মালিক মোঃ শাহনূর (শ্যামল),বাংলাদেশ ছাত্র লীগের সাথে জড়িত ছিল
মোঃ আবদুল কাইয়ূম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত ছিল
মোঃ জিয়াউদ্দিন আহমদ (বায়েস) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সাথে জড়িত
মোহাম্মদ সহিদুর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে জড়িত
মোঃ শাহেদ আলী (ইকবাল/খবির), বি.এন.পি. রাজনীতির সাথে জড়িত
মোঃ কামালউদ্দিন (সাক্কু), বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে জড়িত
মোঃ আলম কাকা, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে জড়িত
মোঃ হুমায়ূন কবির, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে জড়িত
মোঃ কালন মেম্বার, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে জড়িত
মোঃ শাহ আলম (দুলাল), বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে জড়িত
মোঃ ফুল মিয়া, বি.এন.পি. রাজনীতির সাথে জড়িত
মোঃ সালেহ-মাসুদ, বি.এন.পি. রাজনীতির সাথে জড়িত
মোঃ ইদ্রিস আলী, বি.এন.পি. রাজনীতির সাথে জড়িত
মোঃ ইকবাল হোসেন, আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত
মোঃ আলী আকবর (মুনশি), আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত
আবদুল হক (হক সাব), বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর সাথে জড়িত ও সাবেক ভি. পি. তেঁজগাও পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটের
মোঃ শমিররুজ্জামান(মিশর), বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের আহসানউল্লাহ হলের ভি. পি. এবং বাংলাদেশ ছাএলীগের সাথে জড়িত ছিল
মোঃ রুহুল আমীন(আলাউল), আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত
মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর), শ্রমজীবী মানুষের রাজনীতির সাথে জড়িত

। ভেলানগর বড়বাড়ির মেয়েরা শহরে যারা চাকুরীতে যোগদান করেছেন তাদের নামের তালিকা:।

মরহুমা মিসেস আয়শা আক্তার (দুলারী)-১৯৬৪ সাল থেকে চাকুরী করেছিল
মিসেস রেহানা খাতুন-১৯৭৮ সাল থেকে চাকুরী করছেন
মিসেস সাকিনা ইয়াসমিন-১৯৮৫ সাল থেকে
মিসেস মুনমুন-১৯৯৪ সাল থেকে
মিসেস কুমকুম-১৯৯৫ সাল থেকে
মিসেস নাজমা বেগম, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে চাকুরী করছে, মিরপুর, ঢাকা

।ভেলানগর বড়বাড়ির বউদের মধ্যে যারা চাকুরীতে যোগদান করেছেন তাঁদের নামের তালিকা:।

মিসেস সৈয়দা শামসুন নাহার বেগম-এ বংশের প্রথম ১৯৭৭ থেকে-
মিসেস জানু বেগম-স্বামী-এ. কে. এম. আবদুল হাকিম
মিসেস তৌফিকা ইয়াছমিন বিয়ের পর চাকুরী ছেড়ে দিয়েছেন, স্বামী-মোঃ শাহাদৎ হোসেন (জাহাঙ্গীর)
মিসেস মাহমুদা আলম-স্বামী-মালিক মোঃ শাহনূর (শ্যামল)
মিসেস ফিরোজা বেগম (মিনু), স্বামী-এ. বি. সিদ্দিকুর রহমান (মানিক)
শামসুন নাহার বেগম (দুলনা),স্বামী-মোঃ ফরহাদ মিঞা
মিসেস বিলকিছ মেগম, স্বামী-মোঃ সাহেদ আলী (ইকবাল)
মিসেস মেহেরুন্নেছা,বি. এ.(শিক্ষকতা)-স্বামী-মোঃ জয়নাল আবেদীন (মুকুল)
মিসেস তাহমিনা আক্তার (আনার কলি), বি. এ.,স্বামী-মোঃ শওকত আলী
মিসেস মিনু আরা বেগম, বি. এ. (শিক্ষকতা)-স্বামী-রতন মিঞা
মিসেস আফরোজা ইয়াসমিন (মীরা), এম.এ. (শিক্ষকতা)-স্বামী-মোঃ জামিরুল হক
তাসলিমা আক্তার, শিক্ষকতা সরকারী প্রাইমারী স্কুল(পিতা-মিলন মিয়া)
মিসেস নিলু বেগমে, পরিবার পরিকল্পনায় চাকরি করে; স্বামী-মোঃ কাওসারউদ্দিন

।নবম পুরুষ-এরমধ্যে একটিমাত্র পরিবারের লোকজন ৬ষ্ঠ পুরুষ পর্যন্ত শিক্ষিত।

(১) মুনশি মোহাম্মদ ইউসুফ আলীইউসুফ আলীর ছেলে (২) মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলীহায়দর আলীর ছেলে (৩) মুনশি মোঃ জিন্নত আলী (কান্দু মিঞা)কান্দু মিঞার
ছেলে (৪) মোঃ আজহারুল হক (নসু মিঞা)নসু মিঞার ছেলে (৫) মোঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ (বায়েস)বায়েস-এর ছেলে-মেয়েরা-(৬) (ক) মোঃ রাকিব আহম্মদ (রাকু) (খ)
মোঃ হায়দর আহম্মদ রাজীব (রিংকু) ও (গ) মিসেস হুমায়ারা আক্তার (সুমি)

।নবম পুরুষের মধ্যে দুইটিমাত্র পরিবারের লোকজন ৫ম পুরুষ পর্যন্ত শিক্ষিত:।

(১) মুনশি মোহাম্মদ আসব আলীমুনশি মোহাম্মদ আসব আলীর ছেলে (২) মোহাম্মদ আবদুল গণি মুনশিমোহাম্মদ আবদুল গণি মুনশির ছেলে (৩) মুনশি মোঃ আবদুল
খালেক আমীনমুনশি মোঃ আবদুল খালেক আমীনের ছেলে (৪) মোহাম্মদ শাহজাহান মিঞামোহাম্মদ শাহজাহান মিঞার ছেলে (৫) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন
(১) মুনশি মোহাম্মদ ইউসুফ আলীমুনশি মোহাম্মদ ইউসুফ আলীর ছেলে (২) মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলীমুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলীর ছেলে (৩) মৌলভী আবদুস
সোবহান মাষ্টারমৌলভী আবদুস সোবহান মাষ্টারের ছেলে (৪) মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর মেয়ে-ছেলের নাম (৫) মিসেস তানিয়া ও
আবির হোসেন (জিয়ান)

।আমাদের বংশে গ্রাম ও শহরে কয়েকটি পরিবারের লোক ব্যবসার সাথে জড়িত:।

মোঃ হুমায়ূন মিঞা, ঢাকার মালীবাগে টেইলারিং-এর দোকান চালায়
মোঃ ইকবাল হোসেন, রেডিমেট কাপড়ের সাপস্নাইয়ের এবং নিজে রেডিমেট কাপড়ের দোকান চালায়
মোঃ কামাল উদ্দিন (সাক্কু) ঠিকাধারী ব্যবসার সাথে জড়িত এবং তারই ছোট ভাই মোঃ শাহ আলম (দুলাল) নাটকের সাথে জড়িত
মোঃ মোস্তফা
মোঃ ফরেন মিঞা গ্রামের নিজ বাড়ির নিকট-ঔষধের ফার্মেসী দিয়েছে
মোঃ কাউসার কলেজে শিক্ষকতা করার পরও রূপসদী বাজারে এল.পি. গ্যাস ও একটি এন.জি.ও. চালায়
মোঃ শাহীন মিঞা-নিজ বাড়িতে দোতালা বিল্ডিং-এর নিচের তলাতে একটি দোকান দিয়েছে
মোঃ সায়েদ আলী(ইকবাল), ঠিকাধারী ব্যবসার সাথে জড়িত এবং তার সাথে তার ছোট ভাই মনি
মোঃ রোকন মিঞা, ভেলানগরের শেষ মাথায় একটি মুদির দোকান চালায়
মোঃ সায়েদ আলী, ঢাকাতে বিদেশী কাপড়ের ব্যবসা করে
মোঃ সেলিম মিয়া, ঢাকাতে ব্যবসা করে
রূপসদী বাজারে মোঃ হুমায়ূন মিয়া একটি চাউলের দোকান পার্টনারশীপে চালায়
মোঃ ইদ্রিস মিঞা আমাদের এলাকার মধ্যে ডেকোরেশনের ব্যবসা করে
আবদুল হক, ঢাকাতে ব্যবসা করে
মোঃ এরশাদ মিঞা গ্রামের বাড়িতে একটি মুদির দোকান চালায়
শিশু মিঞা গ্রামের বাড়িতে একটি মুদির দোকান চালায়
গোলাম মহিউদ্দিন, ঢাকার মতিঝিলে কেমিকেলস-এর ব্যবসা করে
মোঃ যাকারিয়া বাল্লাকান্দি বাজারে একটি পান-সিগারেটের দোকান চালায়
মোঃ বিল্লাল হোসেন রূপসদী বাজারে এল.পি. গ্যাস ও একটি ছোটখাটো এন.জি.ও. চালায়
আবদুল মোমেন ঢাকাতে লোক রপ্তানীকারক ব্যবসা করে
মোঃ আলম কাকা গ্রামের বাড়িতে কৃষি কাজ ও ব্যবসা করে
মোঃ শাহ আলম কাকা ও তার ছেলে রূপসদী বাজারে একটি মুদির মালামালের দোকান ও চালের ব্যবসা করে
মোঃ ফেরদৌস লুঙ্গি কাপড়ের ব্যবসা করে
মোঃ ফোরণ সিজনাল ব্যবসা করে
মোঃ অরুণ মিয়া ফেরি করে গ্রামে গ্রামে রুটি-বিস্কুটের ব্যবসা করে
মোঃ দানু মিয়া বাল্লাকান্দি বাজারে কাঁচা মালের ব্যাবসা করে

আমাদের বংশের প্রথম ব্যক্তি জনাব মালিক মোঃ শাহনূর (শ্যামল) পররাষ্ট্র বিভাগে চাকুরী নিয়ে স্পেনে বাংলাদেশের অর্থৈনতিক মিনিষ্টার (যুগ্ম-সচিবের পদ-মর্যদা সম্পন্ন) পদে নিয়োজিত ছিলেন।

জনাব মোঃ জিয়াউদ্দিন আহমদ (বায়েস) প্রথম জীবনে গ্রামের বাড়ীতে ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল, তারপর শহরে এসে ষ্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়াতে চাকুরী করে, তারপর আবার চাকুরী ছেড়ে দিয়ে ব্যবসা আরম্ভ করে তারপর আবার বিদেশে চলে যায় তারপর আবার বিদেশ থেকে এসে বিদেশে লোক পাঠানোর ব্যবসা শুরু করে এবং বর্তমানে বি.এন.পি.'র রাজনীতির সাথে জড়িত আছে।

জনাব এ. কে. এম. আবদুল হাকিম ও মিসেস জানু বেগম ছেলে-মেয়েসহ আমেরিকাতে চলে যায় এবং সেখানে বসবাস করে।

মালিক মোঃ শাহনূর (শ্যামল) ও মিসেস মাহমুদা আলম ছেলে-মেয়েসহ কানাডাতে চলে যায় এবং সেখানে বসবাস করছে।

।ভেলানগর বড়বাড়ির ২৩২ বছরের (শহর ও বিদেশসহ) জন্ম-মৃত্যুসহ হিসাবঃ।

ছেলেমেয়েস্ত্রীমৃত্যুসর্বেমাট
১ম পুরুষ০০১ জন০০০ জন০০১ জন০০০২ জন০০০২ জন
২য় পুরুষ০০২ জন০০০ জন০০২ জন০০০৪ জন০০০৪ জন
৩য় পুরুষ০০৫ জন০০২ জন০০৫ জন০০১২ জন০০১২ জন
৪র্থ পুরুষ০১৩ জন০০৬ জন০২২ জন০০৪১ জন০০৪১ জন
৫ম পুরুষ০৪২ জন০৩১ জন০৬১ জন০১৩৩ জন০১৩৪ জন
৬ষ্ঠ পুরুষ১১৯ জন১১৪ জন১৩২ জন০২৩৫ জন০৩৬৫ জন
৭ম পুরুষ২৬১ জন২৫৩ জন১৯৮ জন০১৪৭ জন০৭১৪ জন
৮ম পুরুষ২৯০ জন২৬০ জন০৯২ জন০০৬৬ জন০৬৪২ জন
৯ম পুরুষ০৬৫ জন০৬৫ জন০০৩ জন০০০৮ জন০১৩৩ জন
১০ম পুরুষ০০১ জন০০০ জন০০০ জন০০০০ জন০০০১ জন
যোগফল৭৯১ জন৭২৯ জন৫১৪ জন০৬৪৯ জন২,০৫০ জন

।ভেলানগর বড়বাড়ির মোট জনসংখ্যা, জীবিত পুরুষ, মেয়ে ও স্ত্রীরসংখ্যা নিম্নের চার্টে:।

২০১২ সালের ৩০ অক্টোবর লোকসংখ্যাজীবিত লোকসংখ্যামৃত লোকসংখ্যাজীবিত ও মৃতসহ সর্বেমাট লোকসংখ্যা
পুরুষের সংখ্যা৫১৬ জন২৭৭ জন৭৯৩ জন
মেয়ের সংখ্যা৫২৪ জন২১৬ জন৭৪০ জন
স্ত্রীগণের সংখ্যা৩৬০ জন১৫৭ জন৫১৭ জন
সর্বেমাট১,৪০০ জন৬৫০ জন২,০৫০ জন
তালাকপ্রাপ্ত-৭৪ ও চলে গেছেন-৬ জন স্ত্রী৮০ জন বিয়োগ--
মোট জীবীত লোকসংখ্যা১,৩২০ জন
স্বামীর বাড়িতে থাকে-২৬৬ জন মেয়ে--
বড়বাড়ির জীবীত লোক১,০৫৪ জন লোক--

।২৩২(দুইশত বত্রিশ) বছরে জন্ম হয়েছে ভেলানগর বড়বাড়ির বংশে স্ত্রীসহ-২,০৫০(দুই হাজার পঁঞ্চাশ) জন, মৃত্যুবরণ করেছে ৩১-০৩-২০১৩ তারিখ পর্যন্ত-৬৫০(ছয়শত পঁঞ্চাশ) জন, জীবিত।

।আছে ১,৪০০(এক হাজার চারিশত) জন এর মধ্যে (৭৪ জন স্ত্রী তালাকপ্রাপ্ত ও ৬ জন স্ত্রী চলে গেছেন) মোট ৮০ জন স্ত্রী + আরও ২৬৬ জন মেয়ে স্বামীর বাড়িতে বাস করে মোট ৩৪৪ জন।

বাদ দিলে প্রকৃত লোকসংখ্যা-১,০৫৪ জন ৩১-০৩-২০১৩ তারিখ পর্যন্ত

।ভেলানগর বড়বাড়ির ৪র্থ পুরুষ ১৩(তের) জনের বাড়ির পরিচিতি:।

।এক নযরে ভেলানগর বড়বাড়ির কিছু পরিসংখ্যান নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ।

