১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর, আওয়ামী লীগ সরকার এবং শান্তিবাহিনী'র অভিভাবক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে 'শান্তিচুক্তিটি' স্বাক্ষরিত হয়।

২০০১ সালের ২৭ মে: সম্প্রতি ৬৫-সদস্য বিশিষ্ট গঠিত বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের জাতীয় কমিটির আহবায়ক সন্তু লারমা বলেন-দেশের সংখ্যালঘু ৪৫টি জাতির ২০ লক্ষ আদিবাসী আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক ও অধিকার আদায়ের লক্ষে একত্র হওয়া প্রয়োজন।

২০১১ সালের ১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: পার্বত্য চুক্তির ১৪ বছর। সরকার বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে। সন্তু লারমা।

১৯৯৮ সালের ২৩ জুন, বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু উদ্ধোধন করা হয়।

।এক নযরে যমুনা সেতু ১৯৯৮ সালের ৪ এপ্রিলের তথ্যানুযায়ী:।

দৈর্ঘয:৪.৮০ কিলোমিটার
প্রস্থ:১৮.৫ মিটার
স্পেন সংখ্যা:৪৯টি
পাইল সংখ্যা:১২১টি
ডেক সেগম্যান্ট সংখ্যা:১২৬৩টি
পিলার সংখ্যা:৫০টি
সড়ক লেন সংখ্যা:৪টি
অন্যান্য সুবিধাদি:যেমন-রেলপথ, বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন, গ্যাস সরবরাহ লাইন ও
টেলিযোগাযোগ লাইন
যমুনা সেতুর বার্ষিক আয়:১০০ কোটি টাকা
যমুনা সেতু নির্মােণ ব্যয় হয়েছে:৫ হাজার ৩শ' ৯৫ কোটি ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা
১৯৯৮ সালের ৬ জুনের তথ্যানুযায়ী:যমুনা সেতুর জন্য ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে-৫,৬৮০(পাঁচ হাজার
ছয়শত আশি) একর
১৯৯৮ সালের ১৯ জুনের তথ্য:বাংলাদেশের ''যমুনা সেতু" বিশ্বের এগারতম দীর্ঘ সেতু ছিল
২০১০ সালের ২১ জানুয়ারির তথ্য:বাংলাদেশের ''যমুনা সেতু" বিশ্বের চৌদ্ধতম দীর্ঘ সেতু
সেতু নির্মােণ প্রথম ব্যয় ধরাকয়েক দফা বাড়ানোর পর শেষ পর্যন্ত খরচ হয় তিন হাজার ৮৮৬
হয়েছিল আড়াই হাজার কোটি টাকাকোটি টাকামোটরসাইকেলের টোল-৩০, কার-৪০০, ছোট
এবং পড়ে ব্যয় বেড়ে হয়েছিল তিনবাস-৫৫০, বড় বাস-৮০০, হালকা মালবাহী যান-৭৫০, মাঝারি
হাজার পাঁচশত টাকাঃট্রাক-১০০০ ও ভারী মালবাহী যানের টোল ১,২৫০ টাকাবর্তমানে
প্রতিদিন গড়ে ৭৫ লাখ টাকার টোল আদায় হয়
যমুনা সেতু উদ্ভোধন করা হয় কত১৯৯৮ সালের ২৩ জুন
তারিখ:

২০০৪ সালের ২৬ জুলাই, বগুড়া থেকে মহসিন রাজু: যমুনা সেতুর উজানে সিরাজগঞ্জ থেকে বগুড়ার সারিয়াকান্দি হয়ে গাইবান্ধার ফুলছড়ি পর্যন্ত 'যমুনা নদী তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের' আওতায় খরচ করা আড়াই হাজার কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবারের বন্যা ঠেকাতে পারলো না। ১০ বছর ধরে এ বাঁধের জন্য খরচ করা টাকার সিংহভাগ অপব্যবহার (আত্মসাৎ) হয়ে পরিকল্পনা প্রণয়নকারী, প্রকৌশলী, রাজনৈতিক নেতৃবর্গ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অসৎ কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের পকেটে উঠেছে।

২০০৬ সালের ১৬ এপ্রিল, সালাউদ্দিন বাবলু: ভারতের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে যমুনা সেতুর আয়ু শেষ। সরাসরি রেল ট্রানজিট চালুর লক্ষ্যে ঢাকায় বৈঠক। ১৯৯৮ সালের জুনে ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত যমুনা সেতুর আয়ু নির্ধারণ করা হয়েছিল ১শ বছর। মাত্র ৮ বছরেই যমুনা সেতুর আয়ু শেষ হয়ে যাচ্ছে। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ভারতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়েই আজ যমুনা সেতুর অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়েছে। সেতু নকসাতে রেল লাইন বসানোর কথা ছিল না। আওয়ামী লীগ সরকার সেতুতে রেল লাইন বসানোর কারণেই সেতুর ফাটল।

২০০৮ সালের ২৫ এপ্রিল, যমুনা সেতু থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত ৮১টি রেলক্রসিংয়ের ৬৪টিতেই গেট নেই। পারাপার 'নিজ দায়িত্বে'।

২০১০ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: বঙ্গবন্ধু সেতুতে মোট সেগমেন্ট আছে এক হাজার ২৬৩টি। আর এখন প্রতিটি অংশে ফাটল বেড়ে গড়ে ১৩টি হয়েছে। সে হিসাবে পুরো সেতুতে মোট ফাটল ১৬ হাজার ৪১৯টি। মেরামতে গড়িমসি, ফাটল বেড়েছে বঙ্গবন্ধু সেতুর।

২০১৫ সালের ৩০ অক্টোবর, প্রথম আলো: ঢাকায় পাতালরেল হবে অর্থ দেবে বিশ্বব্যাংক! সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

১৯৯৯ সালের ৩১ জানুয়ারি, সুন্দরবনে 'বিশ্ব ঐতিহ্য' ফলক উদ্বোধন করা হয়।

২৮-১০-২০০২ তারিখে ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: সুন্দরবনের আয়তন ১৩,২০০(তের হাজার দুইশত) বর্গ কিলোমিটার। কলকাতা থেকে তারিক হাসান। বাংলাদেশের ভাগে-৯(নয়) হাজার বর্গিকলোমিটার এবং ভারতের পশ্চিম বাংলার ভাগে-৪,২০০(চার হাজার দুইশত) বর্গ কিলোমিটার।

২৩-১১-২০০২ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারেঃ কোষ্টগার্ডের অভিযান ৪৬-জন উদ্ধার: সুন্দরবন ও সাগর দ্বীপে শত শত কিশোর ক্রীতদাস হিসাবে বন্দী-রেজাউল করিম, বাগেরহাট থেকে।

২০০৪ সালের ১০ অক্টোবর, সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ৪১৯টি। এরমধ্যে ১২১টি পুরুষ ও ২৯৮টি স্ত্রী বাঘ রয়েছে। স্ত্রী ও পুরুষ বাঘের অনুপাত ১: ২.৫। আর বাচ্চা বাঘের সংখ্যা ২১টি। তবে বাচ্চা বাঘের সংখ্যা ৪১৯টির মধ্যে অন্তর্ভূক্ত নয়। অপরদিকে ভারতের অংশে বাঘের সংখ্যা হলো ২৭৪টি।

২০০৫ সালের ১১ জুন, নাছিম উল আলম: আমাদের সুন্দরবন বিশ্বে সর্ববৃহৎ লবণাম্বুজ বন। বনাঞ্চল বেড়ে সাড়ে ১৭ ভাগে উন্নীত হয়েছে। যা আজ থেকে মাত্র একদশক আগেও ১২ ভাগের মত ছিল। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ সুস্থ, সামাজিক জীবনের জন্য প্রতিটি দেশেই ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা আবশ্যক হলেও মাত্র একযুগ আগেও আমাদের দেশে মাত্র ১২ ভাগের মত ছিল। সারাদেশে এখন বন এলাকার পরিমাণ-২.৫২ মিলিয়ন হেক্টর। যা দেশের মোট ভূমির ১৭.০৮ ভাগ। ১৯৬০ সাল থেকে যে বনায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে, তার আওতায় ইতোমধ্যেই প্রায় ৪ লাখ একর ভূমিতে বনায়ন করা সম্ভব হয়েছে। ১৯৮০ সালে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম শুরু করা হয় দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করে। ১৯৮১-৮২ সালে দেশব্যাপী থানা বনায়ন এবং নার্সারী উন্নয়ন কার্যক্রমও গ্রহণ করা হয়। ১৯৯৪ সাল থেকে দেশে সর্বপ্রথম বৃক্ষমেলা এবং তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান শুরুর সাথে বনায়নে ব্যাপক কর্মসূচীর পাশাপাশি বৃক্ষরোপণে জনসাধারনকে সম্পৃক্ত করার ফলে দেশে বনায়ন কার্যক্রম বিশেষ গতিলাভ করে।

২০০৭ সালের ৪ সেপ্টেম্বর, দেড়শ' বছর আগে সুন্দরবনের আয়তন ছিল-১২,০৩৪ বর্গিকলোমিটার। দেড়শ' বছরে সুন্দরবনের আয়তন কমেছে ৬,০১৭ বর্গিকলোমিটার। সুন্দরবন বনাঞ্চলের ৬২ শতাংশ বাংলাদেশের ভাগে আর ভারতের ভাগে ৩৮ শতাংশ।

২০১২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: সংসদে প্রশ্নোত্তর ফরিদুন্নাহার লাইলীর প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হাসান মাহমুদ বলেন, রয়েল বেঙ্গল টাইগার রক্ষায় ২০১১ সালে বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে একটি প্রটোকল স্বাক্ষর করেছে। ইউএনডিবি, ভারত ও বাংলাদেশ বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত বাঘশুমারি অনুযায়ী সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ৪৪০টি। বাঘের ঘনত্ব প্রতি ১৩ থেকে ১৫ বর্গিকলোমিটারে একটি, যা বিশ্বে সর্বািধক। বিশেযজ্ঞের মতে, সুন্দরবনে বাঘের বৃদ্ধির সুযোগ নেই।

২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশ প্রতিদিন: সুন্দরবনে ৪৪০টি বাঘ আছে। এর মধ্যে ৪১৯টি প্রাপ্ত বয়স্ক এবং ২১টি বাচ্চা বাঘ রয়েছে।

১৯৯৯ সালের ৩০ জুনের তথ্যানুযায়ীঃ-বাংলাদেশে বছরে দুধের উৎপাদন ২৯.১৩ (উনএিশ লক্ষ তের হাজার) টন। প্রতিজনে বছরে গড়ে ২০.৮০ কেজি এবং দৈনিক মাথাপিছু ৫৭ গ্রাম। বাংলাদেশে বছরে ১২ লক্ষ টন মাছের উৎপাদন; বছরে গড়ে মাথাপিছু ৮.৫৭ কেজি। দৈনিক গড়ে মাথাপিছু ২৩.৪৮ গ্রাম। বর্তমানে ১৭.৫ লক্ষ টন মাছ উৎপাদন হয় বলেছে সরকার কিন্তু বাজারে মাছের আমদানী দেখে মনে হয় না উৎপাদন বেড়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ পাওনা ১,৪৮০(এক হাজার চারিশত আশি) কোটি ডলার। বাংলাদেশে বছরে ফলের উৎপাদন ১০(দশ) লক্ষ টন; বছরে গড়ে প্রতিজনে ৭.১৪ কেজি এবং দৈনিক মাথাপিছু ১৯.৫৭ গ্রাম। বাংলাদেশে বছরে শাক-সব্জির উৎপাদন ৮১ লক্ষ টন; বছরে গড়ে প্রতিজনে ৫৭.৮৫ কেজি এবং দৈনিক মাথাপিছু ১৫৮.৫১ গ্রাম। বাংলাদেশে বছরে ভোজ্যতেল উৎপাদন ৫,৭০,০০০ টন; বছরে গড়ে প্রতিজনে ৪.০৭ কেজি এবং দৈনিক মাথাপিছু ১১.১৫ গ্রাম। বাংলাদেশে বছরে ডালের উৎপাদন ১৫,৯০,০০০ টন; বছরে গড়ে প্রতিজনে ১১.৩৫ কেজি এবং দৈনিক মাথাপিছু ৩০ গ্রাম। বাংলাদেশে বছরে মাংসের উৎপাদন ৮,৮৩,০০০ টন; বছরে গড়ে মাথাপিছু ৬.৩১ কেজি এবং দৈনিক মাথাপিছু ১৭.২৭ গ্রাম। বাংলাদেশে কোটিপতির সংখ্যা-১,৮০৪(এক হাজার আটশত চার) জন এবং তাঁদের মোট পুঁজির পরিমাণ-৫,০৯৮(পাঁচ হাজার আটানব্বই) কোটি টাকা।

২০০০ সালের ২২ জানুয়ারি: বাংলাদেশে ধান ও গমের উৎপাদন ২ কোটি ৬২ লক্ষ ৮ হাজার টন। ডাল ১৫.৯(পনের লক্ষ নব্বই হাজার) টন; ভোজ্যতেল ৫.০৭(পাঁচ লক্ষ সাত হাজার) টন; শাক-শবজি ৮১.৪(একাশি লক্ষ চল্লিশ হাজার) টন; ফলমূল ১০(দশ) লক্ষ টন; মাছ ১৫(পনর) লক্ষ টন; দুধ ২৯.১৩(উনত্রিশ লক্ষ তের হাজার) টন ও মাংস ৮.৮৩(আট লক্ষ ত্রিরাশি হাজার) টন হয়েছে।

২০০৪ সালের ১৮ জুন, মাসুদুর রহমান খলিলী: খাদ্যের চাহিদা উৎপাদন ও আমদানীর মধ্যে কোন সমন্বয় থাকছে না। চলতি সালে ২০-লাখ টন নীট খাদ্য উদ্বৃত্তের পরও আমদানী ৩০-লাখ টন।

২০০৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, সালাহউদ্দীন বাবলু: কৃষি জমি রক্ষায় আইন আসছে। গ্রামীণ হাউজিং কৃর্তপক্ষ গঠন করা হবে: জমিচাষে অনুপস্থিত থাকলে মালিকানা থাকবে না। দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে গ্রাম পর্যােয় নতুন নতুন বাড়ীঘর সম্প্রসারণ, নগরায়ন বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের জন্য প্রতিদিন গড়ে ২২০ হেক্টর বা সাড়ে ৫শ' একর করে বছরে ৮০ হাজার হেক্টর বা ২ লক্ষ একর জমি কৃষিচাষ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে, যা সর্বেমাট কৃষি জমির ১ শতাংশ। ১০০(একশত) শতকে ১(এক) একর এবং ২৫০(দুইশত পঞ্চাশ) শতকে ১(এক) হেক্টর। এ ধারা অক্ষুন্ন থাকলে আগামী ৫০ বছরেই দেশে সকল কৃষি জমি বিলুপ্ত হবে। স্বাধীনতার বিগত ৩৩ বছরে দেশের ২৫% কৃষি জমি চাষের আওতা থেকে হারিয়ে গেছে। দেশে বর্তমানে (১৩-০২-২০০৫) সালে আবাদযোগ্য মোট জমি ২ কোটি একর।

২০০৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব-সংসদ রিপোর্টার: এ বছর ২২ লাখ ১৩ হাজার মেঃ টন মৎস্য উৎপাদন হতে পারে-মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান সংসদকে জানান। এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশে দুধের উৎপাদন বেড়ে ১৯ লাখ ৯০ হাজার মেঃ টন থেকে ২১ লাখ ৪০ হাজার মে. টনে উন্নীত হয়েছে।

২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, সংসদ রিপোর্টার: বছরে দেশে ২১ লাখ ৪০ হাজার টন দুধ উৎপাদন হচ্ছে: সংসদে-মৎস্য ও পশুসম্পদমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান। ২১,৪০,০০০ হাজার টনকে গুন ১,০০০ হাজার কেজি দিয়ে=২১৪,০০০০০০০ কেজিকে গুন ১,০০০ হাজার গ্রাম দিয়ে=২,১৪,০০০,০০০০০০০ গ্রামকে ১৫,০২,৬০,০০০ কোটি মানুষ দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল হবে=১৪,২৪১ গ্রাম বছরে একজনের ভাগে এবং ৩৬৫ দিয়ে ভাগ করলে দৈনিক গড়ে একজনের ভাগে দুধ=৩৯ গ্রাম।

২০০৬ সালের ৩ জানুয়ারি, বাসস: ১৯৭৫ সাল থেকে তিনদশকে চালের উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। আবাদী জমির পরিমাণ ২৮-লাখ হেক্টর থেকে বেড়ে ৪০-লাখ হেক্টর হওয়াই অন্যতম কারণ।

২০০৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, বাসস: মৎস্য চাষে একটি সফল প্রকল্পের নাম জবই বিল। নওগাঁ জেলার প্রাচীনতম জবই বিলের আয়তন প্রায় ৪০৩ হেক্টর। বছরে হেক্টর প্রতি মাছের উৎপাদন ১,২০০ কেজিতে দাঁড়িয়েছে। বছরে উৎপাদন হয়-৪,৮৩,৬০০কেজি বা ৪৮৩.৬ টন।

২০০৬ সালের ২০ এপ্রিল, সংসদ রিপোর্টার: রেণু পোনা উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ। বর্তমানে দেশে বেসরকারী পর্যােয় ৭৫৬টি মৎস্য হ্যাচারি ও ৭-হাজার ৫৭টি মৎস্য নার্সাির রয়েছে।

২০০৮ সালের ২২ এপ্রিল, বোরো ক্রয় ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে সিপিডির সংলাপ-চাল উৎপাদনের লক্ষ্য ৩ কোটি ২০ লাখ টন করার পরামর্শ।

২০০৮ সালের ৩ নভেম্বর, বাংলাদেশে প্রতি বছর শাঁক-সবজি উৎপাদন হয় ১ কোটি ২২ লক্ষ টন আর বছরে ৫০ প্রকার সবজি রফতানি করে ৭০০ কোটি টাকার। এ পর্যন্ত ৪২ প্রকার সবজির আকার বড় করেছেন।

২০০৮ সালের ৮ নভেম্বর, আন্তর্জািতক বাজারে মোটা চালের কেজি ২১ টাকা, দেশে ২৮ টাকা। আমন উঠলে ৩০ লাখ টন চাল উদ্বৃত্ত থাকবে-আমি বলি বাংলাদেশে এবারও চালের ঘাটতি হবে। ফাও থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, গত মার্চ-এপ্রিলে আন্তর্জািতক বাজারে প্রতি কেজি চালের দাম ৭০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। টনপ্রতি দাম এক হাজার ডলার অকিক্রম করেছিল। গত দুই মাসে চালের দাম ব্যাপক হারে কমেছে। ভিয়েতনামে এক টন চাল ৩০০ ও পাকিস্তানে ৩৫০ ডলারে বিক্রি হচ্ছে এখন। কৃমিন্ত্রণালয়ের হিসাবে বাংলাদেশে গত বোরো ও আউস মৌসুমমিলিয়ে দুই কোটি টন ধান উৎপাদিত হয়েছে। চলতি আমন মৌসুমে এক কোটি ৩০ লাখ টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বেমাট উৎপাদন হবে ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে, দেশে প্রতিবছর দুই কোটি ৬০ থেকে ৬৫ লাখ টন ধানের প্রয়োজন হয়। গবাধিপশু ও অন্যান্য খাতে ১০ থেকে ১৫ লাখ টন চালের প্রয়োজন পড়ে। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদরা বলছেন যে চলতি বছর যে ধান উৎপাদন হয়েছে, তাতে দেশের চাহিদা পূরণের পরও কমপক্ষে ২০ থেকে ৩০ লাখ টন ধান উদ্বৃত্ত থাকবে। আমার মতামত এবারও খাদ্য ঘাটতি থাকবে। প্রতি কেজি ধান উৎপাদন করতে প্রায় ১২.৭৭ টাকা খরচ হয়েছে।

২০০৮ সালের ২০ নভেম্বর, খাদ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সরকার দুই লাখ টন গম কেনার উদ্যোগ নিয়েছে। দরপত্র সর্বিনম্ন দর পাওয়া গেছে ১৯০ ডলার। তাতে প্রতি কেজি গমের দাম ১৩/- টাকা। একই গম চার মাস আগেও ছিল ৪১৯ ডলার।

২০০৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: বাংলাদেশে মোট ৪৩ লাখ ৪৭ হাজার হেক্টর জলাভূমি ছিল। এ জলাভূমিগুলো থেকে বছরে প্রায় ১৮ লাখ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয়। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র পস্নাবনভূমিতে দুই কোটি ১০ লাখ হেক্টর জলাভূমি বন্যানিয়ন্ত্রণ, নিস্কাশন ও সেচখালের মতো কাঠামোর জন্য বিলীন হয়ে গেছে। উনিশ শতকের শুরুর দিকে যে চলনবিলের আয়তন ছিল এক হাজার ৮৫ বর্গিকলোকিটার, তা ১৯০৯ সালে এসে দাঁড়ায় ৩৬৮ বর্গিকলোমিটারে। বর্তমানে এর মাত্র ৮৫ বর্গিকলোমিটারে সারা বছর কমবেশি পানি থাকে। আবার কখনো কখনো চলনবিলের আয়তন ২৬ বর্গিকলোকিটারে পৌঁছায়।

২০০৯ সালের ২১ জুন, আমাদের সময়: দেশে গৃহপালিত পশুপাখি ৩০ কোটি ৮ লাখ। জিডিপিতে অবদান ২.৭৯ শতাংশ। এরমধ্যে পশু চার কোটি ৮৫ লাখ এবং পাখি ২৫ কোটি ২৩ লাখ। আগের বছরের চেয়ে এ সংখ্যা প্রায় এক কোটি ২০ লাখ বেড়েছে। মৎস্য ও পশুনম্পদ মন্ত্রণালয়ের ২০০৮ সালের হিসেব অনুযায়ী সারাদেশে চার কোটি ৮৫ লাখ পশুর মধ্যে গরু দুই কোটি ২৯ লাখ, মহিস ১২ লাখ, ছাগল দুই কোটি ১৫ লাখ, ভেড়া ২৭ লাখ। ২৫ কোটি ২৩ লাখ পাখির মধ্যে মুরগি ২১ কোটি ২৪ লাখ এবং হাঁস ৩ কোটি ৯৮ লাখ। এসব পশুপাখি থেকে ২০০৮ সালে মোট দুধ উৎপাদন হয়েছে ১৮ লাখ টন, মাংস উৎপাদন হয়েছে-৬ লাখ টন এবং ডিম উৎপাদন হয়েছে-৪১৮ কোটি ৮০ লাখ। আমিষের চাহিদা-পূরণের জন্য এসব পশুপাখির গুরুত্ব অপরিসীম। গত ২০০৭-২০০৮ অর্থবছরে দেশের জিডিপিতে পশুসম্পদ উপখাতের অবদান দুই দশমিক ৭৯ শতাংশ। সম্পাদনা: জুলফিকার রাশেল।

২০০৯ সালের ৮ জানুয়ারি, প্রথম আলো: বিশ্ববাজারে দর কমার সুফল পাচ্ছে না ভোক্তা। আমদানিব্যয়ের দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে আটা-ময়দা। গত বছর ফাও ও ইউএসডিএর তথ্য অনুযায়ী চলতি বছর বিশ্বে সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ করে ৬৮ কোটি ৪০ লাখ মেট্রিক টন গম উৎপাদিত হয়েছে। গত বছরের তুলনায় উৎপাদন বেড়েছে ১২ ভাগ বেশি।

২০০৯ সালের ২৮ মার্চ, প্রথম আলো: খাদ্যমূল্য বেড়ে যাওয়ায় পুষ্টি পরিস্থিতি নাজুক। দুটি গবেষণার তথ্য-দরিদ্র মানুষ মাছ-মাংস, ডিম-দুধ কিনতে না পেরে ভাতই বেশি খাচ্ছে।