২০০৯ সালের ১২ নভেম্বর, প্রথম আলো: চলতি ২০০৯-২০১০ অর্থবছরের বাজেটে সরকার বেতন-ভাতা খাতে বরাদ্দ রেখেছে ১৫ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা। এর বাইরে নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের জন্য থোক বরাদ্দ রাখা ছিল তিন হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা। নতুন কাঠামো অনুযায়ী কেবল বেতন খাতেই বাড়তি ব্যয় হবে তিন হাজার ৫৭০ কোটি টাকা। তবে ভাতা কার্যকর হবে আগামী ২০১০-২০১১ অর্থবছর থেকে। এ জন্য ব্যয় করতে হবে আরও দুই হাজার ৬৫২ কোটি টাকা। সরকারের মোট রাজস্ব বাজেটের মধ্যে বেতন-ভাতা খাতে ব্যয় হয় সাড়ে ১৯ শতাংশ। নতুন বেতনকাঠামোর কারণে এ হার বেড়ে ২২ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে। অর্থাৎ সরকার প্রতিবছর যে অনুন্নয়ন ব্যয় করছে, তার প্রায় এক-চতুর্থাংশই ব্যয় হবে কেবল সরকারি কর্মকর্তা-কর্সচারীদের বেতন দিতে। অর্থমন্ত্রী এ. এম. এ. মুহিত বলেন প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে তুলনা করলে ঘোষিত বেতনকাঠামো অনেক কম বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। নতুন বেতন নির্ধারণ হওয়ার পর বিচার বিভাগের জন্য থাকছে আরো ৩০ শতাংশ বিশেষ ভাতা। গত চার বছরে দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে প্রায় ৩১ শতাংশ।

।বি.এন.পি. এবং আওয়ামীলীগ আমলের বেতন স্কেলের তারতম্য হিসেব নিম্নে দেয়া হলো:।

।জাতীয় বেতন স্কেল গ্রেড ভিত্তিক বৃদ্ধির হার:।

গ্রেডবি.এন.পি. ১৯৯১আওয়ামী লীগ ১৯৯৭গ্রেডবি.এন.পি. ১৯৯১আওয়ামী লীগ ১৯৯৭
৬৬.৬৬%৫০%১১৭২.৫০%৪৭.৮২%
৫০.৮৭%৫০%১২৭২.২২%৫৩.২২%
৬৪.২১%৫০%১৩৭৩.৫২%৫২.৫৪%
৬৯.০৪%৫০%১৪৭১.৮৭%৫২.৭২%
৭০.১৭%৫০.৭৯%১৫৭৩.৩৩%৫১.৯২%
৭১.২৪%৫০%১৬৭১.৪২%৫৬.২৫%
৭০.৮৩%৫০%১৭৭৩.০৭%৫৫.৫৫%
৭২.৯৭%৫০%১৮৭৫%৫৪.৭৬%
৭৮.১২%৫০.৮৭%১৯৭৭.২৭%৬০%
১০৭০.৩৭%৪৭.৮২%২০৮০%৬৬.৬৬%

২০১০ সালের ৪ মার্চ, প্রথম আলো: রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীদের, প্রতিমন্ত্রীর, উপমন্ত্রীর ও সাংসদদের বেতন-ভাতা বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে। রাষ্ট্রপতির মূল বেতন ৩৩,৪০০ হাজার থেকে ৬১,২০০ হাজার টাকা করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ৩২,০০০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫৮,৫০০ টাকা করা হয়েছে, মন্ত্রীদের ২৯,০০০ হাজার থেকে ৫৩,০৭০ টাকা করা হয়েছে, প্রতিমন্ত্রীদের ২৬,১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৭,০০০ হাজার করা হয়েছে, উপমন্ত্রীদের ২৪,৬৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৫,২০০ টাকা করা হয়, স্পিকারের ৩১,২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৭ হাজার টাকা করা হয়, ডেপুটি স্পিকারের ২৯ হাজার থেকে ৫৩,০৭০ হাজার টাকা, সংসদ উপনেতার ২৯ হাজার থেকে ৫৩ হাজার টাকা, হুইপের ২৬ হাজার থেকে ৪৯,৪১০ টাকা কার প্রস্তাব করা হয়েছে ও বর্তমানে একজন সাংসদ মাসিক ১৫ হাজার টাকা সম্মানীসহ ৩৪,২০০ টাকা পান। প্রস্তাবিত বেতন-ভাতা কার্যকর হলে সব মিলিয়ে পাবেন মাসে প্রায় ৬০ হাজার টাকা এবং এর বাইরে গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রতি মাসে আরও ৪০ হাজার টাকা পাবেন।

