| তাুিরখ | ৯৭ বছর ৪ মাস ২৪ দিন বেঁচেছিলেন |
| ১৯৭৩ সালে | দরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া | উনি দীর্ঘ সময় |
| বাঞ্ছারামপুর থানা | বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন | ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ১ |
| কল্যাণ সমিতির | মার্চ, ১৬নং লেক সার্কাস, কলাবাগান, উত্তর ধানমন্ডিতে অবসর জীবন এবং গবেষণামূলক |
| প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি | ইতিহাস ও বাংলার প্রাচীন প্রত্নতত্ত রচনা করে সময় কাটাচ্ছেন | উনার জন্ম-০১-১০-১৯১৮ |
| তারিখ, মৃত্যু-২৪-০২-২০১৬ তাুিরখ | ৯৭ বছর ৪ মাস ২৪ দিন বেঁচেছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানা | দূর্গারামপুর গ্রামের কৃষি বিজ্ঞানী ডক্টর আবদুল আলীম, তাঁর পিতার নামে আমিনুদ্দিন |
| কল্যাণ সমিতির স্থায়ী | মুনশি বৃত্তি নামে ১০(দশ) হাজার টাকা দান করেন এবং পরে তিনি আরো টাকা দান |
| বৃত্তি তহবিলে যাঁরা | করে-মোট ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা | এরপর দরিয়াদৌলত গ্রামের আলহাজ্জ মোঃ আমিনূল |
| প্রথম দান করেছেন | ইসলাম (মানিক মিঞার)-স্ত্রীর নামে জাহানারা ইসলাম বৃত্তি নামে ১০(দশ) হাজার টাকা |
| দান করেন | এভাবে ২৩-০১-২০১০ তারিখ এসে বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির ট্রাষ্ট |
| ফান্ডের টাকার পরিমাণ হয়েছে প্রায়-১৯,৪৩,৮৬৪(উনিশ লাখ তেতাল্লিশ হাজার আটশত |
| চৌসট্টি) টাকা এবং ব্যক্তির সংখ্যা হলো-১০৪ জন |
| পাকিস্তান আমলে | বড়কান্দি গ্রামের জনাব আবদুল খালেক, পাকিস্তান মিলিটারী একাউন্টস সার্ভিেস |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর | (পি.এন.এ.এস.)-এ যোগদান করেন ও পরবর্তীেত ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে করাচি সিটি টেক্সেসন |
| মধ্যে বাঙ্গালী দরদী | কমিশনার নিযুক্ত হন এবং ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান জুট ট্রেডিং কপোের্রশনে সদস্য |
| অফিসার কাকে বলা হত | পদে চাকুরীরত অবস্থায় ১৪-১২-১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে শহীদ হন | শহীদ আবদুল খালেক |
| কলাকান্দি এইচ. কে. আসমাতুননেসা উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন | উনার জন্ম-১৯২২ |
| সালে, মৃত্যু-১৪-১২-১৯৭১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর | ভেলানগর গ্রামের জনাব মুস-লেহ-উদ-দীন আহমদ (মানিক মিঞা), সচিব (অবঃ) | উনি |
| মধ্যে প্রথম সচিব ছিলেন | পাকিস্তান ট্যাক্সেশন সার্ভিেসর সদস্য ছিলেন | উনার জন্ম-১৯২৭ সালে, |
| মৃত্যু-১০-০৯-২০১২ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের জনাব মুস-লেহ-উদ-দীন আহমেদ, ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার |
| প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন | গুলশানে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | আইয়ূবপুর গ্রামের জনাব মোঃ আজিজুল হক, ১৯৬২ সালের সি.এস.পি. |
| সি.এস.পি. ছিলেন | উনি সচিব হয়ে অবসর গ্রহণ করেন | উনার জন্ম-১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | ফরদাবাদ গ্রামের জনাব সৈয়দ আহমদ, ১৯৬৩ সালে সি.এস.পি. ছিলেন |
| সি.এস.পি. ছিলেন | উনি মন্ত্রী পরিষদ সচিব থেকে অবসর গ্রহণ করেন | উনার জন্ম-১৯৩৭ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একজনও | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে জনাব মনজুরে |
| সচিব পদে নেই | মাওলার অবসরের পর ৩০-০৬-২০০৭ তারিখ পর্যন্ত সচিব পদে বাঞ্ছারামপুর |
| থানাবাসীর মধ্যে একজনও ছিল না |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর | মানিকপুর গ্রামের জনাব মোঃ আবদুল আউয়াল, পি.এস.সি. (অব.) | উনি ১৯৪৯ |
| মধ্যে প্রথম সি.এস.এস. | সালের সি.এস.এস. প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পাকিস্তান পুলিশ সার্ভিেস |
| থেকে পি.এস.সি. | যোগদান করেন ও ডি.আই.জি., বি.আর.টি.সি'র চেয়ারম্যান এবং পাবলিক সার্ভিস |
| হয়েছিলেন | কমিশনের সদস্য ছিলেন | উনার জন্ম-১৯২০ সালে, মৃত্যু-০৭-০৮-১৯৮৫ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর | বাড়াইল(বাহেরচর) গ্রামের মেজর (অব.) এম. এ. খালেক, পি.এস.সি. | উনি |
| মধ্যে (বাংলাদেশ আমলে) | সেনাবাহিনী থেকে ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে অবসর গ্রহণ করে, ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ পুলিশ |
| প্রথম পুলিশ বিভাগে | সার্ভিেস যোগদান করে অতিরিক্ত মহা পুলিশ পরিদর্শক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং অবঃ |
| সর্বোচ্চ কর্মকর্তা ছিলেন | গ্রহণ করে-তিনি ১ অক্টোবর, ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে (ব্রাহ্মণবাড়িয়া -৬ আসনে) জাতীয় |
| সংসদ-সদস্য নির্বািচত হয়েছেন | উনার জন্ম-১৯৩৮ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | হায়দরনগর গ্রামের মোহাম্মদ হোসেন, ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে ই.পি.সি.এস. |
| ই.পি.সি.এস. ছিলেন | হয়েছিলেন | তিনি মহা-পরিচালক(বি.আই.এম.) থেকে অবসর গ্রহণ করেন |
| জন্ম-১৯৩১ সালে, মৃত্যু-১৯৯৪ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | খাল্লা গ্রামের মফিজ-উদ-দীন শিকদার, ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দের ই.পি.সি.এস. |
| ই.পি.সি.এস. ছিলেন | হয়েছিলেন | উনি অতিরিক্ত সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন | উনার |
| জন্ম-১৯৩৬ সালে, মৃত্যু-২৯-০৫-২০০১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দশদনা গ্রামের মোঃ সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ), যুগ্ম-সচিব পদ থেকে |
| দু'জন ১৯৭৩ সালে বি.সি.এস. | অবসর গ্রহণ করেন | উনার জন্ম-১৯৪৩ সালে | জনাব সিরাজ ভাই ১৯৭৩ সালের |
| মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন | বি.সি.এস. পরীক্ষায় ৪২০ জনের মধ্যে ১০ম স্থান অধিকার করেন এবং খাল্লা |
| গ্রামের মোঃ আমিরুল করিম (মাওলা ভাই), যুগ্ম-সচিবের পদ থেকে |
| অবসর গ্রহণ করেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিয়াদৌলত গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন) ও তাঁরই ছোট ভাই |
| কোন গ্রামের ২(দুই) ভাই ১৯৮১ | মোঃ মাহমুদুল করিম (মজনু) | তাঁরা উভয়েই যুগ্ম-সচিব হিসেবে কর্মরত |
| সালে বি.সি.এস. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় | ছিলেন | ২৭-১১-২০০৫ তারিখ মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন), অতিরিক্তি |
| সচিব হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন | উনার জন্ম-১৯৪৯ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একমাত্র | দরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন), অতিরিক্ত |
| সচিব | সচিব-এর পদ থেকে ১৮-০৯-২০০৭ তারিখ সচিব পদে উন্নতি লাভ করেন এবং |
| ১৫-০২-২০০৮ সাল থেকে এল.পি.আর.-এ যান |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন), ১৫-০২-২০০৮ |
| (১৬-০২-২০০৮ তারিখের পর) একজনও | তারিখ থেকে এল.পি.আর.-এ চলে গেছেন এবং ১৫-০২-২০০৯ তারিখ থেকে |
| সচিব পদে বহাল নেই | তাঁর অবসর সময় |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিয়াদৌলত গ্রামের মরহুম মৌলভী গোলাম মোস্তফা খন্দকার-এর মেয়ে |
| কোন গ্রামের মহিলা ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দে | মিসেস ছামেনা বেগম, যুগ্ম-সচিব (পর্যটন করপোের্রশন) |
| বি.সি.এস. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার অধীবাসী অধ্যাপক ও ভাষা বিশেষজ্ঞ |
| ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিতি লাভ | মুহি-উদ-দীন আহমদ | উনার জন্ম-১৯২০ সালে,মৃত্যু-১৩-১২-১৯৯৬ তারিখ |
| করে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের উত্তরপাড়ার অধীবাসী বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক |
| অর্থনীতিবিদ হিসেবে পরিচিতি লাভ | আবদুল আজীজ খান | উনার জন্ম-১৯২০, মৃত্যু-১৭-০৭-১৯৮৩ তারিখ |
| করে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | বাখরনগর গ্রামের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক কাজী আম্বর আলী, |
| স্কুল শিক্ষক হিসেবে জাতীয় পুরস্কার | বি.এ., বি.এল., বি.টি. আলীগর | তিনি শিক্ষকতার জন্য পূর্ব-পকিস্তানের |
| পান | শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের জাতীয় পুরস্কার পান ও ২১ মরনোত্তর পদকও লাভ করেন |
| উনার জন্ম-১৯০৩ সালে, আজিমপুরে মৃত্যু-১২-১২-১৯৯৪ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | উলুকান্দি গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক নোমান, এম. এ. (ইংরেজী), ঢাকা |
