মধ্যে সবচেয়ে মোটা লোকটি কোননিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
গ্রামের অধিবাসী
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবতদেরবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে
মধ্যে সবচেয়ে চিকন লোকটি কোননিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
গ্রামের অধিবাসী
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবতদেরবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে
মধ্যে সবচেয়ে বেশী ওজনের লোকটিনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
কোন গ্রামের অধিবাসী
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবতদেরবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে
মধ্যে সবচেয়ে কম ওজনের লোকটিনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
কোন গ্রামের অধিবাসী
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে
বিয়ের ঘটক ছিলেননিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মেয়েদেরবাঞ্ছারামপুর থানার উলুকান্দি গ্রামের অধ্যাপক এ. এইচ. এম. হাবিবুর
মধ্যে প্রতিষ্ঠিত কবিরহমান-এর বড় ভাইয়ের মেয়ে-নূর কামরুন নাহার
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাঞ্ছারামপুর থানার মরিচাকান্দি গ্রামের সরকার বাড়ির মরহুম মোঃ
প্রতিষ্ঠিত সাহিত্যিকমিজানুর রহমান, ডিপটি
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে
প্রতিষ্ঠিত ঔপন্যাসিকনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মোহাম্মদ অলেক ভূইয়ার ছেলে মি.
প্রতিষ্ঠিত কোস্তিগীরবাংলাদেশ ছিলেন জনাব মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ লাকীসে একজন বডি
বিল্ডার ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে
প্রতিষ্ঠিত স্পোর্টস ম্যাননিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম সামাদ মাষ্টারের ছেলে ডা. মোসলেহ
প্রতিষ্ঠিত স্পোর্টস গার্লউদ্দিন-এর মেয়ে মিসেস সাবরীণা সুলাতানাসাবরীণা সুলাতানা জাতীয়
সুটারতার জন্ম-১৯৭৫ সালের ১ মার্চ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে মাসিমনগর গ্রামের
রেডিওতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পীমোহাম্মদ দারোগ আলীদারোগ আলীর জন্ম-১৯১৫ সালে, মৃত্যু-জানা
নেইদারোগ আলীর ছেলে-নান্নু মিঞা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে
রেডিওতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পীনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
মহিলা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে
বিটিভিতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পীনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা বাঞ্ছারামপুর থানার
বিটিভিতে প্রতিষ্ঠিত গানের শিল্পীউলুকান্দি গ্রামের শিল্পী খালিদ লতিফ (উচ্চাঙ্গ ও নজরুল সঙ্গীত শিল্পী)
মহিলা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানেররূপসদী গ্রামের অধিবাসী খানবাহাদুর মৌলভী তুজাম্মেল আলীর দ্বিতীয়
মধ্যে প্রথম যাত্রা শিল্পীছেলে জনাব মোহাম্মদ দানা মিঞা সাবউনার জন্ম-১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-২০০০ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানেরবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে
মধ্যে প্রথম নাট্যশিল্পীনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মুসলমানেরবাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে
মধ্যে প্রথম নৃত্তশিল্পীনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ইঞ্জিনিয়ার মোতাহার-উল-হক (সুদন মিঞা)
ইঞ্জিনিয়ারউনার জন্ম-১৯১৭ সালে, মৃত্যু-১২-০২-২০০২ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম আবদুস সামাদ সাহেবের বড় ছেলে
ইঞ্জিনিয়ার সর্বোচ্চ পদে ছিলেনইঞ্জিনিয়ার নাজমুল আলম (বকুল), বি.সি.আই.সি.র. চেয়ারম্যান পদ
থেকে অবসর গ্রহণ করেনউনার জন্ম-১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমপূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী ডা. আনসার আলী সাহেবের পূত্র জনাব
মাইনিং ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সর্বোচ্চএ.এফ.এম. ফজলুল করিম, ১৯৭১ সালে লাহোর থেকে মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং
পদে ছিলেনপাশ করেনবাংলাদেশ পেট্রোবাংলার, এম.ডি. হিসেবে অবসর গ্রহণ
করেনউনার জন্ম-১৯৪২ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেপাড়াতলি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ কেনু মাষ্টারের বড় ছেলে
ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সর্বোচ্চ পদেপ্রকৌশলী মোঃ খোরশেদ আলম, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর
পদ থেকে অবসর-এ. আছেনউনার জন্ম-১৯৪৬ সারে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিভেলানগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম আবদুল আউয়াল সাহেবের বড় ছেলে
ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সর্বোচ্চ পদেপ্রকৌশলী মোঃ নিজামউদ্দিন, বি.আই.এম.-এর ডি.জি. হিসেবে কর্মরত
ছিলেনতার জন্ম-১৯৪৮ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদেরদুর্গারামপুর গ্রামের মরহুম এডভোকেট আবদুল লতিফের কন্যা স্থপতি
মধ্যে প্রথম স্থপতি (অৎপযরঃবপঃ)(অৎপযরঃবপঃ) ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন লাইলুন নাহারতাঁর স্থাপত্য
ইঞ্জিনিয়ার হিসেবেহলো-নগরভবন ও আগারগাঁও-এ প্রতিষ্ঠিত স্থানীয় সরকার বিভাগের
এল.জি.ই.ডি. ভবনসহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠান
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমহায়দরনগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মোহাম্মদ হোসেন, অগ্রণী ব্যাংকের
সর্বোচ্চ ব্যাংকিং কর্মকর্তা ছিলেনব্যবস্থাপনা পরিচালক (এম.ডি.) ছিলেন এবং বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিেসর
(ই.পি.সি.এস.)-এর বিশিষ্ট সদস্য ছিলেনউনার জন্ম-১৯৩১ সালে,
মৃত্যু-১৯৯৪ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেসলিমাবাদ গ্রামের অধিবাসী জনাব আবদুর রকীব, বাংলাদেশ ব্যাংকের
সর্বোচ্চ ব্যাংকিং কর্মকর্তা ছিলেনব্যবস্থাপনা পরিচালক(এম.ডি.) ছিলেনউনার জন্ম-১৯৪২ সালের ২
জানুয়ারি
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেতেঁজখালী গ্রামের অধিবাসী জনাব মোহাম্মদ আমিনূল ইসলাম (উনার
সর্বোচ্চ ব্যাংকিং কর্মকর্তা ছিলেনবাবার নাম-মোঃ সিরাজুল ইসলাম-বাড়ি-তেঁজখালী-জন্ম-১৯০৫
সালে-মৃত্যু-১৯৮৫ সালে) জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এম.
ডি.) ছিলেনউনার জন্ম-১৯৪৩ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট আবদুস সোবহানের পুত্র
প্রথম সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবংও বসুন্দরা গ্রুপ অব কোম্পানীজের স্বত্তাধিকারী জনাব আহমেদ আকবর
পূঁজিপতি হলেনসোবহান (শাহ আলম)উনার জন্ম-১৯৪৬ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেমিরপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম নান্নু মিঞার পুত্র ডক্টর রওশন আলম
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবংলিব্রা র্ফামাসিটিক্যালস লিঃ এবং কে. ডি. এস.-এর স্বত্তাধিকারীউনার
পূঁজিপতি হলেনজন্ম-১৯৪২ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেরূপসদী গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ ফরিদউদ্দিন-এর ছোট ভাই মোঃ
তৃতীয় সর্বোচ্চ শিল্পপতি এবংহেলালউদ্দিন, সারাদেশে পরিচিতি লাভ করেছেন স্ট্যান্ডার্ড লুঙ্গি বাজারজাত
পূঁজিপতি হলেনকরেএখন শাহ আমানত শাহ নামে তার সব ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের নাম
ছাড়াও আরো অনেক ব্যবসার সাথে জড়িত আছেতার জন্ম-১৯৬০ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমচরলহনিয়া(চলইন্না) গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ সুরুজ মিঞার লঞ্চ ১৯৪৮
ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেনসাল থেকে ঢাকার সদরঘাট থেকে রামচন্দ্রপুর এবং রামচন্দ্রপুর থেকে
সদরঘাট পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল করত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেডোমরাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম ডা. শামসূল হক-এর একটি লঞ্চ ১৯৪৮
দ্বিতীয় ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেনসাল থেকে ঢাকা সদরঘাট থেকে বাঞ্ছারামপুর পর্যন্ত চলাচল করত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম দেলোয়ার হোসেন মুন্সীর ছেলে
তৃতীয় ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেনমরহুম তোতা মিঞা সাহেব মুসাফির লঞ্চ কোম্পানীর মালিক ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৪র্থখাল্লা গ্রামের অধিবাসী মোহাম্মদ আলী আযম (মালু মিঞার) একটি লঞ্চ
ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন১৯৫৪ সাল থেকে ঢাকার সদরঘাট থেকে বাঞ্ছারামপুর এবং বাঞ্ছারামপুর
থেকে সদরঘাট পর্যন্ত চলাচল করত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৫মপূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী সাবেক চেয়ারম্যান সাহেবের ছেলে মোহাম্মদ
ব্যক্তি পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেনমতিউর রহমান সাহেব (চেনু, সোনারবাংলা ও গোলাম নূর লঞ্চ-এর মালিক
ছিলেন)ঢাকার সদরঘাট থেকে রামচন্দ্রপুর পর্যন্ত লঞ্চগুলি চলাচল করত
উনার জন্ম-১৯২৭, মৃত্যু-১৯৯৯ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী মোঃ ইব্রাহিম, একজন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠিত চা
চা ব্যবসায়ী ছিলেনব্যবসায়ী ও রোজ টি কোম্পানীর স্বত্তাধিকারীউনার জন্ম-১৯৩৬ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেভেলানগর উত্তরপাড়ার রাহাত আলীর ছেলে মোহাম্মদ মালু মিয়ার
সবচেয়ে বেশী চাষের জমি কোনছেলেদের দখলে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে
পরিবারের১৩০(একশত ত্রিশ) বিঘা বা কানী চাষের জমি আছেমালু মিঞার
জন্ম-১৯২২ সালে, মৃত্যু-২০০২ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ আলী আজগর ব্যাপারীর বড় ছেলে
প্রতিষ্ঠিত জুয়ারী ছিলেন কেআবদুল মালেকউনার জন্ম-১৯১২ সালে, মৃত্যু-১৯৮৭ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ১মবুধাইরকান্দি গ্রামের অধিবাসী এম. মকবুল হোসেনতিনি আসিয়ানা
ব্যক্তি গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ছিলেনগ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেনজন্ম-১৯৩৮, মৃত্যু-২০০৩ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমউজানচর গ্রামের অধিবাসী পরলোকগত শ্রী ভগবান সাহার ভাগিনা
ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেনপরলোকগত শ্রী জয় মঙ্গল সাহাউনার জন্ম-১৮৭৯ সালে, মৃত্যু-১৯৫৭
সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেভবনাথপুর গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট মৌলভী মোহাম্মদ মহব্বত আলী
দ্বিতীয় ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেনউনার জন্ম-১৮৮৯ সালে, মৃত্যু-১৯৫৬ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাঁশগাড়ী গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল আজিজউনার জন্ম-১৮৯২
তৃতীয় ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেনসালে, মৃত্যু-১৯৬৯ সালেউনি অধ্যক্ষ তসাদ্দক হোসেনের পিতা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৪র্থমরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট ফজলুর রহমানউনার জন্ম-১৮৯৪
ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেনসালে, মৃত্যু-জানা নেইউনি বাঙ্গালী মুসলমানদের মধ্যে প্রথম ডিপটি
ম্যাজিস্ট্রেট মরহুম মোঃ মিজানুর রহমানের বড় ভাই ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৫মউলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল লতিফউনার জন্ম-১৮৯৬
ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেনসালে, মৃত্যু-২৫-০২-১৯৬৯ তারিখউনি অধ্যাপক মোহাম্মদ নোমান
সাহেবের পিতা
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ৬ষ্ঠদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক ওরফে
ব্যক্তি আইনজীবি ছিলেনলিল মিঞাউনার জন্ম-১৮৯৮ সালে, মৃত্যু-২১-০৪-১৯৮১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেউলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম ডা. আবদুল আউয়ালের ছেলে
বার-এট. ল.ব্যারিস্টার এ. বি. এম. ফকরুদ্দিনলন্ডনে আইন পেশায় নিয়োজিত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমচরলহনিয়া (চলইন্না) গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ সুরুজ মিঞাউনি
ব্যক্তি ঠিকাদারী ব্যবসা করতেনব্রিটিশ আমল থেকে ঠিকাধারী ব্যবসা করতউনার জন্ম-১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে,
মৃত্যু-জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু মিঞা),
দ্বিতীয় ব্যক্তি ঠিকাদারী ব্যবসা করতেনসাবেক এম. পি.উনার জন্ম-১৯২২ সালে, মৃত্যু-১৪-০৭-১৯৮৫ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু মিঞা),
ব্যক্তি লোক রপ্তানীকারকসাবেক এম.পি.উনি ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত লোক রপ্তানীকারক
ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমবাঞ্ছারামপুর গ্রামের অধিবাসী স্বনামধন্য সংগীত সাধক ও গীতিকার
ব্যক্তি কবি ও লেখক ছিলেনমোহাম্মদ আবদুল্লাহউনার জন্ম-১৮৯৪ সাল, মৃত্যু-জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদেরদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী পন্ডিত আবদুল হাকিম-এর স্ত্রী বেগম আমেনা
মধ্যে প্রথম লেখিকা ছিলেনখাতুনউনি বিংশ শতাব্দীর ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দের দিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের
ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পাঠ্য পুস্তক লিখেছেন (আদর্শ লিপি লিখিছেন শুনা
যায়)উনার জন্ম-১৮৯৭ সাল, মৃত্যু-জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে অধিকবাখরনগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম কাজী আম্বর আলী সাহেবের ছেলে কাজী
পরিচিতি লাভ করেছে বাংলাদেশমুহম্মদ মনজুরে মওলাউনি শুধু একজন সচিবই নন-তিনি একজন লব্দপ্রতিষ্ঠিত
সরকারের সচিব ও কবি-সাহিত্যিককবি-সাহিত্যিকও বটেউনার জন্ম-১৯৩৭ সালে
হিসেবে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে অধিকউলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী বাংলাদেশ বেতারের পরিচালক জনাব
পরিচিতি লাভ করেছে গীতিকারমোহাম্মদ মোজাক্কেরউনি কয়েকটি গানের বই রচনা করেছেনউনার
হিসেবেজন্ম-১৯৩৯ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেব্‌াঁশগাড়ী গ্রামের অধিবাসী মরহুম আলহাজ্জ টি. হোসেন সাহেবের পুত্র
প্রখ্যাত ছড়াকার ও লেখকজনাব লুৎফর রহমান রিটনতাঁর জন্ম-১৯৬০ সালের ১ এপ্রিল
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভুরভুরিয়া গ্রামের অধিবাসী নামকরা অভিনেতা, লেখক ও পরিচালক
সিনেমা ও টি. ভি. শিল্পীমোহাম্মদ জহিরুল হকউনার জন্ম-১৯৩৬ সালে, মৃত্যু-১৯৯৩ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী অবসরপ্রাপ্ত ডিপুটি পোষ্টমাষ্টার জেনারেল
মহিলা হিসেবে সিনেমা ও টি. ভি.মোঃ মফিজুল ইসলাম (মুনশি মিঞা) (উনার জন্ম-৩০-০৬-১৯১৯ তারিখ,
শিল্পী ছিলেনমৃত্যু-১০-০৫-২০০৭ তারিখ)-এর দ্বিতীয় কন্যা হামিদা বাণু ওরফে ডলি
জহুরের জন্ম-১০-০৭-১৯৫২ তারিখ
দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসীউনার সাথে গত ২০-০৪-২০০৭ তারিখ বিকেল ৫ ঘটিকার সময় দেখা করি এবং
অবসরপ্রাপ্ত ডিপুটি পোষ্টমাষ্টারআমার লিখা ''আহমদপুর চৌধুরীবাড়ির বংশ পরিচিতি ও চৌধুরী
জেনারেল মোঃ মফিজুল ইসলাম(মুনশিশামসুন নাহার বেগমের আত্মীয়-স্বজন''(১৮০৬-২০০৬)-এর একটি কপি দেই