বিশ্ববিদ্যালয়ে২৮-বছর যাবত অধ্যাপক হিসেবে চাকুরী করে গত ৩০-০৬-২০০৬ তারিখ অবসর-এ যান এবং
চাকুরী করে অবসরেসংখ্যাতিরিক্ত হিসেবে আরও ৫ বছর অধ্যাপনার সুযোগ পেয়েছেনবাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর
যান-মধ্যে আর কেউ এখন পর্যন্ত(৩০-০৬-২০১১ তারিখ) মানে ৩৩ বছর পর্যন্ত অধ্যাপক হিসেবে
এত বছর অধ্যাপনা করেননিতিনি বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম ইন্ডাজষ্ট্রিয়াল ফিন্ন্যাসে ডক্টরেট
ডিগ্রি করেনউনার জন্ম-১৯৩৫ সালে
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তিউলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোহাম্মদ মোহাদ্দেস, মহা-পরিচালক
বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ক্যাডারপদে কর্মরত ছিলেনউনার জন্ম-১৯৪৪ সালে
সার্ভিেস সর্বোচ্চ পদে ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে এবংপূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী ডাক্তার আনসার আলীতিনি বৃহত্তর কুমিল্লা
বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার মধ্যেও প্রথমজেলার প্রথম মুসলমান এম.বি. (বর্তমান এম. বি. বি.এস.-এর সমান)
চিকিৎসক ছিলেনউনার জন্ম-১৮৯২ সালে, মৃত্যু-১০-১২-১৯৭১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ডা. এ. এম. মোশতাকুল হকতিনি চিকিৎসা
চিকিৎসক ছিলেনবিভাগের সর্বোচ্চ পরিচালকের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেনউনার
জন্ম-১৯১৮ সালে, মৃত্যু-২২-০১-১৯৯৪ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমপূর্বহাটী গ্রামের ডা. ক্যাপ্টেন আ. গফুরউনি বৃটিশ আর্মিেত চাকুরী
এল.এম.এফ. চিকিৎসক ছিলেনকরতেনউনার জন্ম-১৯০১ সালে, মৃত্যু-১৯৪৫ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিভেলানগর গ্রামের অধিবাসী ডা. নাসিরউদ্দিনউনার জন্ম-১৮৯৮ সালে,
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ছিলেনমৃত্যু-১০-০২-১৯৬২ তারিখবাসার ঠিকানাঃ-৩৭, আল আমিন রোড,
কাঠালবাগান, গ্রীণ রোড, ঢাকা১৯১৯ সালের ম্যাট্রিকুলেশন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমউজানচর গ্রামের অধিবাসী নোয়াব আলী কবিরাজউনার জন্ম-১৮৯৫ সালে,
কবিরাজ চিকিৎসক ছিলেনমৃত্যু-১৯৮০ সালেনোয়াব আলী কবিরাজ হলো খোশকান্দি গ্রামের
অধিবাসী আবদুল মজিদ মাষ্টারের শ্বশুরমজিদ মাষ্টারের জন্ম-১৯১২ সালে,
মৃত্যু-০৫-০৬-১৯৮১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদেীলত গ্রামের অজী বাড়ির অধিবাসী মোহাম্মদ জারু হেকিমউনার
হেকিমী চিকিৎসক ছিলেনজন্ম-১৯০০ সালে, মৃত্যু-জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের রুপ মিয়া খলিফার বাবা আফাজুদ্দিন খলিফউনার
খলিফা (কাপড় সেলাই) ছিলেনজন্ম-১৮৮০ সালে মৃত্যু-১৯৪৯ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী মোঃ মইজউদ্দিন আমীনউনার জন্ম-১৮৮৫
আমিন (জমি মাপার) ছিলেনসালে, মৃত্যু-জানা নেইউনার ছেলের নাম জনাব আবদুল মান্নান, কাষ্টম
অফিসার ছিলেনউনার জন্ম-১৯১৪ সালে, মৃত্যু-১৯৮৫ সালেউনার মেয়ের
স্বামী হলো ভূমি প্রতিমন্ত্রী উকিল আবদুস সাত্তার ভূইয়া
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদেরভেলানগর বড়বাড়ির জনাব মোঃ অঅবদুস সালামের ছেলে অনীকতার উচ্চতা
মধ্যে সবচেয়ে উঁচু লোকটি কোন৬ ফুট ২ ইঞ্চি
গ্রামের
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদেরনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা মতে বাঞ্ছারামপুর
মধ্যে সবচেয়ে বেটে লোকটি কোনথানার দরিভেলানগর গ্রামের লায়মন বিবিতার উচ্চতা ৩০(ত্রিশ) ইঞ্চি
গ্রামেরতারমত বেটে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা মতে
বাঞ্ছারামপুর থানায় আর দ্বিতীয়টি আছে বলে জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাঞ্ছারামপুর থানার মরিচাকান্দি গ্রামের সরকার বাড়ির মোঃ মিজানুর
প্রতিষ্ঠিত সাহিত্যিকরহমান,ডিপটি
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মোহাম্মদ অলেক ভূইয়ার ছেলে মি.
প্রতিষ্ঠিত কোস্তিগীরবাংলাদেশ ছিলেন জনাব মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ লাকীসে একজন বডি
বিল্ডার ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম সামাদ মাষ্টারের ছেলে ডা. মোসলেহ
প্রতিষ্ঠিত স্পোর্টস গার্লউদ্দিন-এর মেয়ে মিসেস সাবরীণা সুলাতানাসাবরীণা সুলাতানা জাতীয়
সুটারতার জন্ম-১৯৭৫ সালের ১ মার্চ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে মাসিমনগর গ্রামের
রেডিওতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পীমোহাম্মদ দারোগ আলীদারোগ আলীর জন্ম-১৯১৫ সালে, মৃত্যু-জানা
নেইদারোগ আলীর ছেলে-নান্নু মিঞা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা বাঞ্ছারামপুর থানার
বিটিভিতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পীউলুকান্দি গ্রামের শিল্পী খালিদ লতিফ (উচ্চাঙ্গ ও নজরুল সঙ্গীত শিল্পী)
মহিলা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানেররূপসদী গ্রামের অধিবাসী খানবাহাদুর মৌলভী তুজাম্মেল আলীর দ্বিতীয়
মধ্যে প্রথম যাত্রা শিল্পীছেলে জনাব মোহাম্মদ দানা মিঞা সাবউনার জন্ম-১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-২০০০ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ইঞ্জিনিয়ার মোতাহার-উল-হক (সুদন মিঞা)
ইঞ্জিনিয়ারউনার জন্ম-১৯১৭ সালে, মৃত্যু-১২-০২-২০০২ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম আবদুস সামাদ সাহেবের বড় ছেলে
ইঞ্জিনিয়ার সর্বোচ্চ পদে ছিলেনইঞ্জিনিয়ার নাজমুল আলম (বকুল), বি.সি.আই.সি.র. চেয়ারম্যান পদ
থেকে অবসর গ্রহণ করেনউনার জন্ম-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমপূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী ডা. আনসার আলী সাহেবের পূত্র জনাব
মাইনিং ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সর্বোচ্চএ.এফ.এম. ফজলুল করিম, ১৯৭১ সালে লাহোর থেকে মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং
পদে ছিলেনপাশ করেনবাংলাদেশ পেট্রোবাংলার, এম.ডি. হিসেবে অবসর গ্রহণ
করেনউনার জন্ম-১৯৪২ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদেরদুর্গারামপুর গ্রামের মরহুম এডভোকেট আবদুল লতিফের কন্যা স্থপতি
মধ্যে প্রথম স্থপতি (অৎপযরঃবপঃ)(অৎপযরঃবপঃ) ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন লাইলুন নাহারতাঁর স্থাপত্য
ইঞ্জিনিয়ার হিসেবেহলো-নগরভবন ও আগারগাঁও-এ প্রতিষ্ঠিত স্থানীয় সরকার বিভাগের
এল.জি.ই.ডি. ভবনসহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠান
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট আবদুস সোবহানের পুত্র
প্রথম সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবংও বসুন্দরা গ্রুপ অব কোম্পানীজের স্বত্তাধিকারী জনাব আহমেদ আকবর
পূঁজিপতি হলেনসোবহান (শাহ আলম)উনার জন্ম-১৯৪৬ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেমিরপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম নান্নু মিঞার পুত্র ডক্টর রওশন আলম
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবংলিব্রা র্ফামাসিটিক্যালস লিঃ এবং কে. ডি. এস.-এর স্বত্তাধিকারীউনার
পূঁজিপতি হলেনজন্ম-১৯৪২ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেরূপসদী গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ ফরিদউদ্দিন-এর ছোট ভাই হাঁজী
তৃতীয় সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবংমোহাম্মদ হেলালউদ্দিন, সারাদেশে পরিচিতি লাভ করেছেন স্ট্যান্ডার্ড লুঙ্গি
পূঁজিপতি হলেনবাজারজাত করেএখন শাহ আমানত শাহ নামে তার সব ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের
নামএ ছাড়াও আরো অনেক ব্যবসার সাথে জড়িত আছেতার জন্ম-১৯৬২
সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমচরলহনিয়া(চলইন্না) গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ সুরুজ মিঞার লঞ্চ ১৯৪৮
ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেনসাল থেকে ঢাকার সদরঘাট থেকে রামচন্দ্রপুর এবং রামচন্দ্রপুর থেকে
সদরঘাট পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল করত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেভেলানগর উত্তরপাড়ার রাহাত আলীর ছেলে মোহাম্মদ মালু মিয়ার
সবচেয়ে বেশী চাষের জমি কোনছেলেদের দখলে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে
পরিবারের১৩০(একশত ত্রিশ) বিঘা বা কানী চাষের জমি আছেমালু মিঞার
জন্ম-১৯২২ সালে, মৃত্যু-২০০২ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ আলী আজগর ব্যাপারীর বড় ছেলে
প্রতিষ্ঠিত জুয়ারী ছিলেন কেআবদুল মালেকউনার জন্ম-১৯১২ সালে, মৃত্যু-১৯৮৭ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমউজানচর গ্রামের অধিবাসী পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা
ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেনপরলোকগত শ্রী জয় মঙ্গল সাহাউনার জন্ম-১৮৭৯ সালে, মৃত্যু-১৯৫৭
সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেভবনাথপুর গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট মৌলভী মোহাম্মদ মহব্বত আলী
দ্বিতীয় ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেনউনার জন্ম-১৮৮৯ সালে, মৃত্যু-১৯৫৬ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমচরলহনিয়া (চলইন্না) গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ সুরুজ মিঞাউনি
ব্যক্তি ঠিকাদারী ব্যবসা করতেনব্রিটিশ আমল থেকে ঠিকাধারী ব্যবসা করতউনার জন্ম-১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু মিঞা),
ব্যক্তি লোক রপ্তানীকারকসাবেক এম.পি.উনি ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত লোক রপ্তানীকারক
ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমবাঞ্ছারামপুর গ্রামের অধিবাসী স্বনামধন্য সংগীত সাধক ও গীতিকার
ব্যক্তি কবি ও লেখক ছিলেনমোহাম্মদ আবদুল্লাহউনার জন্ম-১৮৯৪ সাল, মৃত্যু-জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদেরদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী পন্ডিত আবদুল হাকিম-এর স্ত্রী বেগম আমেনা
মধ্যে প্রথম লেখিকা ছিলেনখাতুনউনি বিংশ শতাব্দীর ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দের দিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের
ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পাঠ্য পুস্তক লিখেছেন (আদর্শ লিপি লিখিছেন শুনা
যায়)উনার জন্ম-১৮৯৭ সাল, মৃত্যু-জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে অধিকবাখরনগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম কাজী আম্বর আলী সাহেবের ছেলে কাজী
পরিচিতি লাভ করেছে বাংলাদেশমুহম্মদ মনজুরে মওলাউনি শুধু একজন সচিবই নন-তিনি একজন লব্দপ্রতিষ্ঠিত
সরকারের সচিব ও কবি-সাহিত্যিককবি-সাহিত্যিকও বটেউনার জন্ম-১৯৩৭ সালে
হিসেবে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে অধিকউলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী বাংলাদেশ বেতারের পরিচালক জনাব
পরিচিতি লাভ করেছে গীতিকারমোহাম্মদ মোজাক্কেরউনি কয়েকটি গানের বই রচনা করেছেনউনার
হিসেবেজন্ম-১৯৩৯ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেব্‌াঁশগাড়ী গ্রামের অধিবাসী মরহুম আলহাজ্জ টি. হোসেন সাহেবের পুত্র
প্রখ্যাত ছড়াকার ও লেখকজনাব লুৎফর রহমান রিটনতাঁর জন্ম-১৯৬০ সালের ১ এপ্রিল
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভুরভুরিয়া গ্রামের অধিবাসী নামকরা অভিনেতা, লেখক ও পরিচালক
সিনেমা ও টি. ভি. শিল্পীমোহাম্মদ জহিরুল হকউনার জন্ম-১৯৩৬ সালে, মৃত্যু-১৯৯৩ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী অবসরপ্রাপ্ত ডিপুটি পোষ্টমাষ্টার জেনারেল
মহিলা হিসেবে সিনেমা ও টি. ভি.মোঃ মফিজুল ইসলাম (মুনশি মিঞা) (উনার জন্ম-৩০-০৬-১৯১৯ তারিখ,
শিল্পী ছিলেনমৃত্যু-১০-০৫-২০০৭ তারিখ)-এর দ্বিতীয় কন্যা হামিদা বাণু ওরফে ডলি
জহুরের জন্ম-১০-০৭-১৯৫২ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদেরমরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. সরফুজ্জামান (আবু
মধ্যে প্রথম টি. ভি. তে জনসংখ্যাতাহের)-এর কন্যা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পরিচালক মিসেস লুৎফে
বিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় কেতাহেরা১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যা বিষয়ক অনুষ্ঠান
উপস্থাপনায় ছিলেনমিসেস লুৎফে তাহেরার জন্ম-১৯৫০ সাল
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমধ্যনগর গ্রামের অধিবাসী সাধক পুরুষ শাহ রাহাত আলীর মাজার
মাজারটি কারমাসিন্নগর বজারে প্রতিষ্ঠিত হয় ০২-০৮-১৯৪৬ তারিখউনার জন্ম-১৮৭৬
সালে, মৃত্যু-০২-০৮-১৯৪৬ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমউজানচর গ্রামের অধিবাসী পরলোকগত শ্রী রাজেন্দ্র চন্দ্র সাহা ফুটবল
নামকরা খেলাধুলায়খেলোয়ার ছিলেনউনার জন্ম-১৯০২ সালে, মৃত্যু-জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল সোবহান সাহেবের
পাকিস্তান জাতীয় হকিদলের নামকরাপুত্র জনাব আবদুস সাদেক (মোঃ শাহজাহান)উনার জন্ম-১৯৪২ সালে
খেলোয়ার
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেশরিফপুর গ্রামের মরহুম তোতা মিঞা মাষ্টারের বড় ছেলে-মরহুম এ. কে.