| কলেজ শিক্ষক হিসেবে জাতীয় পুরস্কার | বিশ্ববিদ্যালয় | শিক্ষাবিদ নোমানকে ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান সরকার |
| পান | শ্রেষ্ঠ ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে খেতাব প্রদান করেন এবং তিনি ১৯৯৪ সালে |
| জাতীয় ২১ পদকও লাভ করেন | উনার জন্ম-১৯২৫ সালে, মৃত্যু-০৩-০৯-১৯৯৬ |
| তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মিজানুর রহমান-নবীনগর উচ্চ |
| কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে | বিদ্যালয় হতে ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৭ম স্থান অধিকার |
| ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৭ম স্থান | করেন | উনার জন্ম-১৮৯৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, মৃত্যু-১৫-০৮-১৯৮১ |
| অধিকার | তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | কৃঞ্চনগর গ্রামের অধিবাসী ডা. মোঃ ইয়াকুব আলী ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে |
| কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে | উজানচর কে. এন. উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৩তম স্থান |
| ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৩তম স্থান | অধিকার করেন | উনার জন্ম-১৯০৩ সালে, মৃত্যু-০৩-০২-২০০০ তারিখ |
| অধিকার |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ১০ম | দরিকান্দি গ্রামের জনাব আ.কা.মো. যাকারিয়া-১৯৪১ সালে ঢাকা কলেজ |
| স্থান (ঢাকা বোর্ডে) | হতে আই.এ. পরীক্ষায় ১১তম স্থান অধিকার করেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ডক্টর মোয়াজ্জেম-উল-হক (মামুন), |
| কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১ম | ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ হতে আই. এ. পরীক্ষায় ১ম |
| স্থান অধিকার | স্থান অধিকার করেন এবং একই ব্যক্তি ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৯৪৩ |
| খ্রিষ্টাব্দে ৪র্থ স্থান অধিকার করেন | উনার জন্ম-১৯২৫ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ডক্টর মোয়াজ্জেম-উল-হক (মামুন) |
| হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি | মামুনের পরিচয় হলো বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম প্রফেসর মোহাম্মদ |
| বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন | সানাউল্লাহর ছেলে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | বাহেরচর গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ড. মোঃ তাহেরুল ইসলাম, ১৯৫০ |
| পূর্ব-বাংলা বোর্ডে ১৬তম স্থান | সালে উজানচর কে. এন. উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৬তম |
| অধিকার করেন | স্থান অধিকার করেন | উনার জন্ম-১৯৩১ সালে, মৃত্যু-০২-০৭-১৯৯৩ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | রূপসদী-খানেপাড়ার অধিবাসী অধ্যাপক ড. অমরেশ চন্দ্র দাস, ১৯৫৭ সালে |
| পূর্ব-পাকিস্তান বোর্ডে ৮ম স্থান | রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৮ম স্থান |
| অধিকার করেন | অধিকার করেন | তিনি হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক |
| ছিলেন | উনার জন্ম-১৯৩৯ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী প্রকৌশলী মোঃ মমিনুল হক (খোকন), |
| কুমিল্লা বোর্ডে ৩য় স্থান অধিকার | ১৯৬৩ সালে সিলেট সরকারী স্কুল হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় ৩য় স্থান |
| করেন | অধিকার করেন | উনার জন্ম-১৯৪৫ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | রূপসদী গ্রামের উত্তরপাড়ার মোঃ ফরিদউদ্দিন আহমেদ, ১৯৭৩ সালে রূপসদী |
| কুমিল্লা বোর্ডে ১৮তম স্থান অধিকার | বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ১৮তম |
| করেন | স্থান অধিকার করে | তাঁর জন্ম-১৯৫৫ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | দশদনা গ্রামের শাফিউন নাহিন শিমুল, ১৯৯৬ সালে বাঞ্ছারামপুর এস. এম. |
| কুমিল্লা বোর্ডে ১ম স্থান অধিকার | পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায় মেধা তালিকায় প্রথম স্থান |
| করেন (সমাজবিজ্ঞান বিভাগে) | অধিকার করে | তার জন্ম-১৯৭৮ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | বাখরনগর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবু সাঈদ মুহাম্মদ শহীদ | তিনি ১৯৬০ |
| টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন | সালে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন | ১৯৬৬ সালে এম.এস. করেন এবং |
| আমেরিকা ম্যানচেষ্টার থেকে ডাবল ফেলোশীপ লাভ করেন | উনার জন্ম-১৯৩৭ |
| সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব খোশাল দিওয়ান | উনি বলদাখাল বা |
| প্রথম সরকারী কর্মকর্তা | বরদাখাতের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ছিলেন | উনার জন্ম-১৭৬৫ সালে, |
| মৃত্যু-০৫-০১-১৮৪৪ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব খোশাল দিওয়ানের ছোট ভাই মুন্সেফ |
| প্রথম বিচার বিভাগে ছিলেন | হোসাইন-উদ-দীন মুনশি | উনার জন্ম-১৭৮৫ সালে, মৃত্যু-১৮৫৭ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়িতে | খোশাল দিওয়ান স্কুলটি প্রতিষ্ঠা |
| প্রথম কোন গ্রামে পারিবারিক স্কুল | করেন |
| প্রতিষ্ঠিত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব | রূপসদী গ্রামের অধিবাসী দারোগা আমির-উদ-দীন | ঢাকার বাদামতলিতে |
| প্রথম পুলিশ বিভাগে ছিলেন | তাঁর নির্মিত পাঁকা মসজিদ ও মাদ্রাসা আছে এবং তিনি প্রচুর অর্থের |
| মালিক ছিলেন | উনার জন্ম-১৭৮৯ সালে, মৃত্যু-১৮৬২ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়ির মসজিদটি | বর্তমানে |
| পাঁকা মসজিদ কোনটি | খান সাহেব মৌঃ তুজাম্মেল আলী ওরফে মোঘল মিঞা (সাব-বাড়ি) |
| হিসেবে পরিচিতি লাভ করে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | রূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়িটিকে সাব-বাড়ি বলা |
| সাব-বাড়ী কোনটি | হয় |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | খাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীন সাহেবের নামানুসারেই (খাল্লা |
| দারোগা বাড়ী কোনটি | দারোগা বাড়ির) নামকরণ করা হয় |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ানবাড়ির আবদুল্লাহ ডিপুটির বড় ছেলে ড. |
| শিক্ষা বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | মাহমুদ | উনি ডি.পি.আই. হয়েছিলেন (পশ্চিমবাংলা, ভারত) | ১৯৪৭ সালে |
| দেশ-বিভাগের পর ভারতেই থেকে যান | উনার জন্ম-১৯১৪ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ানবাড়ির আবদুল্লাহ ডিপুটির দ্বিতীয় ছেলে |
| পুলিশ বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | মোহাম্মদ মাসুদ (গেদু মিঞা) | উনি আই.জি.পি. হয়েছিলেন |
| (পশ্চিমবাংলা, ভারত) এবং ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাগের পর ভারতেই থেকে |
| যান | উনার জন্ম-১৯১৬ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | রূপসদী গ্রামের অধিবাসী ও ঢাকা শহরের বাদামতলিতে বসবাসকারী |
| স্থানীয় জমিদার ছিলেন | দারোগা আমির-উদ-দীন |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম | ভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলী | উনার জন্ম-১৮৫৮ সালের |
| নায়েব ছিলেন | ৩১ ডিসেম্বর, মৃত্যু-৩০-০৬-১৯২৫ তারিখ | হায়দর আলী হলো নিবন্ধকার |
| মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদা |
| বাঞ্ছারামপুর থানার | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর), ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি ও |
| মধ্যে প্রথম ব্যক্তি | দেশ-বিদেশের তথ্য-বইয়ের জন্য নয় | ১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ভেলানগর |
| ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ | বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি (১০ম পুরুষের বাস ভেলানগর গ্রামে) এ ধরণের কাজ |
| পরিচিতি ও | বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে আর কে করেছেন আমার জানা নেই | ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ৫ |
| দেশ-বিদেশের তথ্যের | অঅগষ্টের তথ্য অনুসারে, এ পর্যন্ত ভেলানগর বড়বাড়ির বংশে জন্ম হয়েছে-২,০৭৯ জন, |
| লেখক (১৭৮০ থেকে ২০০২ | মৃত্যুবরণ করেছে-৬৮০ জন এবং জীবিত আছে-১,৩৯৯ জন | অঅর ৮৯ জন স্ত্রী তালামক |
| খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত) | হয়েছে=১,৩১০ জন জীবীত মানুষ | বিদেশ, ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য শহরসহ ভেলানগর |
| বড়বাড়ির লোক বাস করে-৫০৯ জনের মধ্যে একমাত্র বিদেশে চাকুরী ও বসবাস করে ১৬৫ |