২০১২ সালের ৩০ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু-অংশগ্রহণ করবে সাড়ে ১৪ লাখ ২০ হাজর ৫৭ জন। ছাত্র-৭ লাখ ৩৫ হাজার ২২৯ জন এবং ছাত্রী-৬ লাখ ৮৪ হাজার ৮২৮ জন। এবার দুই হাজার ১৮৮ কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২০১২ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ২৮ ভাগ শিক্ষার্থী মানে ৩,৯৭,৬১৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে নাই। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ইতিহাসে সর্বোচ্ছ। গত বছর পরীক্ষ দিয়েছিল ১৩ লাখ ১৫ হাজার।

২০১২ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে ৭ মে, পাসের হার ৮৬.৩২%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৫,২৫২ জন। ৩,৩৭৭টি স্কুলের শতভাগ পাশ। মাদ্রাসায় পাসের হার ৮৮.৪৭, কারিগরি বোর্ডে ৮০.৬৯%।

২০১০ সালের ডিগ্রি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ৬৭.১৭ শতাংশ। পরীক্ষায় সারা দেশের ৬১৪টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৪৮৫টি কলেজের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষ (চূড়ান্ত) এবং র্সাটিফিকেট কোর্স মিলিয়ে পরীক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ২৬ হাজার ৭৮৯ জন। পাস করেছেন ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৩৫৫ জন।

২০১২ সালের ১৯ জুলাই, প্রথম আলো: সারা দেশে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় নয় লাখ ১৭ হাজার ৬৭৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। পাসের হার ৭৬.৫০% আর জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৫১,৪৬৯ জন। ১০টি বোর্ডের উত্তীর্ণ হার ৭৮ দশমিক ৬৭ ভাগ।

২০১২ সালের ৪ নভেম্বর, প্রথম আলো: জেএসসি পরীক্ষা আজ শুরু। জুনিয়র স্কুল র্সাটিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল র্সাটিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে দেশের দুই হাজার ২৫০টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। সারাদেশে ১৯ লাখ ৮ হাজার ৩৬৫ জন শিক্ষার্থী জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা দিচ্ছে। আর জেডিসিতে ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৯০ জন। এরমধ্যে ছাত্রী ১০ লাখ ১১ হাজার ৫০৩ জন এবং ছাত্র ৮ লাখ ৯৬ হাজার ৮৬২ জন।

২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: জেএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৮৬ দশমিক ১১ শতাংশ পাস করেছে। জেএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৯৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ পাস করেছে।

২০১২ সালের ২১ নভেম্বর, প্রথম আলো: সারা দেশে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী আজ বুধবার (২১-১১-২০১২ তারিখ) শুরু হয়েছে। এই দুই পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২৯ লাখ ৬৯ হাজার ৩৯৩ জন। প্রাথমিক-২৬ লাখ ৪১ হাজার ৬৭ এবং মাদ্রাসা-৩ লাখ ২৮ হাজার ৩২৬ জন। ২০০৮ সালে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছিল সরকারি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ে ৩৭ লাখ ৮৯ হাজার ২১১ জন শিশু। ৩৭,৮৯,২১১-২৯,৬৯,৩৯৩=০৮,১৯,৮১৮ জন প্রাথমিক ও মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রী ঝড়ে গেছে। ২০১৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: প্রথমিকে বৃত্তি পেল ৫৪,৫৩০ শিক্ষার্থী। ঢাকা বিভাগে-১৬ হাজার নয়জন, চট্টগ্রামে ১১ হাজার ২১ জন, রাজশাহীতে সাত হাজার ৬৭৩ জন, খুলনায় ছয় হাজার ১৯৭ জন, রংপুরে পাঁচ হাজার ৯৮৮ জন, সিলেটে তিন হাজার ৮৩৬ জন এবং বরিশাল বিভাগে তিন হাজার ৮০৬ জন বৃত্তি পেয়েছে।

