২০১০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, ডেসটিনি: দুবাইতে কর্মরত এক আরব দেশের রাষ্ট্রদূত অজ্ঞাতসারে এক দাড়িওয়ালা নারীকে বিয়ে করে ফেঁসে গেছেন। বাসরঘরে গিয়ে স্ত্রীর চেহারা দেখে শুধু তার চোখই কপালে ওঠেনি, বিয়ের জন্য খরচ করা কোটি টাকার চিন্তায় পাগল হওয়া বাকি রয়েছে তার। বিবিসি।
২০১০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, আমাদের সময়: বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থৈনতিক শক্তি হিসেবে দাঁড়াচ্ছে চীন। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি, জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের গত বছরের আর্থিক কর্মকান্ডের এবং লাভ-লোকসানের ফলাফল ঘোষণা করবে। এ ফলাফল পাওয়ার পরই বোঝা যাবে কে দুই আর কে তিন নম্বরে। বিশেস্নষকদের ধারণা এবার এ ফলাফলটি চীনের পক্ষে যাবে। ১৫-০২-২০১০ তারিখে বিশেস্নষকদের ধারণা এবার চীনের পক্ষে যায়নি।
২০১০ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: প্রবৃদ্ধির সুবাদে জাপান এখনো বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি। ঘাড়ের ওপর নিঃশ্বাস ফেলসে প্রতিবেশী চীন। জাপানের জিডিপি বেড়েছে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। সরকারিভাবে ৫-০২-২০১০ তারিখ প্রকাশিত অর্থৈনতিক তথ্য-উপাত্তে দেখা যায়, জাপানের অর্থনীতি এখনো আকারে এশিয়ার প্রধান এবং বিশ্বের দ্বিতীয় যা বিগত ৪০ বছর ধরেই দ্বিতীয় বৃহত্তম রয়েছে। তবে ১৯৭৮ সালে অর্থনীতি উন্মুক্ত করার পরবর্তী ৩০ বছরে চীনের অর্থনীতি গড় বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে ৯ শতাংশেরও ওপরে, বৈশ্বিক গড়ের চেয়েও তিন গুণ বেশি। চীন বর্তমানে বিশ্বের অর্থনীতিতে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। জাপানের মোট ভোক্তাব্যয়ের আকার জিডিপির প্রায় ৬০ শতাংশের সমান।
২০১০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, আমাদের সময়: পানির নিচে শ্বাস বন্ধ করে থাকার নতুন বিশ্ব রেকর্ড। সুইজারল্যান্ডের ডুবরি পিটার কোলেট(৩৮) শ্বাস না নিয়ে পানির নিচে টানা ১৯ মিনিট ২১ সেকেন্ড থেকে নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন।
২০১০ সালের ৪ মার্চ, প্রথম আলো: বিশ্বের সবচেয়ে বিলাসবহুল কারাগার। নরওয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই কারাগারে ২৫২ জন কয়েদির থাকার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
২০১০ সালের ৬ মার্চ, প্রথম আলো: গ্রহাণুর আঘাতের প্রভাবে ডাইনোসর বিলুপ্ত হয়েছে। আজ থেকে সাড়ে ছয় কোটি বছর আগে পৃথিবীর বুকে বিশাল আকৃতির একটি প্রমাণু আঘাত হেনেছিল। আর ওই আঘাতের প্রভাবে বিলুপ্তি ঘটেছিল বিশালাকায় ডাইনোসর প্রজাতির। ৪১ জন বিজ্ঞানীর একটি আন্তর্জািতক প্যানেল এ অভিমত ব্যক্ত করেছে। ২০ বছরের নথিপত্র গবেষণা করে তাঁরা এই দাবি করেছেন। গতকাল শুক্রবার বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী সায়েন্স-এ গবেষণার এ প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয। গ্রহাণুর আঘাতের স্থানটি বর্তমান মেক্সিকোর চিক্সুলুব অষ্ণল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিরোশিমায় আঘাত হানা পরমাণু বোমার চেয়ে ১০০ কোটি গুণ বেশি শক্তিশালী ছিল।
২০১০ সালের ১৪ মার্চ, প্রথম আলো: গিনেস বুকে মিজোরামের ১০,৩৭৮ জন নৃত্যশিল্পী একযোগে 'ছোরো' নামের ঐতিহ্যবাহী 'বাঁশনৃত্য' বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন। বিবিসি।
২০১০ সালের ১৯ মার্চ, প্রথম আলো: এ মুর্হুেত বিশ্বের সবচেয়ে এক নম্বর ধনী মানুষ কার্লোস স্স্নিমের বাড়িটিকে 'বাড়ি' না বলে 'সংগ্রহশালা' বলা ভালো। মেক্সিকো সিটিতে ছয় শয়নকক্ষের মাঝারি মানের একটা বাড়িতে বাস করেন এই লাতিন ব্যবসায়ী। বিল গেটসের প্রসাদ সিয়াটলের কাছে লেক ওয়াশিংটনের কিনারে পাহাড়ের পাদদেশে ৬৬ হাজার বর্গফুটের বিশাল এক কম্পাউন্ডে বসবাস মাইক্রোসফটের কর্ণধারের। ওয়ারেন বাফেটের সাদাসিধে জীবন। সেই ১৯৫৮ সালে ৩১,৫০০ ডলারে কেনা মাঝারি মানের বাড়িতেই থাকেন বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ সম্পদের মালিক ওয়ারেন বাফেট। ছয় হাজার বর্গ ফুটের এ বাড়িতে শোয়ার ঘর আছে ৫টি। আম্বানির টাওয়ার। মুকেশ আম্বানির বাড়ি বানাননি, বানিয়েছেন টাওয়ার-আন্তিলা টাওয়ার। ২৭ তলা এই টাওয়ার তৈরি করা হয়েছে মুম্বাইয়ের আলতামাউন্ট রোডে চার লাখ স্কয়ার ফুটের এই ভবনটি নকশা করার অনুপ্রেরণা ছিল ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান। ভবনের কোনো এক তলার সঙ্গে আরেক তলার নকশায় মিল নেই। অনুমান করাহয়, এই টাওয়ার তৈরিতে প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হয়েছে। সে হিসেবে আন্তিলা টাওয়ারকে পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যয়বহুল আবাসিক ভবন বলে মনে হয়। মিত্তালের 'তাজমহল'। ভারতীয় রীতি অনুসারেই কেনসিংটনের এক বিলাসবহুল প্রসাদে থাকেন লক্ষী মিত্তাল। ২০০৪ সালে ১২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার ব্যয়ে এ বাড়ি তৈরি করেন মিত্তাল। বাড়ির এক পাশে কেনসিংটন প্যালেস, অন্যপাশে ব্রুনাইয়ের সুলতানের প্রসাদ। মিত্তালের এ বাড়ি তৈরিতে যে পাথর ব্যবহার করা হয়েছে, 'তাজমহল' তৈরিতে যে পাথর ব্যবহার করা হয়েছে, সেই একই মানের পাথর ব্যবহার করেছেন মিত্তাল।
২০১০ সালের ৯ এপ্রিল, প্রথম আলো: যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার চুক্তি। পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা ১৫৫০-এ কমিয়ে আনবে দুই দেশ।
২০১০ সালের ১৬ এপ্রিল, প্রথম আলো: বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভবন মক্কায়। ভবনটির উচ্চতা বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন দুবাইয়ের বুর্জ খলিফার চেয়ে ১১ মিটার কম। এ ভবনে একটি ঘড়ি থাকবে, যা হবে বিশ্বের সবচেয়ে লন্ডনের বিখ্যাত ঘড়ি বিগ বেনের চেয়ে ছয়গুণ বড় ঘড়ি। এ ভবনের উচ্চতা ৮১৭ মিটার, অন্যদিকে বুর্জ খলিফার উচ্চতা ৮২৮ মিটার।
২০১০ সালের ৪ মে, প্রথম আলো: ইউনাইটেড-কন্টিনেন্টাল একীভূত হয়ে বিশ্বের বৃহত্তম বিমান সংস্থা হচ্ছে।
২০১০ সালের ২৩ মে, প্রথম আলো: চীনা এক নাগরিক চোখের পাতায় বিমান টেনেছেন ডং চাংশেং। তাঁর বয়স ৫০ বছর। মার্শাল আর্ট বিশেষজ্ঞ চাংশেং ৪০ বছর ধরে এ চর্চা করছেন। এ জন্য তিনি অসংখ্য পুরষ্কার পেয়েছেন। এর আগে তিনি চোখের পাতা দিয়ে গাড়িও টেনেছেন।
২০১০ সালের ১৪ মে, প্রথম আলো: প্রথম কাগুজে টাকা চালু করেছিল ১০২৪ সালে চীনারা। ব্রিটিশ নৃবিজ্ঞানী কেইথ হার্ট সর্বপ্রথম ১৯৭১ সালে ঘানার ওপর একটি সমীক্ষা প্রতিবেদনে অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি শব্দগুলো ব্যবহার করেন। আন্তর্জািতক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ১৯৭২ সাল থেকে এ শব্দগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহার শুরু করে। হ্যাভোকস্কোপ নামে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বব্যাপী কালোবাজার ও কালো টাকা নিয়ে তথ্য ও পরিসংখ্যান তৈরি করে থাকে। তারা কালো টাকার ৫৪টি উৎসের কথা বলেছে। তাদের হিসাবে কালোবাজারে সব মিলিয়ে কালো টাকার পরিমাণ ১ দশমিক ১০৬ ট্রিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কালো টাকা আয় হয় মারিজুয়ানা থেকে-১৪১.৮০ বিলিয়ন ডলার, পতিতাবৃত্তি থেকে ১০৮ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার, নকল প্রযুক্তিপন্য তৈরি থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলার, নকল ওষধ তৈরি থেকে ৭৫ বিলিয়ন ডলার এবং কোকেন থেকে ৭০ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার। ১৯৯৯-২০০০ অর্থবছরে কালো টাকার ওপর জরিপ কাজ চলতে থাকে এবং জরিপ শেষ হয় ২০০২ সালে। স্বাধীনতার পর থেকে মোট আটবার বাংলাদেশ অপ্রর্দিশত আয় বা কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া হয়। হ্যাভোকস্কোপ অবশ্য কালোবাজার থেকে অর্জিত কালো টাকা বা কালোবাজারির টাকা সবচেয়ে বেশি আছে এমন ৭৫টি দেশের হিসাব দিয়েছে। এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এক নম্বর-৪৬০ দশমিক ৬ বিলিয়ন। ৭৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৪ নম্বর-টাকার পরিমাণ ৩১ কোটি ৫০ লাখ ডলার। প্রতিবেদনে বলা আছে সবচেয়ে কম জাপানে-১১ দশমিক ৩ শতাংশ আর বাংলাদেশে কালো টাকা ৩৫ দশমিক ৬০ শতাংশ।
২০১০ সালের ৮ জুন, প্রথম আলো: বিশ্বের সর্বােপক্ষা হেলানো টাওয়ার আবুধাবির ক্যাপিটাল গেট টাওয়ার।
২০১০ সালের ১২ জুন, প্রথম আলো: চলছে বিশ্বকাপ ফুটবল। দক্ষিণ আফ্রিকায় এবারের বিশ্বকাপে খেলা, খেলোয়াড়ের পাশাপাশি আলোচিত ভুভুজেলা বাঁশি। ভুভুজেলার পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা। অনেকে একে বিষম বাঁশিও বলছেন। আবার মাঠে কিংবা মাঠের বাইরে ঐতিহ্যবাহী ভুভুজেলার বিকিকিনিও বেশ। ভুভুজেলার আওয়াজ ভার্চুয়াল জগতেও।
২০১০ সালের ১৬ জুন, জনকন্ঠ পত্রিকার রিপোট: বিশ্বে গাড়ি বিক্রি বাড়ছে। এ বছর ৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়াবে ৬ কোটি ৮০ লাখ ইউনিটে। আগামী ৫(পাঁচ) বছর চীনে নতুন গাড়ির বার্ষিক বিক্রির সংখ্যা দাঁড়াবে ২ কোটি যা ২০০৭ সালের চেয়ে আড়াইগুণ বেশি। এএফপি।
২০১০ সালের ২১ জুন, প্রথম আলো: পৃথিবী থেকে গুটিবসন্তের জীবাণুর অস্তিত্ব ধ্বংস করে দেওয়ার ক্ষেত্রে যে কয়েকজন বিশ্বখ্যাত জীববিজ্ঞানীর ভূমিকা রয়েছে, তাঁদের অন্যতম একজন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আগামী এক শ বছরেই মানব জাতি বিলুপ্ত হবে।
২০১০ সালের ২৮ জুন, জনকণ্ঠ পত্রিকার রিপোর্ট: বিশ্বে নিষিদ্ধ বাণিজ্যের পরিমাণ বছরে ৯ লাখ কোটি টাকা। আন্ডারওয়াল্ডে সক্রিয় শক্তিশালী নেটওয়ার্ক।। জাতিসংঘ রিপোর্ট।
২০১০ সালের ২৯ জুন, প্রথম আলো: চীনের কমিউনিষ্ট পার্টির সদস্য সংখ্যা প্রায় ৭ কোটি ৮০ লাখ। ১৯৪৯ সালের সংখ্যা থেকে ১১৬ গুণ বেশি।
২০১০ সালের ২ জুলাই, প্রথম আলো: বেইজিং ও মেক্সিকো সিটি বিশ্বের সবচেয়ে যানজটপূর্ণ শহর।
২০১০ সালের ৬ জুলাই, আমাদের সময়: বিশ্বে ছয় মাসে ৫৯ জন সাংবাদিকের মৃত্যু। পেশাগত কারণে ২০০৯ সালে ১২২ জন এবং ২০০৮ সালে ৯১ জন সাংবাদিক নিহত হয়।
২০১০ সালের ১০ জুলাই, প্রথম আলো: আইএমএফের পূর্বাভাস প্রকাশ। এবার বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি হবে ৪.৬%।
২০১০ সালের ১৫ জুলাই, প্রথম আলো: ডিম নয়, মুরগিই আগে। ডিম আগে এসেছে না মুরগি? অনেক দিনের পুরোনো একটি প্রশ্ন। দু-একবার প্রশ্নের সমাধানের দাবি করা হয়েছে। এবার দাবিটি করেছেন যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিিট অব শেফিল্ড ও ইউনিভার্সিিট অব ওয়ারউইকের একদল বিজ্ঞানী। তাঁদের দাবি, মুরগিই আগে এসেছে। ব্রিটেনের ডেইলি এক্সপ্রেস পত্রিকার খবরে এ কথা জানানো হয়েছে। গবেষণায় জানা গেছে, ডিমের খোসা সৃষ্টি হওয়ার ক্ষেত্রে ওভোকলেইডিন (ওসি-১৭) নামের একটি প্রোটিন কাজ করে। এ প্রোটিন প্রজননক্ষম মুরগির জরায়ুতে পাওয়া যায়। আর এ থেকেই বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন, মুরগিই আগে এসছে।
২০১০ সালের ২০ জুলাই, প্রথম আলো: ভিয়েতনামের দক্ষিণাঞ্চলীয় তিয়েন গিয়াং প্রদেশের ফু নুহান জেলায় কৃষকেরা ধান শুকাচ্ছেন। অতিরিক্ত উৎপাদন ও রপ্তানি হ্রাসে দাম কমে যাওয়ায় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চাল উৎপাদনকারী দেশটির কৃষকেরা এখন চাল মজুদ করছেন। সে দেশে মোট ধান উৎপাদনের অর্ধেেকর বেশি আসে মেকং বদ্বীপ থেকে। এএফপি।
২০১০ সালের ২১ জুলাই, আমাদের সময়: চীন বিশ্বের সর্বোচ্চ জ্বালানি ব্যবহারকারী দেশ। চীন ২০০৯ সালে ২.২৫২ বিলিয়ন টন জ্বালানি ব্যবহার করেছে যা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ৪ ভাগ বেশি। তবে মাথাপিছু জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এখনো অনেক এগিয়ে।
২০১০ সালের ৩১ জুলাই, প্রথম আলো: বিশ্বের সবচেয়ে খর্বকায় হুয়াং কাইকুয়ান। ৪০ বছর। তাঁর উচ্চতা আড়াই ফুট। এখনো মায়ের সঙ্গে থাকেন তিনি। তিন বছরের একটি শিশুর গড় উচ্চতা ও ওজন যা, হুয়াংয়েরও উচ্চতা ও ওজন তা-ই।
২০১০ সালের ৩১ জুলাই, জনকন্ঠ: মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব। মার্কিন বিজ্ঞানীদের গবেষণায় আরও জোরালো প্রমাণ।
২০১০ সালের ২ আগষ্ট, প্রথম আলো: নতুন এক গবেষণায় বলা হচ্ছে, গুটিকয়েক মানুষ যে অনুকুল জায়গাটিতে আশ্রয় নিয়ে বরফ যুগের প্রতিকুল আবহাওয়া থেকে বেঁচে যায়, তার অবস্থান আফ্রিকার দক্ষিণ উপকুলে, দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনের প্রায় ২৪০ কিলোমিটার দূরে। বিজ্ঞানীরা বলেন, এক লাখ ৯৫ হাজার বছর আগে পৃথিবীর তাপমাত্রার আকস্মিক পরিবর্তেন বিশ্বের অন্যত্র নানা প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যায়।
২০১০ সালের ৫ আগষ্ট, প্রথম আলো: চীনের শ্যানদং প্রদেশে দুই মাস আগে মাত্র দুই পা নিয়ে জন্মাল এক মেষশাবক। পিছনের দুই পা নেই।
২০১০ সালের ৫ আগষ্ট, প্রথম আলো: যুক্তরাজ্যের খাদ্য মাননিয়ন্ত্রক সংস্থা ফুড স্ট্যান্ডর্ড এজেন্সি (এফএসএ) জানিয়েছে, গত বছর সে দেশে ক্লোন করা একটি গরুর মাংস বাজার থেকে কিনে খেয়েছে নাগরিকেরা।
২০১০ সালের ১০ আগষ্ট, প্রথম আলো: হেঁটে হেঁটে আমাজন জয়। অ্যাডওয়ার্ড স্ট্যাফোর্ড ৩৪ বছর বয়সী ও তাঁর বন্ধু ২০০৮ সালের ২ এপ্রিল, পেরুর দক্ষিণ উপকুল এলাকা থেকে হাঁটা শুরু করেন। কিন্তু তিন মাসের মাথায় তাঁর সঙ্গী রণে ভঙ্গ দেন। দমে না গিয়ে স্ট্যাফোর্ড একাই হাঁটতে থাকেন। মাঝে মঝেই তাঁকে ভয়ংকর সব জলাভূমি সাঁতরে পাড়ি দিতে হয়েছে। পেরুর জঙ্গল পথে হাঁটতে হাঁটতে বস্ন্যাচেজ রিভেরা নামের এক বনকর্মীর সঙ্গে স্ট্যাফোর্ডের পরিচয় হয়। এরপরই রিভেরা তাঁর সফরসঙ্গী হন। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁরা পেরুর এক আদিবাসী গোত্রের হাতে আটক হন। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁরা তাঁদের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে শর্ত সাপেক্ষে ছাড়া পান। স্ট্যাফোর্ড বলেছেন, এ অরুণাসংকুল দীর্ঘ পথে যেখানেই রাত নেমেছে, সেখানেই তিনি তাঁবু ফেলে ঘুমিয়ে নিয়েছেন। মাঝে মাঝেই খাবার ফুরিয়ে যাওয়ায় এবং অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে বিপদে পড়তে হয়েছে। আমাজন বনের ৬,৪০০ কিলোমিটার তীর হেঁটে এসেছেন। আড়াই বছর ধরে হাঁটা ছাড়া তিনি কোনো কাজই করেন নি। এ অভিযানে তাঁর খরচ হয়েছে এক লাখ ডলার। অবশ্য বিভিন্ন কোম্পানি স্পন্সর হিসেবে এ খরচ বহন করেছে। তিনিই হবেন বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি।
২০১০ সালের ১১ আগষ্ট, প্রথম আলো: পৃথিবী না ছাড়লে মানবজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে: পদার্থ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। স্টিফেন হকিং বলেন, একটি ঝুড়িতে বা গ্রহে নিজেদের সব ডিম জমা রাখা উচিত নয়। মানবজাতির অস্তিত্ব দীর্ঘ মেয়াদে টিকিয়ে রাখতে আমাদের একমাত্র সুযোগ হচ্ছে, শুধু পৃথিবীর ওপর নির্ভরশীল না থেকে মহাকাশে উপনিবেশ গড়ে তোলা।
২০১০ সালের ১১ আগষ্ট, জনকন্ঠ: বিশ্বের সর্ববৃহৎ ঘড়ি 'মক্কা ক্লক' চালু। এ ঘড়ির ডায়ালের ব্যাস ৪৩ মিটার লম্বা। বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬০১ মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট গগনচুম্বী অট্টালিকা এবং সর্ববৃহৎ হোটেলের ৪০০ মিটার উচ্চতায় ঘড়িটি বসানো হয়েছে। ঘড়িটি নির্মােণ ৩০০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে(বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে)। ১১-০৮-২০১০ তারিখ থেকে ঘড়িটি চলতে শুরু করেছে। ঘড়িটির ৯ কোটিরও বেশি রঙ্গিণ কাচের টুকরোর মোজাইক দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়েছে। চতুর্মুখী এ ঘড়ির প্রত্যেক পাশেই বড় অক্ষরে 'আল্লাহ' শব্দটি খোদাই করা আছে। মক্কার সব জায়গা থেকেই ঘড়িটি দেখা যাবে।
২০১০ সালের ২৭ আগষ্ট, প্রথম আলো: বাংলাদেশে কালো টাকা জিডিপির ৩৭ শতাংশ। অস্ট্রিয়ার জোহানস কেপলার ইউনিভর্সিিট অব লিনজের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ফ্রেডারিক স্নেইডারের নতুন গবেষণা প্রকাশ। সবচেয়ে বেশি কালো টাকা জর্জিয়ায়, কম টাকা সুইজারল্যান্ডে।
২০১০ সালের ১ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: সমবয়সী বন্ধুদের সঙ্গে কিশোরী ইলিসানি সিলভা। উচ্চতা বিড়ম্বনায় কিশোরী। যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের ১৬ বছর বয়সী মার্ভােডনে অ্যান্ডারসনকে বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতার কিশোরী ধরা হয়। তার উচ্চতা ৬ ফুট ১১ ইঞ্চি।
২০১০ সালের ২ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল সেটেলমেন্টস (বিআইএস) অতি সম্প্রতি মুদ্রাবাজারের ওপর যে জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তাতে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বিশ্বে দৈনিক চার লাখ কোটি ডলারের লেনদেন হয়। ২০০৭ সালে প্রকাশিত জরিপে বলা হয়েছিল, বৈশ্বিক মুদ্রাবাজারের বাণিজ্যিক লেনদেন ৭২ শতাংশ হারে বেড়েছিল। আর সেই সময় দৈনিক লেনদেনের মূল্যমান ছিল ৩ দশমিক ৩০ ট্রিলিয়ন (তিন লাখ ৩০ হাজার কোটি) ডলার। নতুন জরিপ থেকে আরো জানা যায়, মুদ্রা লেনদেনের কেন্দ্র হিসেবে শীর্ষে রয়েছে লন্ডন। বিশ্বের মুদ্রা বাণিজ্যের বা লেনদেনের ৩৭ শতাংশ সম্পন্ন হয় লন্ডনকে কেন্দ্র করে। আর শুধু লন্ডনে যা লেনদেন হয়, তার অর্ধেক হয়ে থাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। বিআইএসের তথ্যানুসারে, মার্কিন ডলার এখনো বিশ্বের শীর্ষ লেনদেন হওয়া মুদ্রা। বিশ্বের শীর্ষ লেনদেনের ৮৫ শতাংশই হলো মার্কিন ডলার। অবশ্য ২০০৭ সালের হিসেবে এ হিস্যা ছিল সাড়ে ৮৫ শতাংশ। সূত্র: বিবিসি/ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল।