২০১৫ সালের ৯ আগস্ট, প্রথম আলো : সারা দেশে বাস-মিনিবাসের নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে ৬১ হাজার ৫৮৯টি। এর মধ্যে ৪০ হাজার ৮২২টি বাস-মিনিবাস ১০ বছরের পুরোনো। ২০ বছরের পুরোনো বাস-মিনিবাসের সংখ্যা ১৮ হাজার ৫৪টি। বিআরটিএর আরেক হিসাবে দেখা যায়, ১৯৯৫ সালের পর থেকে সারা দেশে বাস-মিনিবাসের নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে ৪৩ হাজার ৫৩৫টি। অথচ এই সময়ে অটোরিকশা ও টেম্পোর নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে-২ লাখ ১৩ হাজার ১৬২টি। কিন্তু সারা দেশে বৈধ-অবৈধ অটোরিকশা, নছিমন, করিমন, ভটভটি ও ইজিবাইক রয়েছে ১৩ লাখের বেশি।
২০১৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো : ঢাকায় প্রতিদিন ৩১৭টি যানবাহনের নিবন্ধন।
২০১৬ সালের ৩০ জুন, বাংলাদেশ প্রতিদিন: রাজধানীতে ৭ লাখ ৫১ হাজার ৭৩০টি যানবাহন চলাচল করে। ৭ লাখ ২৯ হাজার ৯৫৯টি এবং গণপরিবহন ২১ হাজার ৭৭১টি। এর মধ্যে মটর সাইকেল ৪ লাখ ৩ হাজার ৪২টি।
১৯৪৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে টেলিফোনের সংখ্যা ছিল ১,৫০০(এক হাজার পাঁচশত); তন্মধ্যে ঢাকায় ছিল মাত্র ৩০০(তিনশত)। ৩০-৬-২০০২ তারিখের হিসেবমতে বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারী সংযোগসহ টেলিফোন-এর সংখ্যা পনের লক্ষ (এনালগ, ডিজিটাল ও মোবাইলসহ)। ২০০০ সালের ২ এপ্রিল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন-২০০২ সালের মধ্যে প্রতিটি গ্রামে একটি করে টেলিফোন সংযোগ দেয়া হবে। ২০০২ সালের মধ্যে প্রতিটি গ্রামে টেলিফোন সংযোগ দেয়া হয়নি-কিন্তু সভায় এ কথা বলে সকলের হাততালি নিয়েছে। এভাবেই সরকার প্রধানরা বা সরকারের মন্ত্রীরা মানুষকে মিথ্যা আশ্বাস দেয়। আমার জীবনে তাদের কথা এবং কাজের প্রতিফলিত হতে দেখিনি আর বাকী জীবনও দেখবো না। কারণ এ সমাজ ব্যবস্থায় বাওতাবাজি ছাড়া আর কিছুই দিতে পারে না। যে সমাজে কোটি কোটি টাকা খরচ করে ভোট করে-সে সমাজে মানুষ ভাল কিছু আসা করতে পারে না। ২০০৫ সালের হিসাব অনুযায়ী টেলিফোনের সংখ্যা হলো-১(এক) কোটি। বিশ্বে টেলিফোনের সংখ্যা ১৮০(একশত আশি) কোটি। গড়ে ৩.৬১ জনে একটি। বাংলাদেশে ৬.৬৫%; পাকিস্তানে ১৩.৫% ও ভারতে ১৯.৫% লোকের টেলিফোন আছে। ২০০৬ সালের ২৭ জুলাই, মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার তার মেয়াদকালের মাত্র ৪ বছরে টিএন্ডটির ফিস্কড ফোনের সংযোগ ৬ লাখ থেকে ১২ লাখে উন্নীত করেছে। সেই সাথে মোবাইল ফোনের সংযোগ ৫ লাখ থেকে ১(এক) কোটি ৪০(চল্লিশ) লাখে উন্নীত হয়েছে। ২০০১ সালের ১৭ মে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য: বাংলাদেশে প্রতি একশত জনে ১টি টেলিফোন। এ হিসেবে মোট ১৪,৫০,০০০(চৌদ্দ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টেলিফোন আছে। ২০০৩ সালের হিসেব অনুযায়ী-বাংলাদেশে(এনালগ, ডিজিটাল ও মোবাইলসহ) ২২,৫০,০০০(বাইশ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টেলিফোন আছে। ২০০৫ সালের হিসেব অনুসারে-বাংলাদেশে(এনালগ, ডিজিটাল ও মোবাইলসহ) ১(এক) কোটি টেলিফোন আছে। ২০০৭ সালের হিসেব অনুযায়ী-বাংলাদেশে(এনালগ, ডিজিটাল ও মোবাইলসহ) ২(দুই) কোটি টেলিফোন আছে। ২০০৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, জাতিসংঘ থেকে এনা: জেনেভাস্থ জাতিসংঘ টেলিকম্যুনিকেশন এজেন্সি ৪ সেপ্টেম্বর-এ খবর দিয়েছে-বিশ্বে ৪শ' কোটি টেলিফোন আছে-এরমধ্যে ইন্টারন্যাশনাল টেলিকম্যুনিকেশন ইউনিয়নের হিসাব অনুযায়ী ১শ ২৭ কোটি হচ্ছে আবাশিক ও বাণিজ্যিক সংযোগ এবং ২শ ৬৮ কোটি হচ্ছে মোবাইল ফোন। ৩০-০৫-২০০৯ তারিখের হিসেব অনুসারে-বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের সংখ্যা হলো-প্রায় সাড়ে চার কোটি। ২০০৯ সালের ২৭ মে মাসের হিসেব অনুযায়ী পৃথিবীতে ৪৫০ কোটি টেলিফোন অরছে। ১১-০৬-২০১০ তারিখ টেলিফোন: ২ দশমিক ২ শতাংশ মানুষের ল্যান্ডফোনের সংযোগ আছে। তবে মুঠোফোনের সংযোগ আছে ৪৮ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষের।
১৯৯৭ সালের ২৪ মার্চ, গ্রামীণফোন কোম্পানি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ২০০৯-২০১০ থেকে গ্রামীণফোন দেশে সর্বোচ্চ মাসিক আয়কর দিয়েছে ১৫০ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০০৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রামীণফোন জাতীয় কোষাগারে মোট ১৪ হাজার ৭৯০ কোটি টাকা।
১৯৯৭ সালে মুঠোফোনের নেটওয়ার্ক ৩ জেলায় ছিল। ২০০০ সালে ছিল ৩০ জেলায়। ২০০২ সালে ৫০ জেলায় ছিল এবং ২০০৪ সালে ছিল ৬১ জেলায় আর বর্তমানে ২০১৪ সালে ৬৪ জেলায় আছে-১১ কোটি ৮৪ লাখ ৯৩ হাজার।
২০০৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান বলেছেন, 'মোবাইল ফোন কোম্পানীগুলো আমাদের রক্ত চুষে খাচ্ছে। এসব কোম্পানীর সেবাও ভাল নয়। গ্রাহকরা মোবাইল কোম্পানীগুলোর সেবায় সন্তুষ্ট নয়। মোবাইলের কলচার্জ কমানোর জন্য যাতে ব্যবস্থা নেয়া হয় সেজন্য বিটিআরসি'র চেয়ারম্যানকে বলেছি। এরপরও যদি কলচার্জ না কমায় তাহলে আমি নিজেই বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলব।'
২০০৫ সালের ৭ ডিসেম্বর, জাকারিয়া কাজল: মোবাইল ফোন কোম্পানি হিসেবে ধাবি'র ওয়ারিদ টেলিকম অনুমতি পেল-বিটিআরসি মুখ খুলেনি। বাংলাদেশে ৬ষ্ঠ মোবাইল ফোন অপারেটর হিসেবে ওয়ারিদ-টেলিকমকে অনুমতি দেয়া হয়েছে।
২০০৬ সালের ২৬ জানুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: গ্রামীণফোনের ৬০ লাখ গ্রাহক অর্জন উপলক্ষে 'থ্যাঙ্ক ইউ' কর্মসূচী। ২০০৫ সালে প্রায় ৩০ লাখ নতুন গ্রাহক অর্জন করে এবং গত নভেম্বর মাসেই-এর গ্রাহক সংখ্যা ৫০ লাখে পৌঁছেছিল।
