| ইসলাম, ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে সরকারী কাজী হিসেবে ম্যারিজ-রেজিস্ট্রার ছিলেন |
| এ থানার মুসলমানের | উজানচর বাজারে উজানচর গ্রামের মোহাম্মদ কামালউদ্দিন খাঁ, ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে |
| মধ্যে প্রথম দোকানদার | দোকান দেন | উনার জন্ম-১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫০ খ্রিঃ |
| এ | এ থানার মুসলমানের | বালুয়াকান্দি বাজারে ভেলানগর গ্রামের মোহাম্মদ ওয়ালী সওদাগর, ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দ |
| মধ্যে দ্বিতীয় দোকানদার | থেকে দোকান দেন | উনার জন্ম-১৮৯৮ খ্রি. মৃত্যু-১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে |
| বালুয়াকান্দি বাজারের | রূপসদী খানেপাড়ার স্বর্গীয় রাধাচরণ সাহা | উনার জন্ম-১৮৮০ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মধ্যে প্রথম দোকানদার | পরলোগমণ-১২-০১-১৯৭৪ তারিখ |
| এ থানার মুসলমানের | খাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীন | উনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৫২ |
| মধ্যে প্রথম শহরবাসী | খ্রিষ্টাব্দে (কলকাতা মেডিকেল হাসপাতালে স্ত্রী, এক মেয়ে ও ছেলে রেখে) |
| এ থানার মুসলমানের | মুন্সেফ নাসির-উদ-দীন মুনশি | উনার জন্ম-১৭৩০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে |
| মধ্যে দরিকান্দি | নাসির-উদ-দীন মুনশির বড় ছেলে শমশের উদ-দীন মুনশি | উনার জন্ম-১৭৫৯ খ্রিষ্টাব্দে, |
| গ্রামের জনাব আবুল | মৃত্যু-জানা নেই | শমশের উদ-দীন মুনশির বড় ছেলে ফসিহ উদ-দীন মিঞা | উনার |
| কালাম মোহাম্মদ | জন্ম-১৭৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | ফসিহ উদ-দীন মিঞার বড় ছেলে গোলাম রসুল |
| যাকারিয়ার পরিবারটি | মিঞা | উনার জন্ম-১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৭৩ খ্রিষ্টাবে | গোলাম রসুল মিঞার বড় ছেলে |
| ৮ম পুরুষ শিক্ষিত | আবদুল গফুর মিঞা | উনার জন্ম-১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দে | উনার ছোট ভাই ইমদাদ আলী মিঞা |
| উনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে | ইমদাদ আলী মিঞা হলো-জনাব আবুল |
| কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার পিতা | ইমদাদ আলী মিঞার ছেলে আবুল কালাম মোহাম্মদ |
| যাকারিয়া | উনার জন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখ আর মৃত্যু-২৪-০২-২০১৬ তারিখ | জনাব আবুল |
| কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার বড় ছেলে মাহমুদ | মাহমুদের জন্ম-১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে |
| মাহমুদের ছেলের নাম হলো অনন্ত |
| এ থানার মুসলমানের | ভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মোহাম্মদ জহির-উদ-দীন বেপারী | তাঁর ছেলে দুই ছেলে (১) |
| মধ্যে ভেলানগর | মুনশি মোহাম্মদ আশ্রাফ আলী ও (২) মুনশি মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, উনার জন্ম-১৮২৯ |
| বড়বাড়ির মুনশি | খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে | মুনশি মোহাম্মদ ইউসুফ আলীর বড় ছেলে মুনশি |
| মোহাম্মদ ইউসুফ | মুহাম্মদ হায়দর আলী (বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম নায়েব ছিলেন | উনার |
| আলীর পরিবারটি ৭ম | জন্ম-১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ ডিসেম্বর, মৃত্যু-৩০-০৬-১৯২৫ তারিখ | মুনশি মুহাম্মদ হায়দর |
| পুরুষ শিক্ষিত | আলীর বড় ছেলে মুনশি মোহাম্মদ জিন্নত আলী (কান্দু মিঞা)-নবীনগর ইংরেজী উচ্চ |
| বিদ্যালয় থেকে ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় ফেল করেন | কান্দু মিঞাও নায়েব |
| ছিলেন-উনার জন্ম-১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর, মৃত্যু-২০-১২-১৯৫৯ তারিখ | মুনশি |
| মোহাম্মদ জিন্নত আলী (কান্দু মিঞার) বড় ছেলে মোঃ আজহারুল হক (নসু মিঞা) |
| উনিও প্রথম জীবনে চাকুরী করতেন এবং পরবর্তী সময়ে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের |
| চেয়ারম্যান ছিলেন-উনার জন্ম-১৯২৫ সালের ৩১ মার্চ, মৃত্যু-১৩-০৭-১৯৭১ তারিখ | মোঃ |
| আজহারুল হক (নসু মিঞার) বড় ছেলে মোঃ জিয়াউদ্দিন আহামেদ (বায়েস)-এর |
| জন্ম-২৫-১২-১৯৫১ তারিখ এবং মৃত্যু-১০-০৭-২০১২ তারিখ | মোঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ |
| (বায়েস)-এর বড় ছেলে মোহাম্মদ রাকীব আহমেদ (রাকু)'র জন্ম-২৩-১০-১৯৭৭ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর | বাঞ্ছারামপুর থানাব মুসলমানদের মধ্যে ৮ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার ১০/১২টি পাওয়া যেতে |
| থানাবাসীর | পারে এবং ৭ম পুরুষ শিক্ষিত পরিবার বাঞ্ছারামপুর থানার মুসলমানের মধ্যে ১০ থেকে |
| মুসলমানের মধ্যে এ | ১২টি পরিবার পাওয়া গেছে | বাঞ্ছারামপুর থানার ১২৪টি গ্রামের ১৩টি ইউনিয়নের |
| থানায় জন্ম এমন লোক | মুসলমানের মধ্যে ৭ম পুরুষ শিক্ষিত মাত্র কয়েকটি গ্রামের মধ্যে পাওয়া গেছে | যারা |
| কত পুরুষ শিক্ষিত(৮ম, | বাংলা, আরবী ও ফার্সী ভাষায় লিখতে পড়তে পারদর্শী তাদেরকে আমি শিক্ষিত বলছি |
| ৭ম ও ৬ষ্ঠ পুরুষ যাবত | ভেলানগর গ্রামের খোশাল দিওয়ানের ছেলে সন্তান না থাকার কারণে তাঁর শিক্ষিত |
| কয়টি পরিবার শিক্ষিত | পরিবারের ধারাবাহিকতা রক্ষা হয়নি | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন-এর ছেলে |
| তার হিসেব বাহির | ইউসুফ আলী এবং ইউসুফ আলীর ছেলে গোলাম মাওলার পুত্র সন্তান থাকার কারণে তাঁরও |
| করা) | শিক্ষিত পরিবারের ধারাবাহিকতা রক্ষা হয়নি | একমাত্র খোশাল দিওয়ানের ছোট ভাই আকিল |
| মাহমুদ এবং মুন্সেফ হোসায়েন উদ-দীন মুনশির পরিবারটি ৮ম পুরুষ শিক্ষিত |
| বাঞ্ছারামপুর | মায়ারামপুর গ্রামের হাঁজী মোহাম্মদ আওয়ালী | উনার জন্ম-১৮১০ খ্রিষ্টাব্দে, |
| থানাবাসীর মধ্যে | মৃত্যু-১৮৭৯ খ্রিষ্টাব্দে | উনি ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে হজ্জ পালন করেন | আওয়ালী হাঁজীর পরিচয় |
| প্রথম হাঁজী | হলো মায়ারামপুর গ্রামের জনাব আফতাবউদ্দিন(ভাই)-এর দাদার দাদা |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর | ভেলানগর গ্রামের খোশাল দিওয়ান, আকিল মাহমুদ, আকরাম উদ-দীন মুনশি, মুন্সেফ |
| মধ্যে প্রথম কয়েকজন | হোসায়েন উদ-দীন মুনশি ও রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন | এরা তুর্কি |
| শিক্ষিত লোকের নাম | মুসলমান এবং এদের সবাই তুরস্কে জন্ম | এরা সবাই, এদের বাবাদের সাথে এ দেশে |
| আসেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানায় | খাল্লা গ্রামের দারোগা নযম উদ-দীনই এ থানার প্রথম শিক্ষিত ব্যক্তি | উনার জন্ম-১৮০৩ |
| জন্ম মুসলমানের মধ্যে | খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে(কলকাতা মেডিকেল হাসপাতালে যক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়ে |
| প্রথম কয়েকজন শিক্ষিত | মৃত্যুবরণ করেন) | নযম উদ-দীন দারোগার পরিবারটি লেখাপড়ার ধারাবাহিকতা বজায় |
| লোকের নাম | রাখেনি | ভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মোহাম্মদ জহির-উ-দীন বেপারীর দুই ছেলে (১) |
| মুনশি মোহাম্মদ আশ্রাফ আলী এবং (২) মুনশি মোহাম্মদ ইউসুফ আলী (আরবী, ফার্সী |
| ও বাংলা ভাষায় লেখাপড়া জানতেন) | ইউসুফ আলীর জন্ম-১৮২৯ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৮ |
| খ্রিষ্টাব্দে | ইউসুফ আলী হলো নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদার বাবা |
| এবং আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া সাহেবের নানার বাবা | ভেলানগর সরকারবাড়ির |
| মুনশি মোহাম্মদ আমির-উদ-দীন সরকার (আরবী, ফার্সী ও বাংলা ভাষায় লেখাপড়া |
| জানতেন) | উনার জন্ম-১৮২৭ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে | মুনশি মোহাম্মদ |
| আমির-উদ-দীন সরকার হলো ভেলানগর গ্রামের মরহুম মৌলভী সাফি-উদ-দীন ও জনাব |
| আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার নানীর বাবা এবং নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন |
| (আলমগীর)-এর দাদার ছোট ভাই মরহুম হাঁজী মোহাম্মদ আশকর আলীর শ্বশুর | দরিকান্দি |
| গ্রামের জনাব নৈমদ্দিন পন্ডিত | উনার জন্ম-১৮৪২ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | মরিচাকান্দি |
| গ্রামের মুনশি দেলোয়ার আলী সরকার-এর জন্ম-১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই |
| ভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলী | উনার জন্ম-১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে | উলুকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল জব্বার (আরবী, ফারসী |
| ভাষায় শিক্ষিত ছিলেন) | উনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে | উনি উকিল |
| আবদুল লতিফ সাহেবের পিতা | রূপসদী গ্রামের জনাব তুজাম্মেল আলী (মোঘল মিঞা) |
| উনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৫৮ খ্রিষ্টাবে | দরিকান্দি গ্রামের জনাব এমদাদ আলী |
| মিঞা | উনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-২৫-১০-১৯৬৫ তারিখ | বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে |
| আমার জানামতে প্রথমদিকের কিছু শিক্ষিত ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হলো | আরো কিছু |
| ব্যক্তি আছে তাঁদের নামগুলি কালেকশন করা গেল না বলে দেয়া গেলা না |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে সবচেয়ে | ভেলানগর দিওয়ান বাড়ির মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটি | উনার জন্ম-১৮৮৮ |
| বেশী বছর বেঁচে ছিলেন | খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে | উনি ৯৯(নিরানব্বই)বছর বেঁচেছিলন |
| এ থানার জীবিত মুসলমানের মধ্যে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে দূর্গারামপুর |
| সবচেয়ে বেশী বয়স কার | গ্রামের কৃষি বিজ্ঞানী ডক্টর আবদুল আলীম | উনার জন্ম-১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে, |
| মৃত্যু-০৯-০৭-২০১১ সালে |
| এ থানার মধ্যে প্রথমদিকে কয়েকটি | নান্দরা গ্রামের ভাট রাজাদের পুকুর প্রথম | তারপর দারোগা |
| পুকুর এবং ১৪ বিঘা আয়তনের দিঘি | আমির-উদ-দীনের বাড়ীর পুকুরটি কাটানো হয়-১৮০৫ খ্রিষ্টাব্দে এবং ১৪ |
| বিঘা দিঘীটি কাটানো হয়-১৮২০ খ্রিষ্টাব্দে ভেলানগর বড়বাড়ির পুকুরটি |
| কাটানো হয়-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে | এর পূর্বে কোন গ্রামের পুকুরটি |
| (নিবন্ধকারের) জানা নেই |
| এ থানার প্রথম কবরস্থান কোনটি | ভেলানগর গ্রামের কবরস্থানটি ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় |
| এ থানার প্রথম পোষ্ট অফিস কোনটি | ছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের পোষ্ট অফিসটি এ থানার প্রথম পোষ্ট অফিস |
| এ থানার প্রথম পোষ্ট- মাষ্টার ছিলেন | ছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের যোগেন্দ্র কুমার দত্ত-এ থানার প্রথম |
| পোষ্ট-মাষ্টার | উনার জন্ম-১৮৭৮ সালে, মৃত্যু জানা নেই |
| এ থানার প্রথম কুয়া বা ইনরা | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন সাহেবের বাড়ীর কুয়াটি-এ |
| কোনটি | থানার প্রথম কুয়া |
| এ থানার প্রথম টিউবওয়েল কোনটি | উজানচর গ্রামের ভগবান সাহাদের স্কুলের টিউবওয়েলটি-এ থানার প্রথম |
| টিউবওয়েল |
| এ থানার প্রথম মসজিদ কোনটি | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীন সাহেবের বাড়ীর মসজিদটি এ |
| থানার প্রথম মসজিদ |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | খাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীন | উনার জন্ম-১৮০৩ খ্রিষ্টাব্দে,মৃত্যু-১৮৫২ |
| কলকাতা যেয়ে দারোগার | খ্রিষ্টাব্দে | ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর আমলে ১৮৩৫ খ্রিষ্টাব্দে দারোগার চাকুরী লাভ |
| চাকুরী নেন | করেন | নবীনগর থানার প্যারাকান্দি গ্রামের মাওলানা কাজী মোহাম্মদ উজীর আলীর |
| (উজীর আলী হলো নওয়াব সিরাজুল ইসলাম সাহেবের চাঁচা) নিকট দারোগা সাহেবের |
| মেয়েকে বিবাহ দেন | তাঁর মেয়ের বড় ছেলে হলো আমীর আলী সাহেব | আমীর আলী |
| ১৮৮৪ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ. পাশ করিয়া পরে ওকালতি পাশ |
| করেন এবং কুমিল্লা কোর্টের প্রথম ইংরেজী উকিল | আমীর আলীর ছোট ভাই হলো |
| মওলা আলী | এ মওলা আলীই বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম সাব-রেজিষ্ট্রার ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুরে মওলা আলীর নামে একটি মসজিদ আছে |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | উলুকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল জব্বার (আরবী, ফারসী ভাষায় শিক্ষিত ছিলেন) |
| মাওলানা | উনার জন্ম-১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে | উনি উকিল আবদুল লতিফ সাহেবের |
| পিতা |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুল আলীম (স্বর্ণপদক লাভকারী), আরবী ও ফারসী |
| টাইটেলধারী মাওলানা | ভাষা স্কুলে পড়াতেন | উনার জন্ম-১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-জানা নেই | উনার পরিচয় |
| হলো এ থানার প্রথম প্রফেসর মোহাম্মদ সানাউল্লাহ সাহেবের শ্বশুর |
| এ থানাবাসীর মধ্যে | ফতেপুর গ্রামের মাওলানা আবদুর রহমান (স্বর্ণপদক লাভকারী), আরবী ও ফারসী |
| দ্বিতীয় টাইটেলধারী | ভাষা স্কুলে পড়াতেন | উনার জন্ম-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-১৯৪৯ | নিবন্ধকার মোঃ |
| মাওলানা কে | জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদার ফুফাত ভাই |
| এ থানার মধ্যে প্রথম | উজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা উজানচর গ্রামের পরলোকগত |
| এন্ট্রান্স পাশ লোকটি | শ্রী জয় মঙ্গল সাহা | উনি ১৯০০ সালে এন্ট্রান্স পাশ করেন | উনার জন্ম-১৮৭৯ সালে, |
| কলকাতায় মৃত্যু-১৯৫৭ |
| এ থানার মধ্যে প্রথম | উজানচর গ্রামের পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা উজানচর গ্রামের পরলোকগত |
| বি.এ. পাশ লোকটি | শ্রী জয় মঙ্গল সাহা বি. এ. পাশ করেন | এ থানার প্রথম র্গযাজুয়েট |
| এ থানার মুসলমানের মধ্যে প্রথম বি. | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ির মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ডিপুটি | আসলে |
| এ. পাশ লোকটি | উনি সাব-ডিপুটি | উনি ১৯১১ সালে বি. এ. পাশ করেন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম উচ্চ | উজানচর গ্রামের বাবু রাইহরন চক্রবর্তী, এম. এ., বি. টি. | উনার |
| বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নামটি | জন্ম-১৮৮৮ সালে, মৃত্যু-জানা নেই |
| এ থানার মুসলমানের | মরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, এম.এ. পাশ করেন-১৯২৩ সালে |
| মধ্যে প্রথম এম.এ. পাশ | উনার জন্ম-১৮৯৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, মৃত্যু-১৫-০৮-১৯৮১ তারিখ | মোঃ মিজানুর |
| লোকটি | রহমান-নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর নানীর ছোট ভাই |
| বাঙ্গালী মুসলমানের | মরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান | ১৯২৬ সালে বি. সি. এস.(বেঙ্গল |
| মধ্যে প্রথম বি. সি. | সিভিল সার্ভিস) লিখিত প্রতিযোগিতামূলম পরীক্ষায় ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছিলেন |
| এস. লিখিত পরীক্ষায় | উনার পূর্বে যারা ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছেন তারা হলেন মনোনীত | জনাব মোঃ |
| প্রথম ডিপুটি | মিজানুর রহমানের দাদা শ্বশুর হলো নবাব মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম-১৮৬৮ সালে |
| ম্যাজিস্ট্রেট | কুমিল্লা জেলার প্রথম র্গযাজুয়েট এবং বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার দ্বিতীয় নবাব ছিলেন |
| (পশ্চিম গায়ের মহিলা জমিদার বেগম ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার |
| প্রথম নবাব ছিলেন) |
| এ থানাবাসীর মধ্যে | মরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান | উনি ১৯৫৪ সালে তদানীন্তন পূর্ব |
| প্রথম সর্বোচ্চ পদে | পাকিস্তান সরকারের ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে | ভেলানগর গ্রামে জন্ম-১৮৮৮ সালে, মৃত্যু-১৯৫২ সালে | অধ্যাপক মোহাম্মদ সানাউল্লাহ |
| প্রথম প্রফেসর লোকটি | কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের আরবী, ফারর্সী ভাষা ও সাহিত্যে অধ্যাপনা করতেন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে | রূপসদী গ্রামে জন্ম-১৮৯২ অধ্যাপক আবদুল আযীয, মৃত্যু-১৯.. সালে | কুমিল্লা |
| দ্বিতীয় প্রফেসর লোকটি | ভিক্টোরিয়া কলেজের আরবী, ফারর্সী ভাষা ও সাহিত্যে অধ্যাপনা করতেন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে | জয়কালিপুর গ্রামের অধ্যাপক মাওলানা আবদুল হামিদ | তিনি আরবী ও ইংরেজী উভয় |
| ১৪(চৌদ্দমণি) মাওলানা | বিষয়ে কৃতিত্বের সাথে এম. এ. পাশ করেছিলেন এবং বৃটিশ সরকার কৃতী ছাত্র হিসেবে |
| কাকে বলত: | তাঁকে দু'বার গোল্ড মেডেল প্রদান করেন | তিনি কলকাতা ও মদিনাতে অধ্যাপনা করতেন |
| এবং ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে দেশ-বিভাগের পর তিনি কলকাতা আসেন | কলকাতা থেকে ঢাকা |
| আসার সময় তিনি প্রায় ১৪(চৌদ্দ) মণ কিতাব ও অন্যান্য গ্রন্থ সঙ্গে এনেছিলেন বলে; সে |
| কারণে এলাকার মানুষের কাছে চৌদ্ধমণি মাওলানা নামে বেশ পরিচিতি ছিলেন | উনার |
| জন্ম-১৮৯৮ সালে, মৃত্যু-১৯৫৪ সালের জানুয়ারি |
| এ থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | দরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া | উনার |
| ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট | জন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখ, মৃত্যু-২৪-০২-২০১৬ তাুিরখ | ৯৭ বছর ৪ মাস ২৪ দিন |
| বেঁচেছিলেন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া | উনি অনেকগুলি |
| ইতিহাসবিদ | গবেষণামূলক বইয়ের লেখক | উনার জন্ম-০১-১০-১৯১৮ তারিখ, মৃত্যু-২৪-০২-২০১৬ |