(অব.) ২২-০১-২০১৫
বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোঃমিরপুর, ব্যবসা করেব্যবসা, ফোনঃ ৯১১২৯৯৩১২২,কলাবাগান
রফিকুল হায়দার (খোরশেদ),বশিরউদ্দিন রোড
মৃত্যু-২৩-১২-২০১০
সালাউদ্দিন আহমেদমিরপুরব্যবসা, ফোনঃ ৯৬৬৮৭১৫৮৮, ফ্রী স্কুল
কাঠালবাগান
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ফজলেমিরপুরশিক্ষক, মিরপুর প্রাথমিকগ্রামে বসবাসরত
আলী খান (দারু) (অব.)স্কুল
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃমিরপুরঢাকাতে ব্যবসা করেউত্তর পীরেরবাগ,
মুসলেউদ্দিন সরকার (মোসলেম)মিরপুর
মরহুম মোঃ আবুল কালামমিরপুর, অবসর নিয়েশিক্ষক, মিরপুর প্রাথমিকগ্রামে বসবাসরত
(২০০৯ সালের মে মাসে মৃত্যু)মারা গেছেনস্কুল
শ্রী চন্দ্র মোহন দাস (অব.)মিরপুরচাকুরী, এ.জি.পি.,গ্রামে বসবাসরত
মোঃ আবদুল বাতেন (মেহের)কাঞ্চনপুরচাকুরী,রেডিওমধ্যমরকুন, টঙ্গী,
বাংলাদেশ,শাহাবাগগাজীপুর
মোঃ হুমায়ূন কবিরকাঞ্চনপুরপ্রিন্সিপাল অফিসার, কৃষি৪৯০, ধনিয়া, ঢাকা
(বাচ্চু)(অব.)ব্যাংক
মোঃ জহিরুল হক (জাহাঙ্গীর)দরিকান্দিবিদেশে চাকুরী করেছেগ্রামে বসবাসরত
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সায়েদুলদরিকান্দিচাকুরী, তার ও টেলিফোনঢাকায় বসবাস করে
ইসলাম, (অব.)বোর্ড
মিসেস ডা. জোহরা আহমদদরিকান্দিগৃহিনী,৭৩/১, নবাবপুর রোড,
০১৮১৭১৪৬১৪১ঢাকা
মোঃ কাজলদরিকান্দিঢাকাতে ব্যবসাভূতেরগুলি তাকে
বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুমদরিকান্দিবেকারগ্রামে বসবাসরত
মোহাম্মদ হোসেন (২০০৮)
মরহুম মোঃ ওয়াজেদ আলী,দরিকান্দিব্যবসা,ঢাকাতে বসবাসরত
১৯৯৯ সালের অক্টোবরঢাকার ফকিরাপুল
মরহুম মোঃ কবির হোসেনদরিকান্দিব্যবসামিরপুর, ঢাকা,
বসবাসরত
মোঃ গোলাম মোস্তফাদরিকান্দিবিদেশে ছিল, বর্তমানেগ্রামে বসবাসরত
চৌধুরীবাড়ীতে
মোঃ মোজ্জামেল হক (সহিদ)দরিকান্দিবিদেশে ছিল, বর্তমানেগ্রামে বসবাসরত
বাড়ীতে
মরহুম মোঃ খবিরউদ্দিনতেঁজখালীইতালি প্রবাসীইতালি যাওয়ার পূর্বে
(শাহজাহান) মৃত্যু-২০১০ঢাকা ছিল
সালের মে
মোঃ এনায়েত করিম (আলমগীরখাল্লাআমেরিকা প্রবাসীআমেরিকাতে বসবাসরত
মরহুম মোঃ নজরুল ইসলামখাল্লাগ্রামে অব. যাপন করাগ্রামে বসবাসরত
(নান্নু মিয়া)১৫-০২-২০১১অবস্থায়
মরহুম মোঃ মোসলেমদরিকান্দি থেকেশিক্ষক(অব.)গ্রামে বসবাসরত
আবদুল্লাহ সেপ্টেম্বর, ২০১০খাল্লা
সাল
মরহুম মোঃ হুমায়ূন কবির,ভিটিবিশারাহাবিলদার(অব.)কুমিল্লা
মৃত্যু-০৯-১১-২০১৩ তারিখক্যান্টনমেন্টের সাথে
নাজিরাবাজার বাসা
পরলোকগত শ্রী শান্তি ভূষণভিটিবিশারা ২০০৩গ্রামে ব্যবসাগ্রামে বসবাসরত
দেব,সালে
শ্রী কান্দি ভূষণ দেবভিটিবিশারাব্যবসা, ঘোষ মার্কেট,চট্টগ্রাম বসবাসরত
চট্টগ্রাম
মোঃ নূরুল ইসলাম (শিশু)ভিটিবিশারাগ্রামে ইউনিয়ন পরিষদগ্রামে বসবাসরত
মেম্বার
মোঃ সানাউল্লাহভিটিবিশারাচাকুরী, অবসরটঙ্গীতে বসবাস
মোঃ সহিদউল্লাহভিটিবিশারাগ্রামে ব্যবসা করেগ্রামে বসবাস
মরহুম মোঃ বজলুর রহমানফরদাবাদ১৯৭১ সালে সেনাবাহিনীতেফরদাবাদ
(বজলু)চাকুরীরত অবস্থায়
মৃত্যুবরণ করেন
মরহুম আবদুল আউয়াল,ফরদাবাদব্যবসা, আউয়াল১৪৪,রামপুরা, পূর্ব
মৃত্যু-২৯-০৫-২০১৪মার্কেট,ঢাকাউলন
মোঃ মাসুমফরদাবাদঠিকানা জানিনাঠিকানা জানিনা
মোঃ একরাম হোসেনফরদাবাদঅব. যাপন করছেনফরদাবাদ বসবাস করে
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মাফুজুরগোকলনগরসিনিয়র প্রিন্সিপালউত্তর গোড়ান, ঢাকা
রহমান (মাহফুজ) (অব.)অফিসার,অগ্রনী
মরহুম মোঃ সিদ্দিকুর রহমানগোকলনগরঅবসর যাপন করছেনঢাকায় বসবাস
(অব.),
মরহুম মোঃ জাকিরুলনান্দাইল, সালাউদ্দিনের সৎ১০ম শ্রেণীতে পড়া অবস্থায়ময়মনসিংহ
আলমমায়ের ভাইমারা গেছে
মরহুম আবুল কাশেমকালাইনগরমৃত্যুবরণ করেছেকালাইনগর
মোহাম্মদ সহিদকালাইনগরব্যবসামিরপুর, ঢাকা
মোঃ রেজাই রাব্বানীআশ্রাফবাদব্যবসাগ্রামে বসবাসরত
(হিটলার)
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হুমায়ূনআশ্রাফবাদগ্রামে ব্যবসাগ্রামে বসবাসরত
কবির
শ্রী কার্তিক ভূষন দেপ্‌াঁচকিত্তা, মুরাদনগরবর্তমান ঠিকানা জানা নেইপাঁচকিত্তা
শ্রী গোপাল চন্দ্র সূত্রধরমাঝিয়ারাগ্রামে ব্যবসা করেগ্রামে বসবাসরত
মরহুম মোঃ খলিলুর রহমানহোগলাকান্দা,গ্রামে প্রাইমারী স্কুলেগ্রামে বসবাসরত
(খোয়াজ আলী) (অব.)১৭-১২-২০১৪ তারিখশিক্ষকতা
