আবার বিগত ১০০(একশত) বছরে উৎপাদন বেড়েছে ১৭ গুণ। আর গত ১০০(একশত) বছরে জনসংখ্যা বেড়েছে ৪ গুণেরও কম। গত ১৯০১ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্তকে বলা হয়েছে। তা'হলে পর্বত চুড়ান্ত উৎপাদন কোথায় যায়? হাতে গোনা কতিপয় মানব সন্তানের কাছেই কি? ওদের দ্বারাই চিরকাল সমস্ত উৎপাদন নিয়ন্ত্রিত হবে? এযাবৎকালের ইতিহাসই শ্রেণী সংগ্রামের ইতিহাস? আদিম সাম্যবাদী সমাজ ছাড়া। আদিম সাম্যবাদী সমাজে শোষণ ছিল না। দুনিয়ার সব মানুষের সমৃদ্ধি আর যৌথ আবেগ/প্রেম/স্নেহ/মায়া মমতার সামাজিক বিকাশ কি কোন দিনই হবেনা?
শ্রমজীবী মানুষ বুর্জোয়া সমাজব্যবস্থার পরিবর্তন করতে পারলেই হবে।
যে বিজ্ঞানের বদৌলতে এ অসহনীয় বৈষম্য তা কতটা বিজ্ঞানসম্মত আর কতটা আধিপত্যবাদ? এ আধিপত্যবাদ অধিকাংশ রাষ্ট্রকে করেছে গ্লোবাল নাচের পুতুল। তা'হলে কি রাষ্ট্র নামক এ কাঠামো ভাঙ্গার প্রয়োজন নেই? এ বিদ্যমান রাষ্ট্রটি, আর্থ-সামাজিক রাজনৈতিক পদ্ধতি আধুনিক বিজ্ঞান সম্মত বিকাশের নিশ্চয়তা দেয় কতটুকু?
আবার বলা হচ্ছে বিজ্ঞান হলো বিশেষ জ্ঞান। বিজ্ঞান কাকে বলে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে বিজ্ঞান বলে। আর এ বিশেষ জ্ঞানের অনুশীলন হল সামাজিক গঠনাবলী ও প্রাকৃতিক নিয়মাবলীতে সু-সংগঠিত যুক্তি আর পর্যেবক্ষণের স্বচ্ছ কর্ম দ্বারা। তা'হলে কি সব জ্ঞানই বিজ্ঞান নয়? আমরা কোনটি জ্ঞান আর কোনটি বিশেষ জ্ঞান হিসেবে গ্রহণ করব? সুতরাং স্পষ্ট বলা যায় বিজ্ঞান আর সমাজের সাধারণ মানুষের মাঝে অবস্থান করে না। পাশাপাশি সমাজ আর প্রকৃতি পর্যেবক্ষণলব্ধ যুক্তি চর্চার অধিকারও চলে যায় ঐ বিশেষ মানুষের নিয়ন্ত্রণে। অথচ মানুষের ইতিহাস পর্যােলাচনা করলে আমরা জানি-সংগ্রহশীল কিংবা শিকার ভিত্তিক সমাজের যৌথ প্রয়াসের মধ্যে দিয়ে তাদের জীবন-যাপন অগ্রসরতা পেয়েছিল। সম্পূর্ণ বৈষয়িক ও প্রাকৃতিক ব্যবস্থাবলীর উপর গড়ে উঠছে তাদের শ্রমক্ষেত্র ও চিন্তার পদ্ধতি। অরণ্যচারী গুহাবাসী মানুষ তার অর্জিত অভিজ্ঞতাকে ক্রমান্বয়ে সঞ্চারিত করেছে নিরন্তন গোষ্ঠীলব্ধ প্রতিরোধী শক্তির অনন্যতায়। তা'হলে মানব-সমাজ বিকাশের কোন পর্যােয় অর্জিত সেই গোষ্ঠীবদ্ধ সার্বজনিন জ্ঞান খন্ড খন্ড বিশেষ জ্ঞানে রূপ নিল? ইতিহাসের গতি পথে কখন তা মানুষের চিন্তা জগতে এসেছে? কিংবা মানুষ অর্থৈনতিকভাবে খন্ড খন্ড শ্রেণীতে ভাগ হয়ে যাওয়ার কারণেই কি বিশেষ জ্ঞান হিসেবে বিজ্ঞান বিশেষ শ্রেণীর ক্ষমতার কৌশল উপকরণে পরিণত হয়নি? আজকের পাশ্চাত্য দর্শন কিভাবে কখন আধিপত্যবাদী চরিত্রের হয়ে উঠল? আমাদের বাংলা অঞ্চলে কি কোন বিজ্ঞান দর্শন, জিজ্ঞাসা ছিল না? আমাদের বিজ্ঞান দর্শন আজ কোথায়? জিজ্ঞাসাগুলো কেন হারিয়ে গেল? আসলে আমাদের জিজ্ঞাসাগুলোই বা নিয়ন্ত্রণ করে কারা? আমাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থায় বিজ্ঞান ছিল না? বিজ্ঞান কি শুধু গবেষণাগারের ব্যাপার? এটা কি কেবল ধনীদের বিলাসের বস্তু বা অস্তিত্ব? শ্রমজীবী মানুষের কি কোন উপকারে আসে? মানবতার বিকাশে এ বিজ্ঞান কতটুকু সহায়ক?
