২১-১০-২০০২ তারিখে ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: মুম্বাই-কলকাতার যৌন কর্মীেদর বিরাট অংশ বাংলাদেশী-টৈরেস ব্লঁশে।

২১-১০-২০০২ তারিখে ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: বিশ্বের সর্বােপক্ষা দীর্ঘকায় ব্যক্তি-আলজেরিয়ার ২.৪৪ মিটার অর্থাৎ ৮-ফুট লম্বা ফুরার নামের লোকটি।

২৭-১০-২০০২ তারিখে ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: আগামীতে কোন সন্ত্রাসীকে মাথা তুলতে দেয়া হবে না-সেনা প্রধান, নাটোর সংবাদদাতা।

২৮-১০-২০০২ তারিখে ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: মহিলা আইনজীবী সমিতির রিপোর্ট-২০০১ সালে ২,৭৮৩-জন নারী সহিংসতার শিকার হয়েছে।

২৯-১০-২০০২ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: কিছু না লিখেই ৯৮(আটানব্বই) জনের ডিগ্রী লাভ। রেজানুর রহমান-পরীক্ষায় খাতা বদলের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস এ চিত্রটি রাজশাহী কলেজের। ১০০(একশত) জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৮-জনই পরীক্ষার হলে খাতায় তেমন কিছু লেখেননি। কিন্তু তারা পাশ করেছেন। অকৃতকার্য দু'জনই কাল।

২০০২ সালের ২৯ অক্টোবর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: জমির মালিকানা নির্ধারণে চারটি ব্যবস্থা-দলিলে মালিকদের ছবি, স্কেচম্যাপ, জমি হস্তান্তরের ২০-বছরের তথ্য ও মালিকানার পারিবারিক বর্ণনা অন্তর্ভুেক্তর বিধান চালু করা হবে। এতে ব্যয় হবে: ৫.৫৯(পাঁচ কোটি উনষাট লক্ষ) ডলার এবং বংলাদেশী টাকায়=৩৩৫.৪(তিনশত পঁয়ত্রিশ কোটি চল্লিশ লক্ষ) টাকা স্বত্ব সম্বলিত "পত্যায়নপত্র" বাবদ খরচ।

৩০-১০-২০০২ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: প্রতিযোগিতার ক্ষমতা না থাকলে বাজার ধরে রাখা অসম্ভব-অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান।

৩১-১০-২০০২ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: সেনা অভিযানে যেন নিরীহ মানুষ হয়রাণির শিকার না হয়: সেনা প্রধান, রাজশাহী অফিস। এশীয় ফোরাম গঠনে অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবের ইতিবাচক সাড়া, শাসন-ব্যবস্থার উন্নতি ও সংস্কার ত্বরান্বিত করতে এডিবি প্রেসিডেন্টের তাগিদ। সেনাবাহিনীকে আইনের সীমারেখার মধ্যে কাজ করতে হবে-ড. কামাল হোসেন।

২০০২ সালের ১১ নভেম্বর, হাজার কোটি টাকা খরচ করেও রাস্তাঘাটের দৈন্যদশা ঘুছেনি-নাজমুল হাসান-গত ১০(দশ) বছরে ঢাকা সিটি করপোরেশন নগরীর রাস্তা-ঘাটের নর্দমা ও ফুটপাথ উন্নয়ন এবং সংস্কার বাবদ ১ হাজার ৮৮ কোটি ৩৮ লক্ষ টাকা ব্যয় করেছে।

২০০২ সালের ৩১ ডিসেম্বর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: বেশীর ভাগ জজ নৈতিকতা ও মানবাধিকার বিষয়ে দায়িত্ব পালন করেন না-আইনমন্ত্রী-বাসস।

।২৬-১২-২০০২ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে:।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন, ঢাকায় "রোজ গার্ডেেন" আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা হয়। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী-সভাপতি; শামসূল হক (টাংগাইল)-সাধারণ সম্পাদক, শেখ মুজিবুর রহমান-যুগ্ম-সম্পাদক ও ইয়ার মোহাম্মদ খান-কোষাধ্যক্ষ নির্বািচত হন। আর সমগ্র পাকিস্তানে দলের নেতৃত্ব দেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। দলের দ্বিতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয় ১৯৫৩ সালে। এতে মওলানা আবদুল হামিদ খান(ভাসানী)-সভাপতি হিসেবে বহাল থাকলেও সাধারণ সম্পদক পদে নির্বািচত হন শেখ মুজিবুর রহমান। এ নেতৃত্ব ১৯৫৫ সালেও বহাল থাকে।

