বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন স্থানেই ১৭৪০১৭৪০ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামেই জনবসতি গড়ে উঠেনি২৭০ বছরের মধ্যে আমাদের উপজেলায়
খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে জনবসতি গড়ে উঠেনিজনবসতি গড়ে উঠেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামেই ১১তম পুরুষের উপরে পরিবার পাওয়া যায়নি
আঠার শতকে লোক ছিলবাঞ্ছারামপুর উপজেলার গ্রামগুলিতে ১,০০০ হাজার
আঠার শতকে কতজন মরে২০ থেকে ২৭ জনের মত লোক মারা যায়
উনিশ শতকে কতজন ছিলবাঞ্ছারামপুর উপজেলার গ্রামগুলিতে ৩০,৭৫০ জন
উনিশ শতকে মারা যানপ্রায় ৬,৫৭৫ জন
বিশ শতকে কতজন হয়বাঞ্ছারামপুর উপজেলার গ্রামগুলিতে ৫,৫০,৯৫০জন
বিশ শতকে মারা যান১,৩৭,২০০ জন
২০০০ সালে কত লোক জীবীত ছিলগ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ৪,১৩,৭৫০ জন
জন্ম-মৃত্যুসহ ৩১-০৩-২০১০ সাল পর্যন্ত বাঞ্ছারামপুর উপজেলার লোকসংখ্যাপ্রায়-৬,৩৫,১৫০ জন
হয়েছিল
৩১-০৩-২০১০ সাল পর্যন্ত মারা যান১,৬৫,২০০ জন
শহর ও বিদেশসহ জীবিত লোকসংখ্যা কতপ্রায়-৪,৬৯,৯৫০(চার লক্ষ উনসত্তর হাজার নয়শত পঞ্চাশ) জন
পুরুষ কতজনপ্রায়-২,৩৬,৯৭৫(দুই লক্ষ একচল্লিশ হাজার নয়শত পঁচাত্তর) জন
মহিলা কতজনপ্রায়-২,৩২,৯৭৫(দুই লক্ষ সাইত্রিশ হাজার নয়শত পঁচাত্তর) জন
পুরুষ ও মহিলার অনুপাতপুরুষ-৫০.৪২ ভাগ ও মহিলা-৪৯.৫৮ ভাগ
নারী-পুরুষের বৈষম্য কেমনবাঞ্ছারামপুর উপজেলায় নারী-পুরুষের বৈষম্য ব্যাপক
উপজেলার গ্রামগুলিতে কতজন বাস করেপ্রায়-৩,৫০,০০০(তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) জন
গ্রামে বাস করে কত ভাগপ্রায় ৬৪ ভাগ লোক
কতজন লোক শহর ও বিদেশে বাস করেপ্রায় ১,৬৯,৯৫০(এক লক্ষ উনসত্তর হাজার নয়শত পঞ্চাশ) জন
কতভাগ লোক শহর ও বিদেশে বাস করেপ্রায় ৩৬ ভাগ লোক
বিদেশে বাস করে কতজন২১,৩০০ হাজার বা শতকরা ৪.৫৩ ভাগ লোক
মুসলমান কতভাগ৯৪.৪৯%
হিন্দু কতভাগ লোক৫.০৪%১৪,৭৮৯ জন
খ্রিষ্টান৫ জন
বৌদ্ধ১ জন
অন্যান্য কতভাগ লোক০.৪৭%
উপজাতি পরিবার কয়টি৩৩টি পরিবার আছে
সরকারি অফিস৩০টি
২০০১ খ্রিষ্টাব্দে ভোটার-এর সংখ্যা ছিল কত১,৭৭,৮৯৭(এক লক্ষ সাতাত্তর হাজার আটশত সাতানব্বই) জন
২০০৬ সালে ভোটার করেছিল২,২৩,৮০৩ জন
২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে সেনাবাহিনীর সহায়তায় ভোটার হয়েছে১,৫৮,৮৮২ জনশতকরা ২৯ শতাংশ ভোটার কমেছে
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে ভোটার১,৭৮,১৪৯ জননবীনগরের আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি ইউনিয়নসহ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপজেলায় কয়টি ভোট কেন্দ্র৭৩টি ভোট কেন্দ্র আছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ নং আসনে কয়টি ভোট কেন্দ্র আছে৮৫টি কেন্দ্র আছে
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কয়টি ভোট কেন্দ্র৭৩টি ভোট কেন্দ্র আছে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কবে পৌরসভা হয়েছে৩১৭নং পৌরসভা হয়েছে বাঞ্ছারামপুর২০১৩ সালের জুন
ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে একটি নীল কুঠি তৈরী করা হয়েছিল কোনবাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যনগর গ্রামের তিতাস নদীর পারে স্থাপিত হয়েছিল একটি নীল কুঠি
গ্রামে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে প্রথম১৯০০ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে কোন গ্রামেই বিল্ডিং তৈরী হয়নি১৯০২ খ্রিষ্টাব্দে উজানচর ভগবান সাহাদের বিল্ডিংই আমাদের উপজেলার