বাংলাদেশ জাতীয় হকিদলের নামকরাগোলাম কিবরিয়ার বড় ছেলে সিয়াম-এ-নূর (সাবেক বাংলাদেশ জাতীয় হকি
খেলোয়ারখেলোয়ার ছিলেন ১৯৯৪ থেকে ২০০০ পর্যন্ত)সিয়ামের জন্ম-০২-১১-১৯৭০
তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমশরিফপুর গ্রামের মরহুম তোতা মিঞা মাষ্টারের বড় ছেলে-মরহুম এ. কে.
ক্রিকেট কোচ, মেট্রো ক্রিকেটগোলাম কিবরিয়ার ছোট ছেলে তেনজাম-এ-নূর (ঝিলাম)ঝিলামের
একাডেমীজন্ম-২৮-০৪-১৯৭২ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমানিকপুর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবদুল মতিন-এর দ্বিতীয় ছেলে জনাব
জাতীয় টিমের ক্রিকেট খেলোয়ারমোহাম্মদ আশরাফুল-এর জন্ম-১৯৮৪ সালের ৭ জুলাই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমধ্যনগর গ্রামের অধিবাসী বকুল মোস্তফা (মোস্তফা জব্বারের স্ত্রী বকুল
কমপিউটার জগতের বিখ্যাত ব্যবসায়ীমোস্তফা) আনন্দ কমপিউটার-এর মালিকতার জন্ম-১৯৫১ সালে
১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১০ এপ্রিল, ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব
প্রথম বাঞ্ছারামপুর থানার পাকিস্তানী পতাকাটিমেজবাহ উদ-দীন আহমেদ (মতি মিঞার) নেতৃত্বে বাঞ্ছারামপুর
কার নেতৃত্বে নামানো হয় এবং বাংলাদেশেরথানার পাকিস্তানী পতাকাটি নামানো হয় এবং বাংলাদেশের
পতাকাটি উড়ানো হয়পতাকাটি উড়ানো হয়
১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর, ঢাকাতে পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ ডিসেম্বর, বাঞ্ছারামপুর
করেন কিন্তু বাঞ্ছারামপুর থানার পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ করেন কতথানার পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ করে
তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ডক্টর এ. কে. এম. হাই সিঙ্গাপুরে অবস্থিত
কোন কেমিষ্টজাপানী আলফা টেকনো গ্রুপ অব চেম্বার-এর পরিচালকতিনি সুপার
গেস্না নামক আটার ফর্মুলা উদ্ভাবক
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী পদার্থিবজ্ঞানী নূরুন নবী খন্দকার আমেরিকায়
কোন পদার্থিবজ্ঞানী নাসাতে চাকুরী(ঘঅঝঅ)তে চাকুরী করতেন
করতেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম১৯৫৩ সালে পূর্ব বাংলার মূখ্যমন্ত্রী জনাব নূরুল আমিন-এর একটি সভা
ছাত্র অবস্থায় এবং কলেজে শিক্ষকতাসোনারামপুর বাজারে অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় দরিয়াদৌলত গ্রামের অধ্যাপক
করার সময় রাজনীতির সাথে জড়িতআবদুল মোমেন-এর নেতৃত্বে সভাটি পন্ডু করে দেয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে
ছিলেনহুলিয়া জারী করা হয়েছিলব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজের অধ্যাপক আবদুল