস্টার্সের মান পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।

২০০৭ সালের ২২ মার্চ, শাহজাহান শুভ: উচ্চ শিক্ষা স্তরে বাণিজ্য-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে র্সাটিফিকেট বিক্রি, শিক্ষক রাজনীতি ও আইনের লংঘন। ২১টি পাবলিক ও ৫৪টি প্রাইভেট।

২০০৭ সালের ৩১ আগষ্ট, ইনকিলাব রিপোর্ট: শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি বাণিজ্য। চার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার হোতারা আড়ালেই রয়ে গেলেন। সংশিস্নষ্ট সূত্র মতে, জোট সরকারের পাঁচ বছরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ৪ হাজার ৮৬২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে। এর পাশাপাশি এমপিওভুক্ত হয়েছে ৭০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে দেড় লাখ থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ঘোষ নিয়েছে এবং প্রতিটি শিক্ষক-কর্মচারী থেকে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘোষ নিয়ে এমপিওভুক্ত করেছে।

২০০৮ সালের ৯ এপ্রিল, শরিফুজ্জামান পিন্টু: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ-পদ ১৬ হাজার ৫৯টি। প্রার্থী আট লাখ ৬১ হাজার ৯৭৪ জন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হতে চান।

২০০৮ সালের ৪ মে, শিশির মোড়ল-প্রথম আলোঃ সব মেডিকেল কলেজ বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হচ্ছে। দেশে বর্তমানে ১৫টি সরকারি মেডিকেল কলেজ আছে এবং ৩৪টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে।

২০০৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর, বাংলাদেশে ১৪ হাজার গ্রামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী ও জনসংখ্যার ঘনত্বের বিচারে এর মধ্যে প্রায় দুই হাজার গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকা উচিত ছিল।

২০০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি, প্রথম আলো: সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া শিক্ষা খাতে দুর্নীিত কমানোসহ নানা চ্যালেঞ্জ। দেশে মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৬ ভাগ ছাত্র। এ হিসাবে শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় তিন কোটি ৩৩ লাখ। শিক্ষক ও ছাত্র অনুপাত ভারসাম্য: দেশের ৪০ ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক অনুপাতে ছাত্র কম, বাকি ৬০ ভাগ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক অনুপাতে ছাত্র বেশি। ফলে একই থানায় ১৮টি কলেজ গড়ে ওঠার মতো ঘটনাও ঘটেছে। জানা যায় অধিকাংশ কলেজেই শিক্ষক অনুপাতে ছাত্র নেই।

২০০৯ সালের ৩১ মার্চ-এর তথ্য: মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা-১৯,৭৬১টি, মাদ্রাসার সংখ্যা-৯,০৫১টি, ১৩৭টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ৬৬টি ভোকেশনাল, ৩১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়-৫৪টি।

২০০৯ সালের ৬ এপ্রিল, প্রথম আলো: ৫৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৪৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব ক্যাম্পাস ছাড়াই চলছে। পাঁচ বছরের মধ্যে নিজস্ব ক্যাস্পাস প্রতিষ্ঠা না করায় বৈধতার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে।

২০০৯ সালের ১৫ মে, প্রথম আলো: উচ্চ শিক্ষার মানোন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন। প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সব শিক্ষকের জন্য স্বতন্ত্র বেতন কমিমন গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার এবং শিক্ষকদের জন্য ভিন্ন বেতন কমিশন হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম।

২০০৯ সালের ২২ মে, প্রথম আলো: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-১৭৫০টি কলেজের ১০ লাখ শিক্ষার্থী নিয়ে পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়টি ভেঙে দেওয়া হলে শিক্ষার মান আরও নেমে যেতে পারে। ১৯৯২ সালের ২০ অক্টোবরের আগে ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রায় ৭৫০টি কলেজ ছিল। এখন সরকার চায় ৬টি বিভাগীয় শহরের অধীনে যেমন-ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১৭৫০টি কলেজের ভার দেওয়া। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের হালচাল-কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ১,৬৭৬ জন এবং আরও আছেন ৭৮ জন শিক্ষক। বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত তহবিলের পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি টাকা। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কার নয়, ভাঙতে চায় সরকার।

২০০৯ সালের ১ মে, প্রথম আলো: সভায় জানানো হয়, দেশে বর্তমানে স্কুল-কলেজের সংখ্যা ৩৩,৫৪৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৬,৩৬০টি এমপিওভুক্ত। বাকিগুলোকেও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এমপিওভুক্ত করার জন্য আগামী অর্থবছরে ৬০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। একজন সাংসদ চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি হতে পারবেন-সংসদীয় কমিটির সুপারিশ।

২০০৯ সালের ১০ মে, প্রথম আলো: প্রথম থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত সবাই বিনামূল্যে বই পাবে। মাধ্যমিকের প্রায় ১১ কোটি বই ছাপতে কাগজ সংগ্রহে দরপত্র আহবান। খরচ হবে ৩০০ কোটি টাকা। প্রাথমিকে পুরোনো বই থাকছে না।

