জেলার আয়তনপৃথিবীর ৯৯৫ ভাগের ১ ভাগ জায়গা পেয়েছে বাংলাদেশ, পৃথিবীর ৪৩.২৩ ভাগের ১ ভাগ
মানুষ বাংলাদেশের, বাংলাদেশের ৫৩.১২৫ ভাগের ১ ভাগ মানুষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার,
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৯ ভাগের ১ ভাগ মানুষ বাঞ্ছারামপুর উপজেলার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার
১৩৯ ভাগের ১ ভাগ মানুষ ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের
ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে একটিবাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যনগর গ্রামের তিতাস নদীর পারে স্থাপিত
নীল কুঠি তৈরী করা হয়েছিল কোনহয়েছিল একটি নীল কুঠি
গ্রামে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলারব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গ্রামের মধ্যে প্রায়-৯০টি নামের বংশ পরিচিতি পাওয়া যায়
৯টি উপজেলার গ্রামেরঃ-যেমন-বড়বাড়ি, ভূইয়া বাড়ী, দেওয়ান বাড়ী, খাঁ বাড়ী, শিকদার বাড়ী, কাজী বাড়ী,
মধ্যে কয়টি বংশখন্দকার বাড়ী, চৌধুরী বাড়ী, মিয়া বাড়ী, মীর বাড়ী, হাঁজী বাড়ী, মাঝি বাড়ী,
পাওয়া যায়:বেগ বাড়ী, মির্যা বাড়ী, গাঁজী বাড়ী, তালুকদার বাড়ী, মোল্লা বাড়ী, উকিল বাড়ী,
মোক্তার বাড়ী, মাষ্টার বাড়ী, প্রফেসর বাড়ী, আমীন বাড়ী, সরকার বাড়ী, সৈয়দ বাড়ী,
ব্যাপারী বাড়ী, মুন্সেফ বাড়ী, কালেক্টর বাড়ী, জজ বাড়ী, ডিপটি বাড়ী, কেরাণী বাড়ী,
পেশকার বাড়ী, কাননগো বাড়ী, হাবিলদার বাড়ী, মেম্বার বাড়ী, চেয়ারম্যান বাড়ী,
প্রেসিযেন্ট বাড়ী, এম.পি'র বাড়ী, মন্ত্রীর বাড়ী, সাব-রেজিস্ট্রার বাড়ী, ঘোষ বাড়ী,
সাহা বাড়ী, যোগী বাড়ী, নাথ বাড়ী, কৈবর্ত বাড়ী, দাস বাড়ী, পাল বাড়ী, দত্ত বাড়ী,
রায় বাড়ী, ঠাকুর বাড়ী, পোদ্দার বাড়ী, শীল বাড়ী, গোসাই বাড়ী, তাঁতী বাড়ী,
কামার বাড়ী, কুমার বাড়ী, মিস্ত্রী বাড়ী, মুঁচি বাড়ী, ঋৃষি বাড়ী, বাঁজাইন্না বাড়ী,
নাগারইরর্সা বাড়ী, ওস্তা বাড়ী (হাযম বাড়ী), সাব-বাড়ী, হাওলাদার বাড়ী, সৈনিক
বাড়ী, সারেং বাড়ী, দারোগা বাড়ী, নায়েব বাড়ী, পন্ডিত বাড়ী, বকস বাড়ী, ডাক্তার
বাড়ী, কবিরাজ বাড়ী, ইঞ্জিনিয়ার বাড়ী, খলিফা বাড়ী, মুন্সিবাড়ী, মৌলভী বাড়ী,
মোয়াজ্জিন বাড়ী, ইমাম বাড়ী, ফকির বাড়ী, পীর বাড়ী, দরবেশ বাড়ী, ভূতের বাড়ী,
জ্বীন বাড়ী, জমিদার বাড়ী, ওযা বাড়ী, আলগা বাড়ী, খোদাই বাড়ী, ওস্তাকার বাড়ী,
সৈয়ল বাড়ী, সর্দার বাড়ী, চকিদার বাড়ী, দফাদার বাড়ী, কসাই বাড়ী ইত্যাদিএছাড়াও
অসংখ্য নাম না জানা বংশ বা বাড়ী আছে বাঞ্ছারামপুর
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মধ্যেফরদাবাদ গ্রামটিদৈর্ঘ প্রায় ৪(চার) মাইলফরদাবাদ গ্রামটি উত্তর দিকে
সবচেয়ে লম্বা গ্রাম কোনটিগকুলনগর গ্রামের সাথে এবং দক্ষিণমূখী হয়ে গ্রামটি আবার তিতাস নদীর পাড়
ঘেসে পশ্চিমদিকে জুনারচর গ্রামের সাথে মিলেছে
সবচেয়ে বড় গ্রাম কোনটিরূপসদী গ্রাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মধ্যেনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের
সবচেয়ে কম লম্বা গ্রামডোমরাকান্দি গ্রামের উত্তর-পশ্চিম পাশ্র্বের ''মঙ্গলকান্দী'' গ্রামটি
কোনটি
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়েনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে রুপসদী গ্রামে
বেশী লোক কোন গ্রামে বাসপ্রায় ১৬,০০০(ষোল হাজার) লোক বাস করে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলারপ্রায় ৩২টি মসজিদ আছে ফরদাবাদ গ্রামেএ তথ্য ২৬-১২-২০০৭ তারিখ১২-১০-২০১২
কোন গ্রামে সবচেয়েতারিখের তথ্য হল ৪০টি মসজিদ আছে-আবদুল হামিদ
বেশি মসজিদ
কোন গ্রামে সবচেয়ে বড়বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামের সুবিশাল বারিয়াদরের বিল
বিলটির অবস্থান
কোন গ্রামে সবচেয়েবাঞ্ছারামপুর উপজেলার দরিকান্দি গ্রামের ইমামনগরের আড়াইল্যার বিলটি সবচেয়ে
ছোট বিলটির অবস্থানছোট বিল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেবিলটির আয়তন ১০ বিঘা
উপজেলার প্রথম মাষ্টারদরিকান্দি গ্রামের কাজী লাল মিঞা মাষ্টারউনার জন্ম-১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯২৭
মুসলমানের মধ্যেখ্রিষ্টাব্দে
উপজেলার দ্বিতীয় মাষ্টারভেলানগর গ্রামের মোহাম্মদ ইব্রাহিম মাষ্টারউনার জন্ম-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে,
মুসলমানের মধ্যেমৃত্যু-১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে
উপজেলার মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের জনাব নৈমদ্দিন পন্ডিতউনার জন্ম-১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা
পন্ডিত ছিলেননেইঢাকার নবাব বাড়ীতে থেকে লেখাপড়া করেছে এবং নিজের চোখে সিপাই বিপস্নব
দেখেছে বলেছে, জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার বাবা জনাব এমদাদ আলী
মিঞার নিকটএমদাদ আলীর জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২৫-১০-১৯৬৫ তারিখ
এ থানার মুসলমানেরউজানচর বাজারে উজানচর গ্রামের মোহাম্মদ কামালউদ্দিন খাঁ, ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে
মধ্যে প্রথম দোকানদারদোকান দেনউনার জন্ম-১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫০ খ্রিঃ
এ থানার মুসলমানেরবালুয়াকান্দি বাজারে ভেলানগর গ্রামের মোহাম্মদ ওয়ালী সওদাগর, ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দ
মধ্যে দ্বিতীয় দোকানদারথেকে দোকান দেনউনার জন্ম-১৮৯৮ খ্রি. মৃত্যু-১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে
বালুয়াকান্দি বাজারেররূপসদী খানেপাড়ার স্বর্গীয় রাধাচরণ সাহাউনার জন্ম-১৮৮০ খ্রিষ্টাব্দে,
মধ্যে প্রথম দোকানদারপরলোগমণ-১২-০১-১৯৭৪ তারিখ
এ থানার মুসলমানেরখাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীনউনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৫২
মধ্যে প্রথম শহরবাসীখ্রিষ্টাব্দে (কলকাতা মেডিকেল হাসপাতালে স্ত্রী, এক মেয়ে ও ছেলে রেখে)
এ থানার মুসলমানেরমুন্সেফ নাসির-উদ-দীন মুনশিউনার জন্ম-১৭৩০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে
মধ্যে দরিকান্দিনাসির-উদ-দীন মুনশির বড় ছেলে শমশের উদ-দীন মুনশিউনার জন্ম-১৭৫৯ খ্রিষ্টাব্দে,
গ্রামের জনাব আবুলমৃত্যু-জানা নেইশমশের উদ-দীন মুনশির বড় ছেলে ফসিহ উদ-দীন মিঞাউনার
কালাম মোহাম্মদজন্ম-১৭৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেইফসিহ উদ-দীন মিঞার বড় ছেলে গোলাম রসুল
যাকারিয়ার পরিবারটিমিঞাউনার জন্ম-১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৭৩ খ্রিষ্টাবেগোলাম রসুল মিঞার বড় ছেলে
৮ম পুরুষ শিক্ষিতআবদুল গফুর মিঞাউনার জন্ম-১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দেউনার ছোট ভাই ইমদাদ আলী মিঞা
উনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দেইমদাদ আলী মিঞা হলো-জনাব আবুল
কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার পিতাইমদাদ আলী মিঞার ছেলে আবুল কালাম মোহাম্মদ
যাকারিয়াউনার জন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখ আর মৃত্যু-২৪-০২-২০১৬ তারিখজনাব আবুল
কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার বড় ছেলে মাহমুদমাহমুদের জন্ম-১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে
মাহমুদের ছেলের নাম হলো অনন্ত
বাঞ্ছারামপুরমায়ারামপুর গ্রামের হাঁজী মোহাম্মদ আওয়ালীউনার জন্ম-১৮১০ খ্রিষ্টাব্দে,
থানাবাসীর মধ্যেমৃত্যু-১৮৭৯ খ্রিষ্টাব্দেউনি ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে হজ্জ পালন করেনআওয়ালী হাঁজীর পরিচয়
প্রথম হাঁজীহলো মায়ারামপুর গ্রামের জনাব আফতাবউদ্দিন(ভাই)-এর দাদার দাদা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীরভেলানগর গ্রামের খোশাল দিওয়ান, আকিল মাহমুদ, আকরাম উদ-দীন মুনশি, মুন্সেফ
মধ্যে প্রথম কয়েকজনহোসায়েন উদ-দীন মুনশি ও রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনএরা তুর্কি
শিক্ষিত লোকের নামমুসলমান এবং এদের সবাই তুরস্কে জন্মএরা সবাই, এদের বাবাদের সাথে এ দেশে
আসেন
এ থানার মুসলমানের মধ্যে সবচেয়েভেলানগর দিওয়ান বাড়ির মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটিউনার জন্ম-১৮৮৮
বেশী বছর বেঁচে ছিলেনখ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দেউনি ৯৯(নিরানব্বই)বছর বেঁচেছিলন
এ থানার মধ্যে প্রথমদিকে কয়েকটিনান্দরা গ্রামের ভাট রাজাদের পুকুর প্রথমতারপর দারোগা
পুকুর এবং ১৪ বিঘা আয়তনের দিঘিআমির-উদ-দীনের বাড়ীর পুকুরটি কাটানো হয়-১৮০৫ খ্রিষ্টাব্দে এবং ১৪
বিঘা দিঘীটি কাটানো হয়-১৮২০ খ্রিষ্টাব্দে ভেলানগর বড়বাড়ির পুকুরটি
কাটানো হয়-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দেএর পূর্বে কোন গ্রামের পুকুরটি
(নিবন্ধকারের) জানা নেই
এ থানার প্রথম কবরস্থান কোনটিভেলানগর গ্রামের কবরস্থানটি ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়
এ থানার প্রথম পোষ্ট অফিস কোনটিছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের পোষ্ট অফিসটি এ থানার প্রথম পোষ্ট অফিস
এ থানার প্রথম পোষ্ট- মাষ্টার ছিলেনছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের যোগেন্দ্র কুমার দত্ত-এ থানার প্রথম
পোষ্ট-মাষ্টার
এ থানার প্রথম কুয়া বা ইনরারূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন সাহেবের বাড়ীর কুয়াটি-এ
কোনটিথানার প্রথম কুয়া
এ থানার প্রথম টিউবওয়েল কোনটিউজানচর গ্রামের ভগবান সাহাদের স্কুলের টিউবওয়েলটি-এ থানার প্রথম
টিউবওয়েল
এ থানার প্রথম মসজিদ কোনটিরূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন সাহেবের বাড়ীর মসজিদটি এ
থানার প্রথম মসজিদ
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথমখাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীনউনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে,মৃত্যু-১৮৫২
কলকাতা যেয়ে দারোগারখ্রিষ্টাব্দেইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর আমলে ১৮৩৫ খ্রিষ্টাব্দে দারোগার চাকুরী লাভ
চাকুরী নেনকরেননবীনগর থানার প্যারাকান্দি গ্রামের মাওলানা কাজী মোহাম্মদ উজীর আলীর
(উজীর আলী হলো নওয়াব সিরাজুল ইসলাম সাহেবের চাঁচা) নিকট দারোগা সাহেবের
মেয়েকে বিবাহ দেনতাঁর মেয়ের বড় ছেলে হলো আমীর আলী সাহেবআমীর আলী
১৮৮৪ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ. পাশ করিয়া পরে ওকালতি পাশ
করেন এবং কুমিল্লা কোর্টের প্রথম ইংরেজী উকিলআমীর আলীর ছোট ভাই হলো
মওলা আলীএ মওলা আলীই বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম সাব-রেজিষ্ট্রার ছিলেন
বাঞ্ছারামপুরে মওলা আলীর নামে একটি মসজিদ আছে
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথমউলুকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল জব্বার (আরবী, ফারসী ভাষায় শিক্ষিত ছিলেন)
মাওলানাউনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দেউনি উকিল আবদুল লতিফ সাহেবের
পিতা
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল আলীম (স্বর্ণপদক লাভকারী), আরবী ও ফারসী
টাইটেলধারী মাওলানাভাষা স্কুলে পড়াতেনউনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেইউনার পরিচয়
হলো এ থানার প্রথম প্রফেসর মোহাম্মদ সানাউল্লাহ সাহেবের শ্বশুর
এ থানাবাসীর মধ্যেফতেপুর গ্রামের মাওলানা আবদুর রহমান (স্বর্ণপদক লাভকারী), আরবী ও ফারসী
দ্বিতীয় টাইটেলধারীভাষা স্কুলে পড়াতেনউনার জন্ম-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৪৯নিবন্ধকার মোঃ
মাওলানা কেজাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদার ফুফাত ভাই
এ থানার মধ্যে প্রথমউজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা উজানচর গ্রামের পরলোকগত
এন্ট্রান্স পাশ লোকটিশ্রী জয় মঙ্গল সাহাউনি ১৯০০ সালে এন্ট্রান্স পাশ করেনউনার জন্ম-১৮৭৯ সালে,
কলকাতায় মৃত্যু-১৯৫৭
এ থানার মধ্যে প্রথমউজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা উজানচর গ্রামের পরলোকগত
বি.এ. পাশ লোকটিশ্রী জয় মঙ্গল সাহা বি. এ. পাশ করেনএ থানার প্রথম র্গযাজুয়েট
এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম বি.ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ির মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটিআসলে
এ. পাশ লোকটিউনি সাব-ডিপুটিউনি ১৯১২ সালে বি. এ. পাশ করেন
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম উচ্চউজানচর গ্রামের বাবু রাইহরন চক্রবর্তী, এম. এ., বি. টি.উনার
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নামটিজন্ম-১৮৮৮ সালে, মৃত্যু-জানা নেই
বাঙ্গালী মুসলমানেরমরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান১৯২৬ সালে বি. সি. এস.(বেঙ্গল
মধ্যে প্রথম বি. সি.সিভিল সার্ভিস) লিখিত প্রতিযোগিতামূলম পরীক্ষায় ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছিলেন
এস. লিখিত পরীক্ষায়উনার পূর্বে যারা ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছেন তারা হলেন মনোনীতজনাব মোঃ
প্রথম ডিপুটিমিজানুর রহমানের দাদা শ্বশুর হলো নবাব মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম-১৮৬৮ সালে
ম্যাজিস্ট্রেটকুমিল্লা জেলার প্রথম র্গযাজুয়েট এবং বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার দ্বিতীয় নবাব ছিলেন
(পশ্চিম গায়ের মহিলা জমিদার বেগম ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার
প্রথম নবাব ছিলেন)