আসুন এ প্রশ্ন উত্থাপন করি আমাদের শ্রমের মধ্যে, আমাদের চিন্তার মধ্যে। আমাদের যৌথ আর সামাজিক বিশ্লেষণে সমৃদ্ধ হউক আমার/আপনার বিজ্ঞান চিন্তা। বিকশিত হউক মানবিক সাম্যের এসব দ্বান্দ্বিক প্রশ্নোত্তরের রূপায়ন আমাদের মাঝে বিজ্ঞান চেতনা বাড়িয়ে তোলে। বস্তুর প্রতিনিয়ত বিকাশ হচ্ছে। সমাজের নিয়ম হলো উৎপাদন এবং পুনঃউৎপাদন। চিরন্তন বলে কিছুই নেই। সব কিছুই পরিবর্তনশীল। আমাদের দেশের সম্পদের অপচয়, সমাজের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দুর্নীিত, স্বজনপ্রীতি, অব্যবস্থা এবং অনৈতিক কাজ বন্ধ করতে হবে নতুবা ততদিন বাংলাদেশের বেকারত্ব ও দারিদ্র দূর হবে না। বেকারত্ব ও দারিদ্র দূর করতে হলে-সম্পদের অপচয় রোধ, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দুর্নীিত, স্বজনপ্রীতি, অব্যবস্থা ও অনৈতিক কাজ বন্ধ করতে হবে নতুবা বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রকৃত উন্নয়ন মানে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার গ্যারান্টি সবার জন্য করতে হবে। তখনই বাংলাদেশ হবে প্রকৃতপক্ষে ''সোনার বাংলা''। নতুবা সবই কথার কথা ও ফাঁকাবুলি ছাড়া আর কিছু নয়।
মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)।
।এক নজরে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কিছু তথ্য এখানে তুলে ধরা হলো: বাংলাদেশ, বিভাগ: চট্টগ্রাম, জেলা:।
।বি-বাড়িয়া, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সীমানা উত্তরে নরসিংদী জেলা, দক্ষিণে হোমনা উপজেলা, পূর্বে নবীনগর উপজেলা।
| ও পশ্চিমে আড়াই হাজার উপজেলা অবস্থিত | আমার নাম মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর), সহকারী রেজিস্ট্রার(শিক্ষা-৩), |
| ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, টেলিফোন-বাসা-৯৬৬৯৮৩৫, মোবাইলঃ ০১৭১৬৬৫৪৮৪৪, অফিস-৯৬৬১৯২০-৭৩/৪০২৭ | গ্রাম-ভেলানগর |
| (বড়বাড়ি), পোঃ-রূপসদী, উপজেলা-বাঞ্ছারামপুর, জেলা-বি-বাড়িয়া, বাংলাদেশ | সময়-১৩-০৭-২০০৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে |
।লেখা শুরু করেছি:।
| রাজধানী শহর থেকে দূরত্ব | ৫৫ কিলোমিটার, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার |
| জেলা সদর থেকে দূরত্ব | ৩৩ কিলোমিটার, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার |
| সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন | সলিমাবাদ ইউনিয়ন |
| সলিমাবাদ ইউনিয়নে গ্রাম কয়টি | ১৬টি |
| সবচেয়ে বড় গ্রাম কোনটি | রূপসদী গ্রাম |
| সবচেয়ে ছোট গ্রাম কোনটি | মঙ্গলহাটী গ্রাম |
| ১২৪টি গ্রামের মধ্যে একই নামের ২টি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১২৪টি গ্রামের মধ্যে ২টি করে একই নামের |
| করে কয়টি গ্রাম আছে | ১৪টি গ্রাম আছে-যেমনঃ-ইমামনগর-ইমামনগর, |
| বাহেরচর(বাড়াইলচর)-বাহেরচর, ডোমরাকান্দি-ডোমরাকান্দি, |
| উলুকান্দি-উলুকান্দি, কানাইনগর-কানাইনগর, কৃঞ্চনগর-কৃঞ্চনগর, ও |
| ১২৪টি গ্রামের মধ্যে একই নামের ২টি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১২৪টি গ্রামের মধ্যে আরো ৮টি গ্রামের নাম |
| করে ৮টি গ্রামের মধ্যে ৪টির আগে | দেয়া হলো-যেমন-ভেলানগর-দরিভেলানগর, কদমতলি-নতুন কদমতলি, |
| কিছু যোগ করে নাম একই আছে | বাঞ্ছারামপুর-দরি বাঞ্ছারামপুর ও মরিচাকান্দি-চরমরিচাকান্দি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মোট আয়তন | ৮০ বর্গমাইল বা ১৮৬.৬৬ বর্গ কিলোমিটার | বি-বাড়িয়া জেলার |
| ১৫.০৫ ভাগের ১ ভাগ যায়গা বাঞ্ছারামপুর উপজেলা পেয়েছে, মানুষের |