২০০৬ সালের ২৯ এপ্রিল, সালাহউদ্দীন বাবলু: বিদেশে কথা হবে ৩/-টাকা মিনিট: ইন্টারনেট চার্জ ৫ পয়সা। সাবমেরিন ক্যাবল চালু হচ্ছে আগামী মাসের প্রথমার্ধে মানে ১৫-০৫-২০০৬ তারিখ। এ চ্যানেল সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াবে ১ লাখ ২১ হাজারে। বাংলাদেশে ৪ থেকে ৫ লাখের মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা। বিটিটিবির সাড়ে ৪.৫ হাজার আন্তর্জািতক চ্যানেল রয়েছে। আর মোবাইলসহ টেলিফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১.২৫ কোটি। ২০১১ সালের ১ ডিসেম্বর, ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা-১৫ লাখে উন্নীত হয়েছে।
২০০৬ সালের ২৮ মে, তালুকদার হারুন: বিটিটিবি পানির দামে বিক্রির তোড়জোড়। দেড় লাখ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় সম্পদের দাম ধরা হয়েছে মাত্র সাড়ে ৭-হাজার কোটি টাকা।
২০০৬ সালের ১ জুন, তালুকদার হারুন: বিটিটিবির সিদ্ধান্ত-প্রতি মিনিট ৩-পয়সায় ছাত্র-ছাত্রীরা ইন্টারনেট সুবিধা পাবে। ছাত্ররা ০৬-০২-২০০৯ সাল পর্যন্ত এ সুযোগ পায়নি।
২০০৬ সালের ৫ জুলাই, ৩০ জুন, ২০০৬-এ গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যা এখন ৮৫ লাখ।
২০০৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর, যেকোন জিপি নম্বরে কল করুন মাত্র ২.৫০ টাকা প্রতি মিনিটে। ৯০ লক্ষেরও বেশি জিপি গ্রাহক কথা বলুন নিশ্চিন্তে।
২০০৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, এখন মন খুলে কথা বলুন সকল মোবাইল ও টি.এন্ড.টি. নাম্বারে (বাংলালিংক মোবাইলে ১ কোটি ৬০ লক্ষের ও বেশি গ্রাহকের সাথে ২.৫০ টাকা মিনিটে)।
২০০৬ সালের ৬ নভেম্বর, গ্রামীণফোন-এক দশকে-এক কোটি সদস্যের পরিবার।
২০০৭ সালের ১৫ জানুয়ারি, দেশে এ যাবৎ সিম বিক্রির হিসেব অনুযায়ী ২ কোটি মোবাইল ফোন রয়েছে। তবে সক্রিয় মোবাইল ফোনের সংখ্যা ১ কোটিরও কম হবে বলে টেলিফোন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। সময় অনুযায়ী কলরেটের বিভিন্নতার কারণে অধিকাংশ গ্রাহকই একাধিক, এমনকি অনেকে দুটি করেও মোবাইল ফোন বা সিম ব্যবহার করেন। গ্রামীণের-১ কোটি, একটেলের-৫০ লাখ, বাংলালিংকের-৩০ লাখ, সিটিসেলের-১৫ লাখ ও টেলিটকের প্রায় ৫ লাখ মোবাইল ফোনের গ্রাহক রয়েছে। আর টিএন্ডটির ল্যান্ড ফোনের গ্রাহক সংখ্যা ১০ লাখ এবং এর বার্ষিক আয় ২ হাজার কোটি টাকা।
২০০৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যা দেড় কোটিরও বেশী এবং ১৯৯৭ সালের মার্চে কার্যক্রম শুরু কারার পর দেশে বৃহত্তম মোবাইল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। সারাদেশে ৫,০০০টিরও বেশী স্থানে প্রতিষ্ঠানটির বেস স্টেশন আছে।
২০০৭ সালের ২৭ মে, বাংলাদেশে শতকরা ১৮ ভাগ লোক মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। মোট মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২ কোটি ৩৭ লাখ ৪৭ হাজার ৪৯৩ জন। আরো বলেছে যে-২০০৯ সালে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা হবে প্রায় ৫ কোটি লোক।
২০০৮ সালের ১৩ মার্চ, ২০০৭ সালে বাংলালিংকের ব্যবসায় সাফল্য। গ্রাহকসংখ্যা ও আয় দ্বিগুণ হয়েছে। ২০০৬ সালে যেখানে কোম্পানির গ্রাহকসংখ্যা ছিল ৩৩ লাখ এবং আয় ছিল ৬৫৫ কোটি টাকা, সেখানে ২০০৭ সালে তা বেড়ে ৭১ লাখ ছাড়িয়ে গেছে এবং আয় বেড়েছে ১,৩৪০ কোটি টাকা; দেশের মোবাইল ফোনের মোট বাজারের ২০.৬০ শতাংশ। মোট মোবাইলের সংখ্যা হলো-৩.৬০(তিন কোটি ষাট লাখ)।
২০০৮ সালের ৩০ মার্চ, দেশে ৩ কোটি ৮৯ লাখ ৩০ হাজার মোবাইল ফোন গ্রাহক আছে। নানা সূত্র অনুযায়ী দেশে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ মোবাইল ফোন সেট আছে।
২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল, নিজস্ব প্রতিবেদক-সাংবাদিকদের বিটিআরসির চেয়ারম্যান-২০১১ সালের মধ্যে মোবাইল ফোনের গ্রাহক ৭ কোটিতে উন্নীত হবে।
২০০৮ সালের ৬ মে, তিন পার্বত্য জেলায় এক মাসের মধ্যে মোবাইল ফোন চালু হচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির ১৪ লাখ লোক টেলিযোগাযোগের আওতায় এল।
২০০৮ সালের ১৫ মে, আনুষ্ঠানিকভাবে মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক চালু হয়েছে পার্বত্য জেলা-রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবন।
২০০৯ সালের ২৯ অক্টোবর, আমাদের সময়-সংসদে তথ্য-ছয় মোবাইল কোম্পানির গ্রাহক ৪ কোটি ৯০ লাখ ১০ হাজার মোবাইল আছে। মোবাইল ব্যবহারকীর সংখ্যা-৩ কোটি।
২০১০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: গ্রামীণফোনের গ্রাহক এখন দুই কোটি ৩৩ লাখ।
২০০৯ সালের ১১ মে, প্রথম আলো: মোবাইল ফোনের গ্রাহকসংখ্যা এখন চার কোটি ৫৭ লাখ। (১) গ্রামীণফোন লিমিটেডকে সরকার লাইসেন্স দেয়-১৯৯৬ সালের নভেম্বরে। মোবাইল ফোনের-৪৬% ভাগ (২) বাংলালিংক: ২০০৫ সালে চালু হওয়ার পর। মোবাইল ফোনের-২৪% ভাগ (৩) একটেল: ১৯৯৬ সালের নভেম্বরে। মোবাইল ফোনের-১৯% ভাগ (৪) ওয়ারিদ: ২০০৫ সালে সরকারের লাইসেন্স পায়। মোবাইল ফোনের-৫% ভাগ (৫) সিটিসেল: ১৯৮৯ সালের জুলাইয়ে অনুমোদন পায়। মোবাইল ফোনের-৪% ভাগ (৬) টেলিটক: ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বরে অনুমোদন পায়। মোবাইল ফোনের-২% ভাগ। দক্ষিণ এশিয়ায় মোবাইল ফোন সবচেয়ে বেশি পাকিস্তানে গ্রাহকের সংখ্যা সাড়ে নয় কোটি ছাড়িয়ে গেছে। বাজার ধরার হার ৫৮ শতাংশ। ভারতে ৩৫ শতাংশ( প্রায় ৩৭ কোটি)।
২০১০ সালের ১৮ জুলাই, দেশে মুঠোফোনের গ্রাহক ছয় কোটি ছাড়িয়ে গেছে।
২০১০ সালের নভেম্বর শেষে মোবাইল ফোনের গ্রাহক সংখ্যা ৬ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার। ২০১০ সালের নভেম্বর শেষে মুঠোফোনের গ্রাহক ৬ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার।
২০১১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: দেশে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত মুঠোফোনের গ্রাহক ৭ কোটি ৪০ হাজারে উন্নীত হয়েছে।
২০১২ সালের ১ জানুয়ারি, দৈনিক আমাদের সময়: বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী দুই কোটি পঁঞ্চাশ লাখ। এটা ভুল লেখা হয়েছে পত্রিকায়। ২০০৮ সালে ছিল ৪০ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী।
২০১২ সালের ২ জানুয়ারি, দৈনিক আমাদের সময়: ৩১-১২-২০১১ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোবাইল গ্রাহক ৮ কোটি ৪০ লাখ ৭৬ হাজার।
২০১২ সালের ২২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: গ্রামীণফোনের সংবাদ সম্মেলন-২০২০ সালে দেশে ইন্টারনেট গ্রাহক হবে প্রায় দুই কোটি।
২০১২ সালের মে মাসের তথ্যঃ দেশে বর্তমানে মোবাইল ফোন গ্রাহক সংখ্যা-৯ কোটি ২১ লাখ ২০ হাজার যার মধ্যে ৭ কোটি সংযোগ চালু আছে (তথ্য উৎস:বিটিআরসি, মে ২০১২ তারিখ ভিত্তিক রিপোর্ট।)
২০১২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: আইটিইউর প্রতিবেদন। বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ মানুষ ইন্টারনেটের আওতায়। আর উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ইন্টারনেটের আওতায় আছে ২০ শতাংশের বেশি পরিবার। তবে বাংলাদেশে এই হার মাত্র ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। বিশ্বে মোট ৫৯৭ কোটি মুঠোফোন ব্যবহারকারীর মধ্যে ইন্টারনেটের সংযোগ আছে ১০৯ কোটি ব্যবহারকারীর। আল জাজিরা। জাতিসংঘের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি-বিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) প্রতিবেদনে এ সব তথ্য উল্লেখ।
২০১৩ সালের ১১ জানুয়ারি, শামীম চৌধুরীর কথা: বাংলাদেশে প্রায় ১০ কোটি ২০ লাখ মোবাইল ফোন গ্রাহক। এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথা-১০ কোটি মোবাইল সিম বাংলাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে ১১-০১-২০১৩ তারিখ।
২০১৩ সালের ১১ জানুয়ারি, শামীম চৌধুরীর কথা: বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী চার কোটি ২১ লাখ এবং প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার কথা-ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা-৪ কোটিতে উন্নীত হয়েছে। আমার মনে হয় ৩১-১২-২০১২ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর শতকরা হার ১০% মানে এক কোটি ষাট লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাংলাদেশে।
২০১৪ সালের ৩ মার্চ, প্রথম আলো: বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: বাংলাদেশে প্রতি ১০০ জনে ৫৮ জন মুঠোফোন কিংবা ল্যান্ডফোন সুবিধায় পায়।
২০১৪ সালের ১০ জুলাই, দৈনিক জনকন্ঠ : বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের গ্রহক সংখ্যা ১১ কোটি ছাড়িয়েছে।
২০১৪ সালের ২ অক্টোবর, প্রথম আলো : দেশে ইন্টারনেট গ্রাহক চার কোটি ছাড়াল। কিন্তু দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দুই কোটি হতে পারে।
(১) গ্রামীণ ফোনের মোট গ্রাহক সংখ্যা ৫ কোটি(১৫-১০-২০১৪ তারিখ পর্যন্ত)। (২) বাংলা লিংক গ্রাহক ২ কোটি ৯০ লাখ(২৪-০২-২০১৪)। (৩) রবির গ্রাহক সংখ্যা ২ কোটি(০৬-০৯-২০১২)। (৪) এয়ারটেলের ৩৭ লাখ ৯৭ হাজার। (৫) সিটিসেল ১৮ লাখ ৭৩ হাজার ও (৬) টেলিটক ১২ লাখ ৪ হাজার। দেশীয় মুঠোফোনের কোম্পানি টেলিটকের গ্রাহক কমেছে ২০ হাজার।
২০১৪ সালের ১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো : সারা বিশ্বে বর্তমানে ব্যবহারকারী ১৬০ কোটি মানুষ ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুকে যুক্ত রয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় ১৩৫ কোটি মাসে অন্তত একবার ফেসবুক ব্যবহার করে। র্তাা মিলে মাসে ৩০ কোটি ছবি আপলোড করে এবং একবার ঢুকলে প্রায় ২০ মিনিট সেখানেই থাকে। প্রতি সেকেন্ড গড়ে পাঁচটি নতুন প্রোফাইল খোলা হয়। বাংলাদেশে মোট ব্যবহারকারী ১ কোটি ৮ লাখ। দেশে ২০০৯ সালে ৯৬ হাজার থেকে ২০১০ সালে ১৩ লাখ, ২০১১ সালে ২৩ লাখ, ২০১২ সালে ৩৩.৫২ লাখ, ২০১৩ সালে ৬৮ লাখ ২০১৪ সালে ১.০৮ লাখ। দেশে আট সেকেন্ডে যুক্ত হচ্ছে একজন।
২০১৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর, প্রথম আলো : নভেম্বরে ইন্টারনেট গ্রাহক কমেছে প্রায় ১১ লাখ। অক্টোবর মাসে দেশে ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল-৪ কোটি ৪০ লাখ ৮২ হাজার, যা নভেম্বরে দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৯ লাখ ৯৬ হাজার ৬৮৭ জনে।
২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো : গ্রামীণ ফোনের গ্রহকসংখ্যা-৫ কোটি ১৫ লাখ (২) বাংলালিংকের গ্রাহকসংখ্যা-৩ কোটি ৯ লাখ (৩) রবির গ্রাহকসংখ্যা-২ কোটি ৫২ লাখ (৪) এয়ার টেলের গ্রহকসংখ্যা-৭৫ লাখ ১০ হাজার (৫) টেলিটকের গ্রহকসংখ্যা-৩৮ লাখ ৬০ হাজার ও (৬) সিটিসেলের গ্রহকসংখ্যা-১২ লাখ ৯৩ হাজার। মুঠোফোনের গ্রহক এখন ১২ কোটি দুই লাখ ৬৩ হাজার। শতকরা ৭০ শতাংশ। সাড়ে আট কোটি মানুষ মুঠোফোন ব্যবহার করে। আমার মনে শতকরা ৫০ মানুষ মুঠোফোন ব্যবহার করে।
২০১৫ সালের ১ জুলাই, প্রথম আলো : ১২ কোটি ৪৭ লাখ মুঠোফোন গ্রাহক। জুন মাসে ১২ লাখ বেড়ে ১ জুলাই গ্রাহকসংখ্যা-১২ কোটি ৫৯ লাখ। আর ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা-৪ কোটি ৫৬ লাখ আর জুন মাসে ১৮ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়ে হয়েছে-৪ কোটি ৭৪ লাখ।
২০১৫ সালের ১৬ আগস্ট, প্রথম আলো : দেশে মুঠোফোনের একক ব্যবহারকারী ৬ কোটি ৭০ লাখ। দেশে লোকসংখ্যা হলো-১৬ কোটি বা ১৭ কোটি। ৪১.৮৭ ভাগ বা ৩৯.৪১ ভাগ।
২০১৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো : বাংলাদেশে ইন্টারনেট গ্রাহক পাঁচ কোটি ৭ লাখ ৭ হাজার। এর মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক ৪ কোটি ৯২ লাখ ৪১ হাজার আর আইএসপি ও পিএসটিএন ১২ লাখ ৯৩ হাজার এবং ওয়াইম্যাক্স গ্রাহক ১ লাখ ৭৪ হাজার।