জীবনপঞ্জি ১৯৪৮–২০২৩

১৯৪৮
১ নভেম্বর ১৯৪৮

জন্ম

বৃহস্পতিবার, নানারবাড়ি — ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার আহমদপুর চৌধুরীবাড়িতে জন্ম। শৈশব কাটে দাদারবাড়ি — বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভেলানগর বড়বাড়িতে।

১৯৬৪

রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়

প্রিয় বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি. পাস; পরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে ভর্তি হলেও পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

১৯৬৬

ঢাকায় আগমন

জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় আসেন।

১৯৬৮
১ এপ্রিল ১৯৬৮

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান

মুদ্রাক্ষরিক (টাইপিস্ট) পদে কর্মজীবন শুরু — যে প্রতিষ্ঠানে কাটবে ৪৭ বছর।

১৯৬৯

গণ-আন্দোলন

ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের প্রায় প্রতিটি মিটিং-মিছিলে অংশগ্রহণ; ভাসানী ন্যাপের রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হন।

১৯৭১
৭ মার্চ ১৯৭১

মুক্তিযুদ্ধ

টাইফয়েড জ্বর নিয়েই রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনেন। ২৫ মার্চের কালরাতে পিলখানার পাশের মেসে; ২৭ মার্চ কারফিউ বিরতিতে নীলক্ষেত-জহুরুল হক হলের গণহত্যার চিহ্ন পেরিয়ে পায়ে হেঁটে দেশের বাড়ি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করেন।

১৯৭২

মুদ্রাক্ষরিক সমিতি প্রতিষ্ঠা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুদ্রাক্ষরিকদের পদোন্নতির নিয়ম ছিল না — সহকর্মী আবুল কাশেম খানকে নিয়ে সমিতি গড়ে সভাপতি হন; ১৯৭৩ সালে প্রথম পদোন্নতির বিধান আদায়।

১৯৮৪
৬ মে ১৯৮৪

প্রধান সহকারী

দীর্ঘ আন্দোলনের পর পদোন্নতি; নন-গ্র্যাজুয়েট কর্মচারীদের অধিকারের লড়াই চলতেই থাকে।

১৯৯৬
২৪ এপ্রিল ১৯৯৬

সেকশন অফিসার

২০০২

প্রথম প্রকাশিত লেখা

রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী সমিতির বার্ষিক স্মরণিকায় দুটি লেখা ছাপা হয়।

২০০৩

প্রথম বই ও জিয়ান বড়বাড়ি প্রকাশনী

ছেলে আবির হোসেন জিয়ানের নামে নিজের প্রকাশনী গড়ে প্রথম বই ‘ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি ও দেশ-বিদেশের তথ্য’ প্রকাশ।

২০০৬
১ জানুয়ারি ২০০৬

আর্থ-সামাজিক গবেষণা কেন্দ্র

‘জাকির হুসেন (আলমগীর) আর্থ-সামাজিক গবেষণা কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠা; ৩১ ডিসেম্বর মাতৃকুলের বংশ-ইতিহাস ‘আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি’ প্রকাশ।

২০০৯
১৪ জুন ২০০৯

সহকারী রেজিস্ট্রার

২০১০
৩০ এপ্রিল ২০১০

বংশ পরিচিতির ২য় সংস্করণ

২০১৪
৩০ ডিসেম্বর ২০১৪

খেয়া পত্রিকার সংকলন প্রকাশ

প্রিয় শিক্ষক মৌলভী মুকসেদ আলী পন্ডিতের স্মরণে উৎসর্গীকৃত।

২০১৫
৩০ জুন ২০১৫

অবসর — ডেপুটি রেজিস্ট্রার

৪৭ বছরের কর্মজীবন শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার হিসেবে অবসর; ৩১ ডিসেম্বর ৯৪৪ পৃষ্ঠার ‘বিশ্ব ও দেশ-বিদেশের তথ্য’ প্রকাশ। এ বছরই স্কুলের শতবর্ষ স্মরণিকায় লেখা।

২০১৭

শেষ হালনাগাদ

ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি ১৭৮০–২০১৭ পর্যন্ত হালনাগাদ; আত্মজীবনী ও ‘আমার দেখা ঢাকা’ বইয়ের কাজ চলছিল।

২০২৩
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

প্রয়াণ

রেখে গেলেন পনেরোটি বই, দুটি বংশের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস, আর একটি স্বপ্ন — শ্রমজীবী মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার নিশ্চয়তা।