১৭ জুন, বিশ্ব বাবা দিবস পালিত হয়।

২০ জুন, প্রতি বছর ''বিশ্ব শরণার্থী দিবস'' পালিত হয়।

২১ জুন, বিশ্ব সংগীত দিবস পালিত হয়।

২৬ জুন, নির্যািততদের পক্ষে জাতিসংঘ ঘোষিত ''নির্যািতনবিরোধী আন্তর্জািতক দিবস'' পালিত।

২৬ জুন, বিশ্ব মাদকবিরোধী দিবস।

১১ জুলাই, বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়।

১২ আগষ্ট, বিশ্ব যুব দিবস পালিত হয়।

১৯ আগষ্ট, বিশ্ব আলোকচিত্র দিবস পালিত হয়।

১০ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব আত্মহত্যা পতিরোধ দিবস। বিশ্বে প্রতি বছর ১০ লাখ লোক আত্মহত্যা করে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ২০২০ সালে আত্মহত্যায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াবে ১৫ লাখ।

২২ সেপ্টেম্বর, 'বিশ্ব কারমুক্ত দিবস' পালনের আহবান।

২৬ সেপ্টেম্বর, ''বিশ্ব হার্ট দিবস'' পালিত হয়।

২৭ সেপ্টেম্বর, ''বিশ্ব পর্যটন দিবস'' পালিত হয়।

২০০৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশে আন্তর্জািতক তথ্য অধিকার দিবস পালন করে।

২৯ সেপ্টেম্বর, 'বিশ্ব নৌ-দিবস' পালিত।

৩ অক্টোবর, বিশ্ব শিশু দিবস পালিত হয়।

৪ অক্টোবর, বিশ্ব বসতি দিবস পালিত হয়।

৫ অক্টোবর, আই.এল.ও. ঘোষিত ''বিশ্ব শিক্ষক দিবস'' পালিত হয়।

৮ অক্টোবর, বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত হয়।

১০ অক্টোবর, মৃত্যুদন্ডবিরোধী আন্তর্জািতক দিবস পালিত হয়।

১৩ অক্টোবর, বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত হয়।

১৪ অক্টোবর, বিশ্ব শিশু দিবস পালিত হয়।

(২৯-০৯-২০০৬ সালে বিশ্ব শিশু দিবস)।

১৫ অক্টোবর, 'বিশ্ব গ্রামীণ নারী' দিবস পালিত হয়।

১৫ অক্টোবর, 'আন্তর্জািতক সাদাছড়ি দিবস' পালিত হয়।

১৫ অক্টোবর, বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস।

১৬ অক্টোবর, 'বিশ্ব খাদ্য দিবস' পালিত হয়।

১৬ অক্টোবর, বিশ্ব নৌ দিবস পালিত হয়।

১৯ অক্টোবর, আন্তর্জািতক সড়ক পরিবহন বিক্ষোভ দিবস।

২০ অক্টোবর, বিশ্ব অস্টিওপোরোসিস দিবস পালিত হয়।

২২ অক্টোবর, আন্তর্জািতক নিরপদ সড়ক দিবস হিসেবে ঘোষণা করবে।

২৪ অক্টোবর, জাতিসংঘ দিবস।

২৯ অক্টোবর, আন্তর্জািতক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০০৮।

৮ ডিসেম্বর, আন্তর্জািতক দুর্নীিতবিরোধী দিবস পালিত হয়।

২৫ ডিসেম্বর, খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব 'বড়দিন'।

২০০৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, আন্তর্জািতক গণতন্ত্র দিবস'' পালিত হয়।

২০০৮ সালের ৩ মার্চ, আন্তর্জািতক যৌনকর্মী অধিকার দিবস'' পালিত হয়।

২০০৯ সালের ২১ মার্চ, প্রথম আলো: নেপালে ৮২ বছর বয়সী দেবী দুরা নামে এক নারী হলেন পৃথিবীতে দুরা ভাষায় স্বতঃস্ফুর্তভাবে কথা বলা শেষতম মানুষ!

