।১৯৯৯ থেকে ২০০৫ এবার যুক্ত হয়েছে উদ্বেগজনক আত্মঘাতী বোমা হামলা।

বাংলাদেশে এমন পরিকল্পিত বোমা হামলার শুরু ১৯৯৯ সালের মার্চে যশোরে উদীচীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় নিহত-১০ জন, ৮ অক্টোবর খুলনায় আহমদীয়া মসজিদেবোমা হামলায় নিহত হন-৮ জন, একই মাসে ফরিদপুর এক দরবার শরীফে বোমা হামলায় ৪ জন নিহত হন।

২০০১ সালের ২১ জানুয়ারি, পল্টনে সিপিবির সমাবেশে বোমায় নিহত হন-৭ জন, ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাক নববর্ষ উৎসবে রমনা বটমুলে বোমা হামলায় ১০ জন, ৩ জুন গোপালগঞ্জে বানিয়ারচর গীর্জায় বোমা হামলায় মারা যান-১০ জন ১৫ জুন নারায়নগঞ্জে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বোমা বিস্ফোরণে মারা যান ২২ জন, ২৩ সেপ্টেম্বর, বাগেরহাটের মোল্লারহাটে আওয়ামী লীগের সমাবেশে বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারান ৮ জন, ২৬ সেপ্টেম্বর, সুনামগঞ্জে আওয়ামী লীগের সমাবেশে বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারান ৪জন। দলীয় একজন সংসদ সদস্যের বাসায় বোমা বানানোর সময়, মারা যায় ২ জন। সংসদ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

২০০২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, সাতক্ষীরার একটি সিনেমা হলে বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারান কয়েকজন, ৬ ডিসেম্বর, ময়মনসিংহের ৪টি সিনেমা হলে বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারান ২৮ জন।

২০০৩ সালের ১৭ জানুয়ারি, টাঙ্গাইলে একটি মেলায় বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারান ৭ জন।

২০০৪ সালের ২১ মে, সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে বোমা হামলায় প্রাণ হারান ৩ জন, আহত ২৯ জন এবং আহত হন ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরী, ২১ আগষ্ট, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বোমা হামলায় নিহত হন কেন্দ্রীয় নেত্রী আইভী রহমানসহ ২২ জন।

২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি, হবিগঞ্জে গ্রেনেড হামলায় প্রাণ হারান সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়াসহ ৩ জন, ১২ ও ১৪ আগষ্ট, ব্রাম্মণবাড়িয়ায় মেলা ও পীরকল্লা শহীদের মাজারে বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারান ১ জন।

গত ১৭ আগষ্ট, ২০০৫ সালে ৬৩ জেলার ৫৫০টি স্থানে একযোগে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, ১৪ নভেম্বর, ঝালকাঠিতে বোমা হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয় ২ বিচারককে, ২৯ নভেম্বর, গাজীপুর ও চট্রগ্রামে আদালত ভবনে চালানো হয় আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীসহ নিহত হয় ৯ জন, ২ ডিসেম্বর, আবারো গাজীপুরে হামলায় ঘটনাস্থলে ১ জন নিহত হয়, সর্বেশষ গতকাল নওগাঁয় ১ জন এবং এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নেত্রকোনায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ৮ জন।

শায়খ রহমান, বাংলাভাই, ড. গালিব ও মুফতি হান্নান: বাংলাদেশের রাজনীতিতে ঝড় তোলা চার চরিত্র। ২০০৬ সালের ২ মার্চ পর্যন্ত জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ(জেএমবি)'র বোমা হামলায় এ পর্যন্ত নিহত-৩৫, আহত সহস্রাধিক।

১৭-০৮-২০০৭ আজ সেই অভিশপ্ত দিন: সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলা। আড়ালেই রয়ে গেল মদদদাতারা। একনজরে ঘটনাপ্রবাহ: বিভিন্ন সময় বোমা ও আত্মঘাতী হামলায় মারা যায় ৩৫ জন। মোট মামলার সংখ্যা ২৭৬টি। অদ্যাবধি চার্জশীট দাখিল করা হয়েছে ২২৪টি। চূড়ান্ত রিপোর্ট দেয়া হয়েছে ১টি। তদন্তাধীন মামলা ৪২টি। বিচারাধীন মামলা ১৫১টি। বিচার শেষ হয়েছে ৪৪টি। ৩৫ জনের মৃত্যুদন্ড হয়েছে। ৭০ জনের যাবজ্জীবন হয়েছে। ৯৭ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামির সংখ্যা ৭৪০ জন। চার্জশীটে সোপর্দকৃত আসামির সংখ্যা ৬৭৫ জন। খালাস পেয়েছেন ৪১ জন।

২০০১ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, (১৬-০২-২০১০ তারিখের প্রথম আলোর রিপোর্ট): ডা. এইচ. বি. এম. ইকবালের নেতৃত্বাধীন একটি মিছিল থেকে বিএনপির মিছিলে গুলিকরা হয়। ঐদিন পিস্তলের গুলিতে চারজন নিহত হয়। মালিবাগ হত্যা মামলা। ইকবাল, ভোলা-৩ আসনের বর্তমান সাংসদ নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনসহ ২৩ আসামির নাম প্রত্যাহারের আবেদন রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলি। ২৬-০৮-২০১০ তারিখ ইকবাল, শাওনসহ খালাস ১৪ জন।

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল(বাংলা-১৪০৮-সালের প্রথম দিন রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা বিস্ফোরণের সেই দুঃসহ স্মৃতি-ফাইল ছবি)।

২০০১ সালের ৪ জুন-গত দুই বছরে ১০টি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ৫৯-জনের প্রাণহাণি। নেপথ্যে কারা? আজ পর্যন্ত কারা এসবের সাথে জড়িত তা'দের কেন ধরা গেলনা। সত্য কোনদিন চাপা থাকবে না।

২০০১ সালের ১৭ জুন-রহস্য উদ্‌ঘাটিত হচ্ছে না। এ বছরেই ৪ বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছেন ৪৮ জন। মনে হয় সরকারের বিপক্ষে যাবে বলে রহস্য উদঘাটন করছে না।

২০০৪ সালের ২৫ মে, সিলেটে হযরত শাহজালালের (রহ.) দরগায় বোমা বিস্ফোরণ (ঢাকাস্থ বৃটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরী আহত হয়ে সিএমএইচ-এ ভর্তি হন) ঘটনার তদন্তেসহযোগিতায় নেমেছে তিন বৃটিশ পুলিশ: ৩২-বছরের ইতিহাসে প্রথম।

২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট, শনিবার বিকেলে গুলিস্থান, বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউ, ঢাকায় আওয়ামী লীগের মিছিল পূর্ব-সমাবেশে আওয়ামী লীগের অফিসের সামনে গ্রেনেড হামলায় কেন্দ্রীয় নেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪(চব্বিশ) জনের মৃত্যু এবং ৩০০(তিন শতাধিক) মানুষ আহত হয়েছে।

২০০৪ সালের ২৬ আগষ্ট, স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এ বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে-মুসলিম মিল্লাত পার্টি।

২০০৪ সালের ৩ অক্টোবর, (ইনকিলাব: ১৬২ পৃষ্ঠার রিপোর্ট হাতে বিচার বিভাগীয় কমিশনের প্রধান বিচারপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন) গ্রেনেড হামলার বিচার বিভাগীয় কমিশনের তদন্ত রিপোর্ট: ২১ আগষ্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার সাথে-বিদেশী শক্তি জড়িত।

২০০৫ সালের ২৭ জুন, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট-সৈয়দ আহমেদ গাজী: সুব্রত বাইন, জয় ও মোল্লা মাসুদ ২১ আগষ্ট, ২০০৪-এর গ্রেনেড হামলার মূল হোতা-জর্জের স্বীকারোক্তি: মঞ্চ নিরাপদ রাখা ছিল পরিকল্পিত।

২০০৫ সালের ১৮ আগষ্ট, ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদ-১৭ আগষ্ট, সারাদেশে নজিরবিহীন বোমা হামলা। একযোগে ৫ শতাধিক বিস্ফোরণ: স্তম্ভিত দেশবাসী। নিহত ২, আহত প্রায় ২শ': গ্রেফতার অর্ধশতাধিক। রাজধানীতে ৩৫টি স্থানে একই সময়ে বিস্ফোরণ।

২০০৫ সালের ১৮ আগষ্ট, উমর ফারুক আলহাদী: ৯ বছরে ২১টি গ্রেনেড ও বোমা হামলা মুখ থুবরে পড়েছে তদন্ত রিপোর্ট।

২০০৫ সালের ৩০ আগষ্ট, আবদুল গাফফার মাহমুদ: সারাদেশে নজিরবিহীন বোমা বিস্ফোরণ। ১৩ দিনে গ্রেফতার ১৬৯: স্বীকারোক্তি ৬ জনের: অভিযান চলছে।

২০০৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব পত্রিকায় রিপোর্ট: রাজধানীতে বোমাবাজদের শক্ত ঘাঁটি। শায়খ আবদুর রহমানের ভাই গ্রেফতার: বোমা তৈরীর কারখানা আবিস্কার: প্রচুর সরঞ্জাম উদ্ধার। ১৭ আগষ্ট বোমা হামলার আগেই দ্বিতীয় দফা হামলার পরিকল্পনা হয়।

২০০৫ সালের ১৫ নভেম্বর, নূরুল ইসলাম: গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ব্যর্থতা: তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আলোর মুখ দেখে না। ১০-বছরে বোমা ও গ্রেনেড হামলায় ১৯৫ জন নিহত।

২০০৫ সালের ১৬ নভেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: আহত মামুনের বক্তব্য-আল্লাহর আইন কায়েমে শহীদ হতে কষ্ট নেই।

২০০৫ সালের ৩০ নভেম্বর, সাখাওয়াত হোসেন, শফিউল আলম, রফিকুল ইসলাম, আবদুস সামাদ: আবারও বোমায় রক্তাক্ত আদালত। গাজীপুর ও চট্টগ্রামে নিহত-৯ জন: আহত শতাধিক: উত্তপ্ত সারাদেশ।

২০০৫ সালের ২ ডিসেম্বর, সাখাওয়াত হোসেন, আব্দুস সামাদ: দাগ না শুকাতেই গাজীপুর আবার রক্তাক্ত। নিহত-১ জন: সাংবাদিক আইনজীবি পুলিশসহ আহত ৩০: বোমাসহ আত্মঘাতী হামলাকারী গ্রেফতার।

২০০৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গুলী, গ্রেনেড, বোমা তৈরীর সরঞ্জাম ও কথিত জেহাদী বই উদ্ধার। জেমমবি'র সামরিক কমান্ডার সানিসহ গ্রেফতার-১১ জন।

২০০৬ সালের ১৯ জানুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: সুইসাইড স্কোয়াডের ১ সদস্যের পেছনে ৩০ লাখ টাকা ব্যয় হয়-এটা বড় শক্তিরই কাজ। ইসলামী পত্রিকা পরিষদের গোলটেবিলে মাওলানা হোসাম উদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী।

২০০৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, সংসদ রিপোর্টার: সংসদে ড. মোশাররফ হোসেন-বোমা ও সন্ত্রাসী ঘটনা, ২৪১ মামলাঃ গ্রেফতার ৫৯৭ জন: চার্জশীট ১২১ জনের বিচার শুরু ৩১টির।

২০০৬ সালের ১ মার্চ, সিলেটের টিলাগড়ের শাপলাবাগ এলাকায় সূর্যদীঘল বাড়ীটিকে র্যাব ও পুলিশ অবরুদ্ধ করে রেখেছে। স্ত্রী, পুত্র, কন্যাসহ ৯ জন আটক।

২০০৬ সালের ২ মার্চ, সকাল ৭-৩০মিনিটের সময় জেমমবি'র শীর্ষ জঙ্গী নেতা শায়খ আবদুর রহমান দু'জন সহযোগী সাথে নিয়ে আত্মসমর্পণ করেন।

২০০৬ সালের ৩ মার্চ, সাখাওয়াত হোসেন: জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেমমবি) যাত্রা শুরু ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৫ সালে পুরোপুরি একটি জঙ্গী সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ৮ বছরে দেশের ভেতর সংগঠিত হয় জেমমবি। সহস্রাধিক গ্রেফতার ও বিস্ফোরক উদ্ধার হলেও উৎস বন্ধ হয়নি।

২০০৬ সালের ৬ মার্চ, ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানার দুর্গম পল্লী রামপুর থেকে বন্ধুকযুদ্ধ শেষে গুরুতর আহত অবস্থায় নিষিদ্ধ ঘোষিত জাগ্রত মুসলিম জনতার প্রধান মোস্টওয়ানটেড জঙ্গী নেতা সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলাভাইকে সকাল ৭-৩০মিনিটের সময় গ্রেফতার করা হয়।

২০০৬ সালের ১৩ মার্চ, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: জঙ্গী অর্থ লেনদেনে সম্পৃক্ততার অভিযোগ-ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

২০০৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, শাহজাহান শুভ: স্বাধীনতার পর ঢাকা বিশ্বব্যিালয়ে ৭১ জন হত্যাকান্ড: বিচার হয়েছে মাত্র ১টির। ড. আফতাব হত্যাকান্ডের বিচার হবে তো?

২০০৫ সালের ৮ জুলাই ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদ-নিউজ ওয়াল্র্ড, নিউইয়র্ক থেকে মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের রিপোর্ট: ২০০০ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে ২১টি সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে।

২০০৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব পত্রিকা-৩৪ বছরে অর্ধশত অভিযান ফলাফল বিগ জিরো। গত ৩৪-বছরে মাওবাদী সশস্ত্র সর্বহারা পার্টির হাতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২৫-হাজার মানুষ খুন হয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ৫-হাজার সশস্ত্র সন্ত্রাসবাদী খুন হয়েছে অভ্যন্তরীণ কোন্দলে। এ তথ্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, মানবাধিকার সংগঠন ও বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া গেছে।

২০০৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব-নিউইয়র্ক থেকে মোবায়েদুর রহমান: ১৯৭২ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত সন্ত্রাস ছিল সন্ত্রাস আছে। সব সন্ত্রাসের নেপথ্য নায়কদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে।

২০০৫ সালের ২ অক্টোবর, ইনকিলাব-স্টাফ রিপোর্টার: মানবাধিকার কমিশনের রিপোট: তিন মাসে সারাদেশে ৯৪৫ জন খুন হয়েছে। চলতি বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৯৪৫টি হত্যাকান্ড ঘটেছে। এরমধ্যে সামাজিক সহিংসতার কারণে খুন হয়েছে ৬৫৫ জন। ধর্ষেনর পর হত্যা করা হয়েছে ২০ জনকে। ধর্ষেণর শিকার হয়েছে ১২৬ জন। যার মধ্যে ৭৩ জন নারী এবং ২৪ জন শিশু।

২০০৬ সালের ৯ অক্টোবর, সাখাওয়াত হোসেন: জোট সরকার ৫-বছরে জঙ্গী দমনে চেষ্টা করলেও ব্যর্থ শীর্ষ সন্ত্রাসী দমনে।

২০০৭ সালের ৩১ মার্চ, ইনকিলাব রিপোর্ট: ৩০ মার্চ রাত ৬-শীর্ষ জঙ্গীর ফাঁসি।

২০০৪ সালের ৩ এপ্রিল, দশ ট্রাক আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ আটক: চট্টগ্রামে অবৈধ সর্ববৃহৎ চালানে রয়েছে রকেট লাঞ্চার একে-৪৭ এন্টি ট্যাংক রাইফেলসহ ১০(দশ) ধরনের ভয়ঙ্কর আগ্নেয়াস্ত্র।

০২-০৪-২০০৪ তারিখ চট্টগ্রামে আটক ১০(দশ) ট্রাক অস্রের সবগুলোই বাংলাদেশে অপ্রচলিত। অত্যাধুনিক এসব অস্রশস্রের মধ্যে রয়েছে-৭.৬২ এম.এম.টি.-৫৬.১ ও ২ এসএমজি, রকেটসহ ৪০ এসএম রকেট ল্যাঞ্চার, ৯ এম.এম. সেমি অটোমেটিক স্পট রাইফেল, টমিগান, লাঞ্চি গ্রেনেড ইত্যাদি। গতকাল সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের আগে এসব অস্র প্রদর্শন করা হয়। ৫,০০০ হাজার আগ্নেয়াস্র ২৫,০০০ হাজার গ্রেনেড সাড়ে ১১ লাখ গুলীসহ সকল অস্র সেনাবাহিনীকে হস্তান্তর। আটক ট্রলার থেকে আরো অস্র উদ্ধারঃ গ্রেফতারকৃত ৫ জন রিমান্ডে।

২০০৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর, আবদুল গাফফার মাহমুদ: ১০-হাজার বৈধ অস্ত্রের হদিস নেই।

২০০৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: দেশে ছোট অস্ত্র রয়েছে ৪ লাখ। নির্বাচনে এ সংখ্যা দাঁড়াবে ২ গুণ। এ সব অস্ত্রের ২৫ ভাগ এসেছে ভারত থেকে। দেশে অন্তত ৮০ হাজার অস্ত্র আসে বিভিন্নপথে।

২০০৬ সালের ৪ নভেম্বর, মিথুন কামাল: দেশে অবৈধ অস্ত্র ৪-লাখ: অস্ত্র ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬-লাখ: ২৫-হাজার বৈধ অস্ত্র সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে শিগগিরই শুরু হচ্ছে বিশেষ অভিযান।

২০০৭ সালের ২৫ আগষ্ট, সাখাওয়াত হোসেন: সাত মাসে ৪ হাজার অবৈধ অস্ত্র ২৮শ' রাউন্ড গুলী উদ্ধার। গ্রেফতার ৪১ হাজার।

২০০৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: এবার বিশ্বে প্রাকৃতিক দুযোের্গ মারা গেছে দুই লক্ষ বিশ হাজার লোক।

২০০৯ সালের ১৭ মার্চ, প্রথম আলো: দেশে ৩১ সংগঠনের নামে জঙ্গিদের গোপন তৎপরতা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে দেশে ১২টি জঙ্গি সংগঠন সক্রিয় বলা হলেও দেশে ধর্মিভত্তিক অন্তুত ৩১টি জঙ্গি সংগঠন বিভিন্ন সময়ে তৎপরতা চালিয়েছে। তবে কোনো কোনো জঙ্গি সংগঠন কৌশলগত কারণে একাধিক নামেও তৎপরতা চালায়। এসব উগ্র গোষ্ঠী সদস্য সংগ্রহ, প্রশিক্ষণ, প্রচারণা ও নাশকতাসহ যাবতীয় কার্যক্রমে 'আফগানিস্তানের তালেবানি কায়দায় ইসলামী রাষ্ট্র' প্রতিষ্ঠার কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

২০০৯ সালের ২৫ মার্চ, প্রথম আলো: ভোলায় মাদ্রাসার আড়ালে জঙ্গি ঘাঁটি, অস্ত্র উদ্ধার। গ্রামবাসীর কাছে বাড়িটি ছিল রহস্যময়।

২০০৯ সালের ১ জুলাই, প্রথম আলো: রণকৌশল নিয়ে বিরোধ, জেএমবি ভেঙে নতুন জঙ্গি সংগঠন। বোমার বদলে ছোট অস্ত্র ব্যবহার। বোমা হামলার বদলে গুপ্তহত্যার পরিকল্পনা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর একাংশে 'মুক্তাঞ্চল' গড়া। তহবিল সংগ্রহে অস্ত্র ভাড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত। চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট উপজেলা থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার হওয়া জেমমবির চার আঞ্চলিক কমান্ডার। বৃহত্তর রাজশাহীতে পাকিস্তানের মতো একটি 'মুক্তাঞ্চল' প্রতিষ্ঠা তাদের লক্ষ্য।

২০০৯ সালের ৩ জুলাই, প্রথম আলো: মালদহে জেমমবির বৈদেশিক শাখা সংগঠিত করেন ইসলাম ও মুসলিমের শীর্ষ জঙ্গি শাহাদাত। তাঁর দাবি, তাঁদের চেষ্টায় ভারতের ওই অঞ্চলে জেমমবির দুই হাজারের মতো সক্রিয় কর্মী-সমর্থক রয়েছে। নতুন দল ইসলাম ও মুসলিমের শর্ষি নেতাসহ চার জঙ্গি গ্রেপ্তার। জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ(জেমমবি) ভেঙে গড়ে ওঠা নতুন সংগঠনের শীর্ষ নেতা আব্দুর রহিম ওরফে শাহাদাতসহ চার জঙ্গি ধরা পড়েছেন।

২০০৯ সালের ১৪ জুলাই, প্রথম আলো: অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে। রাজধানীতে মে মাসে ২১ জন, জুনে ২৯ জন খুন হয়েছে। ১০টি ঘটনায় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার। অস্ত্র উদ্ধারে বড় ধরনের অভিযান নেই। মে মাসে ৩৪টি ও জুনে ৪৪টি ছিনতাইয়ের ঘটনা থানায় নথিভুক্ত। বাস্তবে ছিনতাইয়ের ঘটনা অনেক বেশি।

২০০৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ বছরে ৭৪টি হত্যাকান্ড, মাত্র একটির সাজা জরিমানা ১০ টাকা।

২০০৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৩ বছরে ৪০ সংঘর্ষ ১১টি হত্যাকান্ডের একটিরও বিচার হয়নি।

২০০৯ সালের ১৪ মার্চ, প্রথম আলো: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রণক্ষেত্র। শিবিরের সাধারণ সম্পাদক নিহত, আহত শতাধিক। ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ।

২০০৯ সালের ১৮ মার্চ, প্রথম আলো: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-স্বাধীনতার পর ৫৮টি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত হয়েছে ২৭ জন।

২০১০ সালের ৬ জুলাই, প্রথম আলো: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ আবার বেপরোয়া। রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ-গুলি আহত ৩৫, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৭ ছাত্র বহিস্কৃত।

২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর, প্রথম আলো: হিযবুত তাহরীরের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ। সংগঠনের প্রধান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মহিউদ্দিন আহমদ বাধ্যতামূলক ছুটিতে।