২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, শিক্ষার্থী কম, পাসের সংখ্যা ৪। ১৮০০ বিদ্যালয়-মাদ্রাসাকে কারণ দর্শােত বলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারী হিসেব মতে এখন প্রাথমিক স্তরে ৯৭ শতাংশ শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে, মাধ্যমিক স্তরে এ হার ৪৪ শতাংশ। তবে ন্যাশনাল স্ট্রাটেজি ফর পোভার্টি রিডাকশন (এনএসপিআর) অনুযায়ী ২০১৫ সালের মধ্যে মাধ্যমিক পর্যােয় শিক্ষার্থী ভর্তির হার ৬৬ শতাংশে উন্নীত করতে হবে।
২০০৮ সালের ২৯ মে, এইচ.এস.সি. ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে(২৯-০৫-২০০৮)। এ বছরের এইচএসসি, আলিম এবং এইচএসসি(ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) পরীক্ষায় দেশের ৭,১২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬,২০,০২০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
২০০৮ সালের ২১ জুন, বিজ্ঞানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমছে এবং বিজ্ঞান শিক্ষার্থী কমার তুলনামূলক চিত্র: এইচএসসিতে ২০০১ সালে বিজ্ঞান শাখায় পরীক্ষার্থী ছিল এক লাখ ২৬ হাজার ৩১৫ জন, (২০০৮ সালে) এ বছর বিজ্ঞানে এ সংখ্যা ৯৭ হাজার ৫৭৬ জন। স্নাতক স্তরে ২০০১ সালে বিএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ১৯ হাজার ৯০৬ জন, ২০০৮ সালে এ সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ১১ হাজার ৭৯০ জন।
২০০৮ সালের ২৭ জুন,স্মরণকালের সেরা ফল। এসএসসিতে ৪১,৯১৭ জিপিএ-৫, সাত বোর্ডে গড় পাস ৭০.৮১ শতাংশ, সর্বোচ্চ পাস ঢাকায় ৭৭.৮১, সর্বিনম্ন সিলেটে ৫৩.৮৮। আর পাসের হার সবচেয়ে বেশি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৮২.৬ শতাংশ। এসএসসিতে যেভাবে বাড়ছে জিপিএ-৫(মাদ্রাসা ও কারিগরিসহ ৯ বোর্ডের চিত্র)। ২০০৪ সালে ছিল জিপিএ-৫ এর সংখ্যা-৯,৮৮৬ জন। ২০০৫ সালে ছিল জিপিএ-৫ এর সংখ্যা-১৭,২৯৪ জন। ২০০৬ সালে ছিল জিপিএ-৫ এর সংখ্যা-৩০,৪৯০ জন। ২০০৭ সালে ছিল জিপিএ-৫ এর সংখ্যা-৩২,৬৪৬ জন। ২০০৮ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছে-৫২,৫০০ জন।
২০০৮ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, দেশের ১,৩৮০টি কলেজের ২,২৪,৬০০ ছাত্র-ছাত্রী ডিগ্রি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে-২০০৭ সালে এবং ফল প্রকাশ: চুড়ান্ত পরীক্ষায় পাসের হার ৫৭ শতাংশ। মোট পাস ১,৮৪,৪৯৯ জন।
২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, এ বছর সাত শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় মোট চার লাখ ৯৬ হাজার ১৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। মোট পাস করেছে তিন লাখ ৭১ হাজার ৩৮২ জন। গড় পাসের হার ৭৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। গত বছর পাসের হার ছিল ৬৪.২৭ শতাংশ। তার আগের বছর ছিল ৬৩.৯২ শতাংশ। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়ে ১৯ হাজার ১০৮ জন। এরমধ্যে ছাত্রী আট হাজার ৩৭ জন।
২০০৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: এবার প্রথম এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড থেকে এবং দিনাজপুর নিয়ে ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০ লাখ ৬৩ হাজার ৪৮৪ জন ছাত্রছাত্রী সবচেয়ে বড় এ পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নেয়। মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৯২২টি।
