২০০৯ সালের ২৪ জুন, প্রথম আলো: ভারতে মনোজের মতো মাওবাদী আছে প্রায় ৫০ হাজার। এরমধ্যে সশস্ত্র গেরিলা আছে ২০ হাজার। ভারতের মোট বনাঞ্চলের এক-মঞ্চমাংশ তাদের দখলে। ৬০৪টি জেলার মধ্যে ১৬৫টিতে তারা সক্রিয়। টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইন।
২০০৯ সালের ২ জুলাই, প্রথম আলো: ভারতে প্রথম নির্মিত হলো সমুদ্র সেতু। এটিই এখন ভারতের দীর্ঘতম সেতু। আট লেনের এ তারের সেতুটি নির্মিত হয়েছে মুম্বাইয়ে। আরব সাগরের ওপর নির্মিত এই সেতুর নাম দেওয়া হয়েছে 'বান্দ্রা-ওরলি সি লিংক রাজীব সেতু'। সড়কপথে বান্দ্রা থেকে ওরলি যেতে সময় লাগে দেড় ঘন্টা। এই সেতু নির্মােণর ফলে এখন সময় লাগবে মাত্র ছয় থেকে আট মিনিট। সেতুটির দৈর্ঘয ৫ দশমিক ৬ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৮০০ মিটার ঝুলন্ত। এটির নির্মাণ শুরু হয় ১৯৯০ সালে। এটি নির্মাণ করতে খরচ হয়েছে এক হাজার ৬৩৪ কোটি রুপি। এ সেতুটি কংগ্রেসের সভানেত্রী ও ইউপিএর চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী উদ্বোধন করেন।
২০০৯ সালের ৩ জুলাই, প্রথম আলো: দিল্লি হাইকোর্টের রায়-সমকামিতা কোনো 'অপরাধ' নয়। ১৪৮ বছর ধরে চলে আসা এ সংক্রান্ত আইনটি উল্টে গেল। আগের আইনে এমন যৌনতাকে 'প্রকৃতিবিরুদ্ধ অপরাধ' বলে গণ্য করা হতো। এ অপরাধে ১০ বছরের কারাদন্ডের বিধান ছিল। খবর বিবিসি ও এএফপির।
২০০৯ সালের ৩ জুলাই, প্রথম আলো: ভারতে নতুন আরও ১০ রাজ্য গড়ার দাবি। কলকাতা প্রতিনিধি-১২০ কোটি মানুষের দেশ ভারতে এখন ২৮টি রাজ্য ও সাতটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আছে। ২০১৪ সালে আরেকটি নতুন রাজ্য হয়েছে। রাজ্যের সংখ্যা-২৮+১=২৯টি(০৬-০৩-২০১৪ তারিখ পর্যন্ত)। ব্রিটিশ ভারতে অবশ্য রাজ্য ছিল ১৫টি। ভারতে বর্তমান রাজ্যগুলো হলো-অন্ধ প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখন্ড, ওড়িশার নাম হলো ওডিশা, কর্নাটক, কেরালা, গুজরাট, গোয়া, ছত্তিশগড়, জম্মু ও কাশ্মীর, ঝাড়খন্ড, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব, বিহার, মধ্য প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, সিকিম, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, আসাম, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম, মেঘালয় ও (অন্ধ প্রদেশ ভেঙ্গে তেলেঙ্গানা রাজ্য করা হয়) তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাজধানী হায়দরাবাদ। তেলেঙ্গানা রাজ্যের আয়তন-৪৪ হাজার ৩৪০ বর্গমাইল-জনসংখ্যা-তিন কোটি ৫২ লাখ ৮৬ হাজার ৭৫৭ জন(২০১১ সালের আদমশুমারী)। আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল রয়েছে সাতটি। এগুলো হলো-আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, দমন ও দিউ, চন্ডীগড়, দাদরা ও নগর হ্যাভেলি, পুদুচ্চেরি, লাক্ষাদ্বীপ ও দিল্লি। নতুন রাজ্য গঠনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ ভেঙে আরও দুটি রাজ্য গঠনের দাবি রয়েছে-একটি দার্জিিলং জেলা ভেঙে গোর্খাল্যান্ড এবং কোচবিহার ও আসামের কিছু অংশ নিয়ে বৃহত্তম কোচবিহার রাজ্য। অন্য নতুন রাজ্যের মধ্যে রয়েছে বিহার ভেঙে মিথিলা বা মিথিলাচল, গুজরাট ভেঙে সৌরাষ্ট্র, কর্নাটকে কুর্গ, উত্তর প্রদেশ ও মধ্য প্রদেশ ভেঙে বুন্দেলখন্ড, উত্তর প্রদেশ, বিহার ও ছত্তিশগড়ের কিছু এলাকা নিয়ে জোজপুরম মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ, উত্তর প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চল নিয়ে হরিৎ প্রদেশ বা কিষান প্রদেশ ইত্যাদি। ১০টি রাজ্য গঠনের আবেদন পড়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। কিন্তু বিভিন্ন রাজ্য সরকার এসব রাজ্য গঠনের ব্যাপারে কোনো সবুজ সংকেত না দেওয়ায় এ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার কোনো উদ্যোগ নেয়নি। তবে এসব রাজ্য গঠনের আন্দোলন দেশব্যাপী এখনো চলছে। ২৬ আগষ্ট, প্রথম আলো: এবার ভারতের আরেক বাঙালি অধ্যুষিত ছোট্ট রাজ্য ত্রিপুরা ভেঙে নতুন রাজ্যের দাবি উপজাতিদের। অন্ধ প্রদেশ ভেঙ্গে নতুন রাজ্য তেলেঙ্গানাকে রাজ্য ঘোষণা করেছে, তেলেঙ্গানাকে আলাদা রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। তেলেঙ্গানার রাজধানী হায়দরাবাদ হবে। ২০-০২-২০১০ তারিখ পর্যন্ত কলকাতা শহরে ৭০৩টি উদ্যান রয়েছে (ওস্তাদ বেলায়েত খান উদ্যান)।
২০০৯ সালের ৬ জুলাই, প্রথম আলো: ইন্ডিয়ান আইডল-ভারতের কেরালা রাজ্যের ২ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতার অজয় কুমার ১৩ বছরে ৫০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
২০০৯ সালের ৭ জুলাই, প্রথম আলো: ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেটে প্রণবের চমক-রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্প বেসরকারীকরণ ও এক কোটি ২০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের প্রস্তাব। ২০০৯-২০১০ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা কেন্দ্রীয় সরকারের-১০,২০,৮৩৮(দশ লক্ষ বিশ হাজার আটশত আটত্রিশ) কোটি রুপি বা ২১,২৫৭(একুশ হাজার দুইশত সাতান্ন) কোটি ডলার এর বাজেট। এরমধ্যে সরকারের রাজস্ব আয় ৬,৪১,০০০ হাজার কোটি রুপি থেকে ৬,৮৭,০০০ হাজার কোটি রুপি। আর বাকিটা সরকার দেশ ও বিদেশ থেকে ঋণ করে সংস্থান করবে। প্রতিরক্ষা বরাদ্দ গত বছর ছিল (২০০৮ সালে ১,১৪,৬০০ কোটি রুপি) থেকে এবার ৩৪ ভাগ বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭০৩ কোটি রুপি হয়েছে বা ২,৮৩৫ কোটি ডলার সামরিক বাজেট। ভারতের সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামো আন্তর্জািতক মানে উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে ২০.৫ শতাংশ। ২০০৮ সালে যোগাযোগ খাতে বরাদ্দ ছিল ৭৮,৩০০ কোটি রুপি থেকে বাড়িয়ে ২০০৯ সালে করা হয়েছে ৯৪,৩০০ কোটি রুপি। প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ করেছেন ভারতের জাতীয় আয়ের ৭০,৮৫,১৫০(সত্তর লক্ষ পঁচাশি হাজার একশত পঁঞ্চাশ কোটি) টাকার দুই শতাংশ। পাকিস্তানে জাতীয় উৎপাদনের ৫ শতাংশ এবং চীন ৭ শতাংশ সামরিক ব্যয় করে। চীনের জাতীয় উৎপাদন ৩,২০,০০০(তিন লাখ বিশ হাজার) কোটি ডলার। এছাড়া ভারতের রাজ্য সরকারের বাজেট আছে। ১৯৮৪ সালে প্রণব মুখোপাধ্যায় অর্থমন্ত্রী হিসেবে বাজেট ঘোষণা করেছিলেন। ভারতের ১২ লাখ সেনার পেনশন বাড়ানোর জন্য দুই হাজার ১০০ কোটি রুপি।
২০০৯ সালের ৭ জুলাই, প্রথম আলো: চাকরি পেলেন মুঘল সম্রাটের বংশধর। অথচ ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহ দমন করে ইংরেজরা শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে পাঠান। সেখানেই তিনি মারা যান। তাঁরই বংশধর মোহাম্মদ বেদার বখতের স্ত্রী সুলতানা ও মেয়ে মধু। কলকাতার হাওড়ার বস্তিঘরে মা সুলতানার সঙ্গে মেয়ে মধু। বস্তিতে ছোট্ট একটি চায়ের দোকান চালিয়ে সংসার চালান।
২০০৯ সালের ১৪ জুলাই, প্রথম আলো: বিশ্বের সেরা পর্যটন নগর উদয়পুর। ভারতের রাজস্থান রাজ্যের নয়নাভিরাম শহর উদয়পুর এবার সেরা পর্যটন নগর হিসেবে মনোনীত হলো।
২০০৯ সালের ২৭ জুলাই, প্রথম আলো: ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হলো পারমাণবিক ডুবোজাহাজ। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের কাছেই কেবল এই ধরনের ডুবোজাহাজ রয়েছে।
২০০৯ সালের ১ আগষ্ট, প্রথম আলোর রিপোর্ট: ভারতের ২০(বিশ) কোটিরও বেশি লোক অনাহার ও অপুষ্টির শিকার। বেসরকারি সংস্থা নাওদানিয়া ট্রাষ্ট এ তথ্য প্রকাশ করেছে। সংস্থার কর্মকর্তা বন্দনা বলেন, এ দেশে অনাহারে থাকা মানুষের সংখ্যা আফ্রিকাকেও ছাড়িয়ে গেছে। অপুষ্টির কারণে পাঁচ কোটি ৭০ লাখ শিশুর ওজন প্রয়োজনের তুলনায় কম। আর ১৯৯১ সালে যেখানে মাথাপিছু বার্ষিক খাদ্যগ্রহণের পরিমাণ ছিল ১৮৬ কেজি, ২০০১ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৫২ কেজিতে। বিবিসি।
২০০৯ সালের ৪ আগষ্ট, প্রথম আলো: এশিয়ার সব্র্বোচ্চ টাওয়ার। এশিয়ার সবচেয়ে উঁচু টাওয়ার এবার নির্মিত হচ্ছে ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইতে। মহারাষ্ট্র রাজ্যের ৫০ বছরে পা দেওয়া উপলক্ষে এবার রাজ্য সরকার মুম্বাইয়ে এ বিশাল টাওয়ার নির্মােণর উদ্যোগ নিয়েছে। ১৯৬০ সালে মহারাষ্ট্র রাজ্য হিসেবে ঘোষিত হয়। টাওয়ারটি নির্মিত হবে সেন্ট্রাল মুম্বাইয়ে ওয়াড়ালায়। এটি নির্মিত হবে ১৪ হেক্টর জমির ওপর। উচ্চতা হবে ৫৩১ মিটার। এ টাওয়ারে থাকবে বাণিজ্যিক কমপেস্নক্স ছাড়াও শিক্ষা একাডেমিসহ চিত্তবিনোদনের নানা ব্যবস্থা। কলকাতা প্রতিনিধি।
২০০৯ সালের ২৫ আগষ্ট, আমাদের সময় পত্রিকার রিপোর্ট: ভারতের ৩৮ শতাংশ মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে বাস করে। আর ২০০৭ সালের আরেকটি প্রতিবেদনে জানানো হয় দেশের মোট জনসংখ্যার ৭৭ শতাংশ মানুষ দারিদ্র। তবে ভারত সরকার এ দুটি প্রতিবেদন গ্রহণ করেনি।
২০০৯ সালের ২৯ আগষ্ট, প্রথম আলো: ভারতে প্রায় দুই লাখ ৫২ হাজার পঞ্চায়েতে প্রায় ৩০ লাখ আসন রয়েছে। এরমধ্যে প্রায় নারীদের জন্য প্রায় ১৪ লাখ পঞ্চায়েত আসন সংরক্ষণ করা হবে।
২০০৯ সালের ৫ অক্টোবর, আমাদের সময়: ভারতে প্রতিবছর ২০ লাখ শিশুর মৃত্যু হয়।
২০০৯ সালের ৭ অক্টোবর, প্রথম আলো: নতুন জাতের ধান, চাল ভেজালেই ভাত। ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের কটকের কেন্দ্রীয় চাল গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলেছেন, এমন ধরনের এক চাল তাঁরা উদ্ভাবন করেছেন, যে চাল পানিতে ভেজালেই পাওয়া যাবে ভাত। এ চাল সিদ্ধ করার দরকার হবে না। এ চাল ঠান্ডা পানিতে ৪৫ মিনিট এবং গরম পানিতে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখলেই তৈরি হয়ে যাবে ভাত।
২০০৯ সালের ৮ অক্টোবর, প্রথম আলো: বাল্যবিবাহে এগিয়ে ভারত: ইউনিসেফ।
২০০৯ সালের ৩০ অক্টোবর, প্রথম আলো: ১৫ লাখ ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটেনে বসবাস করে। আর প্রায় ৩০ হাজার ভারতীয় শিক্ষার্থী ব্রিটেনে পড়াশোনা করছে।
২০০৯ সালের ১০ নভেম্বর, প্রথম আলো: ভারতে লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ১০ শতাংশ শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্ত। রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প খাতের সর্বেশষ হিসাব থেকে জানা গেছে, এখন গোটা দেশে লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে ১৫৯টি। এরমধ্যে ৪৮টি সংস্থা শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত। এ সব প্রতিষ্ঠানের ১০ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করা হবে। এদিকে সরকারের এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন বামপন্থীরা। ইতিমধ্যেই করপোরেট সংস্থাগুলোকে ৪ লাখ ১৮ হাজার কোটি রুপি কর ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর ওপর বেসরকারীকরণের এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে দেশে তৈরি হবে নতুন এক সুবিধাভোগী শ্রেণী। সিপিআইয়ের জাতীয় সম্পাদক ডি রাজা বলেন, 'এ সিদ্ধান্ত দেশের অর্থনীতির পক্ষে ক্ষতিকর হবে।'
২০০৯ সালের ২৪ নভেম্বর, প্রথম আলো: লিবারহান কমিশনের প্রতিবেদন-১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর, ১৬ শতকে নির্মিত ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে উগ্রপন্থী হিন্দুরা। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের জন্য বাজপেয়ি, আদভানি ও মুরলি মনোহর যোশি অভিযুক্ত বিচারপতি লিবারহান কমিশনের রিপোর্ট। তথ্য ফাঁসের জন্য কংগ্রেস দায়ী-বিজেপি।
২০০৯ সালের ১৮ নভেম্বর, প্রথম আলো: লন্ডনের লাইব্রেরিতে ঝাঁসির রানি লক্ষ্ণীবাঈয়ের লেখা চিঠি পাওয়া গেছে। ১৮৫৭ সালে ভারতের প্রথম স্বাধীনতাযুদ্ধের অল্প সময় আগে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির (ইআইসি) গভর্নর জেনারেল লর্ড ডালহৌসিকে এ চিঠি লিখেছিলেন ঝাঁসির রানি। ঝাঁনির রানিকে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের 'জোয়ান অব আর্ক' হিসেবেও অভিহিত করা হয়ে থাকে। কিন্তু বিষয়টি মেনে নেননি লর্ড ডালহৌসি। ঝাঁসিকে কোম্পানির শাসনাধীন এলাকার অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন। এলাকাটি এখন ভারতের উত্তর প্রদেশে পড়েছে। বিবিসি।
২০০৯ সালের ১১ ডিসেম্বর, গণিকাবৃত্তিকে বৈধতা দেওয়ার পরামর্শ ভারতীয় আদালতের। ভারতে গণিকাবৃত্তি বেআইনি। ভারতের জাতীয় এইডস নিয়ন্ত্রণ সংস্থার হিসাবে, সে দেশে প্রায় ১২ লাখ যৌনকর্মী রয়েছে।
২০০৯ সালের ১২ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ভারতে প্রতি তিনজনের একজন দারির্দযসীমার নিচে বাস করে!
২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ভেঙ্গে ফেলা বস্তির ঝুপড়িঘরের সামনে দাঁড়িয়ে ভারতের বিজয়ী শিশু অভিনেত্রী রুবিনা আলী। মুম্বাইয়ের গরিবনগর এলাকায় রুবিনার ঘরসহ বস্তির ২৫টি ঝুপড়িঘর ভেঙে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মুম্বাইয়ের কেন্দ্রস্থলে রেললাইনের ধারের এ ঝুপড়িঘরটিই ছিল রুবিনাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই। রুবিনা (৯) 'স্স্নামডগ মিলিয়নিয়ার' চলচ্চিত্রের একটি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করে অস্কার লাভ করে। এএফপি।
২০০৯ সালের ৭ জানুয়ারি, টাটা সাম্রাজ্যের কর্ণধার ২০১২ সালে অবসর নিচ্ছেন রতন টাটা। দেশজুড়ে টাটা গ্রুপে বর্তমানে কর্মরত আছেন তিন লাখ ৫৭ হাজার কর্মী। রতন টাটার বয়স এখন ৭২ বছর।
২০১০ সালের ১৫ জানুয়ারি, প্রথম আলো: জিন্নাহকে কুচক্রী হিসেবে দেখা ঠিক নয়: বিজেপির সাবেক নেতা যশবন্ত সিং।
২০১০ সালের ২৫ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু চালু করেছিলেন এই স্স্নোগান-'ভারতীয়-চীনা ভাই ভাই'। তবে চীন তাঁকে অভিহিত করেছিল 'অভদ্র' আর ভারতকে বিদেশি সাহায্যের 'তলাবিহীন পাত্র' হিসেবে।
২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ভারতে (১৯৯৭-২০০৮ সাল পর্যন্ত) গত ১১ বছরে প্রায় দুই লাখ কৃষক আত্মহত্যা করেছেন।
২০১০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, আমাদের সময়: হারিয়ে গেল 'বো' ভারতের আন্দামান প্রদেশের আদিবাসীদের শেষ বংশধর মারা গেল। বোয়া এস.আর ৮৫ বছর বয়সে মারা যান। এ ভাষার বয়স প্রায় ৭০ হাজার বছর।
২০১০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: ভারতের শিল্প খাতে গত এক দশকের সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি-১৬ দশমিক ৮ শতাংশ।
২০১০সালের ২৬মার্চ,প্রথম আলোঃভারতের সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য 'লিভ টুগেদার' অবৈধ নয়।
২০১০ সালের ২ এপ্রিল, প্রথম আলো: ভারতে 'বায়োমেট্রিক' আদমশুমারি শুরু। ১৮৭২ সাল থেকে ২০১০ সালে ১৫তম আদমশুমারি শুরু করেছে। ২০০১ সালের আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী ভারতের লোকসংখ্যা ছিল-১০২ কোটি ৮৭ লাখ ৩৭ হাজার ৪৩৬ জন। সরকারি হিসাবে ২০০৯ সাল পর্যন্ত এ সংখ্যা আরও ১৩ কোটি বেড়েছে। মোট ১১৫ কোটি ৮৭ লাখ ৩৭ হাজার ৪৩৬ জন। এ শুমারির জন্য ২৫ লাখ কর্মীেক নিয়োজিত করা হয়েছে। আগামী ১১ মাস ধরে দেশের সাত হাজারের বেশি শহর ও ছয় লাখ গ্রাম ঘুরে বিভিন্ন সংস্কৃতি, ভাষা ও ধর্মের নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করবে। ২০১১ সালের ২৮ ফ্রেবুয়ারি পর্যন্ত।
২০১০ সালের ১৯ এপ্রিল, প্রথম আলো: পশ্চিমবংঙ্গে এখন মুসলিমদের ''ওয়াকফ সম্পত্তি'' রয়েছে ২৫ হাজার ৬৭৫টি। রাজ্য সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য।
২০১০ সালের ২০ এপ্রিল, প্রথম আলো: ভারতের রাজস্থানে ছেলেমেয়েরা ভরনপোষণ না দেওয়ায় ১০৫ বছর বয়সী এক অসহায় বাবা পেটের দায়ে সরকারের কাছে চাকরি চেয়ে আবেদন করেছেন।
২০১০ সালের ২১ এপ্রিল, আমাদের সময়: ভারতে দারিদ্রসীমার নীচে বাস করে ৪১ কোটি মানুষ। পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশ মানুষ ভারতে বাস করেন। ২০০৪ সালে ২৭.৫% ভাগ আর ২০১০ সালে এসে ৩৭.২% ভাগ লোক ভারতে দারিদ্রসীমার নীচে বাস করে। দৈনিক ১.২৫ ডলারের নীচে যাদের আয় তারাই দারিদ্রসীমার নীচে বাস করে।
২০১০ সালের ২১ এপ্রিল, প্রথম আলো: ভারতে মোবাইল ফোনের গ্রাহক ৫৮ কোটি ৪৩ লাখ ২০ হাজার। এখন ভারতে মোবাইল ও ল্যান্ড ফোন মিলিয়ে গ্রাহকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২ কোটি ১২ লাখ ৮০ হাজার।
২০১০ সালের ৬ মে, প্রথম আলো: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময় আসামিকে ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের পদ্ধতিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। এ পদ্ধতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।
২০১০ সালের ১৩ মে, প্রথম আলো: ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ৩৮তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র বিচারপতি সরোস হোমি কাপাডিয়া। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির চাকুরীর বয়স ৬৪ বছর পর্যন্ত।
২০১০ সালের ১৩ মে, প্রথম আলো: দেওবন্দ মাদ্রাসার ফতোয়া। মুসলিম নারীদের বাইরে কাজ করতে যাওয়া 'হারাম'।
২০১০ সালের ২৩ মে, প্রথম আলো: ভারতে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ১৬৬ জন। ভারতের কনণাটক রাজ্যে গতকাল শনিবার সকালে রানওয়ে থেকে ছিটকে খাদে পড়ে বেঁচে গেলেন আটজন। আটজনের মধ্যে বাংলাদেশী মেয়ে সাবরিনা একজন। ১৯৯৬ সালের পর এটাই ভারতের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা।