| জুবায়ের আলম চৌধুরী | ২১-০৯-১৯৯৭ | - |
| মোঃ অহিদুজ্জামান চৌধুরী (তানভীর) | ০২-০৬-১৯৯৩ | - |
| মোহাম্মদ আশরাফুল চৌধুরী | ০৩-১১-২০০২ | - |
| ফাতেমাতুজ্জ জোহরা চৌধুরী | ০২-০২-১৯৯৯ | - |
| সাকলাইন শাহরিয়ার চৌধুরী(সামী) | ০৪-০৪-২০০০ | - |
| সাফিয়াল চৌধুরী(সাদিত) | ১৪-০২-২০০৩ | - |
| মোহাম্মদ আবীর চৌধুরী | ২৯-০১-২০০৪ | - |
| হুমায়রা আদীবা চৌধুরী | ১২-০৪-২০০৬ | - |
রাত্রি(০৭-০৮-২০০৬ তারিখ) ৮.১৫ মিনিটের সময় আমার বাসায় যখন ''আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি ও চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন''-এর বই নিয়ে যখন আলোচনা করি জনাব সুক্কু মামার ছেলে মোহাম্মদ এমরান চৌধুরী(ইমন) এর সাথে তখন আহমদপুর চৌধুরীবাড়ি থেকে জনাব মুঘু চৌধুরীর ছেলে মোহাম্মদ লোকমান চৌধুরী(বড় মিঞার) একটি টেলিফোন আসে যে, জনাব মোহাম্মদ ওয়াজুদ্দিন চৌধুরীর ছেলে জনাব মোহাম্মদ কবির উদ্দিন চৌধুরীর লাশ বিদেশ থেকে এসেছে বাড়ীতে। ইমন চৌধুরী টেলিফোনে বলে-এখন আর কি করবি মাটি দিয়ে দে। আমার অফিসে ১৭-০৬-২০০৬ তারিখে ইমন চৌধুরী এবং আমি মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর) আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করি-তখন বেলা-১২.৪৫ মিনিটের সময় একটি টেলিফোন আসে যে, জনাব মোহাম্মদ ওয়াজুদ্দিন চৌধুরীর ছেলে জনাব মোহাম্মদ কবির উদ্দিন চৌধুরী বিদেশের মাটিতে মারা গেছে। সেদিনের টেলিফোনটিও করেছিল মুঘু নানার ছেলে-মোহাম্মদ লোকমান চৌধুরী(বড় মিঞা)। আমরা দু'জন ''আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি ও চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন'' এ বইটির কাজ এভাবেই শেষ করেছি।
।আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির ১৯৬১ সালের ৩১শে জানুয়ারীর পুর্বের কিছু স্মৃতি কিছু ঘটনা এখানে বর্ণনা করব:।
আমার বড় বোন মিসেস আয়শা আক্তার(দুলারীর) জন্ম হয়েছিল আহমদপুর চৌধুরীবাড়িতে এবং আমারও জন্ম হয়েছিল এ বাড়িতে। আমার বড়বোন আয়শা আক্তার(দুলু) এবং পারুল আপার বয়স কাছাকাছি। পারুল আপার ১০ মাসের ছোট আমার বড়বোন আয়শা আক্তার(দুলারী)। আবার পারুল আপার ১০ মাসের বড় বায়েস ভাই। আমার বছর খানেকের বড় ফকরু। ফকরুর ছয় মাসের ছোট জহীর এবং আমার ছয় মাসের বড় ছিল জহীর। সুলতান মামা আমার ৭ মাসের বড় ছিল। বায়েস ভাই, পারুল আপা, শায়েরা আপা এবং আমার বড় বোন আয়শা আপা তারা ছিল এক দলের লোক। আর আমরা তিন-চারজন ছিলাম আর এক দলের লোক-ফকরু, জহির, আমি ও সুলতান মামা। মাঝেমধ্যে আমাদের সাথে খেলতে আসত ভূঁইয়াবাড়ির বেদন নানার ছোট ভাই না বোন-উনার নামটি ভুলে গেছি। আমরা যখন নানারবাড়িতে বেড়াইতে গিয়ে খেলাধূলা করছি-তখন ফাতেহা চৌধুরী কোলের শিশু, শাহ-আলম চৌধুরীর জন্ম হয়েছে মাত্র, আর একটু পরে মোমেন চৌধুরীর জন্ম হয়েছে, এরপর সেলিনা চৌধুরীর জন্ম হয়েছে-তারপর হালিমা চৌধুরীর জন্ম হয়েছে, তারপর মাহমুদা চৌধুরীর জন্ম হয়েছে-তারপর নাসিমা চৌধুরীর জন্ম হয়েছে-তারপর বিল্লাল চৌধুরীর জন্ম হয়েছে। এরপর অন্যান্যদের জন্ম হয়েছে। এদের সবাইকে আমি চিনতাম না। এদেরমধ্যে আমি চিনতাম পারুল আপাকে, ফাতেহাকে, শাহ-আলমকে, মোমেনকে, সেলিনাকে, হালিমাকে এবং নাসিমাকে। সবচেয়ে বেশী চিনতাম পারুল আপা ও হালিমা চৌধুরীকে। হালিমা ১৯৬৮ সাল থেকে ঢাকাতে এসে পারুল আপার বাসায় থেকে পারুল আপার বড় মেয়ে বিলকিস এর সাথে আজিমপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি হয়ে ১৯৭৮ সালে এস.এস.সি. পাশ করে এবং হালিমা চৌধুরী এ বংশের মেয়েদের মধ্যে প্রথম এস.এস.সি. পাশ। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরী করার কারণে আজিমপুর এলাকাতে বসবাস করতাম-তাই মাঝেমধ্যে পারুল আপার বাসায় যেতাম এবং হালিমা ও বিলকিস-এর লেখাপড়ার খোঁজ-খবর নিতাম বা মাঝেমধ্যে তাদেরকে লেখাপড়া করাতাম। আমার চাঁচা এ.বি. সিদ্দিকুর রহমান(মানিক), বি.এস-সি. তাকে আমি তাদের গৃহ শিক্ষক ঠিক করে দিয়েছিলাম। যারা আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির ঢাকাতে বসবাস করছে তাদের সাথে আমার যোগাযোগ ছিল বেশি। পারুল আপার সাথেই আমার এবং আমাদের সবাইর বেশী যোগাযোগ ছিল। তারপর অন্যদেরকে আমি নামে চিনার চেষ্টা করেছি-এবং এখন আমি বলতে পারি সবাইকে চিনি। মামা বলতে জানতাম ০৮জন ব্যক্তিকে যেমন-জনাব নওয়াব মামা, জনাব ফেকু মামা, জনাব রুক্কু মামা, জনাব শুক্কু মামা, জনাব সহিদ মামা, জনাব জামাল মামা, জনাব সুলতান মামা ও জনাব হালু মামা। আর মামী বলতে জানতান ০৩জনকে যেমন-পারুল আপার মাকে, ফাতেহার মাকে ও মাহমুদার মাকে। নানা বলতে জানতান ০৬জন ব্যক্তিকে যেমন-জনাব মোহাম্মদ তোতা মিয়া চৌধুরী, জনাব মোহাম্মদ শামসুউদ্দিন চৌধুরী(ঝাড়ু), হাঁজী মোহাম্মদ আবদুস সাত্তার চৌধুরী, জনাব মোহাম্মদ বোরহানউদ্দিন চৌধুরী, জনাব মোহাম্মদ ওহাব চৌধুরী(মুঘু) ও জনাব মোহাম্মদ আবদু ভূঁইয়াকে। আমার নানা জনাব মোহাম্মদ রিয়াসত-উল্লাহ চৌধুরী ওরফে রেসত আলী ও নানী-মিসেস আবের মা, আমার জন্মের পূর্বে মৃত্যুবরণ করেছেন। আমার বড়বোনকে নানা-নানী দেখে গেছেন। আমাকে নানা-নানী দেখেননি। কিন্তু একজন মহিলার কথা না বললেই নয়-তিনি হলেন জনাব মোহাম্মদ সহিদুল হক চৌধুরীর মা-মিসেস আমেনা বেগম। নানা-নানী যে ধরণের আদর-যত্ন নাতি-নাতনিদের করে-সে ধরণের আদর-যত্ন মিসেস আমেনা বেগম এর নিকট থেকে আমরা ছোট সময় পেয়েছি। মিসেস আমেনা বেগমের কথা আমার সারাজীবন মনে থাকবে। উনাকে আমি ভূলতে পারব না। উনার মায়া-মমতার কথা আমি কোনদিনও ভূলতে পারব না। আরও ০৫জন নানীর কথা বলতে হয় তারা হলেন-জনাব মোহাম্মদ তোতা মিয়া চৌধুরীর(জনাব মোহাম্মদ জামাল চৌধুরীর মা) স্ত্রী-মিসেস মোমেনা খাতুন, হাঁজী আবদুস সাত্তার চৌধুরীর(জনাব মোহাম্মদ সুলতান চৌধুরীর মা) স্ত্রী-মিসেস জুবেদা খাতুন, জনাব মোহাম্মদ সামসুউদ্দিন চৌধুরী(ঝাড়ু চৌধুরীর) স্ত্রী-মিসেস আমেনা খাতুন ও বোরহানউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী মিসেস জাহানারা খাতুন-এ ৫(পাঁচ)জন নানীও আমাদেরকে মায়া-মমতাসহ আদর-যত্ন করতেন। একদিন আমাকে ডেকে জনাব তোতা মিয়া চৌধুরীর স্ত্রী-মিসেস মোমেনা খাতুন বলেন তুমি কিন্তু আমার বোনের ছেলে লাগ। তোতা মিয়া তোমার নানা ঠিকই কিন্তু আমি তোমার খালা। তোমার নানা রেসত আলী চৌধুরী হল আমার বাবার খালাত ভাই, তোমার নানা আমার চাঁচা এবং তোমার মা আমার বোন। আরেকটা কথা বলি শোন-তোমার বড় চাঁচা মুনশি মোহাম্মদ জিন্নত আলী(কান্দু মিঞা) রসুল্লাবাদ গ্রামে আমার আপন ফুফাত বোনকে বিয়ে করেছে। ছোট সময় এসব কথা যখন শুনেছি-তখন আমার বুঝার বয়স হয়নি। যখন পৃথিবীকে বুঝার বয়স হয়েছে-এখন পৃথিবীতে ঐসবলোকগুলি বেঁচে নেই। জনাব মোহাম্মদ সুলতান মামার সাথে ঢাকাতে স্বাধীনতার পর দু'বার দেখা হয়েছে। সুলতান মামা ১৯৯৯ সালের ২১শে এপ্রিল সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। উনি বেঁচে থাকলে সবচেয়ে বেশি খুশী হতেন। মানুষের জীবনের সাথেই মরণ অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। মানুষের সৃষ্টিশীল কোন কাজই মুছে যাবে না। কাজ দিয়েই মানুষের পরিচয়। ১৯৬১ সালের ৩১শে জানুয়ারীর পর থেকে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরের পূর্বে আমি কোনদিনও আহমদপুর চৌধুরীবাড়িতে বেড়াইতে যাইনি। আমার ছোট বোন মিনার বিয়ে হয়েছিল ১৯৭০ সালের জানুয়ারী মাসে। হাঁজীপুর গ্রামের মোঃ সিদ্দিকুর রহমান এর সাথে। মোঃ সিদ্দিকুর রহমান পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ চাকুরী করতেন। পাকিস্তান সেন্ট্রাল গর্ভনমেন্টের অধীনে চাকুরী করতেন। আমার ছোট বোন মিনা বিয়ের পর ১৯৭০ সালের ফ্রেবুয়ারী মাসেই স্বামীর সাথে পাকিস্তান চলে যায়। ইসলামাবাদ থেকে এক মাসের ছূটিতে দেশের বাড়ীতে আসেন ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে। ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে ইসলামাবাদ যাওয়ার কথা ছিল-কিন্তু ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তান বাহিনীর এ ঘটনার পর তাকে আর ইসলামাবাদ যাইতে দেয়া হয়নি। ১৯৭১ সালের ১৮ই ডিসেম্বর, আমি আমার ছোট বোন মিনাকে দেখতে হাঁজীপুর যাই। ছোট সময়ের খেলার সাথী আমার মামাত বোন ফকরুর সাথে দেখা হাঁজীপুরে তার শ্বশুরবাড়ীতে। তার স্বামী সরল প্রকৃতির মানুষ ছিল। আমি ফকরুর স্বামীকে বললাম যে, আপনি আমার দুলাভাই। ফকরু জানতেন আমার ছোটবোন মিনার বিয়ে হয়েছে হাঁজীপুর তার স্বামীরবাড়ির কাছাকাছি। ফকরুর স্বামী এবং মিনার স্বামী ওরা একে অপরের সাথে চিনা-জানা ছিল। ফকরু আমাকে দেখে মনে মনে খুবই খুশী হয়েছে। ফকরুর কথা বলার স্টাইলই ছিল অন্য ধরণের-যেমন কথা বলার সময় তোতলামি ভাব ছিল তার। প্রায় ১১ বছর পর আমার সাথে ফকরুর দেখা হয়েছে। ফকরু আমাকে বলল আলমগীর জহর মারা যাওয়ার পর তোমরাও কেন আমাদের বাড়িতে আসনি। লেখাপড়ার চাপ থাকার কারণে এবং আমরা বড় হয়ে যাওয়ার কারণে আর নানারবাড়িতে যাওয়া হয়নি। আর একটু বলতে হয় যে-আমার মেঝো খালার স্বামীর বাড়িও ছিল হাঁজীপুর গ্রামে। তারা কুমিল্লা শহরে থাকে। আমি আমার মেঝো খালার শ্বশুরবাড়িটাও দেখতে গিয়েছিলাম। ঐ সময়ই আমি প্রায় ১১(এগার) বছর পর আহমদপুর নানারবাড়িতে বেড়াইতে যাই। তারপর দীর্ঘসময় পর ১৯৯৯ সালের ৩০শে এপ্রিল, আহমদপুর চৌধুরীবাড়িতে বেড়াইতে যাই। তখন আমার সাথে ছিল আমার চাঁচাত ভাইয়ের ছেলে প্রফেসর মোঃ কাওসারউদ্দিন আহমদ। আহমদপুর চৌধুরীবাড়িতে বেড়াইবার পর ঢাকা আসিয়া আমার মায়ের সাথে আলাপ করি যে, আমি আহমদপুর গিয়েছিলাম-তখন আমার মা খুব খুশী হয়েছিল। তারপর আমাকে আমার মা জিজ্ঞাসা করে যে-আমাদের বাড়ির লোকগুলি কেমন আছে। তারা সবাই ভাল আছে কিনা। আমার মা যাদেরকে জানতেন তাদের সবাইর কথা আমাকে বারবার জিজ্ঞাসা করেছেন। আমিও যতদূর পারি উত্তর দিয়েছি। এরপর জিজ্ঞাসা করে যে-আমাদের মসজিদ ও পুকুরটি আগেরমত আছে কিনা। আমার মা আমাকে বলে যে, আমি ছোট বেলায় এ পুকুরে কত সাঁতার কেটেছি। আমিও আমার মায়ের কথার সাথে সায় দিয়ে বলে উঠি যে-আম্মা ছোট বেলায় এ পুকুরে আমিও অনেক সাঁতার কেটেছি। এবার ১৯শে মে, ২০০৬ সালে যখন আহমদপুর চৌধুরীবাড়িতে যাই-''আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি ও চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন'' এ বই এর ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা ও তথ্য সংগ্রহ করার জন্য। এবার আমার মা বেঁচে নেই-কিন্তু আমার মায়ের অনুপ্রেরণা থেকেই আমি এ কাজ করতে সম্মত হয়েছি। ১৯শে মে, ২০০৬ সালে আহমদপুর চৌধুরীবাড়িতে যেয়ে দেখি-সবচেয়ে আমার বেশী পরিচিতি যাদের সাথে ছিল তারাই উপস্থিত আছে। তারা হলো-চৌধুরী হালিমা খাতুন এবং নাসিমা চৌধুরী। তারা দু-বোন তাদের পূর্ব-পুরুষ এবং তাদের বংশ সম্বন্ধে কোন তথ্য দিয়ে আমাকে সাহায্য করতে পারেনি। অবশ্য তারা আমাকে আতিথেয়তা করেছেন। ২০-০৫-২০০৬ তারিখ যদি ইমন চৌধুরী(হালিমা এবং নাসিমার সাথে ঢাকাতে না আসতে হত তা'হলে ঐদিন কাজ করতে পারলে চৌধুরীবাড়ির আরো বেশি তথ্য সংগ্রহ করতে পারতাম)। আমিও তাদের সাথে আহমদপুর থেকে আমার গ্রামের বাড়ি ভেলানগর চলে আসি। নওয়াব মামার সাথে আমার ঢাকাতে শেষ দেখা হয়েছে ১৯৯৩ সালে পারুল আপার বাসায়। তার পরের বছর নওয়াব মামার মৃত্যুর সংবাদ পাই পারুল আপার নিকট। আগামী(২৫-১০-২০০৬ সালের ঈদ-উল ফিতরের) ঈদের দু'দিন পর বেঁচে থাকলে আহমদপুর চৌধুরীবাড়িতে যাব-''আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি ও চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন'' এ বই এর ফাইনাল প্রুফ দেখানো এবং বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করার জন্য। আমার সাথে আমার মামাত বোন সেলিনা চৌধুরী আমাদের গ্রামের বাড়ী হয়ে আহমদপুর যাবে বলেছে-এখন সে বলছে দাদা আমার তিন নম্বর মেয়ে নবীলা খানম(শীলার) পরীক্ষা শুরু হবে ঈদের পর তাই আমি এ যাত্রা আপনার বাড়ী হয়ে আহমদপুর যেতে পারব না। অন্য সময় আপনার সাথে আপনাদের গ্রামের বাড়ী হয়ে-আমি আপনার সাথে আহমদপুর যাব। ২৭-১০-২০০৬ তারিখ আমি ভেলানগর থেকে আহমদপুর যাই। আমি যাওয়ার কিছুক্ষণ পর আমার মামাত বোন সেলিনা চৌধুরী ঢাকা থেকে নবীনগর হয়ে আহমদপুর আসে। তাকে আমি যখন প্রশ্ন করি যে-তুই এখন আসলি কেন? তখন সে আমাকে উত্তর করে যে, দাদা-হঠাৎ করে টেলিফোন পাই(২৭-১০-২০০৬ তারিখ) যে-আমার তিন নম্বর মেয়ে নবীলা খানম(শীলার) হবু শ্বশুর-এর শরীর খারাপ। তাই আমি দেখতে এলাম। তাই এ ব্যাপারে তাকে আমার আর কিছু বলার নেই। ২৭-১০-২০০৬ তারিখ আমার সাথে জাকির হুসেন আলমগীর আর্থ-সামাজিক গবেষণা কেন্দ্রের সদস্য জনাব মোঃ আবুল কালাম আজাদ ভেলানগর থেকে আহমদপুর যায়। আমি, ইমন চৌধুরী ও আজাদ আমরা তিনজন আহমদপুর চৌধুরীবাড়ীর ঘরে ঘরে যেয়ে তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছি এবং অনেককে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। তাই কিছু কিছু তথ্য বাদ থাকতে পারে। যতদূর পারছি এ বইয়ের কাজ শেষ করছি এবার। এখন ঈদুল-আযহার ছূটিতে বই নিয়ে আহমদপুর চৌধুরীবাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করব। মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর)।
| আকা বাকের(জ্যেষ্ঠ)-এর জন্ম-১৬১৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | আকা বাকের এর বংশ তালিকা(আকা বাকের তুর্কি |
।মুসলমান ছিলেন, ঢাকার বিখ্যাত বাখরখানি রুটির প্রবর্তক ছিলেন তিনি নিজেই)।
| আকা বাখরের পুত্রের নাম পাওয়া যায়নি-জন্ম-১৬৪০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই |
| আহসান উল্লাহ খান এর জন্ম-১৬৭০ খ্রিষ্টাব্দে,মৃত্যু-জানা নেই | আহসান উল্লাহ খান মুর্শিদকুলিখানের সময়ে হুগলীর |
| আকা সাদেক এর জন্ম-১৭০৩ খ্রিষ্টাব্দে,মৃত্যু-জানা নেই | (৩৮৬ বর্গমাইল এলাকা) বলদাখাল বা বরদাখাত পরগণার জমিদার |
| মির্যা ইব্রাহিম বেগ ওরফে মির্যা ভেলার জন্ম-১৭৩২ খ্রিঃ,মৃত্যু-জানা নাই | | মির্যা আবুল হোসেন | মির্যা মোহাম্মদ |
| ৩৮৬ বর্গমাইল এলাকার জমিদার ছিলেন | | ওরফে আকানবী | | জাফর |
| আযি-উন-নিসা খানম-এর জন্ম-১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দে, | রওশন আরা খানম- পতি | তৃতীয় কন্যার নাম জানা |
| মৃত্যু-জানা নেই | পতি মীর আশরাফ আলী খান(এর | মির্যা মোহাম্মদ | যায়নি | পতি-মির্যা হোসেন |
| বাড়ী-ইরানের সিরাজনগর), জন্ম-১৭৫৫ খ্রিষ্টাব্দে, | বাকের(পাটনা) | উনিও | আলী | নিঃসন্তান ছিলেন | উনিও |
| মৃত্যু-১৮২৯ খ্রিষ্টাব্দে | উনি জমিদার ছিলেন | | জমিদার ছিলেন | | জমিদার ছিলেন |
| খান বাহাদুর সৈয়দ আলী মেহেদি খান(বড়ে খান)- জন্ম-১৭৮৪ | খান বাহাদুর সৈয়দ মেহেদি আলী খান(ছোটে |
| খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | | খান) |
| সৈয়দ আসাদ-উদ-দীন হায়দর ওরফে আসাদ উল্লাহ খান(জন্ম-১৮১২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দে | হায়দর |
| সৈয়দ আহমদ (বড় সৈয়দ)-এর | সৈয়দ মাহমুদ(মাঝলা সৈয়দ)-এর | নবাব সৈয়দ মোহাম্মদ খান(নান্না সৈয়দ)-এর |
| জন্ম-১৮৩৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা | জন্ম-১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা | জন্ম-১৮৪২ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যু-১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে |
| সৈয়দ আলী | সৈয়দ আলী | সৈয়দ আলী | ড. সৈয়দ | সৈয়দ আলী | কন্যা-পতি-শের | কন্যা- |
| আশরাফ-এর | মেহেদির | আহসান- এর | হোসেন-এর জন্ম- | আহমদ-এর জন্ম- | এ-বাংলা এ.কে. | পতি-স্যার |
| জন্ম ১৮৭০খ্রি | জন্ম-১৮৭৩খ্রি | জন্ম- ১৮৭৬খ্রিঃ | ১৮৮৮খ্রিঃ, | ১৮৯২খ্রিঃ | ফজলুল হক-এর | হাসান |
| মৃত্যু-১৯৬২খ্রিঃ | (পুলিশের | জন্ম-২৬-১০-১৮৭৩ | সরওয়ার্দি |
| (কায়রোতে) | ডি.এস.পি পদ | খ্রিঃ, | (জাতীয় নেতা |
| পত্নী-বিজয় লক্ষী | থেকে অবঃ নেন | | মৃত্যু-২৭-০৪-১৯ | শহীদ স্যার |
| সাবেক প্রধানমন্ত্রী | | | সরওয়ার্দি -এর |
| সৈয়দ সয়ুদ আহমদ | সৈয়দ হোসেন আহমদ |
আকা বাকরের বংশ তালিকা এখানে শেষ।
।পিতা(পশ্চিম দেশ থেকে ৪ পুত্রসহ আগত এ ভদ্রলোকের নাম মানে খোশাল দিওয়ানে পিতার নাম শের মাহমুদ-এর।
| জন্ম-১৭৩৭খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | খোশাল দিওয়ানের বংশ তালিকা শুরুঃ |