‹ বিশ্ব ও দেশ-বিদেশের তথ্য অংশ ১০৬ / ১১৬

১৯৮৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর, দৈনিক বাংলা'র রিপোর্ট-প্যাট্রিক মুর, জন্ম-১৭০৩ সালে, ৩ বছর বয়সে প্যাট্রিক মুরে বৃটিশ সেনাবাহিনীতে ক্যাপ্টেন পদে যোগ দেন।

১৯৮৮ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, রাশিয়ার ক্ষমতাসীন কমিউনিষ্ট পার্টির পলিট ব্যুরো বরিস ইয়েলৎসিনকে বরখাস্ত।

১৯৮৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, পোল্যান্ডে কমিউনিষ্ট পার্টির মন্ত্রিসভার পদত্যাগ।

১৯৮৮ সালের ২২ নভেম্বর, ভ্যাটিকান সিটির ভাষ্যানুযায়ী-অসঙ্গ রাজনৈতিক ও অর্থৈনতিক ব্যবস্থা বিশ্বে অনাহারের কারণ।

১৯৮৯ সালের ২৫ মে, মিখাইল গরবাচেভ সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম প্রশাসনিক ক্ষমতাধর প্রেসিডেন্ট নির্বািচত হন।

১৯৮৯ সালের ৩০ জুলাই, মস্কোয় বুশ ও গর্বােচভের মধ্যে ঐতিহাসিক স্টার্ট চুক্তি স্বাক্ষর।

১৯৮৯ সালের ৪ সেপ্টেম্বর, বেলগ্রেড নবম জোট নিরপেক্ষ সম্মেলন শুরু হয়।

১৯৮৯ সালের ৮ অক্টোবর, হাঙ্গেরীতে কমিউনিষ্ট পার্টি বিলুপ্ত ঘোষণা।

১৯৮৯ সালের ১৮ অক্টোবর, কমিউনিষ্ট শাসনের অবসানের মধ্যদিয়ে হাঙ্গেরী স্বাধীন প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

১৯৮৯ সালের ২৩ অক্টোবর, হাঙ্গেরী গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়।

১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর, বার্লিন প্রাচীরের পতন ঘটে।

১৯৮৯ সালের ২৬ নভেম্বর, ৪২-বছর পর জার্মানীতে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৮৯ সালের ৬ ডিসেম্বর, পূর্ব-জার্মানীতে কমিউনিষ্ট শাসনের অবসান।

১৯৮৯ সালের ২২ ডিসেম্বর, রোমানিয়ার প্রেসিডেন্ট নিকোলাই চসেস্কু ক্ষমতাচ্যুত হন।

১৯৮৯ সালের ২৫ ডিসেম্বর, রুমানিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাই চসেস্কুকে সস্ত্রীক হত্যা করা হয়।

১৯৮৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর, ৪৫-বছর পর চেকোশ্লোভিয়ার ভাকলাভ জর্জ হ্যাভেল প্রথম অকমিউনিষ্ট প্রেসিডেন্ট নির্বািচত হন।

১৯৯০ সালের ৭ জানুয়ারি, সোভিয়েত ইউনিয়নে কমিউনিষ্ট পার্টি রাষ্ট্রের ওপর ৭২ বছরের কর্তৃেত্বর অবসান ঘটায়।

১৯৯০ সালের ২৯ জানুয়ারি, সাবেক পূর্ব জার্মানীর প্রেসিডেন্ট ও কমিউনিষ্ট নেতা এরিক হোনেকার গ্রেফতার।

১৯৯০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, লন্ডন, ৩১ জানুয়ারী, এপিঃ মায়ের গর্ভে সন্তানের অস্ত্রোপাচার।

১৯৯০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নে রাষ্ট্র ব্যবস্থায় কমিউনিষ্ট পার্টির আধিপত্য ত্যাগ।

১৯৯০ সালের ১২ মার্চ,অর্ধ শতাব্দীকাল সোভিয়েত-ভূক্ত থাকার পর লিথুয়ানিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা।

১৯৯০ সালের ১৩ মার্চ, সুপ্রীম সোভিয়েত রাষ্ট্র ক্ষমতায় কমিউনিষ্ট পার্টির একক আধিপত্য বিলোপের পক্ষে ভোট দেয়।

