| জেলার আয়তন | পৃথিবীর ৯৯৫ ভাগের ১ ভাগ জায়গা পেয়েছে বাংলাদেশ, পৃথিবীর ৪৩.২৩ ভাগের ১ ভাগ |
| মানুষ বাংলাদেশের, বাংলাদেশের ৫৩.১২৫ ভাগের ১ ভাগ মানুষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার, |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৯ ভাগের ১ ভাগ মানুষ বাঞ্ছারামপুর উপজেলার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার |
| ১৩৯ ভাগের ১ ভাগ মানুষ ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের |
| ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে একটি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যনগর গ্রামের তিতাস নদীর পারে স্থাপিত |
| নীল কুঠি তৈরী করা হয়েছিল কোন | হয়েছিল একটি নীল কুঠি |
| গ্রামে |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার | ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গ্রামের মধ্যে প্রায়-৯০টি নামের বংশ পরিচিতি পাওয়া যায় |
| ৯টি উপজেলার গ্রামের | ঃ-যেমন-বড়বাড়ি, ভূইয়া বাড়ী, দেওয়ান বাড়ী, খাঁ বাড়ী, শিকদার বাড়ী, কাজী বাড়ী, |
| মধ্যে কয়টি বংশ | খন্দকার বাড়ী, চৌধুরী বাড়ী, মিয়া বাড়ী, মীর বাড়ী, হাঁজী বাড়ী, মাঝি বাড়ী, |
| পাওয়া যায়: | বেগ বাড়ী, মির্যা বাড়ী, গাঁজী বাড়ী, তালুকদার বাড়ী, মোল্লা বাড়ী, উকিল বাড়ী, |
| মোক্তার বাড়ী, মাষ্টার বাড়ী, প্রফেসর বাড়ী, আমীন বাড়ী, সরকার বাড়ী, সৈয়দ বাড়ী, |
| ব্যাপারী বাড়ী, মুন্সেফ বাড়ী, কালেক্টর বাড়ী, জজ বাড়ী, ডিপটি বাড়ী, কেরাণী বাড়ী, |
| পেশকার বাড়ী, কাননগো বাড়ী, হাবিলদার বাড়ী, মেম্বার বাড়ী, চেয়ারম্যান বাড়ী, |
| প্রেসিযেন্ট বাড়ী, এম.পি'র বাড়ী, মন্ত্রীর বাড়ী, সাব-রেজিস্ট্রার বাড়ী, ঘোষ বাড়ী, |
| সাহা বাড়ী, যোগী বাড়ী, নাথ বাড়ী, কৈবর্ত বাড়ী, দাস বাড়ী, পাল বাড়ী, দত্ত বাড়ী, |
| রায় বাড়ী, ঠাকুর বাড়ী, পোদ্দার বাড়ী, শীল বাড়ী, গোসাই বাড়ী, তাঁতী বাড়ী, |
| কামার বাড়ী, কুমার বাড়ী, মিস্ত্রী বাড়ী, মুঁচি বাড়ী, ঋৃষি বাড়ী, বাঁজাইন্না বাড়ী, |
| নাগারইরর্সা বাড়ী, ওস্তা বাড়ী (হাযম বাড়ী), সাব-বাড়ী, হাওলাদার বাড়ী, সৈনিক |
| বাড়ী, সারেং বাড়ী, দারোগা বাড়ী, নায়েব বাড়ী, পন্ডিত বাড়ী, বকস বাড়ী, ডাক্তার |
| বাড়ী, কবিরাজ বাড়ী, ইঞ্জিনিয়ার বাড়ী, খলিফা বাড়ী, মুন্সিবাড়ী, মৌলভী বাড়ী, |
| মোয়াজ্জিন বাড়ী, ইমাম বাড়ী, ফকির বাড়ী, পীর বাড়ী, দরবেশ বাড়ী, ভূতের বাড়ী, |
| জ্বীন বাড়ী, জমিদার বাড়ী, ওযা বাড়ী, আলগা বাড়ী, খোদাই বাড়ী, ওস্তাকার বাড়ী, |
| সৈয়ল বাড়ী, সর্দার বাড়ী, চকিদার বাড়ী, দফাদার বাড়ী, কসাই বাড়ী ইত্যাদি | এছাড়াও |
| অসংখ্য নাম না জানা বংশ বা বাড়ী আছে বাঞ্ছারামপুর |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মধ্যে | ফরদাবাদ গ্রামটি | দৈর্ঘ প্রায় ৪(চার) মাইল | ফরদাবাদ গ্রামটি উত্তর দিকে |
| সবচেয়ে লম্বা গ্রাম কোনটি | গকুলনগর গ্রামের সাথে এবং দক্ষিণমূখী হয়ে গ্রামটি আবার তিতাস নদীর পাড় |
| ঘেসে পশ্চিমদিকে জুনারচর গ্রামের সাথে মিলেছে |
| সবচেয়ে বড় গ্রাম কোনটি | রূপসদী গ্রাম |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মধ্যে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের |
| সবচেয়ে কম লম্বা গ্রাম | ডোমরাকান্দি গ্রামের উত্তর-পশ্চিম পাশ্র্বের ''মঙ্গলকান্দী'' গ্রামটি |
| কোনটি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে রুপসদী গ্রামে |
| বেশী লোক কোন গ্রামে বাস | প্রায় ১৬,০০০(ষোল হাজার) লোক বাস করে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার | প্রায় ৩২টি মসজিদ আছে ফরদাবাদ গ্রামে | এ তথ্য ২৬-১২-২০০৭ তারিখ | ১২-১০-২০১২ |
| কোন গ্রামে সবচেয়ে | তারিখের তথ্য হল ৪০টি মসজিদ আছে-আবদুল হামিদ |
| বেশি মসজিদ |
| কোন গ্রামে সবচেয়ে বড় | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামের সুবিশাল বারিয়াদরের বিল |
| বিলটির অবস্থান |
| কোন গ্রামে সবচেয়ে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দরিকান্দি গ্রামের ইমামনগরের আড়াইল্যার বিলটি সবচেয়ে |
| ছোট বিলটির অবস্থান | ছোট বিল হিসেবে পরিচিতি লাভ করে | বিলটির আয়তন ১০ বিঘা |
| উপজেলার প্রথম মাষ্টার | দরিকান্দি গ্রামের কাজী লাল মিঞা মাষ্টার | উনার জন্ম-১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯২৭ |
| মুসলমানের মধ্যে | খ্রিষ্টাব্দে |
| উপজেলার দ্বিতীয় মাষ্টার | ভেলানগর গ্রামের মোহাম্মদ ইব্রাহিম মাষ্টার | উনার জন্ম-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মুসলমানের মধ্যে | মৃত্যু-১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে |
| উপজেলার মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের জনাব নৈমদ্দিন পন্ডিত | উনার জন্ম-১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা |
| পন্ডিত ছিলেন | নেই | ঢাকার নবাব বাড়ীতে থেকে লেখাপড়া করেছে এবং নিজের চোখে সিপাই বিপস্নব |
| দেখেছে বলেছে, জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার বাবা জনাব এমদাদ আলী |
| মিঞার নিকট | এমদাদ আলীর জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২৫-১০-১৯৬৫ তারিখ |
| এ থানার মুসলমানের | উজানচর বাজারে উজানচর গ্রামের মোহাম্মদ কামালউদ্দিন খাঁ, ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে |
| মধ্যে প্রথম দোকানদার | দোকান দেন | উনার জন্ম-১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫০ খ্রিঃ |
| এ | এ থানার মুসলমানের | বালুয়াকান্দি বাজারে ভেলানগর গ্রামের মোহাম্মদ ওয়ালী সওদাগর, ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দ |
| মধ্যে দ্বিতীয় দোকানদার | থেকে দোকান দেন | উনার জন্ম-১৮৯৮ খ্রি. মৃত্যু-১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে |
| বালুয়াকান্দি বাজারের | রূপসদী খানেপাড়ার স্বর্গীয় রাধাচরণ সাহা | উনার জন্ম-১৮৮০ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মধ্যে প্রথম দোকানদার | পরলোগমণ-১২-০১-১৯৭৪ তারিখ |
| এ থানার মুসলমানের | খাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীন | উনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৫২ |
| মধ্যে প্রথম শহরবাসী | খ্রিষ্টাব্দে (কলকাতা মেডিকেল হাসপাতালে স্ত্রী, এক মেয়ে ও ছেলে রেখে) |
| এ থানার মুসলমানের | মুন্সেফ নাসির-উদ-দীন মুনশি | উনার জন্ম-১৭৩০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে |
| মধ্যে দরিকান্দি | নাসির-উদ-দীন মুনশির বড় ছেলে শমশের উদ-দীন মুনশি | উনার জন্ম-১৭৫৯ খ্রিষ্টাব্দে, |
| গ্রামের জনাব আবুল | মৃত্যু-জানা নেই | শমশের উদ-দীন মুনশির বড় ছেলে ফসিহ উদ-দীন মিঞা | উনার |
| কালাম মোহাম্মদ | জন্ম-১৭৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | ফসিহ উদ-দীন মিঞার বড় ছেলে গোলাম রসুল |
| যাকারিয়ার পরিবারটি | মিঞা | উনার জন্ম-১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৭৩ খ্রিষ্টাবে | গোলাম রসুল মিঞার বড় ছেলে |
| ৮ম পুরুষ শিক্ষিত | আবদুল গফুর মিঞা | উনার জন্ম-১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দে | উনার ছোট ভাই ইমদাদ আলী মিঞা |
| উনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে | ইমদাদ আলী মিঞা হলো-জনাব আবুল |
| কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার পিতা | ইমদাদ আলী মিঞার ছেলে আবুল কালাম মোহাম্মদ |
| যাকারিয়া | উনার জন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখ আর মৃত্যু-২৪-০২-২০১৬ তারিখ | জনাব আবুল |
| কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার বড় ছেলে মাহমুদ | মাহমুদের জন্ম-১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে |
| মাহমুদের ছেলের নাম হলো অনন্ত |
| বাঞ্ছারামপুর | মায়ারামপুর গ্রামের হাঁজী মোহাম্মদ আওয়ালী | উনার জন্ম-১৮১০ খ্রিষ্টাব্দে, |
| থানাবাসীর মধ্যে | মৃত্যু-১৮৭৯ খ্রিষ্টাব্দে | উনি ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে হজ্জ পালন করেন | আওয়ালী হাঁজীর পরিচয় |
| প্রথম হাঁজী | হলো মায়ারামপুর গ্রামের জনাব আফতাবউদ্দিন(ভাই)-এর দাদার দাদা |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর | ভেলানগর গ্রামের খোশাল দিওয়ান, আকিল মাহমুদ, আকরাম উদ-দীন মুনশি, মুন্সেফ |
| মধ্যে প্রথম কয়েকজন | হোসায়েন উদ-দীন মুনশি ও রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন | এরা তুর্কি |
| শিক্ষিত লোকের নাম | মুসলমান এবং এদের সবাই তুরস্কে জন্ম | এরা সবাই, এদের বাবাদের সাথে এ দেশে |
| আসেন |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে সবচেয়ে | ভেলানগর দিওয়ান বাড়ির মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটি | উনার জন্ম-১৮৮৮ |
| বেশী বছর বেঁচে ছিলেন | খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে | উনি ৯৯(নিরানব্বই)বছর বেঁচেছিলন |
| এ থানার মধ্যে প্রথমদিকে কয়েকটি | নান্দরা গ্রামের ভাট রাজাদের পুকুর প্রথম | তারপর দারোগা |
| পুকুর এবং ১৪ বিঘা আয়তনের দিঘি | আমির-উদ-দীনের বাড়ীর পুকুরটি কাটানো হয়-১৮০৫ খ্রিষ্টাব্দে এবং ১৪ |
| বিঘা দিঘীটি কাটানো হয়-১৮২০ খ্রিষ্টাব্দে ভেলানগর বড়বাড়ির পুকুরটি |
| কাটানো হয়-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে | এর পূর্বে কোন গ্রামের পুকুরটি |
| (নিবন্ধকারের) জানা নেই |
| এ থানার প্রথম কবরস্থান কোনটি | ভেলানগর গ্রামের কবরস্থানটি ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় |
| এ থানার প্রথম পোষ্ট অফিস কোনটি | ছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের পোষ্ট অফিসটি এ থানার প্রথম পোষ্ট অফিস |
| এ থানার প্রথম পোষ্ট- মাষ্টার ছিলেন | ছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের যোগেন্দ্র কুমার দত্ত-এ থানার প্রথম |
| পোষ্ট-মাষ্টার |
| এ থানার প্রথম কুয়া বা ইনরা | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন সাহেবের বাড়ীর কুয়াটি-এ |
| কোনটি | থানার প্রথম কুয়া |
| এ থানার প্রথম টিউবওয়েল কোনটি | উজানচর গ্রামের ভগবান সাহাদের স্কুলের টিউবওয়েলটি-এ থানার প্রথম |
| টিউবওয়েল |
| এ থানার প্রথম মসজিদ কোনটি | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন সাহেবের বাড়ীর মসজিদটি এ |
| থানার প্রথম মসজিদ |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | খাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীন | উনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে,মৃত্যু-১৮৫২ |
| কলকাতা যেয়ে দারোগার | খ্রিষ্টাব্দে | ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর আমলে ১৮৩৫ খ্রিষ্টাব্দে দারোগার চাকুরী লাভ |
| চাকুরী নেন | করেন | নবীনগর থানার প্যারাকান্দি গ্রামের মাওলানা কাজী মোহাম্মদ উজীর আলীর |
| (উজীর আলী হলো নওয়াব সিরাজুল ইসলাম সাহেবের চাঁচা) নিকট দারোগা সাহেবের |
| মেয়েকে বিবাহ দেন | তাঁর মেয়ের বড় ছেলে হলো আমীর আলী সাহেব | আমীর আলী |
| ১৮৮৪ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ. পাশ করিয়া পরে ওকালতি পাশ |
| করেন এবং কুমিল্লা কোর্টের প্রথম ইংরেজী উকিল | আমীর আলীর ছোট ভাই হলো |
| মওলা আলী | এ মওলা আলীই বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম সাব-রেজিষ্ট্রার ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুরে মওলা আলীর নামে একটি মসজিদ আছে |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | উলুকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল জব্বার (আরবী, ফারসী ভাষায় শিক্ষিত ছিলেন) |
| মাওলানা | উনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে | উনি উকিল আবদুল লতিফ সাহেবের |
| পিতা |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল আলীম (স্বর্ণপদক লাভকারী), আরবী ও ফারসী |
| টাইটেলধারী মাওলানা | ভাষা স্কুলে পড়াতেন | উনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | উনার পরিচয় |
| হলো এ থানার প্রথম প্রফেসর মোহাম্মদ সানাউল্লাহ সাহেবের শ্বশুর |
| এ থানাবাসীর মধ্যে | ফতেপুর গ্রামের মাওলানা আবদুর রহমান (স্বর্ণপদক লাভকারী), আরবী ও ফারসী |
| দ্বিতীয় টাইটেলধারী | ভাষা স্কুলে পড়াতেন | উনার জন্ম-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৪৯ | নিবন্ধকার মোঃ |
| মাওলানা কে | জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদার ফুফাত ভাই |
| এ থানার মধ্যে প্রথম | উজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা উজানচর গ্রামের পরলোকগত |
| এন্ট্রান্স পাশ লোকটি | শ্রী জয় মঙ্গল সাহা | উনি ১৯০০ সালে এন্ট্রান্স পাশ করেন | উনার জন্ম-১৮৭৯ সালে, |
| কলকাতায় মৃত্যু-১৯৫৭ |
| এ থানার মধ্যে প্রথম | উজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা উজানচর গ্রামের পরলোকগত |
| বি.এ. পাশ লোকটি | শ্রী জয় মঙ্গল সাহা বি. এ. পাশ করেন | এ থানার প্রথম র্গযাজুয়েট |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম বি. | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ির মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটি | আসলে |
| এ. পাশ লোকটি | উনি সাব-ডিপুটি | উনি ১৯১২ সালে বি. এ. পাশ করেন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম উচ্চ | উজানচর গ্রামের বাবু রাইহরন চক্রবর্তী, এম. এ., বি. টি. | উনার |
| বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নামটি | জন্ম-১৮৮৮ সালে, মৃত্যু-জানা নেই |
| বাঙ্গালী মুসলমানের | মরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান | ১৯২৬ সালে বি. সি. এস.(বেঙ্গল |
| মধ্যে প্রথম বি. সি. | সিভিল সার্ভিস) লিখিত প্রতিযোগিতামূলম পরীক্ষায় ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছিলেন |
| এস. লিখিত পরীক্ষায় | উনার পূর্বে যারা ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছেন তারা হলেন মনোনীত | জনাব মোঃ |
| প্রথম ডিপুটি | মিজানুর রহমানের দাদা শ্বশুর হলো নবাব মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম-১৮৬৮ সালে |
| ম্যাজিস্ট্রেট | কুমিল্লা জেলার প্রথম র্গযাজুয়েট এবং বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার দ্বিতীয় নবাব ছিলেন |
| (পশ্চিম গায়ের মহিলা জমিদার বেগম ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার |
| প্রথম নবাব ছিলেন) |
| এ থানাবাসীর মধ্যে | ভেলানগর গ্রামে জন্ম-১৮৮৮ সালে, মৃত্যু-১৯৫২ সালে | অধ্যাপক মোহাম্মদ সানাউল্লাহ |
| প্রথম প্রফেসর লোকটি | কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের আরবী, ফারর্সী ভাষা ও সাহিত্যে অধ্যাপনা করতেন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | দরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া | উনার |
| ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট | জন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখ |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া | উনি অনেকগুলি |
| ইতিহাসবিদ | গবেষণামূলক বইয়ের লেখক |
| পাকিস্তান আমলে | বড়কান্দি গ্রামের জনাব আবদুল খালেক, পাকিস্তান মিলিটারী একাউন্টস সার্ভিেস |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর | (পি.এন.এ.এস.)-এ যোগদান করেন ও পরবর্তীেত ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে করাচি সিটি টেক্সেসন |
| মধ্যে বাঙ্গালী দরদী | কমিশনার নিযুক্ত হন এবং ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান জুট ট্রেডিং কপোের্রশনে সদস্য |
| অফিসার কাকে বলা হত | পদে চাকুরীরত অবস্থায় ১৪-১২-১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে শহীদ হন | শহীদ আবদুল খালেক |
| কলাকান্দি এইচ. কে. আসমাতুননেসা উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন | উনার জন্ম-১৯২২ |
| সালে, মৃত্যু-১৪-১২-১৯৭১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর | ভেলানগর গ্রামের জনাব মুস-লেহ-উদ-দীন আহমেদ (মানিক মিঞা), সচিব (অবঃ) | উনি |
| মধ্যে প্রথম সচিব ছিলেন | পাকিস্তান ট্যাক্সেশন সার্ভিেসর সদস্য ছিলেন | উনার জন্ম-১৯২৭ সালে, |
| মৃত্যু-১০-০৯-২০১২ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের জনাব মুস-লেহ-উদ-দীন আহমেদ, ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার |
| প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন | গুলশানে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | আইয়ূবপুর গ্রামের জনাব মোঃ আজিজুল হক, ১৯৬২ সালের সি.এস.পি. |
| সি.এস.পি. ছিলেন | উনি সচিব হয়ে অবসর গ্রহণ করেন | উনার জন্ম-১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | ফরদাবাদ গ্রামের জনাব সৈয়দ আহমদ, ১৯৬৩ সালে সি.এস.পি. ছিলেন |
| সি.এস.পি. ছিলেন | উনি মন্ত্রী পরিষদ সচিব থেকে অবসর গ্রহণ করেন | উনার জন্ম-১৯৩৭ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একজনও | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে জনাব মনজুরে |
| সচিব পদে নেই | মাওলার অবসরের পর ৩০-০৬-২০০৭ তারিখ পর্যন্ত সচিব পদে বাঞ্ছারামপুর |
| থানাবাসীর মধ্যে একজনও ছিল না |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর | মানিকপুর গ্রামের জনাব মোঃ আবদুল আউয়াল, পি.এস.সি. (অব.) | উনি ১৯৪৯ |
| মধ্যে প্রথম সি.এস.এস. | সালের সি.এস.এস. প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পাকিস্তান পুলিশ সার্ভিেস |
| থেকে পি.এস.সি. | যোগদান করেন ও ডি.আই.জি., বি.আর.টি.সি'র চেয়ারম্যান এবং পাবলিক সার্ভিস |
| হয়েছিলেন | কমিশনের সদস্য ছিলেন | উনার জন্ম-১৯২০ সালে, মৃত্যু-০৭-০৮-১৯৮৫ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর | বাড়াইল(বাহেরচর) গ্রামের মেজর (অব.) এম. এ. খালেক, পি.এস.সি. | উনি |
| মধ্যে (বাংলাদেশ আমলে) | সেনাবাহিনী থেকে ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে অবসর গ্রহণ করে, ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ পুলিশ |