১৮৭১ সালের ২০ অক্টোবর, ঢাকায় কবি, গীতিকার ও গায়ক অতুলপ্রসাদ সেনের জন্ম, লক্ষ্নৌয়ে মৃত্যু-২৬-০৮-১৯৩৪ তারিখ।

১৮৭১ সালে টাঙ্গাইল জেলার করটিয়া গ্রামে ওয়াজেদ আলী খাঁন পন্নীর জন্ম, মৃত্যু-১৮৩৬।

১৮৭২ সালে টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার এস্টেটের জমিদার, সমাজকর্মী ও রাজনীতিবিদ আবদুল করিম গজনবীর জন্ম, মৃত্যু-১৯৩৯ সালে।

১৮৭২ সালে খুলনা জেলার ফুলতলার পাইগ্রাম কসবায় কাজি সৈয়দ আজিজুল হকের জন্ম, মৃত্যু-বিহারে ১৯৩৫ সালে। তাঁকে ''খান বাহাদুর উপাধি'' দেন এবং পাঁচ হাজার টাকা এবং ছোটখাটো একটা যায়গির। শেষ খবর-ফিঙ্গারপ্রিন্টের এই পদ্ধতিকে 'হেনরি-হক-বোস সিস্টেম' বলে অভিহিত করছেন। বাঙালির চুরি হয়ে যাওয়া কৃতিত্ব। অপরাধী শনাক্তকরণে ফিঙ্গারপ্রিন্ট তথা আঙুলের ছাপের আবিস্কারক একজন বাঙালি, কিন্তু সেই আবিস্কার চুরি করে নেয় তাঁরই ইংরেজ উধ্র্বতন কর্মকর্তা। কিন্তু সেই চুরির ঘটনা গোপন থাকেনি। ১০০ বছর পর মুখ খুলেছে ইতিহাস; আঙুলের ছাপের আবিস্কারক আসলে খুলনার একজন বাঙালি; নাম কাজি আজিজুল হক। এটা সেই বিস্মৃত মুসলমান বাঙালিরই বিরল আখ্যান।

১৮৭২ সালে চাঁদপুর জেলার রূপসার জমিদার পরিবারে আবিদুর রেজা চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-১৬-০১-১৯৬১ তারিখ। তিনি ১৯৩০ সালে কুমিল্লা (তৎকালীন ত্রিপুরা) জেলা বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বািচত হন এবং অবিচ্ছিন্নভাবে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত অত্যন্ত দক্ষতা ও যোগ্যতার সাথে এ দায়িত্ব পালন করেন।

১৮৭৩ সালের ১৫ আগষ্ট, বিক্রমপুরের শ্রীধরখোলা গ্রামে ঐতিহাতিক ও পুরাতত্ত্ববিদ রমাপ্রসাদ চন্দের জন্ম, মৃত্যু-এলাহাবাদ-২৮-০৫-১৯৪২ তারিখ। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নব গঠিত নৃতত্ত্ব বিভাগের অধ্যক্ষ নিযুক্ত। প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার প্রদত্ত রায়বাহাদুর উপাধি লাভ ১৯২৪ সালে।

১৮৭৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর, মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুরের দামপাড়া গ্রামে এক নিম্নবিত্তের সম্ভান্ত মুসলিম পরিবারে সাহিত্যিক, কবি ও লেখক সৈয়দ এমদাদ আলীর জন্ম, মৃত্যু-৩১-১২-১৯৫৬ তারিখ। এন্ট্রান্স ও এফ.এ. পাস করার পর নেত্রকোণা দত্ত হাই স্কুলে শিক্ষকতা।

১৮৭৫ সালের আগষ্ট মাসে চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া থানাধীন আড়ালিয়া গ্রামে ইসলামী চিন্তাবিদ, জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী, সাংবাদিক ও মাওলানা মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর জন্ম, মৃত্যু-২৪-১০-১৯৫০ তারিখ।

১৮৭৫ সালে ফরিদপুর জেলার ইদিলপুর পরগনার মূলগাঁও গ্রামে সংস্কৃত পন্ডিত ও নৈয়ায়িক অন্নদাচরণ তর্কবাগীশের জন্ম, মৃত্যু-১৯-১০-১৯৪৩ তারিখ।

১৮৭৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার ভেলানগর গ্রামে মোহাম্মদ ইব্রাহিম মাষ্টারের জন্ম, মৃত্যু-১৯৪৩ বা বাংলা ১৩৫০ সালে। উনি ভেলানগর গ্রামের প্রথম মাস্টার ছিলেন।

১৮৭৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার রূপসদী খানেপাড়াতে বাবু হরিমোহন রায়ের জন্ম, পরলোগমন-১৯৪৬। উনি রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

১৮৭৫ সালে জৌনপুরের মোল্লাটোলা মহল্লায় আবদুর রব জৌনপুরীর জন্ম, মৃত্যু-১৯৩৫ সালে। তিনি ছিলেন মওলানা কেরামত আলী জৌনপুরীর পৌত্র। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে আবদুর রব জৌনপুরীর পিতা মারা যান। বাংলাদেশে মানব কল্যাণে তিনি কাজ করে যান।

১৮৭৬ সালে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলাধীন বলিয়াদি গ্রামের এক সুপ্রাচীন সাম্ভান্ত ও শিক্ষিত মুসলমান জমিদার পরিবারে বাংলার একজন বিশিষ্ট জমিদার, সমাজকর্মী এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কাজেমউদ্দীন আহমেদ সিদ্দিকীর জন্ম, মৃত্যু-১৯৩৩ সালে।

১৮৭৬ সালের ২৫ ডিসেম্বর, সাতক্ষিরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা গ্রামে শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক খান বাহাদুর আহ্‌ছান উল্লাহ'র জন্ম, মৃত্যু-০৯-০২-১৯৬৫ তারিখ। ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় রোল নং প্রথা চালু করেন তিনি।

১৮৭৬ সালে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া গ্রামে বাংলাদেশের শিক্ষা প্রসারে অসাধারণ ও চিরস্থায়ী অবদান রেখেছেন নবাব কাজী মোশাররফ হোসেনের জন্ম, মৃত্যু-১৯৬৬ সালে।

১৮৭৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যনগর গ্রামে সাধক পুরুষ হযরত রাহাত আলী শাহ(রহ.)'র জন্ম, মাসিমনগর গ্রামে মত্যু-০২-০৮-১৯৪৬ তারিখ। প্রতি বছর ১৮ শ্রাবণ/বা ২ আগষ্ট থেকে সপ্তাহব্যাপি ওরস অনুষ্ঠিত হয় এবং দেশ-বিদেশের বহু মানুষের সমাগম হয় ও মাসব্যাপি মেলা চলতে থাকে। ১৯৪৬ সালে মাসিমনগর বাজারের প্রতিষ্ঠা।

১৮৭৭ সালের ৯ মে (বাংলা ১২৮৪ সালের ২৫ বৈশাখ) চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার গোমদন্ডী গ্রামে বঙ্গের শ্রেষ্ঠ কবিয়াল রমেশ চন্দ্র শীলের জন্ম, মৃত্যু-০৬-০৪-১৯৬৭ তারিখ। ১৯৪৮ সালে কলকাতায় শ্রদ্ধানন্দ পার্কে কবিগানের আসরে রমেশ চন্দ্র শীলকে 'বঙ্গের শ্রেষ্ঠ কবিয়াল' উপাধি দেন উদ্যোক্তারা।

১৮৭৮ সালের ২৫ জানুয়ারি (বাংলা-১০ মাঘ, ১২৮৪ বঙ্গাব্দ), ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার সাতমোড়া গ্রামে সাধক ও কবি মহর্ষি মনোমোহন দত্তের জন্ম, মৃত্যু-০৫-১০-১৯১০ তারিখ (বাংলা-২০ আশ্বিন, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)। মহর্ষি মনোমোহন দত্ত বেঁচেছিলেন ৩১ বছর ৮ মাস ১০ দিন।

১৮৭৮ সালের ২৫ জুন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাঞ্ছারামপুর গ্রামে (তাঁর মাতুলালয়ে জন্ম তাঁর বাবারবাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলাধীন শ্রীকাইল গ্রামের বাসিন্দা) আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ কামিনীকুমার দত্তের জন্ম, মৃত্যু-০৪-০১-১৯৫৯ তারিখ। তাঁর পিতা কৃঞ্চকুমার দত্ত চট্টগ্রাম সরকারি কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান পন্ডিত ছিলেন।

১৮৭৮ সালের ১৬ জুলাই, যশোরের বগচর গ্রামে বাঙালি বিজ্ঞানী জ্যোতির্বিদ রাধাগোবিন্দ চন্দের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১৯৭৫ সালে।

১৮৭৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, বিক্রমপুরে বানাড়ি গ্রামে চারণ কবি, গায়ক, নাট্যকার, সমাজসেবক ও অভিনেতা পরিচালক মুকুন্দ দাসের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১৮-০৫-১৯৩৫ তারিখ। পদ্মা নদীতে বানাড়ি গ্রাম নিশ্চিহ্ন হয়ে গেলে পিতা গুরুদয়াল দে সপরিবারে চলে যান বরিশালে ডেপুটির আদালতে তিনি আর্দািলর চাকরি নেন। পিতৃপ্রদত্ত নাম যজ্ঞেশ্বর।

১৮৭৮ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, সিলেট শহরে শিক্ষাবিদ আবু নসর ওহীদ সামসুল উলামার জন্ম, মৃত্যু-৩১-০৫-১৯৫৩ তারিখ।

১৮৭৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার ব্রাহ্মণগাঁও, বিক্রমপুরে ভারতের কবি, রাজনীতিবিদ, বাগ্মী, স্বাধীনতা আন্দোলনের নেত্রী ও 'প্রাচ্যের বুলবুল' সরোজিনী নাইডুর জন্ম, লক্ষ্নৌ গভর্নর হাউসে মৃত্যু-০১-০৩-১৯৪৯ তারিখ।

১৮৭৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উজানচর গ্রামের শ্রী জয় মঙ্গল সাহার জন্ম, বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম এন্ট্রান্স-১৯০০ সালে, এফ. এ. ১৯০২ সালে, র্গযাজুয়েট-১৯০৪ সালে এবং ১৯০৬ সালে বি.এল., কলকাতায় মৃত্যু-১৯৫৭ সালে।

১৮৭৯ সালে টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ারে রাজনীতিবিদ, জনহিতৈষী ও জমিদার আবদুল হালিম গজনবীর জন্ম, মৃত্যু-১৯৫৬ সালে।

১৮৮০ সালের ১৩ জুলাই, সিরাজগঞ্জে মুসলিম জাতীয়তাবাদের রাজনীতিক, কবি, সাহিত্যিক ও বাগ্মী সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর জন্ম, মৃত্যু-১৭-০৭-১৯৩১ তারিখ।

১৮৮০ সালের ৩০ নভেম্বর, মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরের অন্তর্গত সোনারং গ্রামে শিক্ষবিদ ও প্রবন্ধকার ক্ষিতিমোহন সেনের জন্ম, মৃত্যু-কলকাতায়-১২-০৩-১৯৬০ তারিখ।

১৮৮০ সালে মুন্সীগঞ্জ জেলার টংগীবাড়ি উপজেলার রাউথভোগ গ্রামে হতদরিদ্র ঘরে সূর্য কুমার বসুর জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। এ কৃতীপুরুষ পূর্ববঙ্গে সর্বপ্রথম ১৯২২ সালে 'ঢাকেশ্বরী কটন মিলস' নামে বস্ত্রকল প্রতিষ্ঠা করেন।

১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জ জেলায় লেখক বাগ্মী এবং কৃষকনেতা ইসমাইল হোসেন সিরাজীর জন্ম, মৃত্যু-১৯৩১ সালে।

১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর, রংপুর জেলার পায়রা বন্ধ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে বেগম রোকেয়ার জন্ম এবং মৃত্যু কলকাতায় ভোর রাতে-০৯-১২-১৯৩২ তারিখ। ১৮৯৮ সালে বেগম রোকেয়ার বিয়ে হয় তৎকালীন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট খান বাহাদুর সৈয়দ সাখাওয়াৎ হোসেনের সাথে।

১৮৮১ সালের জানুয়ারি মাসে সাভার পৌসভার রাজাসনে জবেদ আলী পালোয়ান জন্মগ্রহণ করেন এবং মৃত্যু-২৭-০১-২০০৭ তারিখ। তিনি ২৫ পয়সায় ৫ সের চাল, ১৬ আনায় (এক টাকায়) ১টি বড় গরু বিক্রি হতে দেখেছেন।

১৮৮২ সালের ২৫ জানুয়ারি, নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার সাজিউড়া গ্রামে অবিভক্ত বাংলার মন্ত্রী ও প্রখ্যাত বাম রাজনীতিক কমরেড নলিনীরঞ্জন সরকারের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১৯৫০ সালে। তিনি ১৯৩৫ সালে ফজলুল হক মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী ছিলেন, ১৯৪৮ সালে পশ্চিবঙ্গ মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী এবং ১৯৪৯ সালে কিছুদিন অস্থায়ী মূখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। কিছুদিন দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-চ্যান্সেলরেরও দায়িত্ব পালন করেন। কমরেড নলিনীরঞ্জন সরকারের পৈত্রিক বাড়িটি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

১৮৮২ সােেলর ৯ এপ্রিল, লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা বাজার গ্রামে কবি ও সাহিত্যিক শেখ ফজলুল করিমের জন্ম, ইন্তেকাল ২৮-০৯-১৯৩৬ তারিখ।

১৮৮২ সালে বরিশালের উলানিয়া জমিদার পরিবারে আলহাজ খান বাহাদুর আব্দুল লতিফ চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-১৯৭৩ সালে।

১৮৮২ সালে বিক্রমপুরের মূলচর গ্রামে শতবর্ষ আগে বিক্রমপুরের ইতিহাস রচনাকারী যোগেন্দ্রনাথ গুপ্তের জন্ম, মৃত্যু-১৯৬৪ সালের মে মাসে কলকাতায়।

১৮৮২ সালের ৪ নভেম্বর, খুলনা জেলার গোদাইপুর গ্রামে শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের জন্ম, মৃত্যু-কলকাতায় ২০-০৩-১৯২৬ তারিখ।

১৮৮৩ সালে বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ থানার উলানিয়া জমিদার পরিবারে মুসলিম ঐতিহ্য ঔপন্যাসিক মোহাম্মদ নুরুল হক চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-০৩-০২-১৯৮১ তারিখ।

১৮৮৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার আহমদপুর চৌধুরীবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন জনাব মোহাম্মদ হাফিজ-উদ-দীন চৌধুরী, মৃত্যুবরণ করেন ১৯৪৪ সালে।

১৮৮৪ সালের ১২ মার্চ, টাঙ্গাইল জেলার বিল্লাইক গ্রামে আইনজীবী ও সাহিত্যিক অতুলচন্দ্র গুপ্তের জন্ম, মৃত্যু-১২-০২-১৯৬১ তারিখ কলকাতায়।

১৮৮৪ সালের ২০ এপ্রিল, চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার মিজিতলা গ্রামে বৌদ্ধ ধর্মগুরু ও সপ্তম সংঘনায়ক অভয়তিষ্য মহাস্থবিরের জন্ম, মৃত্যু-০১-০৭-১৯৭৪ তারিখ।

১৮৮৪ সালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী গ্রামে সাবেক বঙ্গীয় আইন সভার ডেপুটি প্রেসিডেন্ট এবং বছরখানেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন (১৯৪০ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত) এবং (১৯৫১ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত তিনি কলকাতায় তদানীন্তন পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার ছিলেন) ও প্রাদেশিক পরিষদের সাবেক স্পীকার (১৯৬২-১৯৬৮) আব্দুল হামিদ চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-০৪-০৯-১৯৬৯ তারিখ।

১৮৮৪ সালের ২৬ এপ্রিল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর খাঁ পরিবারে উজ্জল রত্ন ও সংগীতজ্ঞ ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁ'র জন্ম, মৃত্যু-০২-০৯-১৯৬৭ তারিখ।

১৮৮৪ সালের ৬ এপ্রিল, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইল গ্রামে নরেন্দ্রনাথ দত্তের (ক্যাপ্টেন দত্ত নামে সুপরিচিত) জন্ম, মৃত্যু-২১-০৯-১৯৪৯ তারিখ। তিনি শ্রীকাইল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৪১ সালে।

১৮৮৫ সালের ১৬ এপ্রিল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছ গ্রামের বাঘবাড়িতে বিপস্নবী উল্লাসকর দত্তের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১৭-০৫-১৯৬৫ তারিখ।

১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই, পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনায় শিক্ষাবিদ, পন্ডিত, বহু ভাষাবিদ ও মনীষী ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ'র জন্ম, ঢাকায় মৃত্যু-১৩-০৭-১৯৬৯ তারিখ।

১৮৮৫ সালের ১২ ডিসেম্বর, পাবনা জেলা সিরাজগঞ্জ শহরের কিছু দূরে এবং যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত ধানগড়া গ্রামে মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খাঁন ভাসানীর জন্ম, মৃত্যু-১৭-১১-১৯৭৬ তারিখ। ১৯২৪ সালে আসামের ধুবড়ী জেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত করেন এবং সেখান থেকেই তাঁর নামের সঙ্গে ''ভাসানী'' শব্দটি যুক্ত হয়।

১৮৮৬ সালের ১০ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপাজেলার রূপসদী খানেপাড়াতে বাবু মহিম চন্দ্র রায়ের জন্ম, মৃত্যু-১৯২৯ সালে। বাবু মহিম চন্দ্র রায় ১৯০৬ সালে এন্ট্রান্স পাস করেন। উনি রূপসদী বৃন্দাবন ইংরেজী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

১৮৮৬ সালের ২৭ জানুয়ারি, দৌলতপুর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের মৌজা সালিমপুরের অধীন তারাগুনিয়া গ্রামে মাতুলালয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ও এডভোকেট ড. রাধা বিনোদ পালের জন্ম, কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ১০-০১-১৯৬৭ তারিখ। বাড়ি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের নিভৃত পল্লি কাকিলাদহ। বিপিন বিহারি পালের ছেলে রাধা বিনোদ পাল আন্তর্জািতক আদালতের বিচারক ছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৪৬-৪৮ সাল পর্যন্ত জাপানের রাজধানী টোকিও মহানগরে জাপানকে যুদ্ধাপরাধী সাব্যস্ত করে যে বিশেষ আন্তর্জািতক আদালতে বিচার হয়, তিনি ছিলেন সেই আদালতের অন্যতম বিচারপতি।

১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর থেকে তিন মাইল উত্তরে রামরাইল গ্রামে আইনজীবি, সমাজকর্মী ও রাজনীতিবিদ শহীদ দ্বীরেন্দ্র নাথ দত্তের জন্ম, মৃত্যু-১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ পাক আর্মী তাঁকে ও তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র দিলীপ দত্তকে ধরে নিয়ে যায়। হাঁটু ভেঙ্গে দেয়; চোখ উপড়ে ফেলে। অবশেষে ১৪ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে তাঁকে গুলি করে হত্যা করে। উনি একমাত্র ব্যক্তি প্রথম পাকিস্তানের জাতীয় গণ-পরিষদে বলেছিলেন, বাংলা ভাষা পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করতে হবে।

১৮৮৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার ভেলানগর দিওয়ান বাড়ির কান্দু মিঞার ছেলে আবদুল্লা ডিপটির জন্ম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে মৃত্যু-১৯৮৭ সালে। তিনি ৪১ বছর পেনশন ভোগ করে মারা গেছেন। ১৯০৭ সালে এন্ট্রান্স পাশ করেন। উনি মূলতঃ সাব-ডিপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট (নমিনেটেড) ছিলেন। উনি ভেলানগরের প্রথম এন্ট্রান্স পাশ ও র্গযাজুয়েট।

১৮৮৭ সালের ২৬ জানুয়ারি, মালদায় সমাজতাত্ত্বিক অধ্যাপক বিনয়কুমার সরকারের জন্ম, মৃত্যু-স্বাধীন ভারতের বাণী প্রচারের জন্য আমেরিকা সফরকালে, ২৬-১১-১৯৪৯ তারিখ। বাবারবাড়ি বিক্রমপুর। ১৯২৬-১৯৪৯ পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক।

১৮৮৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, পাবনার 'মুকুটহীন সম্রাট' নামে পরিচিত ছিলেন রাজনীতিবিদ আবুল মাসুদ-আবদুল হামিদের (এ. এম. আবদুল হামিদ) জন্ম, মৃত্যু-করাচিতে ৮ এপ্রিল, ১৯৫২ সালে ভোররাত দুইটায় ৬৪ বছর বয়সে। পাবনা জেলা মুসলিম লীগ সভাপতি নির্বািচত হন এবং ১৯৪৫ সালে খানবাহাদুর উপাধি পান। ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমএলও নির্বািচত হন।

১৮৮৭ সালে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া পুলিশ ষ্টেশনের অধীন তেলিখালিতে শিক্ষাবিদ ও ইসলামি চিন্তাবিদ খায়ের মুহাম্মদ আইয়ূব আলীর জন্ম, মৃত্যু-১৯৯৫ সালে।

১৮৮৭ সালের ১ ডিসেম্বর, মুন্সিগন্‌জ জেলার বিক্রমপুরের ভাগ্যকুলে সংস্কৃত পন্ডিত, গবেষক ও শিক্ষাবিদ অমরেশ্বর ঠাকুরের জন্ম, মৃত্যু-২৪-০১-১৯৭৯ তারিখ।

১৮৮৭ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার শ্যামগ্রামে বাবু রাখাল চন্দ্র রায়ের জন্ম, মৃত্যু-০২-১১-১৯৮৯ তারিখ ১০২(একশত দুই) বছর বয়সে। উনি রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক ছিলেন।

১৮৮৮ সালের ১ জানুয়ারি, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কাঞ্চনা গ্রামে রায় সাহেব কামিনীকুমার ঘোষের জন্ম, মৃত্যু-১৯৭১ সালের ২৪ এপ্রিল, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে। কলকাতা থেকে ফিরে এসে চাচা বঙ্গচন্দ্র ঘোষের সঙ্গে ১৯১৩ সাল থেকে আইন পেশায় নিযুক্ত হন। বিয়ের পর ১৯২১ সালে মহাত্মা গান্ধীর ভারত শাসন আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে আইন পেশা ছাড়েন এবং আন্দোলনে সর্বাত্মকভাবে জড়িয়ে পড়েন।