৩৩ মোঃ তরু মিয়া -দরিকান্দি, (১১০) মরহুম মোঃ শওকত আলী -দরিকান্দি, (১১১) মোঃ তোতা মিঞা -দরিকান্দি, (১১২) আলহাজ আবদুল মালেক -পাড়াতলী, (১১৩) আবদুল অদ ুদ-রূপসদী, (১১৪) আবদুল অদুদ -গকুলনগর, (১১৫) মোঃ নজরুল ইসলাম -রূপসদী কান্দাপাড়া, (১১৬) মোঃ ইসমাইল(মধু) -পাড়াতলী, (১১৭) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সহিদুল হক -মিরপুর, (১১৮) মরহুম মোঃ সুলতান আহমেদ(ফটিক)-মিরপুর, (১১৯) মোঃ মতিউর রহমান -মিরপুর, (১২০) ক্যাপ্টেন(অব.) মরহুম মো: শাজাহান-নারায়নপুর, হোমনা, (১২১) মরহুম মোঃ শাহ আলম শিকদার -ভেলানগর, সে ফতেপুর স্কুলের ছাত্র ছিল -এস.এস.সি পরীক্ষার পূর্বে আমার সাথে কোচিং করে এবং ফতেপুর স্কুল থেকে এ.এস.সি. পরীক্ষা দেয়। ও (১২২) মোঃ শামসুজ্জামান(ঝান্টু) -ভিটিবিশারা, সে নবীনগর স্কুলের ছাত্র ছিল - এস.এস.সি. পরীক্ষার পূর্বে আমার সাথে কোচিং করে এবং নবীনগর স্কুল থেকে এস.এস.সি পরীক্ষা দেয়। মো: জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর, ডেপুটি রেজিস্ট্রার(অব.), ঢাকা বিশ্ববিদালয়। গ্রাম-ভেলানগর(বড়বাড়ি)।

৩৪ ২০১৫ সালে বাংলাদেশের লোকসংখ্যা ১৬.১৫(ষোল কোটি পনের লক্ষ) মানুষ। বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি প্রাইমারী স্কুল ও যত প্রকার কিন্ডারগার্টেন স্কুল আছে -১,১২,২২৮টি(সরকারি প্রাইমারী-৬৩,৭৬৫টি, বেসরকারি প্রাইমারী -১৮,৪৬৩টি এবং ৪০,০০০টি কিন্ডারগার্টেন স্কুল আছে বাংলাদেশে) তার ছাত্র -ছাত্রীর সংখ্যা-৩,০০,০০,০০০(তিন কোটি) মানে প্রাইমারী স্কুলে ছ াত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায়-২,০০,০০,০০০(দুই কোটি) এবং কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতে ছাত্র -ছাত্রীর সংখ্যা-১,০০,০০,০০০(এক কোটি)। ইউনিসেফ ও ইউনেসকোর প্রতিবেদন : ৫৬ লাখ শিশু স্কুলের বাইরে। জনসংখ্যার শতকরা ৩.২৯ ভাগ শিশু প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলে পড়তে যেতে পারে না। আর শতকরা ১৭.৬৫ ভাগ ছেলে -মেয়ে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলে লেখাপড়া করে। সবাই লেখাপড়া করতে পারলে বাংলাদেশে শতকরা ২১ ভাগ বা ৩,৫৭,০০,০০০(তিন কোটি সাতান্ন লক্ষ) ছেলে-মেয়ে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলে লেখাপড়া করত। এর বাহিরেও ২৫(পঁচিশ) হাজার কওমি মাদ্রাসায় ৫০(পঁঞ্চাশ লক্ষ) ছেলে -মেয়ে লেখাপড়া করে। বাংলাদেশে ২৯,০১২টি সরকারি -বেসরকারি, এমপিওভূক্ত-নন এমপিওভূক্ত উচ্চ বিদ্যালয়, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসাগুলোতে ছাত্র -ছাত্রীর সংখ্যা- ১,০৭,০০,০০০(এক কোটি সাত লাখ) মানে উচ্চ বিদ্যালয়গুলোতে -৮০,০০,০০০(আশি লাখ), কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা-৫,০০,০০০(পাঁচ লাখ) ও উচ্চ মাদ্রাসাগুলোতে -২২,০০,০০০(বাইশ লাখ) । উচ্চ বিদ্যালয়, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও উচ্চ মাদ্রাসাগুলোতে শতকরা ৬.২৯ ভাগ ছেলে -মেয়ে লেখাপড়া করে এবং সবাই যদি লেখাপড়া করার সুযোগ পেত তা'হলে শতকরা ২১ ভাগ বা ৩,৫৭,০০,০০০(তিন কোটি সাতান্ন লক্ষ) ছেলে -মেয়ে লেখাপড়া করত। প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলো থেকে শতকরা ১১.৬৫ ভাগ ছেলে-মেয়ে উচ্চ বিদ্যালয়, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উচ্চ মাদ্রাসাগুলোতে পড়তে পারে না। এবং ৩.২৯ ভাগ শিশু প্রাইমারী স্কুলে পড়তে যেতে পারে না এবং শতকরা ১৪.৯৪ ভাগ বা ২.৫৫(দুই কোটি পঁঞ্চান্ন লক্ষ) ছেলে-মেয়ে ঝড়ে যায়। ২০ ১৩ সালে এস.এস.সি. ও সমমান পরীক্ষাথী ছিল -১৩,০৩,২০৩ জন বা শতকরা ০.৭৭ ভাগ। ২০১৩ সালে এস.এস.সি. ও সমমান পরীক্ষায় ছাত্র -ছাত্রী পাস করেছে -১১,৬৯,২৩৪ জন বা ০.৬৯ ভাগ। প্রায় ৫৩৫০টি সরকারি ও বেসরকারি কলেজ, এমপিওভূক্ত, নন -এমপিওভূক্ত কলেজ, মাদ্রাসা কলেজগুলো, ডিপেস্নামা ইঞ্জিনিয়ারিং, এি গ্রকালচার ডিপেস্নামা, নাসিং ডিপেস্নামা ও যত প্রকার ডিপেস্নামা আছে এস.এস.সি. পাশের পর এইচ.এস-সি'র ও সমমান পড়ালেখাতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা-১১,০০,০০০(এগার লাখ) বা প্রথম বর্ষের আসন সংখ্যা। শতকরা ০.৬৫ ভাগ লেখাপড়া করে। ২০১৩ সালে উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হবে -১০ লাখ ১২ হাজার ৫৮১ জন শতকরা ০.৬০ ভাগ ছাত্র -ছাত্রী এবং পাস করেছে - ৭,৭৬,০০০(সাত লক্ষ ছিয়াত্তর হাজার) -শতকরা ০.৪৬ ভাগ পাস। (১) ৩৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে ভর্তির আসনসংখ্যা -৩৬,৫০০ হাজার (২) ৭৭টি প্রইিভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রথম বর্ষে ভর্তির আসন সংখ্যা-৭৫,০০০ হাজার (৩) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা-৪,২০,৯০০ (৪) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা-৫৭,৮৫৮টি=মোট=৫,৯০,২৫৮টি আসন এবং মেডিক্যাল কলেজসহ উচ্চ শিক্ষায় প্রথম বর্ষের আসন সংখ্যা-৫,৯৭,৫৪৩(পাঁচ লক্ষ সাতানব্বই হাজার পাঁচশত তেতাল্লিশ) শতকরা ০.৩৫ ভাগ ছেলে -মেয়ে ভর্তি হয়ে লেখাপড়া করতে পারে ২০১৩ সাল পর্যন্ত। ঝড়ে যায় প্রায় দুই লাখ ছেলে -মেয়ে বা শতকরা ০.১২ ভাগ। সরকারী ও বেসরকারি ডিগ্রী কলেজ, পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে, মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, এগ্রিকালচারাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে, বি.এ., বি.এস -সি., বি.কম, বিবিএ., এম.বি.এ., সি.এ., সম্মান, মাস্টার ডিগ্রী, এমবিবিএস, বি.এস -সি.(ইঞ্জিনিয়ারিং), বি.এ.জি., এম.এ.জি. ও যত প্রকার র্গযাজুয়েশন ও মাস্টারর্স ডিগ্রী, এম.ফিল. ও পিএইচডি ডিগ্রীসহ বাংলাদেশ মঞ্জুরী কমিশনের ২০১২ সালের বার্ষিক বিবরণীতে আছে ছাত্র -ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় -২০,০০,০০০(বিশ লাখ)। ৪ বছরে উচ্চ শিক্ষায় শতকরা ১.১৮ ভাগ ছেলে-মেয়ে লেখাপড়া করে। এ চিত্র বাংলাদেশের লেখাপড়ার। বাংলাদেশে শিক্ষার হার শতকরা ৩০ ভাগ। এর বেশি হবে না। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার জন্য এ লেখাটি : ২০১৪ সালে বাংলাদেশের

৩৫ লোকসংখ্যার ৪৮৬ ভাগের এক ভাগ লোক বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বাস করে -৩,০০,০০০(তিন লক্ষ) মানুষ। ২০১৪ সালে বাঞ্ছ ারামপুর উপজেলায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৩১টি, ৪টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কিন্ডারগার্টেন আছে -৫৩টি। প্রাইমারী এবং কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতে ছাত্র -ছাত্রীর সংখ্যা - ৪৮,২০০(আটচল্লিশ হাজার দুইশত)। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ ছেলে -মেয়ে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলে লেখাপড়ে করে শতকরা ১৩.৭৭ ভাগ এবং স্কুলে যেতে পারে না শতকরা ৩.৩০ ভাগ ছেলে -মেয়ে। বাংলাদেশের লোকসংখ্যার হিসাবে ৫৬ ৬ ভাগের এক ভাগ লোক বাঞ্ছারামপুর উপজেলার গ্রামগুলোতে বাস করে। সে হিসাবে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রাইমারী ও কিন্র্ডাগাে টন স্কুলে লেখাপড়া করার কথা ছিল -৬২,৮৯৭ জন বা শতকরা ২০.৯৬ ভাগ ছাত্র-ছাত্রী। বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বাংলাদেশের জাতীয় গড় থেকে কম ছেলে মেয়ে লেখাপড়া করে-শতকরা ৪ ভাগ। এ থানায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কয়টি -৩৮টি(১টি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ)। বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় শিক্ষার হার শতকরা কতভাগ ২০ ভাগ। স্বা ক্ষরতার হার কতভাগ শতকরা ৬ ০ ভাগ। আর একটি নতুন পরিসংখ্যান দেয়া হলো : দিনাজপুর জেলায় জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা ৬টি এবং ব্রাহ্ম ণবাড়িয়া জেলায়ও জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা ৬টি আছে। কিন্তু স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা আছে দিনাজপুর জেলায় -১,০৭৫টি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় আছে - ৩৬৪টি। অ ার ঠাকুরগাঁও জেলার ঠাকুরগাঁও উপজেলায় -স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা আছে -২১৭টি এবং যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলায় -স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা আছে -২০৩টি। আর বাংলাদেশে এমনও উপজেলা আছে প্রায় ২৫টি গার্লস স্কুল আছে। ২০১৫ সালের ৮ ডিসেম্বর, মোঃ জাকির হুসেন ওরফে আলমগীরের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণার ফল:

মোজাহু, ০১-১১-২০১৫ মো: জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর ডেপুটি রেজিস্ট্রার(অবসর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। গ্রাম-ভেলানগর(বড়বাড়ি)। ও উপদেষ্টা বাঞ্ছারামপুর উপজেলা শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিষদ, প্রতিষ্ঠা-২০০৪।

৩৬ মো: জাকির হুসেন আলমগীরের প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা-১২(বার) ও অপ্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা-৩(তিন) নিম্নে সবগুলো বইয়ের তালিকা দেয়া হলো :

মোঃ জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর -এর জন্ম ১ নভেম্বর, ১৯৪৮ সালে নানারবাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার আহমদপুর চৌধুরীবাড়িতে। শৈশব কেটেছে দাদারবাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভেলানগর বড়বাড়িতে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র। এস.এস.সি. পাশের পর কুমিল া ভিক্টোরিয়া কলেজে -এ ভর্তি হয়ে পড়া -লেখা করা হয়নি। ঢাকায় আসেন ১৯৬৬-তে। ১৯৬৯ সালের গণ -আন্দোলন-এ অংশগ্রহণ করেন। প্রায় প্রতিদিন মিটিং -মিছিলে অংশগ্রহণ ও ভাসানী ন্যাপের রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হওয়া এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করেন। তারপর ১৯৭৯ সাল থেকে জনমুক্তি পার্টির বক্তব্যের সাথে একমত। ২০০২ সালে জীবনে প্রথম রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র -ছাত্রী সমিতি'র বার্ষিক স্মরণিকাতে ২টি লেখা ছাপা হয় তারপর ২০০৩ সালে জিয়ান বড়বাড়ি প্রকাশনীর মাধ্যমে ''ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি ও দেশ -বিদেশের তথ্য'' এবং ২০০৫ সালে রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯০ -বছর পূর্তির স্মরণিকাতে দুটি লেখা ছাপা হয়। ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারিতে জাকির হুসেন(আলমগীর) আর্থ-সামাজিক গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা। এ গবেষণা কেে ন্দ্রর মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আর্থ -সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা -পর্যােলাচনা ও গবেষণা করা হয়। পৃথিবীর ২৩৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থা বা পৃথিবীর ২০০ জাতির মধ্যে বাংলাদেশের স্থান কোন যায়গায়। পৃথিবীর লোকসংখ্যার ৪৩ ভাগের ১ ভাগ লোক বাংলাদেশে বা স করে। পৃথিবীতে লোকসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থা ৭ম স্থানে এবং অর্থনীতির আকারে ৩২তম স্থানে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কিভাবে উজ্জ্বল করা যায়। এ ধরনের গবেষণা করা হয়। (১) ১৭৮০ -২০০৩ সাল পর্যন্ত ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি ও দেশ-বিদেশের তথ্য (২) ১৮০৬-২০০৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর, জিয়ান বড়বাড়ি প্রকাশনীর মাধ্যমে ''আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি ও চৌধুরী শামসুন নাহার বেগমের আত্মীয় -স্বজন'' (৩) ''আমার দেখা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৮ -২০০৮)-এ বইটিও প্রকাশিত (৪) ২০১০ সালের ৩০ এপ্রিল, ''ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি(১৭৮০ -২০১০)''-এর দ্বিতীয় সংস্করণ টিও প্রকাশিত (৫) ১৭৫৭ -১৯৭১ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলে এ দেশে কয়টি মাদ্রাসা, উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে -নাম, সন তারিখ দিয়ে একটি বই রচনা করা হয়েছে এবং এ বইটি আমার ৫ নম্বর বই। (৬) ''দেশ -বিদেশের স্মরণীয় কিছু লোকের নাম জন্ম ও মৃত্যুর কথা'' এ বই টি আমার ৬ নম্বর বই। (৭) 'ভেলানগর গ্রামের ইতিহাস' (১৭৪০ -২০১৩) এ বইটি আমার ৭ নম্বর বই (৮) ১৭৪০ -২০১৫ সালের জুলাই মাসে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তথ্যাবলী (৯) বাংলাদেশের কিছু কিছু ঘটনা ও তথ্য-এ বইটি আমার ৯ নম্বর বই (১০) 'বিশ্ব ও দেশ-বিদেশের তথ্য'-এ বইটি আমার ১০ নম্বর বই ( ১১) এ পৃথিবীর আমার চেনা -জানা মানুষ-এ বইটি আমার ১১ নম্বর বই (১২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১-২০১৫ সাল পর্যন্ত আমার দেখা ১৯৬৮ সাল থেকে -এ বইটি আমার ১২ নম্বর বই। (১৩) খেয়া পত্রিকার কিছু লেখার সংকলণ দিয়ে একটি বই রচনার কাজ চলছে (১৪) আমার দেখা ঢাকা শহর -এ বইটিরও কাজ চলছে ও (১৫) মোঃ জাকির হুসেন আলমগীরের আত্মজীবনী -এ বইটিরও কাজ চলছে। তাঁর স্বপ্ন বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা এবং শ্রমজীবী মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার গ্যারান্টি দেয়া। এর বেশি কিছু তাঁর চাওয়া-পাওয়া নেই। প্রকাশকের কথা-

৩৭