মৃত্যু
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুশাহপুর৫৩, পুরানা পল্টন, ৬ষ্ঠ১৯১,পশ্চিম ধানমন্ডি
জাহের (চাঁন মিঞা) (অব.)তলা,রুম নং-৫০৫, ৯৫৫৫২৭৫মধুবাজার
মোঃ ফরিদউদ্দিন আহমেদ(অব.)কালাইপাইলা,অবসর যাপন করছেনজোনাকী রোড,
মোহাম্মদপুর;মিরপুর
মুরাদনগর
মোঃ আনোয়ার হোসেনরূপসদীঅবসর যাপন করছেন৩২৫,নয়াটোলা
(অব.)চেয়ারম্যান গলি
মরহুম মোঃ অহিদুজ্জামান২০১২ সালের সেপ্টেম্বর,চাকুরী, বাংলাদেশ পুলিশবাহাদুরপুর গ্রাম
(অব.)মৃত্যুবাহিনীবসবাসরত
মোঃ রেজাউল করিম (তাহের)ফরদাবাদ (উত্তরপাড়া)চাকুরী, বাংলাদেশ কৃষিগ্রামে বসবাসরত
(অব.)ব্যাংক
মোঃ গোলামভিটিবিষাড়াচাকুরী, কনকর্ড সেন্টারগুলশানে বসবাস করে
সারোয়ার(বাকি)অব.ভবন, গুলশাল
মোঃ তরু মিয়াদরিকান্দি (ইমামনগর)ঠিকানা অজ্ঞাতদরিকান্দি
মরহুম মোঃ শওকতদরিকান্দি (ইমামনগর)ঢাকাতে বসবাস করতেনমারা গেছেন
আলী(৩০-১২-২০১০
মোঃ তোতা মিঞা (অব.)দরিকান্দিচাকুরী, প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ,চট্টগ্রাম বসবাসরত
চট্রগ্রাম
আলহাজ আবদুল মালেকপাড়াতুলিবিদেশে ছিলগ্রামে বসবাসরত
আবদুল অদুদ(অব.)রূপসদী দক্ষিণপাড়াঅবসরপ্রাপ্ত নেভাল পেটিচট্টগ্রামে বসবাস
অফিসার
আবদুল অদুদ(অব.)গকুলনগরঅবঃ প্রাইমারী স্কুলগ্রামে বসবাস
মোঃ নজরুল ইসলাম (অব.)রূপসদী, কান্দাপাড়াচাকুরী,পরিসংখ্যান বুরো,বর্তমানে গ্রামে
ঢাকাবসবাসরত
মোঃ ইসমাইল (মধু)পাড়াতুলিদামালকোর্ট, ঢাকাঢাকাতে বসবাসরত
ক্যান্টনম্যান্ট
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সহিদুলমিরপুরগ্রামে ব্যবসাগ্রামে বসবাস
হক
মরহুম মোঃ সুলতান আহমেদমিরপুরগ্রামে ব্যবসাগ্রামে বসবাস করত
(ফটিক)
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মতিউরমিরপুরচাকুরী, বাঞ্ছারামপুরগ্রামে বসবাস
রহমান (অব.)উপজেলাতে
অনারারী ক্যাপ্টেন (অব.) মরহুমগ্রাম-নারায়ণপুরহোমনাগ্রামে বসবাস
মো: শাহজাহান
মরহুম মোঃ শাহ আলমভেলানগর শিকদার বাড়িআমার সাথে ১৯৬৫-৬৬ সালেঢাকাতে বসবাস মারা
শিকদার, ফতেপুর স্কুল থেকেকোচিং র্ক‌েছেগেছেন ০৭-১২-২০০০
এ.এস.সি.
মোঃ শামসুজ্জামানভিটি-বিষাড়াআমার সাথে ১৯৬৫-৬৬ সালেঢাকাতে বসবাস এবং
জামান(ঝন্টু) নবীনগর স্কুলকোচিং র্ক‌েছেব্যবসা করে
থেকে এস.এস.সি

আমার চাওয়া পাওয়া-

আমি যা ভাবি তা' করতে পারি না, যা করি তা' ভাবি না। প্রতিদিন বিবেকের সাথে লড়াই করতে করতে হেরে যাই। প্রতিদিন এভাবে বিবেকের সাথে হারতে থাকলে আমার কি কোন সত্ত্বা থাকে? আমার কাছে একটা জিনিষ স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, একটা সমাজব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে মানুষের চিন্তা-চেতনা বা চরিত্র গড়ে উঠে। আর যারা চাকুরী করে তাঁদের অধিকাংশেরই বিবেক বলতে কিছুই থাকে না। তার উপরওয়ালা যা বলে তা করতে হয় প্রতি মুহূর্তে-এর বাইরে কিছু করতে চাইলে তার চাকুরী থাকে না বা প্রমোশন হবে না। তার ওপরের বস যদি তাকে ভাল বলে তাহলে সে ভাল নতুবা ভাল না। এ সমাজে কাজের বিচার হয় না, বিচার হয় তার বসের কতটুকো মন রক্ষা করতে পারলো। বাংলাদেশের শ্রমজীবী মানুষ কেউ কাকে বিশ্বাস করে না। পুঁজিবাদী সমাজে বিশ্বাস বলতে কিছু নেই। কাজ দিয়ে বিচার করতে হয়। একবার একটা লোক যদি বিশ্বাস ভঙ্গ করে ফেলে, তাকে আর বিশ্বাস করা যায় না। অনেকে বাধ্য হয় বিশ্বাস ভঙ্গ করতে। তা'প্রমাণ করতে পারলে তাকে ক্ষমা করা যায়, একবার কি দু'বার, তিনবারের মাথায় নয়। আমি যা করতে চাই তা'করতে পারলে আমার স্বাধীনতা আছে বা আমি স্বাধীন মানুষ। কিন্তু আমার কাজ এমন হবে না যা অপরের জন্য ক্ষতিকর হয়। আমি পৃথিবীতে দ্বিতীয়বার আর আসবো না।

চাকুরী করা চাকর খাটার সমান। কেউ বড় চাকর, কেউ ছোট চাকর। আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ যা বলে তা করে না, আর যা করে তা'বলে না। আমিও আমার জীবনের সাথে আপস করে করে এ পর্যন্ত এসেছি। এভাবে চলতে থাকলে আমার দ্বারা এ পৃথিবীতে কিছু হবে বলে মনে হয় না। আর কিছু করতে হলে প্রথমে লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। যার শত্রু নেই তার কোন মিত্রও নেই। যার শত্রু আছে তার মিত্রও আছে। সমাজে সৎ এবং অসতের লড়াই চলে। আর জোর যার মুল্লুক তার। সরকার নির্ধািরত বেতন কাঠামোর সুযোগ-সুবিধার মধ্যে সৎভাবে চাকুরী করলে সম্পদের মালিক হওয়া যায় না। আমাদের দেশে সৎভাবে সম্পদের মালিক হওয়া কঠিন কাজ। সমাজের কিছু মানুষের লক্ষ্য একই, কিভাবে সম্পদের মালিক হওয়া যায়। কিভাবে ভবিষ্যৎ সুন্দর করা যায়। সমাজে অবৈধভাবে সম্পদের মালিক হওয়ার জন্য জোর প্রতিযোগিতা চলছে। সম্পদের মালিক হতে হলে ক্ষমতার অধিকারী হতে হবে। রাজনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী হলে সহজে সম্পদের মালিক হওয়া যায়। আমাদের দেশের শতকরা ৯৫ ভাগ মানুষ গরীব ও শোষিত। তাদের কিছু করার ক্ষমতা নেই। আমাদের দেশের কিছু লোকের নিকট সম্পদ জমা হচ্ছে। আর সমগ্র দেশের মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার গ্যারান্টি নেই। যে সম্পদ মানুষের উন্নয়নের কাজে লাগানো হয়না-সে সম্পদ দেশে অপচয় বাড়ায় এবং সাধারণ মানুষের জীবন-মানের অবনতি ঘটায়। এদেশে কিছু মানুষের ভোগবিলাসের সীমাপরিসীমা নেই। আর অন্যদিকে শতকরা ৯৫ ভাগ মানুষ চরম দুঃখ দারিদ্রের মধ্যে বসবাস করছে। তাদের ভবিষ্যত বলতে কিছু নেই। এক মানুষ আরেক মানুষের উন্নতিতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সমাজে বৈধভাবে সম্পদের মালিক হওয়া যায় না। শ্রমজীবী মানুষ নিজেকে চালাক মনে করে। আসলে আমাদের সমাজের বেশীর ভাগ মানুষই বোকা। কিন্তু দেশের বেশীরভাগ মানুষকে সব সময়ের জন্য বোকা রাখা যাবে না। আমার বিশ্বাস এক সময় দেশের ৯৫ ভাগ মানুষ জেগে উঠবে।

আমার ছোট সময়ের স্মৃতিগুলি মনে হয় বারবার। মরতে চাইনা তবু মরতে হবে। চিরন্তন বলে কোন কিছু নেই, সবকিছুই রূপান্তর। সমাজের নিয়ম হলো উৎপাদন ও পুনঃউৎপাদন। নিরপেক্ষ বলতে কোন বস্তু নেই এ পৃথিবীতে এবং ৫০(পঞ্চাশ), ৫০(পঞ্চাশ) বলতে কোন বস্তু নেই, ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং তা প্রমাণ করেছে। আমি কিছু একটা করতে চাই। কিন্তু কী করব তা স্পষ্ট করে বলতে পারি না। রাজনীতি করা মহান কাজ। যদি সাম্যের রাজনীতি হয়। সকল শ্রমজীবী মানুষের মুক্তির লক্ষ্যে রাজনীতি করা মহান কাজ। মানুষের মাঝে সাম্য আনা শ্রেষ্ঠ কাজ। আমার মাঝে এ দেশের আসল চিত্রগুলি বারবার ভেসে উঠে। গ্রাম এবং শহরের গরীব মানুষের মুখের দিকে লক্ষ্য করলে বুঝতে পারি তাদের চাহিদা কি। তাদের চাহিদা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা-এর বেশী কিছু নয়। আমাদের দেশে যে সম্পদ আছে তাদিয়ে বাংলাদেশের ১৭(সতের) কোটি মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা-এ সব মৌলিক চাহিদার গ্যারান্টি দেয়া যায়। তখনই আমাদের দেশের প্রত্যেক মানুষ প্রকৃত অর্থে স্বাধীন হবে। নতুবা মুক্তিযুদ্ধের অর্থ বা এ স্বাধীনতার অর্থ ফাঁকাবুলি ছাড়া আর কিছু নয়। প্রত্যেকটা মানুষের উন্নয়ন মানে দেশের উন্নয়ন। কোন বিষয়ই বিচ্ছিন্ন নয়। আমাদের গ্রামের উন্নয়ন হতে হলে আমাদের ইউনিয়নের উন্নয়ন হতে হবে, আমাদের ইউনিয়নের উন্নয়ন হতে হলে আমাদের উপজেলার উন্নয়ন হতে হবে, আমাদের উপজেলার উন্নয়ন হতে হলে আমাদের জেলার উন্নয়ন হতে হবে, আমাদের জেলার উন্নয়ন হতে হলে আমাদের বিভাগের উন্নয়ন হতে হবে, আমাদের বিভাগের উন্নয়ন হতে হলে বাংলাদেশের উন্নয়ন হতে হবে নতুবা কিছুই সম্ভব নয়। বাংলাদেশ পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। তবু বাংলাদেশের একটি আলাদা বর্ডার বা সীমানা আছে। এ সীমানা বাংলাদেশকে পৃথিবী থেকে আলাদা রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। রাষ্ট্র হওয়ার কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি অন্য রাষ্ট্র থেকে আলাদা। আর যতদিন পৃথিবীতে শোষণ টিকে থাকবে, ততদিন রাষ্ট্রের অবসান হবে না। আমরা মায়ের পেট থেকে কেউ সম্পদ নিয়ে আসিনি। শ্রমজীবী মানুষের উৎপাদিত সম্পদ শোষণ আর অসম বিনিময়ের মাধ্যমে বুর্জোয়ারা তার মালিক হয়েছে। যে যায়গায় মানুষ আছে-সে যায়গায় খাদ্য আছে। যে যায়গায় খাদ্য আছে-সে যায়গায় মানুষ আছে। বেশীরভাগ মানুষ বলে খাদ্যের অভাবে মানুষগুলো মারা যাচ্ছে, আসলেই কি কথাটা তাই? যদি খাদ্যের অভাবে মানুষগুলো মারা যেত-তা'হলে সবগুলো মানুষই মারা যেত। আসলে কথাটা হবে ক্রয়-ক্ষমতার অভাবে মানুষগুলো মারা যাচ্ছে। ক্রয়-ক্ষমতা নাই কেন? কিছু মানুষ দ্বারা ব্যাপক মানুষ নিয়ন্ত্রিত হয় বলে। ধনীরা ইচ্ছাকৃতভাবে সৃষ্টি করে দুর্ভিক্ষ। সম্পদের সুষম বন্টন করা হলে-কেউ না খেয়ে মারা যেতো না। বর্তমান সমাজব্যবস্থায় যা কিছু হয়-সবকিছুর জন্য দায়ী ধনীরা। ধনীদের অপচয় বন্ধ করতে পারলে এ দেশে কেউ অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা এবং শিক্ষার অভাবে মৃত্যুবরণ করতো না বা কাজের আশায় কাউকে আজ বিদেশে যেতে হতো না বা কেউ এদেশে বেকার থাকত না। ধনীরা ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেদের ভোগবিলাসের জন্য গরীবদের শাসন-শোষণ করছে। এ অন্যায় বৈষম্য যারা সৃষ্টি করেছে তারা অপরাধী। স্বার্থপর শাসক ও বিলাসী ধনীদের সৃষ্টি এ বৈষম্য মেনে নেওয়াও এক ধরনের অপরাধ। এ অন্যায় বৈষম্য দূর করাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। বেশীরভাগ মানুষ বলে যে, দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসলে দেশ শান্তির পথে চলবে কিন্তু আমি বলি যে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসার পূর্বশর্ত হল মানুষের অর্থৈনতিক মুক্তি। মানুষের অর্থৈনতিক মুক্তি না আসলে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাও আসবে না।

মো: জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর, ডেপুটি রেজিস্ট্রার(অবসর), ঢাকা বিশ্ববিদালয়। গ্রাম-ভেলানগর(বড়বাড়ি)।

ছবি:

মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর)-এর জন্ম ১ নভেম্বর, ১৯৪৮ সালে নানারবাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার আহমদপুর চৌধুরীবাড়িতে। শৈশব কেটেছে দাদারবাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভেলানগর বড়বাড়িতে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র। এস.এস.সি. পাশের পর কুমিলা ভিক্টোরিয়া কলেজে-এ ভর্তি হয়ে পড়া-লেখা করা হয়নি। ঢাকায় আসেন ১৯৬৬-তে।

১৯৬৯ সালের গণ-আন্দোলন-এ অংশগ্রহণ করেন। প্রায় প্রতিদিন মিটিং-মিছিলে অংশগ্রহণ ও ভাসানী ন্যাপের রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হওয়া এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করেন। তারপর ১৯৭৯ সাল থেকে জনমুক্তি পার্টির বক্তব্যের সাথে একমত। ২০০২ সালে জীবনে প্রথম রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী সমিতি'র বার্ষিক স্মরণিকাতে ২টি লেখা ছাপা হয় তারপর ২০০৩ সালে জিয়ান বড়বাড়ি প্রকাশনীর মাধ্যমে ''ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি ও দেশ-বিদেশের তথ্য'' এবং ২০০৫ সালের ২৫ মার্চ, রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯০-বছর পূর্তির স্মরণিকাতে দুটি লেখা ছাপা হয় এবং দ্বিতীয়বার ২০১৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর, রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০০-বছর পূর্তির স্মরণিকাতে দুটি লেখা ছাপা হয়। ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারিতে জাকির হুসেন(আলমগীর) আর্থ-সামাজিক গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা। এ গবেষণা কেন্দ্রের মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা-পর্যােলাচনা ও গবেষণা করা হয়। পৃথিবীর ২৩৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থা বা পৃথিবীর ২০০ জাতির মধ্যে বাংলাদেশের স্থান কোন যায়গায়। পৃথিবীর লোকসংখ্যার ৪৪ ভাগের ১ ভাগ লোক বাংলাদেশে বাস করে। পৃথিবীতে লোকসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থা ৮ম স্থানে এবং অর্থনীতির আকারে ৩২তম স্থানে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কিভাবে উজ্জ্বল করা যায়। এ ধরনের গবেষণা করা হয়। (১) ১৭৮০-২০০৩ সাল পর্যন্ত ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি ও দেশ-বিদেশের তথ্য (২) ১৮০৬-২০০৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর, জিয়ান বড়বাড়ি প্রকাশনীর মাধ্যমে ''আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি ও চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন'' (৩) ''আমার দেখা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৮-২০০৮)-এ বইটিও প্রকাশিত (৪) ২০১০ সালের ৩০ এপ্রিল, ''ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি(১৭৮০-২০১০)''-এর দ্বিতীয় সংস্করণটিও প্রকাশিত (৫) ১৭৫৭-১৯৭১ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলে এ দেশে কয়টি মাদ্রাসা, উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে-নাম, সন তারিখ দিয়ে একটি বই রচনা করা হয়েছে এবং এ বইটি আমার ৫ নম্বর বই। (৬) ''দেশ-বিদেশের স্মরণীয় কিছু লোকের নাম জন্ম ও মৃত্যুর কথা'' এ বইটি আমার ৬ নম্বর বই। (৭) 'ভেলানগর গ্রামের ইতিহাস' (১৭৪০-২০১৩) এ বইটি আমার ৭ নম্বর বই (৮) ১৭৪০-২০১৫ সালের জুলাই মাসে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তথ্যাবলী (৯) বাংলাদেশের কিছু কিছু ঘটনা ও তথ্য-এ বইটি আমার ৯ নম্বর বই (১০) 'বিশ্ব ও দেশ-বিদেশের তথ্য'-এ বইটি আমার ১০ নম্বর বই (১১) এ পৃথিবীর আমার চেনা-জানা মানুষ-এ বইটি আমার ১১ নম্বর বই (১২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১-২০১৫ সাল পর্যন্ত আমার দেখা ১৯৬৮ সাল থেকে-এ বইটি আমার ১২ নম্বর বই। (১৩) খেয়া পত্রিকার কিছু লেখার সংকলণ দিয়ে একটি বই রচনার কাজ চলছে (১৪) আমার দেখা ঢাকা শহর-এ বইটিরও কাজ চলছে ও (১৫) মোঃ জাকির হুসেন আলমগীরের আত্মজীবনী-এ বইটিরও কাজ চলছে। তাঁর স্বপ্ন বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা এবং শ্রমজীবী মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার গ্যারান্টি দেয়া। এর বেশি কিছু তাঁর চাওয়া-পাওয়া নেই।