এ থানাবাসীর মধ্যেভেলানগর গ্রামে জন্ম-১৮৮৮ সালে, মৃত্যু-১৯৫২ সালেঅধ্যাপক মোহাম্মদ সানাউল্লাহ
প্রথম প্রফেসর লোকটিকুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের আরবী, ফারর্সী ভাষা ও সাহিত্যে অধ্যাপনা করতেন
এ থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়দরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়াউনার
ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেটজন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখ
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়াউনি অনেকগুলি
ইতিহাসবিদগবেষণামূলক বইয়ের লেখক
পাকিস্তান আমলেবড়কান্দি গ্রামের জনাব আবদুল খালেক, পাকিস্তান মিলিটারী একাউন্টস সার্ভিেস
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর(পি.এন.এ.এস.)-এ যোগদান করেন ও পরবর্তীেত ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে করাচি সিটি টেক্সেসন
মধ্যে বাঙ্গালী দরদীকমিশনার নিযুক্ত হন এবং ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান জুট ট্রেডিং কপোের্রশনে সদস্য
অফিসার কাকে বলা হতপদে চাকুরীরত অবস্থায় ১৪-১২-১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে শহীদ হনশহীদ আবদুল খালেক
কলাকান্দি এইচ. কে. আসমাতুননেসা উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেনউনার জন্ম-১৯২২
সালে, মৃত্যু-১৪-১২-১৯৭১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীরভেলানগর গ্রামের জনাব মুস-লেহ-উদ-দীন আহমেদ (মানিক মিঞা), সচিব (অবঃ)উনি
মধ্যে প্রথম সচিব ছিলেনপাকিস্তান ট্যাক্সেশন সার্ভিেসর সদস্য ছিলেনউনার জন্ম-১৯২৭ সালে,
মৃত্যু-১০-০৯-২০১২ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের জনাব মুস-লেহ-উদ-দীন আহমেদ, ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেনগুলশানে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমআইয়ূবপুর গ্রামের জনাব মোঃ আজিজুল হক, ১৯৬২ সালের সি.এস.পি.
সি.এস.পি. ছিলেনউনি সচিব হয়ে অবসর গ্রহণ করেনউনার জন্ম-১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়ফরদাবাদ গ্রামের জনাব সৈয়দ আহমদ, ১৯৬৩ সালে সি.এস.পি. ছিলেন
সি.এস.পি. ছিলেনউনি মন্ত্রী পরিষদ সচিব থেকে অবসর গ্রহণ করেনউনার জন্ম-১৯৩৭ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একজনওনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে জনাব মনজুরে
সচিব পদে নেইমাওলার অবসরের পর ৩০-০৬-২০০৭ তারিখ পর্যন্ত সচিব পদে বাঞ্ছারামপুর
থানাবাসীর মধ্যে একজনও ছিল না
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীরমানিকপুর গ্রামের জনাব মোঃ আবদুল আউয়াল, পি.এস.সি. (অব.)উনি ১৯৪৯
মধ্যে প্রথম সি.এস.এস.সালের সি.এস.এস. প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পাকিস্তান পুলিশ সার্ভিেস
থেকে পি.এস.সি.যোগদান করেন ও ডি.আই.জি., বি.আর.টি.সি'র চেয়ারম্যান এবং পাবলিক সার্ভিস
হয়েছিলেনকমিশনের সদস্য ছিলেনউনার জন্ম-১৯২০ সালে, মৃত্যু-০৭-০৮-১৯৮৫ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীরবাড়াইল(বাহেরচর) গ্রামের মেজর (অব.) এম. এ. খালেক, পি.এস.সি.উনি
মধ্যে (বাংলাদেশ আমলে)সেনাবাহিনী থেকে ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে অবসর গ্রহণ করে, ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ পুলিশ