বিল্ডিং তৈরী হয় কবেপ্রথম বিল্ডিংএরপর ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে রূপসদী খানেপাড়ার তীর্থবাসীর
বাঞ্ছারামপুর উপজেলারবাঞ্ছারামপুর গ্রামের জনাব শুকুর মাহমুদ ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে নিজ বাড়িতে বিল্ডিং তৈরী করেনজনাব শুকুর মাহমুদ (উনার জন্ম-১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দে,
মুসলমানের মধ্যে প্রথমমৃত্যু-১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে) হলো জনাব আবদুল গণি মিঞার পিতা, জনাব আবদুল গণি মিঞা (উনার জন্ম-১৮৮০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৯-০৪-১৯৬৫ তারিখ)
বিল্ডিং তৈরী হয় কবেহলো জনাব মোঃ নূরুল ইসলাম (তারা মিঞার) পিতা, জনাব মোঃ নূরুল ইসলাম (উনার জন্ম-১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৩-০১-২০০০ তারিখ) হলো
জনাব এ. কে. এম. মুসার পিতা, এ.কে.এম. মুসা (মুসার জন্ম-১৫-০৩-১৯৬০ তারিখ) হলো-সোয়েব-এর পিতা, সোয়েব-এর জন্ম-২১-০৮-১৯৯০
তারিখ
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মুসলমানের মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের জনাব ওয়াজুদ্দিন ব্যাপারী ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে নিজ বাড়ীতে বিল্ডিং তৈরী করেনউনার ছেলের নাম মৌলভী
দ্বিতীয় বিল্ডিং কারসুলতান মিঞাউনার ছেলেদের নামগুলি-মোহাম্মদ হোসেন, আবদুল আযিয(মহসিন) সিরাজ ও মৌলভী ভাই
এ থানার প্রথম বাজারউজানচর বাজারটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দে
এ থানার দ্বিতীয় বাজারবালুয়াকান্দি বাজারটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দে
এ থানার তৃতীয় বাজারসোনারামপুর বাজারটি
শিক্ষার হার কত৩০ ভাগ
স্বাক্ষরতার হার৬০ ভাগ
২০১৫ সালে বাংলাদেশের লোকসংখ্যা কত১৭(সতের) কোটি
২০১৫ সালে বাংলাদেশের সরকারি এবং বেসরকারি প্রাইমারী স্কুলগুলোতে কতজন ছাত্র-ছাত্রী২,০০,০০,০০০ (দুই কোটি) প্রায়
লেখাপড়া করে
২০১৫ সালে বাংলাদেশের কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতে কতজন ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করে৫০,০০,০০০ প্রায় (পঁঞ্চাশ লাখ)
২০১৫ সালে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতে লেখাপড়া করে মোট কতজন=২,৫০,০০,০০০ (দুই কোটি পঁঞ্চাশ লক্ষ)
১৭(সতের) কোটি মানুষের দেশে কতভাগ ছেলেমেয়ে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতেশতকরা ১৪.৭০ ভাগ ছেলে-মেয়ে
লেখাপড়া করে
২০১৪ সালে ইউনিসেফ ও ইউনেসকোর রির্পোট অনুযায়ী বাংলাদেশে কতজন বা কতভাগ ছেলেমেয়ে৫৬,০০,০০০ লক্ষ বা ৩.২৯ ভাগ
স্কুলে যেতে পারেনা
২০১৪ সালে বাংলাদেশের লোকসংখ্যার ৫৬৬ ভাগের এক ভাগ লোক বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বাস৩,০০,০০০(তিন লক্ষ) মানুষ
করে এবং সংখ্যায় কতজন
২০১৫ সালে বাঞ্ছারামপুরে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কয়টি১৩১টি
২০১৫ সালে বাঞ্ছারামপুরে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কয়টি০৪টি
কিন্ডারগার্টেন স্কুল কয়টি৫৩টি
২০১৫ সালে বাঞ্ছারামপুরে সরকারি প্রাইমারী স্কুলগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কত৪৫(পঁয়তাল্লিশ) হাজার ছাত্রছাত্রী
২০১৫ সালে বাঞ্ছারামপুরে বেসরকারি প্রাইমারী স্কুলগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কত১,১০০(এক হাজার একশত)
২০১৫ সালে কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কত২,৪০০(দুই হাজার চারিশত)
২০১৪ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সরকারি ও বেসরকারি প্রাইমারী ও ন্ডিারগার্টেন স্কুলগুলোতে=৪৮,৫০০(আট-চল্লিশ হাজার পাঁচশত) ছাত্র-ছাত্রী
মোট কতজন ছাত্র-ছাত্রী
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ ছেলে-মেয়ে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলে লেখাপড়ে করেশতকরা ১৪.৭০ ভাগ ছেলে-মেয়ে
জাতীয় গড়েরর চেয়ে কতভাগ কম লেখাপড়া করে০.৯৩ ভাগ ছৈলে-মেয়ে
উপজেলার কতজন ছেলে-মেয়ে প্রাইমারী স্কুলে যেতে পারে না১১,৫২৩ জন
উপজেলার কতভাগ ছেলে-মেয়ে প্রাইমারী স্কুলে যেতে পারে না৩.৮৪ ভাগ
বাংলাদেশের লোকসংখ্যার হিসাবে ৫৬৬ ভাগ লোক বাঞ্ছারামপুরের গ্রামগুলোতে বাস করেসে৫২,৯৫০ জন বা শতকরা ১৪.৭০ ভাগ ছাত্র-ছাত্রী
হিসাবে বাঞ্ছারামপুরে প্রাইমারী ও কিন্র্ডাগাটেন স্কুলে লেখাপড়া করার কথা ছিল
বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বাংলাদেশের জাতীয় গড় থেকে কম ছেলে মেয়ে লেখাপড়া করে৪,৪৫০ জন বা ০.৯৩ ভাগ ছেলে-মেয়ে লেখাপড়া কম করে
এ থানায় মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠান কয়টি৩৮টি (১টি বালিকা বিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ)
এ থানায় প্রথমউজানচর কে. এন. উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দের ২ ফেব্রুয়ারিএ বিদ্যালয় থেকে ৩টি ব্যাচ (১৯০৭, ১৯০৮, ও ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত)
উচ্চ বিদ্যালয়এন্ট্রান্স পরীক্ষা দেয় তারপর ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা শুরুএ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় বাঞ্ছারামপুর থানার জন্ম হয়নিবাঞ্ছারামপুর
কোনটিথানার জন্ম হয়েছে ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে১৯১০ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে বাঞ্ছারামপুর পুলিশ ফাঁড়ি নাম ছিল১৮৮৯ সালে ছিল বাঞ্ছারামপুর পুলিশ ফাঁড়ি তারপর
১৮৫৮ সালে মরিচাকান্দি পুলিশ ফাঁড়িআমাকে বলে আমার দাদার চাঁচাত ভাইয়ের ছেলে এ. এফ. এম. এ. মালিক (মালেক চাঁচা) যে, এন্ট্রান্স
পরীক্ষা ছিল ১৯২৭ সাল পর্যন্তআমার দাদার আরেক চাঁচাত ভাই শবদর মৌলভী এন্ট্রান্স পাসনা উনি ম্যাট্রিক পাসকয়েক বছর আগে মানে ২০০৬
সালে একদিন আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া ভাইকে জিজ্ঞাসা করি যে, এন্ট্রান্স পরীক্ষা কত সাল পর্যন্ত ছিল-উনি সাফ সাফ জবাব দেন যে কে না
জানে ১৯১১ সাল পর্যন্তআমি অনেক যায়গায় লিখিছি বা অনেকের কাছে বলিছি যে, ১৯১১ সাল পর্যন্ত এন্ট্রান্স পরীক্ষা ছিলকিন্তু আমার গবেষণায় ধরা
পড়েছে যে, ব্রিটিশ ভারতে এন্ট্রান্স পরীক্ষা ছিল ১৯০৯ সাল পর্যন্ত১৯১০ সাল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষা শুরু হয়-আর পাকিস্তানের আমলে শেষ ম্যাট্রিক
পরীক্ষা হয় ১৯৬২ সাল পর্যন্ত-আর ১৯৬৩ সাল থেকে এস. এস. সি. পরীক্ষা শুরু হয়
এ থানার দ্বিতীয় উচ্চ বিদ্যালয় কোনটিরূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারিএ স্কুল থেকে ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম
ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দেয়া শুরু হয়
এ থানার তৃতীয় উচ্চ বিদ্যালয় কোনটিদরিয়াদৌলত আবদুল গণি উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি
এ থানার ৪র্থ উচ্চ বিদ্যালয় কোনটিমরিচাকান্দি ডি. টি. একাডেমীর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দের ১ এপ্রিল
এ থানার ৫ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটিধারিয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি
এ থানার ৬ষ্ঠ উচ্চ বিদ্যালয় কোনটিবাঞ্ছারামপুর এস.এম. উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি
এ থানার ৭ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটিদরিকান্দি-বাড্ডা আসমতেরন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি
এ থানার ৮তম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটিখাল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি
এ থানার ৯ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটিকলাকান্দি এইচ. কে. আসমাতুন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ৬ জানুয়ারি
এ থানার ১০ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটিতেঁজখালী উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি
এ থানার ১১ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটিবাঞ্ছারামপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দের ১ ফেব্রুয়ারি
এ উপজেলার প্রথম কলেজবাঞ্ছারামপুর ডিগ্রী কলেজ
এ থানার ১২তম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটিছয়ফুল্লাকান্দি শাহ রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি
এ থানার ১৩তম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটিফরদাবাদ মাদ্রাসা আকবর আল উলম আলীম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ১২ মার্চ
এ উপজেলার ১৪তম প্রতিষ্ঠান কোনটি১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি, প্রতিষ্ঠিত বাখরনগর ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানা
এ উপজেলার ১৫তম প্রতিষ্ঠান১৯৮১ সালের ১ জানুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর সোবানিয়া ইসলামিয়া আলীম মাদ্রাসা
এ উপজেলার ১৬তম প্রতিষ্ঠান১৯৮৭ সালের ১ জানুয়ারি, ফরদাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়
এ উপজেলার দ্বিতীয় কলেজ১৯৮৭ সালের ১০ এপ্রিল, জীবনগঞ্জ বাজার তাজুল ইসলাম আর্দশ কলেজ
এ উপজেলার ১৭তম প্রতিষ্ঠান১৯৯০ সালের ১ জানুয়ারি, দরিকান্দি গোলাম আকবর মিলকী দাখিল মাদ্রাসা
এ উপজেলার ১৮তম প্রতিষ্ঠান১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি, রাধানগর কালিকাপুর রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসা
এ উপজেলার তৃতীয় কলেজ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি, ফরদাবাদ ড. রওশন আলম কলেজ
এ উপজেলার ৪র্থ কলেজ১৯৯৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর, ছয়ফুল্লাকান্দি শাহ রাহাত আলী কলেজ
এ উপজেলার ১৯তম প্রতিষ্ঠান১৯৯৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর, রূপসদী জামিদা মনসুর আলী উচ্চ বিদ্যালয়
এ থানার ২০তম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি১৯৯৬ সালের ১ অক্টোবর, বাহেরচর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়
এ উপজেলার ২১তম প্রতিষ্ঠান কোনটি১৯৯৭ সালের ১ জানুয়ারি, রূপসদী আলীম মাদ্রাসা
এ উপজেলার ২২তম প্রতিষ্ঠান কোনটি১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি, সলিমাবাদ আদর্শ জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়
এ উপজেলার ২৩তম প্রতিষ্ঠান কোনটি১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি, ভুরভুরিয়া আদর্শ জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়
এ উপজেলার ২৪তম প্রতিষ্ঠান কোনটি১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি, আশ্রাববাদ জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়
এ উপজেলার ২৫তম প্রতিষ্ঠান কোনটি১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি, খাল্লা দারুস সুন্নাহ ইমইম মেহেদি(এ) দাখিল মাদ্রাসা
এ উপজেলার ২৬তম প্রতিষ্ঠান কোনটি১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি, তেজখালী কাজী এম.এ. মালেক দাখিল মাদ্রাসা
এ উপজেলার ২৭তম প্রতিষ্ঠান কোনটি১৯৯৯ সালের ১২ আগস্ট, আইয়ূবপুর তাজুল ইসলাম জুনিয়র সেকেন্ডারী স্কুল
এ উপজেলার ২৮তম প্রতিষ্ঠান কোনটি২০০২ সালের ১ জানুয়ারি, শাহ রাহাত আলী দাখিল মাদ্রাসা
এ উপজেলার ২৯তম প্রতিষ্ঠান কোনটি২০০২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, হাইদারনগর টি.পি. দাখিল মাদ্রাসা
এ উপজেলার ৫ম কলেজ২০০২ সালের ৩ জুলাই, রূপসদী সুজন দুলু কলেজ
এ উপজেলার ৩০তম প্রতিষ্ঠান কোনটি২০১০ সালের ১ জানুয়ারি, পূর্বহাটি তাজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়
এ উপজেলার ৩১তম প্রতিষ্ঠান কোনটি২০১২ সালের ১ জানুয়ারি, আকানগর উচ্চ বিদ্যালয়
এ উপজেলার ৩২তম প্রতিষ্ঠান কোনটি২০১৩ সালে মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়
এ উপজেলার ৩৩তম প্রতিষ্ঠান কোনটি২০১৩ সালে সোনারামপুর তাজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়
ফাজিল মাদ্রাসানেই
কামিল মাদ্রাসানেই
কওমী মাদ্রাসা১০টি
উপরোক্ত উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কতজন(১) স্কুল-১৯,৯৬৫(উনিশ হাজার নয়শত পঁয়সট্টি) জন
২০১৪ সালে(২) মাদ্রাসায়-২,৮০০(দুই হাজার আটশত)জনমোট=২২,৭৬৫(বাইশ হাজার সাতশত পঁয়সট্টি) জন
বাঞ্ছারামপুরে কতজন বা কতভাগ ছেলে-মেয়ে উচ্চ বিদ্যালয় ও২২,৭৬৫ জন ছাত্র-ছাত্রী বা শতকরা ৬.৫০ ভাগ ছেলে-মেয়ে পড়ালেখা করেউচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় গড়ের সমান
মাদ্রাসাগুলোতে লেখাপড়া করেছেলে-মেয়ে পড়ালেখা করে
বাংলাদেশে কতজন ছেলে-মেয়ে উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় পড়ালেখা করে১,০৭,০০,০০০(এক কোটি) ছেলে-মেয়ে
২০১৪ সালের পরিসংখ্যান উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় শতকরা কতভাগ ছেলে-মেয়ে পড়ালেখা করেশতকরা ৬.২৯ ভাগ
বাংলাদেশে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন থেকে উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় লেখাপড়া করতে পারে না১,৪৩,০০,০০০(এক কোটি তেতাল্লিশ লক্ষ)
প্রাইমারী ও কিন্ডাগার্টেনগুলো থেকে ঝড়ে যায় শতকরা কতভাগ ছেলে-মেয়েশতকরা ৮.৪১ ভাগ ছেলে-মেয়ে
২০১৩ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন১,৬৭১ জন
২০১৩ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাস করেন১,৬৩৬ জন
২০১৩ সালের পরিসংখ্যান বাঞ্ছারামপুরবাসীর কতভাগ পাস করেন০.৪৭ ভাগ
২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে১৩,০৩,২০৩ জন
২০১৩ সালে বাংলাদেশে এস.এস.সি. পরীক্ষায় কতভাগ অংশ নেয়০.৭৭ ভাগ