২০১০ সালের ১৪ জানুয়ারি, প্রথম আলো: চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর নেপাল এবং ভুটানকেও ব্যবহার করতে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশই বেশি লাভবান হবে।
২০১০ সালের ১৪ জানুয়ারি, প্রথম আলো: দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন ভারত সফর শতভাগ সফল।
২০১০ সালের ১৭ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ভারত সফর সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরকে আঞ্চলিক যোগাযোগের কেন্দ্রে উন্নীত করতে সময় লাগবে। সরকারের এই মেয়াদেই সব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হবে। দেশের স্বার্থ রক্ষা করতে পেরেছি।
২০১০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, আমাদের সময়: আড়াই কোটি সদস্যের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের অভিযান শুরু।
২০১০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, জনকন্ঠ পত্রিকার রিপোর্ট: সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ আশা করছেন মহাজোট সরকার আগামী ২০২১ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে।
২০১০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: কৃষি-সহায়তা কর্মসূচির উদ্ভোধন-কৃষকের ভাগ্য নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলতে পারবে না, কৃষক বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচব্ে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০১০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় দুই লাখ ৮৬ হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে বলেছেন সংসদে মহাজোট সরকার।
২০১০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: প্রধানমন্ত্রী, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কবে 'আইএসআই' মুক্ত হবে? এক বছর ধরে পিলখানা হত্যাকান্ড নিয়ে জনমনে প্রশ্ন। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কেন বারবার ব্যর্থ হচ্ছে। কোথায় গলদ? প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, এনএসআই ও ডিজিএফআই পাকিস্তানের আইএসআইয়ের মডেলে তৈরি।
২০১০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: ঢাকা বাইপাস সড়ক উদ্বোধন। বিডিআর বিদ্রোহের উসকানিদাতারা রেহাই পাবে না: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০১০ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: সজীব ওয়াজেদ জয় আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য হলেন।
২০১০ সালের ১১ মার্চ, প্রথম আলো: ঢাকার চারপাশে চারটি স্যাটেলাইট টাউন গড়া হবে-সংসদে প্রশ্নোত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য রাজধানীর তিনটি এলাকায় ৫২ হাজার ফ্ল্যাট নির্মােণর উদ্যোগ নিয়েছে রাজউক। ফ্ল্যাটগুলোর আয়তন হবে ৬০০ থেকে ১২০০ বর্গফুটের।
২০১০ সালের ১২ মার্চ, প্রথম আলো: বিগত তত্ত্ববধায়ক সরকারের সমালোচনা করে সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জরুরি অবস্থার সময়ে জেলখানায় আমাকে 'স্স্নো পয়জন' দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন 'মাইনাস টু নয়, তাদের ফর্মুলা ছিল 'মাইনাস ওয়ান'। টার্গেট ছিলাম আমি। আমার মুক্তির দাবিতে ১৫ দিনে ২৫ লাখ স্বাক্ষর জোগাড় করা হয়েছিল।
২০১০ সালের ১২ মার্চ, প্রথম আলো: আট দিনে শেখ হাসিনার পাঁচ মামলা বাতিল।
২০১০ সালের ১ এপ্রিল, প্রথম আলো: বিদ্যুৎ-সংকট মোকাবিলায় শান্ত থাকার অনুরোধ। দেশবাসীর কাছে সময় চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারি ও বিরোধী দলের সাংসদদের সহায়তা চেয়ে মন্ত্রনালয়ের চিঠি।
২০১০ সালের ২ এপ্রিল, প্রথম আলো: পুলিশ বাহিনীতে বিভিন্ন পদে ৩২ হাজার ৩১ জনকে নতুন নিয়োগ দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশে জনবল বাড়ানোর এ প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন।
২০১০ সালের ৯ এপ্রিল, প্রথম আলো: স্বল্প সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ-সমস্যা সমাধানে সক্ষম হবঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০১০ সালের ১১ এপ্রিল, প্রথম আলো: আওয়ামী লীগ বদলালেই দেশ বদলাবে: আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন।
২০১০ সালের ১২ এপ্রিল, প্রথম আলো: নৌবাহিনীতে সাবমেরিন, হেলিকপ্টার ও ক্ষেপণাস্ত্র সংযোজন করা হবে। নৌ সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা।
