২০০৭ সালের ১০ এপ্রিল, স্টাফ রিপোর্টার: শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ৩(তিন) কোটি টাকার চাঁদাবাজির মামলা। ১৯৯৮ সালে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় চাঁদাবাজি করে।

২০০৭ সালের ৮ জুলাই, সরকারব্যবস্থা সংস্কারের উদ্যোগ। ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টির লক্ষ্যে যা করা হবে। * স্পীকার নির্বািচত হওয়ার পর দলীয় সম্পৃক্ততা থাকবে না, ডেপুটি স্পীকার হবেন বিরোধী দল থেকে। * প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দলীয় প্রধানের পদ ছাড়তে হবে, মন্ত্রী দলের সাংগঠনিক পদে থাকতে পারবেন না। * সংসদীয় কমিটির এক-তৃতীয়াংশের চেয়ারম্যান হবেন বিরোধী দল থেকে। * প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রী এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না, সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সংসদকে অবহিত করতে হবে। * জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সংসদ সদস্য দলের সিদ্ধান্তের বাইরে মত প্রকাশ করতে পারবেন।

২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে চিকিৎসা নিতে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার ভয় বিদেশে গেলে খরচ দেবে দল। এ হল বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার দেশপ্রেম।

২০০৮ সালের ১৪ মার্চ, আশরাফ-উল আলম-খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনাকে দেওয়া দুদকের নোটিশ বৈধ এবং তাদেরসহ ২০০ জনের বিরুদ্ধেই দুদকের মামলা চলবে।

২০০৮ সালের ১৪ জুন, বোস্টনে সাংবাদিকদের শেখ হাসিনা-দেশে আর কখনো দুর্নীিত হবে না। ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন, বোস্টন থেকে। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে আর কখনো দুর্নীিত হবে না। নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে। আমি মোঃ জাকির হুসেন-শেখ হাসিনার কথার সাথে এক মত নই এবং যখন শেখ হাসিনা ক্ষমতায় যেতে পারবে না তখনই বলবে যে দুর্নীিতর মাধ্যমে ক্ষমতায় গেছে-দুর্নীিত করার জন্য। আমি বলি যে, এ ব্যবস্থায় কোনদিনই দুর্নীিত বন্ধ হবে না।

২০০৮ সালের ২৬ জুন, অরল্যান্ডোতে শেখ হাসিনা: সবাইকে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে চাই। শেখ হাসিনা কিছুদিন পর এ কথার সাথে একমত থাকবে না।

২০০৮ সালের ৪ জুলাই, কানাডায় শেখ হাসিনা-নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় গেলে দুর্নীিতবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। সে দুর্নীিতর বিরুদ্ধে লড়াই করবে না।

২০০৮ সালের ১৯ নভেম্বর, সমঝোতার নতুন উদ্যোগ। খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার সঙ্গে উপদেষ্টাদের বৈঠক। নির্বাচন পেছানোর বিষয়ে আলোচনা, অগ্রগতি নেই। উপদেষ্টারা বলেছেন ২৮-১২-২০০৮ তারিখ পর্যন্ত নির্বাচন পেছানোর কথা বলেন। খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয় মধ্য জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন পেছানোর কথা বলেন। উপদেষ্টারা তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত না দিয়ে এ বিষয়ে পরে জানাবেন বলে জানান।

২০০৮ সালের ৬ ডিসেম্বর, বাদ পড়া ৯৯ প্রার্থীর কমিশনে আপিল। শূন্য আসনে বিকল্প প্রার্থী খুঁজছে বিএনপি-আওয়ামী লীগ।

২০০৮ সালের ২৫ ডিসেম্বর, কেউ কেউ নির্বাচন বানচালের ছুতা খুঁজছেন: হাসিনা।

২০০৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: দুর্নীিত করে কামানো টাকা ভোট কেনায় ব্যবহারের চেষ্টা হচ্ছে। চট্টগ্রামে শেষ নির্বাচনী সমাবেশে শেখ হাসিনা।

২০০৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: আওয়ামী লীগের বিশাল জয়। অভূতপূর্ব ভোট উৎসব 'দিনবদলের' পক্ষে জনতার রায়।

২০০৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: নেতা-কমীদের ধৈর্য ধরতে ও শান্ত থাকতে বলেছেন হাসিনা।

২০০৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ২৯-১২-২০০৮ তারিখের নির্বাচনে জনগণের রায় স্পষ্টতই দিনবদলের পক্ষে গেছে। আওয়ামী লীগ পেয়েছে ৪৯ শতাংশ ভোট এবং সংসদে আসন পেয়েছে ২৩০টি। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পেয়েছে ৩৩ শতাংশ ভোট, কিন্তু আসন পেয়েছে মাত্র ৩০টি। শতকরা হিসেবে যত ভোট পেয়েছে সে অনুপাতে তত আসন পায়নি। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দল জাতীয় পার্টি (জেপি) ৭ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছে ২৭টি আসনে। বিএনপির জোটভূক্ত ইসলামপন্থী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৪ শতাংশ ভোট পেয়ে আসন পেয়েছে মাত্র ২টি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে ১৫ শতাংশ ভোটের ব্যবধান নজিরবিহীন। আগের নির্বাচনগুলোতে দুই দলের ভোটের পার্থক্য পাঁচ শতাংশের কম থেকেছে। অনেক পর্যেবক্ষক মনে করেন, তরুণ ভোটাররা দিনবদলের পক্ষে ব্যাপক ভোট দিয়েছেন।

২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: আমাদের সরকার হবে সকলের: শেখ হাসিনা

প্রথম কাজ দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ। ক্ষমতার অপব্যবহার নয়। প্রতিশোধ নয়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে। বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার।

২০০৯ সালের ৩ জানুয়ারি, প্রথম আলো: জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলকে হাসিনা। নিরপেক্ষভাবে দুর্নীিত বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

২০০৯ সালের ৮ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ডিজেলের দাম কমবে-সারে ভর্তুিক বাড়বে। শেখ হাসিনা মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে সিদ্ধান্ত। সন্ত্রাস ও অপরাধ বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

২০০৯ সালের ১০ জানুয়ারি, টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন-সব অষ্ণলের সুষম উন্নয়ন করতে চাই। কারও প্রতি বৈষম্য করা হবে না। তিনি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে ছিন্নমূল মানুষকে ঘর করে দেব, দেশকে দারিদ্রমুক্ত করব। উন্নত জাতি হিসেবে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করব: শেখ হাসিনা। হাসিনা বলেছে যা, এর কিছুই করবে না।

২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি, প্রথম আলো: মন্ত্রিসভার কলেবর বাড়ল, এলেন আরও ছয় প্রতিমন্ত্রী। এ নিয়ে মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা হলো ৩৮ জন। এরমধ্যে মন্ত্রী ২৪ জন ও ১৪ জন প্রতিমন্ত্রী। এ ছাড়া মন্ত্রীর পদমর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধাপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রয়েছেন ৬ জন। মোট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাসহ ৪৪ জন এবং আরো দু'জন মন্ত্রী বাড়ল।

২০০৯ সালের ২৯ জানুয়ারি, প্রথম আলো: সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-জঙ্গিবাদের মূলোৎপাদনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং ছাত্ররাজনীতি বন্ধের পক্ষে নন।

২০০৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: এনজিও ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী এ. এম. এ. মুহিত: ৫ বছরের মধ্যে দেশ থেকে ভিক্ষাবৃত্তি দূর করা হবে।

২০০৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: তত্ত্বাবধায়ক ও জোট সরকারের দুর্নীিতর শ্বেতপত্র প্রকাশ হবে-সংসদে প্রশ্নোত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংসদে প্রশ্নোত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে কথা দিয়েছে-তাঁর কথা সে রাখবে না।

২০০৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: আনসার একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী-অঙ্গীভূত আনসারদের দৈনিক ভাতা ১১০/- টাকার পরিবর্তে ১৮০/-টাকা করা হবে।

২০০৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: বেগম রোকেয়ার নামে রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০০৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহেরা খাতুনের বিবৃতি-সরকারের একার পক্ষে জঙ্গি দমন সম্ভব নয়।

২০০৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: জার্মান প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ-সন্ত্রাস দমনে জাতীয় ও আন্তর্জািতক উদ্যোগ দরকার: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০০৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: বিদ্রোহী জওয়ানদের সাধারণ ক্ষমা। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর অস্ত্র সমর্পেণর ঘোষণা।

২০০৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: রক্তপাত এড়িয়ে সমস্যা সমাধানে জোর দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০০৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্র্তরী শেখ হাসিনা বলেন-ভাইয়ের বুকে গুলি করবেন না, আত্মঘাতী সংঘাত বন্ধ করুন।

২০০৯ সালের ২ মার্চ, প্রথম আলো: প্রধানমন্ত্রী পৌঁছানোর আগে সকাল ১০টার মধ্যে ঢাকা সেনানিবাসে কর্মরত প্রায় দুই হাজার পদস্থ কর্মকর্তা বৈঠক স্থলে উপস্থিত হন। সেনাকুঞ্জে ক্ষুব্ধ কর্মকর্তােদর বক্তব্য শুনলেন প্রধানমন্ত্রী। 'সব ব্যবস্থা নেয়া হবে, কিছুই আড়াল করা হবে না'। বিডিআর সদর দপ্তরে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে সেনাকুঞ্জে উধ্র্বতন সেনা কর্মকর্তােদর নীরবতা পালন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবী জানান কিছূ সেনা কর্মকর্তা-সমঝোতার নামে সেনা কর্মকর্তােদর হত্যা ও লাশ গুম করা এবং বিডিআর জওয়ানদের পালানোর সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। এ কারণে অবিলম্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এডভোকেট শাহেরা খাতুন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও হুইপ মির্জা আজমকে বরখাস্ত করার দাবী জানান তাঁরা।

২০০৯ সালের ২ মার্চ, প্রথম আলো: বিদ্রোহীদের ধরতে সেনা, পুলিশ ও র্যাবকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০০৯ সালের ৯ মার্চ, প্রথম আলো: নারী দিবসের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী-সংরক্ষিত নারী আসন ১০০-তে উন্নীত হবে।

২০০৯ সালের ১৫ মার্চ, প্রথম আলো: বাংলাদেশ নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন। বুলেট আর গ্রেনেড আমাকে তাড়া করে ফিরছে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০০৯ সালের ২৩ মার্চ, প্রথম আলো: ভারত থেকে এ বছর ৬০ হাজার টন গম আমদানি করতে হবে। এ বছর বলা হয়েছিল আমাদের কিছু খাদ্য রফতানি করতে হবে তখনও আমি বলেছিলাম যে এবারও আমাদের খাদ্য ঘাটতি হবে। তা-ই হয়েছে।

২০০৯ সালের ৩০ মার্চ, প্রথম আলো: যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখতে হবে। জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক এবং সরকারি-বেসরকারি বেতার-টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ সম্পাদকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়।

২০০৯ সালের ২ এপ্রিল, প্রথম আলো: চেক হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী। নিহত সেনা সদস্যদের পরিবারকে বিএবির অর্থসহায়তা। ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (বিএবি) পিলখানায় নিহত ৫৫ জন সেনা কর্মকর্তােদর পরিবারকে মাসিক ৪০ হাজার টাকা করে আগামী ১০ বছর অর্থসহায়তা দেবে।

২০০৯ সালের ৮ এপ্রিল, প্রথম আলো: সংসদে দুই নেত্রী-দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি হয় এমন কাজ করবেন না: হাসিনা।

২০০৯ সালের ১৫ মে, প্রথম আলো: প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের নেতাদের ১০৩ মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ। আবেদনের শেষ সময় ৩১ মে, ২০০৯।

২০০৯ সালের ২০ মে, প্রথম আলো: ইউজিসি প্রতিনিধিদলকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন দ্রুত প্রণয়ন করা হবে।

২০০৯ সালের ২৮ মে, প্রথম আলো: বিরোধী দলের গঠনমূলক সমালোচনাকে স্বাগত জানাই: প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, 'মানুষ আমাদের অনেক দিয়েছে। এখন আমাদের দেবার পালা। কাজেই শাসন-বঞ্চনার হাত থেকে মানুষকে মুক্ত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন 'জনগণ যে আকাঙক্ষা নিয়ে আমাদের ভোট দিয়েছে, সেটা পূরণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা ব্যবসা করতে আসিনি, এসেছি জনগণের জন্য কাজ করতে। আমরা ক্ষুত্র গোষ্ঠিকে বড়লোক বানাতে আসিনি। আমরা জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য এসেছি। আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ ও কাজ জনকল্যাণমুখী।' এ কথার সাথে আমি একমত।

২০০৯ সালের ১১ জুন, প্রথম আলো: ৬২ মামলা প্রত্যাহার হচ্ছে হাসিনাসহ তিন হাজার আসামি অব্যাহতি পাবেন।

২০০৯ সালের ২৫ জুন, প্রথম আলো: সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ কোটা পদ্ধতি আবার চালু হবে।

২০০৯ সালের ১১ জুলাই, প্রথম আলো: ছয় হাজার শূন্যপদে চিকিৎসক ও তিন হাজার নার্স নিয়োগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী-শেখ হাসিনার। কত বছরে নিয়োগ দেবে তা বলেনি।

২০০৯ সালের ২৮ জুলাই, প্রথম আলো: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা এবং তাঁদের সন্তান-সন্তনি জাতির পিতার পরিবারের সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন। তাঁরা আজীবন রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আবাসন সুবিধা পাবেন।

২০০৯ সালের ১ আগষ্ট, প্রথম আলো: নতুনদের হাতে দল ও সরকার। নয়া মন্ত্রী ও পাঁচ প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব দিলাম, দেখি তাঁরা কী প্রতিদান দেন-প্রধানমন্ত্রী। সর্বেমাট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা হলো-৪৪ জন।

২০০৯ সালের ৩ আগষ্ট, প্রথম আলো: বিশ্ব মাতৃদৃগ্ধ উদ্বোধন। স্কুলে শিশুর মানসিক পরিচর্যার জন্য মনোবিজ্ঞানী থাকা দরকার: প্রধানমন্ত্রী-শেখ হাসিনা বলেন, ব্যাংক-বীমা, বড় শপিং মল, অফিস-আদালত, কারখানাতে শিশুদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার থাকা প্রয়োজন।

২০০৯ সালের ২১ আগষ্ট, প্রথম আলো: বিশ্বের ক্ষমতাধর ১০০ নারীদের মধ্যে শেখ হাসিনা ৭৮তম। শীর্ষে অ্যাঙ্গেলা মার্কেল। ভারতের কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী রয়েছেন ১৩ নম্বরে। মার্কিন ফাষ্ট লেডী মিশেল ওবামা ৪০তম। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী ক্লিনটনের স্থান ৩৬ নম্বরে।

২০০৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: বাংলাদেশের বাজেটের মাত্র ৪২% জনগণের জন্য উন্মুক্ত।

২০০৯ সালের ৮ অক্টোবর, প্রথম আলো: যত বাধা আসুক না কেন, গ্যাস উত্তোলন করবই: প্রধানমন্ত্রী।

২০০৯ সালের ১৪ অক্টোবর, প্রথম আলো: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবিত দুই মেয়ে ও তাঁদের সন্তানদের আজীবন নিরাপত্তা বিধানে 'জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা আইন-২০০৯' সংসদে পাস হয়েছে।

২০০৯ সালের ১৮ অক্টোবর, প্রথম আলো: দুর্নীিতবাজ যে দলেরই হোক ছাড় দেওয়া হবে না। দারির্দয নিরসন দিবসের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০০৯ সালের ১৯ অক্টোবর, প্রথম আলো: সচিবদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক-নদী, খাল ও জলাভূমি দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ।

২০০৯ সালের ২২ অক্টোবর, প্রথম আলো: রাজধানীর নিখোঁজ হওয়া ৪৩টি খালের দখলকারী চিহিৃত করেছে সংসদীয় কমিটি। খাল উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবে সংসদীয় কমিটি।

২০০৯ সালের ২৫ অক্টোবর, প্রথম আলো: জলবায়ু পরিবর্তন সবার জন্য হুমকি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমি বলব সবার জন্য হমকি নয়-গরীব দেশগুলোর জন্য হুমকি।

২০০৯ সালের ২৯ অক্টোবর, প্রথম আলো: জলবায়ু পরিবর্তেন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলাদেশ। সংসদে প্রশ্নোত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০০৯ সালের ২ নভেম্বর, প্রথম আলো: জনগণের আস্থা জীবন দিয়ে হলেও রক্ষার প্রতিশ্রুতি। সংসদে দারিদ্র বিমোচন আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর, প্রথম আলো: ১৯৭২ সালের সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০০৯ সালের ৬ নভেম্বর, প্রথম আলো: বিরোধী দল সংসদে না এসে কী সংকেত দিচ্ছে? সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন।

২০০৯ সালের ২৪ নভেম্বর, প্রথম আলো: সেনাবাহিনীর ফরমেশন কমান্ডারদের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রচলিত বিচারব্যবস্থার ওপর আস্থা রাখুন।

২০০৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: জোট সরকারের নির্যাতন তদন্তে কমিশন হচ্ছে। আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী-শেখ হাসিনা।

২০০৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: যুদ্ধাপরাধের বিচার করা হবে। ডেনমার্কে শেখ হাসিনা: এরশাদ বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করেছেন।

২০০৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী-সরকারের মেয়াদকালেই জাতীয় গ্রিডে ৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে। করবে না সরকার।

২০০৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্র্টযাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস-বিস)-এর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সেমিনারে বক্তারা-একাত্তরের স্বপ্ন স্বাধীনতার চার দশকেও পূরণ হয়নি।

২০১০ সালের ৪ জানুয়ারি, প্রথম আলো: পরিবেশ সম্মেলন উদ্ধোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-ভূমিদস্যুদের হাত থেকে ঢাকাকে বাঁচাতে এর পরিধি বাড়ানো হচ্ছে।

২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ভারতের বাজারে ঢুকতে উচ্চপর্যােয়র রাজনৈতিক সমঝোতার তাগিদ দিয়েছে মেট্টো চেম্বার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সফরের সময় ২৩২টি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার চাওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী।