| বিশ্ববিদ্যালয়ে | ২৮-বছর যাবত অধ্যাপক হিসেবে চাকুরী করে গত ৩০-০৬-২০০৬ তারিখ অবসর-এ যান এবং |
| চাকুরী করে অবসরে | সংখ্যাতিরিক্ত হিসেবে আরও ৫ বছর অধ্যাপনার সুযোগ পেয়েছেন | বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর |
| যান- | মধ্যে আর কেউ এখন পর্যন্ত(৩০-০৬-২০১১ তারিখ) মানে ৩৩ বছর পর্যন্ত অধ্যাপক হিসেবে |
| এত বছর অধ্যাপনা করেননি | তিনি বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম ইন্ডাজষ্ট্রিয়াল ফিন্ন্যাসে ডক্টরেট |
| ডিগ্রি করেন | উনার জন্ম-১৯৩৫ সালে |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তি | উলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোহাম্মদ মোহাদ্দেস, মহা-পরিচালক |
| বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ক্যাডার | পদে কর্মরত ছিলেন | উনার জন্ম-১৯৪৪ সালে |
| সার্ভিেস সর্বোচ্চ পদে ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে এবং | পূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী ডাক্তার আনসার আলী | তিনি বৃহত্তর কুমিল্লা |
| বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার মধ্যেও প্রথম | জেলার প্রথম মুসলমান এম.বি. (বর্তমান এম. বি. বি.এস.-এর সমান) |
| চিকিৎসক ছিলেন | উনার জন্ম-১৮৯২ সালে, মৃত্যু-১০-১২-১৯৭১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ডা. এ. এম. মোশতাকুল হক | তিনি চিকিৎসা |
| চিকিৎসক ছিলেন | বিভাগের সর্বোচ্চ পরিচালকের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন | উনার |
| জন্ম-১৯১৮ সালে, মৃত্যু-২২-০১-১৯৯৪ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | পূর্বহাটী গ্রামের ডা. ক্যাপ্টেন আ. গফুর | উনি বৃটিশ আর্মিেত চাকুরী |
| এল.এম.এফ. চিকিৎসক ছিলেন | করতেন | উনার জন্ম-১৯০১ সালে, মৃত্যু-১৯৪৫ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিভেলানগর গ্রামের অধিবাসী ডা. নাসিরউদ্দিন | উনার জন্ম-১৮৯৮ সালে, |
| হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ছিলেন | মৃত্যু-১০-০২-১৯৬২ তারিখ | বাসার ঠিকানাঃ-৩৭, আল আমিন রোড, |
| কাঠালবাগান, গ্রীণ রোড, ঢাকা | ১৯১৯ সালের ম্যাট্রিকুলেশন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | উজানচর গ্রামের অধিবাসী নোয়াব আলী কবিরাজ | উনার জন্ম-১৮৯৫ সালে, |
| কবিরাজ চিকিৎসক ছিলেন | মৃত্যু-১৯৮০ সালে | নোয়াব আলী কবিরাজ হলো খোশকান্দি গ্রামের |
| অধিবাসী আবদুল মজিদ মাষ্টারের শ্বশুর | মজিদ মাষ্টারের জন্ম-১৯১২ সালে, |
| মৃত্যু-০৫-০৬-১৯৮১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিয়াদেীলত গ্রামের অজী বাড়ির অধিবাসী মোহাম্মদ জারু হেকিম | উনার |
| হেকিমী চিকিৎসক ছিলেন | জন্ম-১৯০০ সালে, মৃত্যু-জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের রুপ মিয়া খলিফার বাবা আফাজুদ্দিন খলিফ | উনার |
| খলিফা (কাপড় সেলাই) ছিলেন | জন্ম-১৮৮০ সালে মৃত্যু-১৯৪৯ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী মোঃ মইজউদ্দিন আমীন | উনার জন্ম-১৮৮৫ |
| আমিন (জমি মাপার) ছিলেন | সালে, মৃত্যু-জানা নেই | উনার ছেলের নাম জনাব আবদুল মান্নান, কাষ্টম |
| অফিসার ছিলেন | উনার জন্ম-১৯১৪ সালে, মৃত্যু-১৯৮৫ সালে | উনার মেয়ের |
| স্বামী হলো ভূমি প্রতিমন্ত্রী উকিল আবদুস সাত্তার ভূইয়া |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদের | ভেলানগর বড়বাড়ির জনাব মোঃ অঅবদুস সালামের ছেলে অনীক | তার উচ্চতা |
| মধ্যে সবচেয়ে উঁচু লোকটি কোন | ৬ ফুট ২ ইঞ্চি |
| গ্রামের |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদের | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা মতে বাঞ্ছারামপুর |
| মধ্যে সবচেয়ে বেটে লোকটি কোন | থানার দরিভেলানগর গ্রামের লায়মন বিবি | তার উচ্চতা ৩০(ত্রিশ) ইঞ্চি |
| গ্রামের | তারমত বেটে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা মতে |
| বাঞ্ছারামপুর থানায় আর দ্বিতীয়টি আছে বলে জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | বাঞ্ছারামপুর থানার মরিচাকান্দি গ্রামের সরকার বাড়ির মোঃ মিজানুর |
| প্রতিষ্ঠিত সাহিত্যিক | রহমান,ডিপটি |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মোহাম্মদ অলেক ভূইয়ার ছেলে মি. |
| প্রতিষ্ঠিত কোস্তিগীর | বাংলাদেশ ছিলেন জনাব মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ লাকী | সে একজন বডি |
| বিল্ডার ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম সামাদ মাষ্টারের ছেলে ডা. মোসলেহ |
| প্রতিষ্ঠিত স্পোর্টস গার্ল | উদ্দিন-এর মেয়ে মিসেস সাবরীণা সুলাতানা | সাবরীণা সুলাতানা জাতীয় |
| সুটার | তার জন্ম-১৯৭৫ সালের ১ মার্চ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে মাসিমনগর গ্রামের |
| রেডিওতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পী | মোহাম্মদ দারোগ আলী | দারোগ আলীর জন্ম-১৯১৫ সালে, মৃত্যু-জানা |
| নেই | দারোগ আলীর ছেলে-নান্নু মিঞা |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা বাঞ্ছারামপুর থানার |
| বিটিভিতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পী | উলুকান্দি গ্রামের শিল্পী খালিদ লতিফ (উচ্চাঙ্গ ও নজরুল সঙ্গীত শিল্পী) |
| মহিলা |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানের | রূপসদী গ্রামের অধিবাসী খানবাহাদুর মৌলভী তুজাম্মেল আলীর দ্বিতীয় |
| মধ্যে প্রথম যাত্রা শিল্পী | ছেলে জনাব মোহাম্মদ দানা মিঞা সাব | উনার জন্ম-১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-২০০০ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ইঞ্জিনিয়ার মোতাহার-উল-হক (সুদন মিঞা) |
| ইঞ্জিনিয়ার | উনার জন্ম-১৯১৭ সালে, মৃত্যু-১২-০২-২০০২ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম আবদুস সামাদ সাহেবের বড় ছেলে |
| ইঞ্জিনিয়ার সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল আলম (বকুল), বি.সি.আই.সি.র. চেয়ারম্যান পদ |
| থেকে অবসর গ্রহণ করেন | উনার জন্ম-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | পূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী ডা. আনসার আলী সাহেবের পূত্র জনাব |
| মাইনিং ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সর্বোচ্চ | এ.এফ.এম. ফজলুল করিম, ১৯৭১ সালে লাহোর থেকে মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং |
| পদে ছিলেন | পাশ করেন | বাংলাদেশ পেট্রোবাংলার, এম.ডি. হিসেবে অবসর গ্রহণ |
| করেন | উনার জন্ম-১৯৪২ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদের | দুর্গারামপুর গ্রামের মরহুম এডভোকেট আবদুল লতিফের কন্যা স্থপতি |
| মধ্যে প্রথম স্থপতি (অৎপযরঃবপঃ) | (অৎপযরঃবপঃ) ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন লাইলুন নাহার | তাঁর স্থাপত্য |
| ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে | হলো-নগরভবন ও আগারগাঁও-এ প্রতিষ্ঠিত স্থানীয় সরকার বিভাগের |
| এল.জি.ই.ডি. ভবনসহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠান |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট আবদুস সোবহানের পুত্র |
| প্রথম সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবং | ও বসুন্দরা গ্রুপ অব কোম্পানীজের স্বত্তাধিকারী জনাব আহমেদ আকবর |
| পূঁজিপতি হলেন | সোবহান (শাহ আলম) | উনার জন্ম-১৯৪৬ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | মিরপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম নান্নু মিঞার পুত্র ডক্টর রওশন আলম |
| দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবং | লিব্রা র্ফামাসিটিক্যালস লিঃ এবং কে. ডি. এস.-এর স্বত্তাধিকারী | উনার |
| পূঁজিপতি হলেন | জন্ম-১৯৪২ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | রূপসদী গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ ফরিদউদ্দিন-এর ছোট ভাই হাঁজী |
| তৃতীয় সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবং | মোহাম্মদ হেলালউদ্দিন, সারাদেশে পরিচিতি লাভ করেছেন স্ট্যান্ডার্ড লুঙ্গি |
| পূঁজিপতি হলেন | বাজারজাত করে | এখন শাহ আমানত শাহ নামে তার সব ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের |
| নাম | এ ছাড়াও আরো অনেক ব্যবসার সাথে জড়িত আছে | তার জন্ম-১৯৬২ |
| সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | চরলহনিয়া(চলইন্না) গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ সুরুজ মিঞার লঞ্চ ১৯৪৮ |
| ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন | সাল থেকে ঢাকার সদরঘাট থেকে রামচন্দ্রপুর এবং রামচন্দ্রপুর থেকে |
| সদরঘাট পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল করত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ভেলানগর উত্তরপাড়ার রাহাত আলীর ছেলে মোহাম্মদ মালু মিয়ার |
| সবচেয়ে বেশী চাষের জমি কোন | ছেলেদের দখলে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে |
| পরিবারের | ১৩০(একশত ত্রিশ) বিঘা বা কানী চাষের জমি আছে | মালু মিঞার |
| জন্ম-১৯২২ সালে, মৃত্যু-২০০২ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ আলী আজগর ব্যাপারীর বড় ছেলে |
| প্রতিষ্ঠিত জুয়ারী ছিলেন কে | আবদুল মালেক | উনার জন্ম-১৯১২ সালে, মৃত্যু-১৯৮৭ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | উজানচর গ্রামের অধিবাসী পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা |
| ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেন | পরলোকগত শ্রী জয় মঙ্গল সাহা | উনার জন্ম-১৮৭৯ সালে, মৃত্যু-১৯৫৭ |
| সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ভবনাথপুর গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট মৌলভী মোহাম্মদ মহব্বত আলী |
| দ্বিতীয় ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেন | উনার জন্ম-১৮৮৯ সালে, মৃত্যু-১৯৫৬ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | চরলহনিয়া (চলইন্না) গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ সুরুজ মিঞা | উনি |
| ব্যক্তি ঠিকাদারী ব্যবসা করতেন | ব্রিটিশ আমল থেকে ঠিকাধারী ব্যবসা করত | উনার জন্ম-১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু মিঞা), |
| ব্যক্তি লোক রপ্তানীকারক | সাবেক এম.পি. | উনি ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত লোক রপ্তানীকারক |
| ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | বাঞ্ছারামপুর গ্রামের অধিবাসী স্বনামধন্য সংগীত সাধক ও গীতিকার |
| ব্যক্তি কবি ও লেখক ছিলেন | মোহাম্মদ আবদুল্লাহ | উনার জন্ম-১৮৯৪ সাল, মৃত্যু-জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদের | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী পন্ডিত আবদুল হাকিম-এর স্ত্রী বেগম আমেনা |
| মধ্যে প্রথম লেখিকা ছিলেন | খাতুন | উনি বিংশ শতাব্দীর ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দের দিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের |
| ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পাঠ্য পুস্তক লিখেছেন (আদর্শ লিপি লিখিছেন শুনা |
| যায়) | উনার জন্ম-১৮৯৭ সাল, মৃত্যু-জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে অধিক | বাখরনগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম কাজী আম্বর আলী সাহেবের ছেলে কাজী |
| পরিচিতি লাভ করেছে বাংলাদেশ | মুহম্মদ মনজুরে মওলা | উনি শুধু একজন সচিবই নন-তিনি একজন লব্দপ্রতিষ্ঠিত |
| সরকারের সচিব ও কবি-সাহিত্যিক | কবি-সাহিত্যিকও বটে | উনার জন্ম-১৯৩৭ সালে |
| হিসেবে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে অধিক | উলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী বাংলাদেশ বেতারের পরিচালক জনাব |
| পরিচিতি লাভ করেছে গীতিকার | মোহাম্মদ মোজাক্কের | উনি কয়েকটি গানের বই রচনা করেছেন | উনার |
| হিসেবে | জন্ম-১৯৩৯ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ব্াঁশগাড়ী গ্রামের অধিবাসী মরহুম আলহাজ্জ টি. হোসেন সাহেবের পুত্র |
| প্রখ্যাত ছড়াকার ও লেখক | জনাব লুৎফর রহমান রিটন | তাঁর জন্ম-১৯৬০ সালের ১ এপ্রিল |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভুরভুরিয়া গ্রামের অধিবাসী নামকরা অভিনেতা, লেখক ও পরিচালক |
| সিনেমা ও টি. ভি. শিল্পী | মোহাম্মদ জহিরুল হক | উনার জন্ম-১৯৩৬ সালে, মৃত্যু-১৯৯৩ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী অবসরপ্রাপ্ত ডিপুটি পোষ্টমাষ্টার জেনারেল |
| মহিলা হিসেবে সিনেমা ও টি. ভি. | মোঃ মফিজুল ইসলাম (মুনশি মিঞা) (উনার জন্ম-৩০-০৬-১৯১৯ তারিখ, |
| শিল্পী ছিলেন | মৃত্যু-১০-০৫-২০০৭ তারিখ)-এর দ্বিতীয় কন্যা হামিদা বাণু ওরফে ডলি |
| জহুরের জন্ম-১০-০৭-১৯৫২ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদের | মরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. সরফুজ্জামান (আবু |
| মধ্যে প্রথম টি. ভি. তে জনসংখ্যা | তাহের)-এর কন্যা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পরিচালক মিসেস লুৎফে |
| বিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় কে | তাহেরা | ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যা বিষয়ক অনুষ্ঠান |
| উপস্থাপনায় ছিলেন | মিসেস লুৎফে তাহেরার জন্ম-১৯৫০ সাল |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মধ্যনগর গ্রামের অধিবাসী সাধক পুরুষ শাহ রাহাত আলীর মাজার |
| মাজারটি কার | মাসিন্নগর বজারে প্রতিষ্ঠিত হয় ০২-০৮-১৯৪৬ তারিখ | উনার জন্ম-১৮৭৬ |
| সালে, মৃত্যু-০২-০৮-১৯৪৬ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | উজানচর গ্রামের অধিবাসী পরলোকগত শ্রী রাজেন্দ্র চন্দ্র সাহা ফুটবল |
| নামকরা খেলাধুলায় | খেলোয়ার ছিলেন | উনার জন্ম-১৯০২ সালে, মৃত্যু-জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল সোবহান সাহেবের |
| পাকিস্তান জাতীয় হকিদলের নামকরা | পুত্র জনাব আবদুস সাদেক (মোঃ শাহজাহান) | উনার জন্ম-১৯৪২ সালে |
| খেলোয়ার |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | শরিফপুর গ্রামের মরহুম তোতা মিঞা মাষ্টারের বড় ছেলে-মরহুম এ. কে. |
| বাংলাদেশ জাতীয় হকিদলের নামকরা | গোলাম কিবরিয়ার বড় ছেলে সিয়াম-এ-নূর (সাবেক বাংলাদেশ জাতীয় হকি |
| খেলোয়ার | খেলোয়ার ছিলেন ১৯৯৪ থেকে ২০০০ পর্যন্ত) | সিয়ামের জন্ম-০২-১১-১৯৭০ |
| তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | শরিফপুর গ্রামের মরহুম তোতা মিঞা মাষ্টারের বড় ছেলে-মরহুম এ. কে. |
| ক্রিকেট কোচ, মেট্রো ক্রিকেট | গোলাম কিবরিয়ার ছোট ছেলে তেনজাম-এ-নূর (ঝিলাম) | ঝিলামের |
| একাডেমী | জন্ম-২৮-০৪-১৯৭২ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মানিকপুর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবদুল মতিন-এর দ্বিতীয় ছেলে জনাব |
| জাতীয় টিমের ক্রিকেট খেলোয়ার | মোহাম্মদ আশরাফুল-এর জন্ম-১৯৮৪ সালের ৭ জুলাই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মধ্যনগর গ্রামের অধিবাসী বকুল মোস্তফা (মোস্তফা জব্বারের স্ত্রী বকুল |
| কমপিউটার জগতের বিখ্যাত ব্যবসায়ী | মোস্তফা) আনন্দ কমপিউটার-এর মালিক | তার জন্ম-১৯৫১ সালে |
| ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১০ এপ্রিল, ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব |
| প্রথম বাঞ্ছারামপুর থানার পাকিস্তানী পতাকাটি | মেজবাহ উদ-দীন আহমেদ (মতি মিঞার) নেতৃত্বে বাঞ্ছারামপুর |
| কার নেতৃত্বে নামানো হয় এবং বাংলাদেশের | থানার পাকিস্তানী পতাকাটি নামানো হয় এবং বাংলাদেশের |
| পতাকাটি উড়ানো হয় | পতাকাটি উড়ানো হয় |
| ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর, ঢাকাতে পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ | ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ ডিসেম্বর, বাঞ্ছারামপুর |
| করেন কিন্তু বাঞ্ছারামপুর থানার পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ করেন কত | থানার পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ করে |
| তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ডক্টর এ. কে. এম. হাই সিঙ্গাপুরে অবস্থিত |
| কোন কেমিষ্ট | জাপানী আলফা টেকনো গ্রুপ অব চেম্বার-এর পরিচালক | তিনি সুপার |
| গেস্না নামক আটার ফর্মুলা উদ্ভাবক |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী পদার্থিবজ্ঞানী নূরুন নবী খন্দকার আমেরিকায় |
| কোন পদার্থিবজ্ঞানী নাসাতে চাকুরী | (ঘঅঝঅ)তে চাকুরী করতেন |
| করতেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ১৯৫৩ সালে পূর্ব বাংলার মূখ্যমন্ত্রী জনাব নূরুল আমিন-এর একটি সভা |
| ছাত্র অবস্থায় এবং কলেজে শিক্ষকতা | সোনারামপুর বাজারে অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় দরিয়াদৌলত গ্রামের অধ্যাপক |
| করার সময় রাজনীতির সাথে জড়িত | আবদুল মোমেন-এর নেতৃত্বে সভাটি পন্ডু করে দেয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে |
| ছিলেন | হুলিয়া জারী করা হয়েছিল | ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজের অধ্যাপক আবদুল |