১৯০৫ সালের ১ জানুয়ারি, কাপাসিয়া উপজেলার তরগাঁও গ্রামের সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী মোঃ আমিনউদ্দীন শিকদারের জন্ম, মৃত্যু-১৭-০১-২০০৬ তারিখ।
১৯০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি, পশ্চিম বাংলায় দার্শিনক-রাজনীতিবিদ আল্লামা আবুল হাশিমের জন্ম, (১৯৫০ সালে পশ্চিম বঙ্গের কলকাতা, বর্ধমান, বাঁকুড়া, হুগলী, হাওড়া, মেদিনীপুর প্রভৃতি অঞ্চলে মুসলিমবিরোধী সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয় এবং এ কারণে ১৯৫০ সালে আবুল হাশিম দেশ ত্যাগ করে ঢাকায় চলে আসেন) মৃত্যু-০৫-১০-১৯৭৪ তারিখ। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবে আবুল হাশিম শহীদ সোহরওয়ার্দী ও শরৎচন্দ্র বসুর সঙ্গে মিলে ভারত ও পাকিস্তানের বাইরে সার্বেভৗম বৃহত্তর বাংলা গঠনের একটি প্রয়াস চালান। এ প্রচেষ্টার প্রতি মুসলিম লীগ হাইকমান্ডের সমর্থন পাওয়া গেলেও গান্ধী, নেহরু, প্যাটেল প্রমুখ কেন্দ্রীয় কংগ্রেস নেতা এবং শ্যমাপ্রসাদ প্রমুখ বাঙ্গালী হিন্দু নেতার প্রবল বিরোধিতার কারণে এ প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। ১৯০৫ সালে বাংলা বিভাগের বিরুদ্ধে যে বাঙ্গালী হিন্দু নেতৃবৃন্দ দেশব্যাপী আন্দোলনের ঝড় সৃষ্টি করেন 'বঙ্গমাতার অঙ্গচ্ছেদের' শোকে, সেই 'বঙ্গমাতার অঙ্গচ্ছেদের' দাবীতে ১৯৪৭ সালে বহু বাঙ্গালী হিন্দু নেতা (যেমন শ্যামাপ্রসাদ) ঘোষণা দিয়েছিলেন, ভারত ভাগ না হলেও বাংলাকে ভাগ করতে হবে।
১৯০৫ সালের ৬ মার্চ, ঢাকা জেলার দামরাই উপজেলার বালিয়া গ্রামে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাতীয় নেতা আতাউর রহমান খানের জন্ম, মৃত্যু-০৭-১২-১৯৯১ তারিখ।
১৯০৫ সালের ৫ এপ্রিল, চট্টগ্রামে পাঁচলাইশ বা চাঁদগাও থানার মোহরা গ্রামে আইনশাস্ত্রজ্ঞ, রাজনৈতিক নেতা ও শিল্পপতি (এ. কে. খান পরিচিতি) এ. কে. খানের জন্ম, মৃত্যু-৩১-০৩-১৯৯১ তারিখ।
১৯০৫ সালের ১৫ এপ্রিল, বরিশালের গৈলা গ্রামে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বিপস্নবী শহীদ তারকেশ্বর সেনগুপ্তের জন্ম, বন্দিশিবির থেকে পালাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ১৫-০৯-১৯৩১ তারিখ।
১৯০৫ সালের ২৬ অক্টোবর, পটুয়াখালীর উলানিয়ার এক জমিদার পরিবারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার আবদুল হাদি তালুকদারের জন্ম, মৃত্যু-১৭-০৭-১৯৮৫ তারিখ।
১৯০৫ সালের ২ ডিসেম্বর, মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার হাজীনগর গ্রামে শিক্ষবিদ, পন্ডিত ও লেখক খানবাহাদুর আবদুল হাকিমের জন্ম, মৃত্যু-১৪-০৬-১৯৮৫ তারিখ।
১৯০৫ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী নৃপেন চক্রবর্তী, কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন ২৫-১২-২০০৪ তারিখ।
১৯০৫ সালে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গাজীপুর গ্রামে ঐতিহাসিক ও সঙ্গীতজ্ঞ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আবদুল হালিমের জন্ম, মৃত্যু-১৯৭২ সালে।
১৯০৫ সালে মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরের দোগাছি গ্রামে রাজনীতিবিদ জ্ঞান চক্রবর্তীর জন্ম, মৃত্যু-ঢাকা-১১-০৮-১৯৭৭ তারিখ। ১৯৩০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বি.এস-সি ক্লাশে ভর্তি এবং গোপন বিপস্নবী কর্মের জন্যে ঐ বছরই গ্রেফতার ৭২ বছর জীবনের ২৫ বছর জেল।
১৯০৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার নতুনপুর গ্রামে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট নাজির উদ্দিন আহমেদের জন্ম, মৃত্যু-২০০০ সালে।
১৯০৬ সালের ২৮ মার্চ, ঢাকায় রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক সত্যেন সেনের (মহত্তম মানুষটির) জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১৯৮১ সালে। দেশের জন্য জেল খেটেছেন এবং ১৯৬৭ সালের শেষাশেষি একদিন সত্যেন সেন জেল থেকে বেড়িয়ে আসে এবং তাঁকে সংবর্ধণা দেয়। বিপস্নবী পার্টির লোক ছিল। তাঁর পৈতৃক ভিটা ছিল টংগীবাড়ি উপজেলার সোনারং গ্রামে।
১৯০৬ সালের ১ জুন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার আড়াইসিধা গ্রামে কবি, প্রাবন্ধিক ও ছান্দনিক আবদুল কাদিরের জন্ম, মৃত্যু-১৯-১২-১৯৮৪ তারিখ।
১৯০৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার রসুল্লাবাদ গ্রামে শিক্ষাবিদ ও দার্শিনক অধ্যক্ষ সাইদুর রহমানের জন্ম, মৃত্যু-২৮-০৮-১৯৮৭ তারিখ।
১৯০৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীমভূম জেলার বোলপুরের দাড়কা গ্রামে বাংলাদেশের ৯তম সাবেক রাষ্ট্রপতি জাস্টিস আবদুস সাত্তারের জন্ম, মৃত্যু-০৫-১০-১৯৮৫ তারিখ।
১৯০৬ সালের ১ অক্টোবর, কুমিল্লার চর্থা গ্রামে শচীন দেব বর্মেণর জন্ম, বোম্বে শহরে মৃত্যু-৩১-১০-১৯৭৫ তারিখ। ১৯২০ সালে মেট্রিকুলেশন পাশ করেন এবং কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে বি. এ. পাশ করবার পর তিনি ১৯২৫ সালে কলকাতায় যান ইংরেজীতে এম. এ. করতে। শচীন দেব বর্মণ ১৯২৬ বা ১৯২৭ সালে প্রথম কলকাতা রেডিওতে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। গায়ক-সুরকার হিসেবে তাঁর প্রথম রেকর্ডিট বেরোয় ১৯৩২ সালে। ১৯৪৪ সালে সর্বািধক সম্মানী লাভকারী শিল্পী হিসেবে তিনি বম্বে চলচ্চিত্র জগতে যাত্রা শুরু করেন। ১৯১৩ সালের মার্চে বাংলাদেশের কুমিল্লায় মীরা দেবীর জন্ম, মৃত্যু-১৫-১০-২০০৭ তারিখ মুম্বাইয়ে নিজ বাসভবনে মারা গেছে। ১৯৩৭ সালে এলাহাবাদে অল ইন্ডিয়া মিউজিক কনফারেন্সে মীরার সঙ্গে শচীন দেব বর্মেণর পরিচয় হয় এবং ১৯৩৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি গানের শিল্পী মীরা দেবীর সংগে উপমহাদেশের বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ও সুরকার শচীন দেব বর্মেণর বিয়ে হয়। তাঁর ছেলে ১৯৩৯ সালের ২৭ জুন, রাহুল দেব বর্মণ ওরফে পঞ্চমের জন্ম, মৃত্যু-০৪-০১-১৯৯৪ তারিখ। কুমিল্লা শহরে ৬০ বিঘা জমির ওপর শচীন দেববর্মেনর বাড়ি।