২০০৯ সালের ৮ জুন, প্রথম আলো: দেশে স্কুলে যাওয়ার উপযোগী শতকরা ১০ ভাগ শিশু বিদ্যালয়ে ভতি র্হয় না। ৪৮ ভাগ শিশু প্রাথমিক স্তরে, ৬২ ভাগ মাধ্যমিক স্তরে ঝড়ে পড়ে।

২০০৯ সালের ১৪ জুন, প্রথম আলো: নীতিমালা করতে কমিটি। এমপিওভুক্তিতে প্রয়োজন ৬০০ কোটি টাকা লাগবে, মিলেছে ১১২ কোটি টাকা। মোট বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৫৪৫টি। এরমধ্যে ২৬ হাজার ৩৬০টি শিক্ষাপ্রকিষ্ঠান বেতন-ভাতার সরকারি অনুদান (এমপিওভুক্ত) পায়। বাকি প্রায় ৭,১৮৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির অপেক্ষায় আছে।

২০০৯ সালের ৪ জুলাই, প্রথম আলো: শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পাল্টাচ্ছে, মৌখিক-২০। দেশের ৯ লাখ ৫৮ হাজার ৪৩১ জন শিক্ষিত বেকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হতে চান। কিন্তু প্রতি ৩৮.৩৫ জন আবেদনকারীর মধ্যে সুযোগ পাবেন মাত্র একজন। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে ২৫ হাজার শিক্ষক নেওয়া হবে।

২০০৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: বাংলাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ১ কোটি ৮০ লাখ। এরমধ্যে ২০ লাখ ছাত্রছাত্রীর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড স্থাপনের চিন্তা-ভাবনা সরকারের। পঁঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীর জন্য একসাথে একই প্রশ্ন করে পরীক্ষা নেয়া এবং তার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে বৃত্তি দেয়া। বর্তমানে দেশে ৭৮,৩৬৩টি সরকারি, বেসরকারি ও প্রাইভেট প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। এরমধ্যে সরকারি স্কুলের সংখ্যা ৪০,০০০ হাজার।

২০০৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: বাংলাদেশে ৩৯টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে।

২০০৯ সালের ৩০ অক্টোবর, প্রথম আলো: মা-ও হবেন বাবার মতো অভিভাবক। এসএসসি ও এইসএসসি পরীক্ষায় নিবন্ধন (রেজিষ্ট্রেশন) করার পক্ষে মত দিয়েছে সরকার।

২০০৯ সালের ৪ নভেম্বর, প্রথম আলো: দেশের ১৬,১৪২ গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই।

২০০৯ সালের ৪ নভেম্বর, প্রথম আলো: রাজশাহীতে থাকার কথা ৩৫টি কলেজ, আছে ১৫৬টি কলেজ। রাজশাহী মহানগরে চারটি সরকারি কলেজসহ মোট ৩২টি কলেজ রয়েছে। বাঘা উপজেলার মোট জনসংখ্যা ১,৮৭,৪৮৩-এখানে কলেজ থাকার কথা ৩টি আছে ১০টি।

২০০৯ সালের ৪ নভেম্বর, প্রথম আলো: বঙ্গবন্ধুর নামে ১৭টি কলেজ, জিয়াউর রহমানের নামে ১৩টি কলেজ ও ফজিলাতুন্নেসার নামে ৮টি কলেজ।

২০০৯ সালের ৪ নভেম্বর, প্রথম আলো: দেশে বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক প্রভাব, নামের মোহ এবং দুর্নীিত। সব মিলিয়ে শিক্ষাচিত্রটা বিবর্ণ। এসব নিয়ে প্রচ্ছদের প্রতিবেদনগুলো তৈরি করেছেন শরিফুজ্জামান।

বিরাট জনগোষ্ঠীর বিবর্ণ শিক্ষাচিত্র:

একনজরে দেশের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান:

প্রতিষ্ঠানের নামসংখ্যাশিক্ষার্থীশিক্ষকশিক্ষক-শিক্ষার্থী
প্রাথমিক বিদ্যালয়(১১ ধরণ)৭৮,৩৬৩১,৭৫,৬১,৮২৮৩,১৫,০৫৫১: ৫০(মূল ধারা)
মাধ্যমিক স্কুল১৮,৭৭০৬৮,৪০,৫৪১২,১১,৬৪৯১: ৩২
কলেজ৩,২৫৫১৯,৪৮,৪১৮৮৭,১৩৬১: ২২
মাদ্রাসা৯,৩৭৬১৯,৮৪,৬২৬১,২৮,০০৫১: ১৬
কারিগরি শিক্ষপ্রতিষ্ঠান৩,৫৯০৪,৫১,৮১৭২১,৬৬৬১: ২০
মোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান১,১৩,৩৫৪২,৮৭,৮৭,২৩০৭,৬৩,৫১১...

তথ্যসূত্র: জাতীয় শিক্ষা জরিপ (পোষ্ট-প্রাইমারি), মে ২০০৯ এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রাপ্ত ২০০৫ সালের তথ্য, কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিবেদন, ২০০৭।

দেশের স্নাতক (সম্মান), চিকিৎসা, কৃষি ও প্রকৌশল শিক্ষা দেয়-এমন ৩৭০টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। এ ছাড়া কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাবি অনুযায়ী দেশে এ ধরনের মাদ্রাসা ১৫,২৫০; শিক্ষার্থী ১৮,৫৭,৫০০ ও শিক্ষক ১,৩২,১৫০ জন। বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের দাবি অনুযায়ী কিন্ডারগার্টেন, ইংরেজি-মাধ্যম স্কুলের সংখ্যা প্রায় ৪০,০০০ হাজার, শিক্ষকসংখ্যা-৩,২০,০০০ এবং শিক্ষার্থী প্রায় এক কোটি।

২০০৯ সালের ২৫ নভেম্বর, প্রথম আলোঃ ২০ হাজার খন্ডকালীন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ।

২০০৯ সালের ৪ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: বাংলাদেশে মোট ৩১৭টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় আছে। এরমধ্যে ৭০টিতে দুই শিফট চালু আছে। দেশের ৪১টি জেলার ৮০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দুই শিফট চালু হবে। এ লক্ষ্যে দুই হাজার শিক্ষকের পদ সৃষ্টির বিষয়ে অথ মন্ত্রণালয় সম্মতি দিয়েছে।

২০০৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: শিক্ষকের মাসিক বেতন ১৪৯ টাকা আট আনা। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, দেশে সংস্কৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে ১১৯টি এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে ৯৮টি। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুই থেকে তিনজন শিক্ষক বা পন্ডিত এবং একজন করে কর্মচারী রয়েছেন।

২০০৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: দেশের প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঁচজন শিক্ষক ও পাঁচটি কক্ষ থাকা জরুরি।

২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর, বাংলাদেশ মুঞ্জরী কমিশনের রিপোর্ট: পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আছে ৩১টি এবং ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা-২,২৯,৪৯১ জন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা-১১,১৯,২৭৫ জন মোট=১৩,৪৮,৭৬৬ জন। আর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আছে ৫১টি ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা-২,০০,৯৩৯ জন এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা-২,৯০,০০৯ জন। সর্বেমাট ৮৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা=১৮,৩৯,৭১৪ জন।

২০১০ সালের ৪ জানুয়ারি, প্রথম আলো: এশিয়াটিক সোসাইটিতে গওহর রিজভী। বিশ্বসেরার তালিকায় বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নেই। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বিশ্বের সেরা ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই। এমনকি এশিয়ার সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায়ও বাংলাদেশি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় স্থান করে নিতে পারেনি।

২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি, জনকণ্ঠ পত্রিকা: বাংলাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১ লাখ ৫০ হাজার এবং ২ লাখ ৫০ হাজার মসজিদের প্রায় ৫ লাখ আলেম ওলামাকে বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক শিক্ষা-কার্যক্রম।

২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি, প্রথম আলো: জনসংখ্যার শর্ত বাদ, বদলাবে জনবল কাঠামো। শিক্ষার্থী, পরীক্ষার্থী ও ফল বিবেচনায় এমপিওভুক্ত হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, এই মুহূর্তে এমপিওভুক্তির অপেক্ষায় আছে ৯ হাজার ১৩১টি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা।

২০১০ সালের ৮ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ৩০ বছরের চাকরিজীবনে একদিনও অনুপস্থিত না থেকে নজিরহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক বাহাজ উদ্দিন ফকির বয়স ৫৩ বছর। সাড়ে ৩০ বছরের শিক্ষকতা জীবনে একদিনও প্রাপ্য ছুটি কাটাননি তিনি। বাবার সৃত্যু, স্ত্রীর অসুস্থতা, পারিবারিক সমস্যা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ-কোনো কিছুই তাঁকে আটকে রাখতে পারেনি। আলো ছড়াতে ছুটি নেন না ৩০ বছর।

২০১০ সালের ১৫ জানুয়ারি, প্রথম আলো: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২১২টি কলেজে স্নাতক (সম্মান) ১ম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার্থী তিন লাখ ২১ হাজার।

২০১০ সালের ১৬ জানুয়ারি, জনকণ্ঠ পত্রিকার রিপোর্ট: মহিলা শিক্ষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ আর সর্বিনম্ন মাদ্রাসায়। তবে কোথাও ৩০ ভাগ কোটা পূরণ হয় না।

২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: দেশের এক হাজার ৯৭২টি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই।

২০১০ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি, আমাদের সময়: প্রাথমিকেই ঝরে ৫০ শতাংশ, ৯ ভাগ স্কুলেই যায় না-জানালেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ।

২০১০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, আমাদের সময়: ২০১০ সালে ১৫ হাজার গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে-আর ৮২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটিতে খুব শিগগিরই একজন করে হিসাবরক্ষক-কাম শিক্ষক ও একজন করে দফতরি নিয়োগ দেয়া হবে।

২০১০ সালের ৭ এপ্রিল,আমাদের সময়: ৮ম শ্রেণীতে পড়ার বয়সসীমা ১১ থেকে ১৭ বছর।