২০০২ সালের ১৩ নভেম্বর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ১,৮৫,৮৪১টি লাইসেন্সধারী অস্‌্র আছে।

২০১০ সালের ১৪ মার্চ, প্রথম আলো: মুহুর্মুহু গুলি-বোমা বিস্ফোরণের পর যশোরে ছাত্রলীগের সম্মেলন পন্ডু।

২০১০ সালের ১৮ মার্চ, প্রথম আলো: ঢাকা কলেজে ৫৮ গ্রেপ্তার, ৫২ গুলি উদ্ধার। ছাত্রলীগের সংঘর্ষের নেপথ্যে সিট দখল ও চাঁদা-বাণিজ্য। প্রান্ত থেকে কেন্দ্র একই অবস্থায় ছাত্রলীগ।

২০১০ সালের ৩ মে, প্রথম আলো: কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা থেকে ব্যাগ-কার্টেন ভরা ৭২৬২টি তাজা গুলি উদ্ধার।

২০১০ সালের ৮ মে, প্রথম আলো: বরুড়ায় আবার কার্টেন ভরা ৭২০টি গুলি উদ্ধার।

২০১০ সালের ১৮ মে, প্রথম আলো: কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার শিলমুড়ি গ্রাম থেকে বিপুল পরিমাণ তাজা গুলি উদ্ধারের পর সেগুলো থানায় রাখা হয়। বরুড়ায় ১৭ দিনে ১০ হাজার গুলি উদ্ধার।

২০১০ সালের ১৯ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: শেরপুরের সীমান্ত থেকে প্রায় ১৪ হাজার তাজা গুলি উদ্ধার।

১৯৮১ সালে পৃথিবীতে প্রথম এইড্‌স বা এইচ. আই. ভি-এর জীবানু ধরা পড়ে।

১৯৮৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বরের রিপোর্ট-দেশে মৃগী রোগীর সংখ্যা ৫(পাঁচ) লক্ষ এবং ২০০২ সালে দেশে মৃগী রোগীর সংখ্যা ৭(সাত) লক্ষ।

১৯৮৮ সালের ১৯ মার্চের রিপোর্ট-বাংলাদেশে বছরে ২.৩(দুই লক্ষ ত্রিশ হাজার) লোক ধনুষ্টঙ্কারে মারা যায়। ২০০২ সালের রিপোর্ট-বাংলাদেশে বছরে ২.৫(দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) লোক ধনুষ্টঙ্কারে মারা যায়।

১৯৯৭ সালের ২৪ জুনের হিসেবানুযায়ী: বাংলাদেশে প্রতি বছর ২(দুই) লক্ষ লোক ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়।

১৯৯৭ সালের ৭ নভেম্বরের হিসেব-বাংলাদেশে ধনুষ্টঙ্কার ও হামে বছরে ৪০(চল্লিশ হাজার) নবজাতক শিশু মারা যায়।

১৯৯৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর-বাংলাদেশে-৫৫(পঁঞ্চান্ন) হাজার কুষ্ঠ রোগী আছে।

১৯৯৮ সালের ১৪ মার্চ, বাংলাদেশে ৯৫-ভাগ কিডনী রোগী বিনা চিকিৎসায় মারা যায়।

১৯৯৮ সালের ২৬ নভেম্বরের তথ্য-বাংলাদেশে লক্ষ লক্ষ লিভার রোগী চিকিৎসা সঙ্কটে; কারোর মাথা ব্যাথা নেই।

১৯৯৯ সালের ৩ মার্চ, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার জরিপ-বাংলাদেশে ২৫(পঁচিশ) লক্ষাধিক মানুষ নেশাগ্রস্থ এবং ১০(দশ) লক্ষ লোকের কর্মক্ষমতা লোপ।

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর, ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জািতক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা লাভ করে।

২০০০ সালের ১১ জানুয়ারি-বাংলাদেশে ১৯(উনিশ) লক্ষ লোকের জন্য ১(এক) জন মানসিক চিকিৎসক আছে বলেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