১৯৯০ সালের ১৯ মার্চ, দুই জার্মানী একত্রীকরণের পক্ষে পূর্ব জার্মানীর রায় ঘোষণা।

১৯৯০ সালের ১৯ মে, সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট গর্বােচভ ক্ষমতাচ্যুত হন।

১৯৯০ সালের ২৯ মে, বরিস ইয়েলেৎসিন রুশ ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট নির্বািচত।

১৯৯০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর, মস্কোয় দুই জার্মানীর একত্রীকরণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, সোভিয়েত পার্লােমন্ট বাজার অর্থনীতির পক্ষে রায় দেয়।

১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর,দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে বিভক্ত পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানী পুনরেকত্রীকরণ।

১৯৯০ সালের ৫ অক্টোবর, অখন্ড(একীভূত) জার্মানীর প্রথম সংসদ অধিবেশন শুরু।

১৯৯০ সালের ২২ নভেম্বর, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গােরট থেচার পদত্যাগ করেন।

১৯৯০ সালের ২ ডিসেম্বর, একীভূত জার্মািনতে প্রথম সাধারণ নির্বাচনে হেলমুট কোলের নেতৃত্বে ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেট দল জয়লাভ করে।

১৯৯০ সালের ৯ ডিসেম্বর, লেস ওয়ালেসা পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট নির্বািচত হন।

১৯৯১ সালের ৩ মার্চ, এস্তোনিয়া ও লাতভিয়া সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পক্ষে ভোট দেয়।

১৯৯১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, লিথুনিয়া সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে আলাদা হওয়ার পক্ষে ভোট দেয়।

১৯৯১ সালের ১৭ মার্চ, দেশের ঐক্যের প্রশ্নে সোভিয়েত ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত গণভোট ৬টি প্রজাতন্ত্র বয়কট করে।

১৯৯১ সালের ৩১ মার্চ, ওয়ারশ জোটের আনুষ্ঠাণিক বিলুপ্তি ঘোষণা।

১৯৯১ সালের ১৭ মার্চ, দেশের ঐক্যের প্রশ্নে সোভিয়েত ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত গণভোট ৬টি প্রজাতন্ত্র বয়কট করে।

১৯৯১ সালের ২৯ মার্চ, বিশ্বের প্রাচীনতম কমিউনিষ্ট পার্টি ব্রিটেন কমিউনিষ্ট পার্টির নাম বদলে 'ডেমোক্রাটিক লেফট' রাখা হয়।

১৯৯১ সালের ৩১ মার্চ, ওয়ারশ জোটের আনুষ্ঠাণিক বিলুপ্তি ঘোষণা।

১৯৯১ সালের ৯ এপ্রিল, জর্জিয়া সোভেয়েত ইউনিয়ন থেকে বিছিন্ন হওয়ার পক্ষে ভোট দেয়।

১৯৯১ সালের ৫ জুন, বিশ্ব শান্তির পক্ষে কাজ করায় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বােচভ নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৯১ সালের ৬ জুন, চেকোস্স্নোভাকিয়ার ন্যাশনাল গ্যালারি থেকে পিকাসোর আঁকা তিন কোটি ডলারেরও অধিক মূল্যের ৪টি ছবি চুরি হয়ে যায়।

১৯৯১ সালের ক্রোয়েশিয়া ও স্স্নোভেনিয়াকে স্বাধীন সার্বেভৗম রাষ্ট্র ঘোষণা।

১৯৯১ সালের ১২ জুন, বরিস ইয়েলেৎসিন রাশিয়া প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট নির্বািচত হন।

১৯৯১ সালের ২৫ জুন, যুগোস্স্নাভিয়ার প্রজাতন্ত্র ক্রোয়েশিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা।

১৯৯১ সালের ২৭ জুন, স্স্নোভেনিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৯১ সালের ১০ জুলাই, বোরিস ইয়েলৎসিন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নেন।

১৯৯১ সালের ২৮ জুলাই, যুগোস্স্নাভিয়ার বিরুদ্ধে স্স্নোভেনিয়ার যুদ্ধ ঘোষণা।

১৯৯১ সালের ৩১ জুলাই, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে দূরপাল্লার অস্ত্র হ্রাস চুক্তি স্বাক্ষর।