২০১৩ সালের ৩১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: দেশে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু: এবার পরীক্ষার্থী ঝরে গেছে এক লাখ ৮৬ হাজার। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে শুরু এই তিন পরীক্ষায় মোট পরীক্ষাথীর সংখ্যা ১৩ লাখ তিন হাজার ২০৩ জন, শতকরা ০.৭৭ ভাগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ। গতবার এই সংখ্যা ছিল ১৪ লাখ ২০ হাজার ৫৭ জন। গত বারের চেয়ে এবার এক লাখ ১৬ হাজার ৮৫৪ জন পরীক্ষার্থী কমেছে। এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা নয় লাখ ৮৯ হাজার ৮১৭ জন। দাখিল দুই লাখ ২৫ হাজার ২৬ জন ও এসএসসি ভোকেশনার ৮৮ হাজার ৩৬০ জন। ১০ বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী মধ্যে ছাত্রসংখ্যা ছয় লাখ ৬৮ হাজার ২৬৮ জন এবং ছাত্রীসংখ্যা ছয় লাখ ৩৪ হাজার ৯৩৫ জন। ১০ বোর্ডে (২০১১-২০১২ শিক্ষাবর্ষ) নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে নিবন্ধন করে ১২ লাখ ৬৫ হাজার ৬৯৯ জন। এর মধ্যে থেকে এবার পরীক্ষা দিচ্ছে ১০ লাখ ৭৮ হাজার ৯৩৬ জন। ঝরে গেছে এক লাখ ৮৬ হাজার ৭৬৩ জন। তবে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলে মোট পরীক্ষার্থী আরো বেশি। ২০১৩ সালে পাস করেছে-১১,৬৯,২৩৪ জন। পাস করেছে-শতকরা ০.৬৯ ভাগ।

২০১৩ সালের ১০ মে, প্রথম আলো: ৯ মে, ২০১৩ তারিখ: স্মরণকালের সেরা ফল: ৮ বোর্ডে পাস ৮৯.৭২% জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৭,৩৮১ জন।

২০১৩ সালের এইচএসসি পরীক্ষাতে সাধারণ বোর্ডগুলি থেকে আট লাখ ১৪ হাজার ৪৬৯ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাস করেছেন পাঁচ লাখ ৭৯ হাজার ২৯৭ জন। ছাত্রদের পাসের হার-৭০ দশমিক ৬২ ভাগ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৪ ভাগ। পাস করা শিক্ষাথীদের মধ্যে ছাত্রী-দুই লাখ ৯০ হাজার ৯০০ ও ছাত্র-দুই লাখ ৮৮ হাজার ৩৯৭ জন।

২০১৩ সালের ১ এপ্রিল, প্রথম আলো: এইচএসসি পরীক্ষার সময়ে আন্দোলন করবে বিএনপি। উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হবে সংখ্যা ১০ লাখ ১২ হাজার ৫৮১ জন এরমধ্যে ছেলে-৫ লাখ ৩৫ হাজার ৬৬২ জন এবং মেয়ে-৪ লাখ ৭৬ হাজার ৯১৯ জন। ১০টি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ওই পরীক্ষা শুরু হবে ১ এপ্রিল, ২০১৩। শতকরা ০.৫৯ ভাগ।

২০১৩ সালের ৪ জুলাই, প্রথম আলো: ৩ জুলাই, এইচএসসি-২০১৩ সালের পরীক্ষার ফল প্রকাশ। আট বোর্ডে পাসের হার-৭১.১৩% এবং জিপ্‌িএ-৫ পেয়েছে-৪৬,৭৩৬ জন। (১) ঢাকা বোর্ড পাসের হার-৭৪.০৪%, জিপিএ-৫-২২,৩৪৭ জন, (২) কুমিল্লা বোর্ড পাসের হার-৬১.২৯%, জিপিএ-২,৩৯০ জন, (৩) রাজশাহী বোর্ড পাসের হার-৭৭.৬৯%, জিপিএ-৫ পেয়েছে-৭,৬৬৬ জন, (৪) যশোর বোর্ড পাসের হার-৬৭.৪৯%, জিপিএ-৫ পেয়েছেন-৪,৭৪০ জন, (৫) চট্টগ্রাম বোর্ড পাসের হার-৬১.২২%, জিপিএ-৫ পেয়েছে-২,৭৭২ জন (৬) বরিশাল বোড পাসের হার-৭১.৬৯%, জিপিএ-৫ পেয়েছে-১,৮৫৩ জন, (৭) সিলেট বোর্ড পাসের হার-৭৯.১৩%, জিপিএ-৫ পেয়েছে-১,৫৩৫ জন ও (৮) দিনাজপুর বোর্ড পাসের হার-৭১.৯৪%, জিপিএ পেয়েছে-৩,৪৩৩ জন। সবচেয়ে খারাপ করেছে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা বোর্ড। (৯) মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড পাসের হার-৯১.৪৬%, এবং (১০) কারিগরি বোর্ড পাসের হার-৮৫%, জিপিএ-৫ পেয়েছে-৫,৪৬৫ জন। ২০১৩ সালের এইচ.এস-সি. পরীক্ষায় পাস করেছে-৭,৭৬,০০০ জন। পাস করেছে শতকরা-০.৪৬ ভাগ।

২০১৩ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার জন্য তালিকাভুক্ত হয় ২৬ লাখ ৩৯ হাজার ৪৫ জন ছাত্রছাত্রী। তবে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২৫ লাখ ১৯ হাজার ৩২ জন। এর মধ্যে পাশ করেছে ২৪ লাখ ৮৩ হাজার ১৪২ জন। শতকরা ১.৪৬ ভাগ পাস করেছে। এরমধ্যে জিপিএ-৫ পেল প্রায় দুই লাখ ৪১ হাজার।

২০১৩ সালে চতুর্থবারের মতো জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৫ লাখ ৪৮ হাজার ৭০০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এদের মধ্যে পাস করেছে ১৩ লাখ ৮৯ হাজার ৩১৩ জন। শতকরা ০.৮২ ভাগ পাস করেছে। জেএসসি জিপিএ-৫ পেয়েছিল গতবার (২০১২ সালে) ৪৪ হাজার ১৫৮ জন। এবার ২০১৩ সালে জেএসসি জিপিএ-৫ বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ৯৯৭ জন।

২০১৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, পরীক্ষা শুরু ১০টি বোর্ড থেকে এস.এস.সি. ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে-১৪ লক্ষ ২৬ হাজার ৯২৩ জন ছাত্র-ছাত্রী। শতকরা ০.৮৪ ভাগ পরীক্ষার্থী।

২০১৪ সালের ১৭ মে, এস.এস.সি. পরীক্ষায় পাসের হার ৯১.৩৪ শতাংশ। ১৪ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৩ লাখ তিন হাজার ৭৫৭ জন। এক বছরের ব্যবধানেই ৫১ হাজার ৫০ জন জিপিএ-৫ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৪২ হাজার ৬৬৬ জনে। শতকরা ০.৭৭ ভাগ পাস। বাংলাদেশের উচ্চ বিদ্যালয়গুলোর শতকরা ৩০% ছাত্রী আর শতকরা ১০% ছাত্র উপবৃত্তি পান।

২০১৪ সালের ৩ এপ্রিল, পরীক্ষা শুরু হবে-১০টি বোর্ড থেকে এইচ.এস-সি. ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে-১১ লক্ষ ৪১ হাজার ৩৭৪ জন ছাত্র-ছাত্রী। মোট দুই হাজার ৩৫২টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৩ সালে ছিল-৮,১০৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবার ২০১৪ সালে এবার ৩০১টি বেড়ে হয়েছে-৮,৪০৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ৬৪টি পরীক্ষা কেন্দ্র বেড়েছে। ৮টি সাধারণ বোর্ডে-৯,২৪,১৭১ জন পরীক্ষার্থী, মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে-১,০৭,৫৫৭ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে-১,০৪,৯৭৭ জন পরীক্ষার্থ পরীক্ষায় অশগ্রহণ করেছে। শতকরা ০.৬৭ ভাগ পরীক্ষার্থী। এ ছাড়া ঢাকা বোর্ডের ডিআইবিএসে-চার হাজার ৯৭৭ জন। সবচেয়ে বেশি ঢাকা বোর্ডে-৩,৩৮,০০০ আর সবচেয়ে কম বরিশাল বোর্ডে-৫৫ হাজার ৭৪১ জন।

২০১৪ সালের ১৩ আগস্ট, এইচ.এস-সি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে। মোট পরীক্ষার্থী ১১,৪১,৩৭৪ জন। পাশের হার ৭৮.৩৩ ভাগ। মোট=৮,৯৪,০৩৮ জন পাস করেছে।

২০১৫ সালের ২২ আগস্ট, মোঃ জাকির হুসেন ওরফে আলমগীরের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণার ফল: ২০১৫ সালে বাংলাদেশের লোকসংখ্যা ১৭(সতের) কোটি। বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি প্রাইমারী স্কুল ও যত প্রকার কিন্ডারগার্টেন স্কুল আছে-১,১২,২২৮টি(সরকারি প্রাইমারী-৬৩,৭৬৫টি, বেসরকারি প্রাইমারী-১৮,৪৬৩টি এবং ৪০,০০০টি কিন্ডারগার্টেন স্কুল আছে বাংলাদেশে) তার ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা-৩,০০,০০,০০০(তিন কোটি) মানে প্রাইমারী স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায়-২,০০,০০,০০০(দুই কোটি) এবং কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা-১,০০,০০,০০০(এক কোটি)। ইউনিসেফ ও ইউনেসকোর প্রতিবেদন : ৫৬ লাখ শিশু স্কুলের বাইরে। জনসংখ্যার শতকরা ৩.২৯ ভাগ শিশু প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলে পড়তে যেতে পারে না। আর শতকরা ১৭.৬৫ ভাগ ছেলে-মেয়ে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলে লেখাপড়া করে। সবাই লেখাপড়া করতে পারলে বাংলাদেশে শতকরা ২১ ভাগ বা ৩,৫৭,০০,০০০(তিন কোটি সাতান্ন লক্ষ) ছেলে-মেয়ে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলে লেখাপড়া করত। এর বাহিরেও ১৪(চৌদ্ধ) হাজার কওমি মাদ্রাসায় ১৪(লক্ষ) ছেলে-মেয়ে লেখাপড়া করে। বাংলাদেশে ২৯,০১২টি সরকারি-বেসরকারি, এমপিওভূক্ত-নন এমপিওভূক্ত উচ্চ বিদ্যালয়, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসাগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা-১,০৭,০০,০০০(এক কোটি সাত লাখ) মানে উচ্চ বিদ্যালয়গুলোতে-৮০,০০,০০০(আশি লাখ), কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা-৫,০০,০০০(পাঁচ লাখ) ও উচ্চ মাদ্রাসাগুলোতে-২২,০০,০০০(বাইশ লাখ)। উচ্চ বিদ্যালয়, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও উচ্চ মাদ্রাসাগুলোতে শতকরা ৬.২৯ ভাগ ছেলে-মেয়ে লেখাপড়া করে এবং সবাই যদি লেখাপড়া করার সুযোগ পেত তা'হলে শতকরা ২১ ভাগ বা ৩,৫৭,০০,০০০(তিন কোটি সাতান্ন লক্ষ) ছেলে-মেয়ে লেখাপড়া করত। প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলো থেকে শতকরা ১১.৬৫ ভাগ ছেলে-মেয়ে উচ্চ বিদ্যালয়, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উচ্চ মাদ্রাসাগুলোতে পড়তে পারে না। এবং ৩.২৯ ভাগ শিশু প্রাইমারী স্কুলে পড়তে যেতে পারে না এবং শতকরা ১৪.৯৪ ভাগ বা ২.৫৫(দুই কোটি পঁঞ্চান্ন লক্ষ) ছেলে-মেয়ে ঝড়ে যায়। ২০১৪ সালে এস.এস.সি. ও সমমান পরীক্ষাথী ছিল-১৪,২৬,৯২৩ জন বা শতকরা ০.৮৪ ভাগ। ২০১৪ সালে এস.এস.সি. ও সমমান পরীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রী পাস করেছে-১৩,৩,৭৫৭ জন বা ০.৭৭ ভাগ। প্রায় ৫,৩৫০টি সরকারি ও বেসরকারি কলেজ, এমপিওভূক্ত, নন-এমপিওভূক্ত কলেজ, মাদ্রাসা কলেজগুলো, ডিপেস্নামা ইঞ্জিনিয়ারিং, এগ্রিকালচার ডিপেস্নামা, নাসিং ডিপেস্নামা ও যত প্রকার ডিপেস্নামা আছে এস.এস.সি. পাশের পর এইচ.এস-সি'র ও সমমান পড়ালেখাতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা-১২,০০,০০০(বার লাখ) বা প্রথম বর্ষের আসন সংখ্যা। শতকরা ০.৭০ ভাগ লেখাপড়া করে। ২০১৪ সালে উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা-১১ লাখ ৪১ হাজার ৩৭৪ জন শতকরা ০.৬৭ ভাগ ছাত্র-ছাত্রী এবং পাস করেছে-৮,৯৪,০৩৮(আট লক্ষ চুরানব্বই হাজার আটত্রিশ)-শতকরা ০.৫২ ভাগ পাস। (১) ৩৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে ভর্তির আসনসংখ্যা-৩৬,৫০০ হাজার (২) ৭৭টি প্রইিভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রথম বর্ষে ভর্তির আসন সংখ্যা-৭৫,০০০ হাজার (৩) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা-৪,২০,৯০০ (৪) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা-৫৭,৮৫৮টি=মোট=৫,৯০,২৫৮টি আসন এবং মেডিক্যাল কলেজসহ উচ্চ শিক্ষায় প্রথম বর্ষের আসন সংখ্যা-৫,৯৭,৫৪৩(পাঁচ লক্ষ সাতানব্বই হাজার পাঁচশত তেতাল্লিশ) শতকরা ০.৩৫ ভাগ ছেলে-মেয়ে ভর্তি হয়ে লেখাপড়া করতে পারে ২০১৩ সাল পর্যন্ত। ঝড়ে যায় প্রায় দুই লাখ ছেলে-মেয়ে বা শতকরা ০.১২ ভাগ। সরকারী ও বেসরকারি ডিগ্রী কলেজ, পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে, মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, এগ্রিকালচারাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে, বি.এ., বি.এস-সি., বি.কম, বিবিএ., এম.বি.এ., সি.এ., সম্মান, মাস্টার ডিগ্রী, এমবিবিএস, বি.এস-সি.(ইঞ্জিনিয়ারিং), বি.এ.জি., এম.এ.জি. ও যত প্রকার র্গযাজুয়েশন ও মাস্টারর্স ডিগ্রী, এম.ফিল. ও পিএইচডি ডিগ্রীসহ বাংলাদেশ মঞ্জুরী কমিশনের ২০১২ সালের বার্ষিক বিবরণীতে আছে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায়-২০,০০,০০০(বিশ লাখ)। ৪ বছরে উচ্চ শিক্ষায় ২০,০০,০০০(বিশ লক্ষ) বছরে গড়ে ৫,০০,০০০(পাঁচ) লক্ষ ছেলেমেয়ে লেখাপড়া করে। এ চিত্র বাংলাদেশের লেখাপড়ার। বাংলাদেশে শিক্ষার হার শতকরা ৩০ ভাগ। এর বেশি হবে না। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মানুষের জন্য এ অংশটি: ২০১৪ সালে বাংলাদেশের লোকসংখ্যার ৪৮৬ ভাগের এক ভাগ লোক বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বাস করে-৩,৫০,০০০(তিন লক্ষ পঁঞ্চাশ হাজার) মানুষ। ২০১৪ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৩১টি, ৪টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কিন্ডারগার্টেন আছে-৫৩টি। প্রাইমারী এবং কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা-৪৮,২০০(আটচল্লিশ হাজার দুইশত)। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কতভাগ ছেলে-মেয়ে প্রাইমারী ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলে লেখাপড়ে করে শতকরা ১৩.৭৭ ভাগ এবং স্কুলে যেতে পারে না শতকরা ৩.৩০ ভাগ ছেলে-মেয়ে। বাংলাদেশের লোকসংখ্যার হিসাবে ৪৮৬ ভাগ লোক বাঞ্ছারামপুর উপজেলার গ্রামগুলোতে বাস করে। সে হিসাবে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রাইমারী ও কিন্র্ডাগাটেন স্কুলে লেখাপড়া করার কথা ছিল-৬১,৭২৮ জন বা শতকরা ১৭.৬৫ ভাগ ছাত্র-ছাত্রী। বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বাংলাদেশের জাতীয় গড় থেকে কম ছেলে মেয়ে লেখাপড়া করে-শতকরা ৩.৮৮ ভাগ। এ থানায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কয়টি-৩৮টি(১টি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ)। বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় শিক্ষার হার শতকরা কতভাগ ২৫ ভাগ। স্বাক্ষরতার হার কতভাগ শতকরা ৬০ ভাগ। আর একটি নতুন পরিসংখ্যান দেয়া হলো : দিনাজপুর জেলায় জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা ৬টি এবং ব্রাম্মণবাড়িয়া জেলায়ও জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা ৬টি আছে। কিন্তু স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা আছে দিনাজপুর জেলায়-১,০৭৫টি এবং ব্রাম্মণবাড়িয়া জেলায় আছে-৩৬৪টি। আর ঠাকুরগাঁও জেলার ঠাকুরগাঁও উপজেলায়-স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা আছে-২১৭টি এবং যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলায়-স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা আছে-২০৩টি। আর বাংলাদেশে এমনও উপজেলা আছে প্রায় ২৫টি গার্লস স্কুল আছে।

২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো : সমাপনী মোট পরীক্ষার্থী ২৬ লাখ ৯৩ হাজার ৭৮১ জন। পাসের হার ৯৭.৯২%। মোট পাস করেছে-২৬,৩৭,৭৫০ জন। শীর্ষে বরিশাল-৯৮.৭১% আর পিছিয়ে সিলেট-৯৪.৯৫%।

২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো : জেএসসি মোট পরীক্ষার্থী ১৭ লাখ ২৯ হাজার ৯৩১ জন। পাসের হার ৮৯.৮৫%। মোট পাস করেছে-১৫,৫৪,৩৪৩ জন। শীর্ষে বরিশাল-৯৭.৯২% আর পিছিয়ে চট্টগ্রাম-৮৪.২৯%।

২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো : ইবতেদায়িতে পাসের হার ৯৫.৯৮%। মোট পরীক্ষার্থী ছিল-২,৬৫,৯৭৪ জন। মোট পাস-২,৫৫,২৮২ জন।

২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো : জেডিসিতে মোট পরীক্ষার্থী ৩,১১,৫৪০ জন। পাসের হার-৯৩.৫০%। পাস করেছে-২,৯১,৩০৫ জন।