২০০০ সালের ২০ অক্টোবর-বাংলাদেশের প্রায় ১.২৫(এক কোটি পঁচিশ লক্ষ) লোক হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসে আক্রান্ত; ২৯ ভাগ পেশাদার রক্তদাতা-এর বাহক।

২০০০ সালের ৩০ অক্টোবর-ক্যান্সারের ঝুকি কমাতে শাকশব্জি ও ফলমুলের গুরুত্ব অনেক।

২০০১ সালের ৭ জুন-দেশের জনসংখ্যার ১০-ভাগ অর্থাৎ ১ কোটি ৪০-লক্ষ লোক প্রতিবন্ধী।

২০০১ সালের ৪ সেপ্টেম্বরের রিপোর্ট: বুকের দুধ শিশুর জন্য দেহে ক্যান্সারের ঝুকি কমায়।

২০০১ সালের ৪ সেপ্টেম্বরের রিপোর্ট: বিশ্বে প্রতিবন্ধীর সংখ্যা ৬০(ষাট) কোটি।

২০০১ সালের ৪ সেপ্টেম্বরের রিপোর্ট: বাংলাদেশে ৫৫(পঞ্চান্ন) লক্ষ মানসিক রোগি আছে এবং ডায়বেটিক রোগির সংখ্যা ৫০(পঞ্চাশ লক্ষ)।

২০০১ সালের ৪ সেপ্টেম্বরের রিপোর্ট: পৃথিবীতে ৪ কোটি লোক অন্ধ।

২০০২ সালের ২৭ জুলাইর, ইত্তেফাক পত্রিকার হিসেবমতে-বিশ্বের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১০-ভাগ মারিজোয়ানা সেবন করে। অর্থাৎ ৬১.৭৫(একষট্টি কোটি পঁচাত্তর লক্ষ) মানুষ।

২৮-১০-২০০২ তারিখে ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: বাংলাদেশে ৭০(সত্তর) লক্ষ হাঁপানী রোগী আছে, এরমধ্যে ৪০(চল্লিশ) লক্ষ শিশু রোগী রয়েছে।

২০০২ সালের ২০ ডিসেম্বর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: বাংলাদেশে দেড় কোটি লোক ঘাতক ব্যাধি হেপাটাইটিসে আক্রান্ত।

২০০৩ সালের ২০ ডিসেম্বরের হিসেব অনুযায়ী: বাংলাদেশে ৪০ লাখ শিশু হাঁপানী রোগে (শ্বাসকষ্টে) আক্রান্ত।

২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, সংসদে প্রশ্নোত্তর: দেশে এইডস রোগীর সংখ্যা-৫৭ জন। এইচআইভি ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা সর্বেমাট ৩৬৩ জন। তবে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশে এইচআইভি ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা সর্বেমাট ১৩(তের) হাজার বলে উল্লেখ করেছে।

২০০৪ সালের ১২ মে, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন পাসের আগে সংশিস্নষ্ট শিল্পখাতকে নিতে হবে-সরকারের প্রতি বৃটিশ-আমেরিকান টোব্যাক্যে কোম্পানী। এখানে উল্লেখ্য যে, ২০০২ সালে এ প্রতিষ্ঠানের কর প্রদানের পরিমাণ ছিল ১,৬৯৪ কোটি টাকা এবং ২০০৩ সালে বিএটি ১৭৭৮ কোটি টাকা কর দিয়েছে।

২০০৪ সালের ৬ মে, বাংলাদেশে এ্যাজমা রোগী ৭০ লাখ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

২০০৪ সালের ৬ মে, বাংলাদেশে বিভিন্ন রোগের কারণে ২০% লোক কানে কম শোনে: স্বস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

২০০৪ সালের ২৩ মে, মফিজুর রহমান: বিমানের টয়লেটে লুকিয়ে থাকা ৫ ভারতীয় যুবক গ্রেফতার। সর্বোচ্চ মহলে তোলপাড়: জিয়া বিমানবন্দরে আতঙ্ক।

২০০৪ সালের ২৩ অক্টোবর, আসমা আখতার সাথী: বাংলাদেশে হেপাটাইটিস-বি. ভাইরাসে বছরে ৩০(ত্রিশ) হাজার লোক মারা যায়।

২০০৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশে এইডস রোগী ১৩ হাজার। এ সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।

২০০৫ সালের ২৬ মার্চ, ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদঃ কর্মশালায় বক্তারা-দেশে বছরে ৩ লাখ লোক যক্ষ্ণায় আক্রান্ত ও ৭০ হাজার মারা যাচ্ছে।

২০০৫ সালের ১৭ আগষ্ট, ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার: বছরে ৯০-হাজার শিশু ক্যান্সারে মারা যায়। বিশ্বব্যাপী লড়াই শরু।

২০০৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, ধুমপানের কারণে বছরে এক লাখ মানুষ মারা যায়।-সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

২০০৫ সালের ২ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: দেশের অর্ধেেকরও বেশী লোকের এইডস সম্পর্কে ধারণা নেই।-স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এইডস হয়েছে এমন রোগীর সংখ্যা বাংলাদেশে ৮৭ জন, মারা গেছে ৪৪ জন এবং বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৯ জন।

২০০৬ সালের ১৯ জানুয়ারি, ইনকিলাব: নাছিম উল আলম-কিডনি চিকিৎসায় কাঁটা নটে শাক।

২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: যক্ষ্ণারোগীর সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫ম স্থানে।

২০০৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: দেশে ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা ১৩ লাখ। বাংলাদেশে প্রতিছর দুই লাখ মানুষ ক্যান্সারে মারা যায়। আর প্রতিবছর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় দুই লাখ।

২০০৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, মনজুরুল আলম: এইডস মহামারীর দিকে এগুচ্ছে ভারত। ঝুঁকির মধ্যে বাংলাদেশ।

২০০৬ সালের ৯ মার্চ, নিউইয়র্ক থেকে নিউজ ওয়াল্র্ড: যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের রিপোর্ট-বাংলাদেশে ২০ লাখ লোক মাদকাসক্ত। শতকরা ১.৩৩ ভাগ লোক মাদকাসক্ত।

২০০৬ সালের ৯ মে, স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশে ১ কোটি লোক থ্যালাসেমিয়া রোগের জিন বহন করছে।

২০০৬ সালের ৩০ মে, বাসস: তামাক সেবনে ৮৫ শতাংশ ফুসফুস ক্যান্সার হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে বাংলাদেশে প্রায় ১৫ লাখ ক্যান্সার রোগী আছে এবং বছরে আড়াই লাখ লোক ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়।

২০০৬ সালের ১০ অক্টোবর, প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১ কোটি কিডনী রোগী আছে-প্রতি ঘন্টায় ১ জন মারা যায়।

২০০৭ সালের ১১ মার্চ, স্টাফ রিপোর্টার: দেশের ৯৫% মানুষ জানেন না তারা কিডনী রোগে ভুগছেন। বাংলাদেশে ৬০ লাখের বেশী কিডনী রোগী রয়েছে। এখন বিশ্বের ১০ কোটি কিডনী রোগীর জন্য এ সংবাদ পোঁছানো যে-এখন বাংলাদেশে কিডনী রোগের ঔষধ আবিস্কার হয়েছে, এটা বাংলাদেশের গর্ব। এ সংবাদ ঠিক নয় ০৬-০২-২০০৯ তারিখ পর্যন্ত।

২০০৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর, রিয়াজ চৌধুরী: উন্নত বিশ্বে ক্যান্সার আক্রান্তের হার কমলেও বাংলাদেশে বাড়ছে। দেশে বছরে প্রায় আড়াই লাখ লোক ক্যান্সার আক্রান্ত হচ্ছে।

২০০৭ সালের ৭ অক্টোবর, গত ৬ সেপ্টেম্বর ইউএনএফপিএ ও প্রথম আলোর যৌথ উদ্যোগে 'এইডসের ঝুঁকি ও নিরাপদ সম্পর্ক' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়: এইডসের ঝুঁকি ও নিরাপদ সম্পর্ক। আমরা যখন দেখি বাংলাদেশে বিষয়টি কেন এত ঝুঁকিপূর্ণ, তাহলে দেখব যে হোটেলের যৌনকর্মীরা সপ্তাহে প্রতিজন প্রায় ৪৪ জন খদ্দেরের সঙ্গে মিলিত হয়। এরমধ্যে মাত্র চার ভাগ কনডম ব্যবহার করে।-রেবেকা সুলতানা।

২০০৭ সালের ১২ ডিসেম্বর, নিজস্ব প্রতিবেদক-মানসিক স্বাস্থ্য জরিপের ফল প্রকাশ। দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের ১৬ শতাংশ মানসিক রোগী। জরিফের ফলাফলে বলা হচ্ছে, দেশে ১৯ শতাংশ নারী এবং ১২.৯ শতাংশ পুরুষ।

২০০৮ সালের ১৪ মার্চ, নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত-বাংলাদেশে এক কোটি মানুষ কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত।

২০০৮ সালের ৩০ মে, সিম্পোজিয়ামে বিশেষজ্ঞদের তথ্য-দেশে এক কোটি ১০ লাখ লোক শ্রবণজনিত অসুস্থতায় ভুগছে।

২০০৮ সালের ১৪ আগষ্ট, দেশের ১৮ শতাংশ মানুষ কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত। কিডনি রোগে আক্রান্ত ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ রোগী চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে পারে না বলে মারা যায়।

২০০৮ সালের ১৫ অক্টোবর, দেশে ৩০ বছরের বেশি বয়সী সাড়ে সাত লাখ মানুষ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী।

২০০৯ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: বিশ্ব ক্যান্সার দিবস পালিত হয়। বাংলাদেশে প্রতিবছর দুই লাখ মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে।

২০০৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: বাংলাদেশে শ্বাসকষ্টে ভুগছে ৭০ লাখ। বায়ুদূষণে বছরে মারা যাচ্ছে ২৫ হাজার মানুষ।

২০০৯ সালের ১২ মার্চ, প্রথম আলো: দেশে প্রায় এক কোটি ২০ লাখ মানুষ কিডনির রোগে ভুগছে। প্রতি বছর প্রায় ৩০ হাজার মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। দেশে কিডনির রোগে আক্রান্তদের ৯৫ শতাংশের চিকিৎসার সামর্থয নেই।

২০০৯ সালের ১২ এপ্রিল, আমাদের সময় পত্রিকার রিপোর্ট: বাংলাদেশের শতকরা ৪৮ ভাগ পুরুষ এবং ২৫ ভাগ নারী তামাক ব্যবহার করে।

২০০৯ সালের ২৩ এপ্রিল, প্রথম আলো: ধূমপানজনিত কারণে দেশে বছরে ৭০ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে।

২০০৯ সালের ১০ মে, প্রথম আলো: দেশে হাঁপানি বা অ্যাজমা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় ৭০ লাখ।

২০০৯ সালের ২১ জুন, প্রথম আলো: দেশে তামাকের কারণে প্রতিবছর ৫৭ হাজার মানুষ মারা যায়।

২০০৯ সালের ১০ অক্টোবর, প্রথম আলো: দেশে নিউমোনিয়ায় প্রতিবছর ৭০ হাজার শিশু মারা যাচ্ছে।

২০০৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: মোট জিডিপির এক শতাংশ ব্যয় হয় ধুমপানের পেছনে। দেশের দুই কোটি ১৯ লাখ মানুষ ধুমপান করছে। ধুমপানে খরচ হয় প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা। দেশে দুই কোটি ৫৯ লাখ মানুষ অন্যান্য জর্দা, সাদা পাতার মতো তামাক গ্রহণ করছে। এসব তামাক ব্যবহারকারীদের প্রায় ২৮ ভাগ নারী। এসব তামাক বেশি গ্রহণ করছে গ্রামের মানুষ।

২০১০ সালের ১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: এইডসে আরেকজনের মৃত্যু, এক বছরে মারা গেছে ৪৩ জন।

২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি, আমাদের সময়: বাংলাদেশে প্রাপ্তবয়স্ক মানসিক রোগীর সংখ্যা এক কোটি ২৮ লাখ।

২০১০ সালের ২৪ জানুয়ারি, প্রথম আলো: আন্তর্জািতক সম্মেলন সমাপ্ত। দেশে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী ১৮.৩৫ শতাংশ শিশু মানসিক রোগে আক্রান্ত।

২০১০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: বিড়ি সেবন বন্ধ হলে ৭২ লাখ শিশু দিনে এক গস্নাস দুধ পাবে। প্রতিদিন আট কোটি টাকা হিসেবে বছরে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা বিড়ির পেছনে ব্যয় করে তারা। কিন্তু এ টাকা দিয়ে ৭২ লাখ অপুষ্ট শিশুকে দিনে এক গস্নাস দুধ এবং ৫৩ লাখ শিশুকে দিনে এক গস্নাস দুধসহ একটি ডিম খেতে দেওয়া সম্ভব। তামাকের কারণে বছরে ৫৭ হাজার মানুষ মারা যায় এবং তিন লাখ ৮২ হাজার মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করে।

২০১০ সালের ১১ মার্চ, প্রথম আলো: দেশে কিডনি রোগে আক্রান্ত ১ কোটি ৮০ লাখ।

২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল, প্রথম আলো: সেমিনারের তথ্য-দেশের এক কোটি ৪০ লাখ মানুষ মানসিক স্বাস্থ্যসমস্যায় ভুগছে।

২০১০ সালের ২৬ এপ্রিল, প্রথম আলো: গবেষণায় তথ্য প্রকাশ। ধূমপানে অকালে মারা যাবে ১৪ থেকে ২১ শতাংশ মানুষ। দেশের চার কোটি ১১ লাখ মানুষ ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করে। দেশে গত পাঁচ বছরে ২৫ লাখ ধূমপায়ী বেড়েছে।

২০১০ সালের ২৭ জুন, প্রথম আলো: বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারকারীর সংখ্যা চার কোটি ১৩ লাখ। এরমধ্যে নারী ২৮ দশমিক ৭ শতাংশ।

২০১০ সালের ৮ জুলাই, প্রথম আলো: জাতীয় জরিপের ফল প্রকাশ-লাখে ৭৯ জন যক্ষায় আক্রান্ত।

২০১০ সালের ২৯ অক্টোবর, প্রথম আলোঃ দেশে যকৃতের রোগে আক্রান্ত তিন থেকে সাড়ে তিন কোটি মানুষ। সম্মেলনে জানানো হয়, বাংলাদেশে বর্তমানে দেড় কোটি মানুষ যকৃতের দীর্ঘস্থায়ী রোগ হেপাটাইটিস বি ভাইরাস এবং আট লাখ হেপাটাইটিস সি ভাইরাসে আক্রান্ত। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশই জীবনে কোনো না কোনো সময় হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।

২০১০ সালের ১২ নভেম্বর, প্রথম আলো: সংবাদ সম্মেলনের তথ্য: নিউমোনিয়ায় দিনে ১৩৭ শিশু মারা যাচ্ছে।

২০১০ সালের ২৭ নভেম্বর, প্রথম আলোঃ হৃদরোগে মৃত্যু বেশি। এরপর জন্মকালীন শ্বাসকস্ট ও নিউমেনিয়ায় মারা যায়।

২০১১ সালের ১১ অক্টোবর, দৈনিক জনকন্ঠ: দেশে সাতজনে একজন মানসিক রোগে ভুগছে। সমস্যা মোকাবেলায় এই খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি।

২০১১ সালের ৩০ নভেম্বর, দৈনিক জনকনঠ পত্রিকা: প্রাপ্ত বয়স্ক ৫০ ভাগ মানুষ যক্ষায় সংক্রমিত।

২০১২ সালের ২৮ জুলাই, দৈনিক জনকন্ঠ: হেপাটাইটিস রোগে বিশ্বে বছরে ১০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।

২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর, প্রথম আলো: ৮ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে ডেঙ্গু। রাজধানীতে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। ২০০৬ সালে-২২০০, ২০০৭ সালে-৪৬৬, ২০০৮ সালে-১১৫৩, ২০০৯ সালে-৪৭৪, ২০১০ সালে-৪০৯, ২০১১ সালে-১৩৫৯, ২০১২ সালে-৬৭১, ২০১৩ সালে-১৭৪৯, ২০১৪ সালে-৩৭৫ এবং ২০১৫ সালে-২৬০১ জন। সূত্র-আইইডিসিআর।

২০১৩ সালের ২১ জুন, প্রথম আলো: বিদায়ী চেয়ারম্যানের হতাশা। 'নখদন্তহীন' দুদক দিয়ে দুর্নীিত দূর হবে না। দুর্নীিত কমিশনের(দুদক) চেয়ারম্যান হিসেবে চার বছর দায়িত্ব পালন করার পর নিজেকে সফল হিসেবে বিবেচনা করতে পারছেন না গোলাম রহমান।

।দুদকের চেয়ারম্যানগণ:।

ক্রমিকনামমেয়াদবাল
বিচারপতি সুলতান হোসেন খান২২.১১.২০০৪-০৭.০২.২০০৭
লে. জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরী২২.০২.২০০৭-০২.০৪.২০০৯
গোলাম রহমান, সচিব(অব.)০২.০৪.২০০৯-২৩-০৬-২০১৩
মো. বদিউজ্জামান(ভারপ্রাপ্ত)২৩-০৬-২০১৩ থেকে

২০১৫ সালের ১ আগস্ট, প্রথম আলো : প্রাণী পুষতে এত্ত ব্যয়! মার্কিনদের কুকুর-বিড়ালপ্রীতি, বছরে খরচ বাংলাদেশের বাজেটের দেড় গুণ। ২০১৪ সালে এদের পেছনে খরচ-৫ হাজার ৮০০ কোটি ডলার বা ৪ লাখ ৫২ হাজার কোটি টাকা। দৈনিক খরচ-১ হাজার ২৩৮ কোটি টাকা।

বাংলাদেশের জাতীয় দিবসগুলির নাম দেয়া হলো:

১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে এ দেশে ২১ ফেব্রুয়ারির দিবসটি পালিত হচ্ছে।

১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, 'মহান শিক্ষা দিবস' পালিত হয়।

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস।

১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত হয়।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ হন এ দেশের বুদ্ধিজীবীরা। তাই এদিনটিকে প্রতি বছর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস।

১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর, 'সংবিধান দিবস' পালিত হয়।

১৯৭২ সালের ৬ নভেম্বর, জাতীয় সমবায় দিবস পালিত হয়।

১৯৯৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর, প্রথম জাতীয় টিকা দিবস পালিত হয়।

১৯৯৮ সালের ৬ এপ্রিল থেকে প্রথম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালিত হয়।

২০০০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, জাতীয় কন্যা দিবস পালিত হয়।

বাংলাদেশে প্রতিবছর ২২ অক্টোবর জাতীয় সড়ক নিরাপদ দিবস পালন করা হয়।