| মহিলা হিসেবে সিনেমা ও টি. ভি. | মোঃ মফিজুল ইসলাম (মুনশি মিঞা) (উনার জন্ম-৩০-০৬-১৯১৯ তারিখ, |
| শিল্পী ছিলেন | মৃত্যু-১০-০৫-২০০৭ তারিখ)-এর দ্বিতীয় কন্যা হামিদা বাণু ওরফে ডলি |
| জহুরের জন্ম-১০-০৭-১৯৫২ তারিখ |
| দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী | উনার সাথে গত ২০-০৪-২০০৭ তারিখ বিকেল ৫ ঘটিকার সময় দেখা করি এবং |
| অবসরপ্রাপ্ত ডিপুটি পোষ্টমাষ্টার | আমার লিখা ''আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি ও চৌধুরী |
| জেনারেল মোঃ মফিজুল ইসলাম(মুনশি | শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন''(১৮০৬-২০০৬)-এর একটি কপি দেই |
| মিঞা)-এর বাসায় গত ২০-০৪-২০০৭ | এবং আরো বলি যে-চাঁচা আমি বাঞ্ছারামপুর থানার তথ্যাবলী সম্বলিত |
| তারিখ গিয়েছিলাম আমি মোঃ জাকির | একটি বই রচনা করেছি | আগামী জুলাই মাসের মধ্যে বইটি ছাপানো হবে |
| হুসেন (আলমগীর) | উনার দ্বিতীয় কন্যা | উনি আমাকে সাথে সাথে বলে যে, আমাকে একটি কপি দিবে | আমিও উনার |
| হামিদা বাণু ওরফে ডলি জহুরের জন্ম | সাথে সাথে বলি যে-আমি আপনাকে এ বইয়ের একটি কপি ছাপানোর সাথে |
| তারিখ জানার জন্য | সাথে দিয়ে যাব | মোঃ মফিজুল ইসলাম (উনার জন্ম-৩০-০৬-১৯১৯ |
| খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১০-০৫-২০০৭ তারিখ)-এর দ্বিতীয় কন্যা হামিদা বাণু |
| ওরফে ডলি জহুরের জন্ম-১০-০৭-১৯৫২ তারিখ | এ তথ্যগুলো নিয়ে উনার বাসা |
| থেকে বিদায় নিয়ে আসতে চাই-কিন্তু উনি আমাকে বিদায় দিতে চায়নি |
| এবং বারবার আমাকে কি খাবে, কি খাবে বলতে থাকে এবং উনার ঘরের |
| হাউস-কিপারকে বারবার খাবার দেয়ার জন্য আদেশ-নির্দেশ দিয়েছে এবং |
| আমাকে অনেক প্রকার খাবার খাইয়েছে | ঐদিন রাত্রি ৭.৫০মিনিটে উনার |
| কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আসি এবং কথা দিয়ে আসি যে আবার আসব |
| বাঞ্ছারামপুর থানার তথ্যাবলীর বইটি নিয়ে | ১০-০৫-২০০৭ তারিখ সকাল |
| ১১.৩০ মিনিটের সময় মুহিতের টেলিফোন পাই যে-দরিয়াদৌলতের মফিজুল |
| ইসলাম সাহেব মারা গেছেন সকাল ১০ঘটিকার সময় | হ্যাঁ আজ(১০-০৫-২০০৭ |
| তারিখ) আমি আসব উনার জানাযায় উনার মৃত্যু তারিখ বাঞ্ছারামপুর |
| থানার তথ্যাবলীতে দেয়ার জন্য | আমি উনাকে ভুলতে পারব না-আমার |
| বারবার উনার কথা মনে হয় | উনি সরল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদের | মরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. সরফুজ্জামান (আবু |
| মধ্যে প্রথম টি. ভি. তে জনসংখ্যা | তাহের)-এর কন্যা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পরিচালক মিসেস লুৎফে |
| বিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় কে | তাহেরা | ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যা বিষয়ক অনুষ্ঠান |
| উপস্থাপনায় ছিলেন | মিসেস লুৎফে তাহেরার জন্ম-১৯৫০ সাল |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম মহি-উদ-দীন আহমেদ (জহর মিঞার) |
| রেডিও এবং টি.ভি.তে কারা ইংরেজী | ছেলে জনাব শামীম আহমেদ ও তার ছোট ভাই জনাব নাফিজ ইমতিয়াজ |
| সংবাদ পাঠক | শামীমের জন্ম-১৯৪৯ সালে এবং নাফিজের জন্ম-১৯৫৩ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ মিজানুর রহমানের বড় ছেলে |
| সাংবাদিক হলেন | জনাব মাহবুব জামাল জাহেদী (বুলু মামা) | তিনি পাকিস্তান ডন |
| পত্রিকাসহ আরও বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন | উনার জন্ম-১৯২৭ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মধ্যনগর গ্রামের অধিবাসী সাধক পুরুষ শাহ রাহাত আলীর মাজার |
| মাজারটি কার | মাসিন্নগর বজারে প্রতিষ্ঠিত হয় ০২-০৮-১৯৪৬ তারিখ | উনার জন্ম-১৮৭৬ |
| সালে, মৃত্যু-০২-০৮-১৯৪৬ তারিখ |
| কালাইনগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম | বাঞ্ছারামপুর থানার কালাইনগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম মৌঃ কলিমউদ্দিনের |
| দয়াল গনিশাহ-এর মাজারটি কোথায় | পুত্র মরহুম দয়াল গনিশাহের মাজারটি নবীনগর থানার বড়িকান্দি গ্রামে |
| অবস্থিত | দয়াল গনিশাহ, মরহুম হযরত রাহাত আলী শাহ (র.)'র ভক্ত ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | উজানচর গ্রামের অধিবাসী পরলোকগত শ্রী রাজেন্দ্র চন্দ্র সাহা ফুটবল |
| নামকরা খেলাধুলায় | খেলোয়ার ছিলেন | উনার জন্ম-১৯০২ সালে, মৃত্যু-জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল সোবহান সাহেবের |
| পাকিস্তান জাতীয় হকিদলের নামকরা | পুত্র জনাব আবদুস সাদেক (মোঃ শাহজাহান) | উনার জন্ম-১৯৪২ সালে |
| খেলোয়ার |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | শরিফপুর গ্রামের মরহুম তোতা মিঞা মাষ্টারের বড় ছেলে-মরহুম এ. কে. |
| বাংলাদেশ জাতীয় হকিদলের নামকরা | গোলাম কিবরিয়ার বড় ছেলে সিয়াম-এ-নূর (সাবেক বাংলাদেশ জাতীয় হকি |
| খেলোয়ার | খেলোয়ার ছিলেন ১৯৯৪ থেকে ২০০০ পর্যন্ত) | সিয়ামের জন্ম-০২-১১-১৯৭০ |
| তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | শরিফপুর গ্রামের মরহুম তোতা মিঞা মাষ্টারের বড় ছেলে-মরহুম এ. কে. |
| ক্রিকেট কোচ, মেট্রো ক্রিকেট | গোলাম কিবরিয়ার ছোট ছেলে তেনজাম-এ-নূর (ঝিলাম) | ঝিলামের |
| একাডেমী | জন্ম-২৮-০৪-১৯৭২ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মানিকপুর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবদুল মতিন-এর দ্বিতীয় ছেলে জনাব |
| জাতীয় টিমের ক্রিকেট খেলোয়ার | মোহাম্মদ আশরাফুল-এর জন্ম-১৯৮৪ সালের ৭ জুলাই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মধ্যনগর গ্রামের অধিবাসী বকুল মোস্তফা (মোস্তফা জব্বারের স্ত্রী বকুল |
| কমপিউটার জগতের বিখ্যাত ব্যবসায়ী | মোস্তফা) আনন্দ কমপিউটার-এর মালিক | তার জন্ম-১৯৫১ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | কালিকাপুর গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক আবদুর রহমান | ইউনাইটেড প্রেসের |
| মুদ্রণ ব্যবসায়ী ছিলেন | মালিক ছিলেন | উনার জন্ম-১৯১৮, মৃত্যু-১৯-১২-১৯৯৩ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদ | উনি ১৯৬৩ |
| মুদ্রণ ব্যবসায় আছেন | সাল থেকে আদর্শ ছাপাখানার মালিক | জন্ম-১৯২৭ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মেসবাহ-উদ-দীন আহমেদ (মতি মিঞা) |
| মুদ্রণ ব্যবসায় ছিলেন | উনি ১৯৬৫ সাল থেকে প্রেসিডেন্সী প্রেসের মালিক ছিলেন | উনার জন্ম-১৯৩১ |
| সালে, মৃত্যু-২৩-১২-১৯৯৫ তারিখ |
| ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১০ এপ্রিল, ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব |
| প্রথম বাঞ্ছারামপুর থানার পাকিস্তানী পতাকাটি | মেজবাহ উদ-দীন আহমেদ (মতি মিঞার) নেতৃত্বে বাঞ্ছারামপুর |
| কার নেতৃত্বে নামানো হয় এবং বাংলাদেশের | থানার পাকিস্তানী পতাকাটি নামানো হয় এবং বাংলাদেশের |
| পতাকাটি উড়ানো হয় | পতাকাটি উড়ানো হয় |
| ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর, ঢাকাতে পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ | ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ ডিসেম্বর, বাঞ্ছারামপুর |
| করেন কিন্তু বাঞ্ছারামপুর থানার পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ করেন কত | থানার পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ করে |
| তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ডক্টর এ. কে. এম. হাই সিঙ্গাপুরে অবস্থিত |
| কোন কেমিষ্ট | জাপানী আলফা টেকনো গ্রুপ অব চেম্বার-এর পরিচালক | তিনি সুপার |
| গ্লো নামক আটার ফর্মুলা উদ্ভাবক |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী পদার্থিবজ্ঞানী নূরুন নবী খন্দকার আমেরিকায় |
| কোন পদার্থিবজ্ঞানী নাসাতে চাকুরী | (ঘঅঝঅ)তে চাকুরী করতেন |
| করতেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ধারিয়ারচর গ্রামের অধিবাসী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সামাদ সাহেবের পুত্র |
| কোন ব্যক্তি ক্লাসিক গাইড ও ক্লাসিক | প্রাক্তন ছাত্র নেতা সাঈদ আহমেদ (বাবু), ১৯৮৬ সাল থেকে ক্লাসিক গাইড |
| কোচিং সেন্টারের মালিক | ও ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মালিক | বাবুর জন্ম-১৯৫৮ সালে |
| ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা সংগ্রামের | ফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মুখলেসুর রহমানের (এফ.এফ.) |
| সময় বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | কমান্ডার ছিলেন | মুক্তিবাহিীর ক্যাম্পটি রূপসদী গ্রামের খানেপাড়ার |
| প্রথম মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন | নয়াবাড়ীতে ছিল | মুখলেসুর রহমানের জন্ম-১৯৪৭ সালে |
| ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা সংগ্রামের | দরিকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মনিরুল হক (বি.এল.এফ.)-এর কমান্ডার |
| সময় বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ছিলেন | মুক্তিবাহিনীর ২য় ক্যাম্পটি ছিল দরিকান্দি গ্রামের মরহুম মোঃ |
| দ্বিতীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন | মোজাম্মেল হক (অদু মিঞা), সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্যের বাড়ীতে |
| মনিরুল হকের জন্ম-১৯৪৭ সালে |
| ১৯২০ সালে বেঙ্গল ভিলেজ সেলফ | বাঞ্ছারামপুর থানার সর্বেমাট ৭টি ইউনিয়ন বোর্ড ছিল যথা:-(১) |
| গর্ভণমেন্ট অ্যাক্ট পাশ করা হলে | দরিয়াদৌলত (২) তেঁজখালী (৩) বাঞ্ছারামপুর (৪) ছয়ফুল্লাকান্দি (৫) |
| ইউনিয়ন পঞ্চায়েত প্রথা বিলোপ করে | রূপসদী (৬) উজানচর ও (৭) সলিমাবাদ | এ ইউনিয়নগুলোতে প্রথম যারা |
| ইউনিয়ন বোর্ড গঠন করা হয়ঃ | প্রেসিডেন্ট ছিলেন তাঁদের নামগুলি নিম্নে উপস্থাপন করা হলো: |
| ১নং দরিয়াদৌলত ইউনিয়ন বোর্ড-এর | ১৯২০ সালে মাওলানা খন্দকার রেজওয়ান আলী (দরিয়াদৌলত) |
| প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| ২নং তেঁজখালী ইউনিয়ন বোর্ড-এর | ১৯২০ সালে মহিম চন্দ্র ঘোষ (তেঁজখালী) |
| প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| ৩নং বাঞ্ছারামপুর ইউনিয়ন বোর্ড-এর | ১৯২০ সালে শচিন্দ্র বাবু (বাঞ্ছারামপুর) |
| প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| ৪নং ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন | ১৯২০ সালে যোগেন্দ কুমার দত্ত (ছয়ফুল্লাকান্দি) |
| বোর্ড-এর প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| ৫নং রূপসদী ইউনিয়ন বোর্ড-এর | ১৯২০ সালে খান সাহেব মৌঃ তুজাম্মেল আলী ওরফে মোঘল মিঞা |
| প্রেসিডেন্ট ছিলেন | (রূপসদী) |
| ৬নং উজানচর ইউনিয়ন বোর্ড-এর | ১৯২০ সালে স্বরুপ নন্দ সাহা (সরিষারচর) |
| প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| ৭নং সলিমাবাদ ইউনিয়ন বোর্ড-এর | ১৯২০ সালে রমিজউদ্দিন মুন্সি (হায়দরন্নগর) |
| প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক (লিল |
| রাজনীতিবিদ ছিলেন | মিঞা) | তিনিই এ থানার প্রথম নির্বািচত প্রতিনিধি এবং ১৯৫৪ সালে |
| যুক্তফ্রন্ট সরকারের আমলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক (লিল |
| মন্ত্রী ছিলেন | মিঞা) | ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের আমলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদের | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী মরহুম আবদুল মাবুদ (শফিক)-এর স্ত্রী |
| মধ্যে স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী ছিলেন | মিসেস ফাতেমা কবীর | সংরক্ষিত মহিলা আসনে স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী পদে |
| ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | পাড়াতুলি গ্রামের ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম (তরু/তাঁজ) |
| দ্বিতীয় ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক | তাঁর জন্ম-১৮ জুন, ১৯৪৬ সালে |
| প্রতিমন্ত্রী হলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | কাঞ্চনপুর গ্রামের অধিবাসী পন্ডিত মোঃ নূরুল ইসলাম | উনি কুমিল্লা |
| আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি | শহরে শিক্ষকতার পাশাপাশি আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন |
| ছিলেন | স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত প্রসংশনীয় ও |
| মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে ছিলেন সরাসরি সম্পৃক্ত | উনার জন্ম-১৯১২ সালে, |
| মৃত্যু-০২-০৫-২০০২ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল বাসেত | উনি কুমিল্লা |
| বি.এন.পি.র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি | শহরে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন | উনার জন্ম-১৯২৯ সালে, |
| ছিলেন | মৃত্যু-০৭-০১-১৯৮৮ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ১৯৫৩ সালে পূর্ব বাংলার মূখ্যমন্ত্রী জনাব নূরুল আমিন-এর একটি সভা |
| ছাত্র অবস্থায় এবং কলেজে শিক্ষকতা | সোনারামপুর বাজারে অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় দরিয়াদৌলত গ্রামের অধ্যাপক |
| করার সময় রাজনীতির সাথে জড়িত | আবদুল মোমেন-এর নেতৃত্বে সভাটি পন্ডু করে দেয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে |
| ছিলেন | হুলিয়া জারী করা হয়েছিল | ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজের অধ্যাপক আবদুল |
| মোমেন | উনার জন্ম-১৯৩০ সালে, মৃত্যু-০৭-০৩-১৯৯০ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ১ম প্রাদেশিক | ১৯৩৭ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক নির্বাচনে নির্বািচত |
| নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি | প্রতিনিধি ছিলেন ঢাকার প্রখ্যাত খাজা মরহুম নওয়াবজাদা খাজা |
| ছিলেন | নছরউল্লাহ | তিনি বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় প্রাদেশিক | ১৯৪৬ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক নির্বাচনে নির্বািচত |
| নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি | প্রতিনিধি ছিলেন নবীনগর থানার নাসিরাবাদ গ্রামের মরহুম আলী |
| ছিলেন | আহাম্মদ খাঁন | তিনি বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় নির্বািচত প্রতিনিধি |
| বৃটিশ ভারতে দু'বার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় | (১৯৩৭ সালে ও ১৯৪৬ |
| সালে) | উনার জন্ম-১৮৯২ সালে, মৃত্যু-১৯৬৬ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার | ১৯৫৪ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বািচত |
| পাকিস্তান হওয়ার পর ১ম প্রাদেশিক | প্রতিনিধি দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট এ. কে. এম. |
| পরিষদের নির্বাচনে নির্বািচত | জহিরুল হক (লিল মিঞা) | উনার জন্ম-১৯৯৮ সালে, মৃত্যু-১৯৮৪ সালে |
| প্রতিনিধি ছিলেন | উনি বাঞ্ছারামপুর থানার ৩য় নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন | উনি যুক্তফ্রন্ট |
| থেকে নির্বািচত এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ১ম | ১৯৬২ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার (এম.এন.এ.) নির্বাচনে নির্বািচত |
| বি.ডি.(মেম্বারদের ভোটে) | প্রতিনিধি ছিলেন মুরাদনগর থানার কামারচর গ্রামের অধিবাসী মরহুম |
| এম.এন.এ. নির্বাচনে নির্বািচত | এডভোকেট মোঃ আজিজুর রহমান | উনার জন্ম-১৯০৩ সালে, মৃত্যু-জানা |
| প্রতিনিধি ছিলেন | নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় বি. | ১৯৬৪ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার এম.এন.এ.) নির্বাচনে নির্বািচত |
| ডি.(মেম্বারদের ভোটে) এম.এন.এ. | প্রতিনিধি ছিলেন মুরাদনগর থানার কামারচর গ্রামের অধিবাসী মরহুম |
| নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি | এডভোকেট মোঃ আজিজুর রহমান |
| ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর এবং নবীনগর থানার | ১৯৭০ সালে ৭ ডিেিসম্বর, বাঞ্ছারামপুর এবং নবীনগর থানার সাধারণ |
| এম.এন.এ. নির্বাচনে নির্বািচত | নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি(এম.এন.এ.) ছিলেন নবীনগর থানার |
| প্রতিনিধি ছিলেন | অধিবাসী বড়িকান্দি গ্রামের মরহুম এডভোকেট দেওয়ান আবুল আব্বাস |
| (বাচ্চু মিঞা) | উনার জন্ম-১৯২৫ সালে, মৃত্যু-২০০৭ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক | ১৯৭০ সালে ৭ ডিসেম্বর, বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক পরিষদের |
| নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি | নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন মরিচাকান্দি গ্রামের মরহুম |
| ছিলেন | গোলাম মহিউদ্দিন আহমেদ(আফতাব ভাই) | পাকিস্তান আমলে ৪(চার) বার |
| নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় (১৯৫৪, ১৯৬২, ১৯৬৪ ও ১৯৭০ সালে) | উনার |
| জন্ম-১৯২৭ সালে, মৃত্যু-২৩-০৩-১৯৭৯ তারিখ |
| ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর, বাংলাদেশ | ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ, জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি |
| স্বাধীন হওয়ার পর বাঞ্ছারামপুর | (এম.পি.) ছিলেন দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ড. এ. ডবিস্নও. এম. |
| থানার ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দের ৭ মার্চ, ১ম | আবদুল হক | ড. হক বাংলাদেশের আমলে বাঞ্ছারামপুর থানার ১৯৭৩ |