১৯৪৭ সালের কোনো একসময় ভারতের রাজস্থান রাজ্যের বিকানীর জেলায় বানজারা উপজাতীয় পরিবারে পাকিস্তানের খ্যাতনামা লোকসংগীতশিল্পী রেশমার জন্ম, কন্ঠনালির ক্যানসারে রোববার সকালে লাহোরে মৃত্যু-০৩-১১-২০১৩ তারিখ। 'দমা দম মাস্ত কালান্দার' 'লাম্বি জুদায়ি' ইত্যাদি গানের জন্য সুপরিচিত।
১৯৪৯ সালে করাচীতে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শওকত আযিযের জন্ম।
১৯৪৯ সালের ২৫ ডিসেম্বর, লাহোরে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের জন্ম। ভারতের অমৃতসরে নওয়াজের নিজ গ্রামে আনন্দের বন্যা। অমৃতসরের নিকটবর্তী জাত্তিউমরা গ্রামের বাসিন্দারা আনন্দে রাস্তায় নেমে আসেন। নওয়াজ শরীফের পৈত্রিক গ্রাম দেশ ভাগ হওয়ার আগে নওয়াজের পরিবার পাকিস্তানে চলে আসেন।
১৯৫০ সালের ২৬ ডিসেম্বর, পাকিস্তানের ২৫তম প্রধানমন্ত্রী রাজা পারভেজ আশরাফের জন্ম। তিনি ১৯৭০ সালে সিন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। পিপিপিতে যোগদেওয়ার আগ পর্যন্ত জমিদারি দেখাশোনাই ছিল তাঁর কাজ। ২০১২ সালের ২২ জুন পাকিস্তানের পার্লােমন্টের নিম্নকক্ষ জাতীয় পরিষদের সদস্যদের ভোটাভুটিতে তিনি নির্বািচত হন প্রধানমন্ত্রী।
১৯৫২ সালের ৯ জুন, করাচীর এক সম্ভান্ত পরিবারে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানির জন্ম। তিনি ২৪তম প্রধানমন্ত্রী (ক্ষমতা-মার্চ-২০০৮)।
১৯৫২ সালের ২৫ নভেম্বর, পাঞ্জাব প্রদেশের লাহোরে পাঠান বংশোদ্ভূত পাকিস্তান ক্রিকেটের কিংবদন্তী তারকা ইমরান খানের (পুরো নাম ইমরান খান নিয়াজী) জন্ম। ১৯৯২ সালে ৩৯ বছর বয়সে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপ জয়। ১৯৯৫ সালে ব্রিটিশ ধনকুবের জেমস গোল্ডস্মিথের মেয়ে জেমাইমা গোল্ডস্মিথকে বিয়ে করেন। ২০০৪ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এ দম্পতির দুই ছেলে আছে। ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মায়ের মৃত্যু তাঁর জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনে। ইমরানের ভাষায়, ওই ঘটনাই তাঁকে মানুষের জন্য কাজ করতে এবং রাজনীতিতে নামতে উদ্বুদ্ধ করে। আত্মসম্মান বিলিয়ে দেওয়ার চেয়ে মৃত্যু শ্রেয়। ১৯৯৬ সালে ইমরান খান 'পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ' (পিটিআই) প্রতিষ্ঠিত হয়। ইমরান খানের বাবার নাম ইকরাম উল্লাহ খান নিয়াজী।
১৯৫৩ সালের ২১ জুন, পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের করাচিতে বেনজির ভুট্টো জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-২৭-১২-২০০৭ তারিখ। রাওয়ালপিন্ডিতে এক জনসভায় ভাষণ শেষে গাড়িতে ওঠার পরপরই সন্ত্রাসীরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং মুহূর্তের মধ্যে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালায়। এতেই তিনি নিহত হন।
১৯৫৫ সালের ২২ জুলাই, করাচিতে পাকিস্তানের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আসিম আলী জারদারি জন্মগ্রহণ করেন। (ক্ষমতা গ্রহণ-০৯-০৯-২০০৮)।
১৯৫৬ সালের ২০ ডিসেম্বর, পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে প্রথম নারী স্পিকার ফাহমিদা মির্জার জন্ম। পেশায় চিকিৎসক হলেও দাদা-বাবার মতোই রাজনীতির মাঠে হেঁটেছেন ফাহমিদা মির্জা। ২০০৮ সালের ১৯ মার্চ থেকে প্রথম নারী হিসেবে পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব নেন। শুধু পাকিস্তানেরই নন, মুসলিম বিশ্বের কোনো দেশের প্রথম নারী স্পিকারও তিনি।
১৯৬৬ সালে পাকিস্তানের ক্রিকেট খেলোয়ার ওয়াসিম আক্রামের জন্ম।
১৯৭০ সালের ৩ মার্চ, পাকিস্তানের মুলতান, পাঞ্জাবে সাবেক পাকিস্তান ক্রিকেট টিমের ক্যাপ্টেন ইনজামাম-উল-হকের জন্ম।
১৯৭০ সালের ২১ জুলাই, বিচারপতি আবদুল মওদুদের ইন্তেকাল।
১৯৭০ সালে পাকিস্তানে সাঈদা হোসেন ওয়ারসির জন্ম। ওয়ারসি যুক্তরাজ্যের পাকিস্তানি অভিবাসী কারখানা শ্রমিকের মেয়ে। ব্রিটেনে প্রথম মুসলিম মন্ত্রী সাঈদা হোসেন ওয়ারসি। তিনি ব্রিটিশ পার্লােমন্টের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডেসর কনিষ্ঠতম সদস্য নির্বািচত হয়েছেন।
১৯৭৩ সালে পাকিস্তানের প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খানের জন্ম।
১৯৭৩ সালে পাকিস্তানের সংগীতশিল্পী আদনান সামির জন্ম। তাঁর ২৩০ কেজি ওজন ছিল, ১২-১০-২০১২ তারিখের মধ্যে ১৪৫ কেজি কমিয়েছেন এবং বর্তমান ওজন ৮৫ কেজি। ওয়াল্র্ড রেকর্ড করেছে সে। বিশ্বে আর এমন ওজন কমাইতে পারেনি কেউ।
১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তানের তরুণ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খার জন্ম।
১৯৮০ সালের ১ মার্চ, পাকিস্তানের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত প্রদেশের 'আফ্রিদি' নামের এক অনগ্রসর উপজাতি পরিবারে ক্রিকেটার শাহিবজাদা মোহাম্মদ শহীদ খান আফ্রিদির জন্ম।
১৯৮৮ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির জন্ম। লারকানার নাউদেরো হাউসেও গিয়ে দেখা গেল লোকে-লোকারণ্য। ভুট্টোর তৈরী একতলা এ বাড়িটি এখন ইতিহাসের সাক্ষী। পাকিস্তানের দুজন প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতি বহন করছে বাড়িটি। প্রধান সড়ক থেকে প্রায় আধাকিলোমিটার বাড়ির আঙিনা পর্যন্ত মানুষের ভিড়। কেউ আসছে আর কেউ যাচ্ছে। বেনজির নেই, তাই নাউদেরো হাউসেই প্রতিদিন চলছে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) বৈঠক।
১৯৯৭ সালের ১২ জুলাই, পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের মিঙ্গোরা শহরে নারীশিক্ষা অধিকার কর্মী, শিক্ষা ও মানবাধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাইের জন্ম। গত বছর ২০১২ সালের ৯ অক্টোবর, মালালাকে বহনকারী স্কুলবাস পাকিস্তানের সোয়াত উপত্যকা দিয়ে যাওয়ার সময় জঙ্গি খুব কাছ থেকে তাকে গুলি করে। এরপর চিকিৎসার জন্য তাকে ব্রিটেনে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে গত মাসে সে মধ্য ইংল্যান্ডের বার্মিহামের স্কুলে ভর্তি হয়। এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়নও পেয়েছে। এদিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় টাইম ম্যাগাজিনের ২৯ এপ্রিল প্রকাশিতব্য পত্রিকাটির অনলাইন সংস্করণে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় মালালা ইউসুফজাইয়ের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১০০ জনের তালিকায় ৩৫ জনই নারী। প্রথমবারের মতো জাতিসংঘে বক্ততা দেবে পাকিস্তানের নারীশিক্ষা অধিকার কর্মী মালালা ইউসুফজাই। ১২ জুলাই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠেয় তার বক্ততা অনুষ্ঠানে প্রায় চার হাজার তরুণ অংশ নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ০৯-১০-২০১৪ তারিখ নারীশিক্ষা ও শিশু অধিকারের জন্য নোবেল শান্তি পাকিস্তানের মালালা ভারতের কৈলাস সত্যার্থী।
বাংলাদেশ:
৯৮২ সালে বৌদ্ধ ধর্মের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পুরুষ শ্রীজ্ঞান অতীশ দীপংকর মুন্সীগঞ্জের সদর উপজেলার বজ্রযোগিনী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, ১০৫৪ সালের ১৮ নভেম্বর, দেহত্যাগ করেন চীনদেশে। ১৯৭৮ সালের ২৩ জুন, অতীশ দীপংকরের দেহভস্ম চীন থেকে ঢাকায় আনা হয়।
১২৭১ খ্রিষ্টাব্দে ইয়েমেনে হযরত শাহ জালাল (রা.)'র জন্ম, বাংলাদেশের সিলেট শহরে মৃত্যু-১৩৩৩ খ্রিষ্টাব্দে। মৃত্যু দেখানো হয়েছে ১৩৪৭ খ্রিষ্টাব্দে। কিন্তু ৬২ বছর বয়সে মারা গেছেন। ১৩০৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর, হযরত শাহ জালাল (রহ.) ছিলেন ইয়েমেনী এর সিলেট আগমনের সাতশ' বছর পূর্তি উপলক্ষে (১৭-১২-২০০৩ তারিখ থেকে) মাসব্যাপী কর্মসূচী: হযরত শাহ জালাল (রা.) সুরমা নদীর যে ঘাট দিয়ে সিলেট শহরে প্রবেশ করেছিলেন সেই ঐতিহ্যবাহী স্থান শেখঘাট মসজিদ থেকে দরগাহ পর্যন্ত শোভাযাত্রা হয়। হযরত শাহ জালাল (রহ.) মাত্র ৩২ বছর বয়সে ৩৬০(তিনশত ষাট) জন সঙ্গী নিয়ে সিলেটে আগমন করেন।
১৪৩৪ সালে সিলেট জেলার নবগ্রাম-লাউর গ্রামে এক বারেন্দ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে বৈঞ্চব দার্শিনক অদ্বৈতাচার্য (গোস্বামী)-এর জন্ম, মৃত্যু-১৫৫৮ সালে।
১৪৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর, বিখ্যাত সূফী সাধক ও ইসলাম প্রচারক খাজা খান জাহান আলীর (রহ.) ইন্তেকাল।
১৫৩১ সালে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পদ্মা তীরবর্তী প্রেমতলীর খেতুর গ্রামের গৌরাঙ্গবাড়িতে ঠাকুর শ্রী নরোত্তম দাসের জন্ম, মৃত্যু- ১৮-১০-১৫৮১ তারিখ। ১৮ অক্টোবর থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ঠাকুর নরোত্তম দাসের পদ্মা তীরবর্তী প্রেমতলীর খেতুর গ্রামের গৌরাঙ্গবাড়িতে মিলন মেলায় স্রষ্টার আরাধনা, কৃষ্ণের নামজপ ও ভোগ-আরতি পালন করার মাধ্যমে ১৯ অক্টোবর, এ স্মরণ উৎসব শেষ হবে। ১৫৮১ সাল থেকে আজ অবধি এ মিলন মেলা পালিত হয়ে আসছে। প্রেমভক্তি মহারাজ নামে পরিচিত মহাকবি ঠাকুর শ্রী নরোত্তম দাসের মৃত্যুবার্ষিকীতে রাজশাহীর খেতুর গ্রামে দুই বাংলার মিলনমেলায় পরিণত হয়।
১৫৫০ সালে কিশোরগঞ্জ সদরে চাতুয়াইল গ্রামে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের প্রথম বাঙালি কবি চঁন্দ্রাবতীর জন্ম, মৃত্যু-১৬০০ সালে।
১৬০৭ সালে মধ্যযোগীয় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওলের জন্ম, মৃত্যু-১৬৮০ সালে।
১৬১৩ সালের ২১ আগস্ট, বারো ভূঁইয়াদের অন্যতম ঈশা খাঁর ইন্তেকাল।
১৬১৫ সালে আকা বাকের (জ্যেষ্ঠ)'র জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। আকা বাকেরের বংশ তালিকা (আকা বাকের তুর্কি মুসলমান ছিলেন, ঢাকার বিখ্যাত বাখরখানি রুটির প্রবর্তক ছিলেন তিনি নিজেই)। তাঁর ছেলের নাম পাওয়া যায়নি। ছেলের জন্ম হতে পারে-১৬৪৩ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। তাঁর ছেলে-আহসান উল্লাহ খানের জন্ম-১৬৭১ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। আহসান উল্লাহ খান ছিলেন মুর্শিদকুলিখানের সময়ে হুগলীর ফৌজদার। তাঁর ছেলে-আকা সাদেকের জন্ম-১৬৯৯ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। (৩৮৬ বর্গমাইল এলাকা) বৃহত্তর কুমিল্লার বলদাখাল বা বলদাখাত পরগনার জমিদার ছিলেন। তাঁর ৩(তিন) ছেলে-(১) মির্যা ইব্রাহিম বেগ ওরফে মির্যা ভেলার জন্ম-১৭২৭ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। তিনিও ৩৮৬ বর্গমাইল এলাকার জমিদার ছিলেন। (২) মির্যা আবুল হোসেন ওরফে আকানবী। (৩) মির্যা মোহাম্মদ জাফর। মির্যা মোহাম্মদ জাফর গংঙ্গামন্ডল পরগনার জমিদার ছিলেন। মির্যা ভেলার ৩(তিন) মেয়ে-(১) আযি-উন-নিসা খানমের জন্ম-১৭৫৫ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। পতি মীর আশরাফ আলী খান-এর বাড়ি ইরানের সিরাজনগরে। আশরাফ আলী খানের জন্ম-১৭৪৮ সালে, মৃত্যু-১৮২৯ সালে। উনি জমিদার ছিলেন। (২) রওশন আরা খানম-পতি মির্যা মোহাম্মদ বাকের (পাটনা)। উনিও জমিদার ছিলেন। (৩) তৃতীয় কন্যার নাম জানা যায়নি। পতি-মির্যা হোসেন আলী। নিঃসন্তান ছিলেন। উনিও জমিদার ছিলেন। আযি-উন-নিসা খানমের দুই ছেলে-(১) খান বাহাদুর সৈয়দ আলী মেহেদি খানের (বড়ে খান) জন্ম-১৭৭৫ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। (২) খান বাহাদুর সৈয়দ মেহেদি খান (ছোটে খান)। বড়ে খানের এক ছেলে-(১) সৈয়দ আসাদ-উদ-দীন হায়দর ওরফে আসাদ উল্লাহ খানের জন্ম-১৮০২ সালে, মৃত্যু-১৮৭০ সালে। তাঁর ৩(তিন) ছেলে-(১) সৈয়দ আহমদের (বড় সৈয়দ) জন্ম-১৮৩০ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। (২) সৈয়দ মাহমুদের (মাঝলা সৈয়দ) জন্ম-১৮৩২ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। (৩) নবাব সৈয়দ মোহাম্মদ খানের (নান্না সৈয়দ) জন্ম-১৮৩৫ সালে, মৃত্যু-১৯১৩ সালে। তাঁর ৫(পাঁচ) ছেলে ২(দুই) মেয়ে। তাঁদের নামগুলি-(১) সৈয়দ আলী আশরাফের জন্ম-১৮৭০ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। (২) সৈয়দ আলী মেহেদির জন্ম-১৮৭৪ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। (৩) সৈয়দ আলী আহসানের জন্ম-১৮৭৮ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। (৪) কন্যা-পরি বাণু'র জন্ম-১৮৮২ সালে, মৃত্যু-জানা নেই-তাঁর পতি-শের-এ-বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের জন্ম-২৬-১০-১৮৭৩ তারিখ, মৃত্যু-২৭-০৪-১৯৬২ তারিখ। (৫) দ্বিতীয় কন্যার (জন্ম-১৮৮৫ সালে, মৃত্যু-জানা যায়নি) নাম জানা যায়নি-পতি স্যার হাসান সরওয়ার্দি (জাতীয় নেতা স্যার হোসেন শহীদ সরওয়ার্দীর জ্যেষ্ঠ ভাই)। (৬) ড. সৈয়দ হোসেনের জন্ম-১৮৮৮ সালে, মৃত্যু-১৯৪৯ বা ১৯৬২ সালে (কায়রোতে)-পত্নী-বিজয় লক্ষী পন্ডিত হলো ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহর লাল নেহরুর ছোট বোন এবং ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ফুফু। (৭) সৈয়দ আলী আহমদের জন্ম-১৮৯২ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। এ ব্যক্তি পুলিশের ডি.এস.পি. পদ থেকে অবসর নেন। তাঁর দুই ছেলে-(১) সৈয়দ সয়ুদ আহমদ ও (২) সৈয়দ হোসেন আহমদ। তাঁদের ১১তম বংশ লতিকা।
১৬২০ সালে নোয়াখালী জেলার বাবুপুরে ছিল মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একজন কবি আবদুল হাকিমের জন্ম এবং মৃত্যুবরণ-১৬৯০ সালে।
১৬৬০ সালে মিডেলইষ্ট-এ দরবেশ শেখ আবদুল আউয়ালের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। (দরবেশ শেখ আবদুল আউয়াল ধর্ম প্রচার করার জন্য ১৪৬৩ সালের দিকে হযরত বায়জিদ(র.) সঙ্গে ১৪৬৩ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গীয় এলাকার চট্টগ্রামে আগমন এবং পরে টুঙ্গিপাড়ায় বাঙ্গালী মহিলাকে বিয়ে করে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। যদি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৮ম পুরুষ হয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ হয়, তা'হলে শেখ আবদুল আউয়ালের জন্ম ১৬৬০ সালের পূর্বে কোন মতেই হবে না। একটি বইয়ে ১৪৬৩ সালের সময়ে দরবেশ শেখ আবদুল আউয়াল চট্টগ্রামে আসে ধর্ম প্রচারের জন্য এবং সেখান থেকে টুঙ্গিপাড়ায় বাঙ্গালী মহিলাকে বিয়ে করে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু এসব তথ্য দেয়া আছে) আণুমানিক ১৭০০ সালে টুঙ্গিপাড়ায় শেখ জহিরউদ্দিনের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। আণুমানিক ১৭৩৫ সালে টুঙ্গিপাড়ায় শেখ জান মাহমুদ ওরফে তেকরি শেখের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। আণুমানিক ১৭৭০ সালে টুঙ্গিপাড়ায় শেখ বোরহানউদ্দিনের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। আণুমানিক ১৮১০ সালে টুঙ্গিপাড়ায় শেখ আকরামের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। আণুমানিক ১৮৫০ সালে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর দাদা শেখ আব্দুল হামিদের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। ১৮৮৭ সালে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর পিতা শেখ লুৎফর রহমানের জন্ম, ঢাকায় মৃত্যু-৩০-০৩-১৯৭৫ তারিখ। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ, টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম, মৃত্যু-১৫-০৮-১৯৭৫ তারিখ। ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, টুঙ্গিপাড়ায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্ম। ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই, ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একমাত্র পুত্র ও বিশিষ্ট কমপিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্ম।
(বঙ্গবন্ধুর বংশ পরিচয় : ১ম পুরুষ-দরবেশ শেখ আবদুল আউয়াল হযরত বায়জিত(র.) সঙ্গে ১৪৬৩ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গীয় এলাকায় আগমণ। তাঁর ছেলে দ্বিতৃীয় পুরুষ-শেখ জহিরউদ্দিন তাঁর ছেলে-তৃতীয় পুরুষ-শেখ জান মাহমুদ ওরফে তেকরি শেখ তাঁর ছেলে-৪র্থ পুরুষ-শেখ বোরহানউদ্দিন তাঁর ছেলে-৫ম পুরুষ-(১) শেখ আকরাম-(২) শেখ তাজ মাহমুদ-ও (৩) শেখ কুদরতউল্লাহ ওরফে কদু শেখ। ৫ম পুরুষ-শেখ আকরাম তাঁর ছেলে-৬ষ্ঠ পুরুষ-(১)শেখ অছিমুদ্দিন (২) শেখ আবদুল হামিদ ও (৩) শেখ আবদুর রহমান ওরফে নশু মিয়া। ৬ষ্ঠ পুরুষ-(২) শেখ আবদুল হামিদ তাঁর ছেলে-৭ম পুরুষ-শেখ লুৎফর রহমান-এর জন্ম-১৮৮৭ সালে এবং মৃত্যু-১৯৭৫ সালের ৩০ মার্চ তাঁর ছেলে ৮ম পুরুষ-বঙ্গবন্ধু (১) শেখ মুজিবুর রহমান-এর জন্ম-১৭ মার্চ, ১৯২০ সালে এবং মৃত্যু-১৫ আগষ্ট ১৯৭৫ সাল ও (২) শেখ আবু নাসের-এর জন্ম-সেপ্টেম্বর, ১৯২৮ সালে এবং মৃত্যু-১৫ আগষ্ট ১৯৭৫। ৮ম পুরুষ-বঙ্গবুন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর তিন ছেলে দুই মেয়ে-৯ম পুরুষ-প্রধানমন্ত্রী (১) শেখ হাসিনার জন্ম-১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর (২) শেখ কামাল-এর জন্ম-১৯৪৯ সালের ৫ আগষ্ট, মৃত্যু-১৫ আগষ্ট, ১৯৭৫ সালে (৩) শেখ জামাল-এর জন্ম-১৯৫৩ সালের ২৮ এপ্রিল এবং মৃত্যু-১৫ আগষ্ট, ১৯৭৫ সালে (৪) শেখ রেহানার জন্ম-১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৭ সালে (৫) শেখ রাসেলের জন্ম-১৮ অক্টোবর, ১৯৬৪ সালে এবং মৃত্যু-১৫ আগষ্ট, ১৯৭৫ সালে।)
১৭১০ সালে মতান্তরে ১৭১২ সালে বর্তমান ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া থানার শমসের গাজী নিজ-কুঞ্জরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যু-জানা নেই। শমসের গাজী ১৭৪৮-৬০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে ত্রিপুরার রৌশনাবাদ এলাকার স্বাধীন নরপতি ছিলেন।