১৯৫৫ সালের ২১ অক্টোবর, কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের নাম থেকে "মুসলিম" শব্দটি বাদ দেয়া হয়। এরপর নতুন নামকরণ করা হয় "পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ"। ১৯৫৭ সালে অনুষ্ঠিত কাগমারী সম্মেলণে বৈদেশিক নীতি নিয়ে দলে দ্বিধা বিভক্তি দেখা দেয়। ফলে মওলানা ভাসানী দল ত্যাগ করে এবং এসময় আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব বর্তায় মওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগিশের ওপর।

১৯৬৫ সাল পর্যন্ত মওলানা তর্কবাগিশ ও শেখ মুজিবুর রহমান দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।

১৯৬৬ সালে কারাগারে আটক অবস্থায় শেখ মুজিবুর রহমান পুনরুজ্জীত আওয়ামী লীগের সভাপতি ও তাঁজউদ্দিন আহমদ-সাধারণ সম্পাদক নির্বািচত হন।

১৯৬৯ সালের কাউন্সিলেও এ নেতৃত্ব বহাল থাকে।

১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমান-সভাপতি ও জিল্লুর রহমান-সাধারণ সম্পাদক।

১৯৭৫ সালে (বাকশাল) কাউন্সিলে শেখ মুজিব-চেয়ারম্যান ও এম. মনসুর আলী-সেক্রেটারী।

১৯৭৮ সালে আবদুল মালেক উকিল-সভাপতি ও আবদুর রাজ্জাক-সাধারণ সম্পাদক।

১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা-সভানেত্রী ও আবদুর রাজ্জাক-সাধারণ সম্পাদক।

১৯৮৭ সালে শেখ হাসিনা-সভানেত্রী ও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী-সাধারণ সম্পাদিকা।

১৯৯২ সালে শেখ হাসিনা-সভানেত্রী ও জিল্লুর রহমান-সাধারণ সম্পাদক।

২০০০ সালে শেখা হাসিনা-সভানেত্রী ও জিল্লুর রহমান-সাধারণ সম্পাদক।

২০০২ সালে শেখা হাসিনা-সভানেত্রী ও ১৭তম-সাধারণ সম্পাদক-আবদুল জলিল।

২০০৯ সালে শেখ হাসিনা-সভানেত্রী ও ১৮তম-সাধারণ সম্পাদক-সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

১৯৫২ সালে ভাষা-আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৬৬ এর ৬-দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যূত্থান এবং স্বাধীনতা আন্দোলন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ভূমিকা ছিল।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে ১৪-০৮-১৯৭৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামীলীগের আমল ছিল।

১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি, পূর্ব-পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বরের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে:

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে যেখানে কোটিপতির সংখ্যা ছিল মাত্র ৩(তিন) জন, অল্প সময়ের মধ্যে সেই সংখ্যা হাজারের ঘর ছাড়িয়ে গেল। সমাজে সৃষ্টি হলো নতুন দানব, যাদের সম্পদ অর্জিত নয়, লুন্ঠনের। এ অর্থৈনতিক ও অপরাধকর্মের মধ্য দিয়ে যাত্রা করল বাংলাদেশের অর্থনীতি। অর্থনীতিতে উৎপাদন নয়, লুটপাট, ফড়িয়াগিরি, কমিশনভোগ, চোরাচালান প্রভৃতি হয়ে উঠল আওয়ামীলীগের সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি।

১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ ছিল আওয়ামীলীগের সৃষ্ট কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ। লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ গেল সেই দুর্ভিেক্ষ। তখনকার নেতাদের অবস্থা দেখলে মনে হতো অন্যরকম বাংলাদেশ। আজও সে ধারা বলবৎ আছে বাংলাদেশে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের রাজনৈতিক পট-পরিবর্তেনর পর আওয়ামী লীগেরই আরেক প্রভাবশালী নেতা খন্দকার মোস্তাক আহমেদ-এর রাজনৈতিক নেতেৃত্বে ঘটে সামরিক অভ্যূত্থান এবং ২০ আগষ্ট তিনি জারি করেন সামরিক শাসন এবং তার কার্যকাল ছিল ৩ নভেম্বর, ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত।

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর, খালেদ মোশাররফ পাল্টা অভ্যূত্থান করে খন্দকার মোস্তাক আহমেদকে অপসারণ করেন। কিন্তু অভ্যূত্থানের পরপর খালেদ মোশাররফের আচরণ এবং আওয়ামী লীগ ও তার মিত্রদের তৎপরতায় দেশের জনগণ ও সেনাবাহিনীর কাছে তিনি ভারতপন্থী আওয়ামী লীগের শাসন পুনঃপ্রবর্তেনর প্রচেষ্টাকারী হিসেবে চিহ্নিত হয়। গোলযোগ শুরু হয় সেনাবাহিনীতে, ৩ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে কোন সরকারই ছিল না।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতা এবং সামরিক বাহিনীর পাল্টা কু'-এর মাধ্যমে মুক্তিযোদ্দা জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে।

১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল, বিকেল ৫টা ৩৫মিনিটে মুক্তিযোদ্দা জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট হয়। ১৯৮১ সালের ৩০ মে, পর্যন্ত ছিল তার কার্যকাল এবং বিএনপি'র কার্যকাল ১ম বার ছিল ২৩-০৩-১৯৮২ সাল পর্যন্ত।

১৯৭৭ সালের মে মাসে হ্যাঁ-না ভোট বা রেফারেন্ডোম দেন, ১৯৭৮ সালের জুন মাসে উপহার দেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন।

১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি'র জন্ম।

১৯৭৯ সালের ১ জানুয়ারি, ঢাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের জন্ম হয় (ছাত্রদল)।

বিএনপি: আধুনিক বাংলাদেশের সূচনাপর্ব বলে-আসলে কি তাই? আমি বলবো না।

২০০৫ সালের ২১ অক্টোবর, ইনকিলাব-শাহীন রাজা: ১৯৯২ সালের ১-২ সেপ্টেম্বর, বিএনপির শেষ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। ১৩-বছরেও কাউন্সিল করতে পারেনি বিএনপি।

১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ, বিএনপি'র নির্বািচত প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আবদুছ ছাত্তারকে বন্দুকের নলের মুখে পদত্যাগে বাধ্য করে ক্ষমতা দখল করে তৎকালীন সেনা প্রধান লে. জে. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ।

১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ, থেকে প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের কার্যকাল ছিল ০৫-১২-১৯৯০ তারিখ পর্যন্ত।

১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি, জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রতিষ্ঠা লাভ।

এরশাদ পদত্যাগে বাধ্য হন ১৯৯০ সালের ৫ ডিসেম্বর।

১৯৯১ সালের ৮ মার্চ, আবার দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করে বিএনপি'র নেতৃত্বে এবং সরকারের কার্যকাল ছিল ৩১ মার্চ, ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত। ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন, ক্ষমতায় আসেন দ্বিতীয়বার আওয়ামীলীগ, তাদের কার্যকাল ছিল ২০০১ সালের ১৩ জুলাই পর্যন্ত। ২০০১ সালের ১০ অক্টোবর, তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসে চার দলীয় ঐক্যজোট(বিএনপি) এবং তাঁদের কার্যকাল ছিল ২০০৬ সালের ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসে। তাদের কাছ থেকে ১১ জানুয়ারি, ২০০৭ সালে জরুরী ক্ষমতা জারির মাধ্যমে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ১০ সদ্যেসের তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠণ করা হয়। এ সরকারই ২০০৮ সালের মধ্যে নির্বাচন দিয়ে চলে যাবে। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর, তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচন দিয়ে চলে গেছেন ০৬-০১-২০০৯ তারিখ। ০৬-০১-২০০৯ তারিখ থেকে আওয়ামী লীগ তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসে।

০২-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: দেশে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের প্রযুক্তি নেই: কৃষি প্রতিমন্ত্রী। ১০০(একশ) সাগর কলা ১০(দশ) টাকায়, মুলা-৫০(পয়সা) কেজি ও ৩ কেজি ওজনের ফুলকপি ৩/-টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

০৫-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: ব্যক্তি ও সংস্থার নামে বুড়িগঙ্গার সকল ভুমি রেকর্ড বাতিলের সুপারিশ।

০৫-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: আদমজী জুট মিলের সম্পদের বাজার মূল্য-৬৭৬ কোটি টাকা।

০৮-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: পরিসংখ্যান সঠিক নয়, নইলে আমদানীকৃত চাল ও চিনি কি ভুত, না ইদুরে খাচ্ছে? অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান বলেন।

০৮-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: বিদেশে যাওয়া-আসার সময় ঘোষণা ছাড়া ৩-হাজার ডলার রাখা যাবে।

০৮-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: সুস্বাস্থ্যের জন্য দৈনন্দিন হাটার অভ্যাসই বেশি কার্যকর-সি.এন.এন.।

০৯-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: বিশ্বব্যাংকের রিপোর্ট- বাংলাদেশে সর্বেক্ষত্রেই ঘুষ দিতে হয়।

০৯-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: মেম্বার পদপ্রার্থী সবচেয়ে বেঁটে প্রার্থী রহিম আলী-মোহাম্মদ আরজু, ব্রাম্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা, তার উচ্চতা-৩ ফুট ৬ ইঞ্চি। তার নাম মোঃ আবদুর রহমান (রহিম আলী)।

১২-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: সেনাবাহিনী ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠ ও গ্রহণযোগ্য হবে না: সিইসি।

১৩-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: "আপারেশন ক্লিনহার্ট" মানবাধিকার লংঘণ ও রাজনৈতিক নিপীড়ণের কলংকজনক অধ্যায়: আওয়ামী লীগ। ভোজ্য তেলের দাম ও মাণের ক্ষেত্রে সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই।

১৩-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: দু'ঘন্টায় একশ' ডুব দিয়ে বাজি জিতে নিল রিনা-কেন্দুয়া, নেত্রকোনা থেকে সংবাদদাতা।

১৩-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: শত শত বাংলাদেশী নারী পশ্চিমবঙ্গের কারাগারে: ফরিদা ইয়াছমিন কলকাতা থেকে ফিরে।

১৩-০১-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: মার্কিন সমরসজ্জা অব্যাহত, যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে একা হামলা করলে বৃটেন যোগ দেবে না: রয়টার্স ও বিবিসি।।

২০০৩ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি, সংসদে গ্রাম সরকার বিল পাশ হওয়ার সময় বিরোধী আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্যরা "ওয়াক আউট" করেন। তবুও সংসদে "গ্রাম সরকার বিল", ২৬-০২-২০০৩ তারিখ পাশ হয়।

২০০৩ সালের ৭ এপ্রিলের ইত্তেফাক পত্রিকার খবর: বরিশালের "অর্চনার" অভিজ্ঞতা: কলকাতায় রয়েছে ১৪(চৌদ্ধ) হাজার বাংলাদেশী যৌনকর্মী। ভারতে ৫(পাঁচ) লক্ষ নারী পতিতা বৃত্তিতে নিয়োজিত। তাদের ২.৭ শতাংশ হচ্ছে (বাংলাদেশী)। হিসাবে হয় ১৩,৫০০ (তের হাজার পাঁচশত) বাংলাদেশী। এদের বেশীর ভাগই কলকাতায় অবস্থান করছেন।

২০০৩ সালের ২২ এপ্রিল-এর সংবাদ: বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমী:-সেমিনার, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ছাড়া পল্লী উন্নয়ন ও দারিদ্র বিমোচনে তেমন সাফল্য নেই, বলেছেন-মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)।

২০০৩ সালের ২২ এপ্রিল-এর সংবাদ: বড় পুকুরিয়া কয়লাখনীতে খরচ হবে-১,৪০০ কোটি টাকা। তাতে ১০(দশ) লক্ষ টন কয়লা উৎপাদন হবে বৎসরে। দিনাজপুর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করার জন্য ২৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সমপন্ন। তাতে খরচ হবে ১,৬৯৪ কোটি টাকা। ১(এক) টন কয়লার মূল্য=৬০(ষাট) ডলার।

২০০৩ সালের ৪ মে, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: অর্থমন্ত্রী এম.সাইফুর রহমান বলেছেন যে, আগে ২২ পরিবার ছিল, এখন ২২শ পরিবার হয়েছে।

২০০৩ সালের ১৯ জুনের ইত্তেফাক রিপোর্ট অনুসারে-বিবিসির জনমত জরিপ-বিশ্বশান্তির জন্য আল-কায়দার চেয়েও বড় হুমকি যুক্তরাষ্ট্র।

২০০৩ সালের ২৪ জুনের ইত্তেফাক রিপোর্ট: ঢাকা মহানগরীতে পানি সরবরাহের ক্ষেত্রে ঢাকা ওয়াসার সিষ্টেম লস ৪৯ শতাংশ।

২০০৩ সালের ২৬ জুন, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: পাটকল সংস্থার ৬(ছয়) হাজার লোকবল কমানো হচ্ছে। বাংলাদেশ পাটকল সংস্থার (বিজেএমসি) পুঞ্জীভূত লোকসান কমাতে জনবল হ্রাস করা হচ্ছে।

২০০৩ সালের ২৬ জুন, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: ১৮৯৮ সালের দেওয়ানী কার্যিবধি আইন ও ১৯০৯ সালের ফৌজদারী কার্যিবধি আইনের পূর্ণ পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

২০০৩ সালের ২৫ জুলাই, ইত্তেফাক পত্রিকার সংবাদঃ অর্থাভাবে ইস্টার্ন বাইপাস প্রকল্প অনিশ্চিত: নাজমূল হাছান: ১৯৮৮ সালের মহাপস্নাবনের পর ঢাকা সমন্বিত বন্যা প্রতিরোধ প্রকল্পের আওতায় লালবাগ কেল্লার মোড় থেকে টঙ্গি রেলওয়ে ব্রীজ পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধ নির্মােণর ফলে রাজধানীর পশ্চিমাংশের ১৩৬ বর্গিকলোমিটার এলাকাকে বন্যামুক্ত রাখা সম্ভব হয়েছে। ফলে ১৯৯৮ সালের ভয়াবহ বন্যা সত্ত্বেও নগরীর পশ্চিমাংশ ছিল বন্যামুক্ত। রাজধানীর পূর্বাংশের ১২৪-বর্গিকলোমিটার এলাকা বন্যামুক্ত রাখার লক্ষ্যে গৃহীত ঢাকা সমন্বিত বন্যা প্রতিরোধ-কাম-ইস্টার্ন বাইপাস প্রকল্পের কাজ অর্থের অভাবে বন্ধ হয়ে আছে। ১৯৯৮ সালের ভয়াবহ বন্যার পর গৃহীত ৫ বছর মেয়াদী এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ আগামী বছরের জুন মাসে শেষ হয়ে যাবে। বাস্তব অর্থে প্রকল্পে কোন কাজ শুরুই হয়নি। এ প্রকল্পের বাজেট ছিল প্রায় ২,৪৭৩(দুই হাজার চারিশত তিয়াত্তর কোটি) টাকা।

২০০৪ সালের ১৮ জুন, স্টাফ রিপোর্টার: গঙ্গা ব্যারেজ প্রকল্প এবং ঢাকা সমন্বিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ-কাম-ইস্টার্ন বাইপাস জরুরী ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা উচিত: সাংবাদিক সম্মেলনে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন-গঙ্গা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে ৮,৫০০ কোটি টাকা এবং সমন্বিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ করতে ২,৪৭৫ কোটি টাকা প্রয়োজন।

২০০৪ সালের ২৭ জুলাই, সাখাওয়াত হোসেন বাদশা: ঢাকা ইস্টার্ন বাইপাস বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পটি সরকার বাস্তবায়ন করবে। চলমান বন্যায় জোট সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন।

২০০৬ সালের ২২ জানুয়ারি, সাখাওয়াত হোসেন বাদশা: ইস্টার্ন বাইপাস প্রকল্প যখন শুরু হওয়ার কথা ছিল তখন বাজেট ছিল ২,৪৭৬ কোটি টাকা এবং ২০০৬ সালে টাকা লাগবে প্রায় ৩,৫০০ কোটি টাকা। ইস্টার্ন বাইপাস প্রকল্প নিয়ে সরকারের ভিতরে দ্বন্দ্ব। বিগত আমলেও দুর্নীিতর কারণে স্থগিত হয়। 'ঢাকা সমন্বিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কাম ইস্টার্ন বাইপাস সড়ক বহুমুখী প্রকল্প' নিয়ে জোট সরকারের মন্ত্রী ও এমপিরা দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছেন। বাঁধের ভিতরে যাদের নির্বাচনী এলাকা পড়েছে তারা চাচ্ছেন সরকার এ প্রকল্পের কাজ দ্রুতার সাথে শুরু করুক। অন্যদিকে, বাঁধ এলাকার বাইরে যারা অবস্থান করছেন তারা চাচ্ছেন না আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে সরকার এ প্রকল্পের কাজে হাত দিক।