২০০৯ সালের ৩০ মার্চ, প্রথম আলো: ধানের দাম কমছে, বড় ধরনের লোকসানের মুখে কৃষক। দামের নিম্নগতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। বোরোর আগাম সংগ্রহমূল্য ঘোষণা করতে হবে।
২০০৯ সালের ৩০ মার্চ, প্রথম আলো: খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় গত এক বছরে দেশের ৫৮ শতাংশ পরিবার পর্যাপ্ত খাবার পায়নি। ২০ লাখ শিশু তীব্র পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। ইউনিসেফ, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এবং জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক গবেষণায় এসব তথ্য পাওয়া যায়।
২০০৯ সালের ২৭ এপ্রিল, প্রথম আলো: ধান ১৪, চাল ২২ টাকা কেজি দরে কিনবে সরকার। চার মাস ধরে মোট ১২ লাখ টন খাদ্য সংগ্রহ করা হবে। ১ মে থেকে শুরু করে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এ সংগ্রহ অভিযান। সংগ্রহমূল্য প্রয়োজনে পুননির্ধারণ করবে সরকার। কৃষকেরা কেউ খুশি, কেউ হতাশ।
২০১০ সালের ৩ জানুয়ারি, প্রথম আলো: কৃষিতে অঙ্গীকার পূরণের উদ্যোগ ছিল। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছিল, সবার জন্য খাদ্য নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ২০১৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে পুনরায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা হবে। বর্তমানে দেশে চালের উৎপাদন তিন কোটি ২০ লাখ টন ছাড়িয়ে গেছে।
২০১০ সালের ১২ মার্চ, প্রথম আলো: মাটি ছাড়াই ফুল-ফল সবজি চাষ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে চাষ করা টমেটোগাছ।
২০১০ সালের ২৩ জুন, প্রথম আলো: অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের মৎস্যজীবীর সংখ্যা ৭ লাখ ৭০ হাজার এবং সামুদ্রিক মৎস্যজীবীর সংখ্যা ৫ লাখ ১০ হাজার। সর্বেমাট=১২ লাখ ৮০ হাজার মৎস্যজীবী আছে।
২০১১ সালের ২০ জুলাই, প্রথম আলো: সাগর ও বদ্ধ জলাশয়ে মাছ উৎপাদন বেড়েছে। ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে নদী, বিল, হ্রদ, পুকুর ও সাগর মিলিয়ে মাছের উৎপাদন ছিল ২৩ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৫ মেট্রিক টন। ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে এ উৎপাদন দাঁড়ায় ২৮ লাখ ৯৯ হাজার ১৯৮ মেট্রিক টনে। গত বছর ২০১০-২০১১ অর্থবছরে ছিল ৩১ লাখ মেট্রিক টনের মতো। ১৬ কোটি মানুষ হলে প্রতিজনের মাথাপিছু মাছের ভাগ হয় ৫৩.০৮ গ্রাম।
২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাছের উৎপাদন ৩২.৬২ লাখ মেট্রিক টন। প্রতিজন মানুষের ভাগে দৈনিক মাছ-৫৫.৮৬ গ্রাম।