২০১০ সালের ৩০ এপ্রিল, প্রথম আলো: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৯-০৪-২০১০ তারিখ ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের সঙ্গে থিম্পুর সার্ক ভিলেজে ইন্ডিয়া হাউসে বৈঠক করেন। দিল্লি বৈঠকের সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়িত হবে। ১০০ কোটি ডলারের ঋণ-সহায়তা ও ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত ও চুক্তি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবে ভারত।
২০১০ সালের ৭ মে, প্রথম আলো: জোট সরকারের দুর্নীিতর কারণে এক-এগার এসেছে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০১০ সালের ১৩ মে, প্রথম আলো: মেঘনা নদী দখলমুক্ত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর।
২০১০ সালের ২০ মে, প্রথম আলো: আওয়ামী লীগের প্রতিক্রিয়া। হরতাল অকেজো ও মরচে পড়া প্রত্যাহার করুন।
২০১০ সালের ৩০ মে, প্রথম আলো: মুন্সিগঞ্জে সৈয়দ আশরাফ। দেশকে বদলানোর আগে আওয়ামী লীগকে বদলাতে হবে।
২০১০ সালের ৩১ মে, প্রথম আলো: ১৩ মামলা থেকে মুক্ত হাসিনা, দুটিতে অভিযোগপত্র হয়নি।
২০১০ সালের ১০ জুন, প্রথম আলো: রত্না-সুমন, রুনা-জামিল ও আসমা-আলমগীর। তিন দম্পতি। অভিভাবক হয়ে তিন কন্যা'র বিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ০৯-০৬-২০১০ তারিখ রাতে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে হয়েছে সময়ের আলোচিত এ বিয়ে। নিমতলীর আগুনে পুরে মা-বাবা, ভাই-বোন ও আত্ত্বীয়-স্বজন মারা গেছেন।
২০১০ সালের ১২ জুন, প্রথম আলো: কারামুক্তি দিবসে প্রধানমন্ত্রী-বাজেট উচ্চাভিলাসী নয়, দারির্দযমুক্তিই প্রধান লক্ষ্য।
২০১০ সালের ১৪ জুন, প্রথম আলো: বসুন্ধরা গ্রুপের আহমেদ আকবর ছোবহান (শাহ আলমের) ঔদ্ধত্য। প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষোভ জানালেন মন্ত্রীরা।
২০১০ সালের ১৮ জুন, প্রথম আলো: প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে সরকার। মন্ত্রী ও সাংসদদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ হচ্ছে না। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও সাংসদদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ করার প্রতিশ্রুতি থেকে অনেকটাই সরে এসছে সরকার।
২০১০ সালের ২৪ মে, প্রথম আলো: বিরোধীদলীয় নেত্রীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফখরুদ্দীন-ইয়াজউদ্দিন-মইন আপনারই আবিস্কার।
২০১০ সালের ২৭ জুন, প্রথম আলো: ডেমরাঘাটে শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর ৭৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যয়ে সুলতানা কামাল সেতু উদ্ধোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেতুটির দৈর্ঘয এক হাজার মিটার এবং প্রস্থ ১০ মিটার। ঢাকার রাস্তার দুরবস্থার জন্য মেয়রকে দুষলেন-শেখ হাসিনা।
২০১০ সালের ৫ জুলাই, প্রথম আলো: মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রিত্ব ছেড়ে শুল্কমুক্ত গাড়ি কেনার সুবিধা নিতে পারেন।
২০১০ সালের ১২ জুলাই, প্রথম আলো: আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মন্ত্রীরা ১৮ মাসে না পারলে ১৮ বছরেও পারবেন না।
২০১০ সালের ১৭ জুলাই, প্রথম আলো: আদালতের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন হবে। আওয়ামী লীগের কার্যিনর্বাহী সংসদের সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০১০ সালের ২৩ জুলাই, প্রথম আলো: ক্ষমতা ব্যালটের মাধ্যমেই আসে তা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।-সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০১০ সালের ৩১ আগষ্ট, প্রথম আলো: বিশ্বের সেরা ১০ নারীনেত্রীর তালিকায় শেখ হাসিনা ৬ষ্ঠ।
২০১০ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: আঞ্চলিক সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী। দেশে আরও ২৫টি পলিটেকনিক হচ্ছে।
২০১০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: এক বছরে মোটা চালের দাম বেড়েছে ৫০%। বাজারে এখন ৩২ টাকার কমে এক কেজি চাল পাওয়া যায় না।
২০১০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: ২৮-১০-২০১১ তারিখ শেখ হাসিনার ৬৪তম জন্মদিনের আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ বলেন দলীয় কিছুসংখ্যক নেতা-কর্মীর কর্মকান্ডের ফলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সব অর্জন স্স্নান হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
২০১০ সালের ১২ নভেম্বর, প্রথম আলো: ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের কার্যক্রম এক ধাপ এগিয়ে গেল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশকে একটি জ্ঞানভিত্তিক ডিজিটাল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে ৪,৫০১টি ইউনিয়নে তথ্য ও সেবাকেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