২০০৯ সালের ১৬ এপ্রিল, প্রথম আলোঃ এ বছর দেশের আটটি সাধারণ এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের ছয় লাখ ১৮ হাজার ৩০৮ জন ছাত্রছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেবে। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৫ দশমিক ১৭ শতাংশ ছাত্র এবং ৪৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ ছাত্রী। সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে এক লাখ ৫৩ হাজার ৩৯৮ জন এবং সবচেয়ে কম পরীক্ষার্থী সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ১৮ হাজার ৩৪৯ জন। এ ছাড়া রাজশাহী বোর্ড থেকে ৭৫ হাজার ৬২৯ জন, কুমিল্লা বোর্ড থেকে ৪১ হাজার ৬৪৪ জন, যশোর বোর্ড থেকে ৭৪ হাজার ৪৮৯ জন, চট্টগ্রাম বোর্ড থেকে ৪১ হাজার ৭৫৪ জন,বরিশাল বোর্ড থেকে ৩০ হাজার ১৫৯ জন এবং দিনাজপুর বোর্ড থেকে ৫৯ হাজার ৪১১ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে ৫৯ হাজার ৩৫৪ জন এবং কারিগরি শিক্ষ বোর্ড থেকে ৬৪ হাজার ১২১ জন ছাত্রছাত্রী পরীক্ষা দিচ্ছে। ১০টি বোর্ডে ঝরে পড়ার হার ১৯.১৯ শতাংশ। গত বছর ছিল ২৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
২০০৯ সালের ২৭ মে, প্রথম আলো: আট বোর্ডে গড় পাস ৬৭.৪১ শতাংশ; সর্বোচ্চ পাস সিলেটে, সর্বিনম্ন রাজশাহীতে। জিপিএ-৫ এর নতুন নজির। ৫ বছরে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর গড় বৃদ্ধির চিত্র। ২০০৫ সালে-১৫,৬৪৯ জন, ২০০৬ সালে-২৪,৩৮৪ জন, ২০০৭ সালে-২৫,৭৩২ জন, ২০০৮ সালে-৪১,৯১৭ ও ২০০৯ সালে-৪৫,৯৩৪ জন।
।একনজরে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার(২৫-০৭-২০০৯ সালের) ফলাফল:।
| বোর্ড | জিপিএ-৫ | মোট পাসের হার |
| ঢাকা | ৯৪৫০ | ৭১.৫৩ |
| রাজশাহী | ২২২৯ | ৭০.৪৭ |
| কুমিল্লা | ৬০১ | ৬৬.৯৯ |
| যশোর | ২০৯৩ | ৭৮.৭৭ |
| চট্টগ্রাম | ১৪৪৮ | ৭৬.৩১ |
| বরিশাল | ৫৭৪ | ৬৭.২০ |
| সিলেট | ৪৩৯ | ৭৩.৯৬ |
| দিনাজপুর | ১৩৮৮ | ৫৫.৯০ |
| মাদ্রাসা বোর্ড | ১৮৯৪ | ৮৪.১৪ |
| কারিগরি শিক্ষা বোর্ড | ২০ | ৮০.৭৪ |
| মোট=১০টি বোডর্র | ২০,১৩৬ | ৭২.৭৮* |
২০০৯ সালের ১২ আগষ্ট, প্রথম আলো: পঞ্চম শ্রেণীতে সারা দেশে একযোগে সমাপনী পরীক্ষা। একই প্রশ্নে পরীক্ষা। পরীক্ষার্থী হবে ২০ লাখের বেশি। বৃত্তি পরীক্ষা থাকবে না। সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি। প্রাথমিক স্তরে পাঁচটি শ্রেণীতে সরকারি হিসাবে এখন শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ।
২০০৯ সালের ২৩ আগষ্ট, প্রথম আলো: শিক্ষা বোর্ডগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সালে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট চার লাখ ৪২ হাজার ৩৮৯ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। উচ্চশিক্ষায় আসনসংখ্যা ৪ লাখ ৩৫ হাজার ১১২ জন। মেডিকেল আসনসংখ্যা ৭ হাজার। সরকারি ১৭টি মেডিকেল কলেজের আসনসংখ্যা ২,২৫০টি।
২০০৯ সালের ৩০ অক্টোবর, প্রথম আলো: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৮ সালের ডিগ্রি (পাস), সাবসিডিয়ারী ও র্সাটিফিকেট কোর্স পরীক্ষায় এক হাজার ৪১৩টি কলেজের মোট দুই লাখ ৫২ হাজার ৫২৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে এক লাখ ৬৬ হাজার ৩৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। শতকরা ৫৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ পাস করেছেন।
২০০৯ সালের ২১ নভেম্বর, প্রথম আলো: শিশুদের 'এসএসসি পরীক্ষা' আজ শুরু। প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১৯ লাখ ৮০ হাজার ১৮০ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ১০ লাখ ৭০ হাজার ১৯৬ জন এবং ছাত্র ৯ লাখ ৯ হাজার ৯৮৪ জন। পঞ্চম শ্রেণীর এ পরীক্ষায় ছাত্রীর সংখ্যা এক লাখ ৬০ হাজার ২১২ জন বেশি। ফল প্রকাশ ২০ ডিসেম্বর, ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি, মূল্যায়ন ডিভিশন পদ্ধতিতে। এ ফলাফলের ভিত্তিতে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি করা হবে। উপস্থিতির হার ৯২ শতাংশ বা ১৮,২১,৭৬৫.৬ জন। ২০০৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: ৫ম শ্রেণীর মোট শিক্ষার্থী ১৮,২৩,৪৬৫ জন, উত্তীর্ণ: ১৬,২০,০৫৪ জন, বৃত্তি পাবে ৫০(পঁঞ্চাশ) হাজার। প্রথম বিভাগ পেয়েছে বেশি। প্রাথমিকে ৮৮.৮৪ ভাগ পাস। ১৯৩৭টি স্কুলে কেউ পাস করেনি। ৩৭,২২৫টি বিদ্যালয়ের শত ভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ। মেধা তালিকায় মেয়েরা এগিয়ে। প্রথমিকেই সাড়ে তিন লাখ ঝরে পড়ার অ্রাশোঙ্কা। ২৬-০১-২০১০ তারিখ প্রথম আলোর রিপোর্ট: ৫০ হাজার ৫৩৫ শিক্ষার্থী প্রাথমিক বৃত্তি পেয়েছে। এ বছর ট্যালেন্টপুলে ১৯ হাজার ৯৯৫ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৩০ হাজার ৫৪০ জন।
২০১০ সালের ৪ জানুয়ারি, প্রথম আলো: এবার এস. এস. সি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১২ লাখ ৩ হাজার ৮৬৪ জন।
২০১০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে ১২ লাখ ৬ হাজার ১৯ জন (১১-০২-২০১০ তারিখ)। এদের মধ্যে ছয় লাখ ২৭ হাজার ৬৭২ জন ছাত্র ও পাঁচ লাখ ৭৮ হাজার ৩৪৭ জন ছাত্রী। ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২,০৪৪টি পরীক্ষাকেন্দ্র রয়েছে। এবার ২৬ হাজার ১৯২টি স্কুলের ছাত্রছাত্রী। এবার গত বছরের চেয়ে ১ লাখ ৪২ হাজার ৫৩৫ জন পরীক্ষার্থী বেড়েছে।
২০১০ সালের ৩১ মার্চ, আমাদের সময়: ২০১০ সালের ১ এপ্রিল, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীর মোট সংখ্যা ৭,৩৬,৩৭৩ জন। এরমধ্যে ৪,০০,৪৬৪ জন ছাত্র এবং ৩,৩৫,৯০৯ জন ছাত্রী। ১০টি শিক্ষা বোর্ডের ৭,২০২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য কেন্দ্র সংখ্যা-২,০৩৭টি।
২০১০ সালের ১৬ মে, প্রথম আলো: আট বোর্ডে গড় পাস ৭৮.১৯ শতাংশ; সর্বোচ্চ পাসের হার ৮৫.৬০ রাজশাহীতে, সর্বিনম্ন সিলেটে। জিপিএ-৫ এর নতুন নজির। ৬ বছরে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর গড় বৃদ্ধির চিত্র। ২০০৫ সালে-১৫,৬৪৯ জন, ২০০৬ সালে-২৪,৩৮৪ জন, ২০০৭ সালে-২৫,৭৩২ জন, ২০০৮ সালে-৪১,৯১৭, ২০০৯ সালে-৪৫,৯৩৪ ও ২০১০ সালে ৬২,১৩৪ জন। ২০০৯ সালে পরীক্ষার্থী ছিল ৭ লাখ ৯৭ হাজার ৮৯১ জন আর ২০১০ সালে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৯ লাখ ১২ হাজার ৫৭৭ জন এবার ৭,১৩,৫৪৪ জন পাশ করেছেন।
২০১০ সালের ৪ জুলাই, প্রথম আলো: ২০০৯ সালের ডিগ্রি পাস পরীক্ষা ৫ জুলাই শুরু। সারা দেশের এক হাজার ৪৩৫টি ডিগ্রি কলেজের বিভিন্ন শাখার দুই লাখ ৬৪ হাজার ৯০১ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। মোট ৫৮৫টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে বিএ-৯৪ হাজার ৩৯৬ জন, বিএসসি-নয় হাজার ৭৩২ জন, বিএসএস-এক লাখ এক হাজার ৮৭৩ জন, বিবিএস-৫৮ হাজার ১৮৫ জন, বিমিউজ-৭৭ জন এবং স্পোটর্স-৩৯ জন।
২০১০ সালের ১৭ জুলাই, প্রথম আলো: এইচএসসিতে এবার পাসের হার গড় ৭৪.২৮ ভাগ। মোট ২৮,৬৭১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ। সর্বোচ্চ পাস সিলেটে, সর্বিন্ম দিনাজপুরে। এবার মেয়েরা এগিয়ে।
২০১০ সালের ২৫ আগষ্ট, প্রথম আলো: প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ২৩ নভেম্বর শুরু শেষ হবে ২৯ নভেম্বর, পরীক্ষার্থী ২৫ লাখ।
২০১০ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: অষ্টম শ্রেণীর জুনিয়র স্কুল র্সাটিফিকেট (জেএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা ৪ নভেম্বর থেকে শুরু। প্রথমবারের মতো সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে অনুষ্ঠেয় এ পরীক্ষায় অংশ নেবে ১৫ লাখ ২০ হাজার ৭৩১ জন ভাত্রছাত্রী।
২০১০ সালের ১১ অক্টোবর, দৈনিক জনকন্ঠ: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রী পাস প্রথম বর্ষ পরীক্ষা শুরু। সারা দেশে ১,৪২৬টি ডিগ্রী কলেজের মোট পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
২০১০ সালের ৪ নভেম্বর, প্রথম আলো: আজ শুরু হচ্ছে অস্টম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষা। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জেএসসি (জুনিয়র স্কুল র্সাটিফিকেট) ও জেডিসি (জুনিয়র দাখিল র্সাটিফিকেট) পরীক্ষায় মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫ লাখ ৫ হাজার ৩৯১ জন। এরমধ্যে জেএসসি পরীক্ষা দেবে ১২ লাখ ৩৩ হাজার ৩৯১ জন। আর জেডিসি পরীক্ষায় অংশ নেবে ২ লাখ ৭২ হাজার জন। মোট ২৭ হাজার ২২১টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এক হাজার ৮০৪টি কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা দেবে।
২০১০ সালের ২৩ নভেম্বর, প্রথম আলো: ৫ম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষা আজ শুরু। এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৪ লাখ ৮৮ হাজার ১৪৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এবার সমাপনী পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক বৃত্তির সংখ্যা আরও ৫ হাজার বাড়িয়ে ৫৫ হাজারে উন্নীত করা হচ্ছে।
২০১০ সালের ২৯ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ। পাস ৯২%, প্রথম বিভাগ বেশি। প্রথম বিভাগে-৪৭.৯৫%, ২য় বিভাগে-৪০.৫১% ও ৩য় বিভাগে ১১.৫৪%। ২১ লাখ ৫৬ হাজার ৭২১ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করেছিল। এ পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৯ লাখ ৪০ হাজার ৩৩১ জন। এর মধ্যে ১৭ লাখ ৯১ হাজার ৬৫১ জন বিভিন্ন বিভাগে পাস করেছে। গত বছর অকৃতকার্য ও অনুপস্থিত মিলিয়ে প্রায় ১৯ শতাংশ শিক্ষার্থী জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়।
২০১০ সালের ৩১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: জেএসসি পরীক্ষায় পাস করেছে ৭১% আর জেডিসি পরীক্ষায় পাস করেছে ৮১%। জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১১ লাখ ৫২ হাজার ৫৩৬ জন শিক্ষার্থী এরমধ্যে পাস করেছে ৮ লাখ ২২ হাজার ২৭৫ জন (জিপিএ-৫ পেয়েছে আট হাজার ৫২ জন)। জেডিসি পরীক্ষায় ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৩ জন শিক্ষার্থী এরমধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৭২ জন (জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫০৪ জন)।
২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারি, প্রথম আলো: এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থী ১৩ লাখ ১৫ হাজার। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সাল পরীক্ষা শুরু।
২০১১ সালের ২৮ জানুয়ারি, প্রথম আলো: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ২০০৯ সালের ডিগ্রি পাস, সাবসিডিয়ারী ও র্সাটিফিকেট কোর্স পরীক্ষার (প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষ) ফলাফল প্রকাশ। সব বর্ষে পাসের হার ৮৩ দশমিক ১৪ শতাংশ। সারা দেশে দুই লাখ ৬৫ হাজার ৩৭ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে দুই লাখ ২০ হাজার ৩৪৭ জন পাস করেছে।
২০১১ সালের ৫ এপ্রিল, প্রথম আলো: ২০১১ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ১০টি শিক্ষা বোর্ড থেকে অংশ নিচ্ছে ৭ লাখ ৭৯ হাজার পরীক্ষার্থী।
২০১১ সালের ১৩ মে, প্রথম আলোঃ এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ৩১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে-৬২,৭৮৮ জন। গত বছর পেয়েছে-৬২,১৩৪ জন।
২০১১ সালের ২৭ জুলাই, প্রথম আলোঃ এইসএসসি পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৭৫ দশমিক ০৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে-৩৯,৭৬৯ জন।
২০১১ সালের ২০ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: ২০১১ সালের ২০ অক্টোবর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১০ সালের ডিগ্রি (পাস) ও সাটিফিকেট কোর্স পরীক্ষা শুরু হবে। সারাদেশে ৬০৯টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ পরীক্ষায় প্রায় চার লাখ ২৭ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন।
২০১১ সালের ১ অক্টোবর, প্রথম আলো: ২০১১ সালের ২০ অক্টোবর থেকে ডিগ্রি পরীক্ষা শুরু হবে। এ বছর চার লাখ ২৭ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নিবে।
২০১১ সালের ২৯ অক্টোবর, দৈনিক জনকন্ঠ: ১ নভেম্বর, মঙ্গলবার থেকে ১৮ লাখ ৬২ হাজার ২৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায়। যা গত বছরের তুলনায় তিন লাখ ৪১ হাজার ৫৫৪ জন বেশি।
২০১১ সালের ২৯ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: জেএসসি পরীক্ষার ফল-পাসের হার: ৮২.৬৭ ভাগ। জিপিএ-৫: ২৯ হাজার ৮৩৮ জন। মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৭১ শতাংশ। জিপিএ-৫ মাত্র ১০১৪ জন। জেএসসিতে এবার সারা দেশের ১,৮২৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৮৬৩টি। কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়নি-এমন বিদ্যালয় এবার ১০৭টি, গতবার এমন বিদ্যালয় ছিল ২৭২টি।
২০১১ সালের ২৩ নভেম্বর, ছয় হাজার ১৬৮টি কেন্দ্রে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী ২৬ লাখ ৩৭ হাজার ২৩৫ জন। গতবারের চেয়ে এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে প্রায় দেড় লাখ। গতবার দুই পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৪ লাখ ৮৮ হাজার ৩২৯ জন। এবার থেকে এ পরীক্ষার ফল গ্রেড পদ্ধতিতে প্রকাশ করা হবে। ২০১১ সালের ২৪ নভেম্বর, প্রথম দিন পরীক্ষায় পৌনে দুই লাখ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত।
২০১১ সালের ২৭ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হার ৯৭.২৬ শতাংশ। ইবতেদায়িতে পাসের হার ৯১ দশমিক ২৮ শতাংশ। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ২১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৪৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২১ লাখ ২৫ হাজার ৮৬৯ জন। সারা দেশে এবার ৬৮ হাজার ৬২৯টি বিদ্যালয় থেকে শত ভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। গতবার শত ভাগ পাস করা বিদ্যালয় ছিল ৫১ হাজার ৫৭৬টি। শত ভাগ পাসের বিপরীতে ৩৭১টি বিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ পারেনি। জিপিএ-৫ পেল এক লাখ ৫ হাজার ৬৭৩ জন। মনিপুর হাইস্কুল প্রথম, ভিকারুননিসা দ্বিতীয় এবং আইডিয়াল তৃতীয় স্থানে।
২০১১ সালের ৩০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ২০১০ সালের এস.এস.সি. প্রোগ্রামের প্রথম ওদ্বিতীয় বর্ষের চুড়ান্ত ফল প্রকাশ। পাসের হার ৬২.১৪%। মোট পরীক্ষার্থী ছিল এক লাখ ৬৭ হাজার ৮৯৬ জন। চুড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী (দ্বিতীয় বর্ষ) ৬২ হাজার ৪৫ জনের মধ্যে একজন 'এ পস্নাশ' ৯৪৯ জন 'এ' পাঁচ হাজার ১৩৪ জন 'এ' মাইনাস ১১ হাজার ৯৬১ জন 'বি' ১৯ হাজার ৪৭৮ জন 'সি' এবং এক হাজার ৩৪ জন শিক্ষার্থী 'ডি' পেয়েছে।