২০১৪ সালের ২৩ মে, প্রথম আলো: আইএলওর বৈশ্বিক প্রতিবেদন। মোট শ্রমিক ৩১৪ কোটি। মধ্যম ও উচ্চ আয়ের শ্রমিক ১৫৯ কোটি। দরিদ্র ও প্রায় দরিদ্র শ্রমিক ১৫২ কোটি। দৈনিক সোয়া ডলার বা এর চেয়ে কম আয়ের শ্রমিক: ১৯৯১ সালে ৮১.১০ কোটি, ২০০০ সালে ৬৯.৩০ কোটি, ২০১১ সালে ৪০.৬০ কোটি, ২০১২ সালে ৩৮.৫০ কোটি ও ২০১৩ সালে ৩৭.৫০ কোটি। আইএলওর হিসাব। ২০১৮ সালে আইএলও আশা করছে বিশ্বে উচ্চ ও মধ্যম আয় এবং উন্নয়নশীল বিশ্বের মধ্যবিত্ত শ্রেণির শ্রমিকের সংখ্যা বর্তমানে ১৫৯ কোটি থেকে ১৯০ কোটি হবে এবং একই সময়ে দরিদ্র ও প্রায় দরিদ্র শ্রমিকের সংখ্যা এখনকার ১৫২ কোটি থেকে কমে ১৪০ কোটিতে নেমে আসবে।

২০১৪ সালের ২২ জুলাই, দৈনিক জনকন্ঠ : চীন, রাশিয়া, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত এই পাঁচ নতুন অর্থ-শক্তি মিলে গঠন করছে নতুন এ ব্যাংক। মূল কাজ হবে অর্থৈনতিক অবকাঠামোতে সাহায্য করা। অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করছেন বিশ্বব্যাংক, আইএমএফের আধিপত্য মহায়ক হবে-''ব্রিকস ব্যাংক'' বিকল্প বিশ্বব্যাংক।

২০১৪ সালের ৯ আগস্ট, প্রথম আলো : জন্মদিনে ৪ কেজি সোনার শার্ট। মহারাষ্ট্র রাজ্যের ইয়েলোয়া মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন পঙ্কজ প্রকাশ। তিনি রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শারদ পাওয়ারের দল ন্যাশনালিষ্ট কংগ্রেস পার্টির সঙ্গে যুক্ত। মাত্র অস্টম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। পেশায় তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী। পঙ্কজের ০৮-০৮-২০১৪ তারিখ ৪৫তম জন্মদিন পালন সোনার শার্টিট পড়ে। শার্টিট তৈরি করতে খরচ হয়েছে দেড় কোটি রুপি।

২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর, বালাদেশ প্রতিদিন : পৃথিবীর বৃহত্তম গুহা-এতদিন পর্যন্ত মালয়েশিয়ার ওই গুহাকেই সব থেকে বড় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। ১০ লক্ষ বর্গফুট এলাকা জুড়ে রয়েছে গুহাটি। বিশ্বের বৃহত্তম গুহা আবিস্কৃত হলো চীনের মিয়াও রুম চেম্বারই বিশ্বের সর্ববৃহৎ গুহা। এই গুহা প্রায় এক কোটি ঘন মিটারের বলে জানা গিয়েছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার সারাওয়াক চেম্বারের থেকে চীনের এই গুহা প্রায় ১০ গুণ বড়।

২০১৪ সালের ৩ নভেম্বর, প্রথম আলো : সাগর-রুনি হত্যার তথ্য পায়নি ইউনেসকো : এক দশকে বিশ্বে ৭০০ সাংবাদিক খুন-বাংলাদেশে ১১ জন।

২০১৫ সালের ৫ মার্চ, প্রথম আলো : বিশ্বে জনসংখ্যা ৭২৯ কোটি। ২৬ শতাংশ মানুষ ১৪ বছরের কম বয়স। তাহলে মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫৩৯ কোটি মানুষ। মুঠোফোন সংযোগের সংখ্যা ৬৫০ কোটি। এর অর্থ ৮৯ শতাংশ মানুষের হাতেই এখন মুঠোফোন আছে। এবার পরিসংখ্যানের আরেকটু ভেতরে গেলে-বিশ্বে একজন ব্যক্তির একাধিক সিম থাকলেও ব্যবহারকারী একজনই বলা হবে। এ হিসাবে এখন মুঠোফোন সংযোগ আছে-৩৬৪ কোটি মানুষের। এর অর্থ একজন গ্রাহকের গড় সংযোগ ১ দশমিক ৭৯ শতাংশ। তাহলে বিশ্বের ৫০ শতাংশ মানুষের হাতেই এখন মুঠোফোন। আগামী ২০২০ সালের মধ্যে ১০০(একশত) কোটি মানুষের হাতে মুঠোফোনসেবা পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণা। ২০২০ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা হবে-৭৫০(সাতশত পঁঞ্চাশ) কোটি মানুষ এবং ৪৬৪(চারিশত চৌসট্টি) কোটি মানুষ ব্যবহার করবে মুঠোফোন। ২০১৫ সালে মুঠোফোন ব্যবহার করে ৩৬৪(তিনশত চৌসট্টি) কোটি মানুষ।

