| জন | ২৮২ জন বিবাহিত জীবীত মেয়ে এর মধ্যে বিবাহিত ১৩ জন মেয়ে স্বামীর বাড়ির |
| পরিবর্তে বাবার বাড়িতে বাস করে জীবিত বিবাহিত মেয়েরা স্বামীরবাড়িতে বাস |
| করে-২৬৯ জন | ভেলানগর বড়বাড়ির প্রকৃত লোকসংখ্যা হলো-১,০৪১ জন | শহর এবং |
| বিদেশে বাস করে-৫০৯ জন আর গ্রামে বাস করে-৫৩২ জন | আমাদের পূর্ব-পুরুষরা |
| আসছে নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রাম হতে ভেলানগর গ্রামে এসে বসতি স্থাপন |
| করে-১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দে | নবীনগর থানার ইব্রাহিমপুর গ্রামে আসে আমাদের |
| পূর্ব-পুরুষরা কিশোরগঞ্জ জেলার জঙ্গলবাড়ি হতে | কিশোরগঞ্জ জেলার জঙ্গলবাড়িতে আসছে |
| আমাদের পূর্ব-পুরুষরা ভারতের উত্তর প্রদেশ থেকে | আমাদের পূর্ব-পুরুষরা |
| মঙ্গোলিয়া ও আফগানিস্থান থেকে এসে মিলিত হয়েছে ভারতের উত্তর প্রদেশে | এর বেশী |
| আর কিছু জানার চেষ্টা করিনি বা জানিও না |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর | বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে ভেলানগর বড়বাড়ির লোকসংখ্যা-২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ১০ আগষ্টের, |
| মধ্যে (নিবন্ধকার)-এর | হিসেব অনুসারে জন্মগ্রহণ করে-২,০৭৯ জন (স্ত্রীসহ পুরুষ-মহিলা) | মৃত্যুবরণ করেছে |
| জানামতে লোকসংখ্যার | ২৩৫ বছরে-৬৮০ জন | এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে জীবিত আছে-১,৩৯৯ জন এবং ৮২ জন |
| দিক দিয়ে প্রথম হবে | স্ত্রী তালাকপ্রাপ্ত, ৭ স্ত্রী চলে গেছেন এবং ২৮২ জন জীবীত মেয়ে স্বামীরবাড়ি | প্রকৃত |
| ভেলানগর বড়বাড়ির | লোক সংখ্যা-১,০৪১ জন এরমধ্যে ৫০৯ জন শহর ও বিদেশে বাস করে আর গ্রামে বাস করে |
| লোকসংখ্যা-১০-০৮-২০১৬ | ৫৩২ জন | বাঞ্ছারামপুর থানার ১২৪টি গ্রামের মধ্যে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন |
| তারিখ পর্যন্ত | (আলমগীর)-এর জানামতে আর কোন বংশে এত লোক জন্মগ্রহণ করেনি এবং এত লোক আর |
| কোন বংশে বেঁচেও নেই এবং বাঞ্ছারামপুর থানায় আর দ্বিতীয়টি নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ীর আবদুল্লাহ ডিপুটির তৃতীয় ছেলে |
| প্রথম সেনাবাহিনী কর্মকর্তা | ব্রিগেইডার (অবঃ) রেযা | উনার জন্ম-১৯১৮ সালে | উনি ১৯৪১ সালে কমিশন পান |
| (বৃটিশ আর্মীেত) |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর | ফরদাবাদ গ্রামের গফুর দারোগার বড় ছেলে মেজর জেনারেল এম. এ. জলিল(বাচ্চু) |
| মধ্যে দ্বিতীয় সেনাবাহিনী | উনি ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন এবং ১৯৮২ সালে |
| কর্মকর্তা | পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করে পাকিস্তানে বসবাস করেন | উনার |
| জন্ম-১৯৩৩ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | নগরিরচর গ্রামের অধিবাসী মেজর জেনারেল (অব.) শিকদার মোঃ |
| সর্বোচ্চ পদে সেনাবাহিনীর | শাহাবুদ্দীন, পি.এস.সি.জি. | উনার জন্ম-১৯৫০ সালে |
| কর্মকর্তা ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | বাঞ্ছারামপুর গ্রামের ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মুল্লুক হোসেনের |
| সর্বোচ্চ পদে নৌবাহিনীর | (জন্ম-১৯০১ সালে, মৃত্যু-০৭-১২-১৯৯৫ সালে) পুত্র রিয়ার এডমিরাল |
| কর্মকর্তা ছিলেন: | (অবঃ) আমির আহমেদ মোস্তফা | তিনি বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী প্রধান |
| ছিলেন | উনার জন্ম-১৯৩৮ সালে |