১৯০৬ সালের ২৫ অক্টোবর, সুনামগঞ্জের তেঘরিয়া গ্রামস্থ নানা মরমী কবি হাসন রাজার বাড়িতে ইসলামী চিন্তাবিদ ও দার্শিনক অধ্যক্ষ দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফের জন্ম, মৃত্যু-০১-১১-১৯৯৯ তারিখ। তিনি ১৯৪৬ সালে মুসলিম লীগে যোগদান করেন। ১৯৪৬ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অসম প্রাদেশিক আইন পরিষদের সদস্য নির্বািচত হন। ১৯৪৮ সাল থেকে তিনি সুনামগঞ্জ কলেজ, নরসিংদী কলেজ, মতলব কলেজ এবং মালিবাগ আবুজর গিফারী কলেজে অধ্যক্ষ হিসাবে ছিলেন ১৯৭২ পর্যন্ত। ১৯৯৩ সালে সরকার তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক নিযুক্ত করেন।
১৯০৬ সালের ২৫ নভেম্বর, যশোর জেলার আলফাডাঙ্গার বুড়াইচ গ্রামে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতির বিরল ব্যক্তিত্ব ও নাট্যকার অধ্যাপক নূরুল মোমেনের জন্ম, মৃত্যু-১৬-০২-১৯৯০ তারিখ গুলশানের বাসায়।
১৯০৬ সালে মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামে বিচারপতি খন্দকার মোহাম্মদ হাসানের জন্ম, মৃত্যু-১২-০৭-১৯৯৪ তারিখ।
১৯০৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার চারগাছ গ্রামে রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক নুরুল ইসলাম ভূইয়ার জন্ম, মৃত্যু-১৩-০৫-১৯৬৬ তারিখ।
১৯০৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার উলুকান্দি গ্রামে পশু বিজ্ঞানী আলহাজ্জ ডা. আব্দুল আউয়ালের জন্ম, মৃত্যু-২৪-০৩-১৯৮৩ তারিখ।
১৯০৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর, কবি বন্দে আলী মিয়ার জন্ম, মৃত্যু-২৭-০৬-১৯৭৯ তারিখ।
১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, ফেনী জেলায় কবি শামসুন নাহার মাহমুদের জন্ম, মৃত্যু-১১-০৪-১৯৬৪ তারিখ। তিনি ১৯২৬ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন এবং ১৯৩২ সালে বি. এ. পাস করেন। বেগম রোকেয়া তাকে সম্বর্ধনা দেন।
১৯০৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, সিলেট জেলার বিয়ানী বাজারের লাউতা গ্রামে অধ্যাপক গোবিন্দচন্দ্র দেবের জন্ম, ঢাকায় মৃত্যু-১৪-১২-১৯৭১ তারিখ। ১৯৫৩ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শুরু করেন।
১৯০৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, শরিয়তপুর জেলার গঙ্গানগর গ্রামে প্রখ্যাত যাত্রাপালা লেখক ও পালাসম্রাট ব্রজেন্দ্র কুমার দের জন্ম, মৃত্যু-২৮-০২-১৯৭৬ তারিখ।
১৯০৭ সালের ১৪ জুলাই, সাতক্ষীরার কৃতী সন্তান অধ্যক্ষ ডা. দিদার বখত খানের জন্ম, মৃত্যু-১৪-০৯-১৯৯৬ তারিখ।
১৯০৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার চানগাঁও গ্রামে তাঁর নানার বাড়িতে খালেকদাদ চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-১৬-১০-১৯৮৫ তারিখ। দুই বাংলাতেই তিনি ছিলেন খ্যাতিমান লেখক। তাঁর রক্তাত্ত্ব অধ্যায় ইতিহাস ভিত্তিক উপন্যাস।
