‹ ভেলানগর গ্রামের ইতিহাস অংশ ১০১ / ১১৫
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কত লোক অপুষ্টিতেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে শতকরা ৭০ ভাগ লোক অপুষ্টিতে ভোগে
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে শতকরা ৭০ ভাগ লোক দারিদ্রসীমার নীচে বাস করেসরকারী হিসেব
কতভাগ লোক দারিদ্রসীমার নীচে বাসঅনুসারে যারা গ্রামে বাস করে তাদের প্রতিজনের মাসিক আয়-৬০০/-টাকা এবং যারা শহরে বাস করে তাদের মধ্যে প্রতিজনের
মাসিক আয়-৯০০/-টাকা খরচ করে তারাও দারিদ্রসীমার নীচে বাস করে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় কতজন মানুষ অনাহারে রাতবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ ২০(বিশ) হাজার
কাটায়মানুষ অনাহারে রাত কাটায়
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত কতভাগ লোকবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে
ডায়াবেটিক রোগে আক্রান্ততাদেরসহ শতকরা ৫ ভাগ মানুষ ডায়াবেটিক রোগে আক্রান্ত
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক উচ্চবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে
রক্তচাপের শিকারতাদেরসহ শতকরা ১৫ ভাগ মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক নিম্নবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে
রক্তচাপের শিকারতাদেরসহ শতকরা ২৫ ভাগ মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত কতভাগ লোকবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে
আয়োডিন সমস্যায় ভূগছেতাদেরসহ শতকরা ০৫ ভাগ মানুষ আয়োডিন সমস্যায় ভূগছে
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোকবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে
মাদকাসক্ততাদেরসহ শতকরা ৩ ভাগ মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোকবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে
প্রতিবন্ধীতাদেরসহ শতকরা ৪ ভাগ মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক গলগন্ডবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে
রোগে ভুগছেতাদেরসহ শতকরা ৫ ভাগ মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোকবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে
এ্যাজমা রোগীতাদেরসহ শতকরা ৫ ভাগ মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ ৫ থেকে ১৫বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে
বছর বয়সী শিশু কোন না কোন অর্থৈনতিক কর্মকান্ডেতাঁদেরসহ শতকরা ১০ ভাগ (৫ থেকে ১৫) বছর বয়সী শিশু কোন না কোন অর্থৈনতিক কর্মকান্ডে জড়িত আছে
জড়িত রয়েছে
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোকবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে
আশ্রয়হীনতাদেরসহ শতকরা ১০ ভাগ মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোকবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে
ধনুষ্টঙ্কারে মারা যায়তাদেরসহ শতকরা ০.৫ ভাগ মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোকবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে
ধুমপানের কারণে মারা যায়তাদেরসহ শতকরা ১০ ভাগ মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোকবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ
মৃগী রোগীশতকরা ০.৫ ভাগ মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোকবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে
কুষ্ঠ রোগীতাদেরসহ শতকরা ০.৫ ভাগ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক নদী-নালা ও পুকুরের পানিবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে শতকরা ২০ ভাগ মানুষ
ব্যবহার করে
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত প্রতিজন লোক কিবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে
পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহার করেতাদেরসহ প্রতিজন মানুষ ৫০ কেজি জ্বালানি ব্যবহার করে
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোকবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে
উপযুক্ত স্বাস্থ্য সেবার সুযোগ পাচ্ছে নাতাদেরসহ শতকরা ৮০ ভাগ মানুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগ লোক এম.বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে
বি. বি. এস. ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে পারেতাদেরসহ শতকরা ২০ ভাগ মানুষ এম.বি.বি.এস. ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে পারে
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত যাবতীয়বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ
কাজের কতভাগ মহিলারা করেশতকরা ৬৩ ভাগ কাজ করে মহিলারা
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত যাবতীয়বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ
কাজের কতভাগ পুরুষরা করেশতকরা ৩৭ ভাগ কাজ করে পুরুষরা
২০১৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কতভাগ লোক বিভিন্ন রোগেরবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে
কারণে কানে কম শোনেতাদেরসহ শতকরা ১০ ভাগ লোক কানে কম শোনে
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ
লোক যক্ষায় আক্রান্তশতকরা ৩০ ভাগ মানুষ যক্ষায় আক্রান্ত
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্ত কতভাগবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ
লোক মানসিক রোগীপ্রাপ্তবয়স্কদের ১৬ শতাংশ মানসিক রোগীজরিফের ফলাফলে বলা হচ্ছে ১৯ শতাংশ নারী এবং ১৩ শতাংশ পুরুষ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫ম, ৬ষ্ঠ,বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ ৮ম
৭ম ও ৮ম পুরুষ শিক্ষিত কয়টি পরিবারপুরুষ শিক্ষিত পরিবার ৫টি পরিবার৭ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ১৩টি পরিবার ও ৬ষ্ঠ পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ৩৭টি পাওয়া
গেছে এবং ৫ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার মাত্র ৪৯টি পাওয়া গেছে
বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজ-এর প্রথম নির্বািচতবাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজের প্রথম নির্বািচত ছাত্র-সংগঠনের প্রথম নির্বাচনে (১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে) প্রথম নির্বািচত ভি.পি.
