ইসলাম, ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে সরকারী কাজী হিসেবে ম্যারিজ-রেজিস্ট্রার ছিলেন
এ থানার মুসলমানেরউজানচর বাজারে উজানচর গ্রামের মোহাম্মদ কামালউদ্দিন খাঁ, ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে
মধ্যে প্রথম দোকানদারদোকান দেনউনার জন্ম-১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫০ খ্রিঃ
এ থানার মুসলমানেরবালুয়াকান্দি বাজারে ভেলানগর গ্রামের মোহাম্মদ ওয়ালী সওদাগর, ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দ
মধ্যে দ্বিতীয় দোকানদারথেকে দোকান দেনউনার জন্ম-১৮৯৮ খ্রি. মৃত্যু-১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে
বালুয়াকান্দি বাজারেররূপসদী খানেপাড়ার স্বর্গীয় রাধাচরণ সাহাউনার জন্ম-১৮৮০ খ্রিষ্টাব্দে,
মধ্যে প্রথম দোকানদারপরলোগমণ-১২-০১-১৯৭৪ তারিখ
এ থানার মুসলমানেরখাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীনউনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৫২
মধ্যে প্রথম শহরবাসীখ্রিষ্টাব্দে (কলকাতা মেডিকেল হাসপাতালে স্ত্রী, এক মেয়ে ও ছেলে রেখে)
এ থানার মুসলমানেরমুন্সেফ নাসির-উদ-দীন মুনশিউনার জন্ম-১৭৩০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে
মধ্যে দরিকান্দিনাসির-উদ-দীন মুনশির বড় ছেলে শমশের উদ-দীন মুনশিউনার জন্ম-১৭৫৯ খ্রিষ্টাব্দে,
গ্রামের জনাব আবুলমৃত্যু-জানা নেইশমশের উদ-দীন মুনশির বড় ছেলে ফসিহ উদ-দীন মিঞাউনার
কালাম মোহাম্মদজন্ম-১৭৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেইফসিহ উদ-দীন মিঞার বড় ছেলে গোলাম রসুল
যাকারিয়ার পরিবারটিমিঞাউনার জন্ম-১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৭৩ খ্রিষ্টাবেগোলাম রসুল মিঞার বড় ছেলে
৮ম পুরুষ শিক্ষিতআবদুল গফুর মিঞাউনার জন্ম-১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দেউনার ছোট ভাই ইমদাদ আলী মিঞা
উনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দেইমদাদ আলী মিঞা হলো-জনাব আবুল
কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার পিতাইমদাদ আলী মিঞার ছেলে আবুল কালাম মোহাম্মদ
যাকারিয়াউনার জন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখ আর মৃত্যু-২৪-০২-২০১৬ তারিখজনাব আবুল
কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার বড় ছেলে মাহমুদমাহমুদের জন্ম-১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে
মাহমুদের ছেলের নাম হলো অনন্ত
এ থানার মুসলমানেরভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মোহাম্মদ জহির-উদ-দীন বেপারীতাঁর ছেলে দুই ছেলে (১)
মধ্যে ভেলানগরমুনশি মোহাম্মদ আশ্রাফ আলী ও (২) মুনশি মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, উনার জন্ম-১৮২৯
বড়বাড়ির মুনশিখ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দেমুনশি মোহাম্মদ ইউসুফ আলীর বড় ছেলে মুনশি
মোহাম্মদ ইউসুফমুহাম্মদ হায়দর আলী (বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম নায়েব ছিলেনউনার
আলীর পরিবারটি ৭মজন্ম-১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ ডিসেম্বর, মৃত্যু-৩০-০৬-১৯২৫ তারিখমুনশি মুহাম্মদ হায়দর
পুরুষ শিক্ষিতআলীর বড় ছেলে মুনশি মোহাম্মদ জিন্নত আলী (কান্দু মিঞা)-নবীনগর ইংরেজী উচ্চ
বিদ্যালয় থেকে ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় ফেল করেনকান্দু মিঞাও নায়েব
ছিলেন-উনার জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, মৃত্যু-২০-১২-১৯৫৯ তারিখমুনশি
মোহাম্মদ জিন্নত আলী (কান্দু মিঞার) বড় ছেলে মোঃ আজহারুল হক (নসু মিঞা)
উনিও প্রথম জীবনে চাকুরী করতেন এবং পরবর্তী সময়ে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের
চেয়ারম্যান ছিলেন-উনার জন্ম-১৯২৫ সালের ৩১ মার্চ, মৃত্যু-১৩-০৭-১৯৭১ তারিখমোঃ
আজহারুল হক (নসু মিঞার) বড় ছেলে মোঃ জিয়াউদ্দিন আহামেদ (বায়েস)-এর
জন্ম-২৫-১২-১৯৫১ তারিখ এবং মৃত্যু-১০-০৭-২০১২ তারিখমোঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
(বায়েস)-এর বড় ছেলে মোহাম্মদ রাকীব আহমেদ (রাকু)'র জন্ম-২৩-১০-১৯৭৭ তারিখ
বাঞ্ছারামপুরবাঞ্ছারামপুর থানাব মুসলমানদের মধ্যে ৮ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ১০/১২টি পাওয়া যেতে
থানাবাসীরপারে এবং ৭ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার বাঞ্ছারামপুর থানার মুসলমানের মধ্যে ১০ থেকে
মুসলমানের মধ্যে এ১২টি পরিবার পাওয়া গেছেবাঞ্ছারামপুর থানার ১২৪টি গ্রামের ১৩টি ইউনিয়নের
থানায় জন্ম এমন লোকমুসলমানের মধ্যে ৭ম পুরুষ শিক্ষিত মাত্র কয়েকটি গ্রামের মধ্যে পাওয়া গেছেযারা
কত পুরুষ শিক্ষিত(৮ম,বাংলা, আরবী ও ফার্সী ভাষায় লিখতে পড়তে পারদর্শী তাদেরকে আমি শিক্ষিত বলছি
৭ম ও ৬ষ্ঠ পুরুষ যাবতভেলানগর গ্রামের খোশাল দিওয়ানের ছেলে সন্তান না থাকার কারণে তাঁর শিক্ষিত
কয়টি পরিবার শিক্ষিতপরিবারের ধারাবাহিকতা রক্ষা হয়নিরূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন-এর ছেলে
তার হিসেব বাহিরইউসুফ আলী এবং ইউসুফ আলীর ছেলে গোলাম মাওলার পুত্র সন্তান থাকার কারণে তাঁরও
করা)শিক্ষিত পরিবারের ধারাবাহিকতা রক্ষা হয়নিএকমাত্র খোশাল দিওয়ানের ছোট ভাই আকিল
মাহমুদ এবং মুন্সেফ হোসায়েন উদ-দীন মুনশির পরিবারটি ৮ম পুরুষ শিক্ষিত
বাঞ্ছারামপুরমায়ারামপুর গ্রামের হাঁজী মোহাম্মদ আওয়ালীউনার জন্ম-১৮১০ খ্রিষ্টাব্দে,
থানাবাসীর মধ্যেমৃত্যু-১৮৭৯ খ্রিষ্টাব্দেউনি ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে হজ্জ পালন করেনআওয়ালী হাঁজীর পরিচয়
প্রথম হাঁজীহলো মায়ারামপুর গ্রামের জনাব আফতাবউদ্দিন(ভাই)-এর দাদার দাদা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীরভেলানগর গ্রামের খোশাল দিওয়ান, আকিল মাহমুদ, আকরাম উদ-দীন মুনশি, মুন্সেফ
মধ্যে প্রথম কয়েকজনহোসায়েন উদ-দীন মুনশি ও রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনএরা তুর্কি
শিক্ষিত লোকের নামমুসলমান এবং এদের সবাই তুরস্কে জন্মএরা সবাই, এদের বাবাদের সাথে এ দেশে
আসেন
বাঞ্ছারামপুর থানায়খাল্লা গ্রামের দারোগা নযম উদ-দীনই এ থানার প্রথম শিক্ষিত ব্যক্তিউনার জন্ম-১৮০৩
জন্ম মুসলমানের মধ্যেখ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে(কলকাতা মেডিকেল হাসপাতালে যক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়ে
প্রথম কয়েকজন শিক্ষিতমৃত্যুবরণ করেন)নযম উদ-দীন দারোগার পরিবারটি লেখাপড়ার ধারাবাহিকতা বজায়
লোকের নামরাখেনিভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মোহাম্মদ জহির-উ-দীন বেপারীর দুই ছেলে (১)
মুনশি মোহাম্মদ আশ্রাফ আলী এবং (২) মুনশি মোহাম্মদ ইউসুফ আলী (আরবী, ফার্সী
ও বাংলা ভাষায় লেখাপড়া জানতেন)ইউসুফ আলীর জন্ম-১৮২৯ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৮
খ্রিষ্টাব্দেইউসুফ আলী হলো নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদার বাবা
এবং আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া সাহেবের নানার বাবাভেলানগর সরকারবাড়ির
মুনশি মোহাম্মদ আমির-উদ-দীন সরকার (আরবী, ফার্সী ও বাংলা ভাষায় লেখাপড়া
জানতেন)উনার জন্ম-১৮২৭ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দেমুনশি মোহাম্মদ
আমির-উদ-দীন সরকার হলো ভেলানগর গ্রামের মরহুম মৌলভী সাফি-উদ-দীন ও জনাব
আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার নানীর বাবা এবং নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন
(আলমগীর)-এর দাদার ছোট ভাই মরহুম হাঁজী মোহাম্মদ আশকর আলীর শ্বশুরদরিকান্দি
গ্রামের জনাব নৈমদ্দিন পন্ডিতউনার জন্ম-১৮৪২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেইমরিচাকান্দি
গ্রামের মুনশি দেলোয়ার আলী সরকার-এর জন্ম-১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই
ভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলীউনার জন্ম-১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দেউলুকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল জব্বার (আরবী, ফারসী
ভাষায় শিক্ষিত ছিলেন)উনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দেউনি উকিল
আবদুল লতিফ সাহেবের পিতারূপসদী গ্রামের জনাব তুজাম্মেল আলী (মোঘল মিঞা)
উনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫৮ খ্রিষ্টাবেদরিকান্দি গ্রামের জনাব এমদাদ আলী
মিঞাউনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২৫-১০-১৯৬৫ তারিখবাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে
আমার জানামতে প্রথমদিকের কিছু শিক্ষিত ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হলোআরো কিছু
ব্যক্তি আছে তাঁদের নামগুলি কালেকশন করা গেল না বলে দেয়া গেলা না
এ থানার মুসলমানের মধ্যে সবচেয়েভেলানগর দিওয়ান বাড়ির মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটিউনার জন্ম-১৮৮৮
বেশী বছর বেঁচে ছিলেনখ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দেউনি ৯৯(নিরানব্বই)বছর বেঁচেছিলন
এ থানার জীবিত মুসলমানের মধ্যেনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে দূর্গারামপুর
সবচেয়ে বেশী বয়স কারগ্রামের কৃষি বিজ্ঞানী ডক্টর আবদুল আলীমউনার জন্ম-১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-০৯-০৭-২০১১ সালে
এ থানার মধ্যে প্রথমদিকে কয়েকটিনান্দরা গ্রামের ভাট রাজাদের পুকুর প্রথমতারপর দারোগা
পুকুর এবং ১৪ বিঘা আয়তনের দিঘিআমির-উদ-দীনের বাড়ীর পুকুরটি কাটানো হয়-১৮০৫ খ্রিষ্টাব্দে এবং ১৪
বিঘা দিঘীটি কাটানো হয়-১৮২০ খ্রিষ্টাব্দে ভেলানগর বড়বাড়ির পুকুরটি
কাটানো হয়-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দেএর পূর্বে কোন গ্রামের পুকুরটি
(নিবন্ধকারের) জানা নেই
এ থানার প্রথম কবরস্থান কোনটিভেলানগর গ্রামের কবরস্থানটি ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়
এ থানার প্রথম পোষ্ট অফিস কোনটিছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের পোষ্ট অফিসটি এ থানার প্রথম পোষ্ট অফিস
এ থানার প্রথম পোষ্ট- মাষ্টার ছিলেনছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের যোগেন্দ্র কুমার দত্ত-এ থানার প্রথম
পোষ্ট-মাষ্টারউনার জন্ম-১৮৭৮ সালে, মৃত্যু জানা নেই
এ থানার প্রথম কুয়া বা ইনরারূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন সাহেবের বাড়ীর কুয়াটি-এ
কোনটিথানার প্রথম কুয়া
এ থানার প্রথম টিউবওয়েল কোনটিউজানচর গ্রামের ভগবান সাহাদের স্কুলের টিউবওয়েলটি-এ থানার প্রথম
টিউবওয়েল
এ থানার প্রথম মসজিদ কোনটিরূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন সাহেবের বাড়ীর মসজিদটি এ
থানার প্রথম মসজিদ
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথমখাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীনউনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে,মৃত্যু-১৮৫২
কলকাতা যেয়ে দারোগারখ্রিষ্টাব্দেইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর আমলে ১৮৩৫ খ্রিষ্টাব্দে দারোগার চাকুরী লাভ
চাকুরী নেনকরেননবীনগর থানার প্যারাকান্দি গ্রামের মাওলানা কাজী মোহাম্মদ উজীর আলীর
(উজীর আলী হলো নওয়াব সিরাজুল ইসলাম সাহেবের চাঁচা) নিকট দারোগা সাহেবের
মেয়েকে বিবাহ দেনতাঁর মেয়ের বড় ছেলে হলো আমীর আলী সাহেবআমীর আলী
১৮৮৪ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ. পাশ করিয়া পরে ওকালতি পাশ
করেন এবং কুমিল্লা কোর্টের প্রথম ইংরেজী উকিলআমীর আলীর ছোট ভাই হলো
মওলা আলীএ মওলা আলীই বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম সাব-রেজিষ্ট্রার ছিলেন
বাঞ্ছারামপুরে মওলা আলীর নামে একটি মসজিদ আছে
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথমউলুকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল জব্বার (আরবী, ফারসী ভাষায় শিক্ষিত ছিলেন)
মাওলানাউনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দেউনি উকিল আবদুল লতিফ সাহেবের
পিতা
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল আলীম (স্বর্ণপদক লাভকারী), আরবী ও ফারসী
টাইটেলধারী মাওলানাভাষা স্কুলে পড়াতেনউনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেইউনার পরিচয়
হলো এ থানার প্রথম প্রফেসর মোহাম্মদ সানাউল্লাহ সাহেবের শ্বশুর
এ থানাবাসীর মধ্যেফতেপুর গ্রামের মাওলানা আবদুর রহমান (স্বর্ণপদক লাভকারী), আরবী ও ফারসী
দ্বিতীয় টাইটেলধারীভাষা স্কুলে পড়াতেনউনার জন্ম-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৪৯নিবন্ধকার মোঃ
মাওলানা কেজাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদার ফুফাত ভাই
এ থানার মধ্যে প্রথমউজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা উজানচর গ্রামের পরলোকগত
এন্ট্রান্স পাশ লোকটিশ্রী জয় মঙ্গল সাহাউনি ১৯০০ সালে এন্ট্রান্স পাশ করেনউনার জন্ম-১৮৭৯ সালে,
কলকাতায় মৃত্যু-১৯৫৭
এ থানার মধ্যে প্রথমউজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা উজানচর গ্রামের পরলোকগত
বি.এ. পাশ লোকটিশ্রী জয় মঙ্গল সাহা বি. এ. পাশ করেনএ থানার প্রথম র্গযাজুয়েট
এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম বি.ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ির মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটিআসলে
এ. পাশ লোকটিউনি সাব-ডিপুটিউনি ১৯১১ সালে বি. এ. পাশ করেন
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম উচ্চউজানচর গ্রামের বাবু রাইহরন চক্রবর্তী, এম. এ., বি. টি.উনার
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নামটিজন্ম-১৮৮৮ সালে, মৃত্যু-জানা নেই
এ থানার মুসলমানেরমরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, এম.এ. পাশ করেন-১৯২৩ সালে
মধ্যে প্রথম এম.এ. পাশউনার জন্ম-১৮৯৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, মৃত্যু-১৫-০৮-১৯৮১ তারিখমোঃ মিজানুর
লোকটিরহমান-নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর নানীর ছোট ভাই
বাঙ্গালী মুসলমানেরমরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান১৯২৬ সালে বি. সি. এস.(বেঙ্গল
মধ্যে প্রথম বি. সি.সিভিল সার্ভিস) লিখিত প্রতিযোগিতামূলম পরীক্ষায় ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছিলেন
এস. লিখিত পরীক্ষায়উনার পূর্বে যারা ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছেন তারা হলেন মনোনীতজনাব মোঃ
প্রথম ডিপুটিমিজানুর রহমানের দাদা শ্বশুর হলো নবাব মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম-১৮৬৮ সালে
ম্যাজিস্ট্রেটকুমিল্লা জেলার প্রথম র্গযাজুয়েট এবং বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার দ্বিতীয় নবাব ছিলেন
(পশ্চিম গায়ের মহিলা জমিদার বেগম ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার
প্রথম নবাব ছিলেন)
এ থানাবাসীর মধ্যেমরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমানউনি ১৯৫৪ সালে তদানীন্তন পূর্ব
প্রথম সর্বোচ্চ পদেপাকিস্তান সরকারের ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন
এ থানাবাসীর মধ্যেভেলানগর গ্রামে জন্ম-১৮৮৮ সালে, মৃত্যু-১৯৫২ সালেঅধ্যাপক মোহাম্মদ সানাউল্লাহ
প্রথম প্রফেসর লোকটিকুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের আরবী, ফারর্সী ভাষা ও সাহিত্যে অধ্যাপনা করতেন
এ থানাবাসীর মধ্যেরূপসদী গ্রামে জন্ম-১৮৯২ অধ্যাপক আবদুল আযীয, মৃত্যু-১৯.. সালেকুমিল্লা
দ্বিতীয় প্রফেসর লোকটিভিক্টোরিয়া কলেজের আরবী, ফারর্সী ভাষা ও সাহিত্যে অধ্যাপনা করতেন
এ থানাবাসীর মধ্যেজয়কালিপুর গ্রামের অধ্যাপক মাওলানা আবদুল হামিদতিনি আরবী ও ইংরেজী উভয়
১৪(চৌদ্দমণি) মাওলানাবিষয়ে কৃতিত্বের সাথে এম. এ. পাশ করেছিলেন এবং বৃটিশ সরকার কৃতী ছাত্র হিসেবে
কাকে বলত:তাঁকে দু'বার গোল্ড মেডেল প্রদান করেনতিনি কলকাতা ও মদিনাতে অধ্যাপনা করতেন
এবং ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে দেশ-বিভাগের পর তিনি কলকাতা আসেনকলকাতা থেকে ঢাকা
আসার সময় তিনি প্রায় ১৪(চৌদ্দ) মণ কিতাব ও অন্যান্য গ্রন্থ সঙ্গে এনেছিলেন বলে; সে
কারণে এলাকার মানুষের কাছে চৌদ্ধমণি মাওলানা নামে বেশ পরিচিতি ছিলেনউনার
জন্ম-১৮৯৮ সালে, মৃত্যু-১৯৫৪ সালের জানুয়ারি
এ থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়দরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়াউনার
ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেটজন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখ, মৃত্যু-২৪-০২-২০১৬ তাুিরখ৯৭ বছর ৪ মাস ২৪ দিন
বেঁচেছিলেন
এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়াউনি অনেকগুলি
ইতিহাসবিদগবেষণামূলক বইয়ের লেখকউনার জন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখ, মৃত্যু-২৪-০২-২০১৬