| তুলনায় যায়গা পাওয়া উচিত ছিল-৮.৪৫ ভাগের ১ ভাগ | বাংলাদেশের |
| ৪৭.৫০ ভাগের ১ ভাগ যায়গা পেয়েছে বি-বাড়িয়া জেলা এবং |
| বাংলাদেশের ৭১৬ ভাগের ১ ভাগ যায়গা পেয়েছে বাঞ্ছারামপুর |
| উপজেলা, আর বাংলাদেশ পেয়েছে পৃথিবীর ৯৯৫ ভাগের ১ ভাগ |
| যায়গা, পৃথিবীর ৪২ ভাগের ১ ভাগ মানুষ বাংলাদেশের, |
| বাংলাদেশের ৫০ ভাগের ১ ভাগ মানুষ বি-বাড়িয়া জেলার, |
| বি-বাড়িয়া জেলার ৮.৪৫ ভাগের ১ ভাগ মানুষ বাঞ্ছারামপুর |
| উপজেলার, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ৬৩ ভাগের ১ ভাগ মানুষ ভেলানগর |
| গ্রামের এবং ভেলানগর গ্রামের ৬ ভাগের ১ ভাগ মানুষ ভেলানগর |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন স্থানেই | ১৭৪০ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামেই জনবসতি |
| ১৭৪০ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে জনবসতি গড়ে | গড়ে উঠেনি | ২৭০ বছরের মধ্যে আমাদের উপজেলায় জনবসতি গড়ে উঠে |
| উঠেনি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোন গ্রামেই ১১তম পুরুষের উপরে পরিবার |
| আঠার শতকে লোক ছিল | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার গ্রামগুলিতে ১,০০০ হাজার |
| আঠার শতকে কতজন মরে | ২০ থেকে ২৭ জনের মত লোক মারা যায় |
| উনিশ শতকে কতজন ছিল | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার গ্রামগুলিতে ৩০,৭৫০ |
| উনিশ শতকে মারা যান | প্রায় ৬,৫৭৫ জন |
| বিশ শতকে কতজন হয় | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার গ্রামগুলিতে ৫,৫০,৯৫০জন |
| বিশ শতকে মারা যান | ১,৩৭,২০০ জন |
| ২০০০ সালে কত লোক জীবীত ছিল | গ্রাম, শহর ও বিদেশসহ ৪,১৩,৭৫০ জন |
| জন্ম-মৃত্যুসহ ৩১-০৩-২০১০ সাল | প্রায়-৬,৩৫,১৫০ জন |
| পর্যন্ত বাঞ্ছারামপুর উপজেলার |
| ৩১-০৩-২০১০ সাল পর্যন্ত মারা যান | ১,৬৫,২০০ জন |
| শহর ও বিদেশসহ জীবিত লোকসংখ্যা | প্রায়-৪,৬৯,৯৫০(চার লক্ষ উনসত্তর হাজার নয়শত পঞ্চাশ) জন |
| পুরুষ কতজন | প্রায়-২,৩৬,৯৭৫(দুই লক্ষ একচল্লিশ হাজার নয়শত পঁচাত্তর) জন |
| মহিলা কতজন | প্রায়-২,৩২,৯৭৫(দুই লক্ষ সাইত্রিশ হাজার নয়শত পঁচাত্তর) জন |
| পুরুষ ও মহিলার অনুপাত | পুরুষ-৫০.৪২ ভাগ ও মহিলা-৪৯.৫৮ ভাগ |
| নারী-পুরুষের বৈষম্য কেমন | বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় নারী-পুরুষের বৈষম্য ব্যাপক |
| উপজেলার গ্রামগুলিতে কতজন বাস করে | প্রায়-৩,০০,৯৩০(তিন লক্ষ নয়শত ত্রিশ) জন |
| গ্রামে বাস করে কত ভাগ | প্রায় ৬৪ ভাগ লোক |
| কতজন লোক শহর ও বিদেশে বাস করে | প্রায় ১,৬৯,০২০(এক লক্ষ উনসত্তর হাজার বিশ) জন |
| কতভাগ লোক শহর ও বিদেশে বাস করে | প্রায় ৩৬ ভাগ লোক |
| বিদেশে বাস করে কতজন | ২১,৩০০ হাজার বা শতকরা ৪.৫৩ ভাগ লোক |
| উপজাতি পরিবার কয়টি | ৩৩টি পরিবার আছে |
| ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে ভোটার-এর সংখ্যা | ১,৭৭,৮৯৭(এক লক্ষ সাতাত্তর হাজার আটশত সাতানব্বই) জন |
| ২০০৬ সালে ভোটার করেছিল | ২,২৩,৮০৩ জন |
| ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে সেনাবাহিনীর | ১,৫৮,৮৮২ জন | শতকরা ২৯ শতাংশ ভোটার কমেছে |
| ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে | ১,৭৮,১৪৯ জন | নবীনগরের আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি ইউনিয়নসহ |
| জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপজেলায় | ৭৩টি ভোট কেন্দ্র আছে |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ নং আসনে কয়টি | ৮৫টি কেন্দ্র আছে |
| উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কয়টি ভোট | ৭৩টি ভোট কেন্দ্র আছে |
| ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে একটি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যনগর গ্রামের তিতাস নদীর পারে স্থাপিত |
| নীল কুঠি তৈরী করা হয়েছিল কোন | হয়েছিল একটি নীল কুঠি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে প্রথম | ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে কোন গ্রামেই বিল্ডিং তৈরী হয়নি | ১৯০২ |
| বিল্ডিং তৈরী হয় কবে | খ্রিষ্টাব্দে উজানচর ভগবান সাহাদের বিল্ডিংই আমাদের উপজেলার প্রথম |
| বিল্ডিং | এরপর ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে রূপসদী খানেপাড়ার তীর্থবাসীর |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মুসলমানের | বাঞ্ছারামপুর গ্রামের জনাব শুকুর মাহমুদ ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে নিজ |
| মধ্যে প্রথম বিল্ডিং তৈরী হয় কবে | বাড়িতে বিল্ডিং তৈরী করেন | জনাব শুকুর মাহমুদ (উনার জন্ম-১৮৫০ |
| খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে) হলো জনাব আবদুল গণি মিঞার |
| পিতা, জনাব আবদুল গণি মিঞা (উনার জন্ম-১৮৮০ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-০৯-০৪-১৯৬৫ তারিখ) হলো জনাব মোঃ নূরুল ইসলাম (তারা |
| মিঞার) পিতা, জনাব মোঃ নূরুল ইসলাম (উনার জন্ম-১৯১৮ |
| খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৩-০১-২০০০ তারিখ) হলো জনাব এ. কে. এম. |
| মুসার পিতা, এ.কে.এম. মুসা (মুসার জন্ম-১৫-০৩-১৯৬০ তারিখ) |
| হলো-সোয়েব-এর পিতা, সোয়েব-এর জন্ম-২১-০৮-১৯৯০ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মুসলমানের | দরিকান্দি গ্রামের জনাব ওয়াজুদ্দিন ব্যাপারী ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে নিজ |
| মধ্যে দ্বিতীয় বিল্ডিং কার | বাড়ীতে বিল্ডিং তৈরী করেন | উনার ছেলের নাম মৌলভী সুলতান |
| মিঞা | উনার ছেলেদের নামগুলি-মোহাম্মদ হোসেন, আবদুল আযিয |
| (মহসিন) সিরাজ ও মৌলভী ভাই |
| এ থানার প্রথম বাজার | উজানচর বাজারটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দে |
| এ থানার দ্বিতীয় বাজার | বালুয়াকান্দি বাজারটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দে |
| এ থানার তৃতীয় বাজার | সোনারামপুর বাজারটি |
| এ থানায় মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠান কয়টি | ২৬টি (১টি বালিকা বিদ্যালয় ও মাদ্রাসাসহ) |
| এ থানায় প্রথম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | উজানচর কে. এন. উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে | এ |
| বিদ্যালয় থেকে ৩টি ব্যাচ (১৯০৭, ১৯০৮, ও ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত) |
| এন্ট্রান্স পরীক্ষা দেয় তারপর ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন |
| পরীক্ষা শুরু | এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় বাঞ্ছারামপুর থানার জন্ম |
| হয়নি | বাঞ্ছারামপুর থানার জন্ম হয়েছে ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে | ১৯১০ |
| খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে বাঞ্ছারামপুর পুলিশ ফাঁড়ি নাম ছিল | ১৮৮৯ সালে |
| ছিল বাঞ্ছারামপুর পুলিশ ফাঁড়ি তারপর নাম ১৮৫৮ সালে মরিচাকান্দি |
| এ থানার দ্বিতীয় উচ্চ বিদ্যালয় | রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে | এ |
| কোনটি | স্কুল থেকে ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দেয়া শুরু |
| এ থানার তৃতীয় উচ্চ বিদ্যালয় | দরিয়াদৌলত আবদুল গণি উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৩৯ |
| এ থানার ৪র্থ উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | ধারিয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে |
| এ থানার ৫ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | বাঞ্ছারামপুর এস.এম. উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে |
| এ থানার ৬ষ্ঠ উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | দরিকান্দি-বাড্ডা আসমতেরন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৩ |
| এ থানার ৭ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | মরিচাকান্দি ডি. টি. একাডেমীর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে |
| এ থানার ৮ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | কলাকান্দি এইচ. কে. আসমাতুন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল |
| এ থানার ৯ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | তেঁজখালী উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দে |
| এ থানার ১০ম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | বাঞ্ছারামপুর বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭০ |
| এ থানার ১১তম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | ছয়ফুল্লাকান্দি শাহ রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৩ |
| এ থানার ১২তম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | ফরদাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে |
| এ থানার ১৩তম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | খাল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে |
| এ থানার ১৪তম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | রূপসদী দক্ষিণপাড়া জামিদা-মুনসুর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের |
| প্রতিষ্ঠাকাল ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে |
| এ থানার ১৬তম উচ্চ বিদ্যালয় কোনটি | বাহারচর উচ্চ বিদ্যালয় |
| এ উপজেলার ১৭তম উচ্চ বিদ্যালয় | সলিমাবাদ উচ্চ বদ্যিালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ২০০৭ |
| এ উপজেলার ১৮তম উচ্চ বিদ্যালয় | আশ্রাফবাদ উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৮ |
| এ উপজেলার ১৯তম উচ্চ বিদ্যালয় | আইয়ূবপুর তাজুল ইসলাম উচ্চবিদ্যালয়-২০১০ |
| এ উপজেলার ২০তম উচ্চ বিদ্যালয় | বুরবুরিয়া গ্রামের উচ্চবিদ্যালয়-২০১০ |
| এ উপজেলার ২১তম উচ্চ বিদ্যালয় | পূর্বহাটি তাজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ২০১১ সাল |
| এ উপজেলার ২২তম উচ্চ বিদ্যালয় | ২০১২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়-আকানগর তাজুল ইসলাম |
| এ থানার প্রথম উচ্চ মাদ্রাসা কোনটি | ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত বাখরনগর ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা |
| এ থানার দ্বিতীয় উচ্চ মাদ্রাসা | ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত বাঞ্ছারামপুর সোবহানিয়া ইসলামিয়া দাখিল |
| কোনটি | মাদ্রাসা | ১৯৯১ থেকে বসুন্ধরা গ্রুপের সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতা ও |
| এ থানার ৩য় উচ্চ মাদ্রাসা কোনটি | ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত রাধানগর-কালিকাপুর রাহমানিয়া দাখিল |