১৯৭৪ সালের ২৮ মার্চ, বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭৪ সালের ১৬ মে, নয়াদিল্লীতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরাগান্ধী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান এতে সই করেন। চুক্তিটি সইয়ের পর পরই তা বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে অনুসমর্থন করা হয়েছিল। অথচ দীর্ঘ চার দশকের চুক্তিটি অনুসমর্থন করেনি ভারতের কোনো সরকার বা জাতীয় সংসদ। ফলে ছিটমহল ও অপদখলীয় জমি বিনিময়ের পাশাপাশি সাড়ে ছয় কিলোমিটার সীমানা অচিহ্নিত থেকে যায়। শেষ হচ্ছে ৪১ বছরের অপেক্ষা। রাজ্যসভায় সর্বসম্মতভাবে সীমান্ত বিল পাস(০৬-০৫-২০১৫ তারিখ)। ছিটমহল বিনিময় : বাংলাদেশের হাতে থাকবে ভারতের ১১১টি ছিটমহল। সর্বেমাট আয়তন-১৭,১৫৮ একর। ভারতের কাছে থাকবে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল। সর্বেমাট আয়তন-৭,১১০ একর। অপদখলীয় জমি। বাংলাদেশের থাকবে-সর্বেমাট-২,২৬৭.৬৮২ একর আর ভারতের হাতে থাকবে-সর্বেমাট ২,৭৭৭.০৩৮ একর। সূত্র : সীমান্ত চুক্তির মানচিত্র অনুসারে। এখন আবার লোকসভায় এ বিল যাবে এবং পাস করবে। ০৭-০৫-২০১৫ তারিখ লোকসভায়ও সীমান্ত বিল পাস সর্বসম্মতভাবে। সংবিধান সংশোধন বিলের ক্ষেত্রে ভারতের ৫০ শতাংশ রাজ্য বিধানসভার সমর্থন প্রয়োজন। তা আদায় হলেই বিলটি বাস্তবায়িত হবে। সরকারের চোখ এড়ালেও ধরা পড়ে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হামিদ আনসারীর নজরে। ২০১৩ সালে যে বিলটি রাজ্যসভায় পেশ হয়েছিল, তা ছিল ১১৯তম সংবিধান সংশোধন বিল। কিন্তু পাস করার পর তা হয় ১০০তম সংবিধান সংশোধন। বাংলাদেশ ও ভারতের ১৬২টি ছিটমহল বিনিময় আগামী ৩১ জুলাই, ২০১৫ তারিখ মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে। ছিটমহলের অধিবাসীরা এক দেশ থেকে অন্য দেশে চলে যেতে চাইলে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে তাঁদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি-১৯৭৪ এবং সীমান্ত চুক্তির প্রটোকল ২০১১-এর বাস্তবায়ন প্রত্রিম্নয়ার চিঠিতে এ কথা বলা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, অপদখলীয় জমি বিনিময় ও সীমানা চিহ্নিত করার কাজটি শেষ হবে ২০১৬ সালের ৩০ জুন। ৬৮ বছর পর মানচিত্রের অংশ। ১৬২টি ছিট মহলের ৫১ হাজার ৫৪৯ জন মানুষ এখন নিজ নিজ পছন্দের দেশের নাগরিক। তাঁদের উত্তরাধিকারদের কাছে ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাত হবে বিশেষ একদিন। ১২টা ১ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে বিনিময়ে হয়েছে দুই দেশের মধ্যে থাকা ১৬২টি ছিটমহল। ১৯৪৭-এ উপমহাদেশের বিভক্তির পর ব্রিটিশ আইনজীবী সেরিল র্যাডক্লিফকে সীমানা নির্ধারণের দায়িত্ব দেয়া হয়। সীমান্তের এই জটিলতা অবসানের জন্য ১৯৫৮ সালে সই হয় নেহেরু-নুন চুক্তি। আবার স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি সই হয় বিষয়টি সুরাহার জন্য। পরে ১৯৯৭ সালের ৯ এপ্রিল চূড়ান্ত হয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১১১টি ও ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল রয়েছে। কিন্তু ওই চুক্তিও আলোর মুখ দেখেনি। চুক্তিটি বাস্তবায়নের জন্য ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং স্থসীমান্ত চুক্তির প্রটোকলে সই করেন। ২০১৬ সালের জুনের মধ্যে এ বিষয় দুটির চূড়ান্ত সমাধান হবে। অর্থাৎ অপদখলীয় জমি বিনিময় ও অচিহ্নিত সীমানা চিহ্নিত করে স্থল সীমান্ত চুড়ান্ত হবে। এর মধ্য দিয়ে পূর্ণতা পাবে দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশির মানচিত্রের। পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ছিটমহল বিনিময়ের ফলে বাংলাদেশের ভূখন্ডে নতুন করে ১০ হাজার একরের বেশি ভূমি যুক্ত হবে। আবার অপদখলীয় জমি বিনিময়ের প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ ২ হাজার ৭৭৭ একর জমি ভারতকে এবং ভারত ২ হাজার ২৬৭ একর জমি বাংলাদেশকে ফিরিয়ে দেবে। ভারত পাবে ৫১০ একর জমি বেশি। গতকাল শুক্রবার(৩১-০৭-২০১৫ তারিখ) বাংলাদেশে থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহলের (আয়তন ১৭ হাজার ১৫৮ একর) এবং বাংলাদেশের ভূখন্ডের সঙ্গে এবং ভারতে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল (আয়তন ৭ হাজার ১১০ একর) ভারতের ভূখন্ডের সাথে যুক্ত হয়েছে। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, ১৬২ ছিটমহলে ৫১ হাজার ৫৪৯ অধিবাসীকে চিহ্নিত করা হয়। এরমধ্যে ৩৭ হাজার ৩৩৪ জন ভারতীয় বাংলাদেশে অবস্থিত ছিটমহলগুলোতে বাস করে এবং ১৪ হাজার ২১৫ জন বাংলাদেশি ভারতের ছিটমহলগুলোতে বাস করে। এসব লোকজনের মধ্যে বাংলাদেশে থাকা ভারতের ছিটমহলের ৯৭৯ জন ভারতে ফিরে যেতে চান। তবে তাদের রাতারাতি ভিটে ছাড়তে হবে না। এসব ছিটমহলের বাংলাদেশে আসবে ৫৯টি লালমনিরহাটে, ৩৬টি পঞ্চগড়ে, ১২টি কুড়িগ্রামে ও ৪টি নীলফামারীতে-মোট=১১১টি। আর ভারতের সাথে যাবে-৪৭টি পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে এবং ৪টি জলপাইগুড়ি জেলায় মোট=৫১টি।
১৯৭৪ সালের ৩০ মে, ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট পেশ করা হয়।
১৯৭৪ সালের ১০ জুন, নিরাপত্তা পরিষদে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের জন্য প্রস্তাব পাশ।
১৯৭৪ সালে প্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয়।
১৯৭৪ সালে শিল্পকলা একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭৪ সালে ভারতের ৪র্থ রাষ্ট্রপতি (ভি. ভি. গিরি) ভারাগ্রীরি ভেংকটাগ্রীরি প্রথম বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় এসেছিলেন। কিন্তু তার ৩৯ বছর পর ২০১৩ সালের ৪ মার্চ ভারতের ১৩তম রাষ্ট্রপতি প্রণব কুমার মুখার্জি তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় আসছেন। বাংলাদেশ সফরের সময় প্রণব কুমার মুখার্জি নড়াইলের ভদ্রবিলায় শ্বশুরবাড়ি, কুস্টিয়ায় শিলাইদহের কুঠিবাড়ি ও টাঙ্গাইলে ভারতেশ্বরী হোমসে গিয়েছে। ভারতের ১৩তম রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রণব কুমার মুখার্জির এটাই প্রথম বিদেশ সফর।
১৯৭৪ সালের ২২ জুলাই, বাংলাদেশে সমাজবিরোধী দমনে ফায়ারিং স্কোয়াড বিল গৃহীত।
১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশকে কুবল করে নেয়। বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য নির্বািচত হয়। ১৯৭৪ সালের ১১ অক্টোবর, বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
১৯৭৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন ফুলকুঁড়ি আসরের প্রতিষ্ঠা।
১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দেন।
১৯৭৪ সালের পূর্বে সরকারী চাকরিতে যোগদানের বয়স ছিল ২৫-বছর এবং অবসরের বয়স ছিল ৫৫-বছর। ১৯৭৪ সাল থেকে এ আইন পরিবর্তন করে সরকারী চাকরিতে যোগদানের বয়স ২৭/৩০ এবং অবসরের বয়স ৫৭-বছর করা হয় এবং তখন মানুষের গড় আয়ু ছিল ৪৬.২ বছর। মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাকরির বয়স ৫৭ থেকে বাড়িয়ে ৫৯ করা হয় ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০ থেকে। রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ-২০১১ সালের ২৬ ডিসেম্বর থেকে সরকারী চাকরি করার বয়স দু'বছর বেড়ে ৫৯ করা হলো। এখন বাংলাদেশের গড় আয়ু বেড়ে হলো-৬৭ বছর। বর্তমানে ভারত এবং পাকিস্তানে সরকারি চাকরি করার বয়স ৬০ বছর। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবসরের বয়সসীমা ৫৭ থেকে ৫৯ বছরে উন্নীত করতে ১৯ ডিসেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকে 'দি পাবলিক সার্ভিস (রিটায়ারমেন্ট) অ্যাক্ট, ১৯৭৪' সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। সরকারি চাকরি পাওয়ার বয়সসীমা ৩০ বছর করা।
১৯৭৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর, রাষ্ট্রপতি এক অধ্যাদেশ দ্বারা দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেন।
১৯৭৪ সালে কুমিল্লা পৌরসভার ইতিহাস মতে শহরে ৮৫১টি পুকুর ছিল। ব্যাংক আর ট্যাংকের শহর কুমিল্লা থেকে ব্যাংক হারিয়ে গেছে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর পর। গত ২৫ বছরে ট্যাংকের শহর কুমিল্লা থেকে হারিয়ে গেছে অন্তত ৬ শতাধিক পুকুর। ফলে পরিবেশ বিপর্যয় তো ঘটেছে।
১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে প্রেস কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭৪ সালে শিশু আইন।
১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে 'মোটরযান সংশোধিত আইন' পাস হয়।
১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ গঠিত হয়।
১৯৭৫ সালের ১২ মার্চ, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ঐকান্তিক চেষ্টায় ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ের পানাম নগরের একটি প্রাচীন বাড়িতে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর। পরে ১৯৮১ সালে জাদুঘরটি স্থানান্তরিত হয় ইছাপুরা মৌজার এ সুরম্য ইমারতটিতে।
১৯৭৫ সালের ২৮ মার্চ, বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭৫ সালের ১৪ জুন, বাংলাদেশের বেতবুনিয়া প্রথম ভূ-উপগৃহ কেন্দ্র স্থাপিত হয়।
১৯৭৫ সালের ৫ জুলাই, প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর)-এর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে খন্দকার মুসতাক আহমেদের ক্ষমতা দখল।
১৯৭৫ সালের ৩১ আগষ্ট, বাংলাদেশকে গণচীনের স্বীকৃতি দান।
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর, জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, এম. মনসুর আলী ও কামরুজ্জামান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিহত হন।
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর, খন্দকার মুসতাক আহমেদকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ব্রিগেইডার খালেদ মুশারফের ক্ষমতা দখল।
১৯৭৫ সালের ৬ নভেম্বর, বিচারপতি সায়েম বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর (জাতীয় বিপস্নব ও সংহতি দিবস) সিপাহী-জনতার বিপস্নবের মাধ্যমে লে. জেনারেল জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা দখল, ১৩ জন আর্মী অফিসারকে খুন করা হয়েছিল।
১৯৭৫ সালে ওটবি ওয়ার্ল্ড ক্লাশ ফার্নিচার প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশ বাহিনী প্রতিষ্ঠা করা হয়।
১৯৭৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি, শিল্পকলা একাডেমী প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
১৯৭৬ সালের ৩ মার্চ, বাঙালী জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে জিয়াউর রহমানের সরকার 'বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ' প্রবর্তন করে।
১৯৭৬ সালের ১ মে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বাহিনী প্রতিষ্ঠা করা হয়।
১৯৭৬ সালে বাংলাদেশে স্থানীয় শাসন অর্ডিন্যাশ জারি হয়।
১৯৭৬ সালের ২৩ নভেম্বর, ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠীর জন্ম হয়।
১৯৭৬ সালে বাংলাদেশে স্বাক্ষরতা সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭৬ সালে মাওলানা এম. এ. মান্নান বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি নির্বািচত হন।
১৯৭৬ সালে এ দেশে প্রথম মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যন্ট ট্রেনিং স্কুলের যাত্রা শুরু হয়।
১৯৭৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি,বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয় পুরস্কার 'একুশে পদক' প্রবর্তন করে।
১৯৭৭ সালের ৩০ মে, প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। লে. জেনারেল জিয়াউর রহমান হ্যঁ-না ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট নির্বািচত হন।
১৯৭৭ সালের ১৫ জুলাই, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৯৭৭ সালে শিশু-কিশোরদের সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান 'নতুন কুঁড়ি' প্রতিযোগিতা প্রবর্তন করেছিলেন।
১৯৭৭ সালে রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭৭ সালের ১৫ ডিসেম্বর, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগ দল) গঠিত হয়।
১৯৭৮ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, মুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী বাংলাদেশে আসেন সকাল ১০টা ২০ মিনিট সময়ে এবং ২২-০২-১৯৭৮ তারিখ সকাল পর্যন্ত। শুধু মুষ্টিযুদ্ধের নয়, বিশ্বত্রুীড়ার এক আইকনের নাম মোহাম্মদ আলী। তিনি এলেন বাংলাদেশে, দেশটির এক অনুপ্রেরণাময় চেহারা পৃথিবীর সামনে তুলে ধরার উদ্যোগে। মানুষের ভালোবাসায় ভরে গেলেন তিনি। তাঁকে দেওয়া হলো বাংলাদেশের নাগরিকত্ব, ঢাকার চাবি, কক্সবাজারের সমুদ্রতটে জমি। এক কিশোরের সঙ্গে খেললেন প্রীতি মুষ্টিযুদ্ধ ম্যাচ। এখানে তিনি আগে থেকেই মহানায়ক। তাঁকে দেখতে নামল মানুষের ঢল।
১৯৭৮ সালের ৩ জুন, প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বািচত হন-জিয়াউর রহমান(জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট)।
১৯৭৮ সালের ২৩ জুন, অতীশ দীপঙ্করের দেহভষ্ম চীন থেকে ঢাকায় আনা হয়।
১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর, বিএনপি'র (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের) জন্ম।
১৯৭৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, আশা (১৯৭৮-২০০৮)'র জন্ম। আশা যাত্রা শুরু করেছিল ১৯৭৮ সালে মানিকগঞ্জের নিভৃত পল্লী টেপরা গ্রামে।
১৯৭৮ সালের ২৭ অক্টোবর, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।
১৯৭৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠা লাভ।
এখন দেখা যায় ১৯৭৯ সালের ১৪ মার্চ, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠা হয়। আলোকিত মানুষ চাই স্স্নোগান নিয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পার করল ৩৫ বছর। ২০১৪ সালের ১৪ মার্চ, তারিখ তাদের বর্ষপূর্তি উৎসব ও নতুন ভবনের উদ্বোধন। কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সঙ্গে কথা বলে লিখেছেন পারভেজ হোসেন: ১৫ জন থেকে ১৫ লাখ। প্রায় পৌনে দুই লাখ বই নিয়ে তিলে তিলে গড়ে ওঠা লাইব্রেরী, ছোট-বড় মিলিয়ে চারটি মিলনায়তন, আর্ট গ্যালারি, বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সংগীত ও চলচ্চিত্রের আর্কাইভ, দলবেঁধে আড্ডা দেওয়ার উপযোগী দুটো ক্যাফেটিয়াসহ যে নয়তলা ভবনটি এখন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে বাংলামটরে, ওটি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ভবন।
১৯৭৮ সালে মাওলানা এম. এ. মান্নান বেসরকারী মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি (জমিয়াতুল মোদার্রেছীন), বেসরকারী স্কুল শিক্ষক সমিতি, বেসরকারী কলেজ শিক্ষক সমিতি এবং সরকারী মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি ও সরকারী কলেজ শিক্ষক সমিতি-এ পাঁচটি শিক্ষক সমিতির সমন্বয়ে গঠন করেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন।
১৯৭৮ সালের ২১ জানুয়ারি পদাতিক নাট্য সংসদের যাত্রা শুরু।
১৯৭৮ সালের ১৭ মে, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭৮ সালের ২৩ অক্টোবর, বি.আর.বি. কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭৯ সালের ১ জানুয়ারি, জনমুক্তি পার্টি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
১৯৭৯ সালের ১ জানুয়ারি, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা লাভ।
১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং জিয়াউর রহমানের দল বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে।
১৯৭৯ সালের ১ এপ্রিল, বিজ্ঞাপনী সংস্থা ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭৯ সালের ৮ এপ্রিল, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ, জেদ্দা প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭৯ সালের আগষ্ট, বাংলাদেশে মাইলস প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮১ সাল থেকে ব্যান্ডটি গাইতে শুরু করে।
১৯৭৯ সালের ১৪ নভেম্বর, বাংলাদেশ ইনডেনটিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএএ) প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭৯ সালের ২২ নভেম্বর, কুষ্টিয়া-জিনাইদহের সীমান্তে শান্তিভাঙ্গা দুলালপুর নামক স্থানে রাষ্টনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৭৯ সালে স্থাপিত বাংলাদেশী হামস সংস্থা বাংলাদেশ সৌখিন রেডিও অপারেটরস লীগ (বার্ল)-এর কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান। সারাবিশ্বের হামস নামে প্রায় ৩০ লাখ সৌখিন রেডিও অপারেটর রয়েছেন যারা বিভিন্ন দেশে রেডিও অপারেটরদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ট্রান্সমিটার ও রিসিভার ব্যবহার করেন। বাংলাদেশে এ ধরনের অপারেটরের সংখ্যা-১৬।
১৯৭৯ এবং ১৯৮০ সালের জন্য বাংলালেশ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য পদ লাভ করেন।
১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর, অপরাজেয় বাংলার উদ্বোধন করা হয়।
১৯৮০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশ আঞ্জুমানে তালামীয়ে ইসলামিয়ার প্রতিষ্ঠা।
১৯৮০ সালের ১০ মার্চ, ঢাকা পদাতিকের প্রতিষ্ঠা হয়।
১৯৮০ সালে ২৬ মার্চেক, জাতীয় দিবস বা স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
১৯৮০ সালের ২ এপ্রিল, ঢাকা পদাতিক নাট্য গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠা লাভ।
১৯৮০ সালে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮০ সালে ঢাকা আন্তর্জািতক বিমানবন্দর চালু হয় এবং ১৯৮১ সালের ১৪ আগস্ট, কুর্মিেটালা বিমানবন্দরের নাম জিয়া আন্তর্জািতক বিমানবন্দর রাখা হয়।