২০১১ সালের ৩ ডিসেম্বর, দেনিক জনকন্ঠ: সারাদেশে ৪৫০১টি ইউনিয়ন তথ্য কেন্দ্রে প্রতিদিন সেবা নিচ্ছে ৩০ লাখ মানুষ। বদলে যাচ্ছে গ্রাম। এ কথার সাথে আমি একমত নই।
২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলায় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃতিম লেক মহামায়া সেচ প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত দেশের নয় তাদের ভাগ্যের উন্নয়ন করেছে।
২০১১ সালের ১৫ মার্চ, প্রথম আলো: ১৩-১২-২০১০ তারিখ মন্ত্রিসভার বৈঠকে সম্মাননা প্রাপকদের তালিকা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রায় ৪০০ বিদেশিকে সম্মাননা জানাবে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেক হাসিনা যাঁরা জীবিত তাঁদের সবাইকে ঢাকায় নিয়ে আসা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের মরণোত্তর সম্মাননা জানানো হবে। রাষ্ট্রপতি অথবা প্রধানমন্ত্রী এসব বিদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ৫০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক দেবেন। তাঁদের সম্মানসূচক বাংলাদেশের নাগরিকত্বও দেয়া হবে। তালিকায় ভারতের ২২৬ জন এবং পাকিস্তানের ৪০ জন রয়েছেন। বাকিরা যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, জাপান, রাশিয়াসহ অন্যান্য দেশের। আন্তর্জািতক সংস্থাগুলো হচ্ছে সুইস রেডক্রস, জাতিসংঘের শরণার্থীিবষয়ক হাইকমিশন, সংবাদমাধ্যম বিবিসি, আকাশবাণী, জেনেভাভিত্তিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অব জুরিষ্টস, আইসিআরসি, অক্সফাম জিবি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইন্টারন্যাশনাল লেবার অরগানাইজেশন।
২০১১ সালের ৫ মে, প্রথম আলো: মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-যুদ্ধাপরাধীদের বিচার তাড়াহুড়ার বিষয় নয়।
২০১১ সালের ১১ মে, প্রথম আলোঃ এলডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথিবীর ৮৮ কোটি মানুষকে দরিদ্র রেখে বৈশ্বিক অগ্রগতি সম্ভব নয়।
২০১১ সালের ১৭ জুলাই, দৈনিক জনকন্ঠ: শীঘ্রই পাঁচ হাজার নার্সের নতুন পদ সৃষ্টি করা হবে-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন।
২০১১ সালের ২০ জুলাই, প্রথম আলো: খুনিকে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা। আওয়ামী লীগ নেতা তাহেরের ছেলে বিপস্নবের দন্ড মওকুফ আরও দুটি হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন। লক্ষীপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও আইনজীবী নুরুল ইসলাম হত্যা মামলা। অপহরণ সেপ্টেম্বর, ২০০০, মামলা ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০০০, রায় ৯ ডিসেম্বর, ২০০৩, আত্মসমর্পণ ৪ এপ্রিল, ২০১১, ক্ষমা কার্যকর ১৪ জুলাই, ২০১১।
২০১১ সালের ২৬ জুলাই, প্রথম আলো: রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমানের কাছ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে অনন্য অবদান রাখার জন্য ২৫-০৭-২০১১ তারিখ ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত ইন্দিরা গান্ধীকে দেওয়া ''বাংলাদেশ স্বাধীনতা সম্মাননা পুরস্কার'' গ্রহণ করেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস পার্টির সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান 'বাংলাদেশ স্বাধীনতা সম্মাননা (মরণোত্তর) পুরস্কার হিসেবে ১৮ ক্যারেটের ২০০ ভরি ওজনের স্বর্ণ দিয়ে তৈরি পদক ও তিন পৃষ্ঠার একটি মানপত্র তুলে দেন সোনিয়া গান্ধীর হাতে।
২০১১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকার খরবঃ দুর্নীিতবাজ কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০১১ সালের ২ অক্টোবর, দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকার রিপোর্ট: ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের ৩০টি বৃহৎ অর্থনীতির একটি হবে-বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান। আমি মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর) বলি যে, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ৩০টি বৃহৎ অর্থনীতির একটি দেশ হবে। কিন্তু লোকসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ পৃথিবীর ৮ম স্থানেই থাকবে।
২০১১ সালের ২ অক্টোবর, দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকার রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়াই জাতীয় নির্বাচন-হবে হবে হবে।