ছাত্র-সংগঠনের ভি.পি. কেহলেন এ. কে. এম. মুসামুসার জন্ম-১৫-০৩-১৯৬০ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে প্রথম মহিলাদুর্গারামপুর গ্রামের শিল্পপতি জনাব আহমেদ আকবর সোবহান (শাহ আলম) সাহেবের মায়ের নামে (মোসাম্মৎ উল্মে
মহাবিদ্যালয়টি কার নামে হবেকুলসুম মহিলা মহাবিদ্যালয়)টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার নদী ও নদীদ্বারাবাঞ্ছারামপুর উপজেলার পূর্ব-উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ সীমানা তিতাস নদীদ্বারা বেষ্টিত এবং মেঘনা নদীদ্বারা এ থানার পশ্চিম-উত্তর
সীমারেখাও পশ্চিম দিক পর্যন্ত
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামে ভাটরাজারা বাস করতোনান্দরা গ্রামের উঁচু ভূমিতে ভাটরাজারা বাস করতো
বাঞ্ছারামপুর উপজেলারআকানগর, বলদাখাল পরগনার জমিদার আকা সাদেকের নামে আকানগর গ্রামের নামকরণ করা হয়আকা সাদেক তুর্কি মুসলমান ছিলেনআকা সাদেক
প্রথম গ্রাম কোনটিবলদাখাল বা বরদাখাত পরগনার জমিদার ছিলেনবাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র অঞ্চল, নবীনগর উপজেলার সমগ্র অঞ্চল, মুরাদনগর উপজেলার সমগ্র অঞ্চল
এবং দেবীদ্বার উপজেলার আংশিক নিয়ে বলদাখাল পরগনা গঠিত ছিলএ পরগনার আয়তন হলো ৩৮৬ বর্গমাইলআকা সাদেক হলো আকা বাকেরের
নাতির ঘরের ছেলেআকা বাকেরের নামে নিজে ঢাকাতে বাকরখানী রুটির নাম প্রবর্তন করেন
বাঞ্ছারামপুর উপজেলারভেলানগর, মির্যা ইব্রাহিম বেগ ওরফে মির্যা ভেলার নামে ভেলানগর গ্রামের নামকরণ করা হয়মির্যা ভেলা হলো আকা সাদেকের বড় পুত্রমির্যা
দ্বিতীয় গ্রাম কোনটিভেলাও বলদাখাল পরগনার জমিদার ছিলেনমির্যা ভেলা হলেন আকা বাকেরের নাতির ঘরের নাতিমির্যা ভেলার নাতিনের ঘরের নাতিন জামাই হলেন
শের-এ-বাংলা এ.কে.ফজলুল হক ও হাসান শহীদ সরওয়ার্দীশের-এ-বাংলা এ.কে.ফজলুল হক ও হাসান শহীদ সরওয়ার্দীর শ্যালক ড. সৈয়দ হোসেনড.
সৈয়দ হোসেন হলো ভারতবর্ষের এক সময়ের দৈনিক ইংরেজী পত্রিকার প্রখ্যাত সাংবাদিকড. সৈয়দ হোসেন-এর আরেকটি পরিচয় হলো পন্ডিত মতিলাল
নেহরুর মেয়ে বিজয় লক্ষী পন্ডিতকে বিয়ে করেছিলেন ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে এলাহাবাদ শহরে মুসলমান শরীয়তমতে ৫ জন স্বাক্ষীর মাধ্যমে মাওলানা শওকত
আলীর নেতৃত্বেএ বিজয় লক্ষী পন্ডিত(এর জন্ম-১৯০০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে) হলেন পন্ডিত জওহরলাল নেহরুর বোনড. সৈয়দ হোসেন
মিসেস ইন্দিরা গান্ধীর ঢাকাইয়া ফুফা ছিলেনড. সৈয়দ হোসেন-এর জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, কায়রোতে মৃত্যু-১৯৪৯ বা ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দেকায়রোতে
ড. সৈয়দ হোসেন স্বাধীন ভারতের প্রথম রাষ্ট্রদূত ছিলেন
তৃতীয় গ্রাম কোনটিদরিভেলানগর
৪র্থ গ্রাম কোনটিমধ্যনগর
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে লম্বাফরদাবাদ গ্রামটিদৈর্ঘ প্রায় ৪(চার) মাইলফরদাবাদ গ্রামটি উত্তর দিকে গকুলনগর গ্রামের সাথে এবং দক্ষিণমূখী হয়ে
গ্রাম কোনটিগ্রামটি আবার তিতাস নদীর পাড় ঘেসে পশ্চিমদিকে জুনারচর গ্রামের সাথে মিলেছে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে কম লম্বা গ্রামনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের ডোমরাকান্দি গ্রামের উত্তর-পশ্চিম
কোনটিপাশ্র্বের ''মঙ্গলকান্দি'' গ্রামটি
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশী লোক কোন গ্রামেনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর)-এর জানামতে রূপসদী গ্রামে প্রায় ১৭,০০০(সতের হাজার) লোক বাস
বাসকরে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে কম লোকনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের ডোমরাকান্দি গ্রামের উত্তর-পশ্চিম পাশ্র্বের
কোন গ্রামে বাস''মঙ্গলকান্দি'' গ্রামে কম লোক বাস করেপ্রায় ১৫০(একশত পঞ্চাশ) জন
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামে সবচেয়েপ্রায় ৩২টি মসজিদ আছে ফরদাবাদ গ্রামেএ তথ্য ২৬-১২-২০০৭ তারিখ১২-১০-২০১২ তারিখের তথ্য হল ৪০টি মসজিদ
বেশি মসজিদআছে-আবদুল হামিদ
কোন গ্রামে সবচেয়ে বড় বিলটির অবস্থানবাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামের সুবিশাল বারিয়াদরের বিল
কোন গ্রামে সবচেয়ে ছোট বিলটির অবস্থানবাঞ্ছারামপুর উপজেলার দরিকান্দি গ্রামের ইমামনগরের আড়াইল্যার বিলটি সবচেয়ে ছোট বিল হিসেবে পরিচিতি লাভ করে
বিলটির আয়তন ১০ বিঘা
উপজেলার প্রথম মাষ্টার মুসলমানের মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের কাজী লাল মিঞা মাষ্টারউনার জন্ম-১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে
উপজেলার দ্বিতীয় মাষ্টার মুসলমানের মধ্যেভেলানগর গ্রামের মোহাম্মদ ইব্রাহিম মাষ্টারউনার জন্ম-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে
উপজেলার মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের জনাব নৈমদ্দিন পন্ডিতউনার জন্ম-১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেইঢাকার নবাব বাড়ীতে থেকে লেখাপড়া করেছে এবং নিজের
পন্ডিত ছিলেনচোখে সিপাই বিপস্নব দেখেছে বলেছে, জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার বাবা জনাব এমদাদ আলী মিঞার নিকটএমদাদ আলীর জন্ম-১৮৭১
খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২৫-১০-১৯৬৫ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম দলিল লেখকদুর্গারামপুর গ্রামের মুন্সি মোঃ আমিনুদ্দিনউনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯...বাঞ্ছারামপুর গ্রামের
আরো একজন হলেন মুন্সি হাসান আলী
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের মরহুম নওয়াব আলী মৌলভী সাহেবের বড় ছেলে মরহুম কাজী মধু মিঞা-১৯২০ সাল থেকে কাজী হিসেবে
কাজী (বিবাহ-নিবন্ধনকরণ)ম্যারিজ-রেজিস্ট্রার ছিলেনউনার জন্ম-১৮৯২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯...মায়ারামপুর গ্রামের কাজী মাওলানা মোঃ সিরাজুল ইসলাম,
১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে সরকারী কাজী হিসেবে ম্যারিজ-রেজিস্ট্রার ছিলেন
এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম দোকানদারউজানচর বাজারে উজানচর গ্রামের মোহাম্মদ কামালউদ্দিন খাঁ, ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে দোকান দেনউনার জন্ম-১৮৮৫
খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫০ খ্রিঃ
এ থানার মুসলমানের মধ্যে দ্বিতীয় দোকানদারবালুয়াকান্দি বাজারে ভেলানগর গ্রামের মোহাম্মদ ওয়ালী সওদাগর, ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে দোকান দেনউনার জন্ম-১৮৯৮
খ্রি. মৃত্যু-১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে
বালুয়াকান্দি বাজারের মধ্যে প্রথমরূপসদী খানেপাড়ার স্বর্গীয় রাধাচরণ সাহাউনার জন্ম-১৮৮০ খ্রিষ্টাব্দে, পরলোগমণ-১২-০১-১৯৭৪
দোকানদার
এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম শহরবাসীখাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীনউনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে (কলকাতা মেডিকেল হাসপাতালে
স্ত্রী, এক মেয়ে ও ছেলে রেখে)
এ থানার মুসলমানের মধ্যেমুন্সেফ নাসির-উদ-দীন মুনশিউনার জন্ম-১৭৩০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮০০ খ্রিষ্টাব্দেনাসির-উদ-দীন মুনশির বড় ছেলে শমসের উদ-দীন
দরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুলমুনশিউনার জন্ম-১৭৫৯ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেইশমসের উদ-দীন মুনশির বড় ছেলে ফসিহ উদ-দীন মিঞাউনার জন্ম-১৭৮৮
কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ারখ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেইফসিহ উদ-দীন মিঞার বড় ছেলে গোলাম রসুল মিঞাউনার জন্ম-১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৭৩ খ্রিষ্টাবে
পরিবারটি ৮ম পুরুষ শিক্ষিতগোলাম রসুল মিঞার বড় ছেলে আবদুল গফুর মিঞাউনার জন্ম-১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দেউনার ছোট ভাই ইমদাদ আলী মিঞাউনার জন্ম-১৮৭১
খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দেইমদাদ আলী মিঞা হলো-জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার পিতাইমদাদ আলী মিঞার ছেলে
আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার জন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখ মারা গেছেন বাধ্যর্কজণিক কারণে শমরিতা হাসপাতালে ২৪-০২-২০১৬