২০১৪ সালের ৩ এপ্রিল, দৈনিক জনকন্ঠ: সরকারী কর্মকর্তােদর নতুন বেতন-স্কেল আগামী অর্থবছরে ২০১৪-২০১৫ সালের জুলাই থেকে কার্যকর হবে-প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, বেতন ও চাকরি কমিশনের সুপারিশ পেলে আগামী অর্থবছরে প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য নতুন বেতন-ভাতার স্কেল ঘোষণা করা সম্ভব হবে। অন্তবর্তীকালীন ব্যব্‌স্থা হিসেবে সরকার ২০১৩ সালের ১ জুলাই থেকে ২০ ভাগ মহার্ঘ ভাতা চালু করেন। ৩১-০৩-২০১৪ তারিখ সোমবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সেলিম উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ তথ্য জানান।

২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর, প্রথম আলো : ৫০% পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ। জাতীয় চাকরি ও বেতন কমিশনের প্রস্তাব-সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের বিমাসুবিধার আওতায়আনার সুপারিশ। বেতন কমিশন গঠিত হয় ২৪-১২-২০১৩ তারিখ এবং ২১ ডিসেম্বর পে-কমিশনের রিপোর্ট অর্থমন্ত্রীর কাছে পেশ। ১৭ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। ৮৬,০০০:৮,২৫০=১০.৪২:১ ও ৮২,০০০:৮,২৫০=৯.৯৪:১ ভাগ। ৭৮,০০০: ৮,২৫০=৯.৪৫:১ ভাগ। কেবিনেট সচিব, মূখ্য সচিব=৮৬,০০০ ও সিনিয়র সচিবদেরকে ৮২,০০০/- আরো চার হাজার টাকা ভাতা হবে সচিবদেরকে।

২০১৪ সালের ২২ ডিসেম্বর, প্রথম আলো : সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী প্রায় ১৪ লাখ। কিছু নতুন সুপারিশ : এবারের প্রতিবেদনে নতুন কিছু সুপারিশ এসেছে। মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বলেন, অন্যতম সুপারিশ হচ্ছে শ্রেণি বাদ দেওয়া। বর্তমানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিজীবীরা কর্মকর্তা বলে পরিচিত। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা পরিচিত কর্মচারী হিসেবে। সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাতিল করেছে। নতুন ব্যবস্থাটি হতে পারে পদোন্নতির মাধ্যমে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ১৫ বছরে দ্বিগুণ হতে হবে। স্বেচ্ছা অবসরের বয়স ২৫ বছরের পরিবর্তে ২০ বছর করা হয়েছে। বর্তমানে পিআরএল এর পরিবর্তে আবার এলপিআর পদ্ধতিতে যাওয়া যেতে পারে। তাঁদের পেনশনের পরিমাণ ৮০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০ শতাংশে। যারা সচিব হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত, তাঁদের নীতিনির্ধারণী ও সমন্বয়ের কাজে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হয়। এর স্বীকৃতিস্বরুপ ৫ শতাংশ হারে অর্থাৎ তাঁদের আরও চার হাজার টাকা অতিরিক্ত বেতনের সুপারিশ করা হয়।

২০১৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর, প্রথম আলো : জাতীয় বেতন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী অষ্টম বেতন কমিশন কার্যকর করতে গেলে সরকারের বাড়তি খরচ হবে ২১ হাজার কোটি টাকা। বেতন-ভাতা বাবদ বর্তমানের তুলনায় ৬৩ দশমিক ৭ শতাংশ ব্যয় বাড়বে। চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ও ভাতার জন্য ২৮ হাজার ৭০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে কর্মকর্তােদর বেতন-৩ হাজার ১৭ কোটি টাকা, প্রতিষ্ঠান কর্মচারীদের জন্য বেতন-১০ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকা এবং ভাতা বাবদ বরাদ্দ ১৫ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বেতন, ভাতা ও পেনশন দিতে সরকারের ৬০ হাজার কোটি টাকা সরকারকে খরচ করতে হবে।

২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর, প্রথম আলো : পেনশনের নতুন হার : চাকরির বয়স ৫ বছরের ক্ষেত্রে পেনশনের হার শেষ বেতনের ২০ শতাংশ সুপারিশ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৬ বছরের ক্ষেত্রে ২৪, ৭ বছরের ক্ষেত্রে ২৮, ৮ বছরের ক্ষেত্রে ৩২, ৯ বছরের ক্ষেত্রে ৩৬, ১০ বছরের ক্ষেত্রে ৪০, ১১ বছরের ক্ষেত্রে ৪৪, ১২ বছরের ক্ষেত্রে ৪৮, ১৩ বছরের ক্ষেত্রে ৫২, ১৪ বছরের ক্ষেত্রে ৫৬, ১৫ বছরের ক্ষেত্রে ৬০, ১৬ বছরের ক্ষেত্রে ৬৪, ১৭ বছরের ক্ষেত্রে ৬৮, ১৮ বছরের ক্ষেত্রে ৭২, ১৯ বছরের ক্ষেত্রে ৭৬, ২০ বছরের ক্ষেত্রে ৮০, ২১ বছরের ক্ষেত্রে ৮২, ২২ বছরের ক্ষেত্রে ৮৪, ২৩ বছরের ক্ষেত্রে ৮৬, ২৪ বছরের ক্ষেত্রে ৮৮ এবং ২৫ বছর ও তার বেশির ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশ।

নতুন সুপারিশে বাধ্যতামূলকভাবে সমর্পিত ৫০ শতাংশ পেনশনের ক্ষেত্রে আনুতোষিকের হার করা হয়েছে ৫ বছর বা তার বেশি এবং ১০ বছরের কম সময়ের ক্ষেত্রে প্রতি ১/- টাকায় ২৭৫/- টাকা। ১০ বছর বা তার বেশি এবং ১৫ বছরের কম সময়ের ক্ষেত্রে প্রতি ১/- টাকায় ২৬০/- টাকা। ১৫ বছর বা তার বেশি এবং ২০ বছরের কম সময়ের ক্ষেত্রে প্রতি ১/- টাকায় ২৪৫/- টাকা এবং ২০ বছর বা তার বেশি সময়ের ক্ষেত্রে প্রতি ১/- টাকায় ২৩০/- টাকা।

বর্তমানে ছিল : পেনশনের ৫০ শতাংশ বাধ্যতামূলক সমর্পেণর ক্ষেত্রে আনুতোষিকের হার ১০ বছর বা এর বেশি এবং ১৫ বছরের কম সময়ের ক্ষেত্রে প্রতি ১/- টাকায় ২৬০/- টাকা। ১৫ বছর বা এর বেশি এবং ২০ বছরের কম সময়ের ক্ষেত্রে প্রতি ১/- টাকায় ২৪৫/- টাকা এবং ২০ বছর বা এর বেশি সময়ের ক্ষেত্রে প্রতি ১/- টাকায় ২৩০/- টাকা।

২০১৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, মন্ত্রীপরিষদ বৈঠকে ৮ম জাতীয় বেতন কমিশনের রিপোর্ট: গত ১লা জুলাই, ২০১৫ তারিখ থেকে কার্যকরী করেছে-হাসিনা বলেছিল সংসদে আগামী ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে ৮ম বেতন কমিশনে বেতন পাবেন সবাই। তারপর আবার বলেছিল সংসদে দাঁড়িয়ে ২০১৫ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকরী করব। তাঁদের কথা এবং কাজ যদি ঠিক না হয় তা'হলে রাষ্ট্রের কাজ তারা কীভাবে ঠিকভাবে করবে।

