২০০৬ সালের ১৩ আগষ্ট, স্টাফ রিপোর্টার: সীমান্তে হত্যা ও অপহরণের ঘটনায় মানবিক বিপর্যয়। ৪ বছর ১০ মাসে বিএসএফ ও ভারতীয়দের হাতে ৪৩৯ জন বাংলাদেশী নিহত।
২০০৮ সালের ১৮ নভেম্বর, গুলি করে ঘুমন্ত মা-শিশুসহ তিনজনকে হত্যা করেছে বিএসএফ। বিএসএফের ক্ষমা প্রার্থনা।
২০০৯ সালের ১৩ জুলাই, প্রথম আলো: দিনাজপুর-চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত-বিএসএফের গুলিতে দুজন নিহত।
২০১০ সালের ১৫ মার্চ, প্রথম আলো: কথা রাখেনি বিএসএফ, জৈন্তাপুরে গুলি, ১৯ বাংলাদেশি আহত।
২০১০ সালের ১৬ মার্চ, প্রথম আলো: সংসদে প্রশ্নোত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন বলেছেন, জানুয়ারি থেকে ২০০৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ১৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গুলি করে হত্যা করেছে।
২০১০ সালের ১৫ মে, প্রথম আলো: বিএসএফের গুলিতে শিশুসহ দুই বাংলাদেশি নিহত।
২০১০ সালের ১০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন। এক দশকে ৯০০ বাংলাদেশি খুন সাজা হয়নি কোনো বিএসএফের।
২০১১ সালের ১৯ মার্চ, প্রথম আলো: গত ১০ বছরে বিএসএফের হাতে ৬৭১ বাংলাদেশি নিহত।
২০১১ সালের ৩ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: সীমান্তে চোরাচালান-এক বছরে বিএসএফের হাতে আটক-২০০০ হাজার বাংলাদেশী।
২০১১ সালের ২১ ডিসেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: ভারতের দুঃখ প্রকাশ-সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশী নিহত হওয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে ভারত সরকার। মঙ্গলবার (২০-১২-২০১১ তারিখ) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ দুঃখ প্রকাশ করা হয়।
২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: দিনাজপুরের বিরামপুর. মেহেরপুর গাংনী ও কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে চার বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। গত শুক্রবার রাত আটটা থেকে গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ছয়টার মধ্যে এসব ঘটনা ঘটে।
২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ৪৬ ঘাঁটির তালিকা বিএসএফের। বাংলাদেশের মাটিতে এখনো ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ঘাঁটি রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তারা নতুন ৪৬টি ঘাঁটির তালিকাও দিয়েছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডেক (বিজিবি)।
২০১১ সালের ২৪ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: আখাউড়ায় সীমান্ত পিলার ঘেঁষে রাস্তা ও দেয়াল নির্মাণ করছে বিএসএফ। আন্তর্জািতক সীমান্ত আইন অনুযায়ী, সীমান্ত পিলারের ১৫০ গজের মধ্যে কোনো রাস্তা বা স্থাপনা নির্মােণর নিয়ম না থাকলেও বিএসএফ তা নির্মাণ করছে।