২০১৫ সালের ৬ মার্চ, প্রথম আলো : মূত্র থেকে বিদ্যুৎ! বিশ্বজুড়ে বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন লিটার মানবমূত্র উৎপাদিত হয়। তাই গবেষকদের আশা, বিদ্যুৎ উৎপাদনের এ অভিনব প্রযুক্তি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হতে পারে।

২০১৫ সালের ১৯ আগস্ট, প্রথম আলো : পানি ও নিচে যে জায়গায় জন্মেছিল প্রাচীন উদ্ভিদটি, তা পৃথিবীর 'প্রথম ফুল' এবং তা আজকের ইউরোপ। প্রথম ফুলটি দেখানো গেল না। উদ্ভিদটির বৈজ্ঞানিক নাম মন্টসেশিয়া ভিডালি। পাপড়ি না থাকলেও এটি থেকে তৈরি হয়েছিল একটিমাত্র বীজসহ ফল।

যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীদের ধারণা, এটিই ছিল সম্ভবত পৃথিবীর প্রথম সপুম্পক উদ্ভিদ। মার্কিন উদ্ভিদবিজ্ঞানীরা মন্টসেশিয়া ভিডালির এক হাজারের বেশি জীবাশ্ম বা ফসিল নিয়ে গবেষণাচালান। স্পেনের কয়েকটি হ্রদে প্রায় ১৩ কোটি বছর আগে এ ধরণের উদ্ভিদ জম্মাত বলে তাঁরা সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। মন্টেসেশিয়া ভিডালি নামের উদ্ভিদটি বহুদিন ধরেই গবেষকদের পরিচিতি। স্পেনের মধ্যাঞ্চলীয় আইবেরিয়ান রেঞ্জ থেকে এটির ফসিল প্রথম আবিস্কার করা হয় অন্তত ১০০ বছর আগে। প্রায় একই সময়ে পিরেনিজপর্বতমালার ফ্রান্স ও স্পেনের মধ্যবর্তী মন্তসেক রেঞ্জ এলাকায়ও উদ্ভিদটির ফসিল পাওয়া যায়। মার্কিন গবেষক দলটির প্রধান ডেভিড ডিলচার বলেন, মিঠা পানির উদ্ভিদটি দেখতে সামুদ্রিক ঘাসের মতো। তবে পানির নিচে এটির শিকড় সম্ভবত ওপরের দিকে থাকত।

যুক্তরাষ্ট্রের কানেটিকাট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডোনাল্ড লেস বলেন, 'প্রথম সপুম্পক উদ্ভিদ' সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তা উদ্ভিদবিদ্যার একটি বড় রহস্য সম্পর্কে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।

২০১৫ সালের ২৪ আগস্ট, প্রথম আলো : (১) ১৮৬২-৬৫ সালে আমেরিকান গৃহযুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম উঠেছিল-১২০ ডলার পর্যন্ত। (২) ১৮৬৫-৯০ সালে এ সময়ে প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলের দাম ৮০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। (৩) ১৮৯০-৯২ সালে অতিরিক্ত উৎপাদন ও মূল্যস্ফীতিতে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ২০ ডলারে নেমে আসে। (৪) ১৮৯১-৯৪ সালে পেনসিলভানিয়ার তেলকূপগুলো থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ায় এ সময়ে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম বেড়ে আবার ৪০ ডলারে ওঠে। (৫) ১৮৯৪ সালে কলেরার প্রাদূর্ভােব বাকু ও আজারবাইজানে উৎপাদন কমে, দাম বাড়ে। (৬) ১৯২০ সালে মোটরগাড়িতে জ্বালানি তেলের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় এ সময়ে আবার বেড়ে যায় জ্বালানি তেলের দাম। (৭) ১৯৩১ সালে মহামন্দার কারণে এ সময়ে প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলের দাম সর্বিনম্ন পর্যােয় এসে ঠেকে। প্রতি ব্যারেলের মূল্য দাঁড়ায় ১০ ডলার। (৮) ১৯৪৭ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে শিল্পবিপস্নবের ফলে দাম আবার বেড়ে যায়। (৯) ১৯৫৬-৫৭ সালে সুয়েজ খাল নিয়ে ঝামেলার কারণে তেলের সরবরাহ ১০% কমে যায়। (১০) ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন বৃদ্ধিও ইতিবাচক প্রভাব পরে দাম। (১১) ১৯৭৩-৭৪ সালে ইসরায়েলকে সমর্থনকারী দেশগুলোতে আরববিশ্ব নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় প্রতি ব্যারেল দাম ২০-৬০ ডলারে ওঠে। (১২) ১৯৭৮-৭৯ সালে ইরানে ইসলামিক বিপস্নবের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের তেল রপ্তানি বন্ধ করা হয়। এতে প্রতি ব্যারেলের মূল্য আবার বেড়ে ১০০ ছাড়িয়ে যায়। (১৩) ১৯৮০ সালে ইরান ও ইরাকের যুদ্ধ শুরু হলে রপ্তানি আরও কমে যাওয়ায় আরও বেড়ে যায় দাম। (১৪) ১৯৮৬ সালে সৌদি আরব তেলের উৎপাদন বাড়ালে দাম কমে ৩০ ডলারে নেমে আসে। (১৫) ১৯৮৮ সালে ইরান-ইরাক যুদ্ধ শেষে উৎপাদন বাড়ে, দাম আরেক দফা কমে। (১৬) ১৯৯০ সালে ইরাক কুয়েত দখল করলে আবার বাড়তে শুরু করে তেলের দাম। (১৭) ১৯৯৯ সালে অনেক দিন ধরে দাম কমলেও এ বছর থেকে আবার বাড়তে শুরু করে। (১৮) ২০০০-২০০৭ সালে ৯/১১, ইরাকসহ মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় দাম বেড়ে ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। (১৯) ২০০৭-২০০৮ সালে বিশ্বমন্দায় দাম কমে ৬০ ডলারের নিচে চলে আসে। (২০) ২০১১ সালে আরব বসন্তের কারণে লিবিয়ার তেল সরবরাহ বন্ধ। প্রতি ব্যারেলের দাম প্রায় ১২০ ডলারে ওঠে ও (২১) ২০১৪-১৫ সালে ওপেকের উৎপাদন না কমানোসহ নারা কারণে দাম কমে ৪০ ডলারে। মন্দা তেলের মূল্য : সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার।

২০১৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো : ১০ লাখ ডলার বা এর বেশি সম্পদ যাঁদের হাতে। ওয়াল্র্ড ওয়েলথ রিপোর্ট-২০১৫ :

(১) ইউরোপ-মানুষ-৩৯ লাখ ৮০ হাজার-৪.০% (১) সম্পদ-১২.৯৭ ট্রিলিয়ন ডলার-৪.৭%। (২) উত্তর আমেরিকা-মানুষ-৪৬ লাখ ৮০ হাজার-৮.৩% (২) সম্পদ-১৬.২৩ ট্রিলিয়ন ডলার-৯.১%। (৩) লাতিন আমেরিকা-মানুষ-৫ লাখ-২.১% (৩) সম্পদ-৭.৬৬ ট্রিলিয়ন ডলার-০.৫%। (৪) আফ্রিকা-মানুষ-২ লাখ-৫.২% (৪) সম্পদ-১.৪৪ ট্রিলিয়ন ডলার-৭.০%। (৫) এশিয়া-প্যাসিফিক-মানুষ-৪৬ লাখ ৯০ হাজার-৮.৫% (৫) সম্পদ ১৫.৮২ ট্রিলিয়ন ডলার-১১.৪%। (৬) মধ্যপ্রাচ্য-মানুষ-৬ লাখ-৭.৭% (৬) সম্পদ-২.২৮ ট্রিলিয়ন ডলার-৮.২%। ১ ট্রিলিয়ন ডলার সমান=১ লাখ কোটি ডলার, ১০ লাখ ডলার=১ মিলিয়ন ডলার সমান। বিশ্বে মিলিনিয়য়ারের সংখ্যা ১ কোটি ৪৭ লাখ।

২০১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো : ৪৫ বছরে অর্ধেক হয়ে গেছে সামুদ্রিক প্রাণী। গত ৪৫ বছরে সামুদ্রিক মাছ, পাখি ও সরীসৃপজাতীয় প্রাণীর সংখ্যা ৪৯ শতাংশ কমে গেছে। ওয়াল্র্ড ওয়াইল্ড লাইফ ফান্ড(ডবিস্নউডবিস্নউএফ) এবং জুওলজিক্যাল সোসাইটি অব লন্ডনের এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এয়েছে। খবর গার্ডিয়ানের।

২০১৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো : মঙ্গলে পানির প্রবাহ!

২০১৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো : আর্থিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী শহর লন্ডন। শীর্ষ দশে এশিয়ার চার শহর। আর্থিক দিক থেকে সেরা ১০ শহর

ক্রমিকশহরঅবস্থানপয়েন্ট
লন্ডন৭৯৬
নিউইয়র্ক৭৮৮
হংকং৭৫৫
সিঙ্গাপুর৭৫০
টোকিও৭২৫
সিউল৭২৪
জুরিখ৭১৫
টরন্টো৭১৪
সান ফ্রান্সিসকো৭১২
ওয়াশিংটন১০৭১১

২০১৫ সালের ১ অক্টোবর, প্রথম আলো : ৩ শতাংশের নিচে নেমে যাবে বিশ্ব বাণিজ্য প্রবৃদ্ধি।

২০১৫ সালের ২ অক্টোবর, প্রথম আলো : আগামী ১৫ বছরে দারিদ্রশূন্য পৃথিবী। বিশ্বে এখনো ৮৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষ চরমভাবে দরিদ্র। এ কাজটি করবে না জাতিসংঘ।

২০১৫ সালের ২ অক্টোবর, প্রথম আলো : ৫ মিনিটের চার্জে ১০০ কিলোমিটার-ফ্রান্সের প্রাগমা ইন্ড্রাট্রিজ নিয়ে এসেছে 'আলফা ইলেকট্রিক বাইক'। এই বাইসাইকেলের ইঞ্জিনে হাইড্রোজেন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে।এটির বিশেষত্ব হচ্ছে, মাত্র ৫ মিনিট চার্জ দিয়েই এই সাইকেলে চড়ে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পথ যাওয়া যাবে।

২০১৫ সালের ৫ অক্টেচাবর, প্রথম আলো : ২০৩০ সালে ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য(এসডিজি)। ২ ক্ষধামুক্ত। বর্তমানে বিশ্বের প্রতি নয়জনে একজন অপুষ্টির শিকার। এ হিসাবে অপুষ্টির শিকার মোট জনগোষ্ঠির সংখ্যা ৭৯ কোটি ৫০ লাখ। এ জনগোষ্ঠির দুই-তৃতীয়াংশের বসবাস এশিয়া মহাদেশে। জাতিসংঘ সারা বিশ্বের উন্নয়ন টেকসই করতে ১৭টি লক্ষ্য(এসডিজি) নির্ধারণ করেছে। আমি মো: জাকির হুসেন(আলমগীর) বলি জাতিসংঘ আগামী ২০৩০ সালে ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী সৃষ্টি করবে না।

২০১৫ সালের ২৭ অক্টোবর, প্রথম আলো: মেরুদন্ডের যক্ষ্মায় বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর ২০ লাখ মানুষ মারা যায় এই রোগে। আর এর বেশির ভাগই হয় ভারত, বাংলাদেশ, চীন, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ায়। মেরুদন্ডে কি যক্ষ্ণা হয়? হ্যাঁ হয়।

২০১৫ সালের ৩০ অক্টোবর, প্রথম আলো: আলু উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ ৭ম। চীন আলু উৎপাদন করে-৮.৮৪(আট কোটি চুরাশি লক্ষ)মেট্রিক টন, ভারত-৪.২৩, রাশিয়া-৩.২৭, ইউক্রেন-২.৪২, যুক্তরাষ্ট্র-১.৯৪, জার্মািন-১.১৮, বাংলাদেশ-০.৮৩ লাখ ম্যাট্রিক টন, পোলান্ড-০.৮২, ফ্রান্স-০.৮০ ও বেলারুশ-০.৭৭ লাখ টন আলু উৎপাদন করে।

২০১৫ সালের ৭ নভেম্বর, প্রথম আলো: বিশ্বে মার্কিনরাই বেশি সম্পদশালী এরপরই চীন ও জাপান।

২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর, প্রথম আলো: ২১৩৩ সালে, এখন থেকে ১১৮ বছর পরে পুরুষের সমান আয় করবে নারী।

নিউ ওয়াল্র্ড ওয়েলথের র্যাঙ্কিং

ব্যক্তি সম্পদে শীর্ষ দশ দেশ: সম্পদের প্রবৃদ্ধির দশ দেশ(২০০০-২০১৫)

দেশসম্পদ(বিলিয়ন ডলারেদেশপ্রবৃদ্ধি
যুক্তরাষ্ট্র৪৮,৭৩৪ ডলারইন্দোনেশিয়া৩৬২%
চীন১৭,২৫৪ ডলারচীন৩৪১%
জাপান১৫,২৩০ ডলাররাশিয়া২৫৩%
জার্মািন৯,৩৫৮ ডলারঅস্ট্রেলিয়া২৪৮%
যুক্তরাজ্য৯,২৪০ ডলারভারত২১১%
ফ্রান্স৮,৭২২ ডলারব্রাজিল২০৭%
ইতালি৭,৩০৮ ডলারদক্ষিণ কোরিয়া১৩২%
কানাডা৪,৭৯৬ ডলারফ্রান্স১২৭%
অস্ট্রেলিয়া৪,৪৯৭ ডলারকানাডা১১৯%
ভারত৩,৪৯২ ডলারসুইজারল্যান্ড১০৯%

২০১৫ সালের ১৮ নভেম্বর, প্রথম আলো: বিশ্ব জিডিপির ৮০ শতাংশই ১৬টি দেশের। অন্যান্য দেশের ২০%।

চীন৩০.৩%যুক্তরাষ্ট্র
চীন১৪০,০০,০০,০০০ভারত১৭০,০০,০০,০০০
ভারত১৩০,০০,০০,০০০চীন১৪০,০০,০০,০০০
যুক্তরাষ্ট্র৩২,১৮,০০,০০০নাইজেরিয়া৩৯,৮৫,০০,০০০
ইন্দোনেশিয়া২৫,৭৬,০০,০০০যুক্তরাষ্ট্র৩৮,৮৯,০০,০০০
ব্রাজিল২০,৭৮,০০,০০০ইন্দোনেশিয়া৩২,২২,০০,০০০
পাকিস্তান১৮,৮৯,০০,০০০পাকিস্তান৩০,৯৬,০০,০০০
নাইজেরিয়া১৮,২২,০০,০০০ব্রাজিল২৩,৮৩,০০,০০০
বাংলাদেশ১৬,১০,০০,০০০বাংলাদেশ২০,২২,০০,০০০
রাশিয়া১৪,৩৫,০০,০০০কঙ্গো১৯,৫৩,০০,০০০
মেক্সিকো১২,৭০,০০,০০০ইথিওপিয়া১৮,৮৫,০০,০০০
্‌মেক্সিকো১৬,৩৮,০০,০০০
ইথিওপিয়া৯,৯৪,০০,০০০
রাশিয়া১২,৮৬,০০,০০০
বিলিয়ন১০০ কোটিতে
কঙ্গো৭,৭৩,০০,০০০মিলিয়ন১০,০০,০০০ লাখে

২০১৫ সালের ৮ ডিসেম্বর, যুগান্তর: সন্ত্রাস নির্মূেল যে কোনো দেশে অভিযান: ওবামা।

২০১৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: আজ বিশ্ব অভিবাসী দিবস। বিশ্বে সপ্তাহে ৩০ লাখ মানুষ শহরে আসছে।

২০১৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ৬০ বছর ধরে ওঁদের খোঁজ নেই। সুইস ব্যাংক এমন আড়াই হাজার গ্রাহকের নাম প্রকাশ করেছে, তাঁদের রক্ষিত ধনদৌলতের পরিমাণ আনুমানিক পৌনে তিন শ কোটি টাকা। ১৯৫৫ সালের পর সুইস ব্যাংকের সঙ্গে আর যোগাযোগ রাখেননি, খোঁজ নেননি তাঁদের সম্পদের। সুইস ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলছে, সব মিলিয়ে তাঁদের সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক সাড়ে চার কোটি ডলার, বাংলাদেশের মুদ্রায় যা প্রায় পৌনে তিন শ কোটি টাকা। এ তালিকায় চারজন ভারতীয় এ তালিকায় রয়েছেন। এ তালিকায় সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকই বেশি।

২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ইউএনডিপির মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন: ৭৩৮ কোটি লোক। শিশু (১৯০ কোটি)। বৃদ্ধ (৫৮.২ কোটি)। কর্মক্ষম জনসংখ্যা (৪৮০ কোটি)।

২০১৬ সালের ১৯ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ৬২ ব্যক্তির সম্পদ বিশ্বের অর্ধেক মানুষের সমান। বিশ্বে এখন ৭৪০ কোটি মানুষ। এর অর্ধেক মানে ৩৬০ কোটি মানুষের সম্পদ সমান=৬২ জন মানুষ। ২০০০ সালের পর থেকে বিশ্বে যে সম্পদ বেড়েছে তার ১% পেয়েছে বিশ্বের অর্ধেক মানুষ। একই সময়ে শীর্ষ ১% ধনীর সম্পদ বৃদ্ধির পরিমাণ ৫০% মানুষের সমান। দরিদ্র ১০% মানুষের বার্ষিক আয় বৃদ্ধি পেয়েছে গড়ে ৩ ডলার। ৫০ শতাংশের সম্পদ কমেছে ৪১ শতাংশ। যদিও এ সময়ের মধ্যে জনসংখ্যা বেড়েছে ৪০ কোটি। আবার একই সময়ে ৬২ জন সম্পদশালীর সম্পদ বেড়েছে ৫০ হাজার কোটি ডলার। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০১ সালে শীর্ষ ৩৮৮ জন ধনীর ছিল বিশ্বের দরিদ্র ৫০ শতাংশের সমান সম্পদ। ২০১০ তে তা নেমে এসেছিল ৮০ জনে। আর এখন ৬২ জনের হাতে আছে সেই সম্পদ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন বিশ্বের সর্বত্রই শ্রম থেকে অর্জন, তার তুলনায় পুঁজি থেকে আয় অনেক বেশি হচ্ছে। তার ওপর ধনীদের জন্য রয়েছে অনেক ধরনের কর ছাড়। মূল্য সংযোজন কর দরিদ্রদের ওপরই আরোপ বেশি হচ্ছে। আর ধনীরা তাদের তাদের অর্থ জমা রাখছে বিশ্বের 'ট্যাক্স হ্যাভেন' হিসেবে পরিচিত দেশগুলোতে, যেখানে বিনা প্রশ্নে অর্থ রাখা যায়। ২০০১ সালে ওই কর স্বর্গে যত বিনিয়োগ ছিল, ২০১৪ সালে তা চার গুণ বেড়েছে। মোটকথা শুধু সমাজতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতেই নয়, মানবিক, গণতান্ত্রিক দৃষ্টিকোণ থেকেও এই চরম ধনবৈষম্যকে কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না। যে ১ শতাংশ অতিকায় ধনী কেবল টাকা দিয়ে টাকা বানাচ্ছে এবং সেই প্রক্রিয়াকে রক্ষার জন্য সামরিক শক্তিও প্রয়োগ করছে, তার বিরুদ্ধে জনগণের সংগ্রাম অর্থাৎ ৯৯ শতাংশের সংগ্রাম এখন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। ১ শতাংশের বিরুদ্ধে ৯৯ শতাংশের যে লড়াই শুরু হয়েছে, তাই-ই বর্তমান যুগের বিশ্ব রাজনীতির মূল মর্মকথা। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক অক্সফাম মনে করে, উচ্চ মজুরি, কর ফাঁকির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং উচ্চ বিনিয়োগই পারে সম্পদবৈষম্য কমাতে। আবার শুনা যাবে যে, ২০৫০ সালে একজন ধনীর সম্পদের সমান হবে পৃথিবীর অর্ধেক মানুষের সম্পদের সমান। ২০৫০ সালে বেড়ে মানুষের সংখ্যা হবে-৯২০(নয়শত বিশ) কোটি তখন অর্ধেক মানুষের সমান হবে একজন ধনীর সম্পদ মানে ৪৬০ কোটি মানুষের সমান হবে একজন ধনীর সম্পদ। এ ভাবে বৈষম্য চলতে থাকলে মানুষে মানুষে বৈষম্য বাড়তে থাকবে। বুর্জোয়া রাজনীতিবিদরা একে বলে উন্নয়ন। এ উন্নয়নকে আমি বলি বৈষম্য। আমি বৈষম্যহীন পৃথিবী চাই। যেদিন বৈষম্যহীন পৃথিবী হবে সেদিনই হবে প্রকৃত উন্নয়ন।