২০১৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো : ২১ লাখ চাকরিজীবীর বেতন বাড়ল। এর মধ্যে বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩০(ত্রিশ) হাজার এবং প্রায় পৌঁনে ৫ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত। ১লা জুলাই, ২০১৫ তারিখ থেকে বেতন বৃদ্ধির ফলে চলতি অর্থবছরে সরকারের অতিরিক্ত খরচ হবে ১৫ হাজার ৯০৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এই অর্থবছরে বেতন-ভাতা খাতে ৬০ হাজার ৩৫৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা লাগবে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বেতনের সাথে ভাতা যুক্ত হওয়ায় আগামী ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে অতিরিক্ত খরচের পরিমাণ হবে-৯ হাজার ৮২৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। তখন জাতীয় বেতন স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে মোট খরচ হবে-৬৯ হাজার ৯১৮ কোটি টাকা। ২০(বিশ) থেকে ৬ষ্ঠ গ্রেড পর্যন্ত মূল বেতনের ৫% ০১-০৭-২০১৫ তারিখ থেকে কার্যকর হবে। ৫ম গ্রেড মূল বেতনের ৪.৫% পাবেন, তিন ও চার নম্বর গ্রেড পাবেন-৪%, ২ নম্বর গ্রেড পাবেন-৩.৭৫% ও ১ নম্বর গ্রেড প্রবৃদ্ধি হবে না। বাংলা নববর্ষে মূল বেতনের ২০% ভাতা পাবেন সবাই। এ খাতে সরকারের খরচ হবে-৫৫০ কোটি ১৮ লাখ টাকা। সচিব কমিটিও মনে করে, দেশের ৫ লাখ ২০ হাজার পেনশনভোগীর পেনশন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অর্থ বিভাগের আওতায় একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান বা দপ্তর সৃষ্টি করা যেতে পারে। পেনশন খাতে অতিরিক্ত অর্থ লাগবে ৩ হাজার ৬৯১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। অন্যান্য ভাতা প্রসঙ্গ : কর্মচারীদের গৃহনির্মাণ ঋণ ছিল ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা একই রাখা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কর্মচারীদের বক্তব্য হচ্ছে, সরকারি কর্মকর্তােদর বিনা সুদে ৪৫ লাখ টাকা গাড়ি কেনার জন্যঋণ দেওয়া হয় এবং সেটি রক্ষণাবেক্ষণে তাঁরা ৪৫ হাজার টাকা পান। কিন্তু কর্মচারীদের গৃহনির্মাণ ঋণ থাকছে, যা বৈষম্যমূলক। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গৃহঋণ ও গাড়ি কেনার ঋণ যেমন আছে, তেমনই থাকবে। তবে এগুলো পর্যােলাচনা করে দেখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

২০১৫ সালের ২০ অক্টোবর, প্রথম আলো: রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীসহ ১৫ সাংবিধানিক পদে বেতন প্রায় দ্বিগুণঃ নতুন বেতন-ভাতার প্রস্তাব অনুমোদন। (১) রাষ্ট্রপতি আগে পেতেন-৬১ হাজার ২০০ আর নতুন ১ লাখ ২০ হাজার। প্রধানমন্ত্রী-আগে ৫৮ হাজার ৬০০ নতুন ১ লাখ ১৫ হাজার। স্পিকার আগে-৫৭ হাজার ২০০ নতুন-১ লাখ ১২ হাজার। প্রধান বিচারপতি আগে-৫৬ হাজার নতুন ১ লাখ ১০ হাজার।

২০১৬ সালের ৮ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ৮ম বেতন স্কেলে বেতন নিয়ে স্বস্তির বদলে অস্থিরতা: প্রজাতন্ত্রের ১২ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ব্যাংক, বিমা, বিশ্ববিদ্যালয় ও স্বাত্তশাসিত সব প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে প্রায় ২১ লাখ। ২১ লাখের একটি বড় অংশ এখন পর্যন্ত ক্ষুব্ধ বা অসন্তুুষ্ট। তবে এদের মধ্যে এমপিওভুক্ত (বেতনের শুধু সরকারি অংশ পাওয়া) পাঁচ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর অসন্তোষ কমেছে।

আন্দোলনে থাকা সরকারি ও স্বাত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংখ্যা-১২,০৪৭ জন, সরকারি কলেজের শিক্ষকের সংখ্যা-(শিক্ষা ক্যাডার) ১২ হাজার। এ ছাড়া প্রকৌশলী, কৃষিবিদ, চিকিৎসকসহ ২৬ ক্যাডারে আছেন প্রায়-১ লাখ। এর বাইরে প্রশাসন ক্যাডারে আছেন-৫ হাজার ৪৫১ জন কর্মকর্তা, যাঁদের মধ্যে জাতীয় বেতন স্কেল নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে।

।স্মরণীয় বাণী:।

পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব ২,৪০,০০০(দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার) মাইল দূর।

অতএব এ পৃথিবী এবং পৃথিবীর এ মানুষ থাকছে, থাকবে।

পৃথিবীর পৃষ্ঠের মোট আয়তন ৫১,০১,০০,৫০০ বর্গিকলোমিটার।

পৃথিবী ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডে সূর্যেক একবার প্রদক্ষিণ করে।

এ সময়ে পৃথিবীর গতিবেগ থাকে প্রতি ঘন্টায় ১,০৭,২২৬ কিলোমিটার।

পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর ২৩-ঘন্টা ৫৬ মিনিট একবার আবর্তন করে।

পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দুরত্ব: ৪,৮৪,৪০০ কিলোমিটার।

পৃথিবীর জীবন্ত আগ্নেয়গিরির সংখ্যা-৪৮৬টি।

মুঘল শাসনামলে বাংলাসুবা ১৯টি সরকারে বিভক্ত ছিল।

মুঘল আমলে বাংলা সুবার মোট ৬৮২টি পরগনা ছিল।

ষোড়শ শতকে ইউরোপে ধনতন্ত্রের আবির্ভাব লগ্ন থেকেই শ্রমজীবী মানুষদের লড়াই করতে হয়েছে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে এবং নিজেদের অধিকারের ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করতে।

ষোড়শ শতকে শেরশাহ তার প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে এবং ঘোড়ার ডাকের প্রচলনের সুবাদে দিল্লী (পাঞ্জাবের অধীনে ছিল) থেকে সোনারগাঁও পর্যন্ত প্রায় ১,৭০০(এক হাজার সাতশত) মাইল দীর্ঘ একটি রাজপথ নির্মাণ করেছিলেন। ইতিহাসখ্যাত এ পথের নাম গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড। সোনারগাঁওয়ের আমিনপুর থেকে শুরু হয়ে মেঘনা পাড় হয়ে রাজপথ কামরুপ হয়ে দিল্লী পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। সোনারগাঁওয়ের আমিনপুর হয়ে মোগড়াপাড়ার সামনে দিয়ে উদ্ধবগঞ্জ বাজার থেকে বৈদ্যের বাজার পর্যন্ত কেবল এ রাস্তাটির অস্তিত্ব টিকে আছে। ক্রমাগত নদী ভাঙ্গন এবং ভূমির বিবর্তেনর ফলে গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোডের অস্তিত্ব এখন খুঁজে পাওয়া দুস্কর। কলকাতা থেকে দিল্লী(তখন পাঞ্জাব প্রদেশের অধীনে দিল্লী ছিল) পর্যন্ত এখনও গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড চালু আছে।

পশ্চিমবাংলার নীলমনি মিত্র, প্রথম ডিগ্রীধারী বাঙালী ইঞ্জিনিয়ার। ১৮৯৪ সালের ২ আগস্ট, প্রথম বাঙালী স্থপতি নীলমনি মিত্রের মৃত্যু।

এ যাবতকালের ইতিহাসই শ্রেণী সংগ্রামের ইতিহাস। না, আদিম সাম্যবাদী সমাজ বাদে শ্রেণী সংগ্রামের ইতিহাস।-এঙ্গেলর্স।

আর সাধারণ শ্রেণী কি? সমাজের একাংশের শ্রমকে অপর অংশ আত্মসাৎ করতে পায় যাতে তাই হল শ্রেণী। ভ. ই. লেনিন-পৃষ্ঠা-১৮৩ রচনা সংকলন-৪র্থ খন্ড।

পৃথিবীর সকল সম্পত্তিতে সকল মানুষের অধিকার সমান।-লেনিন।

বিজ্ঞানীদের তথ্য: চা পানে বার্ধক্য কমায়।

বিশ্বে সিগারেট তৈরী হয় ১২০টি দেশে।

বিশ্বের ৯টি দেশ পারমাণবিক শক্তিধর; মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১০(দশ) হাজার এবং ইসরাইলের ৪০০(চারিশত) পারমাণবিক অস্ত্র আছে।

ইন্দোনেশিয়া-১৩,৬৬৭(তের হাজার ছয়শত সাষস্টি) দ্বীপ নিয়ে গঠিত।

রাশিয়ার স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয়। ভবনটি ৩২-তলা, কক্ষ-৪০ হাজার।

বৃটেন থেকে চীনে ৭,০০০ হাজার মাইল ট্রেন যাত্রার পথ।

বিশ্বের ১০০ ভাগ পানির মধ্যে ৯৪ ভাগ সাগরের; ১ ভাগ নদীর; ২ ভাগ মাটির নীচের; ২ ভাগ হিমালয়-এর বরফ থেকে এবং বাতাস ও জলবায়ু থেকে ১ ভাগ।

সংঘাত ও দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে প্রগতি ঘটে।-কার্ল মাক্র্স।

একটি তিমিমাছের ওজন প্রায়-১৫০ টন; লম্বা প্রায়-১০০ ফুট; বাচ্চার ওজন-১৫০ মন।

৪৩৬(চারশত ছয়ত্রিশ) বর্গফুটে ১(এক) শতক। ১০০(একশত) শতকে এক একর। ২৫০(দুইশত পঞ্চাশ) শতকে ১(এক) হেক্টর। ৬৪০(ছয়শত চল্লিশ) একরে বা ২৫৬(দুইশত ছাপ্পান্ন) হেক্টরে এক বর্গমাইল। ১০,০০০০০(দশ লক্ষে)=১(এক) মিলিয়ন, ১০০(একশত কোটিতে)=১(এক) বিলিয়ন, ১,০০,০০০(এক লক্ষ কোটিতে)=১(এক) ট্রিলিয়ন।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে; এশিয়ার ভবিষ্যৎ ভয়াবহ।

সর্বোচ্চ উচু পর্বেতর নাম হিমালয়; উচ্চতা ২৯,০৩৫ ফুট।

বাংলাদেশে ৭ লক্ষ তাঁতীর মধ্যে ২০০২ সালে প্রায় ৩ লক্ষ তাঁতী আছে।

পৃথিবীতে ৪০,০০০(চল্লিশ হাজার) প্রজাতির চাল আছে!

বাংলাদেশে ১৬০-ধরণের নৌকা আছে।

বাংলা ভাষায় বর্ণের সংখ্যা-৫০টি, বাংলা ভাষায় মাত্রাহীন বর্ণ-১০টি, বাংলা ভাষায় স্বরধ্বনির সংখ্যা-১১টি, বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা-৩৯টি।

নদীভাঙ্গনে বাংলাদেশে বছরে ১০(দশ) লক্ষ লোক ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং ২০০৩ সাল পর্যন্ত ১ (এক) কোটি লোক নদীভাঙ্গনের স্বীকার।