২০১২ সালের ২৫ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ রিপোর্ট: বিএসএফের নির্যাতন-ঢাকার কাছে দিল্লীর নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া উচিত।। ভারতীয় পত্রিকার মন্তব্য।
২০১২ সালের ২৮ জুন, বাংলাদেশ প্রতিদিন: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন বলেছেন-বর্তমান সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত (২৭-০৬-২০১২ তারিখ পর্যন্ত) এ পর্যন্ত ভারতীয় সীমান্ত রক্ষাকারীবাহিনী (বিএসএফের) হাতে নিহত ১৫১ জন।
২০০২ সালের ১৪ নভেম্বর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্টঃ "এডিপির আকার কমাতে বিশ্বব্যাংকের পরামর্শ-শওকত হোসেন মাসুম" বিশ্বব্যাংক হিসেব করে দেখিয়েছে, বর্তমানে এডিপিতে যে প্রকল্পগুলো রয়েছে সম্মিলিতভাবে তার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে-১,৭৮,৪৮১.১০ (এক লক্ষ আটাত্তর হাজার চারিশত একাশি কোটি দশ লক্ষ) টাকা। এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে: ৪৮,৮৭৬.৪০(আটচল্লিশ হাজার আটশত ছিয়াত্তর কোটি চল্লিশ লক্ষ) টাকা। এ অর্থ মোট প্রয়োজনের মাত্র ২৭.৪ শতাংশ।
১৫-১১-২০০২ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: সোনার বাংলার অর্থমন্ত্রী হতে চাই, ফকিরের বাংলার নয়, সাইফুর রহমান। অর্থ দিলে দেন, না দিলে না দেন; কম অর্থ দিয়ে বেশি কথা শোনাবেন না। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন (সাইফুর রহমান) প্যারিসে একদিন থাকলে ১০ লাখ টাকা খরচ হয়। অথচ এ টাকা দিয়ে বাংলাদেশে ৩(তিন)টি স্কুল তৈরী করা যায়। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, দেশে আগে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বৈদেশিক সাহায্যের অংশ ছিল ১০%। এখন তা নেমে এসেছে ৩%। এখন জিডিপিতে করদাতাদের অংশ হচ্ছে ১২%। বিশ্বে সবচেয়ে বেশী সাহায্য পেয়েছে ইসরাইল ও মিশর। তারা মাথাপিছু সাহায্য পেয়েছে-১০০'শ ডলার অথচ আমরা পেয়েছি এবার ৯ ডলার। রাজস্ব ব্যয় কমিশনের চেয়ারম্যান এম. হাফিজউদ্দিন খান বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা অপচয়। আর সমস্যার মূল কেন্দ্র পরিকল্পনা কমিশন। কেননা পরিকল্পনা প্রক্রিয়া সঠিকভাবে কখনোই হয়নি।
১৬-১১-২০০২ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: অতিরিক্ত বন্দীর চাপে কারাগার ঠাসা। লঘু অপরাধীরদের মুক্তিদানের চিন্তাভাবনা-সালেহউদ্দিন। বাংলাদেশের কারাগারগুলোতে অনুমোদিত বন্দীর ধারণক্ষমতা ২৪,৫৩৮(চব্বিশ হাজার পাঁচশত আটত্রিশ) জন। সেখানে ৭৩(তেহাত্তর) হাজার বন্দী রয়েছে। ঢাকা কারাগারের বন্দীদের খাবার সরবরাহ করতে গিয়েও হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। প্রায় ১০(দশ) হাজার বন্দীদের জন্য একসংগে ৪০টি চুলা রয়েছে। প্রায় ২৫০ জনের জন্য ১টি চুলা।