১ম পুরুষ মোহাম্মদ বদু মিঞার স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ ইব্রাহীমপুর, নবীনগর থেকে এসে ভেলানগর গ্রামে বস্‌তি স্থাপন করে বসবাস১৭৮০ সালের মধ্যে
শুরু করেন:
১ম পুরুষ-বদু মিঞা থেকে শুরু করে ১০ম পুরুষের ছেলে-মেয়ে ও স্ত্রীসহ, জীবিত ও মৃতসহ-১৭৮০ থেকে ২০১৩ সালের ৩১ মার্চসর্বেমাট লোকসংখ্যা ২,০৫০ জন
পর্যন্ত-২৩২ বছরে ভেলানগর বড়বাড়ির লোকসংখ্যা হলো:
২০০৮ সালে জীবিত ও মৃতসহ কতজন লোক ছিল১৯৪৯ জন
২০০৮ সাল পর্যন্ত মারা গেছেন৬১৬ জন
২০০৮ সালে বড়বাড়িতে কতজন জন্ম হয়েছে:২২ জন
২০০৮ সালে বড়বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেছে কতজন:০৭ জন
২০০৮ সালে কতজন বেড়েছে১৫ জন
২০০৮ সালে কতজন মেয়ের বিয়ে দেয়া হয়েছে:০৭ জন
২০০৮ সালে কতজন ছেলেকে বিয়ে করানো হয়েছে:০৫ জন
২০০৯ সালে জীবিত ও মৃতসহ কতজন লোক ছিল১৯৮৬ জন
২০০৯ সালে বড়বাড়িতে কতজন জন্ম হয়েছে:১২ জন
২০০৯ সালে বড়বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেছে কতজন:০৪ জন
২০০৯ সালে কতজন মেয়ের বিয়ে দেয়া হয়েছে:০৯ জন
২০০৯ সালে কতজন ছেলেকে বিয়ে করানো হয়েছে:০৮ জন
বদুর বড় ছেলে হদুর লোকসংখ্যা হলো-১,৮৫৮ জন, মোট জনসংখ্যার শতকরা হিসেবে কতভাগ হয় তা দেখানো হলো৯০.৯০ ভাগ লোক
বদুর ছোট ছেলে গদুর লোকসংখ্যা হলো-১৮৩ জন, মোট জনসংখ্যার শতকরা হিসেবে কতভাগ হয় তা দেখানো হলো০৯.১০ ভাগ লোক
বদুর বড় নাতি জহিরউদ্দিনের লোকসংখ্যা হলো-১,১৫৮ জন, মোট জনসংখ্যার শতকরা হিসেবে কতভাগ হয় তা দেখানো হলো:৫৬ ভাগ লোক
বদুর ২য় নাতি রিয়াজউদ্দিনের লোকসংখ্যা হলো-৪৭০ জন, মোট জনসংখ্যার শতকরা হিসেবে কতভাগ হয় তা দেখানো হলো:২২.৫১ ভাগ লোক
বদুর ৩য় নাতি নাসিরউদ্দিনের লোকসংখ্যা হলো-২৪১ জন, মোট জনসংখ্যার শতকরা হিসেবে কতভাগ হয় তা দেখানো হলো:১২.১৬ ভাগ লোক
বদুর ৪র্থ নাতি কালাগাঁযীর লোকসংখ্যা হলো-৪৮ জন, মোট জনসংখ্যার শতকরা হিসেবে কতভাগ হয় তা দেখানো হলো:০২.৪৭ ভাগ লোক
বদুর ৫ম নাতি মালাগাঁযীর লোকসংখ্যা হলো-১৩৫ জন, মোট জনসংখ্যার শতকরা হিসেবে কতভাগ হয় তা দেখানো হলো:০৬.৮৫ ভাগ লোক
৫১৬ জন স্ত্রীর মধ্যে বড়বাড়ির মেয়ে ২৩ জনের নাম বাদ দিলে-৪৯৩ জন বাদ দিলে প্রকৃত জন্ম কতজন হয়েছে ২৩২ বছরে১,৫৫৭ জন জন্ম হয়েছে
বড়বাড়িতে(৩১-০৩-২০১৩):
জীবিত ও মৃতসহ পুরুষের সংখ্য কতজন:৭৯৩ জন
মৃত পুরুষের সংখ্যা কতজন(০৬-০২-২০১৩):২৭৭ জন
জীবিত পুরুষের সংখ্যা কতজন(০৬-০২-২০১৩):৫১৬ জন
জীবিত, মৃত ও স্ত্রীসহ মহিলার সংখ্যা কতজন:১,২৫৭ জন
৫১৭ জন স্ত্রী বাদ দিলে প্রকৃত মেয়ের সংখ্যা কত-৫১৭ জন
জীবিত ও মৃতসহ মেয়ের সংখ্যা কতজন-৩১-১০-২০১২৭৪০ জন
মৃত মেয়ের সংখ্যা কতজন(১৩-০৩-২০১৩):২১৬ জন
জীবিত মেয়ের সংখ্যা কতজন(৩১-০৩-২০১৩):৫২৪ জন
জীবিত ও মৃত স্ত্রীর সংখ্যা কতজন (৩১-০৩-২০১৩)৫১৭ জন