২০১৪ সালের ৭ নভেম্বর, প্রথম আলো: মাছ উৎপাদনে চতুর্থ বাংলাদেশ এবং জাতিসংঘ সংস্থার প্রতিবেদন। ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে দেশে ৩৪ লাখ ৫৫ হাজার টন মাছ উদপাদিত হয়েছে এরমধ্যে চাষ করা মাছের উৎপাদন ২০ লাখ টন। ৫২ হাজার টন বেড়ে সাড়ে তিন লাখ টন হয়েছে। ১৭ কোটি মানুষের দেশে মাথাপিছু-২০ কেজি বছরে বা ৫৫.৬৮ গ্রাম মাছ ভাগে পড়ে দৈনিক। আবার বলা হয়েছে মাথাপিছু মাছের উদপাদন-১২ কেজি মাছ খায়। চট্টগ্রামের অধিবাসীরা ১৭ কেজি মাছ খায় এবং রংপুরের অধিবাসীরা সবচেয়ে কম। বাংলাদেশে প্রাণিজ আমিষের ৫৭% মাছ থেকেই মেটে। মাছ রপ্তানি বেড়েছে ১৩৫ গুণ। (মোট মাছের উদপাদন-১৯৯০ সালে-১,৯৩,০০০ টন, ২০০০ সালে ৬,৫৭,০০০ টন এবং ২০১৪ সালে ১০,০০,০০০ লক্ষ টন।)-এ লেখার অর্থ আমি বুঝিনি। সাড়ে সাত কেজি মাছ খায়। এই মাছের ৭৬% আসে পুকুর ও জলাশয় থেকে। বিশ্বে মাথাপিছু মাছ খাওয়ার পরিমাণ ২২.৪ কেজি বছরে। বিশ্বে আমরা সামুদ্রিক মাছ আহরণে ২৫তম।
২০১৪ সালের ১৪ নভেম্বর, প্রথম আলো : স্বাধীনতার পর পাঁচ গুণ বেড়েছে সবজি উৎপাদন। ১৯৭২ সাদে মানুষ ছিল সাড়ে সাত কোটি এখন মানুষ ১৭(সতের) কোটি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর(বিবিএস) হিসাবে, ১৯৬০ সালে যেখানে কৃষি পরিবারের সংখ্যা ছিল ৫০ লাখ, তা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৬২ লাখ। এ কৃষকদের প্রায় সবাই পারিবারিকভাবেই উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। ১৯৯৪ সালে দেশে মাথাপিছু দৈনিক সবজি খাওয়া বা ভোগের পরিমাণ ছিল ৪২ গ্রাম। গেল বছর সবজির ভোগের পরিমাণ ৭০ গ্রাম। জাতিসংঘের এই সংস্থাটির হিসাবে একজন মানুষকে দৈনিক ২২৫ গ্রাম সবজি খেতে হবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে দেশে এক কোটি ৩৮ লাখ টন সবজি উৎপাদিত হয়েছে এবং আলু উৎপাদিত হয়েছে ৯৬ লাখ টন।
২০১৪ সালের ৫ ডিসেম্বর, প্রথম আলো : বস্ন্যাক বেঙ্গল বিশ্বের সেরা। ছাগল উযৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ বাংলাদেশ। আর মাংস উৎপাদনে বিশ্বে পঞ্চম। বিশ্ববাজারে বস্ন্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কুস্টিয়া গ্রেড হিসেবে পরিচিত। আমার বিশ্বাস হয় না। মো: জাকির হুসেন(আলমগীর)।
২০১৫ সালের ৭ নভেম্বর, প্রথম আলো: মাছের দেশে মাছ আমদানি। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে মাছ উৎপাদন হয়েছে-৩৭,০০,০০০(সাইত্রিশ লক্ষ) টন এবং আমদানি করতে হয়েছে-৯৭,৩৮৩ টন।
১৯৯৯ সালের ২৭ মার্চের তথ্যানুযায়ী: বাংলাদেশে ১০(দশ) লক্ষ টাকার বেশি আয়কর দেন মাত্র ৪১১ জন কিন্তু আয়কর দাতার সংখ্যা ২.৮(দুই লক্ষ আশি হাজার)। ২০০৩ সালের হিসেবমতে বাংলাদেশে ১৩(তের) লক্ষ লোক আয়কর দেয়। এরমধ্যে ৩(তিন) লক্ষ লোক আয়কর দেন আর ১০(দশ) লক্ষ লোকের আয়কর দেন তাদের সংস্থা মানে চাকুরিজীবীদের আয়কর অফিস দেন। ২০০৩ সালের খানাসুমারীর হিসেব অনুযায়ী-বাংলাদেশে ৫১(একান্ন) লক্ষ লোকের বাৎসরিক আয় হলো-১(এক) লক্ষ টাকার অনেক উপরে। এদেরমধ্যে মাত্র ১৩(তের) লক্ষ লোক আয়কর দেন। ২০০৬ সালের হিসেব অনুযায়ী-২০(বিশ) লক্ষ লোকের টিআইএন নম্বর আছে। ২০০৮ সালে ২৭ লক্ষ টিআইএন নম্বর আছে।
২০০৬ সালের ১০ মার্চ, সাজ্জাদ আলম খান: বছরে ১০ লাখ টাকার বেশী আয় দেখিয়েছেন মাত্র ৩-হাজার ব্যক্তি। মন্ত্রী ও এমপিদের আয়ের উৎস খতিয়ে দেখবে এনবিআর।
২০০৯ সালের ২৬ আগষ্ট, প্রথম আলো: লোকবল সংকটে রাজস্ব বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে না-বছরে ৪০ হাজার দোকানের ভ্যাট রেজিস্টার দেখেন একজন ইনিসপেক্টর-শুধুমাত্র ঢাকায় ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত ৪ লাখ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এমনিভাবে আয়কর বিভাগে মোট সার্কেেলর সংখ্যা ৩৪৩টি। প্রতিটি সার্কেেল কর ফাইলের সংখ্যা ৭ হাজার ৮৪টি। কিন্তু আয়কর বিভাগে ইনিসপেক্টর রয়েছেন মাত্র ৩৮০ জন। অর্থাৎ ৭ হাজার ৮৪টি আয়কর ফাইল ইনিসপেকশন করেন একজন ইনিসপেক্টর। এভাবে দীর্ঘ ২৮ বছর চলছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কার্যক্রম। অথচ জাতীয় বাজেটের প্রায় ৭০ শতাংশ অর্থ সংগ্রহ করা হয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে। আয়করের প্রতি ১০০ টাকা আয়ে সরকারের ব্যয় হয় মাত্র ৭৫ পয়সা।
২০০৬ সালের ১৮ নভেম্বর, সাজ্জাত আলম খান: ১১ লাখ করদাতার বাড়িতে বাড়িতে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। উৎসে কর ফাঁকিবাজদের ধরতে তৎপর এনবিআর। দেশে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) ধারীর সংখ্যা প্রায় ২০ লাখ। এরমধ্যে ৯ লাখ টিআইএনধারী যথাসময়ে রির্টান দাখিল করে থাকে। সূত্র জানায়, বাংলাদেশে মাথাপিছু জাতীয় আয় এবং জীবনযাত্রার ব্যয় অনুসারে করযোগ্য আয় আছে এমন করদাতার সংখ্যা ২৫ লাখের বেশী।
২০০৯ সালের ১ নভেম্বর, প্রথম আলো: গত ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে সাত লাথ ৪০ হাজার ৯০৬ জন ব্যক্তি-শ্রেণীর করদাতা আয়কর বিবরণী দাখিল করেন। আর টিন নাম্বারধারীর সংখ্যা ২৩(তেইশ) লাখ।
২০০৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: আইবিএফবির সেমিনার: রাজস্ব আয় বাড়াতে কৃষি খাতকে করের আওতায় আনার সুপারিশ। চলতি বছরে মোট সাত লাখ ৫৭ হাজার রিটার্ন জমা পড়েছে। আগের বছরের চেয়ে যা ১৫ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি। কিন্তু দেশে মোট টিআইএনধারীর সংখ্যা ২২ লাখের বেশি।
২০১০ সালের ১২ জুলাই, প্রথম আলো: সংসদে প্রশ্নোত্তর দেশে ব্যক্তিপর্যােয় করদাতার সংখ্যা ২৫ লাখ ২০ হাজার ৫১৩ জন।
২০১০ সালের ৪ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: দেশের যোগ্য নাগরিকদের আয়কর দেওয়া বাধ্যতামূলক। সাংসদদের বেতন-ভাতা করমুক্ত। দেখা যাচ্ছে, ১৯৭৩ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত এ ৩৭ বছরে সাংসদদের ভেতন-ভাতা বেড়েছে ১২ দফায়। এর মধ্যে সাতবার যুগপৎভাবে ভেতন-ভাতা বাড়ানো হয়েছে। বাকি সময়ে বিভিন্ন ভাতা বাড়ানো হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে সরকারি কর্মচারীদের ভেতন-ভাতা বাড়ানো হয়েছে সাতবার।
২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর, দৈনিক জনকন্ঠ: এনবিআরের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতকালে-অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন-অর্থনীতি চাপে নেই; এবার ৪ লক্ষাধিক লোক আয়কর দিয়েছে আর ১০ লক্ষাধিক ব্যক্তি আয়কর রির্টান জমা দিয়েছে।
২০১২ সালের ১৪ জানুয়ারি, প্রথম আলো: সংকটের মূলে রয়েছে উচ্চাভিলাষী বাজেট। টাকা ছাপিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আর ঋণ না নিতে সরকারকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে অর্থনীতির অবস্থা নিয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক-তৌফিক আহমদ চৌধুরী। বছরে এক কোটি টাকা বা এর বেশি আয়কর দেন মাত্র ৪৬ জন। অথচ এ রকম আয়করদাতার সংখ্যা তো কয়েক হাজার হওয়া উচিত। এখানে বিরাট একটা ফাঁকি আছে। ঢাকা শহরে ডজন খানেক ফ্ল্যাটের মালিক হয়েও মাত্র কয়েক লাখ টাকা আয়কর দেন কেউ কেউ। আয়কর আদায় বাড়াতে হলে সরকারের শক্তিশালী রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন।
২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: করদাতার সংখ্যা ৫০ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে নিবন্ধিত করদাতাপর সংখ্যা ৫০ লাখে নিয়ে যাওয়ার লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছেন জাতীয় রজস্ববোর্ড(এনবিআর)। বাংলাদেশে বছরে আয়কর দেন ৮ লক্ষ পরিবার আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আয়কর দেন ৫৭ ভাগ পরিবার।
২০১৩ সালেল ৮ জনিুয়ারি, প্রথম আলো: বাড়িওয়ালাদের তালিকা সংগ্রহ করবে রাজস্ব বোর্ড। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ৩৩ লাখ টিআইএনধারী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১২-১৩ লাখ টিআইএনধারী নিয়মিত আয়কর বিবরণী জমা দেন।
২০১৩ সালের ২৫ এপ্রিল, প্রথম আলো: ইআরএফকে এনবিআরের চেয়ারম্যান- বাংলাদেশে ৬০ লাখ লোকের আয়কর দেওয়ার সামর্থ রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ১৩ লাখ কর শনাক্তকারী নম্বরধারী (টিআইএন) বার্ষিক আয়কর বিবরণী জমা দেন। আর পাঁচ লাখ ছোট ব্যবসায়ীর মূল্য সংযোজন কর (মূসক) দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে। তাঁদের মধ্যেমাত্র ৬০ হাজার জন মূসক দেন। এনবিআরের চেয়ারম্যান জানান, বর্তমানে ৩৩ লাখ টিআইএনধারীর মধ্যে ২০ লাখ কার্যত সচল রয়েছে।
২০১৬ সালের ২৬ জানুয়ারি, প্রথম আলো : অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন-আয় কর দেন ব্যক্তিপর্যােয় করদাতার সংখ্যা-১৭ লাখ ৫১ হাজার ৫০৩ জন। ব্যক্তি পর্যােয় চলতি বছরের জুন নাগাদ ৩ লাখের মতো নতুন করদাতা শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
১৯৯৯ সালের ৪ এপ্রিল, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার মতে পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস শূন্যের কোঠায়।
১৯৯৯ সালের ২৬ নভেম্বর-প্রতিবছর বাংলাদেশ হ'তে ২৫(পঁচিশ) হাজার শিশু ও নারী পাচার হয়।
২০০১ সালের ২৭ মে-বাংলাদেশে গত ৫-বছরে ৮৫ হাজার পুলিশের সাজা। চার মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশের অপরাধ প্রবণতা সবচেয়ে বেশী।
২০০৪ সালের ২০ জানুয়ারি, ''দীর্ঘ ডিউটিতে মাথা ঠিক থাকে না'' পুলিশ কর্মকর্তরা বললেন।
২০০৪ সালের ১৬ মের সংবাদ: রাজধানী ঢাকায় থানার সংখ্যা ২২টি থেকে বৃদ্ধি করে ৫০টি করা হচ্ছে: বর্তমানে দেড় কোটি নাগরিকের জন্য পুলিশ রয়েছে ২০,৯৯৮ জন। বর্তমানে দেশে ১৩০০ নাগরিকের জন্য ১ জন পুলিশ রয়েছে। এ ব্যবধান কমিয়ে অর্থাৎ পুলিশের সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে ১,০৭০ জনের জন্য ১ জন পুলিশ দেয়া হবে। উল্লেখ্য, পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে ৬২৫ জনের জন্য ১ জন পুলিশ এবং পাকিস্তানে ৭২৮ জনের জন্য ১ জন পুলিশ রয়েছে। এছাড়াও পুলিশের কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাউন্টার ইন্টিলিজেন্স গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সারাদেশে ৫৬৫টি পুলিশ ষ্টেশন আছে।
২০০৪ সালের ২০ জুন, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: তৌহিদুল ইসলাম-মতিঝিল শাপলা চত্বরে যানজটের জন্য দায়ী ট্রাফিক পুলিশ। প্রতিদিন ২ লাখ টাকা চাঁদা: ঘুষ আদায়ই প্রধান টার্গেট: কনস্টেবলদের দায়িত্ব শিকার ধরা।
২০০৫ সালের ২৯ জুন, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: 'সার্জেন্ট জুলফিকার আলী ১৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করলেও টাকা দিতে নারাজ।
২০০৫ সালের ৫ জুলাই, ইনকিলাব পত্রিকার আবদুর রহিম: কোটিপতি ১শ' পুলিশ সদস্য চিহিৃত-ডিএমপিতে শুদ্ধি অভিযান। ঢাকা মহানগর পুলিশে শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়েছে। ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন দুর্নীিত ও অনৈতিক কাজে নিয়োজিত কোটিপতি একশ' পুলিশ সদস্যের তালিকা ইতিমধ্যে তৈরী করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণও শুরু হয়েছে।
২০০৫ সালের ৩০ অক্টোবর, স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রমোশন বাণিজ্য এখন তুঙ্গে। পদোন্নতির নামে অলিখিতভাবে আদায় হয়েছে দেড় কোটি টাকা।
২০০৮ সালের ১৪ জুন, ১৮৬১ সালে প্রণীত প্রচলিত পুলিশ আইনে জনগণের প্রতি পুলিশের কর্তব্য কি তার উল্লেখ নেই। ১,২৩,০০০(এক লাখ তেইশ হাজার) পুলিশ সদস্য আছে।
২০০৯ সালের ১৭ মার্চ, ইন্টারনেট থেকে পাওয়া তথ্য: (১) সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা পেনশনভোগীসহ সর্বেমাট-২১,০০,০০০(একুশ লক্ষ)। (২) পুলিশ বাহিনীর সংখ্যা-১,১৭,০০০(এক লক্ষ সতের হাজার)। (৩) বিডিআর বাহিনীর সংখ্যা-৬০,০০০(ষাট হাজার)। (৪) বিমান বাহিনীর সংখ্যা-২২,০০০(বাইশ হাজার)। (৫) নৌ বাহিনীর সংখ্যা-২৮,০০০(আটাশ হাজার)। (৬) আর্মীর সংখ্যা-২,৫০,০০০(দুই লক্ষ পঁঞ্চাশ হাজার) ও (৭) রির্জাভ আর্মীর সংখ্যা হলো-৫০,০০০(পঁঞ্চাশ হাজার)।
২০১০ সালের ১২ নভেম্বর, প্রথম আলো: রাত হলেই ছিনতাই। রাজধানীর প্রায় আড়াই শ স্থানে বেশি ছিনতাই হয়। মামলা হয় চুরি, প্রতারণার। দু-একটি বড় ঘটনা ঘটলেও ছিনতাই বেড়েছে বলে মনে না: র্যাবের মহাপরিচালক। ছিনতাই বাড়বে-কমবে এটাই স্বাভাবিক, তবে বন্ধের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে: ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার।
২০১০ সালের ১০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: বাংলাদেশে পুলিশের সংখ্যা এক লাখ ৩৯ হাজার ৪৭০ জন সদস্য আছেন। ভারতে প্রতি ৭২৮ জনের বিপরীতে একজন, পাকিস্তানে প্রতি ৬২৫ জনের বিপরীতে একজন, মালয়েশিয়ায় প্রতি ২৪৯ জনের বিপরীতে একজন এবং বাংলাদেশে প্রতি এক হাজার ৭৫ জনের বিপরীতে একজন পুলিশসদস্য রয়েছেন। ভারতের অনুপাতে পুলিশসদস্য নিয়োগ করলে আরো ৬৭ হাজার পুলিশসদস্য প্রয়োজন।
২০১১ সালের ২০ জুলাই, প্রথম আলো: প্রতি মাসে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে ৪০০ নারী ও শিশু পাচার হয়। পুলিশের আন্তর্জািতক সম্মেলনে তথ্য।
২০১২ সালের ৪ জানুয়ারি, প্রথম আলো: পুলিশে দুর্নীিত বাড়ছে কমছে সেবার মান। জ্যেষ্ঠতম কর্মকর্তার মন্তব্যে পুলিশ সম্মেলনে উত্তাপ। থানায় গিয়ে মানুষ ভালো ব্যবহার পাচ্ছেন না, প্রতিকার পাচ্ছে না ফণীভূষণ চৌধুরী। থানায় ওসিদের বিরুদ্ধে নানা কথা শোনা যায়, এর কিছু ঠিকও হতে পারে-সাহারা খাতুন।
২০০১ সালের ২৫ এপ্রিল, ইত্তেফাকের রিপোর্ট: গত ২৫-বছরে বি.এস.এফ.-এর গুলিতে নিহত হয়েছে ৪১৫ জন বে-সামরিক নাগরিক ও ১০ জন বি. ডি. আর. সদস্য।
২০০৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: ৪ বছরে বিএসএফ ও ভারতীয় দুর্বৃেত্তর হাতে ২৯৩ জন বাংলাদেশী খুন: মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের রিপোর্ট।
২০০৫ সালের ৬ আগষ্ট, ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার: সাড়ে পাঁচ বছরে বি. এস. এফ. ও ভারতীয় ঘাতকদের হাতে ৪শ' ৬ জন বাংলাদেশী নিহত।
২০০৫ সালের ২৬ আগষ্ট, ইনকিলাব পত্রিকার খবর-বাসস: ভবিষ্যতে আর কোন বাংলাদেশী নাগরিক হত্যা করবো না-বি.এস.এফ.।
২০০৬ সালের ৮ জানুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: অধিকারের প্রতিবেদন-ভারতীয়দের হাতে ৪৬১ জন বাংলাদেশী নিহত। এদের মধ্যে শুধুমাত্র বিএসএফ-এর হাতে নিহত হয়েছেন-৩৬৮ জন।