‹ আমার দেখা ঢাকা অংশ ৩৯ / ৫২
মাদ্রাসা
এ উপজেলার ৪র্থ মাদ্রাসা কোনটি১৯৯৫ সালে দরিকান্দি মাদ্রাসা
এ থানার ৫ম উচ্চ মাদ্রাসা কোনটি১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত রূপসদী খোদাইবাড়ী দাখিল মাদ্রাসা
প্রতিষ্ঠাতা হলেন-মেসার্স হেলাল এন্ড ব্রাদার্স
৬ষ্ঠ উচ্চ মাদ্রাসা কোনটিছয়ফুল্লাকান্দি শাহরাহাত আলী দাখিল মাদ্রাসা
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ২০১১২৫,৭৫০(পঁচিশ হাজার সাতশত পঞ্চাশ) জনবর্তমানে এন্ট্রান্স পাশ করা
খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে এন্ট্রান্স,লোক একজনও আমাদের উপজেলায় বেঁচে নেই১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত
ম্যাট্রিকুলেশন ও এস.এস.সি. পাশেরএন্ট্রান্স পরীক্ষা ছিল, ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা শুরু
সংখ্যা কতএবং শেষ হয় ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে তারপর ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে এস.এসসি.
পরীক্ষা শুরু হয়...
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে এইচ.এস.সি. ও১৩,৬৮৯(তের হাজার ছয়শত উনানব্বই) জন
সমমান পাশের সংখ্যা
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে বি.এ.,৫,৯৩৫(পাঁচ হাজার নয়শত পঁয়ত্রিশ) জন
বি.এস-সি., বি.কম. ও সমমান-এর
সংখ্যা কত
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে এম.এ.,৩,৩৬৭(তিন হাজার তিনশত সাষট্রি) জন
এম.এস-সি., এম.কম. ও সমমান-এর
সংখ্যা কত
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে (জীবিত ওবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে প্রায়
মৃতসহ) অফিসারের সংখ্যা কত২,০০০(দুই হাজার) ১ম এবং দ্বিতীয় শ্রেণীর অফিসার আছেজীবিত
এবং মৃতসহ একমাত্র ভেলানগর গ্রামে অফিসারের সংখ্যা হলো-১২৯ জন
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রাম, শহর এবং
কতজন লোক দোকানধারী ব্যবসারবিদেশসহ প্রায় ১০,৯৫০(দশ হাজার নয়শত পঞ্চাশ) জন লোক
সাথে জড়িতদোকানধারী ব্যবসার সাথে জড়িত
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রাম, শহর এবং
কতজন লোক ব্যবসা করেবিদেশসহ প্রায় ৬,০১১(ছয় হাজার এগার) জন ব্যবসার সাথে জড়িত
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রাম, শহর এবং
কতজন লোক চাকরি করেবিদেশসহ প্রায় ৪৫(পঁয়তাল্লিশ) হাজার লোক চাকরির সাথে জড়িত
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের প্রায় ৩৫ ভাগ
কৃষির সাথে জড়িতলোক কৃষির সাথে জড়িত
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের প্রায় ৫০ ভাগ
লোক কৃষির উপর নির্ভরশীললোক কৃষির উপর নির্ভরশীল
জমির ফসল খায়৪০ ভাগ লোক সারা বছর
নিজ জমির ফসল খায়২০ ভাগ লোক তিন থেকে ছয় মাস
জমির ফসল খায় না৬০ ভাগ লোক
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের প্রায় ৭৫ ভাগ
লোক ভূমিহীনলোক ভূমিহীন
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বসবাস করে তাঁদের মাথাপিছু আয় হবে-৩৫০
মাথাপিছু আয় কতডলারবাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় হলো-৬৯৯ ডলার
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কত টনবাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র লোকজনের প্রতিদিন খাদ্য লাগে-২০০
খাদ্য লাগেটনবছরে খাদ্য লাগে-৭৩,০০০ টনআমাদের খাদ্য ঘাটতি প্রায়-৩৩
হাজার টন
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর,বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামে যারা বসবাস
পর্যন্ত কত টন খাদ্য লাগেকরে তাদের জন্য প্রতিদিন খাদ্য লাগে প্রায়- ১৩৩.৫ টন
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর,বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৬৬.৬৬ ভাগ
পর্যন্ত কতভাগ জমি সেচের আওতায়জমি সেচের আওতায় আসে
আসে
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৬৬.৬৬ ভাগ
কতভাগ জমি ট্রাক্টর দ্বারা চাষ হয়জমি ট্রাক্টর দ্বারা চাষ করা হয়
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের কর্মক্ষম বেকার
কতভাগ লোক বেকার১৮ বছর বয়স পর্যন্ত হলো-৫০ ভাগ লোকমোট সংখ্যা
হলো-১,০০,০০০ জন
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৪০ ভাগ লোক
কতভাগ লোক বিদ্যুৎ সুবিধা পেয়েছেবিদ্যুৎ সুবিধা পায়
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ২৫ ভাগ লোক
কতভাগ লোক চাকরির উপর নির্ভরশীলচাকরির উপর নির্ভরশীল
২০১০ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ২০ ভাগ লোক
কতভাগ লোক ব্যবসার উপর নির্ভরশীলব্যবসার উপর নির্ভরশীল
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ১৫ ভাগ লোক
কতভাগ লোক বিদেশী টাকার উপরবিদেশী টাকার উপর নির্ভরশীল
নির্ভরশীল
বাঞ্ছারামপুর থানার কতজন লোক বিশবাঞ্ছারামপুর থানার প্রতিটি গ্রামে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেছে
শতকের পূর্বে শহরে লেখাপড়া করতেযে, বিশ শতকের পূর্বে এ থানার বাহিরে লেখাপড়া করতে যায় প্রায়
যায়২০১(দুইশত এক) জন ব্যক্তি
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর,বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৪০ ভাগ
পর্যন্ত কতভাগ মহিলা জন্ম-নিয়ন্ত্রণমহিলা জন্ম-নিয়ন্ত্রণ মেনে চলে
মেনে
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৩৫ ভাগ
কতভাগ লোকের স্বাস্থ্যসম্মত বাসস্থানলোকের স্বাস্থ্যসম্মত বাসস্থান আছে
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর,বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৪০ ভাগ
পর্যন্ত কতভাগ লোকের স্বাস্থ্যসম্মতলোকের স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট আছে
টয়লেট
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, কতভাগবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৭০ ভাগ লোক
লোক স্বাস্থ্যসম্মত পানি পান করেস্বাস্থ্যসম্মত পানি পান করে
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর,বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৬ ভাগ লোক
কতভাগ লোক রাতকানা রোগে ভোগেরাতকানা রোগে ভোগে
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর,বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ৫ ভাগ লোক
কতভাগ লোক নেশাগ্রস্থনেশাগ্রস্থ
২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর,বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামে ও শহরে যারা
কতভাগ লোক হেপাটাইটিস-বিবসবাস করে তাঁদেরসহ ১০ ভাগ লোক হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসে
ভাইরাসে আক্রান্তআক্রান্ত
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ লোকবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামে ও শহরে যারা
ক্যান্সার-এ আক্রান্তবসবাস করে তাদেরসহ ১ ভাগ লোক ক্যান্সার-এ আক্রান্ত
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ কিডনীবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামে ও শহরে যারা
রোগী বিনা চিকিৎসায় মারা যানবসবাস করে তাদেরসহ ৯৫ ভাগ কিডনী রোগী বিনা চিকিৎসায় মারা
যান
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ লোকবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামে ও শহরে যারা
থ্যালাসেমিয়া রোগের জিন বহন করছেবসবাস করে তাদেরসহ প্রায় ৭ ভাগ লোক থ্যালাসেমিয়া রোগের জিন
বহন করছে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টিবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে
ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে কয়টিপ্রায়-৯০টি নামের বংশ পরিচিতি পাওয়া যায়:-যেমন-বড়বাড়ি,
বংশ পাওয়া যায়ভূইয়া বাড়ী, দেওয়ান বাড়ী, খাঁ বাড়ী, শিকদার বাড়ী, কাজী
বাড়ী, খন্দকার বাড়ী, চৌধুরী বাড়ী, মিয়া বাড়ী, মীর বাড়ী,
হাঁজী বাড়ী, মাঝি বাড়ী, বেগ বাড়ী, মির্যা বাড়ী, গাঁজী বাড়ী,
তালুকদার বাড়ী, মোল্লা বাড়ী, উকিল বাড়ী, মোক্তার বাড়ী, মাষ্টার
বাড়ী, প্রফেসর বাড়ী, আমীন বাড়ী, সরকার বাড়ী, সৈয়দ বাড়ী,
ব্যাপারী বাড়ী, মুন্সেফ বাড়ী, কালেক্টর বাড়ী, জজ বাড়ী, ডিপটি
বাড়ী, কেরাণী বাড়ী, পেশকার বাড়ী, কাননগো বাড়ী, হাবিলদার
বাড়ী, মেম্বার বাড়ী, চেয়ারম্যান বাড়ী, প্রেসিযেন্ট বাড়ী,
এম.পি'র বাড়ী, মন্ত্রীর বাড়ী, সাব-রেজিস্ট্রার বাড়ী, ঘোষ বাড়ী,
সাহা বাড়ী, যোগী বাড়ী, নাথ বাড়ী, কৈবর্ত বাড়ী, দাস বাড়ী,
পাল বাড়ী, দত্ত বাড়ী, রায় বাড়ী, ঠাকুর বাড়ী, পোদ্দার বাড়ী, শীল
বাড়ী, গোসাই বাড়ী, তাঁতী বাড়ী, কামার বাড়ী, কুমার বাড়ী,
মিস্ত্রী বাড়ী, মুঁচি বাড়ী, ঋৃষি বাড়ী, বাঁজাইন্না বাড়ী,
নাগারইরর্সা বাড়ী, ওস্তা বাড়ী (হাযম বাড়ী), সাব-বাড়ী,
হাওলাদার বাড়ী, সৈনিক বাড়ী, সারেং বাড়ী, দারোগা বাড়ী,
নায়েব বাড়ী, পন্ডিত বাড়ী, বকস বাড়ী, ডাক্তার বাড়ী, কবিরাজ বাড়ী,
ইঞ্জিনিয়ার বাড়ী, খলিফা বাড়ী, মুন্সিবাড়ী, মৌলভী বাড়ী,
মোয়াজ্জিন বাড়ী, ইমাম বাড়ী, ফকির বাড়ী, পীর বাড়ী, দরবেশ
বাড়ী, ভূতের বাড়ী, জ্বীন বাড়ী, জমিদার বাড়ী, ওযা বাড়ী, আলগা
বাড়ী, খোদাই বাড়ী, ওস্তাকার বাড়ী, সৈয়ল বাড়ী, সর্দার বাড়ী,
চকিদার বাড়ী, দফাদার বাড়ী, কসাই বাড়ী ইত্যাদিএছাড়াও অসংখ্য
নাম না জানা বংশ বা বাড়ী আছে বাঞ্ছারামপুর
১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে
কতজন আছে প্রাইমারী স্কুলের৩০,০০০(ত্রিশ হাজার) জন প্রাইমারী স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া
ছাত্র-ছাত্রীকরে
১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে
কতজন মাদ্রাসা ও উচ্চ বিদ্যালয়ের১৫(পনের হাজার) জন মাদ্রাসা ও উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী
ছাত্র-ছাত্রীলেখাপড়া করে
১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতজন ছাত্র-ছাত্রী কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়শহরে যারা বসবাস করে তাদেরসহ কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমমান-এ
ও সমমান লেখাপড়া করেলেখাপড়া করে মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা হবে প্রায়-৪(চার) হাজার
জন
১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ ছাত্র-ছাত্রী প্রাইমারী,শহরে যারা বসবাস করে তাঁদেরসহ প্রাইমারী, মাদ্রাসা ও উচ্চ
মাদ্রাসা ও উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখাপড়াবিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতে পারে না শতকরা ৫৫ ভাগ লোকের
করার জন্য যেতে পারে নাছেলে-মেয়ে
১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ ছাত্র-ছাত্রী কলেজ,শহরে যারা বসবাস করে তাদেরসহ কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়-এ লেখাপড়া
বিশ্ববিদ্যালয়-এ যেতে পারে নাকরতে পারে না শতকরা ৮০ ভাগ লোকের ছেলে-মেয়ে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টিবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে গ্রামে
ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের এবং বিদেশএবং বিদেশ ও শহরসহ পরিবারের সংখ্যা হলো ৮০(আশি হাজার)টি
ও শহরসহ পরিবারের সংখ্যা কত
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টিবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে
ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যেপরিবারের সংখ্যা হলো ৫৬(ছাপ্পান্ন হাজার)
উপজেলার কয়টি পরিবার শহর ও২৪(চব্বিশ হাজার)টি পরিবার বাস করে
বিদেশে বাস করে
১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে
কয়টি কৃষক পরিবার২৭(সাতাশ হাজার) কৃষক পরিবার আছে
১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে
কয়টি নির্মাণ শ্রমিক পরিবার আছে২,০০০(দুই হাজার) নির্মাণ শ্রমিক পরিবার আছে
১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে
কয়টি রিকসা শ্রমিক পরিবার আছে২,০০০(দুই হাজার) রিকসা শ্রমিক পরিবার আছে
১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে
কয়টি মৎস্যজীবি পরিবার আছে১,০০০(এক হাজার) মৎস্যজীবি পরিবার আছে
১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রাম-শহর ও বিদেশসহ
কয়টি চাকরিজীবি পরিবার আছে৩০(ত্রিশ) হাজার চাকরিজীবি পরিবার আছে
১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রাম-শহর ও বিদেশসহ
কয়টি ব্যবসায়ী পরিবার আছে১০(দশ) হাজার ব্যবসায়ী পরিবার আছে
১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের ১৩,৫৬০(তের
কয়টি পরিবার বিদেশী টাকার উপরহাজার পাঁচশত ষাট)টি পরিবার বিদেশী টাকার উপর নির্ভরশীল
নির্ভরশীলআছে
২০০৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে শতকরা
কত লোক অপুষ্টিতে৮০ ভাগ লোক অপুষ্টিতে ভোগে
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে শতকরা
কতভাগ লোক দারিদ্রসীমার নীচে বাস৮০ ভাগ লোক দারিদ্রসীমার নীচে বাস করেসরকারী হিসেব
অনুসারে যারা গ্রামে বাস করে তাদের প্রতিজনের মাসিক
আয়-৬০০/-টাকা এবং যারা শহরে বাস করে তাদের মধ্যে প্রতিজনের
মাসিক আয়-৯০০/-টাকা খরচ করে তারাও দারিদ্রসীমার নীচে বাস
করে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় কতজন মানুষবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
অনাহারে রাত কাটায়যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ ৩০(ত্রিশ) হাজার মানুষ অনাহারে রাত
কাটায়
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক ডায়াবেটিক রোগেবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৪ ভাগ
আক্রান্তমানুষ ডায়াবেটিক রোগে আক্রান্ত
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক উচ্চ রক্তচাপের শিকারবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ১৫ ভাগ
মানুষ
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক নিম্ন রক্তচাপের শিকারবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ২৫ ভাগ
মানুষ
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক আয়োডিন সমস্যায়বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ০৫ ভাগ
ভূগছেমানুষ আয়োডিন সমস্যায় ভূগছে
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং
কতভাগ লোক মাদকাসক্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার যারা শহরে বাস করে তাদেরসহ শতকরা ৩ ভাগ
মানুষ
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, পর্যন্তবাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে এবং