২০১১ সালের ৫ অক্টোবর, প্রথম আলো: নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের জন্য রাজধানীর উত্তরায় ২০ হাজার ১০৭টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করবে রাজউক-একনেকে অনুমোদন। ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় উত্তরায় ১৮ নম্বর সেক্টরে ১৬ তলাবিশিষ্ট ২৪০টি ভবন নির্মাণ করবে রাজউক। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৩১ কোটি টাকা।
২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর, প্রথম আলো: ১০০ দিনে সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নিল ৯,৫০০ কোটি টাকা। মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা।
২০১১ সালের ২০ অক্টোবর, প্রথম আলো: দুর্নীিতর টাকায় কেনা গাড়িতে 'রোড শো' হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০১১ সালের ২০ অক্টোবর, দৈনিক জনকন্ঠ: পাটগ্রাম আর চাঁপাই থেকে-পাটগ্রামে বিশাল সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-আগুন লাগাতে দেব না।
২০১১ সালের ২৪ নভেম্বর, প্রথম আলো: কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, পৃথিবীর কোনো দেশেই অর্থের বিনিময়ে মনোনয়ন বা নেতা নির্বাচন করা হয় না। একমাত্র বাংলাদেশেই এটা সম্ভব হয়।
২০১১ সালের ১ ডিসেম্বর, দৈনিক জন কন্ঠ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি। আমার কথা হলো যে, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মুজুরী নির্ধারণ করুন।
২০১১ সালের ১১ ডিসেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: যেভাবেই হোক পদ্মা সেতু নির্মাণ করব-জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আবার বলছে পিপিপির অধীনে পদ্মা সেতু হবে-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা(প্রথম আলো)।
২০১১ সালের ১২ ডিসেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: জোট মহাজোট শাসনামলের তুলনামূলক বিচার করুন-তিন বছরেই দেশ জঙ্গী ও দুর্নীিতমুক্ত-নাটোরের বিশাল জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০১১ সালের ১২ ডিসেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: সারদায় সমাপনী কুচকাওয়াজ ঔপনিবেসিক মানসিকতা ত্যাগ করে পুলিশকে জনবান্ধন হতে হবে-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০১১ সালের ১৭ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: সরকারি চাকরির বয়স দুই বছর বাড়ছে। এটা সরকারি কর্মচারীদের প্রতি বর্তমান সরকারের এবারের বিজয় দিবসের উপহার। এইচ. টি. ইমাম। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। সূত্র জানায়, পাবলিক সার্ভেন্ট রিটায়মেন্ট অ্যাক্ট, ১৯৭৪-এ সরকারি চাকরি থেকে অবসরের বয়স ৫৭ বছর। ১৯৭৪ সালে যখন এই আইন হয়, তখন বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ছিল ৪৬ দশমিক ২ বছর। বর্তমানে গড় আয়ু ৬৭ বছর। এখন গড় আয়ু বেড়ে যাওয়ায় সরকার চাকরির বয়সসীমাও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। পাশ্র্ববর্তী দেশ ভারত ও পাকিস্তানে সরকারি চাকরি থেকে অবসরের বয়সসীমা ৬০ বছর। কেবল বাংলাদেশেই ৫৭ বছর। বাংলাদেশে বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৭ বছর এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ৬৫ বছর। তাই সরকারি চাকরিজীবীদের বয়স বাড়ানোর বিষয়টি যৌক্তিকও।
২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্র শেখ হাসিনা বলেন-গুপ্তহত্যাসহ নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বিএনপি-জামায়াত।
২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: অভিবাসী শ্রমিকদের সঙ্গে প্রতারণা করলে লাইসেন্স বাতিল। অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।
২০১১ সালের ২০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: মন্ত্রিসভায় অনুমোদন-সরকারি চাকরির বয়স দুই বছর বাড়ল। ফলে অবসরের বয়সসীমা ৫৭ থেকে ৫৯ বছর হলো। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ-সংক্রান্ত 'দ্য পাবলিক সার্ভিস (রিটায়ারমেন্ট) অ্যাক্ট, ১৯৭৪' সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন পায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। একইভাবে ১২ লাখ অনুমোদিত পদের মধ্যে এখনো দুই লাখ পদ শূন্য অঅছে। এসব পদ দ্রুত পূরণের জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। অবসরে যাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সুবিধা পাবেন কি না, জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আগের নিয়ম অনুযায়ী 'অবসর প্রস্ত্ততিকালীন ছুটি' (এলপিআর) পরিবর্তন করে 'অবসর পরবর্তী ছুটি' (পিআরএল) করা হয়েছে। এ অনুযায়ী, যারা অবসরে গেছেন, তাঁরা চলেই গেছেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তাঁরা কোনো সুবিধা পাবেন না।