১৯৯১ সালের ১৯ আগষ্ট, এস্তোনিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা।

১৯৯১ সালের ২২ আগষ্ট, রুশ প্রজাতন্ত্রের পতাকা থেকে কাস্তে-হাতুরি অপসারণ করা হয়।

১৯৯১ সালের ২৩ আগষ্ট, তুর্কেমনিস্তান স্বাধীন হয়।

১৯৯১ সালের ২৩ আগষ্ট, রুশ-প্রজাতন্ত্রে কমিউনিষ্ট পার্টি নিষিদ্ধ ঘোষণা।

১৯৯১ সালের ২৪ আগষ্ট, সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত ইউক্রেন প্রজাতন্ত্র পূর্ণ স্বাধীনতার ঘোষণা

১৯৯১ সালের ২৭ আগষ্ট, সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশ মোলদাভিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা।

১৯৯১ সালের ২৯ আগস্ট, সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হয়।

১৯৯১ সালের ৩০ আগষ্ট, আজারবাইজানের স্বাধীনতা ঘোষণা।

১৯৯১ সালের ৩১ আগষ্ট, সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত উজবেকিস্তান ও কিরঘিজিস্তান স্বাধীন হয়।

১৯৯১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, সোভিয়েত ইউনিয়নের স্বশাসিত অঞ্চল নাগোরনো কারাবাখের স্বাধীনতা ঘোষণা।

১৯৯১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর, তাজিকিস্তানের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়।

১৯৯১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর,যুগোস্স্নাভিয়া থেকে বিছিন্ন হয়ে মেসিডোনিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা।

১৯৯১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, কিউবা থেকে সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়।

১৯৯১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর, সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত আর্মেিনয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা।

১৯৯১ সালের ১৮ অক্টোবর, ২৪-বছর পর সোভিয়েট ইউনিয়ন ও ইসরাইলের মধ্যে কুটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।

১৯৯১ সালের ২৭ অক্টোবর, সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রের 'তুর্কেমনিয়া' স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৯১ সালের ৪ ডিসেম্বর, সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

১৯৯১ সালের ৯ ডিসেম্বর, ইউরোপীয় কমিউনিটি ১৯৯৯ সালের মধ্যে অভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়।

১৯৯১ সালের ১৬ ডিসেম্বর, সাবেক সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রের কাজাখস্তান স্বাধীন হয়।

১৯৯১ সালের ২১ ডিসেম্বর, সোভিয়েত ইউনিয়নের আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি ঘটে।

১৯৯১ সালের ২৪ ডিসেম্বর, সোভিয়েত ইউনিয়নে সুপ্রীম সোভিয়েত ভেঙে দেয়া হয় এবং প্রেসিডেন্ট গর্বােচভ পদত্যাগ করেন।

১৯৯১ সালে বিশ্বে লোহা উৎপাদনের দিক দিয়ে শীর্ষস্থান অধিকারী দেশ সোভিয়েত ইউনিয়ন।

১৯৯২ সালের ৭ জানুয়ারি, অভিন্ন ইউরোপ গঠনের লক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯২ সালের ১৪ মার্চ, সোভিয়েত আমলের বিশ্বখ্যাত পত্রিকা 'প্রাভদা'-এর প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়।

১৯৯২ সালের ১৭ এপ্রিল, সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো এক নতুন যুগোস্স্নাভিয়া প্রজাতন্ত্র গঠন করে।

১৯৯২ সালের ২৮ এপ্রিল, সার্বিয়া ও মন্টোনোগ্রোকে নিয়ে নতুন যুগোস্স্নাভিয়া ঘোষণা।

১৯৯২-১৯৯৫ সালের বসনিয়ার যুদ্ধে নিহত হয়েছে ৯৭,২০৭ জন। এরমধ্যে মুসলিম ৬৬%।

১৯৯২ সালের ৩১ অক্টোবর, পৃথিবী গোলাকার বলে গ্যালিলিও গ্যালিলেইয়ের মতবাদ যে অভ্রান্ত ছিল তা রোমান ক্যাথলিক চার্চ স্বীকার করে নেয়।

১৯৯৩ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি,নেদারল্যান্ডে করুণাবশত অনারোগ্য রোগীর হত্যার বিধান চালু।

১৯৯৫ সালের ৩১ মে, রাশিয়া ন্যাটোর সদস্যপদ গ্রহণ করে।

১৯৯৫ সালের ২৩ নভেম্বর, বসনিয়া শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর, প্যারিসে বসনীয় শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর।

১৯৯৬ সালের ৮ মে, গুপ্তচর কেলেঙ্কারির কারণে পশ্চিম জার্মানীর ব্রান্ট পদত্যাগ করেন।

১৯৯৬ সালের ৫ জুলাই, বিজ্ঞানীদের কৃত্রিম প্রজননের প্রথম সফলতা। ব্রিটেনে ক্লোনিং পদ্ধতিতে মেষ শিশু ডলির জন্ম।

১৯৯৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, স্কটল্যান্ডে ভেড়ার জীবকোষ থেকে ক্লোনিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডলি নামক ভেড়ার জন্ম দানের ঘোষণা।

১৯৯৭ সালের ৩১ আগষ্ট, ফ্রান্সের প্যারিসে প্রিন্সেস ডায়না ও দোদী আলফায়েদ গাড়ী দুর্ঘটনায় নিহত হন।

১৯৯৭ সালের ১৫ অক্টোবরের তথ্য-ক্লোনিং বিষয়টা কি? ক্লোনিং এক ধরণের প্রজনন প্রক্রিয়া। সম্পূর্ণ অযৌন প্রক্রিয়ায় ক্লোনিং-এর মাধ্যমে প্রাণির অবিকল প্রতিরুপ নির্মাণ সম্ভব বলে বিজ্ঞানীদের অভিমত। স্কটল্যান্ডের রসলিন ইনস্টিটিউট তা হাতে-কলমে প্রমাণ করেছেন। স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী ড. আয়ান উইলমুট রসলিন ইনস্টিটিউটে তাঁর সহকর্মীেদর নিয়ে ১০ বছরের সাধনায় এ অসাধ্য সাধন করেছেন। চলতি বছরের প্রথম দিকে তিনি একটি ভেড়া ক্লোনিং করে সারা দুনিয়ায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেন।

১৯৯৮ সালের ৫ মার্চ, ব্রিটেন ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের 'উত্তর আয়ারল্যান্ড' চুক্তিতে উপনীত।

১৯৯৮ সালের ৩ মে'র তথ্য-বিশ্ববাণিজ্য ও অর্থনীতি: বৃটেন এখনো যোগ দেয়নি। ১১টি ইউরো দেশ হবে বিশ্বের বৃহত্তর বাণিজ্য শক্তি।

১৯৯৮ সালের ২১ মে'র তথ্য-বিশ্বের সর্ববৃহৎ জাহাজ ইস্তাম্বুল থেকে সমুদ্র যাত্রা। এর দৈর্ঘ ৯৭০ ফুট, প্রসস্থ ১১৮ ফুট, উচচতা ২০০ ফুট; নির্মাণ ব্যয় ৪৫ কোটি ডলার। এটি একসঙ্গে ২,৯০০(দুই হাজার নয়শত) যাত্রী বহন করতে পারে। জাহাজটির ক্রুর সংখ্যা-১,৩০০শত।

১৯৯৮ সালের ১১ জুলাইয়ের তথ্যঃ ইউরোপে বেকারত্ব হার ১০.২ ভাগে স্থিতিশীল।

১৯৯৮ সালের ৩১ জুলাই, ব্রিটিশ সরকার ল্যান্ডমাইন ব্যবহারের উপর সম্পূর্ণভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সমগ্র বিশ্বে জনপ্রিয় ব্রিটিশ রাজবধু পরলোকগত প্রিন্সেস ডায়না ল্যান্ডমাইন বিরোধী আন্দোলনকে তীব্র করে তোলেন। এটি এমন একটি মারণাস্ত্র যার ফলে সারা বিশ্বে প্রতিমাসে আনুমাণিক ২ হাজার লোক নিহত বা পঙ্গু হয়ে যায় যাদের অধিকাংশই বেসামরিক লোক। তাই ডায়নার মৃত্যুর প্রথম বর্ষপূর্তির এক মাস আগে ব্রিটিশ সরকার তার অবদানের প্রতি সম্মান দেখিয়ে মাইন বিরোধী আইনের উদ্যোগ নেন। কিন্তু এটাকে আন্তর্জািতক আইনে পরিণত করার জন্য কমপক্ষে ৪০টি দেশের স্বাক্ষরিত আবেদনের প্রয়োজন হবে।

১৯৯৮ সালের ২৫ ডিসেম্বর, বিশ্ব বাণিজ্য ও অর্থনীতির রিপোর্ট: ১ জানুয়ারী ১৯৯৯ সাল হ'তে ইউরো মুদ্রা চালু হবে।

১৯৯৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের তথ্যঃ-রাশিয়া পারমাণবিক হামলার ক্ষমতা বজায় রাখবে। অর্থনীতির ৫০ ভাগ অপরাধী চক্রের নিয়ন্ত্রণে।

১৯৯৯ সালের ২৮ জুন, দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি (ভার্সাই, ফ্রান্স) ১ম বিশ্বযুদ্ধের মিত্রশক্তি এবং জার্মানীকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করন ও যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদানে বাধ্যকরন এবং জার্মানী ১ম বিশ্বযুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদানে বাধ্য হয়।

২০০০ সালের ১২ জানুয়ারি-বিনা টিকিটে রেল ভ্রমণের দায়ে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর পুত্রী'র জরিমানা।

২০০০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি, চেচেন ভাইস প্রেসিডেন্ট আসগর খানভ রাজধানী গ্রোজনিতে রুশ বাহিনীর সাথে লড়াইে নিহত হন।

২০০০ সালের ১৬ মার্চ-জার্মান বিশ্বের ৩য় অর্থনীতির দেশ। ১৯৯৮ সালে জিডিপি'র পরিমাণ ১.৯২২ ট্রিলিয়ন ইউরো এবং ১৯৯৯ সালে ১.৯৮০ ট্রিলিয়ন ইউরো।

২০০০ সালের ১৬ মার্চ-১৯৯৯ সালের হিসেবমতে ফ্রান্সকে পিছনে ফেলে বৃটেন এখন ৪র্থ বৃহত্তর অর্থনীতির দেশ।

১৯৯৮ সালে বৃটেনের জিডিপি-১.২৫৬ ট্রিলিয়ন ইউরো।

১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের জিডিপি-১.২৯৭ ট্রিলিয়ন ইউরো।

১৯৯৯ সালে বৃটেনের জিডিপি-১.৩৪৮ ট্রিলিয়ন ইউরো।

১৯৯৯ সালে ফ্রান্সের জিডিপি-১.৩৪৭ ট্রিলিয়ন ইউরো।

২০০০ সালের ২৫ জুলাই, ফ্রান্সে কনকর্ড বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১১৩ জনের প্রাণহানি।

২০০০ সালের ৮ আগষ্ট, হামবুর্গে শশ্য বিজ্ঞান সম্মেলণে বিজ্ঞানীদের অভিমত বর্তমান বিশ্বের শশ্য খামার-১(এক) হাজার কোটি লোকের খাদ্যের সংস্থান করতে পারে।

২০০০ সালের ১২ আগষ্ট, রুশ পারমাণবিক ডুবোজাহাজ ''তুরস্ক'' ব্যারেন্টস সাগরে ডুবে যায় এবং ১১৮ জন নাবিকের সকলে মর্মািন্তক মৃত্যুবরণ করে।

২০০০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন অস্ট্রিয়ার উপর থেকে কুটনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে।

২০০০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর, জার্মানীর সতর্কবাণী: বিশ্বায়ন ভবিষ্যতে পৃথিবীতে নতুন বিভাজন রেখা তৈরী করতে পারে।

২০০০ সালের ৫ অক্টোবর, যুগোস্স্নাভিয়ায় বিক্ষোভকারীদের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দখল।

২০০০ সালের ৭ অক্টোবর, যুগোস্স্নাভিয়ার গণঅভ্যুত্থানের নায়ক ভইস্স্নাভ কস্তুনিচা সে দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

২০০১ সালের ১১ জুন: ০৭-০৬-২০০১ সালে বৃটেনে'র সাধারণ নির্বাচনে ৭৪টি পার্টির ৩(তিন) হাজার জন প্রার্থী নির্বাচনী প্রতিদ্বন্ধীতা করে; ভোট প্রদানে অংশগ্রহণ করে ৪.৫(সাড়ে চার) কোটি ভোটার। ২০১০ সালের ৬ মে, প্রথম আলো: যুক্তরাজ্য-জুড়ে মোট চার কোটি ৬০ লাখ ভোটারের মধ্যে ৭০ লাখ ডাকযোগে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন। এটা প্রায় অবধারিত সত্য যে ৬৫০ আসনের পার্লােমন্টে ৩২৫ আসনের বেশি এককভাবে কোনো দলই পাবে না। এটা অবধারিত সত্য যে এবার ব্রিটিশ পার্লােমন্টে একজন বাঙালি প্রথমবারের মতো এমপি হবেন।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, ইত্তেফাকের রিপোর্টঃবৃটেনে অবৈধ অভিবাসী প্রায়-১০(দশ) লক্ষ।

২০০২ সালে 'ইউরো' মুদ্রা ব্যবস্থার আওতায় নতুন নোট ও ধাতব মুদ্রা চালু হয়।

১২-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: ১৮-লাখ বছর আগের মাথার খুলির সন্ধান লাভ: বিবিসি। জর্জিয়ায় ১৮-লাখ বছর আগের একটি মাথার খুলি পাওয়া গেছে-বলা হচ্ছে এটি মানুষের সবচেয়ে প্রাচীন মাথার খুলি।

২০০৩ সালের ২১ মার্চের খবর: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন যে, ইরাকে হামলা: পৃথিবীতে "জোর যার মুল্লুক তার" নীতিই প্রতিষ্ঠা পাবে। আমি মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর) বলি-"জোর যার মুল্লুক তার" এ নীতি পৃথিবীতে ছিল, তখন থেকেই যখন পৃথিবীতে একজন মানুষ নিজের প্রয়োজনের চেয়ে বেশী উৎপাদন করতে পারল, তখন থেকেই "জোর যার মুল্লুক তার" নীতি প্রতিষ্ঠা লাভ করল। এ নতুন কথা নয়, সব দেশেই এ নীতি আছে এবং আমাদের সমাজের ভেতরও এ নীতি চলছে।

২১-০৩-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: যুক্তরাষ্ট্র পুরো বিশ্বকে তার একটি প্রদেশ বানাতে চায়: গর্বােচভ।

২০০৩ সালের ১৮ জুলাই, ইরাকে আগ্রাসন সম্পর্কে বিবিসিকে তথ্যদাতা ব্রিটিশ কর্মকর্তা ড. ডেভিড কেলি নিহত।

২০০৩ সালের ৩০ আগষ্ট, প্রচন্ড ঝড়ের কবলে পড়ে রুশ পারমাণবিক সাবমেরিন কে-১৫৯ সাগরে ডুবে গেছে, ১০ জন ক্রুর মধ্যে ৯ জনের মর্মািন্তক মৃত্যু।

২০০৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর-এর সংবাদ অনুসারে: ফ্রান্সের সেন্ট নাজাইর বন্দরে যাত্রার অপেক্ষায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় যাত্রীবাহী জাহাজ কুইন মেরী-২। এএফপি।। বিশ্বের সবচেয়ে বড় যাত্রীবাহী জাহাজ দ্যা কুইন মেরী-২ এক বড় ধরনের দুর্ঘটনার পর যাত্রার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। জাহাজটি লম্বায় ১,১৩২ ফুট দীর্ঘ এবং ২৩-তলা বিশিষ্ট এ জাহাজে যাত্রীদের জন্য ২,৬০০(দুই হাজার ছয়শত) কক্ষ আছে। জাহাজটিতে ১(এক) হাজার আসনবিশিষ্ট একটি থিয়েটার, একটি বলরুম, ৫টি সুইমিং পুল রয়েছে।