১৯০৭ সালের ২৮ মার্চ, মুন্সিগঞ্জ জেলায় ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকা পালনকারী অন্যতম ব্যাক্তিত্ব, সাংবাদিক, ঔপন্যাসিক, ঐতিহাসিক ও রাজনীতিবিদ সত্যেন সেনের জন্ম, মৃত্যু-কত তারিখ কত বছর বয়সে হয়েছে তা সঠিকভাবে বলা যায়নি। উদীচীর আনন্দ আয়োজন: সত্যেন সেনের ১০৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আরেকটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। উদীচীর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এই সত্যেন সেন।
১৯০৭ সালের ১১ নভেম্বর, কবি সুফী মোতাহার হোসেনের জন্ম, মৃত্যু-০৭-০৮-১৯৭৫ তারিখ।
১৯০৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর, মুন্সিগঞ্জ বিক্রমপুরে কবি, সম্পাদক, অধ্যাপক অজিত কুমার দত্তের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-৩০-১২-১৯৭৯ তারিখ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘকাল বাংলা বিভাগের প্রধান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
১৯০৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, বাগেরহাটের ফকিরহাট থানার সাতশৈয়া গ্রামে আবদুস সবুর খানের জন্ম, মৃত্যু-২৫-০১-১৯৮২ তারিখ। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় খুলনা অঞ্চলকে জোর করেই হিন্দুস্থানের দখলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেদিন এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে খান এ সবুরের নেতৃত্বেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছিল। যার ফলে তখন খুলনা অঞ্চল ন্যায়সঙ্গতভাবেই পাকিস্তানে রাখা সম্ভব হয়েছিল।
১৯০৮ সালের ২৬ মার্চ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে প্রখ্যাত সেতারবাদক উরশাদ আলী খাঁ'র জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৯০৮ সালের ১০ মে, মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তেওতা গ্রামে আশালতার (প্রমীলা নজরুল) জন্ম, কবি-পত্নী প্রমীলা নজরুল ইসলাম ইন্তেকাল করেছিলেন কলকাতায় ৩০ জুন, ১৯৬২ সালে। প্রমীলার ইচ্ছা অনুযায়ী তাঁকে নজরুলের জন্মভূমি চুরুলিয়ায় দাফন করা হয়।
১৯০৮ সালের ২৯ মে, সাহিত্যক, বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী ঔপন্যাসিক ও কথাশিল্পী মানিক বন্ধ্যোপ্যায়ের জন্ম, মৃত্যু-০৩-১২-১৯৫৬ তারিখ। মাত্র বেঁচেছিলেন ৪৮ বছর। ১৯৩৫ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত ২০০শতের মত উপন্যাস লিখেন। তাঁর পৈত্রিক নিবাস মুন্সীগঞ্জের মালপদিয়া গ্রামে।
১৯০৮ সালে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর জেলার টঙ্গীবাড়ি উপজেলার রাউতভোগ গ্রামে বিপস্নবী ও ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে কলকাতা রাইটার্স বিল্ডিং আক্রমণকারী বিপস্নবী নেতা বিনয় বসুর জন্ম, মৃত্যু-কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি সেখানে ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৩০ তারিখ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর, কুমিল্লা শহরে বিখ্যাত বাঙালি কবি, সাহিত্যিক, সমালোচক, প্রাবন্ধিক ও সংবাদপত্র সম্পাদক বুদ্ধদেব বসুর জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১৮-০৩-১৯৭৪ তারিখ। তাঁর পৈতৃক নিবাস মুন্সীগঞ্জের মালখানগর গ্রাম। ১৯৪২ সালে ঢাকায় কমিউনিস্ট কর্মী ও তরুণ সাহিত্যিক সোমেন চন্দ দাঙ্গাবাজদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বুদ্ধদেব 'প্রতিবাদ' নামে একটি তাৎপর্যমন্ডিত কবিতা লিখেছিলেন। ১৯৪২ সালে 'ফ্যাসিস্টবিরোধী লেখক ও শিল্পীসংঘ'
১৯০৮ সালের ডিসেম্বরে রংপুরের শতবর্ষী কবি নূরুল ইসলাম কাব্যবিনোদের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৯০৮ সালে তেভাগা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক নড়াইলের বাকলি গ্রামের কৃষক নেত্রী পরিবালা বিশ্বাসের জন্ম, মৃত্যু-২৫-০৫-২০০৭ তারিখ।
১৯০৮ সালে খ্যাতনামা ফুটবলার জাদুকর আবদুস সামাদের জন্ম, মৃত্যু-০৩-০২-১৯৬৫।
১৯০৮ সালে কুমিল্লাতে শিল্পী হিমাংশু কুমার দত্তের জন্ম, মৃত্যু-১৯৪৪ সালে।
১৯০৮ সালে মাদারীপুর জেলার কালকিনী উপজেলার গোপালপুর কাজী পরিবারে কাজী আশরাফ মাহমুদের জন্ম, মৃত্যু-০৩-১২-১৯৮৩ তারিখ। তিনি ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের বিশিষ্ট হিন্দী কবি, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অগ্নিপুরুষ, মহাত্মা গান্ধীর ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন।
১৯০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি, মুর্শিদাবাদের তালেবপুরে মাতুলালয়ে শিক্ষাবিদ ও মুঘল ঐতিহ্যের কবি কাজী কাদের নওয়াজের জন্ম, মৃত্যু-০৩-০১-১৯৮৩ তারিখ।
১৯০৯ সালের ১৭ জানুয়ারি, কিশোরগঞ্জ জেলার ঝালুয়া গ্রামে মাতুলালয়ে সাহিত্যিক ও লোকসংস্কৃতিবিদ আশুতোষ ভট্টাচার্যের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১৯-০৩-১৯৮৪ তারিখ।
১৯০৯ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি, আমলা, টেকনোর্কযাট উপদেষ্টা মন্ত্রী ও লেখক কাজী আনোয়ারুল হকের জন্ম, মৃত্যু-২০০১ সালের নভেম্বর।
১৯০৯ সালের ২৯ এপ্রিল, (বাংলা ১৩১৬ সনের ১৬ বৈশাখ) শেরপুর অঞ্চলের তৎকালীন জমিদার রমেশ চন্দ্র নিয়োগীর ঘরে জন্মগ্রহণ করেন রবি নিয়োগী, আমৃত্যু পর্যন্ত বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টির সদস্য ছিলেন এবং মৃত্যু-১০-০৫-২০০২ তারিখ। তাঁর ৯৩ বছরের জীবনে ৪৩ বছরই কেটেছে কারাগারে।
১৯০৯ সালের ১৮ আগষ্ট, উপমহাদেশের প্রখ্যাত সানাইবাদক ওস্তাত সোনা মিয়ার জন্ম, মৃত্যু-১৯-০৮-২০১১ তারিখ দিবাগত রাতে ঢাকায়। বরেণ্য এই শিল্পী ভারতবর্ষের স্বনামধন্য সানাইবাদক ওস্তাদ মুন্না খাঁর শিষ্য ছিলেন।
১৯০৯ সারের ১৯ সেপ্টেম্বর, কমিউনিষ্ট পার্টির প্রথম প্রাদেশিক সম্মেলনে গঠিত কমিটিতে নির্বািচত কমিউনিষ্ট নেতা নেপাল নাগের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-০৫-১০-১৯৭৮ তারিখ।
১৯০৯ সালে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুরে সঙ্গীতশিল্পী সন্তোষ সেনগুপ্তের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-২১-০৬-১৯৮৪ তারিখ। এইচএমভি ও কলাম্বিয়া রেকর্ড কোম্পানির প্রয়োজক ও আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্রের রবীন্দ্রসঙ্গীত শিক্ষার আসরের পরিচালক ছিলেন।
১৯১০ সালের ১ জানুয়ারি, ভোলার উত্তর শাহবাজপুরে এক নায়েব পরিবারে আজীবন সংগ্রামী কররেড নলিনী দাসের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। তাঁর সব সম্পত্তি বিদ্যালয়, দাতব্য চিকিৎসালয় ও হোমিওপ্যাথি কলেজ প্রতিষ্ঠায় দান করে দেন তিনি।
১৯১০ সালের ৭ জানুয়ারি, খ্যাতিসম্পন্ন পানিবিশেষজ্ঞ বি. এম. আব্বাসের জন্ম, ইন্তেকাল-২৭-১২-১৯৯৬ তারিখ।
১৯১০ সালের ১০ জানুয়ারি, মুন্সিগঞ্জ জেলার ধাইদা গ্রামে শিশুসাহিত্যিক মোহাম্মদ নাসির আলীর জন্ম, মৃত্যু-৩০-০১-১৯৭৫ তারিখ।
১৯১০ সালের ১৪ মার্চ, কিশোরগঞ্জ জেলায় কবি আজহারুল ইসলামের জন্ম, মৃত্যু-নেই।
১৯১০ সালের ২ আগস্ট, ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার দক্ষিণ ধর্মপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মুন্সিবাড়িতে উপমহাদেশের ইংরেজী সাংবাদিকতার অন্যতম স্থপতি, ইংরেজী দৈনিক বাংলাদেশ অবজার্ভার পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ও ভাষাসৈনিক আবদুস সালামের জন্ম, মৃত্যু-১৩-০২-১৯৭৭ তারিখ।
১৯১০ সালে বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ প্রিন্সিপাল মুহাম্মদ ইসহাকের জন্ম, মৃত্যু-১৭-০৮-২০০৫।
১৯১০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানার বাজালিয়ায় ডা. মনীন্দ্রলাল চক্রবর্তীর জন্ম, মৃত্যু-১৪-০৭-১৯৮৩ তারিখ। স্কুলে থাকতেই তিনি গোপন বিপস্নবী দলে যোগ দিয়েছিলেন।
১৯১০ সালের ২০ অক্টোবর, নেত্রকোনা জেলার উলুয়াটি গ্রামে সাংবাদিক-সাহিত্যিক মুজীবুর রহমান খাঁ'র জন্ম, মৃত্যু-০৫-১০-১৯৮৪ তারিখ। ১৯৪৬ সালে তিনি ভারতের প্রথম গণপরিষদ সদস্য নির্বািচত হন।
১৯১০ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার দরিকান্দি গ্রামের (ইমামনগরে) শরাফত আলী ফকিরের জন্ম, মৃত্যু-২০০৮ সালের জানুয়ারি।
১৯১০ সালে সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার চাম্পাফুল ইউনিয়নের সাইহাটি গ্রামে পন্ডিত হরিদাস ভট্টাচার্যের জন্ম, নিজ বাড়িতে মৃত্যু-১০-০১-২০১২ তারিখ। দক্ষিণাঞ্চলের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তিনি পন্ডিত হিসেবে খ্যাত ছিলেন।
১৯১১ সালের ১০ জানুয়ারি, চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী থানার উত্তরভূর্ষি গ্রামে বিপস্নবী বিনোদ বিহারী চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-বুধবার রাতে কলকাতার ফর্টিজ হাসপাতালে ১০-০৪-২০১৩ তারিখ তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর ১৯২৯ সালে মাস্টারদার সঙ্গে পরিচয় হয়। কয়েকবার সাক্ষাতের পর মাস্টারদা বিপ্লবী দলে ঢোকার অনুমতি দেন বিনোদবিহারীকে। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ৪০ বছর পর ১৯৭১ সালে বিনোদবিহারী নিজেকে যুক্ত করেন পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে।