১৯৬১ সালের ৪ আগষ্ট, হাওয়াইয়ের হনলুলুতে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম প্রেসিডেন্ট বারাক হোসেন ওবামার জন্ম। ওবামার পুরো নাম বারাক হোসাইন ওবামা জুনিয়র। ওবামা হচ্ছেন প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান, যিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বড় কোনো দলের মনোনয়ন পেয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বািচত হয়েছেন। ১৯৬১ সালের ৩০ অক্টোবর, আর্জেিন্টনার প্রবাদ প্রতিম ফুটবলার দিয়াগো ম্যারাডোনার জন্ম। সে ১৯৮৬-র সেই মাঠ কাঁপানো তরুণ। ২০০৪ সালের ২০ এপ্রিল, ৪৩-বছর বয়সে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে বর্তমানে ভাল, ফুটবলে যাদু দেখানোর মত মাদক নেয়ার ইতিহাস তাঁর সুদীর্ঘ। ১৯৬২ সালে দুঃসাহসী অস্ট্রেলীয় ন্যাচারলিষ্ট ক্রকোডাইল হান্টার স্টিভ আরউইনের জন্ম, মৃত্যু-০৪-০৯-২০০৬ তারিখ, পোর্ট ডগলাসের কাছে একটি আন্ডারওয়াটার প্রামাণ্য চিত্র চলচ্চিত্রায়নের সময় তিনি নিহত হন। ১৯৬৫ সালের ২ জুন, সিডনিতে ক্রিকেট স্টার স্টিভ ওয়াহ'র জন্ম, (মহানায়কের বিদায়)-২০০৪ সালে। ১৯৭১ সালের ৩ জুলাই, অস্ট্রেলিয়ার টাউন্সভিল, কুইনসল্যান্ড-এ সাংবাদিক, প্রোগ্রামার এবং হ্যাকার (লেখাপড়াঃ পদার্থিবদ্যা ও গণিত) ও উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সম্পাদক জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জের জন্ম। ১৯৭৩ সালের ২১ আগষ্ট, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মস্কোয় সের্গেই মিখাইলোভিচ ব্রিনের জন্ম। ১৯৭৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে ল্যারি পেইজ বা লরেন্স 'ল্যারি' পেইজের জন্ম। ল্যারি পেইজ ও সের্গেই ব্রিনের প্রথম দেখা হয় ১৯৯৫ সালে, সেখান থেকেই দুজনের বন্ধুত্ব। সের্গেই ব্রিন ও ল্যারি পেইজ এরা দুজনে তথ্যের বাতিঘর। ১৯৮৪ সালের ১৪ মে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিক বিপ্লবের রচ্পকার মার্ক এলিয়ট জাকারবার্গের জন্ম। তিনি ছিলেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করতেন গেম ও যোগাযোগের প্রোগ্রাম নিয়ে। ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ টাইম ম্যাগাজিনের জরিপে এ বছরের সেরা ব্যক্তিত্ব নির্বািচত হয়েছেন। ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাকাল। ২৬ বছরেই বিশ্বসেরা। ১৯৮৪ সালের ৭ জুলাই, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মানিকপুর গ্রামে বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট খেলোয়ার মোহাম্মদ আশরাফুলের জন্ম। ১৯৮৭ সালের ২৪ জুন, আর্জেিন্টনার রোজারিও শহরের এক নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে ফুটবলার লিওনেল আন্দ্রেস মেসির জন্ম। ফুটবল বিশ্বে তিনি মেসি নামে পরিচিত। ১৯৮৯ সালের ২২ ফেব্রচ্য়ারি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আলেয়া সবুরের জন্ম। ড. আলেয়া সবুর ১৮ বছর বয়সে বিশ্বের প্রথম অধ্যাপক। ১৯৯৬ সালের ১২ জুলাই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হিমালয় পর্বতারোহী জর্ডান রোমেরোর জন্ম। ২০১০ সালের ২২ মে, শনিবার সকালে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ এভারেষ্ট জয়ী হিসেবে রেকর্ড গড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ১৩ বছর বয়সী কিশোর জর্ডান রোমেরো। সাগরপৃষ্ঠ থেকে ২৯,০৩৫ ফুট (আট হাজার ৮৫০ মিটার) উঁচু বিশ্বের এ সবোচ্চ পর্বতচুড়ায় আরোহণ করে জর্ডান। তার সঙ্গে বাবা পল রোমেরো, বাবার বান্ধবী কারেন ল্যান্ডগ্রেন ও তিনজন শেরপা গাইড এভারেষ্টের চুড়ায় পৌঁছান।

মোঃ জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর

ডেপুটি-রেজিস্ট্রার(অবসর)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। গ্রাম-ভেলানগর(বড়বাড়ি)।

পইরাংকুল চৌধুরীবাড়ি, দেবীদ্বার উপজেলা, কুমিল্লা থেকে খান মাহমুদ চৌধুরীর ছোট ভাই সালেহ্‌ আহমদ চৌধুরী তার বড় ছেলে বখতিয়ার আহমদ চৌধুরীসহ বি-বাড়িয়া জেলার, নবীনগর উপজেলার, রণাইয়া গ্রামে বসতি স্থাপন করেন ১৮০৬ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে। ১৮০৬ খ্রিষ্টাব্দে রণাইয়া গ্রাম বলদাখাল বা বরদাখাত পরগনার অধীনে ছিল। আরো অনুসন্ধান করে জানা যায় যে, খান মাহমুদ চৌধুরী ও সালেহ্‌ আহমদ চৌধুরী এরা দু'ভাই তুর্কিস্থান থেকে তাদের বাবা গাযী আহমদ-এর সাথে এদেশে মানে ঢাকাতে আসেন কাজের সন্ধানে। এরা লেখাপড়া জানা ভদ্রলোক। এদের স্বগোত্রের লোকজনরা ভারতবর্ষ শাসন করত। তাই এরা তুরস্ক থেকে ভারতবর্ষে আগমণ করেন ভাল কাজের সন্ধানে এবং এরা এদেশে ভাল ভাল কাজ পান। ঢাকা থেকে এরা দু'ভাই বাবা গাযী আহমদ-এর সাথে পইরাংকুল, দেবীদ্বার, কুমিল্লা যান।

প্রথম ২০-০৪-২০০৬ তারিখ ঢাকাতে আমার মামাত বোন সেলিনার, ৯২/কে.বি রোড, সুত্রাপুর, চৌরঙ্গীর বাসা থেকে ''আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি ও চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন'' এর কাজ শুরু করি। মিসেস রোকেয়া বেগম, মিসেস সেলিনা খানম চৌধুরী ও আবুল বাসেত খান এদের সাক্ষাতকার নেই-আমি মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর) এবং আমার স্ত্রী সৈয়দা শামসুন নাহার বেগম। তারা উভয়েই এক কথা বলেছে যে, হাফেজ বখতিয়ার আহমদ চৌধুরীর ৫জন সৎ ভাই ছিল। হাফেজ বখতিয়ার আহমদ চৌধুরী ভেলানগর খোশাল দিওয়ানের তৃতীয় মেয়েকে বিয়ে করেন। ''আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি ও চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন'' এ বইয়ের কাজটি করব অনেকদিন ধরে মাথায় রাখছি-কিন্তু সুযোগ-সময় হয়ে উঠছে না। ''ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি ও দেশ-বিদেশের তথ্য'' করার পর আমি পুনরায়ঃ কয়েক বছর ধরে ''দেশ-বিদেশের তথ্য'' (৫৫০-পৃষ্ঠার) এ বইটির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ার কারণে আমি আমার মাতৃকুলের বংশ পরিচিতির কাজটি করতে একটু দেরী হয়ে গেল। তারজন্য আমি আমার বিবেকের কাছে অপরাধ স্বীকার করছি।

আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির কিছু শিক্ষিত ব্যক্তির নাম নিম্নে দেয়া হলো:

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
জনাব সালেহ্‌ আহমদ চৌধুরী১৭৬২১৮৪১
জনাব হাফেজ বখতিয়ার আহমেদ চৌধুরী১৭৯০১৮৬৩
জনাব মোহাম্মদ রহিমোল্লাহ চৌধুরী(রমল্লাহ চৌধুরী)১৮১৮১৮৯৪
জনাব মোহাম্মদ আলাউদ্দিন চৌধুরী১৮৩৩১৯০৪
জনাব মোহাম্মদ রেহান-উদ-দীন চৌধুরী১৮৪৬১৯০৭
জনাব মোহাম্মদ বিনদ চৌধুরী১৮৯৫১৯৪২
জনাব মোহাম্মদ রিয়াসত-উল্লাহ চৌধুরী(রেসত আলী)১৮৭৫১৯৪৫
জনাব মোহাম্মদ ওয়াজুদ্দিন চৌধুরী১৮৮১১৯৬৫
জনাব মোহাম্মদ হাফিজ-উদ-দীন চৌধুরী১৮৮৫১৯৪৪
জনাব হাফেজ মোহাম্মদ বারিক চৌধুরী১৮৯৩মৃত্যু
জনাব আবদুস সাত্তার চৌধুরী১৯১৩২০০৫
জনাব মোহাম্মদ নওয়াব চৌধুরী১৯১৪১৯৯৪
জনাব মোহাম্মদ আবদু রৌফ চৌধুরী১৯১৫১৯৩৯
জনাব মোহাম্মদ দলিলউদ্দিন চৌধুরী১৯১৮-
জনাব মোহাম্মদ আবদুর রৌফ চৌধুরী১৯১৯-

।এ বংশের প্রথম র্সাটিফিকেটধারী ব্যক্তির নাম:।

জনাব আবদু রৌফ চৌধুরী(আমার বড় মামা)১৯৩৫ সালের ম্যাট্রিকুলেশন
জনাব মোহাম্মদ সহিদুল হক চৌধুরী-আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির-(বি.এস-সি.) প্রথম গ্রাজুয়েট
জনাবা মেহেরুন্নেছা চৌধুরী-এ বংশের প্রথম পোষ্ট গ্রাজুয়েট

।মেয়েদের মধ্যে প্রথম শিক্ষিত কয়েকজনের নাম:।

চৌধুরী বেগমনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর) -এর মায়ের চাঁচাত
বোন
চৌধুরী শামসুন নাহার বেগম (আবু)নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর) -এর মা
চৌধুরী মমতাজ বেগম (খিরণ)নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর) -এর মেঝো খালা
চৌধুরী নুরুন নাহার বেগম (ধীরণ)নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর) -এর ছোট খালা
চৌধুরী মিরণ বেগমনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর) -এর মায়ের চাঁচাত
বোন

।মেয়েদের মধ্যে প্রথম র্সাটিফিকেটধারী:।

চৌধুরী হালিমা খাতুনএস.এস.সি. ১৯৭৮ সালে

।বউদের মধ্যে প্রথম কয়েকজন শিক্ষিতদের নাম:।

ক্রমিকনামলেখাপড়া জানা মহিলা
জনাব হাফেজ বখতিয়ার আহমদ চৌধুরীর স্ত্রী মিসেস বখতিয়ার-এরআরবী, ফারসী ভাষা জানা
বাড়ী-ভেলানগর, বাঞ্ছারামপুরভেলানগর গ্রামের খোশাল
দিওয়ান-এর তৃতীয় মেয়েকে বিয়ে করেন-জনাব হাফেজ বখতিয়ার
আহমদ চৌধুরী
মিসেস রওশন আঞ্জুমান(মিলন)আরবী ও বাংলা ভাষায় লিখা-পড়া জানা
মিসেস রোকেয়া বেগম-ঐ-

।৬ষ্ঠ পুরুষ বউদের মধ্যে প্রথম র্সাটিফিকেটধারী।

মিসেস আমেনা খাতুন, এইচ.এস.সি. পাশ

।৭ম পুরুষ বউদের মধ্যে প্রথম র্সাটিফিকেটধারী।

মিসেস আয়েশা চৌধুরী(রোজী), এস.এস.সি. পাশ

।বয়স্ক ব্যক্তিদের নাম(জীবিত)।

ক্রমিকনামজন্ম
জনাব মোহাম্মদ দলিলউদ্দিন চৌধুরী১৯১৮ সালে
জনাব আবদুর রৌফ চৌধুরী১৯১৯ সালে
জনাব মোহাম্মদ বোরহানউদ্দিন চৌধুরী১৯২৩ সালে
জনাব মোহাম্মদ সামাদ চৌধুরী১৯২৪ সালে

।যারা বেশী বছর বেঁচে ছিলেনঃ।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
জনাব মোহাম্মদ রেহান-উদ-দীন চৌধুরীর স্ত্রী১৮৫৭১৯৪৩
জনাব মোহাম্মদ ওয়াজুদ্দিন চৌধুরী(মালদ্বার)১৮৮১১৯৬০
মিসেস মাহতাব চাঁন বিবি১৮৯০১৯৭৮
জনাব মোঃ আবদুস সাত্তার চৌধুরী১৯১৩১৩-০৪-২০০৫

।আহমদপুর চৌধুরীবাড়িতে মাত্র ১১(এগার)জন পুরুষ প্রয়োজনে একাধিক বিয়ে করেছেন, নিম্নে তা'দের নামগুলি:।

জনাব সালেহ আহমদ চৌধুরী-১ম পুরুষ০২টি
জনাব মোহাম্মদ মেন্দে আলী চৌধুরী৪র্থ পুরুষ০৩টি
জনাব মোহাম্মদ ওয়াজুদ্দিন চৌধুরী৪র্থ পুরুষ০৩টি
জনাব মোহাম্মদ আবুল হোসেন চৌধুরী(দুলু)৪র্থ পুরুষ০২টি
জনাব মোহাম্মদ রিয়াসত-উল্লাহ চৌধুরী৫ম পুরুষ০৩টি
জনাব আবদুস সাত্তার চৌধুরী৫ম পুরুষ০২টি
জনাব আবদুর রৌফ চৌধুরী৫ম পুরুষ০৩টি
জনাব মোহাম্মদ শামসুউদ্দিন চৌধুরী(ঝাড়ু)৫ম পুরুষ০২টি
জনাব মোহাম্মদ জামালউদ্দিন চৌধুরী৬ষ্ঠ পুরুষ০২টি
জনাব মোহাম্মদ আওয়াল চৌধুরী(শিশু)৬ষ্ঠ পুরুষ০২টি
জনাব মোহাম্মদ ইসলাম চৌধুরী৬ষ্ঠ পুরুষ০২টি

।আহমদপুর চৌধুরীবাড়িতে ৬(ছয়)জনের অধিক সন্তানধারী ব্যক্তিদের নাম:।

জনাব মোহাম্মদ মেন্দে আলী চৌধুরী৪র্থ পুরুষ১৫জন ছেলে-মেয়ের মধ্যে ১১জন ছেলে ও ৪জন
মেয়ে
জনাব মোঃ সহিদুল হক চৌধুরী৬ষ্ঠ পুরুষ১৪জন ছেলে-মেয়ের মধ্যে ০৭জন ছেলে ও ০৭জন
মেয়ে
মোহাম্মদ ওয়াজুদ্দিন চৌধুরী (মালদার)৪র্থ পুরুষ১১জন ছেলে-মেয়ের মধ্যে ৪জন ছেলে ও ৭জন
মেয়ে
মিসেস মাতাব চাঁন বিবি৪র্থ পুরুষ০৯জন ছেলে-মেয়ের মধ্যে ৪জন ছেলে ও ৫জন
মেয়ে
মোহাম্মদ ওহাব চৌধুরী(মুঘু চৌধুরী)৫ম পুরুষ০৯জন ছেলে-মেয়ের মধ্যে ৫জন ছেলে ও ৪জন
মেয়ে
আবদুর রৌফ চৌধুরী৫ম পুরুষ০৮জন ছেলে-মেয়ের মধ্যে ৪জন ছেলে ও ৪জন
মেয়ে
মোহাম্মদ বোরহানউদ্দিন চৌধুরী৫ম পুরুষ০৮জন ছেলে-মেয়ের মধ্যে ৩জন ছেলে ও ৫জন
মেয়ে
মোহাম্মদ আফরোজ চৌধুরী৫ম পুরুষ০৮জন ছেলে-মেয়ের মধ্যে ৬জন ছেলে ও ২জন
মেয়ে
মিসেস রাহেলা বেগম৫ম পুরুষ০৮জন ছেলে-মেয়ের মধ্যে ২জন ছেলে ও ৬জন
মেয়ে
মোহাম্মদ সমিরউদ্দিন চৌধুরী৪র্থ পুরুষ০৭জন ছেলে-মেয়ের মধ্যে ৩জন ছেলে ও ৪জন
মেয়ে
হ্‌াঁজী মোহাম্মদ আবদুস সাত্তার চৌধুরী৫ম পুরুষ০৭জন ছেলে-মেয়ের মধ্যে ৪জন ছেলে ও ৩জন
মেয়ে
মোহাম্মদ মুনতাজ চৌধুরী৫ম পুরুষ০৭জন মেয়ের বাবা হলেন মুনতাজ চৌধুরী

।এ বংশের ১ম পুরুষ হতে ৮ম পুরুষ পর্যন্ত যারা বড় তাদের নাম:।

ক্রমিকনামপুরুষবড়
জনাব সালেহ আহমদ চৌধুরী১ম পুরুষ-
জনাব হাফেজ বখতিয়ার আহমদ চৌধুরী২য় পুরুষসবার বড় ভাই
জনাব মোহাম্মদ রহিমোল্লা চৌধুরী৩য় পুরুষ-ঐ-
জনাব মোহাম্মদ রেহান-উদ-দীন চৌধুরী৪র্থ পুরুষ-ঐ-
জনাব মোহাম্মদ রিয়াসত-উল্লাহ চৌধুরী৫ম পুরুষ-ঐ-
জনাব মোহাম্মদ নওয়াব চৌধুরী৬ষ্ঠ পুরুষ-ঐ-
মোহাম্মদ শাহ-আলম চৌধুরী৭ম পুরুষ-ঐ-
মশিউর আলম চৌধুরী(রনভী)৮ম পুরুষ-ঐ-

।জনাব মোহাম্মদ রিয়াসত-উল্লাহ চৌধুরী ওরফে রেসত আলী চৌধুরী-আহমদপুর চৌধুরীবাড়ীর মধ্যে ৫ম পুরুষ।

ছেলে-মেয়েদের মধ্যে সবার বড়৪র্থ পুরুষ ছেলে-মেয়েদের মধ্যে অনেকের চেয়েও বয়সে বড়

।জনাব মোহাম্মদ নওয়াব চৌধুরী(নওয়াব মামা)-আহমদপুর চৌধুরীবাড়ীর মধ্যে ৬ষ্ঠ পুরুষ ছেলে-মেয়েদের মধ্যে।

সবার বড়৫ম পুরুষ কিছু ছেলে-মেয়ের চেয়েও বয়সে বড়
মিসেস পারুল আপা-আহমদপুর চৌধুরীবাড়ীর ৭ম পুরুষ ছেলে-মেয়েদের মধ্যে সবার বড়৬ষ্ঠ পুরুষ অনেক

।ছেলে-মেয়ের চেয়ে বয়সে বড় হবে এবং নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর)-এর ধারণা হয় যে, পারুল আপা এ।

বংশের ৫ম পুরুষ অনেক ছেলে-মেয়েদের চেয়েও বয়সে বড়

।৪র্থ পুরুষের দু'জন স্ত্রী বেঁচে আছেন:।

ক্রমিকনামজন্মমৃত্যু
মিসেস রহিমা খাতুন(আফরোজ চৌধুরীর মা)১৯৩০-
মিসেস আমেনা খাতুন(কবিরের মা)১৯৩৪-

।এ বংশের যারা শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন:।

ক্রমিকনামপেশা
জনাব মোহাম্মদ সুলতান চৌধুরী, আই.এ.শিক্ষকতা পেশায় ছিলেন

।এ বংশের যারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, বি.ডি.আর.এ. নিয়োজিত ছিলেন:।

ক্রমিকনামপেশা
জনাব আবদুর রৌফ চৌধুরীবি.ডি.আর. থেকে অবসর গ্রহণ করেন

।এ বংশের প্রথম চাকুরীজীবিদের নাম:।

ক্রমিকনামপেশা
জনাব মোহাম্মদ নাসির-উদ-দীন চৌধুরীবৃটিশ পুলিশ বাহিনীতে চাকুরী করা
অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন

।এ বংশের যে-সব মেয়েরা শহরে চাকুরীতে যোগদান করেন তাদের নাম:।

ক্রমিকনামপেশা
তৌহিদা আক্তার চৌধুরী, বি.এস-সিঢাকাতে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত
এ বংশের যে-সব বউরা শহরে চাকুরীতে যোগদান করেন তাদের নাম: একজনও নেই এ পর্যন্ত
২০০ বছরের ইতিহাসে এ বংশে একজনও ওকালতি পেশায় নিয়োজীত নেই
এ বংশে একজনও ইঞ্জিনিয়ার নেই
এ বংশে একজনও ডাক্তার নেই
এ বংশে একজনও সি.এ. পাশ লোক নেই
এ বংশে একজনও অধ্যাপক নেই
এ বংশে একজনও ১ম শ্রেণীর অফিসার নেই

।এক নজরে আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির কিছু তথ্য নিম্নে তুলে ধরা হলো:।

জনাব সালেহ্‌ আহমদ চৌধুরী তাঁর ছেলে হাফেজ বখতিয়ার আহমদ চৌধুরীকে সাথে নিয়ে১৮০৬ খ্রিষ্টাব্দে
পইরাণকুল চৌধুরী বাড়ী দেবীদ্দার উপজেলা, কুমিল্লা থেকে প্রায় ১২ মাইল উত্তরে রণাইয়া
এসে বসতি স্থাপন করে:
আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশে ০২-১১-২০০৬ তারিখ পর্যন্ত জীবিত ও মৃতসহ পুরুষের সংখ্যা২০৯জন
হলো
আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশে ০২-১১-২০০৬ তারিখ পর্যন্ত জীবিত ও মৃতসহ মহিলার সংখ্যা১৯১জন
হলো
আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশে ০২-১১-২০০৬ তারিখ পর্যন্ত জীবিত ও মৃতসহ স্ত্রীর সংখ্যা১১২জন
হলো
আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির মোট লোকসংখ্যা(জীবিত ও মৃতসহ)৫১২জন
আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির লোকসংখ্যা(০২-১১-২০০৬ মৃত)১৮৩জন
আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির লোকসংখ্যা(০২-১১-২০০৬ জীবিত৩২৯জন
আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির ২০০৬ সালে জীবিত পুরুষ সংখ্যা১৩৪জন
আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির ২০০৬ সালে জীবিত মহিলার সংখ্যা১৩৫জন
আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির ২০০৬ সালে জীবিত স্ত্রীর সংখ্যা০৬০জন
চৌধুরীবাড়ির ২০০৬ সলের মধ্যে ৯৭জন পুরুষ বিয়ে করেছে১১২টি
আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির ২০০৬ সালে বিবাহিত মেয়ের সংখ্যা১৩৭জন
চৌধুরীবাড়ির ২০০৬ সাল পর্যন্ত জীবিত বিবাহিত মেয়ের১০২জন
আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিবাহিত পুরুষ০৯৭জন
আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির ২০০৬ সালে জীবিত বিবাহিত পুরুষ০৪৭জন
চৌধুরীবাড়ির ২০০৬ সলের মধ্যে কতজন শিক্ষিত হয়েছে১৯৯জন
চৌধুরীবাড়ির ২০০৬ সলের মধ্যে কতজন পুরুষ শিক্ষিত হয়১০৯জন
চৌধুরীবাড়ির ২০০৬ সলের মধ্যে কতজন মহিলা শিক্ষিত হয়৯০জন
চৌধুরীবাড়ির ২০০৬ সলের মধ্যে শিক্ষার হার কত৬০ভাগ
চৌধুরীবাড়ির ২০০৬ সলের মধ্যে পুরুষ শিক্ষার হার কত৭০ভাগ
চৌধুরীবাড়ির ২০০৬ সলের মধ্যে মহিলা শিক্ষার হার কত৫০ভাগ
চৌধুরীবাড়ির ২০০৬ সলের মধ্যে কতজন এস.এস.সি. পাশ০৫৫জন
চৌধুরীবাড়ির ২০০৬ সলের মধ্যে কতজন এইচ.এস.সি. পাশ২১জন
চৌধুরীবাড়ির ২০০৬ সলের মধ্যে কতজন ডিগ্রী পাশ০০৬জন