| এ থানার মধ্যে প্রথম বিমানবাহিনী | বাঞ্ছারামপুর থানার ফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী উইং কমান্ডার (অবঃ) |
| কর্মকর্তা | নেহাল ফজলে বাকী | উনার জন্ম-১৯১৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৩ সালের |
| আগস্ট মাসে মারা গেছেন |
| এ থানার মধ্যে প্রথম সর্বোচ্চ | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ির মরহুম সুন্দর মিঞা দিওয়ানের ছেলে |
| বিমানবাহিনী কর্মকর্তা ছিলেন | গ্রুপ ক্যাপটেন (অব.) ডা. নিজাম উদ-দীন (মাজহারুল হক) | উনার |
| জন্ম-১৯৪০ সালে |
| এ থানার মধ্যে সর্বোচ্চ পদে | বাঞ্ছারামপুর থানার দুর্গাপুর গ্রামের গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোঃ এমদাদ মিঞা, |
| বিমানবাহিনী কর্মকর্তা আছেন | বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে কর্মরত ০২-১০-২০০৬ তারিখ পর্যন্ত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দশদনা গ্রামের অধিবাসী সার্জেন্ট মোঃ রফিকুল ইসলাম, বীর প্রতীক |
| বীর প্রতীক উপাধি পান | বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে চাকুরী করা অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ |
| করায় তাঁকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয় |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান-এর তৃতীয় ছেলে জনাব |
| সি. এ. পাশ লোকটি | মোঃ ইকবাল হোসেন (ইকবাল মামা) | উনার জন্ম-১৯৩৮ সালে | বর্তমানে |
| তিনি কানাডাতে বসবাসরত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | ভেলানগর বড়বাড়ির জনাব এ.কে.এম. আবদুল হাকিম (হাকিম ভাই) | উনার |
| সি. এ. পাশ লোকটি | জন্ম-১৯৩৯ সালে | বর্তমানে তিনি নিউইয়ের্ক বসবাসরত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ফরদাবাদ গ্রামের জনাব নেহাল ফজলে বাকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে |
| এম.এস-সি. পাশ লোকটি | ১৯৪১ সালে বি. এস-সি. (সম্মান) ও আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে |
| ১৯৪২ সালে এম.এস-সি.তে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন ১৯৪৩ |
| সালে | উনি স্বর্ণপদক বিজয়ী ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব আবদুল মোমেন, ডি. জি. এম. (অব.), |
| এম. কম. পাশ লোকটি | বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক | ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.কম. |
| পাশ করেন | উনার জন্ম-১৯৩৩ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | পাইকারচর গ্রামের সরকার মোঃ আবদুস সোবহান ও সোনারামপুর |
| এম. বি. এ. পাশ লোক ২টির নাম | গ্রামের জনাব মোঃ নাজমুল আলম | ওরা দু'জন একই বছরে বি.এস-সি., |
| এম.বি.এ. পাশ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট |
| থেকে ১৯৭২ সালে | উভয়ে ব্যাংকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে বাঁশগাড়ি গ্রামের মরহুম আবুল খায়ের আহমেদ, লন্ডনে |
| পররাষ্ট্র বিভাগে ছিলেন | পাকিস্তান দূতাবাসে ৩য় সচিব হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় চাকুরি |
| ছেড়ে দিয়ে লন্ডনে বসবাস করেন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম পররাষ্ট্র | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মুসলেহ উদ-দীন আহমেদ, সচিব (অব.) |
| বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | উনি ফরাসী দেশে ইকোনমিক মিনিষ্টার এবং পরে রাষ্ট্রদূত ছিলেন |
| থানাবাসীর মধ্যে আরো একজন | ভেলানগর বড়বাড়ির অধিবাসী মালিক মোঃ শাহনূর (শ্যামল), স্পেনে |
| পররাষ্ট্র বিভাগে ছিলেন | বাংলাদেশের অর্থৈনতিক মিনিষ্টার (যুগ্ম-সচিবের পদ মর্যাদা সম্পন্ন) পদে |
| নিয়োজিত ছিলেন | তাঁর জন্ম-১৯৫৪ সালে |
| এ থানার কৃষি বিভাগে | দূর্গারামপুর গ্রামের ড. আবদুল আলীম, পিতা-মরহুম মুনশি আমিনউদ্দিন | কৃষি |
| সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | বিজ্ঞানে তিনি বাঙ্গালী মুসলমানের মধ্যে বাংলাদেশে কৃষি বিজ্ঞানে প্রথম ডক্টরেট | উনার |
| জন্ম-১৯১৩ সালের ১ অক্টোবর, দূর্গারামপুর গ্রামের ড. আবদুল আলীম, |
| মৃত্যু-০৯-০৭-২০১১ তারিখ বেলা ১২.২৩ মিনেটের সময় হাসপাতালে |
| এ থানার কৃষি বিজ্ঞানে | পাড়াতলি গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ড. আবদুল করিম(তিতু মিয়া), ময়মনসিংহ কৃষি |
| আরো একজন পন্ডিত | বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করা অবস্থায় (উনার জন্ম-১৯২৯ সালে, মৃত্যু-১৯৭৫ সালের ২৪ |
| ছিলেন | ডিসেম্বর) লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে অকালে মৃত্যুবরণ করেন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম উচ্চ | বাখরনগর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবদুল হামিদ, বি.এস-সি., বি.টি. |
| বিদ্যালয়ের বি. এস-সি. শিক্ষক | (ই.পি.ই.এস.) | উনার জন্ম-১৯০৩ সালে, মৃত্যু-জানা নেই |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম পশু বিভাগে | উলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী আল-হাজ্জ ডা. আবদুল আউয়াল, চাকুরি |
| সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | থেকে অবসর গ্রহণ করেন ১৯৬৭ সালে | উনার জন্ম-১৯০৬ সালে, |
| মৃত্যু-২৪-০৩-১৯৮৩ তারিখ |
| থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | বাঁশগাড়ি গ্রামের অধিবাসী ডা. আলী আজগর ১৯৪৮ সালে বাঙ্গালীর মায়ের ভাষা |
| ভাষা সৈনিক-এর নাম | বাংলাকে রক্ষা আন্দোলনের একজন প্রত্যক্ষ সৈনিক ছিলেন | তিনি ১৯৪৮ সালে ঢাকা |
| কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন | উনার জন্ম-১৯২৫ সালে |
| থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | বাঁশগাড়ি গ্রামের অধিবাসী ডা. আলী আজগর-এর স্ত্রী বেগম দিলবরেন্নেসা | বেগম |
| মহিলাদের মধ্যে এম. এ., | দিলবরেন্নেসা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সৈনিক ছিলেন | উনার জন্ম-১৯৩৩, |
| এল. এলবি. | মৃত্যু-০২-১১-১৯৯৫ তারিখ |
| এ থানাবাসীর মধ্যে | মানিকপুর গ্রামের অধিবাসী জনাব এম. এ. জাহের | তিনি আন্তর্জািতক খ্যাতি অর্জণ |
| প্রথম ভূতত্ত বিভাগে | করেছেন এবং বিশ্ব বিজ্ঞান সংস্থা তাঁকে সম্মাণিত করেছেন তাঁর আবিস্কৃত একটি নতুন |
| সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | মিনারেলকে জাহেরাইট নামকরণ করে | সারা বিশ্বের মধ্যে তিনিই একমাত্র মুসলিম ও দক্ষিণ |
| এশিয়ার একমাত্র ব্যক্তিত্ত্ব যার নামে একটি মিনারেলের নামকরণ করা হয়েছে | উনার |
| জন্ম-১৯৩২ সালে |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম আইন | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ড. এ. ডবিস্নও. এম. আবদুল হক | উনার |
| বিষয়ের ওপর ডক্টরেট | জন্ম-১৯৩১ সালে |
| এ থানাবাসীর মধ্যে | উলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ডক্টর এ. এইচ. এম. হাবিবুর রহমান, ১৯৫৩ সালে |
| প্রথম ব্যক্তি যিনি | সলিমগঞ্জ স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন | তিনি ১৯৫৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় |
| সুদীর্ঘকাল অধ্যাপক | হতে এম.কম. পাশ করেন এবং উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়েই রিডার পদে যোগদান করেন ৩ |
| হিসেবে ঢাকা | ফেব্রুয়ারি, ১৯৭০ সালে | উনি ১৯৭৮ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত লাভ করেন | সুদীর্ঘ |
| বিশ্ববিদ্যালয়ে | ২৮-বছর যাবত অধ্যাপক হিসেবে চাকুরী করে গত ৩০-০৬-২০০৬ তারিখ অবসর-এ যান এবং |
| চাকুরী করে অবসরে | সংখ্যাতিরিক্ত হিসেবে আরও ৫ বছর অধ্যাপনার সুযোগ পেয়েছেন | বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর |
| যান- | মধ্যে আর কেউ এখন পর্যন্ত(৩০-০৬-২০১১ তারিখ) মানে ৩৩ বছর পর্যন্ত অধ্যাপক হিসেবে |
| এত বছর অধ্যাপনা করেননি | তিনি বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম ইন্ডাজষ্ট্রিয়াল ফিন্ন্যাসে ডক্টরেট |
| ডিগ্রি করেন | উনার জন্ম-১৯৩৫ সালে |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তি | উলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোহাম্মদ মোহাদ্দেস, মহা-পরিচালক |
| বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ক্যাডার | পদে কর্মরত ছিলেন | উনার জন্ম-১৯৪৪ সালে |
| সার্ভিেস সর্বোচ্চ পদে ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে এবং | পূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী ডাক্তার আনসার আলী | তিনি বৃহত্তর কুমিল্লা |
| বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার মধ্যেও প্রথম | জেলার প্রথম মুসলমান এম.বি. (বর্তমান এম. বি. বি.এস.-এর সমান) |
| চিকিৎসক ছিলেন | উনার জন্ম-১৮৯২ সালে, মৃত্যু-১০-১২-১৯৭১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ডা. এ. এম. মোশতাকুল হক | তিনি চিকিৎসা |
| চিকিৎসক ছিলেন | বিভাগের সর্বোচ্চ পরিচালকের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন | উনার |
| জন্ম-১৯১৮ সালে, মৃত্যু-২২-০১-১৯৯৪ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | রূপসদী গ্রামের অধিবাসী খান বাহাদুর তুজাম্মেল আলী (মোঘল মিঞার) |
| বক্ষব্যাধি চিকিৎসক ছিলেন | ছোট ছেলে ডা. এ. কে. এম. ডি. আহসান আলী (অরুণ) | উনার |
| জন্ম-১৯৩৩ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | পূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী মরহুম ক্যাপটেন ডা. আবদুল গফুর-এর বড় |
| লিভার ডিজিজের ওপর বিশেযজ্ঞ | ছেলে ডা. আহম্মদ নূরুল আলম, এম.বি.বি.এস.(ঢাকা), লিভার ডিজিজের |
| চিকিৎসক | ওপর পি.এইচ.ডি. করেছে লন্ডন কিং কলেজ হসপিটাল থেকে ১৯৭৬ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দূর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট আবদুল লতিফ সাহেবের |
| র্সবোচ্চ পদে মহিলা চিকিৎসক | কন্যা প্রফেসর ডা. নাজমুন নাহার, এফ.আর.সি.এস., শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া ভাইয়ের |
| চর্মেরাগ বিশেষজ্ঞ মহিলা চিকিৎসক | দ্বিতীয় মেয়ে মিসেস ডা. যাকিয়া মাহফুজা হাসান | তার জন্ম-১৯৫১ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | পূর্বহাটী গ্রামের ডা. ক্যাপ্টেন আ. গফুর | উনি বৃটিশ আর্মিেত চাকুরী |
| এল.এম.এফ. চিকিৎসক ছিলেন | করতেন | উনার জন্ম-১৯০১ সালে, মৃত্যু-১৯৪৫ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | কৃঞ্চনগর গ্রামের অধিবাসী ডা. ইয়াকুব আলী, ১৯২৩ সালে ম্যাট্রিকুলেশন |
| এল.এম.এফ. চিকিৎসক ছিলেন | পরীক্ষায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৩তম স্থান অধিকার করেন এবং ১৯৩০ |
| সালে এল.এম.এফ. পাশ করেন | উনার জন্ম-১৯০৩, মৃত্যু-০৩-০২-২০০০ |
| তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিভেলানগর গ্রামের অধিবাসী ডা. নাসিরউদ্দিন | উনার জন্ম-১৮৯৮ সালে, |
| হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ছিলেন | মৃত্যু-১০-০২-১৯৬২ তারিখ | বাসার ঠিকানাঃ-৩৭, আল আমিন রোড, |
| কাঠালবাগান, গ্রীণ রোড, ঢাকা | ১৯১৯ সালের ম্যাট্রিকুলেশন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | উজানচর গ্রামের অধিবাসী নোয়াব আলী কবিরাজ | উনার জন্ম-১৮৯৫ সালে, |
| কবিরাজ চিকিৎসক ছিলেন | মৃত্যু-১৯৮০ সালে | নোয়াব আলী কবিরাজ হলো খোশকান্দি গ্রামের |
| অধিবাসী আবদুল মজিদ মাষ্টারের শ্বশুর | মজিদ মাষ্টারের জন্ম-১৯১২ সালে, |
| মৃত্যু-০৫-০৬-১৯৮১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিয়াদেীলত গ্রামের অজী বাড়ির অধিবাসী মোহাম্মদ জারু হেকিম | উনার |
| হেকিমী চিকিৎসক ছিলেন | জন্ম-১৯০০ সালে, মৃত্যু-জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ভেলানগর গ্রামের রুপ মিয়া খলিফার বাবা আফাজুদ্দিন খলিফ | উনার |
| খলিফা (কাপড় সেলাই) ছিলেন | জন্ম-১৮৮০ সালে মৃত্যু-১৯৪৯ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে খলিফা | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী মোঃ আফাজউদ্দিন খলিফা | উনার জন্ম-১৮৮২ |
| (কাপড় সেলাই) ছিলেন | সালে, মারা গেছেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী মোঃ মইজউদ্দিন আমীন | উনার জন্ম-১৮৮৫ |
| আমিন (জমি মাপার) ছিলেন | সালে, মৃত্যু-জানা নেই | উনার ছেলের নাম জনাব আবদুল মান্নান, কাষ্টম |
| অফিসার ছিলেন | উনার জন্ম-১৯১৪ সালে, মৃত্যু-১৯৮৫ সালে | উনার মেয়ের |
| স্বামী হলো ভূমি প্রতিমন্ত্রী উকিল আবদুস সাত্তার ভূইয়া |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদের | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা মতে বাঞ্ছারামপুর |
| মধ্যে সবচেয়ে উঁচু লোকটি কোন | থানার পূর্বহাটি গ্রামের মধ্যপাড়ার জনাব আদম আলীর ছেলে মোহাম্মদ |
| গ্রামের | বিল্লাল হোসেন | তার উচ্চতা ৬(ছয়) ফুট ২(দুই) ইঞ্চি | তারমত উচ্চতা |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদের মধ্যে আর দ্বিতীয়টি আছে বলে |
| আমার জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদের | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা মতে বাঞ্ছারামপুর |
| মধ্যে দ্বিতীয় উঁচু লোকটি কোন | থানার দরিকান্দি গ্রামের পুস্তুক পাবলিশার্স মোহাম্মদ শাহজাহান |
| গ্রামের | আবদালী | তার উচ্চতা ৬(ছয়) ফুট ১.৫(দেড়) ইঞ্চি |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদের | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা মতে বাঞ্ছারামপুর |
| মধ্যে সবচেয়ে বেটে লোকটি কোন | থানার দরিভেলানগর গ্রামের লায়মন বিবি | তার উচ্চতা ৩০(ত্রিশ) ইঞ্চি |
| গ্রামের | তারমত বেটে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা মতে |
| বাঞ্ছারামপুর থানায় আর দ্বিতীয়টি আছে বলে জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবতদের | বাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৫টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে |