প্রাইমারী, মাদ্রাসা ও উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখাপড়াপ্রাইমারী, মাদ্রাসা ও উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতে
করার জন্য যেতে পারে না:পারে না শতকরা ৩০ ভাগ লোকের ছেলে-মেয়ে
বড়বাড়ির লোক শহরে এবং গ্রামের মধ্যে কতভাগগ্রাম এবং শহরে যারা বসবাস করে তাদেরসহ কলেজ,
ছাত্র-ছাত্রী কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারে না:বিশ্ববিদ্যালয়-এ লেখাপড়া করতে পারে না শতকরা ৬০
ভাগ লোকের ছেলে-মেয়ে
বড়বাড়ির গ্রামে কয়টি কৃষক পরিবার আছে:৩৫(পঁয়ত্রিশ)টি
বড়বাড়ির কয়টি নির্মাণ শ্রমিক পরিবার আছে:৩(তিন)টি
বড়বাড়ির সিএনজি ও অটো চালায় কয়টি পরিবার:৫টি পরিবার
বড়বাড়ির কয়টি রিকসা শ্রমিক পরিবার আছে:একটিও নেই
বড়বাড়ির লোক কয়টি মৎস্যজীবি পরিবার আছে:একটিও নেই
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ কতজন৩৫০(তিনশত পঁঞ্চাশ) জন
চাকুরিজীবি আছে:
বড়বাড়ির জীবিত ও মৃতসহ লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ৪০(ষাট)টি ব্যবসায়ী পরিবার আছে
কয়টি ব্যবসায়ী পরিবার আছে:
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ কয়টি পরিবার১৩০(একশত ত্রিশ)টি পরিবার বিদেশী টাকার ওপর
বিদেশী টাকার উপর নির্ভরশীল:নির্ভরশীল
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০শতকরা ৩০ ভাগ লোক অপুষ্টিতে ভোগে
ডিসেম্বর পর্যন্ত কত লোক অপুষ্টিতে ভোগে:
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ওশতকরা ৫০ ভাগ লোক দারিদ্রসীমার নীচে বাস করেসরকারী হিসেব
বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩১অনুসারে যারা গ্রামে বাস করে তাদের প্রতিজনের মাসিক
ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোকআয়-১,০০০/-টাকা এবং যারা শহরে বাস করে তাদের মধ্যে প্রতিজনের
দারিদ্রসীমার নীচে বাসমাসিক আয়-১,৬০০/-টাকা খরচ করে তারাও দারিদ্রসীমার নীচে বাস করে
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্তপ্রায় ১৯ জন
কতজন মানুষ অনাহারে রাত কাটায়:
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তশতকরা ৮ ভাগ মানুষ ডায়াবেটিক
কতভাগ লোক ডায়াবেটিক রোগে আক্রান্ত:রোগে আক্রান্ত
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্তশতকরা ৩৩ ভাগ মানুষ
কতভাগ লোক উচ্চ রক্তচাপের শিকার:
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্তশতকরা ২০ ভাগ মানুষ
কতভাগ লোক নিম্ন রক্তচাপের শিকার:
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্তশতকরা ৪ ভাগ মানুষ আয়োডিন
কতভাগ লোক আয়োডিন সমস্যায় ভূগছেসমস্যায় ভূগছে
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তশতকরা ৬ ভাগ মানুষ
কতভাগ লোক মাদকাসক্ত:
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তশতকরা ৪ ভাগ মানুষ
কতভাগ লোক প্রতিবন্ধী:
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তশতকরা ৩ ভাগ মানুষ
কতভাগ লোক গলগন্ড রোগে ভুগছে:
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তশতকরা ৫ ভাগ মানুষ
কতভাগ লোক এ্যাজমা রোগী:
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০শতকরা ১০ ভাগ(৫ থেকে ১৫) বছর বয়সী
ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশু কোন নাশিশু কোন না কোন অর্থৈনতিক কর্মকান্ডে
কোন অর্থৈনতিক কর্মকান্ডে জড়িত রয়েছে:জড়িত আছে
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তশতকরা ০৬ ভাগ মানুষ
কতভাগ লোক আশ্রয়হীন:
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর,শতকরা ০.৫ ভাগ মানুষ
পর্যন্ত কতভাগ লোক ধনুষ্টঙ্কারে মারা যায়:
বড়বাড়ির কত ভাগ লোক ধুমপান করে:প্রায় ২২ ভাগ
গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোকশতকরা ১০ ভাগ মানুষ
ধুমপানে মারা যায়:
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর,শতকরা ০.৫ ভাগ মানুষ
পর্যন্ত কতভাগ লোক মৃগী রোগীঃ
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তশতকরা ০.৫ ভাগ মানুষ
কতভাগ লোক কুষ্ঠ রোগী
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর,শতকরা ০৫ ভাগ মানুষ
পর্যন্ত কতভাগ লোক বিল, ইন্দ্রা ও পুকুরের পানি ব্যবহার করে:
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ প্রতিজন লোক কি পরিমাণ৭৫ কেজি জ্বালানি ব্যবহার করে
জ্বালানি ব্যবহার করে:
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্তশতকরা ৮০ ভাগ মানুষ
কতভাগ লোক উপযুক্ত স্বাস্থ্য সেবার সুযোগ পাচ্ছে না
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ কতভাগ লোকশতকরা ৫০ ভাগ মানুষ এম.বি.বি.এস. ডাক্তারের
এম.বি.বি.এস. ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে পারে:চিকিৎসা নিতে পারে
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ যাবতীয়শতকরা ৬৩ ভাগ কাজ করে মহিলারা
কাজের কতভাগ মহিলারা করে:
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ যাবতীয়শতকরা ৩৭ ভাগ কাজ করে পুরুষরা
কাজের কতভাগ পুরুষরা করে:
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তশতকরা ১০ ভাগ লোক কানে কম
কতভাগ লোক বিভিন্ন রোগের কারণে কানে কম শোনেশোনে
বড়বাড়ির লোক গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তশতকরা ২০ ভাগ মানুষ যক্ষায়
কতভাগ লোক যক্ষায় আক্রান্তআক্রান্ত
আমাদের বড়বাড়ির প্রাপ্তবয়স্কদেরগ্রামে এবং শহরে যারা বাস করে তাদেরসহ প্রাপ্তবয়স্কদের ১১ শতাংশ
কতভাগ লোক মানসিক রোগীমানসিক রোগীজরিপের ফলাফলে বলা হচ্ছে ১০ শতাংশ নারী এবং ০৯
শতাংশ পুরুষ
রূপসদী-ভেলানগর গ্রামের কাছ থেকে বাস সার্ভিসঢাকার সায়দাবাদ পর্যন্ত ০৫-১০-২০০৮ তারিখ
চালু হয়েছিল:থেকে-আবার বাস সার্ভিস বন্ধ হয়আবার চালু
হয়েছিল-আবার বন্ধ
আমাদের বাড়িতে এমন কোন শিল্প এখনও গড়ে উঠেনি যে বেকারত্ত্ব দূর হবেআমাদের বাড়িরর বেকারত্ত্ব ও
দারিদ্র দূর করতে হলে বিরাট আকারে পুঁজি বিনিয়োগ করতে হবে, এ পুঁজি আমাদের বাড়ির লোকদের
কাছে নেইএ সমস্যার সমাধান করতে হলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বেকারত্ত্ব ও দারিদ্র দূর করতে হবে-নতুবা
ভেলানগর বড়বাড়ির সমস্যার সমাধান হবে নাবাঞ্ছারামপুর উপজেলার লোকদের নিকট এ পুঁজি নেই,
বেকারত্ত্ব ও দারিদ্র দূর করার মততা'হলে কথার অর্থটা কি দাঁড়ালো-বাংলাদেশের বেকারত্ত্ব ও দারিদ্র
দূর করতে হবে আগে; নতুবা ভেলানগর বড়বাড়ির, ভেলানগর গ্রামের বা বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বেকারত্ত্ব ও
দারিদ্র দূর হবে নাবাংলাদেশের বেকারত্ত্ব ও দারিদ্র দূর করতে হলে বিরাট আকারে পুঁজি বিনিয়োগ
করতে হবে, এ পুঁজি পৃথিবীর কোন দেশ আজকে আমাদের দেবে নাযেমন পাকিস্তানের ২৪ বছর ৪ মাস ৩
দিনে আমাদের বেকারত্ত্ব ও দারিদ্র দূর হয়নিতেমনি বাংলাদেশের ৪৫ বছর বয়সেও আমাদের বেকারত্ত্ব ও
দারিদ্র একটুও দূর হয়নি বরং আরো সমস্যা বেড়েছেআমাদের বিদেশী ঋণ-২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে
৬,০০০(ছয় হাজার) কোটি ডলারডলার হিসেবে প্রতিজনের মাথাপিছু ঋণ ৩৫৩ ডলার বা বাংলাদেশী টাকায়
প্রতিজনের মাথাপিছু ঋণ-২৮,২৩৫/-টাকাবিদেশী ঋণে গত ৪৫(পঁয়তাল্লিশ) বছরে আমাদের পর্বত প্রমাণ
সমস্যা বেড়েছেএ সমস্যার সমাধানের একমাত্র পথ হলো নিজের পায়ে দাড়িয়ে নিজের সমস্যা সমাধান
করা-যেমন আমদের পুঁজি আকাশ থেকে আসবে না বা বিদেশীরা কেউ দিবে নাআমাদের যে পুঁজি
আছে-সেটা কাজে লাগানোযেমন প্রথম শর্ত হলো-সম্পদের অপচয় বন্ধ করতে হবে-অপচয় বলতে বোঝায়
প্রাইভেট কার, প্রাসাদের মত বাসা-বাড়ি, বিদেশ ভ্রমণ, বিদেশী সিগারেট, মদ, বিয়ে-জন্ম দিনে লক্ষ লক্ষ
টাকা খরচ না করা, এয়ার-কুলার, এয়ার-কন্ডিশনার, বিলাসী জীবন-যাপন না করা (যতদিন না আমাদের
দেশের প্রতিটি মানুষের মাথাপিছু আয় ১০,০০০ হাজার ডলার না হয়-ততদিন পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে
হবে)এ ভাবে আমাদের পুঁজির বিকাশ করতে হবে-নতুবা আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারবাংলাদেশের
১৭(সতের) কোটি লোকসংখ্যা থেকে বেড়ে আগামী ২০৫০ সালে বাংলাদশের লোকসংখ্যা হবে-২১(একুশ) বা
২২(বাইশ) কোটি এবং ২১০০ সালে বাংলাদেশের লোকসংখ্যা বেড়ে হবে-২৪(চব্বিশ) কোটি২০৪৫ সালে
পৃথিবীর লোকসংখ্যা বেড়ে হবে-৯০০ আর ২০৮৩ সালে পৃথিবীর লোকসংখ্যা হবে ১,০০০ কোটি
মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর)-এর-মোবাইল-০১৭১৬৬৫৪৮৪৪আমার অনুরোধ কারো কাছে ভেলানগর বড়বাড়ির
কোন তথ্য থাকলে-আমার এ নাম্বারে সরবরাহ করবেন
মো: জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর, ডেপুটি রেজিস্ট্রার(অব.). ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়গ্রাম-ভেলানগর(বড়বাড়ি), রূপসদী

।বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের কোন তথ্য জানা থাকলে আমাকে আমার মোবাইল নাম্বারে জানানোর জন্য, আমি বিনীতভাবে।

অনুরোধ করছিকারোর নাম যদি বাদ পড়েছে মনে হয় তা' আমাকে জানালে আমি আবার ঠিক করে দিবআমার মোবাইল
নাম্বার-০১৭১৬৬৫৪৮৪৪এ স্কুল থেকে শতবর্ষে কে. কি. হয়েছেন তা' আপনাদের জানাবার জন্য আমাদের এ পরিশ্রম

।এক নজরে রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো:।

রূপসদী বৃন্দাবন উচচ বিদ্যালয়:১৯১৫ সালের ১০ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত
উচচ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতার(ক) বাবু মহিম চন্দ্র রায় ও (খ) বাবু হরিমোহন রায়, গ্রাম-রূপসদী(খানে পাড়া),
নামঃউপজেলা-বাঞ্ছারামপুর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়াতাঁরা আপন চাঁচাত ভাই
এ স্কুল থেকে প্রথম কোন সাল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন১৯১৭ সাল থেকে শুরু হয় এবং প্রথ ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা
পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনদেয় অন্য স্কুলের নামে
প্রথম স্বীকৃতির তারিখ০১-০১-১৯১৮ তারিখ১৯১৮ সাল থেকে রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে
ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দেয়
১৯১৫ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত পড়া-লেখা করেছে:১০,৮০৪(দশ হাজার আটশত চার) জন ছাত্র-ছাত্রী
এ প্রতিষ্ঠান থেকে কত ছাত্র-ছাত্রী মেট্রিকুলেশন এবং এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে২,৯২০ জন ছাত্র-ছাত্রী প্রায়
পারে নাই তার হিসাব ২০১৫ সাল পর্যন্ত:২৭.০৩ ভাগ
এ পর্যন্ত কত ছাত্র-ছাত্রী ১৯১৭ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত৭,৮৮৪(সাত হাজার আটশত চুরাশি) জন
ম্যাট্রিকুলেশন ও এস.এস.সি. পরীক্ষা দিয়েছে:ছাত্র-ছাত্রীশতকরা ৭২.৯৭ ভাগ
এ প্রতষ্ঠান থেকে ১৯১৭ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত কতজন ছাত্র-ছাত্রী৪,৮৪৯(চার হাজার আটশত উনপঁঞ্চাশ) জন
ম্যাট্রিকুলেশন ও এস.এস.সি. পাশ করেছে:ছাত্র-ছাত্রীশতকরা ৬১.৫০ ভাগ
এ প্রতিষ্ঠান থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত কত ছাত্র-ছাত্রী ফেল করেছে৩,০৩৫ জন ছাত্র-ছাত্রীশতকরা ৩৮.৫০ ভাগ
তার হিসাবঃ
১৯১৭ সাল থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় পাস৬৬১(ছয়শত একষট্টি) জন
করেছে কতজন
১৯৬৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত কতজন এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাস৪,১৮৮(চার হাজার একশত অষ্টআশি) জন
করেছে :
এ স্কুলে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত প্রথম দুইজন ছাত্রী পড়ালেখা করেছে(ক) ঝর্ণা রাণী দাস (খ) আয়শা আক্তার(দুলু)
তাঁদের নামঃ
প্রথম মেয়েদের মধ্যে আমার বড় বোন মিসেস আয়েশা১৯৬১ সালে মেট্রিকুলেশন পরীক্ষা দেয় অন্য
আক্তার(দুলারী)ঃস্কুলের নামে
রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের মেয়েরা কোন সাল থেকে১৯৬৯ সাল থেকে মেয়েরা এস.এস.সি. পরীক্ষায়
নিয়মিত ছাত্রী হিসেবে এস.এস.সি. পরীক্ষা দেয় :অংশগ্রহণ করে
২০১১ সালে এ প্রতিষ্ঠান থেকে এস.এস.সি. পরীক্ষা দিয়েছে১৫২ জনপাস করেছে শতভাগজিপিও-৫.০০ পান ১৩ জন
কতজন:
২০১৩ সালে এ প্রতিষ্ঠান থেকে এস.এস.সি. পরীক্ষা দিয়েছে১৩২ জনএবারও শতভাগ পাস, জিপিও-৫.০০ পান ১৮ জন
কতজন:
২০১৫ সালে এ প্রতিষ্ঠান থেকে এস.এস.সি. পরীক্ষা দিয়েছে১৭৪ জনপাস করেছে-১৬৯ জনজিপিএ-৫ পান ১৯ জন
কতজন:
২০১৬ সালে এ প্রতিষ্ঠান থেকে এস.এস.সি. পরীক্ষা দিয়েছে১৮১ জন
কতজন:
২০১৫ সালে কতজন ছাত্রছাত্রী লেখাপড়া করে :মোট=১,৫৭০ জনছাত্র-৭৮৯ জন এবং ছাত্রী-৭৮১ জন
২০১৬ সালে কতজন ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করে:মোট=১,৭১৫ জনছাত্র-৮৬৫ জন এবং ৮৫০ জন ছাত্রী
এ স্কুলের ছাত্রদেরকে ১৯১৭ সাল থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্তব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা এবং যোগাযোগের
মেট্রিকুলেশন এবং এস.এস.সি. পরীক্ষা দিতে হয়েছে কোথায়সুবিধার জন্য পরীক্ষা দিতে হয়েছে ঢাকা শহরেও
জানেনঃ
১৯৬৬ সাল পর্যন্ত এস.এস.সি. পরীক্ষা দিতে হত :ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে
রূপসদী বৃন্দাবন উচচ বিদ্যালয়ের১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত নবীনগর সেন্টারে১৯৭১ সালের
ছাত্র-ছাত্রীরা এস.এস.সি. পরীক্ষা দিয়েছেঃএস.এস.সি. পরীক্ষাটি ১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিত হয়
এ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে১৯৭২ সালের এস.এস.সি পরীক্ষাটি হয়েছে ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে বাঞ্ছারামপুর
এস.এস.সি. পরীক্ষা দিতে হয়েছেসেন্টারেএস.এস.সি. পরীক্ষা ১৯৭২ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত বাঞ্ছারামপুর
সেন্টারে হয়
এ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে১৯৭২ সালের এস.এস.সি. পরীক্ষাটি ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে
এস.এস.সি. পরীক্ষা দিতে হয়েছে:১৯৭২ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত বাঞ্ছারামপুর সেন্টারে এস.এস.সি. পরীক্ষা
অনুষ্ঠিত হয়
১৯৯৪ সাল থেকে রূপসদী বৃন্দাবন উচচ বিদ্যালয়ের কেন্দ্রে১৯৯৪ সাল থেকে রূপসদী বৃন্দাবন উচচ বিদ্যালয়ের
এস.এস.সি পরীক্ষা হয়:ছাএ-ছাএীরা
২০০২ সালে এ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষা দিতে হয়েছিল:বাঞ্ছারামপুর স্কুলের সেন্টারে
বাঞ্ছারামপুর স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষা দিতে হয়েছিল:রূপসদী বৃন্দাবন উচচ বিদ্যালয়ের সেন্টারে
২০০৩ সাল থেকে আবার রূপসদী বৃন্দাবন উচচ বিদ্যালয়েররূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা
ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষা দেয়ঃরূপসদী বৃন্দাবন স্কুলের সেন্টারেই পরীক্ষা দেয়

।রূপসদী বৃন্দাবন উচচ বিদ্যালয়ের ১৯১৫ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত প্রধান শিক্ষকদের নামগুলি নিম্নে উপস্থাপন করা হলো।

।ঃ।

পরলোকগত বাবু রাখাল চন্দ্র রায়-বি.এ., বি.এল.জন্ম-১৮৮৭ সালে-মৃত্যু-০২-১১-১৯৮৯ তারিখ, প্রথম হেড
মাষ্টারগ্রাম-শ্যামগ্রাম, নবীনগর
পরলোকগত বাবু রমেশ চন্দ্র রায়-বি.এ., বি.টি.বাড়ি কোথায় জানা যায়নি
পরলোকগত বাবু বসন্ত কুমার রায়-বি.এ.বাড়ি কোথায় জানা যায়নি
পরলোকগত বাবু অন্নদা চরণ চক্রবর্তী- এম.এ.বাড়ি কোথায় জানা যায়নি
পরলোকগত বাবু ললিত কুমার রায়-এম.এ.বাড়ি কোথায় জানা যায়নি
পরলোকগত বাবু ত্রিপুরা শংকর রায়, এম.এ., ১৯২৪ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে চীন ভ্রমণে
গিয়েছিলবাড়ি-পশ্চিমবাংলা, ভারত
পরলোকগত বাবু মনমৎ বর্ধন-এম.এ.গ্রাম-শ্রীঘর অথবা কুলাশিং, নবীনগর
পরলোকগত বাবু রায় হরন চক্রবর্তী-এম.এ.গ্রাম-উজানচর, বাঞ্ছারামপুর
পরলোকগত বাবু প্যারী মোহন রায়-বি.এ., বি.টি., বি.এল.গ্রাম-খানেপাড়া, রূপসদীজন্ম-১৯০০ সালে,
কলকাতায় মৃত্যু-১৯৭৯ সালে
পরলোকগত বাবু মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যয-এম.এ., বি.এল., বি.টি.গ্রাম-বিদ্যাকুট, নবীনগর