| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন স্থানেই ১৭৪০ | ১৭৪০ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামেই জনবসতি গড়ে উঠেনি | ২৭০ বছরের মধ্যে আমাদের উপজেলায় |
| খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে জনবসতি গড়ে উঠেনি | জনবসতি গড়ে উঠে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামেই ১১তম পুরুষের উপরে পরিবার পাওয়া যায়নি |
| আঠার শতকে লোক ছিল | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার গ্রামগুলিতে ১,০০০ হাজার |
| আঠার শতকে কতজন মরে | ২০ থেকে ২৭ জনের মত লোক মারা যায় |
| উনিশ শতকে কতজন ছিল | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার গ্রামগুলিতে ৩০,৭৫০ জন |
| উনিশ শতকে মারা যান | প্রায় ৬,৫৭৫ জন |
| বিশ শতকে কতজন হয় | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার গ্রামগুলিতে ৫,৫০,৯৫০জন |
| বিশ শতকে মারা যান | ১,৩৭,২০০ জন |
| ২০০০ সালে কত লোক জীবীত ছিল | গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ৪,১৩,৭৫০ জন |
| জন্ম-মৃত্যুসহ ৩১-০৩-২০১০ সাল পর্যন্ত বাঞ্ছারামপুর উপজেলার লোকসংখ্যা | প্রায়-৬,৩৫,১৫০ জন |
| হয়েছিল |
| ৩১-০৩-২০১০ সাল পর্যন্ত মারা যান | ১,৬৫,২০০ জন |
| শহর ও বিদেশসহ জীবিত লোকসংখ্যা কত | প্রায়-৪,৬৯,৯৫০(চার লক্ষ উনসত্তর হাজার নয়শত পঞ্চাশ) জন |
| পুরুষ কতজন | প্রায়-২,৩৬,৯৭৫(দুই লক্ষ একচল্লিশ হাজার নয়শত পঁচাত্তর) জন |
| মহিলা কতজন | প্রায়-২,৩২,৯৭৫(দুই লক্ষ সাইত্রিশ হাজার নয়শত পঁচাত্তর) জন |
| পুরুষ ও মহিলার অনুপাত | পুরুষ-৫০.৪২ ভাগ ও মহিলা-৪৯.৫৮ ভাগ |
| নারী-পুরুষের বৈষম্য কেমন | বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় নারী-পুরুষের বৈষম্য ব্যাপক |
| উপজেলার গ্রামগুলিতে কতজন বাস করে | প্রায়-৩,৫০,০০০(তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) জন |
| গ্রামে বাস করে কত ভাগ | প্রায় ৬৪ ভাগ লোক |
| কতজন লোক শহর ও বিদেশে বাস করে | প্রায় ১,৬৯,৯৫০(এক লক্ষ উনসত্তর হাজার নয়শত পঞ্চাশ) জন |
| কতভাগ লোক শহর ও বিদেশে বাস করে | প্রায় ৩৬ ভাগ লোক |
| বিদেশে বাস করে কতজন | ২১,৩০০ হাজার বা শতকরা ৪.৫৩ ভাগ লোক |
| মুসলমান কতভাগ | ৯৪.৪৯% |
| হিন্দু কতভাগ লোক | ৫.০৪% | ১৪,৭৮৯ জন |
| খ্রিষ্টান | ৫ জন |
| বৌদ্ধ | ১ জন |
| অন্যান্য কতভাগ লোক | ০.৪৭% |
| উপজাতি পরিবার কয়টি | ৩৩টি পরিবার আছে |
| সরকারি অফিস | ৩০টি |
| ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে ভোটার-এর সংখ্যা ছিল কত | ১,৭৭,৮৯৭(এক লক্ষ সাতাত্তর হাজার আটশত সাতানব্বই) জন |
| ২০০৬ সালে ভোটার করেছিল | ২,২৩,৮০৩ জন |
| ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে সেনাবাহিনীর সহায়তায় ভোটার হয়েছে | ১,৫৮,৮৮২ জন | শতকরা ২৯ শতাংশ ভোটার কমেছে |
| ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে ভোটার | ১,৭৮,১৪৯ জন | নবীনগরের আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি ইউনিয়নসহ |
| জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপজেলায় কয়টি ভোট কেন্দ্র | ৭৩টি ভোট কেন্দ্র আছে |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ নং আসনে কয়টি ভোট কেন্দ্র আছে | ৮৫টি কেন্দ্র আছে |
| উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কয়টি ভোট কেন্দ্র | ৭৩টি ভোট কেন্দ্র আছে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কবে পৌরসভা হয়েছে | ৩১৭নং পৌরসভা হয়েছে বাঞ্ছারামপুর | ২০১৩ সালের জুন |
| ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে একটি নীল কুঠি তৈরী করা হয়েছিল কোন | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যনগর গ্রামের তিতাস নদীর পারে স্থাপিত হয়েছিল একটি নীল কুঠি |
| গ্রামে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে প্রথম | ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে কোন গ্রামেই বিল্ডিং তৈরী হয়নি | ১৯০২ খ্রিষ্টাব্দে উজানচর ভগবান সাহাদের বিল্ডিংই আমাদের উপজেলার |
| বিল্ডিং তৈরী হয় কবে | প্রথম বিল্ডিং | এরপর ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে রূপসদী খানেপাড়ার তীর্থবাসীর |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার | বাঞ্ছারামপুর গ্রামের জনাব শুকুর মাহমুদ ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে নিজ বাড়িতে বিল্ডিং তৈরী করেন | জনাব শুকুর মাহমুদ (উনার জন্ম-১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মুসলমানের মধ্যে প্রথম | মৃত্যু-১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে) হলো জনাব আবদুল গণি মিঞার পিতা, জনাব আবদুল গণি মিঞা (উনার জন্ম-১৮৮০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৯-০৪-১৯৬৫ তারিখ) |
| বিল্ডিং তৈরী হয় কবে | হলো জনাব মোঃ নূরুল ইসলাম (তারা মিঞার) পিতা, জনাব মোঃ নূরুল ইসলাম (উনার জন্ম-১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৩-০১-২০০০ তারিখ) হলো |
| জনাব এ. কে. এম. মুসার পিতা, এ.কে.এম. মুসা (মুসার জন্ম-১৫-০৩-১৯৬০ তারিখ) হলো-সোয়েব-এর পিতা, সোয়েব-এর জন্ম-২১-০৮-১৯৯০ |
| তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মুসলমানের মধ্যে | দরিকান্দি গ্রামের জনাব ওয়াজুদ্দিন ব্যাপারী ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে নিজ বাড়ীতে বিল্ডিং তৈরী করেন | উনার ছেলের নাম মৌলভী |
| দ্বিতীয় বিল্ডিং কার | সুলতান মিঞা | উনার ছেলেদের নামগুলি-মোহাম্মদ হোসেন, আবদুল আযিয(মহসিন) সিরাজ ও মৌলভী ভাই |
| এ থানার প্রথম বাজার | উজানচর বাজারটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দে |
| এ থানার দ্বিতীয় বাজার | বালুয়াকান্দি বাজারটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দে |
| এ থানার তৃতীয় বাজার | সোনারামপুর বাজারটি |
| শিক্ষার হার কত | ৩০ ভাগ |
| স্বাক্ষরতার হার | ৬০ ভাগ |
| ২০১৫ সালে বাংলাদেশের লোকসংখ্যা কত | ১৭(সতের) কোটি |
| ২০১৫ সালে বাংলাদেশের সরকারি এবং বেসরকারি প্রাইমারী স্কুলগুলোতে কতজন ছাত্র-ছাত্রী | ২,০০,০০,০০০ (দুই কোটি) প্রায় |
| লেখাপড়া করে |
| ২০১৫ সালে বাংলাদেশের কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতে কতজন ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করে | ৫০,০০,০০০ প্রায় (পঁঞ্চাশ লাখ) |
| ২০১৫ সালে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতে লেখাপড়া করে মোট কতজন | =২,৫০,০০,০০০ (দুই কোটি পঁঞ্চাশ লক্ষ) |
| ১৭(সতের) কোটি মানুষের দেশে কতভাগ ছেলেমেয়ে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতে | শতকরা ১৪.৭০ ভাগ ছেলে-মেয়ে |
| লেখাপড়া করে |
| ২০১৪ সালে ইউনিসেফ ও ইউনেসকোর রির্পোট অনুযায়ী বাংলাদেশে কতজন বা কতভাগ ছেলেমেয়ে | ৫৬,০০,০০০ লক্ষ বা ৩.২৯ ভাগ |
| স্কুলে যেতে পারেনা |
| ২০১৪ সালে বাংলাদেশের লোকসংখ্যার ৫৬৬ ভাগের এক ভাগ লোক বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বাস | ৩,০০,০০০(তিন লক্ষ) মানুষ |
| করে এবং সংখ্যায় কতজন |
| ২০১৫ সালে বাঞ্ছারামপুরে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কয়টি | ১৩১টি |
| ২০১৫ সালে বাঞ্ছারামপুরে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কয়টি | ০৪টি |
| কিন্ডারগার্টেন স্কুল কয়টি | ৫৩টি |
| ২০১৫ সালে বাঞ্ছারামপুরে সরকারি প্রাইমারী স্কুলগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কত | ৪৫(পঁয়তাল্লিশ) হাজার ছাত্রছাত্রী |
| ২০১৫ সালে বাঞ্ছারামপুরে বেসরকারি প্রাইমারী স্কুলগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কত | ১,১০০(এক হাজার একশত) |
| ২০১৫ সালে কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কত | ২,৪০০(দুই হাজার চারিশত) |
| ২০১৪ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সরকারি ও বেসরকারি প্রাইমারী ও ন্ডিারগার্টেন স্কুলগুলোতে | =৪৮,৫০০(আট-চল্লিশ হাজার পাঁচশত) ছাত্র-ছাত্রী |
| মোট কতজন ছাত্র-ছাত্রী |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ ছেলে-মেয়ে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলে লেখাপড়ে করে | শতকরা ১৪.৭০ ভাগ ছেলে-মেয়ে |
| জাতীয় গড়েরর চেয়ে কতভাগ কম লেখাপড়া করে | ০.৯৩ ভাগ ছৈলে-মেয়ে |
| উপজেলার কতজন ছেলে-মেয়ে প্রাইমারী স্কুলে যেতে পারে না | ১১,৫২৩ জন |
| উপজেলার কতভাগ ছেলে-মেয়ে প্রাইমারী স্কুলে যেতে পারে না | ৩.৮৪ ভাগ |
| বাংলাদেশের লোকসংখ্যার হিসাবে ৫৬৬ ভাগ লোক বাঞ্ছারামপুরের গ্রামগুলোতে বাস করে | সে | ৫২,৯৫০ জন বা শতকরা ১৪.৭০ ভাগ ছাত্র-ছাত্রী |
| হিসাবে বাঞ্ছারামপুরে প্রাইমারী ও কিন্র্ডাগাটেন স্কুলে লেখাপড়া করার কথা ছিল |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বাংলাদেশের জাতীয় গড় থেকে কম ছেলে মেয়ে লেখাপড়া করে | ৪,৪৫০ জন বা ০.৯৩ ভাগ ছেলে-মেয়ে লেখাপড়া কম করে |
| এ থানায় মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠান কয়টি | ৩৮টি (১টি বালিকা বিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ) |
| এ থানায় প্রথম | উজানচর কে. এন. উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দের ২ ফেব্রুয়ারি | এ বিদ্যালয় থেকে ৩টি ব্যাচ (১৯০৭, ১৯০৮, ও ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত) |
| উচ্চ বিদ্যালয় | এন্ট্রান্স পরীক্ষা দেয় তারপর ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা শুরু | এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় বাঞ্ছারামপুর থানার জন্ম হয়নি | বাঞ্ছারামপুর |
| কোনটি | থানার জন্ম হয়েছে ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে | ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে বাঞ্ছারামপুর পুলিশ ফাঁড়ি নাম ছিল | ১৮৮৯ সালে ছিল বাঞ্ছারামপুর পুলিশ ফাঁড়ি তারপর |
| ১৮৫৮ সালে মরিচাকান্দি পুলিশ ফাঁড়ি | আমাকে বলে আমার দাদার চাঁচাত ভাইয়ের ছেলে এ. এফ. এম. এ. মালিক (মালেক চাঁচা) যে, এন্ট্রান্স |
| পরীক্ষা ছিল ১৯২৭ সাল পর্যন্ত | আমার দাদার আরেক চাঁচাত ভাই শবদর মৌলভী এন্ট্রান্স পাস | না উনি ম্যাট্রিক পাস | কয়েক বছর আগে মানে ২০০৬ |
| সালে একদিন আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া ভাইকে জিজ্ঞাসা করি যে, এন্ট্রান্স পরীক্ষা কত সাল পর্যন্ত ছিল-উনি সাফ সাফ জবাব দেন যে কে না |
| জানে ১৯১১ সাল পর্যন্ত | আমি অনেক যায়গায় লিখিছি বা অনেকের কাছে বলিছি যে, ১৯১১ সাল পর্যন্ত এন্ট্রান্স পরীক্ষা ছিল | কিন্তু আমার গবেষণায় ধরা |
| পড়েছে যে, ব্রিটিশ ভারতে এন্ট্রান্স পরীক্ষা ছিল ১৯০৯ সাল পর্যন্ত | ১৯১০ সাল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষা শুরু হয়-আর পাকিস্তানের আমলে শেষ ম্যাট্রিক |
| পরীক্ষা হয় ১৯৬২ সাল পর্যন্ত-আর ১৯৬৩ সাল থেকে এস. এস. সি. পরীক্ষা শুরু হয় |
| এ থানার দ্বিতীয় উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি | এ স্কুল থেকে ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম |
| ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দেয়া শুরু হয় |
| এ থানার তৃতীয় উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | দরিয়াদৌলত আবদুল গণি উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি |
| এ থানার ৪র্থ উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | মরিচাকান্দি ডি. টি. একাডেমীর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দের ১ এপ্রিল |
| এ থানার ৫ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | ধারিয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি |
| এ থানার ৬ষ্ঠ উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | বাঞ্ছারামপুর এস.এম. উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি |
| এ থানার ৭ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | দরিকান্দি-বাড্ডা আসমতেরন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি |
| এ থানার ৮তম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | খাল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি |
| এ থানার ৯ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | কলাকান্দি এইচ. কে. আসমাতুন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ৬ জানুয়ারি |
| এ থানার ১০ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | তেঁজখালী উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি |
| এ থানার ১১ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | বাঞ্ছারামপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দের ১ ফেব্রুয়ারি |
| এ উপজেলার প্রথম কলেজ | বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রী কলেজ |
| এ থানার ১২তম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | ছয়ফুল্লাকান্দি শাহ রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি |
| এ থানার ১৩তম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | ফরদাবাদ মাদ্রাসা আকবর আল উলম আলীম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ১২ মার্চ |
| এ উপজেলার ১৪তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি, প্রতিষ্ঠিত বাখরনগর ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানা |
| এ উপজেলার ১৫তম প্রতিষ্ঠান | ১৯৮১ সালের ১ জানুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর সোবানিয়া ইসলামিয়া আলীম মাদ্রাসা |
| এ উপজেলার ১৬তম প্রতিষ্ঠান | ১৯৮৭ সালের ১ জানুয়ারি, ফরদাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ উপজেলার দ্বিতীয় কলেজ | ১৯৮৭ সালের ১০ এপ্রিল, জীবনগঞ্জ বাজার তাজুল ইসলাম আর্দশ কলেজ |
| এ উপজেলার ১৭তম প্রতিষ্ঠান | ১৯৯০ সালের ১ জানুয়ারি, দরিকান্দি গোলাম আকবর মিলকী দাখিল মাদ্রাসা |
| এ উপজেলার ১৮তম প্রতিষ্ঠান | ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি, রাধানগর কালিকাপুর রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসা |
| এ উপজেলার তৃতীয় কলেজ | ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি, ফরদাবাদ ড. রওশন আলম কলেজ |
| এ উপজেলার ৪র্থ কলেজ | ১৯৯৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর, ছয়ফুল্লাকান্দি শাহ রাহাত আলী কলেজ |
| এ উপজেলার ১৯তম প্রতিষ্ঠান | ১৯৯৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর, রূপসদী জামিদা মনসুর আলী উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ থানার ২০তম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | ১৯৯৬ সালের ১ অক্টোবর, বাহেরচর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ উপজেলার ২১তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ১৯৯৭ সালের ১ জানুয়ারি, রূপসদী আলীম মাদ্রাসা |
| এ উপজেলার ২২তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি, সলিমাবাদ আদর্শ জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ উপজেলার ২৩তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি, ভুরভুরিয়া আদর্শ জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ উপজেলার ২৪তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি, আশ্রাববাদ জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ উপজেলার ২৫তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি, খাল্লা দারুস সুন্নাহ ইমইম মেহেদি(এ) দাখিল মাদ্রাসা |
| এ উপজেলার ২৬তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি, তেজখালী কাজী এম.এ. মালেক দাখিল মাদ্রাসা |
| এ উপজেলার ২৭তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ১৯৯৯ সালের ১২ আগস্ট, আইয়ূবপুর তাজুল ইসলাম জুনিয়র সেকেন্ডারী স্কুল |
| এ উপজেলার ২৮তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ২০০২ সালের ১ জানুয়ারি, শাহ রাহাত আলী দাখিল মাদ্রাসা |
| এ উপজেলার ২৯তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ২০০২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, হাইদারনগর টি.পি. দাখিল মাদ্রাসা |
| এ উপজেলার ৫ম কলেজ | ২০০২ সালের ৩ জুলাই, রূপসদী সুজন দুলু কলেজ |
| এ উপজেলার ৩০তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ২০১০ সালের ১ জানুয়ারি, পূর্বহাটি তাজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ উপজেলার ৩১তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি, আকানগর উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ উপজেলার ৩২তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ২০১৩ সালে মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ উপজেলার ৩৩তম প্রতিষ্ঠান কোনটি | ২০১৩ সালে সোনারামপুর তাজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় |
| ফাজিল মাদ্রাসা | নেই |
| কামিল মাদ্রাসা | নেই |
| কওমী মাদ্রাসা | ১০টি |
| উপরোক্ত উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কতজন | (১) স্কুল-১৯,৯৬৫(উনিশ হাজার নয়শত পঁয়সট্টি) জন |
| ২০১৪ সালে | (২) মাদ্রাসায়-২,৮০০(দুই হাজার আটশত)জন | মোট=২২,৭৬৫(বাইশ হাজার সাতশত পঁয়সট্টি) জন |
| বাঞ্ছারামপুরে কতজন বা কতভাগ ছেলে-মেয়ে উচ্চ বিদ্যালয় ও | ২২,৭৬৫ জন ছাত্র-ছাত্রী বা শতকরা ৬.৫০ ভাগ ছেলে-মেয়ে পড়ালেখা করে | উচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় গড়ের সমান |
| মাদ্রাসাগুলোতে লেখাপড়া করে | ছেলে-মেয়ে পড়ালেখা করে |
| বাংলাদেশে কতজন ছেলে-মেয়ে উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় পড়ালেখা করে | ১,০৭,০০,০০০(এক কোটি) ছেলে-মেয়ে |
| ২০১৪ সালের পরিসংখ্যান উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় শতকরা কতভাগ ছেলে-মেয়ে পড়ালেখা করে | শতকরা ৬.২৯ ভাগ |
| বাংলাদেশে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন থেকে উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় লেখাপড়া করতে পারে না | ১,৪৩,০০,০০০(এক কোটি তেতাল্লিশ লক্ষ) |
| প্রাইমারী ও কিন্ডাগার্টেনগুলো থেকে ঝড়ে যায় শতকরা কতভাগ ছেলে-মেয়ে | শতকরা ৮.৪১ ভাগ ছেলে-মেয়ে |
| ২০১৩ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন | ১,৬৭১ জন |
| ২০১৩ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাস করেন | ১,৬৩৬ জন |
| ২০১৩ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতভাগ পাস করেন | ০.৪৭ ভাগ |
| ২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে | ১৩,০৩,২০৩ জন |
| ২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় কতভাগ অংশ নেয় | ০.৭৭ ভাগ |