২০০৪ সালের ২ জুন, স্টাফ রিপোর্টারঃ 'আমি হিন্দু হলে, মুসলমান কে'-শেখ হাসিনা প্রশ্ন করেন।
২০০৪ সালের ২১ জুন, ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার: স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভায় বিরোধী দলীয় নেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তার দলের নেতা-কর্মীেদর হত্যা, জুলুম, নির্যাতন ও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করার জন্য সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারী দিয়ে বলেছেন, এক মাঘে শীত যায় না-দিন আমাদেরও আসবে।
২০০৪ সালের ২৫ জুন, ইনকিলাব: আওয়ামী লীগের ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আলোচনা সভায় শেখ হাসিনা বলেন যে, সরকারের কর্মকান্ড দেখে আজ মনে হয় তখন ছ্যাঁচা মার দিলাম না কেন। জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তার দলের নেতা-কর্মীেদর হত্যা-জুলুম-নির্যাতন ও পুলিশী হয়রানের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি বিশ্বাস করি না বলেই ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় যেয়ে আমরা গণতন্ত্র ও এ দেশের মানুষের অর্থৈনতিক মুক্তির জন্য কাজ করেছি। কিন্তু জোট সরকারের কর্মকান্ড দেখে আজ মনে হয়-'তখন ভাল করে ছ্যাঁচা মার দিলাম না কেন? আজ আমাদের ওপর যে অত্যাচার চলছে, তখন যদি এর চারভাগের এক ভাগ নির্যাতন আমরা চালাতাম তাহলে বিএনপি টিকে থাকতে পারতো না। নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত।'
২০০৪ সালের ২৬ জুন, বাসস: জনমত জরিপ-দেশের ৭৩ ভাগ মানুষের মতে হরতালের রাজনৈতিক কার্যকারিতা নেই। দেশের ৬৪টি জেলার ৬ হাজার ৪০০ জনের মধ্যে পরিচালিত এক নমুনা জরিপ থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। জরিপে দেখা যায়, সমানসংখ্যক মানুষ হরতালের রাজনীতির অবসান চায়।
২০০৪ সালের ২৯ জুন, ইনকিলাব, খুলনা ব্যুরো: খুলনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় শেখ হাসিনা বলেছেন, খুনের নগরী খুলনায় হায়াত-মউত এখন সন্ত্রাসীদের হাতে।
২০০৪ সালের ৩০ জুন-সংসদ রিপোর্টার: বিরোধী দলীয় নেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভনেত্রী শেখ হাসিনা-বাজেটের উপর সমাপনী বক্ততায় বলেন জনগণ ম্যাক্রো-মাইক্রো অর্থনীতি বোঝে না তারা শান্তিতে দু'বেলা খেতে চায়। গতকাল (মঙ্গলবার) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনার সমাপনী বক্ততায় ২০০৪-২০০৫ অর্থ বছরে ঘোষিত বাজেটকে প্রত্যাখান করে বলেছেন, এ বাজেট ধনিক তোষণ ও গরীব মারার বাজেট। জনগণকে ধোঁকা দেয়া ও ভাঁওতাবাজির বাজেট। তারা শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে দু'বেলা খেতে চায়। তারাবোঝে দ্রব্যমূল্য কমল কিনা।
২০০৪ সালের ১২ জুলাই, সংসদ রিপোর্টার: স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বাকবিতন্ডা আওয়ামী লীগের দু'দফা ওয়াক আউট। সংসদ কার্যক্রমে সাময়িক অচলাবস্থা।
২০০৪ সালের ১৩ জুলাই, ইনকিলাব-স্টাফ রিপোর্টার: স্বাধীনতার ঘোষক ও পুনর্মুিদ্রত দলিল নিয়ে আ'লীগ নেতৃবৃন্দ গোঁড়ামি করছেন: যুবদল। তারা বলেন, পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে ২ লাখ ৭৬ হাজারের মতো মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। তাকে ৩ লাখের পরিবর্তে ৩ মিলিয়ন বলে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে ইতিহাস বিকৃত করে তুলে ধরেছেন স্বয়ং শেখ মুজিবুর রহমান নিজেই।
২০০৪ সালের ১৫ জুলাই, স্টাফ রিপোর্টার: পুনঃপ্রকাশিত স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিল অবিলম্বে বাতিল করুন-আওয়ামী লীগ।
২০০৪ সালের ১ আগষ্ট, স্টাফ রিপোর্টার: এ স্বৈরসরকারকে তাড়িয়ে জনগণের সরকার কায়েম করতে হবে: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা। এ কথার অর্থও ফাঁকা বুলি ছাড়া আর কিছু নয়।
২০০৪ সালের ১৭ আগষ্ট, টুঙ্গীপাড়া থেকে মোঃ অহেদুল হক: জন্মদিন পালনই ১৫ আগষ্টের হত্যাকান্ডে খালেদা জিয়ার জড়িত থাকার প্রমাণ-শেখ হাসিনা।
২০০৪ সালের ২২ আগষ্ট, স্টাফ রিপোর্টার(ইনকিলাব): খুনীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী এক নম্বরে: শেখ হাসিনা।
২০০৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব পত্রিকার কথা-শেখ হাসিনার সভায় হামলা করেছে কারা? ভারতীয় 'র'? আইএসআই? মিলিটারী? শাসক দল? নাকি মৌলবাদীরা? হারকাতুল জিহাদ (২) বিএনপি-জামায়াত শাসকগোষ্ঠী (৩) সশস্ত্র মাওবাদী গোপন সংগঠন (৪) পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (৫) ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা 'র' (৬) সামরিক বাহিনীর একশ্রেণীর উচ্চভিলাসী অফিসার। এ ছয়টির মধ্যে কোনটি হতে পারে। এ কাজটি করার জন্য এখন যারা মাঠে রয়েছে তারা হল: (১) সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা (ডিজিএফআই) (২) জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) (৩) অপরাধ তদন্ত সংস্থা (সিআইডি) (৪) ডিটেনটিভ ব্রাঞ্চ (ডিবি) (৫) স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) (৬) র্যাব (৭) বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের নেতৃত্বে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি (৮) ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে আওয়ামীপন্থী আইনজীবি তদন্ত কমিটি (৯) ইন্টারপোল তদন্ত টীম (১০) মার্কিন ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেষ্টিেেগশন বা এফবিআই তদন্ত টীম।
২০০৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: ২১ আগষ্টের গ্রেনেড হামলার রহস্য পুলিশের আইজিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই বেরিয়ে আসবে: শেখ হাসিনা।
২০০৪ সালের ২৭ অক্টোবর, নিউইয়র্ক থেকে এনা: নিউইয়র্কে শেখ হাসিনা-বাংলাদেশে হাওয়া ভবনে চাঁদা না দিলে কোন ব্যবসা করা যায় না।
২০০৪ সালের ১১ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: আওয়ামীলীগসহ ১৪-দলের টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত গণঅনাস্থা প্রাচীর কর্মসূচী। ৯শ' কি. মি. পথে যানজটের আশংকা : মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল।
২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: মিথ্যা ইতিহাস শেখানোর অপরাধে জোট সরকারের বিচার হবে-শেখ হাসিনা।
২০০৫ সালের ২৯ জানুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: সরকারের একমাত্র কাজ এখন বিরোধী নেতা-কর্মী হত্যা ও নির্যাতন-শেখ হাসিনা।
২০০৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: জোট সরকারের কত রক্ত প্রয়োজন আমি বুঝি না-শেখ হাসিনা।
২০০৫ সালের ১৬ মার্চ, ইনকিলাব পত্রিকার খবর-মন্ত্রী গৌতম চক্রবর্তী: সাড়ে তিন বছরে ৫০ দিন হরতালঃ ১৯,৩০০(উনিশ হাজার তিনশত) কোটি টাকা ক্ষতি। সাবেক অর্থমন্ত্রী জনাব কিবরিয়া মহান জাতীয় সংসদের এক ভাষণে বলেছিলেন, বাংলাদেশে একদিনের হরতালে ৩৮৬ কোটি টাকার ক্ষতি হয়।
২০০৫ সালের ২৪ এপ্রিল, ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী তাঁর পুত্রকে দিয়ে আন্ডারওয়াল্র্ড নিয়ন্ত্রণ করছে-বলেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০০৫ সালের ২৩ মে, ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্ট: গডফাদারদের সরকার ধরছে না-বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা।
২০০৫ সালের ২৮ মে, ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পুত্র উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে বোমাবাজি করছেন-শেখ হাসিনা।
২০০৫ সালের ২৮ মে, ইনকিলাব পএিকার প্রেস বিজপ্তি: মাতৃত্ব দিবসে শেখ হাসিনা-গর্ভজনিত কারণে প্রতিদিন ৩০ মায়ের মৃত্যু হয় বাংলাদেশে।
২০০৫ সালের ১০ জুন, ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার: আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগনকে মোয়া ধরিয়ে দেয়া হয়েছে-প্রস্তাবিত বাজেট ধোঁকাবাজির বাজেট।
২০০৫ সালের ১১ জুন, ইনকিলাব পত্রিকার গোপালগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা: এ বাজেট জনগণের নয় দুর্নীিত উন্নতির বাজেট-টুঙ্গিপাড়ায় শেখ হাসিনা।
২০০৫ সালের ২৫ জুন, ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার: আওয়ামী লীগ ও সমমনাদলগুলোর আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের প্রতিনিধি সভায় হাইকোর্টের রায়ের কপি ছিঁড়ে প্রতিবাদ।
২০০৫ সালের ৪ জুলাই, ইনকিলাব পত্রিকায় বাসস ও এপি: শেখ মুজিব পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চাননি এক ধরনের কনফেডারেশন চেয়েছিলেন। ওয়াশিংটনে মার্কিন গোপন দলিলে তথ্য প্রকাশ।
২০০৫ সালের ৬ জুলাই, ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার: আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার জন্য নতুন দুটি বুলেটপ্রুফ গাড়ী আনা হয়েছে।
২০০৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব-মুহাম্মদ আলম: ধর্মিনরপেক্ষতার বিরুদ্ধে দেয়া বক্তব্য থেকে সাবেক মেয়র হানিফ একটুও নড়বেন না।
২০০৫ সালের ২ অক্টোবর, ইনকিলাব-স্টাফ রিপোর্টার: সংস্কার ছাড়া নির্বাচন করতে দেয়া হবে না-আওয়ামী লীগের ভোট কারচুপি দিবস পালন।
২০০৫ সালের ১১ অক্টোবর, ইনকিলাব-ব্যর্থ সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে-দেশবাসীর উদ্দেশে-বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা।
২০০৫ সালের ১৮ অক্টোবর, ইনকিলাব-স্টাফ রিপোর্টার: আওয়ামী লীগের সেমিনারে বক্তাগণ-জোট সরকার বছরে ৪৮ হাজার ২শ' ৭১ কোটি টাকা লুটপাট করেছে। এ হিসেবে গত ৪-বছরে জোট সরকারের দুর্নীিতর খেসারত দিতে হয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৩ কোটি টাকারও বেশী।
২০০৫ সালের ১৫ নভেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী আইনের শাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা।-শেখ হাসিনা।
২০০৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেত্রী-শেখ হাসিনা বলেছেন, সময় এসেছে, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শেষ লড়াইটা করতে হবে। তিনি বলেন, ১৯৭১-এর পরাজিত শক্তি জামায়াতই যে জঙ্গীবাহিনী ও সন্ত্রাসী লালনকারী তা জাতির কাছে আজ স্পষ্ট। দেশে রাজাকারদের তালিকা করা উচিত, মুক্তিযোদ্ধাদের নয়। ১৯৭১-এর পরাজয় তারা ভুলতে পারেনি। পতিশোধ নিতে তারা এখনও হত্যাকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
২০০৫ সালের ২২ ডিসেম্বর, বিবিসি-সংস্কার কর্মসূচী মানতেই হবে রাষ্ট্রদ্রোহী কাজ তিনিই করছেন-বিবিসির সাথে সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা।
২০০৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর, মুহাম্মদ আলম, রাজশাহী থেকে-দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া উপেক্ষা করে রাজশাহীতে ১৪-দলের মহাসমাবেশে মানুষের ঢল-প্রধানমন্ত্রী নিজেই দেশদ্রোহী জনগণ তার বিচার করবে: আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না, হুমকি-ধমকিতো পরোয়াই করি না-শেখ হাসিনা।
২০০৬ সালের ২ জানুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: নয়া ভোটার তালিকার উদ্দেশ্য হচ্ছে আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষকে বাদ দেয়া: শেখ হাসিনা।
২০০৬ সালের ৭ জানুয়ারি, নিউইয়র্ক থেকে এনা-তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেয়ার দিনই কেয়ামতের অবস্থা হবে-আওয়ামী লীগ নেতা মান্নান।
২০০৬ সালের ১৬ জানুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত জোট ২০০১ সালে ভোটের ফলাফল চুরি করেছিল। এবার তারা ভোটার তালিকা চুরি করছে।
২০০৬ সালের ২৯ জানুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: মন্ত্রী-এমপিরা টিভি চ্যানেলের যন্ত্রপাতির নামে অবৈধ অস্ত্র আনছেন: আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা।
২০০৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, গোপালগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা: সংস্কার প্রস্তাব মানতে বিএনপি-জামায়াত জোটকে বাধ্য করা হবে-টুঙ্গিপাড়ায় শেখ হাসিনা।
২০০৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: ধর্ষেণ সেঞ্চুরী করা ছাত্রলীগ নেতাকে শেখ হাসিনা বুকে তুলে নিয়েছিলেন: তারেক রহমান।
২০০৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, সংসদ রিপোর্টার: যোগদান করেই ৫০-দফা সংস্কার প্রস্তাব উত্থাপন করলেন-শেখ হাসিনা। সংসদ প্রাণবন্ত-উত্তপ্ত।
২০০৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: ক্ষমতায় যেতে নয় জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এ প্রস্তাব দিয়েছি-শেখ হাসিনা।
২০০৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: সেনা পদোন্নতিতেও প্রাধান্য পাচ্ছে মামা-ভাগ্নের তালিকা। ৫১-সাবেক সামরিক কর্মকর্তার সাথে শেখ হাসিনা। গতকাল ধানমন্ডি কার্যালয়ে সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তােদর সাথে মতবিনিময় করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
২০০৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, সংসদ রিপোর্টার: বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়া জড়িত-শেখ হাসিনা। ২০০৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, সংসদ রিপোর্টার: বর্তমান আওয়ামী লীগ জিয়ার অবদান-মান্নান ভূঁইয়া। শেখ কামালের ব্যাংক ডাকাতির কথা দেশবাসী ভুলে যায়নি: হাওয়া ভবন ও শহীদ মইনুল রোডের বাসা সীজ করলে কয়েকশ' কোটি টাকা পাওয়া যাবে।
২০০৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, মুহাম্মদ আলম, দিনাজপুর থেকে-আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা বলেন: জোট সরকার আবার ক্ষমতায় গেলে চালের কেজি ৪০/-টাকা হবে। ২০১০ সালের ২০ এপ্রিল, জনকন্ঠ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় থাকলে এখন চালের মূল্য হতো ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। এখনও কিছু কিছু চালের মূল্য প্রায় ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। তবে মহাজোট সরকারের আমলে চালের দাম বেশি কেন।
২০০৬ সালের ১ মার্চ, সংসদ রিপোর্টার: তদন্ত কমিটি করে দেখুন প্রধানমন্ত্রী নাকি বিরোধীদলীয় নেত্রীর পরিবার দুর্নীিতবাজ-এডভোকেট আবদুল হামিদ।
২০০৬ সালের ৫ মার্চ, স্টাফ রিপোর্টার: দেশে স্বৈরতন্ত্র চলছে-এবারের লড়াই হবে শেষ লড়াই: শেখ হাসিনা। আমি মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর) বলছি এ কথাটার অর্থও ফাঁকা-যেমন বলেছিল যে আমার ৫৭-বছর হলে আমিও রাজনীতি থেকে অবসর নেব। শেখ হাসিনার জন্ম ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, তাঁর ৫৭ বছর বয়স পূর্ণ হয়েছে ২০০৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর। প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় সে টিভিতে সাক্ষাৎকার দিয়েছিল যে, আমার বয়স যখন ৫৭ হবে তখন আমি অবসর নেব রাজনীতি থেকে। এখন সে অবসর জীবন-যাপন করার কথা। কিন্তু বাস্তবে তিনি রাজনীতি করছেন।
২০০৬ সালের ১৮ এপ্রিল, স্টাফ রিপোর্টার: জামায়াতের সাথে সংলাপে বসা মানে শায়খ রহমান ও বাংলাভাইয়ের সঙ্গে বসা-বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা।
২০০৬ সালের ১৪ জুলাই, স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয়তাবাদী জামায়াত জোট (১০ অক্টোবর, ২০০১ থেকে ১৩-০৭-২০০৬ সাল পর্যন্ত) ২ লাখ ৮৬ হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে-শেখ হাসিনা।
২০০৬ সালের ২৬ আগষ্ট, স্টাফ রিপোর্টার: দুর্নীিতমুক্ত করার কথা বলে প্রধানমন্ত্রী-দুর্নীিতর মামলা তুলে নিচ্ছেন-শেখ হাসিনা।
২০০৬ সালের ১১ অক্টোবর, বিরোদলীয় নেত্রীর ভাষণ থেকে নেয়া: প্রধানমন্ত্রীর ছেলের হাওয়া ভবনের সিন্ডিকেট জিনিসের দাম বাড়িয়ে ৫ বছরে ২ লাখ ৮৬ হাজার কোটি টাকা মুনাফা করেছে।
২০০৬ সালের ১১ অক্টোবর, বিরোদলীয় নেত্রীর ভাষণ থেকে নেয়া: শেখ হাসিনার কথা আমরা সরকারে থাকতে ২০,৯৭৭ কিলোমিটার পাকা রাস্তা রেখে এসেছিলাম। এ সরকার ৫ বছরে এক কিলোমিটার নতুন রাস্তাও করতে পারেনি। গত ৫ বছরে ১৮ হাজার কোটি টাকা খরচ করে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনও বাড়াতে পারেনি। প্রত্যেক পরিবারের অন্ততঃ একজন কর্মক্ষম যুবকের কর্মসংস্থানের জন্য ''এমপস্নয়মেন্ট গ্যারান্টি স্কিম'' চালু করা হবে। চাকুরীর কথা বলে ক্ষমতায় যেতে চায়। এ কথার অর্থও ফাঁকা।
২০০৬ সালের ১১ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা-লুটেরাদের পাহারাদার হবেন না। সেনাবাহিনীর উদ্দেশে শেখ হাসিনা-জোটনেত্রীর বাসায় তল্লাশি চালালে হীরা জহরত বস্তায় বস্তায় টাকা পাওয়া যাবে'।
২০০৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, শামীম সিদ্দিকী: দুর্নীিতবাজ ঘুষখোর সুদখোরের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। মতবিনিময় সভায় শেখ হাসিনা: ১. স্বাধীনতার পর থেকে হিসাব নেয়া হোক। ২. সাদাকে সাদা কালোকে কালো বলুন। ৩. সুদখোর দিয়ে দারিদ্র দূর হয় না। ৪. রাজনীতিবিদদের ঢালাও গালিগালাজ করে আবার রাজনীতিতে আসার খায়েশ। ৫. হঠাৎ গজিয়ে ওঠা রাজনীতিবিদ থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
২০০৭ সালের ১৬ মার্চ, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সব কার্যক্রমের বৈধতা দেবে-সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেছেন।
২০০৭ সালের ১৭ মার্চ, ইনকিলাব রিপোর্ট: ওয়াশিংটন বিমানবন্দরে ফুলেল অভ্যর্থনা-লুটেপুটে খেয়ে বিএনপি-জামায়াত দেশের অস্তিত্ব ধ্বংস করতে চেয়েছিল-শেখ হাসিনা।