| এ উপজেলার ২৫তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি, খাল্লা দারুস সুন্নাহ ইমইম মেহেদি(এ) |
| দাখিল মাদ্রাসা |
| এ উপজেলার ২৬তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি, তেজখালী কাজী এম.এ. মালেক দাখিল |
| মাদ্রাসা |
| এ উপজেলার ২৭তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ১৯৯৯ সালের ১২ আগস্ট, আইয়ূবপুর তাজুল ইসলাম জুনিয়র সেকেন্ডারী |
| স্কুল |
| এ উপজেলার ২৮তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ২০০২ সালের ১ জানুয়ারি, শাহ রাহাত আলী দাখিল মাদ্রাসা |
| এ উপজেলার ২৯তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ২০০২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, হাইদারনগর টি.পি. দাখিল মাদ্রাসা |
| এ উপজেলার ৫ম কলেজ | ২০০২ সালের ৩ জুলাই, রূপসদী সুজন দুলু কলেজ |
| এ উপজেলার ৩০তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ২০১০ সালের ১ জানুয়ারি, পূর্বহাটি তাজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ উপজেলার ৩১তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি, আকানগর তাজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ উপজেলার ৩২তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ২০১৩ সালে মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ উপজেলার ৩৩তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ২০১৩ সালে সোনারামপুর তাজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় |
| উপরোক্ত উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় | (১) স্কুল-১৯,৯৬৫(উনিশ হাজার নয়শত পঁয়সট্টি) জন |
| ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কতজন ২০১৪ সালে | (২) মাদ্রাসায়-২,৮০০(দুই হাজার আটশত)জন | মোট=২২,৭৬৫(বাইশ হাজার |
| সাতশত পঁসট্টি) জন |
| বাঞ্ছারামপুরে কতজন বা কতভাগ | ২২,৭৬৫ জন ছাত্র-ছাত্রী বা শতকরা ৬.৫০ ভাগ ছেলে-মেয়ে পড়ালেখা করে |
| ছেলে-মেয়ে উচ্চ বিদ্যালয় ও | উচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় গড়ের সমান ছেলে-মেয়ে পড়ালেখা করে |
| মাদ্রাসাগুলোতে লেখাপড়া করে |
| বাংলাদেশে কতজন ছেলে-মেয়ে উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় পড়ালেখা করে | ১,০৭,০০,০০০(এক কোটি) |
| ছেলে-মেয়ে |
| ২০১৪ সালের পরিসংখ্যান উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় শতকরা কতভাগ | শতকরা ৬.২৯ ভাগ |
| ছেলে-মেয়ে পড়ালেখা করে |
| বাংলাদেশে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন থেকে উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় | ২,৫০,০০,০০০(দুই কোটি পঁঞ্চাশ |
| লেখাপড়া করতে পারে না | লক্ষ) |
| প্রাইমারী ও কিন্ডাগার্টেনগুলো থেকে ঝড়ে যায় শতকরা কতভাগ ছেলে-মেয়ে | শতকরা ১৪.৭০ ভাগ ছেলে-মেয়ে |
| ২০১৩ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন | ১,৬৭১ জন |
| ২০১৩ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাস করেন | ১,৬৩৬ জন |
| ২০১৩ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতভাগ পাস করেন | ০.৪৭ ভাগ |
| ২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে | ১৩,০৩,২০৩ |
| ২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় কতভাগ অংশ নেয় | ০.৭৭ ভাগ |
| ২০১৩ সালে জাতীয় গড়ে বাঞ্ছারামপুরবাসী পায় বাংলাদেশের ৪৮৬ ভাগের এক ভাগ | ২,৬৮২ জন |
| পরীক্ষার্থী মানে ২,৬৮২ জন পরীক্ষার্থী |
| ২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাস করেন কতজন | ১১,৬৯,২০৪জন |
| ২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাস করেন কতভাগ ছাত্র-ছাত্রী | ০.৬৯ ভাগ |
| ছাত্র-ছাত্রী |
| ২০১৩ সালে এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাসের গড়ে বাংলাদেশের ৪৮৬ ভাগের এক ভাগ | ২,৪০৬ জন ছাত্র-ছাত্রী |
| বাঞ্ছারামপুরবাসী পাইলে হইত ২,৪০৬ জন |
| ২০১৩ সালে এস.এস.সি. পাসের গড়ে বাঞ্ছারামপুরবাসী পেয়েছে বাংলাদেশের ৭১৫ ভাগের | ১,৬৩৬ জন |
| এক ভাগ | ছাত্র-ছাত্রী |
| ২০১৪ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন | ১,৮২২ জন |
| ২০১৪ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন | ২৩৩ জন |
| ২০১৪ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় কারিগরি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন | ২৪০ জন= =২,২৯৫ জন |
| ২০১৪ সালে এস.এস.সি. পাস=১৩৬৮ জন + দাখিল পাস=২০৫ জন + কারিগরি পাস=২০২ | =১,৭৭৫ জন |
| জন=১,৭৭৫ জন পাস করেছে |
| ২০১৩ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতভাগ পাস করেন | ০.৪৭ ভাগ |
| ২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে | ১৩,০৩,২০৩ |
| ২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় কতভাগ অংশ নেয় | ০.৭৭ ভাগ |
| ২০১৩ সালে জাতীয় গড়ে বাঞ্ছারামপুরবাসী পায় বাংলাদেশের ৪৮৬ ভাগের এক ভাগ | ২,৬৮২ জন |
| পরীক্ষার্থী মানে ২,৬৮২ জন পরীক্ষার্থী |
| ২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাস করেন কতজন | ১১,৬৯,২০৪জন |
| ২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাস করেন কতভাগ ছাত্র-ছাত্রী | ০.৬৯ ভাগ |
| ছাত্র-ছাত্রী |
| ২০১৩ সালে এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাসের গড়ে বাংলাদেশের ৪৮৬ ভাগের এক ভাগ | ২,৪০৬ জন ছাত্র-ছাত্রী |
| বাঞ্ছারামপুরবাসী পাইলে হইত ২,৪০৬ জন |
| ২০১৩ সালে এস.এস.সি. পাসের গড়ে বাঞ্ছারামপুরবাসী পেয়েছে বাংলাদেশের ৭১৫ ভাগের | ১,৬৩৬ জন |
| এক ভাগ | ছাত্র-ছাত্রী |
| বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতজন ছেলে-মেয়ে ইন্টারমেডিয়েট ও সমমান পড়ালেখা করে | ১৫০০ জন |
| বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতভাগ ছেলে-মেয়ে কলেজ ও সমমান-এ পড়ালেখা করে | শতকরা ০.৪৩ ভাগ |
| বাংলাদেশে ২০১৩ সালে ১১,০০,০০০ লক্ষ ছেলে-মেয়ে কলেজ ও সমমানে লেখাপড়া করে | শতকরা ০.৬৫ ভাগ |
| বাংলাদেশের হারে করলে বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতভাগ ছেলে-মেয়ে কলেজ ও সমমান-এ | ২,২৬৩ জন |
| পড়ালেখা করতো |
| ২০১৪ সালে বাংলাদেশের হারে লেখাপড়া করলে ইন্টারমেডিয়েট ও সমমান-এ কতভাগ | শতকরা ০.৬৫ ভাগ |
| ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করত |
| বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতজন ছেলে-মেয়ে উচ্চ শিক্ষায় পড়ালেখা করে | ৯০০ জন |
| বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতভাগ ছেলে-মেয়ে উচ্চ শিক্ষায় পড়ালেখা করে | ০.৩০ ভাগ |
| বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রথম বর্ষে ৬,০০,০০০(ছয় লক্ষ) ছেলে-মেয়ে উচ্চ শিক্ষায় লেখাপড়া | শতকরা ০.৩৫ ভাগ |
| করে |
| বাংলাদেশের হারে বাঞ্ছারামপুরবাসী কতজন ছেলে-মেয়ে উচ্চ শিক্ষায় পড়ালেখা করতো | ১,২৩৫ জন বা ০.৩৫ |
| ভাগ |
| ২০১৪ সালে ১০টি বোর্ডে এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে | ১৪,২৬,০০০ জন |
| ছেলে-মে |
| ২০১৪ সালে বাঞ্ছারামপুরে বাস করে-৩,০০,০০০ জন বা বাংলাদেশের ৫৩৩.৩৩ ভাগের এক | ২,৯৩৪ জন পরীক্ষার্থী |
| ভাগ লোক, সে হিসেবে হলে গড়ে | হয় |
| ২০১৪ সালের এস.এস.সি. পরীক্ষায় কতজন ছাত্র-ছাত্রীর অংশগ্রহণ | ১,৮২৭ জন |
| ২০১৪ সালে এস.এস.সি. মাদ্রিাসা বোর্ডে অংশগ্রহণ করেছে | ২৩৪ জন |
| ২০১৪ সালে এস.এস.সি. ও মাদ্রাসা বোর্ড থেকে পরীক্ষায় মোট কতজন অংশগ্রহণ করেছে | =২,০৬১ জন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ২০১৫ | ২০,৫৭৭(বিশ হাজার পাঁচশত সাতাত্তর) জন | বর্তমানে এন্ট্রান্স পাশ করা |
| খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে এন্ট্রান্স, | লোক একজনও আমাদের উপজেলায় বেঁচে নেই | ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এন্ট্রান্স |
| ম্যাট্রিকুলেশন ও এস.এস.সি. | পরীক্ষা ছিল, ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা শুরু এবং শেষ হয় |
| পাশের সংখ্যা কত | ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে তারপর ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে এস.এসসি. পরীক্ষা শুরু হয়... |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ | শতকরা ৬.৮৬ ভাগ মানুষ |
| মানুষ ম্যাট্রিক ও এস.এস-সি. পাস |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে এইচ.এস.সি. ও সমমান পাশের সংখ্যা | ১০,০০০(দশ হাজার) জন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ মানুষ এইচ.এস-সি. ও সমমান | শতকরা ৩.৩৩ ভাগ মানুষ |
| পাস |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে বি.এ., বি.এস-সি., বি.কম. ও | ৫,৯৩৫(পাঁচ হাজার নয়শত পঁয়ত্রিশ) জন |
| সমমান-এর সংখ্যা কত |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ মানুষ বি.এ., বি.এস-সি., | শতকরা ১.৯৮ ভাগ মানুষ |
| বি.কম. বিবিএ ও সমমান পাস |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে এম.এ., এম.এস-সি., এম.কম., | ৩,০৬৭(তিন হাজার সাষট্রি) জন |
| এমবিএ. ও সমমান-এর সংখ্যা কত |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ মানুষ এম.এ., এম.এস-সি., | শতকরা ১.০২ ভাগ মানুষ |
| এম.কম. এমবিএ ও সমমান পাস |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে প্রায় ৩,৫০০(তিন |
| (জীবিত ও মৃতসহ) | হাজার পাঁচশত) ১ম এবং দ্বিতীয় শ্রেণীর অফিসার আছে | শহর ও গ্রামসহ জীবিত এবং |
| অফিসারের সংখ্যা কত | মৃতসহ একমাত্র ভেলানগর গ্রামের অফিসারের সংখ্যা হলো-১৫০ জন |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রাম, শহর এবং বিদেশসহ |
| কতজন লোক দোকানধারী ব্যবসার | প্রায় ১০,৯৫০(দশ হাজার নয়শত পঞ্চাশ) জন লোক দোকানধারী ব্যবসার |
| সাথে জড়িত | সাথে জড়িত |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রাম, শহর এবং বিদেশসহ |
| কতজন লোক ব্যবসা করে | প্রায় ৮,০১১(আট হাজার এগার) জন ব্যবসার সাথে জড়িত |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রাম, শহর এবং বিদেশসহ |
| কতজন লোক চাকরি করে | প্রায় ৫০(পঁঞ্চাশ) হাজার লোক চাকরির সাথে জড়িত |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের প্রায় ৩০ ভাগ |
| কৃষির সাথে জড়িত | লোক কৃষির সাথে জড়িত |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের প্রায় ৪০ ভাগ |
| লোক কৃষির উপর নির্ভরশীল | লোক কৃষির উপর নির্ভরশীল |
| নিজ জমির ফসল খায় | ২৫ ভাগ লোক সারা বছর |
| নিজ জমির ফসল খায় | ২৫ ভাগ লোক তিন থেকে ছয় মাস |
| নিজ জমির ফসল খায় না | ৫০ ভাগ লোক |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের প্রায় ৮০ ভাগ |
| লোক ভূমিহীন | লোক ভূমিহীন |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বসবাস করে তাঁদের মাথাপিছু আয় হবে-৪৫০ |
| মাথাপিছু আয় কত | ডলার | বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় হলো-১৩১৬ ডলার |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ৬৬.৬৬ ভাগ জমি |
| পর্যন্ত কতভাগ জমি সেচের আওতায় | সেচের আওতায় আসে |
| আসে |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ৬৬.৬৬ ভাগ জমি |
| কতভাগ জমি ট্রাক্টর দ্বারা চাষ হয় | ট্রাক্টর দ্বারা চাষ করা হয় |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের কর্মক্ষম বেকার ১৮ |
| কতভাগ লোক বেকার(ছেলে-মেয়ে) | বছর বয়স পর্যন্ত হলো-৪০ ভাগ লোক |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ৫০ ভাগ লোক |
| কতভাগ লোক বিদ্যুৎ সুবিধা পেয়েছে | বিদ্যুৎ সুবিধা পায় | বাংলাদেশে ৪৭ ভাগ বিদ্যুৎ সুবিধা পায় |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ২৫ ভাগ লোক |
| কতভাগ লোক চাকরির উপর নির্ভরশীল | চাকরির উপর নির্ভরশীল |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ২০ ভাগ লোক |
| কতভাগ লোক ব্যবসার উপর নির্ভরশীল | ব্যবসার উপর নির্ভরশীল |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ২০ ভাগ লোক |
| কতভাগ লোক বিদেশী টাকার উপর | বিদেশী টাকার উপর নির্ভরশীল |
| নির্ভরশীল |
| বাঞ্ছারামপুর থানার কতজন লোক বিশ | বাঞ্ছারামপুর থানার প্রতিটি গ্রামে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেছে যে, |
| শতকের পূর্বে শহরে লেখাপড়া করতে | বিশ শতকের পূর্বে এ থানার বাহিরে লেখাপড়া করতে যায় প্রায় |
| যায় | ২০১(দুইশত এক) জন ব্যক্তি |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ৮০ ভাগ মহিলা |
| পর্যন্ত কতভাগ মহিলা জন্ম-নিয়ন্ত্রণ | জন্ম-নিয়ন্ত্রণ মেনে চলে |
| মেনে |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ২৫ ভাগ লোকের |
| কতভাগ লোকের স্বাস্থ্যসম্মত বাসস্থান | স্বাস্থ্যসম্মত বাসস্থান আছে |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ৪০ ভাগ লোকের |
| পর্যন্ত কতভাগ লোকের স্বাস্থ্যসম্মত | স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট আছে |
| টয়লেট |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগ | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ৮০ ভাগ লোক |
| লোক স্বাস্থ্যসম্মত পানি পান করে | স্বাস্থ্যসম্মত পানি পান করে |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ৬ ভাগ লোক |
| কতভাগ লোক রাতকানা রোগে ভোগে | রাতকানা রোগে ভোগে |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের ৫ ভাগ লোক |
| কতভাগ লোক নেশাগ্রস্থ | নেশাগ্রস্থ |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামে ও শহরে যারা |
| কতভাগ লোক হেপাটাইটিস-বি | বসবাস করে তাঁদেরসহ ১০ ভাগ লোক হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসে আক্রান্ত |
| ভাইরাসে আক্রান্ত |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামে ও শহরে যারা |
| ক্যান্সার-এ আক্রান্ত | বসবাস করে তাদেরসহ ১ ভাগ লোক ক্যান্সার-এ আক্রান্ত |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ কিডনী | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামে ও শহরে যারা |
| রোগী বিনা চিকিৎসায় মারা যান | বসবাস করে তাদেরসহ ৯৫ ভাগ কিডনী রোগী বিনা চিকিৎসায় মারা যান |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ লোক | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামে ও শহরে যারা |
| থ্যালাসেমিয়া রোগের জিন বহন করছে | বসবাস করে তাদেরসহ প্রায় ৭ ভাগ লোক থ্যালাসেমিয়া রোগের জিন বহন |
| করছে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে প্রায়-৯০টি |
| ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে কয়টি | নামের বংশ পরিচিতি পাওয়া যায়:-যেমন-বড়বাড়ি, ভূইয়া বাড়ী, দেওয়ান |
| বংশ পাওয়া যায় | বাড়ী, খাঁ বাড়ী, শিকদার বাড়ী, কাজী বাড়ী, খন্দকার বাড়ী, চৌধুরী |
| বাড়ী, মিয়া বাড়ী, মীর বাড়ী, হাঁজী বাড়ী, মাঝি বাড়ী, বেগ বাড়ী, |
| মির্যা বাড়ী, গাঁজী বাড়ী, তালুকদার বাড়ী, মোল্লা বাড়ী, উকিল |
| বাড়ী, মোক্তার বাড়ী, মাষ্টার বাড়ী, প্রফেসর বাড়ী, আমীন বাড়ী, সরকার |
| বাড়ী, সৈয়দ বাড়ী, ব্যাপারী বাড়ী, মুন্সেফ বাড়ী, কালেক্টর বাড়ী, জজ |
| বাড়ী, ডিপটি বাড়ী, কেরাণী বাড়ী, পেশকার বাড়ী, কাননগো বাড়ী, |
| হাবিলদার বাড়ী, মেম্বার বাড়ী, চেয়ারম্যান বাড়ী, প্রেসিযেন্ট বাড়ী, |
| এম.পি'র বাড়ী, মন্ত্রীর বাড়ী, সাব-রেজিস্ট্রার বাড়ী, ঘোষ বাড়ী, সাহা |
| বাড়ী, যোগী বাড়ী, নাথ বাড়ী, কৈবর্ত বাড়ী, দাস বাড়ী, পাল বাড়ী, |
| দত্ত বাড়ী, রায় বাড়ী, ঠাকুর বাড়ী, পোদ্দার বাড়ী, শীল বাড়ী, গোসাই |
| বাড়ী, তাঁতী বাড়ী, কামার বাড়ী, কুমার বাড়ী, মিস্ত্রী বাড়ী, মুঁচি |
| বাড়ী, ঋৃষি বাড়ী, বাঁজাইন্না বাড়ী, নাগারইরর্সা বাড়ী, ওস্তা বাড়ী |
| (হাযম বাড়ী), সাব-বাড়ী, হাওলাদার বাড়ী, সৈনিক বাড়ী, সারেং বাড়ী, |
| দারোগা বাড়ী, নায়েব বাড়ী, পন্ডিত বাড়ী, বকস বাড়ী, ডাক্তার বাড়ী, |
| কবিরাজ বাড়ী, ইঞ্জিনিয়ার বাড়ী, খলিফা বাড়ী, মুন্সিবাড়ী, মৌলভী |
| বাড়ী, মোয়াজ্জিন বাড়ী, ইমাম বাড়ী, ফকির বাড়ী, পীর বাড়ী, দরবেশ |
| বাড়ী, ভূতের বাড়ী, জ্বীন বাড়ী, জমিদার বাড়ী, ওযা বাড়ী, আলগা |
| বাড়ী, খোদাই বাড়ী, ওস্তাকার বাড়ী, সৈয়ল বাড়ী, সর্দার বাড়ী, |
| চকিদার বাড়ী, দফাদার বাড়ী, কসাই বাড়ী ইত্যাদি | এছাড়াও অসংখ্য নাম |