মৃত স্ত্রীর সংখ্যা কতজন (২০-০১-২০১২)ঃ-১৫৭ জন
জীবিত ও তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর সংখ্যা কতজন (৩১-০৩-২০১৩)ঃ৩৬০ জন
স্ত্রীদের মধ্যে তালাকপ্রাপ্ত ও চলে গেছেন স্ত্রীর সংখ্যা কতজন০৮০ জন
প্রকৃত জীবীত স্ত্রীর সংখ্যা হলো:২৮০ জন
কতজন মৃত লোকসংখ্যা-১৭৮০ থেকে-৩১-০৩-২০১৩:৬৫০ জন
কতজন মেয়ে স্বামীবাড়ির পরিবর্তে বাবারবাড়িতে বাস করেঃ০০১৫ জন
জীবিত লোকসংখ্যা-৩১-০৩-২০১৩ তারিখ পর্যন্ত:১,৪০০ জন
কতজন জীবিত মেয়ে স্বামীরবাড়িতে বসবাস করে:-২৬৬ জন
২৬৬ জন মেয়ে স্বামীরবাড়িতে বাস করে তা বাদ দিলেঃ১,০৫৪ জন
বড়বাড়ির প্রকৃত মোট লোকসংখ্যা কতজন১,০৫৪ জন
মোট পরিবারের সংখ্যা কয়টি (৩১-০৩-২০১৩)ঃ২৮০টি
এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় যে-১,০৫৪ জন থেকে: শহর ও বিদেশে চাকুরী এবং বসবাস করছে কতজন৪৪০ জন
২৫-১২-২০১২ সাল পর্যন্ত কত লোক বিদেশে আছে১২৩ জন
বাগী দাদার ছোট ছেলে মতিউর ও তার স্ত্রী, তাদের দুই ছেলে দুই মেয়েসহ বসবাস করছে ফতেপুর গ্রামে০০৬ জন
এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় যে-ভেলানগরে থেকে চাকুরী, ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি কাজ, লেখাপড়া এবং বসবাস করছেঃ৬০৮ জন
কতভাগ লোক বিদেশ ও শহরে বাস করে (১০-০৮-২০১২)৪০ ভাগ
কতভাগ লোক বিদেশে বাস করে(১০-০৮-২০১২ তারিখ)১২ ভাগ
কতভাগ লোক গ্রামে বাস করে(১০-০৮-২০১২):৬০ ভাগ
৩০-০৮-২০১২ তারিখ পর্যন্ত শতকরা কতভাগ লোক মারা যান৩২ ভাগ
আঠার শতকে ভেলানগর বড়বাড়িতে কতজনের জন্ম হয়েছে:০০০৮ জন
আঠার শতকে ভেলানগর বড়বাড়িতে কতজনের মৃত্যু হয়েছে:জানা নেই
উনিশ শতকে ভেলানগর বড়বাড়িতে স্ত্রীসহ কতজন জন্ম হয়:০১৫০ জন
উনিশ শতকে ভেলানগর বড়বাড়িতে স্ত্রীসহ কতজনের মৃত্যু:০০২৯ জন
উনিশ শতকে কতজন স্ত্রীসহ বেঁচে ছিল:০১২১ জন
বিশ শতকে ভেলানগর বড়বাড়িতে স্ত্রীসহ কতজন জন্ম হয়েছে:১,৬৫০ জন
বিশ শতকে ভেলানগর বড়বাড়িতে স্ত্রীসহ কতজন মৃত্যু হয়েছে:০৫৬৩ জন
বিশ শতকে কতজন স্ত্রীসহ বেঁচে ছিল:১,০৮৭ জন
একুশ শতকে ভেলানগর বড়বাড়িতে কতজনের জন্ম হয়েছে:০২৩০ জন
একুশ শতকে ভেলানগর বড়বাড়িতে কতজনের মৃত্যু হয়েছে০০৬৫ জন
১৪-০৮-১৯৪৭ সাল থেকে ১৬-১২-১৯৭১ পর্যন্ত জন্ম হয়েছে০৪৭৮ জন
৪৭৮ জনের মধ্যে মারা যান কতজন:০০৭১ জন
১৪-০৮-১৯৪৭ থেকে ১৬-১২-১৯৭১ সাল পর্যন্ত বেঁচেছিল:০৪০৭ জন
১৬-১২-১৯৭১ সালের পর কতজন জন্ম হয়েছে:০৯৬৪ জন
৯৬৪ জনের মধ্যে মারা যান কতজন:০১০৫ জন
০৬-০২-২০১৩ সালের পর কতজন বেঁচে আছে:০৮৫৯ জন
১ম পুরুষ কতজন ছিলেন:০০০২ জন
১ম পুরুষ একজনও বেঁচে নেই:০০০০ জন
১ম পুরুষ একজনের কতজন স্ত্রী ছিল:০০০১ জন
২য় পুরুষ কতজন ছিলেন:০০০৪ জন
২য় পুরুষ ছেলে কতজন ছিল:০০০২ জন
২য় পুরুষ ২ জনের কতজন স্ত্রী ছিল:০০০২ জন
২য় পুরুষ একজনও বেঁচে নেই:০০০০ জন