১৮-১২-২০০২ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: ইউনিসেফের রিপোর্ট: বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর হার হাজারে ৭৭। ১২-বছরে কমেছে ৬-ভাগ।
২০০২ সালের ২৮ ডিসেম্বর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: বাংলাদেশে ৫৩,৭০০টি পেস্নাট্রি ফার্ম আছে এরমধ্যে ১০,৬৩৪টি বন্ধ।
২০০৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির, সংবাদ-বাংলাদেশে বছরে পোল্ট্রি খামারে ৩(তিন) লক্ষ টন মাংস ও ৫০০(পাঁচশ) কোটি ডিম উৎপাদিত হয়।
২০০৩ সালের ২৫ জুলাইর সংবাদ অনুসারে: বাংলাদেশে সরকারী হিসেবমতে ছোট-বড় মিলিয়ে পোল্ট্রি খামারের সংখ্যা-১.০৩(এক লক্ষ তিন হাজার)। নীতিমালা ও সরকারী পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এরমধ্যে হাজার হাজার পোল্ট্রি খামার বন্ধ।
২০০৮ সালের ২০ মার্চ, ঋণ ও সুদ আদায় স্থগিত করতে সার্কুলার জারি। পোলট্রি শিল্প খাতে মোট ব্যাংকঋণ রয়েছে এক হাজার কোটি টাকা।
২০১০ সালের ২ অক্টোবর, প্রথম আলো: যে পরিবার নিয়মিত মাছ, মাংস, ডিম বা দুধ কিনতে পারে না, ডাল তাদের আমিষের অভাব পূরণ করতে পারে। আর অপুষ্টির প্রধান কারণ দারিদ্র ও অজ্ঞতা।
২০১৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো : দেশের মানুষ বছরে গড়ে সাড়ে তিন কেজি মাংস খায়। বাংলাদেশের মানুষ গড়ে বছরে ৩ দশমিক ৬৩ কেজি মুরগির মাংস খায়; মার্কিনরা খায় বছওে ৫০ দশমিক ১ কেজি মাংস। এ ছাড়া জাপানের মানুষ বছরে ডিম খায় ৬০০টি, সেখানে বাংলাদেশের মানুষ বছরে গড়ে ডিম খায় ৪৫ থেকে ৫০টি। ফলে প্রতিদিনই মুরগি ও ডিমের ঘাটতি যথাক্রমে ২৬ ও ২৩ গ্রাম। গবেষণার তথ্য : মাংস ও ডিমের ঘাটতির কারণে শুন্য থেকে পাঁচ বছর বয়সী ৩৮ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু খর্বাকৃতির হচ্ছে, কম ওজনের হয় ৩৫ দশমিক ১ শতাংশ এবং ক্ষীণকায় হচ্ছে ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ।
২০১৫ সালের ৯ অক্টোবর, প্রথম আলো : ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশন(আইইসি)। 'বাঙালি হবে স্বাস্থ্যবান প্রতিদিন ডিম খান' আজ বিশ্ব ডিম দিবস। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ১ হাজার ৯৯ কোটি ৫১ লাখ ৬৭ হাজার ৮৩৮টি ডিম উৎপাদিত হয়েছে। ১৭ কোটি মানুষের মাথাপিছু ৬৪.৬৮টি ডিম পড়ে। প্রতিদিন ডিম খেতে হলে-৬,২০৫(ছয় হাজার দুইশত পাঁচ) কোটি ডিম লাগবে।
২০১৪ সালে মাছ উৎপাদন হয়েছিল-৩৫ লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিক টন।
২০১৫ সালের ৭ নভেম্বর, প্রথম আলো: মাছের দেশে মাছ আমদানি। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে মাছের উৎপাদন-৩৭,০০,০০০ লক্ষ টন। আর আমদানি করা হয়-৯৭,৩৮৩ হাজার টন।
২০১৫ সালের ২৬ নভেম্বর, প্রথম আলো: মাছ উৎপাদনে এবারও বিশ্বে ৫ম বাংলাদেশ। এক নম্বরে আছে-চীন, দ্বিতীয় নম্বরে আছে-ভারত, তৃতীয় নম্বরে আছে-মায়ানমার, ৪র্থ নম্বরে আছে-ভিয়েতনাম এবং ৫ম নম্বরে আছে-বাংলাদেশ। ১৭ কোটি মানুষের দেশে মাছ উৎপাদন করছে-৩৭ লাখ টন। দৈনিক একজনের মাথাপিছু মাছের উৎপাদন-৫৮ গ্রাম।
২০০৩ সালের ১৬ জুলাই, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্টঃ গ্যাস বিক্রি নয়, মজুতই দিবে ভবিষ্যতের নিরপত্তা: গতকাল সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে: জোসেফ ষ্টিগলিজ।
২০০৩ সালের ১৭ জুলাইর সর্বেশষ রিপোর্ট প্রকাশ: গ্যাসের উত্তোলনযোগ্য মজুত ১৫.৪ টি.এস.এফ.।। ২০৩০ সাল পর্যন্ত লাগবে ৩১.২ টি.এস.এফ.।
২০০৪ সালের ৬ মে, পরিত্যক্ত ফেনী ফিল্ডে গ্যাসের বড় ধরনের মজুদ পাওয়া গেছে। ১৯৮১ সালে ফেনী গ্যাস ক্ষেত্র আবিস্কৃত হয় বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড লি. র্কতৃক। প্রতিদিন ২ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা যাবে। ১৯৯২ সালে পেট্রোবাংলা এ গ্যাস ক্ষেত্রটির উন্নয়ন করে।
২০০৪ সালের ১৪ মে, তথ্য বিবরণী: দেশে গ্যাস মজুদের পরিমাণ ১৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
২০০৪ সালের ১৫ জুন, সেলিম জাহিদ: সিলেটের 'মাগুরছড়া গ্যাস দুর্ঘটনার ৭ বছরের মাথায় সরকার আন্তর্জািতক আদালতে ইউনোকলের বিরুদ্ধে ৩,৯০০ কোটি টাকার মামলার প্রস্তুতি।
২০০৪ সালের ১৩ অক্টোবর, দিনাজপুরে উন্নতমানের কয়লা খনির সন্ধান লাভ। পুরু স্তরের কয়লার মজুদ ৪৫ কোটি টন। নতুন আবিস্কৃত এ খনিতে থাকা কয়লা ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০০শ' ফুট নীচে থাকায় কুপ খনন না করে বরং উপরের পুরো মাটি সরিয়ে (ওপেন পিট) কয়লা উত্তোলন করা লাভজনক হবে বলে খনি অনুসন্ধান কাজে নিয়োজিত বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।
২০০৫ সালের ৯ জানুয়ারি, আজিজুল ইসলাম চৌধুরী ও এ. এফ. এম. ফারুক: টেংরাটিলা গ্যাসফিল্ডে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড-৬শ' ফুট উঁচু লেলিহান শিখা।
২০০৫ সালের ১৫ জুন, ইনকিলাব পত্রিকার বিশেষ সংবাদদাতা: টাটার অবাস্তব শর্ত-৩ হাজার একর জমি ও স্থির মূল্যে ৩০-বছরের জন্য ২-টিসিএফ গ্যাস চায়
২০০৫ সালের ২৫ জুন, ইনকিলাব: ছাতক গ্যাসক্ষেত্রের টেংরাটিলায় আবার ভয়াবহ বিস্ফোরণ। নাইকোর অদক্ষতাই দায়ী: পুড়ছে কোটি কোটি টাকার গ্যাস।
২০০৫ সালের ২৬ জুন, টেংরাটিলা থেকে এম আবদুল্লাহ/আজিজুল ইসলাম চৌধুরী/এ.এফ.এম. ফারুক: গ্যাস নিঃশেষ না হওয়া পর্যন্ত টেংরাটিলা জ্বলবে। আগুন নেভানোর উদ্যোগ নেই: ৭-সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন।
২০০৫ সালের ২৭ জুন, ইনকিলাব পত্রিকার সাখাওয়াত হোসেন বাদশার রিপোর্টঃ ভারতের ডিব্রূগড় গ্যাস ফিল্ড চালুর স্বার্থে টেংরাটিলায় আগুন লাগছে! তদন্ত কমিটি বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত। আগুনের তীব্রতা আরো বেড়েছে।
২০০৯ সালের ২৪ এপ্রিল, প্রথম আলো: দেশে স্থলভাগে আর কোনো বড় গ্যাসক্ষেত্র নেই। 'সার্ক রিজিওনাল এনার্জি ট্রেড স্টাডি'র তথ্য।
২০০৯ সালের ৯ মে, প্রথম আলো: গ্যাস-বিদ্যুতের বেহাল অবস্থা উৎপাদন কর্মকান্ড ব্যাহত। আটকে আছে নতুন বিনিয়োগ।
২০১৪ সালের ২২ জুন, প্রথম আলো : রুপগঞ্জে আরেকটি গ্যাসস্তর পেয়েছে বাপেক্স। এটি দেশের ২৬তম গ্যাসক্ষেত্র।
২০০৪ সালের ১৩ জানুয়ারি, বেদখলকৃত সরকারী জমি পুনরুদ্ধারে শীঘ্রই অভিযান: রাজধানীর আশপাশে ৩০(ত্রিশ) হাজার বিঘা জমি অবৈধ দখলে।
২০০৪ সালের ১৮ মার্চ, ইনকিলাব পত্রিকার রির্পোট: এপ্রিল থেকে সরকারী জমি অবৈধ দখলমুক্ত অভিযান: জেলা প্রশাসকদের পাঠানো তথ্য অনুসারে বর্তমানে ৫৩টি জেলায় খাস জমির পরিমাণ ৪০-লাখ একর। অর্পিত ও পরিত্যক্ত সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৫-লাখ একর। এরমধ্যে বিপুল পরিমাণ ভূমি বেদখলে রয়েছে। এর বাইরে সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে ৫-হাজার একর এবং রেলওয়ের অধীনে ৪-হাজার একর জমি রয়েছে। জেলা প্রশাসকগণকে এ সম্পত্তির মধ্যে ঠিক কত একর অবৈধ দখলে আছে তা তৃণমূল পর্যােয় জরিপ করে রির্পোট দেয়ার জন্য কমিটি আহবান জানিয়েছে।
২০০৪ সালের ২২ মার্চ, ভূমি জবরদখলের শাস্তি ১৪-বছর জেল ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা।
২০০৬ সালের ১৩ মার্চ, উমর ফারুক আলহাদী: কল্যাণপুরে একশ' কোটি টাকার জমি দখল করেছে বিএনপি নেতা: থানায় জিডি করেও কাজ হয়নি: এলাকাবসীর প্রতিরোধ চেষ্টা ব্যর্থ।
২০০৬ সালের ১ এপ্রিল, উমর ফারুক আলহাদী: পনের লাখ একর সরকারী সম্পত্তি দীর্ঘিদন ধরে ভূমিদস্যুদের দখলে-উদ্ধার করে লীজ দিলেও ৯৫ হাজার কোটি টাকা সরকারের আয় হবে অবৈধ দখলের তালিকায় রাজনৈতিক নেতা, এমপি, সরকারী আমলা। বিক্রি করলে ২.৫(দই লাখ পঞ্চাশ হাজার কোটি) টাকা।
২০০৬ সালের ২৮ এপ্রিল, সুলতান মাহমুদ: অবৈধ দখলে দেশে ১৫ লাখ একর সরকারী খাস জমি। ১৬শ কোটি টাকা মূল্যের সাড়ে ৪ হাজার একর জমি উদ্ধার।
২০০৬ সালের ২ জুলাই-উমর ফারুক আলহাদী: রাজউকের ৩৫ হাজার কোটি টাকার জমি বেদখল। চেয়ারম্যানের যোগসাজশে নির্মাণ হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা।
২০০৬ সালের ১০ আগষ্ট, সংসদ রিপোর্টার: সংসদীয় কমিটিতে দখলদারদের তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত। দেশে ৭০ হাজার কোটি টাকার সরকারী ভূমি বেদখলে।
২০০৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, উমর ফারুক আলহাদী: গত ৩৫ বছরে ১৫ লাখ একর জমি বেদখল। গত এক মাসে ২৫ হাজার কোটি টাকার জমি উদ্ধার।
২০১২ সালের ১৫ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: রেলের ৬২ হাজার একর জমি ভূমিদস্যুদের দখলমুক্ত করা হবে-কমলাপুরে নতুন ট্রেন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সুরঞ্জিত সেন।
২০১৪ সালের ৩০ মার্চ, দৈনিক জনকন্ঠ: আগামী দশ বছরের মধ্যে কৃষি জমি শেষ! বাংলাদেশে মোট জমি ৩ কোটি ৫৭ লাখ ৬৩ হাজার একর ছিল। চাষযোগ্য জমি ১ কোটি ৯৮ লাখ ৪২ হাজার ৫৩১ একর। ১৯৭২-২০০৯ সাল পর্যন্ত অকৃষি খাতে গেছে-২৬ লাখ ৬৬ হাজার ৮৫৬ একর। প্রতি বছর কৃষি জমি অকৃষি খাতে যাচ্ছে ১ লাখ ৬৯ হাজার একর। *সব থেকে বেশি জমি অকৃষি খাতে চলে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বিভাগে। *কৃষি জমি কমার মূল কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধি অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও শিল্পায়ন।
২০০৪ সালের ৮ মার্চ, দেশের একশ বছরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন বিবেচনা করে মাওয়ায় পদ্মা সেতুর সুপারিশঃ ২১ জেলার সাথে রাজধানীর দূরত্ব কমবে সর্বোচ্চ ১২৫ কিলোমিটার।
২০০৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, শামসুল ইসলাম: মাওয়া-জাজিরা পয়েন্টে নির্মিত হবে দেশের দীর্ঘতম পদ্মা সেতু। আগামী মার্চে নকশা প্রণয়ন শুরু। এক সমীক্ষায় দেখা যায়, পাটুরিয়া-গোয়ালন্দ পয়েন্টে পদ্মা সেতু নির্মােণ সম্ভাব্য ব্যয় হতো ১২৬ কোটি মার্কিন ডলার এবং মাওয়া-জাজিরা পয়েন্টে পদ্মা সেতু নির্মােণ ব্যয় হবে ১০৭ কোটি মার্কিন ডলার। অর্থৈনতিক সুবিধা এবং অন্যান্য বিষয়ের কথা বিবেচনা করে সরকার মাওয়া-জাজিরা পয়েন্টে পদ্মা সেতু নির্মােণর চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৬ কিলোমিটারেরও বেশী লম্বা এ সেতু নির্মােণ প্রাথমিক ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১০৭ কেটি ডলার (৬ হাজার ৪শ' ৫০ কোটি টাকা)। পদ্মা সেতুর বার্ষিক আয় হবে ২শ' কোটি টাকা।
২০০৫ সালের ১ জুন, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: পদ্মা সেতুর নির্মাণ এখন শুরু হলে সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা লাগবে। পদ্মা সেতুতে রেললাইন স্থাপন করলে আরো ১ হাজার কোটি টাকা বেশী প্রয়োজন হবে। মাওয়া-জাজিরা পয়েন্টে ৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতু স্থাপনে যত দেরি হবে নির্মাণ খরচও তত বেড়ে যাবে। এ তথ্য উল্লেখ করে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) পদ্মা সেতুর সম্ভব্যতা বিষয়ে চুড়ান্ত সমীক্ষা রিপোর্ট যোগাযোগমন্ত্রীর নিকট পেশ করেন। সময় লাগবে সাড়ে ৪(চার) বছর।
২০০৬ সালের ১০ মে, সংসদ রিপোর্টার: পদ্মা সেতুতে ব্যয় হবে ৮ হাজার ৫৮৭ কোটি টাকা। সংসদে যোগাযোগমন্ত্রী। এরমধ্যে স্থানীয় মুদ্রার পরিমাণ-৩,০০৫.২৮ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্যের পরিমাণ ৫,৫৮১.৭২ কোটি টাকা।
২০০৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর, দেশের দীর্ঘতম পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ শুরু আগামী বছর শেষ ২০১৪-২০১৫ সালে। পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ হাজার ১৬২ কোটি টাকা। সেতুটির নির্মাণ ব্যয় ১৮০ কোটি ডলার বা প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়েছে।