২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২০০৯ সালের ১৯ আগষ্টকে প্রথম 'বিশ্ব মানবিক দিবস' হিসেবে ঘোষণা দেয়।

২০০৯ সালের ১৮ জুলাই, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ১৮ জুলাইকে (দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা) 'ম্যান্ডেলা দিবস' পালিত হবে।

২০০৯ সালের ২০ নভেম্বর, বিশ্ব টেলিভিশন দিবস পালিত হয়।

২০১০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি,'বিশ্ব জলাভূমি দিবস' অনুষ্ঠিত হয়।

২০১০ সালের ১৭ মে, বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস পালিত হয়।

২০১০ সালের ১৮ জুলাই, আন্তর্জািতক নেলসন ম্যান্ডেলা দিবস পালিত হয়।

২০১০ সালের ২৯ জুলাই, বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত হয়।

২০১১ সালের ২৩ জুন আন্তর্জািতক বিধবা দিবস পালিত হবে। জাতিসংগে প্রস্তাব পাস।

২০১২ সালের ২৫ মার্চেক আন্তর্জািতক গণহত্যা দিবস পালনের দাবি।

২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল, 'বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস' পালিত হয়।

২০১২ সালের ২৯ মে, 'বিশ্ব শান্তিরক্ষী দিবস' পালিত হয়।

২০১২ সালের ২৩ জুন, 'আন্তর্জািতক পাবলিক সার্ভিস ডে' পালিত হয়।

২০১২ সালের ২৫ জুন, 'বিশ্ব সমুদ্র মৈত্রী দিবস' পালিত হয়।

২০১২ সালের ২৮ জুলাই, বিশ্ব হেপাইটিস দিবস পালিত হয়।

২০১২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, আন্তর্জািতক সাক্ষরতা দিবস পালিত হয়।

২০১২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, 'বিশ্ব ফিজিওথেরাপি' দিবস পালিত।

২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, 'বিশ্ব হার্ট দিবস' পালিত হয়।

২০১২ সালের ৮ নভেম্বর, বিশ্ব নগর পরিকল্পনা দিবস পালিত হয়।

২০১২ সালের ১০ নভেম্বর, মালালা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতিসংঘ।

২০১২ সালের ১২ নভেম্বর, বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস পালিত হয়।

২০১৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, বিশ্ব জলাভূমি দিবস পালিত হয়।

২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর, আন্তর্জািতক পরিসংখ্যান দিবস পালিত হয়।

২০১৪ সালের ৩০ আগস্ট, আন্তর্জািতক গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়।

২০১৫ সালের ২৮ জুলাই, বিশ্ব হ্যাপাটাইটিস দিবস পালিত হয়।

২০১৬ সালের ১৮ মার্চ, 'বিশ্ব নিদ্রা দিবস' পালিত হয়।

বিশ্বের ১৬৫টি দেশে বহুদলীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বের কতটি দেশে পুরোপুরি গণতন্ত্র চালু রয়েছে-৮২টি দেশে এবং ১০৬টি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র রয়েছে। বিশ্বের ৫৭ ভাগ লোক গণতান্ত্রিক পরিবেশে বাস করে।

২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল, প্রথম আলো: ১ কোটি ১০ লাখ নথি ফাঁস। ৭২ রাষ্ট্রপ্রধানের অর্থ পাচার ও কর ফাঁকি।

২০১৬ সালের ৫ এপ্রিল, প্রথম আলো: অর্থ পাচারে রাষ্ট্রনেতারা: 'পানামা পেপারস' কেলেঙ্কারি। পিছিয়ে নেই রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী-তারকারাও। বিশ্বের পাচারকারী ক্ষমতাধর ও তাদের স্বজনেরা। (১) রুশ প্রেসিডেন্ট ভস্নাদিমির পুতিনের দুই বন্ধু আরকাদি ও বরিস রোতেনবুর্গ আছেন মোসাক ফনসেকার তালিকায়। (২) চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বড় বোনের স্বামী দেং জিয়াগুয়ে জড়িত। (৩) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ৩ সন্তান মরিয়ম, হাসান ও হোসেন রয়েছেন। (৪) মিসরের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের ছেলে আলা মোবারকও অর্থ পাচার করেছেন। (৫) সৌদি বাদশাহ সালমান অর্থ পাচার অভিযোগের কোনো জবাব দেননি। (৬) আর্জেিন্টনার ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি ও তাঁর বাবার নাম আছে তালিকায়। (৭) সিরীয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের মামাতো ভাই রামি ও হাফেজ মাকলুফ জড়িত। ও (৮) বিদেশে ৪ কোম্পানি খুলে বলিউড তারকা অমিতাভ বচ্চন অর্থ পাচার করেছেন বলে অভিযোগ। সূত্র: আইসিআইজে। টাকা পাচারের যত স্বর্গ: পানামা পেপাস অনুযায়ী শীর্ষ ১০ গন্তব্য। (১) ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ (২) পানামা (৩) বাহামা (৪) সিসিলি (৫) নিউয়ি (৬) সামোয়া (৭) ব্রিটিশ অ্যাঙ্গোইলা (৮) নেভাদা (৯) হংকং ও (১০) যুক্তরাজ্য। সূত্র: আইসিআইজে।

।এক নযরে সার্ক শীর্ষ বৈঠক-১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়:।

।সার্ক-এর সূচনা থেকে অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকসমূহ:।

ক্রমিকসময়স্থান
১ম৭-৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালেবাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা
২য়১৬-১৭ নভেম্বর, ১৯৮৬ সালেভারতের বাঙ্গালোর
৩য়২-৪ নভেম্বর, ১৯৮৭ সালেনেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু
৪র্থ২৯-৩১ ডিসেম্বর, ১৯৮৮ সালেপাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ
৫ম২১-২৩ নভেম্বর, ১৯৯০ সালেমালদ্বীপের রাজধানী মালে
৬ষ্ঠ২১ ডিসেম্বর, ১৯৯১ সালেশ্রীলংকার রাজধানী কলম্বো
৭ম১০-১৬ নভেম্বর, ১৯৯৩ সালেবাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা
৮ম২-৪ মে, ১৯৯৫ সালেভারতের রাজধানী নয়াদিল্লী
৯ম১২-১৪ মে, ১৯৯৭ সালেমালদ্বীপের রাজধানী মালে
১০ম২৯-৩১ জুলাই, ১৯৯৮ সালেশ্রীলংকার রাজধানী কলম্বো
১১তম৪-৬ জানুয়ারি, ২০০২ সালেনেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু
১২তম২-৬ জানুয়ারি, ২০০৪ সালেপাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ
১৩তম১২-১৩ নভেম্বর, ২০০৫ সালেবাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা
১৪তম২০০৬ সালেভারতের রাজধানী নয়াদিল্লী
১৫তম২০০৮ সালেশ্রীলঙ্কা, কলম্বো
১৬তম২৮-২৯ এপ্রিল, ২০১০ সালেভুটানের রাজধানী থিম্পুতে
১৭তম৯-১০ নভেম্বর, ২০১১ সালেমালদ্বীপের দক্ষিণের দ্বীপ আদ্দু সিটিতে
১৮তম২৬-২৭ নভেম্বর,২০১৪ সালেনেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু
১৯তম৯-১০ নভেম্বর, ২০১৬ সালেপাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ

২০১৬ সালের ১২ মে, প্রথম আলো: আরও ১২৮৪টি গ্রহের সন্ধান। আমাদের সৌরজগতের বাইরে আরও ১ হাজার ২৮৪টি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এসবের মধ্যে নয়টির অবস্থান এমন কক্ষপথে, যেখানে প্রাণের বসবাসের উপযোগী পানির অস্বিত্ব থাকতে পারে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা(নাসা) গত মঙ্গলবার এ ঘোষণা দিয়েছে। এ নিয়ে সৌরজগতের বাইরে মোট গ্রহের সংখ্যা দাঁড়াল ৩ হাজার ২৬৪টি।এর বেশির ভাগই ধরা পড়েছে নাসার শক্তিশালী দূরবীক্ষণযন্ত্র কেপলার স্পেস টেলিস্কোপে। নতুন গ্রহগুলো চিহ্নিত করতে চার বছর সময় নিয়েছে কেপলার। নতুন গ্রহগুলোর মধ্যে প্রায় ৫৫টি পৃথিবীর মতো পাথুরে। নয়টির অবস্থান তাদের নক্ষত্র থেকে ঠিক ততটাই দূরে, যতটা হলে সেখানকার পৃষ্ঠে পানি থাকতে পারে। আর অন্তত ১০০টি গ্রহের আকার পৃথিবীর কাছাকাছি।

২০১৬ সালের ২১ মে, প্রথম আলো: স্ত্রী কাধে নিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় স্ত্রীকে পিঠে নিয়ে স্বামীদের ২৫০ মিটার পথ দৌড়াতে হয়। আর কারও স্ত্রী যদি ৪৯ কেজি ওজনের কম হন তাহলে তাঁকে অতিরিক্ত আরেকটি ব্যাগ নিয়ে দৌড়াতে হয়। মাত্র ১ মিনিট ৪০ সেকেন্ডে ২৫০ মিটারের পথ দৌড়ে অতিক্রম করে তিমুর আর ইনা নামের দম্পতি। মধ্য এশিয়ার দেশ কাজাখস্তানের শহর অলমাটি।

।গত ৭০,০০০(সত্তর হাজার) বছর আগে পৃথিবীর জনসংখ্যা বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুযোের্গ দুই হাজারে নেমেছিল এবং মানব।

প্রজাতির অস্তিত্ব প্রায় ধ্বংস হতে বসেছিলতবে প্রস্তরযুগের পর তা আবার বাড়তে থাকেতবে একটি নতুন জেনেটিক
গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের জার্নাল অব হিউম্যান জেনেটিকস-এ গবেষণা প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়

।জেনোগ্রাফিক প্রকল্পের পরিচালক স্পেনসার ওয়েলস বলেন, মানব প্রজাতির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো আবিস্কারে।

জেনেটিকবিদ্যার অসাধারণ ক্ষমতা নতুন এ গবেষণার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছেআবার লোকসংখ্যা বাড়তে বাড়তে ১২,০০০(বার

।হাজার) খৃষ্ঠপূর্বে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলঃ ১(এক) কোটি, ১৬৫০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলঃ ৫৫(পঁঞ্চান্ন) কোটি, ১৮০৪।

।সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলঃ ১০০(একশত) কোটি, ১৮৫০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলঃ ১১৭(একশত সতের) কোটি, ১৯০০।

।সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলঃ ১৬০ কোটি, ১৯২৭ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলঃ ২০০(দুইশত) কোটি, ১৯৫৯ সালে পৃথিবীর।

।জনসংখ্যা ছিলঃ ৩০০(তিনশত) কোটি, ১৯৭৪ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলঃ ৪০০(চারিশত) কোটি, ১৯৮৭ সালের ১১ জুলাই,।

।পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলঃ ৫০০(পাঁচশত) কোটি, ১৯৯৯ সালের ১২ অক্টোবর, পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলঃ ৬০০(ছয়শত) কোটি, ২০০৫।

সালের ১১ জুলাই, পৃথিবীর জনসংখ্যাঃ ৬৫০(ছয়শত পঁঞ্চাশ) কোটি২০০৬ সালের ১১ জুলাই, পৃথিবীর জনসংখ্যা হলোঃ
৬৫৮(ছয়শত আটান্ন) কোটি২০০৬ সালের ২৫ এপ্রিলের হিসেব অনুসারে বিশ্ব জনসংখ্যার ২৫% ভাগ হলো মুসলমান১৬২
কোটি মুসলমান২০০৭ সালের ১১ জুলাই, পৃথিবীর জনসংখ্যাঃ ৬৬৬(ছয়শত সিষট্টি) কোটি২০০৮ সালের ১১ জুলাই, পৃথিবীর
জনসংখ্যাঃ ৬৭৩.৬০(ছয়শত তেহাত্তর লক্ষ ষাট লক্ষ) কোটি২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি, পৃথিবীর জনসংখ্যাঃ ৬৭৫,১৬,৪৩,৬০০(ছয়শত
পঁচাত্তর কোটি ষোল লক্ষ তেতাল্লিশ হাজার ছয়শত)২০০৯ সালের ১১ জুলাই, পৃথিবীর লোকসংখ্যাঃ ৬৮০ কোটি২০১০ সালের
১১ জুলাই, পৃথিবীর জনসংখ্যা হলোঃ ৬৮৭.৮০ কোটি২০১১ সালের ১১ জুলাই, বিশ্বের জনসংখ্য হলো-৬৯৭ কোটি এবং ২০১১
সালের ৩১ অক্টোবর, বিশ্বের লোকসংখ্যা-৭০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে২০১২ সালের ১১ জুলাই, বিশ্বের জনসংখ্যা ৭০৭ কোটি
২০১৩ সালের ১১ জুলাই, বিশ্বের জনসংখ্যা ৭১৫ কোটি২০১৪ সালের ১১ জুলাই, বিশ্বের জনসংখ্যা ৭২৩ কোটি, ২০১৫ সালে

।বিশ্বের জনসংখ্যা-৭২৯ কোটি এখন ২০১৫ সালের ১১ জুলাই, বিশ্বের জনসংখ্যা-৭৩৫(সাতশত পয়ত্রিশ কোটি), ২০১৬ সালের ১৯।

জানুয়ারি, বিশ্বের জনসংখ্যা-৭৪০ কোটি এবং বিশ্বে ২২০ কোটি মানুষ দরিদ্র জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির প্রতিবেদন
বিশ্বের ৯০টি দেশে প্রায় ৩৭ কোটি আদিবাসী রয়েছেবিশ্বের জনসংখ্যার এ হার পাঁচ শতাংশগ্রামে বাস করা অতিদরিদ্র
৯০ কোটি মানুষের মধ্যে আদিবাসীদের সংখ্যা এক তৃতীয়াংশের বেশি২০১০ সালে ৬০ বছরের বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা
৯০ কোটিআর ৪০ বছর পরে অথবা ২০৫০ সালে এ সংখ্যা হবে ২৪০ কোটি২০১০ সালে প্রতি দুইজনের একজন শহরে বাস করে
৩৫ বছর পর মানে ২০৪৫ সালে প্রতি তিনজনের দুইজন শহরবাসী হবে২০১০ সালে জনসংখ্যার ৬০ শতাংশ অর্থাৎ ৪৩০ কোটি
মানুষ বাস করে এশিয়ায়এর মধ্যে চীন ও ভারতের জনসংখ্যা যথাক্রমে ১৩৫ ও ১২৩ কোটি২০২৫ সালে ভারত পৃথিবীর জনবহুল
দেশে পরিণত হবেতখন দেশটির জনসংখ্যা হবে ১৪৬ কোটিচীনের জনসংখ্যা তখন হবে ১৩৯ কোটি২০২০ সালে পৃথিবীর
লোকসংখ্যা হবেঃ ৭৫০ কোটি২০২৫ সালে পৃথিবীর লোকসংখ্যা হবেঃ ৮০০ কোটি২০৪৩ সালে পৃথিবীর লোকসংখ্যা হবেঃ
৯০০ কোটি এবং ২০৮৩ সালে হবে-১০০০ কোটিতে পৌঁছাবেপৃথিবীর আয়তন ৫,৭০,১৭,০০০(পাঁচ কোটি সত্তর লক্ষ সতর
হাজার) বর্গমাইল, (১৩-১১-২০১৩ তারিখ পৃথিবীর ৭১৩ কোটি মানুষ) পৃথিবীতে প্রতি বর্গমাইলে বাস করে ১২৫ জনবিশ্বে

।প্রতি মিনিটে জন্ম নেয়-১৫৮ জন মানুষ, আর প্রতিদিন জন্ম নেয়-২,১৭,২৫২ জন মানুষ এবং প্রতি বছর পৃথিবীতে লোকসংখ্যা।

বাড়ে ৮ কোটি ২৯ লক্ষ ৪৭ হাজার এবং বাংলাদেশে বাড়ে ২০ লক্ষপৃথিবীর ৪২.৮৮ ভাগের ১ ভাগ লোক বাস করে বাংলাদেশে
এবং প্রতি বছর বাংলাদেশে লোক বাড়ে পৃথিবীর ৪১.৪৭ ভাগের ১ ভাগউল্লেখযোগ্য কয়েকটি দেশের ১৯৮২, ১৯৯৪, ২০০৯ ও

।২০১০ সালের লোকসংখ্যা, আয়তন, প্রতিবর্গমাইলে বসবাসের সংখ্যা, শিক্ষার হার, মাথাপিছু আয় ইত্যাদি সম্পর্কিত তথ্য।

।প্রদান করা হলো: দি ওয়াল্র্ড এলমেনাক এন্ড বুক অব ফেক্টস এর হিসেব অনুসারেঃ ২০১৪ সালের ১১ জুলাইর কথা-বিশ্ব জনসংখ্যা।

দিবসের প্রতিবেদন-বিশ্বের ৫৪ শতাংশ লোকের বাস শহরেআর ১৯৫০ সালে শহরে বাসের হার ছিল ৩০ শতাংশ২০৫০ সালে
শহরে বাস করবে-৬৬ শতাংশ মানুষঢাকা বিশ্বের ১১তম জনবহুল শহরতালিকায় প্রথম হিসেবে উঠে এসেছে জাপানের রাজধানী
টোকিও-টোকিওতে ৩ কোটি ৮০ লাখ মানুষ বসবাস করে১৯৯০ সালে শহরটিতে ছিল-৩ কোটি ২৫ লাখ ৩০ হাজার মানুষ
নয়াদিল্লিতে বাস করে ২ কোটি ৫০ লাখ মানুষ আর ১৯৯০ সালে ছিল-৯৭ লাখ ২৬ হাজারসাংহাইয়ের লোকসংখ্যা ২ কোটি
৩০ লাখ৪র্থ-মেক্সিকো সিটি, ৫ম-সাও পাওলো ও ৬ষ্ঠ-মুম্বাইএ তিনটি শহরের লোকসংখ্যা প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ
প্রতিবেদন অনুযায়ী ঢাকায় প্রায় ১ কোটি ৬৯ লাখ ৮২ হাজার লোকের বসবাস১৯৯০ সালে ছিল ৬৬ লক্ষ ২১ হাজার মানুষ

।সবচেয়ে বেশি নগরায়ণ হয়েছে উত্তর আমেরিকায় (৮২ শতাংশ শহরে থাকে) এরপর রয়েছে লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ।

(৮০ শতাংশ)সেই তুলনায় এশিয়া ও আফ্রিকায় (যথাক্রমে ৪৮ ও ৪০ শতাংশ)প্রত্যন্ত এলাকা রয়ে গেছেতবে ২০৫০ সালের
মধ্যে এশিয়া বেশির ভাগ মেগাসিটি গড়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে২০১৫ সালের ১৫ জানুয়ারি, প্রথম আলোতে :
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন : নতুন বছরে বিশ্ব অর্থনীতির গতিময়তা বাড়বে২০১৫ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি হার দাঁড়াবে ৩
দশমিক ৩ শতাংশ, যা বিদায়ী ২০১৪ সালে ছিল ২ দশমিক ৬ শতাংশগতিময়তা অব্যাহত থাকলে প্রবৃদ্ধির হার আগামী বছর মানে
২০১৫ সালে হতে পারে ৩ দশমিক ৬ শতাংশআর বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ২
শতাংশ, যা গত অর্থবছর ছিল ৬ দশমিক ১ শতাংশের কম

।২০১৫ সালের ১১ জুলাই, প্রথম আলো : এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১০০টি শহরকে যদি একটি দেশ বিবেচনা করা।

হয়, তাহলে এটিই এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতিবিশ্ব অর্থনীতিতে এশিয়ার প্রভাব যে দিন দিন বাড়ছে, তারই প্রমাণ এ