২০০৪ সালের ২৪ আগষ্ট, স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ ও নেপালকে উপেক্ষা করে আন্তর্জািতক নদীতে ভারত কোন স্থাপনা তৈরী করতে পারে না-সেমিনারে ভারতের খ্যাতিমান পরিবেশ সংগঠন 'ইকোলজিক্যাল ফাউন্ডেশন'-এর নির্বাহী পরিচালক ড. সুধীরেন্দ্র শর্মা বলেছেন, উজানে নেপাল এবং ভাটির বাংলাদেশের স্বার্থেক উপেক্ষা করে আন্তর্জািতক নদীর উপর ভারত কোন ধরনের স্থাপনা তৈরী করতে পারে না।
২০০৪ সালের ২৭ আগষ্ট, ইনকিলাব-বাসস: দুটি নতুন উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। ১৯৮২ সালে প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে ২২ বছরে নতুন উপজেলার সংখ্যা ১২-তে দাঁড়িয়েছে। ১৯৮২ সালে দেশে ৪৬০টি উপজেলা ছিল। ২৭-০৮-২০০৪ সালে দেশে উপজেলার সংখ্যা হবে ৪৭২টি। ০৬-০১-২০১২ সালে দেশে উপজেলার সংখ্যা-৪৮৪টি।
২০০৪ সালের ২৭ আগষ্ট, ইনকিলাব-বাসস: শীর্ষ পানি বিশেষজ্ঞ ও জাতিসংঘের সাবেক পরিবেশ পরিকল্পনাকারী ড. এস. আই. খান বলেছেন, বঙ্গোপসাগর বরাবর একটি ক্রস বাঁধ নির্মাণ করা হলে বাংলাদেশ কমপক্ষে ২৫ হাজার বর্গিকলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধারে সক্ষম হবে এবং বন্যাসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ হ্রাস পাবে। বঙ্গোপসাগর বরাবর কক্সবাজার থেকে পটুয়াখালী পর্যন্ত একটি ক্রস বাঁধ নির্মাণ করা হলে বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসসহ অধিকাংশ প্রাকৃতিক সমস্যার সমাধান হবে এবং বিপুল ভূমি পুনরুদ্ধারের সুযোগ সৃষ্টি করবে। প্রফেসর ড. খান বলেন, প্রস্তাবিত ২৪ মিটার উঁচু ও ১৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বাঁধ নির্মিত হলে আগামী ৩০ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের মোট আয়তনের ১৮ শতাংশের সমান ভূমি পুনরুদ্ধার হতে পারে।
।২০০৪ সালের ১ সেপ্টেম্বরে ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার: সাংবাদিক সম্মেলনে সরকারী কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ।
।নেতৃতৃন্দ ১৫ গ্রেডের পে-স্কেল এবং সরকারী কর্মচারীদের বেতন সর্বোচ্চ ৭৩ হাজার সর্বিনম্ন ১৪ হাজার।
| ৬০০/-টাকা দাবী জানিয়েছে | কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতনের স্কেল এক অনুপাত পাঁচ (১:৫) হারে বাস্তবায়নের |
| দাবী দীর্ঘিদনের | আরো বলেন একজন কর্মচারী মাসিক যাতায়াত ভাতা বাবদ পেয়ে থাকেন ৮০/-টাকা মাত্র | অপরদিকে |
।একজন সচিবের যাতায়াতের জন্য গাড়ীর (ড্রাইভারসহ) পিছনে প্রতিমাসে খরচ হচ্ছে ১ লাখ ১৮ হাজার ৩৩৩(তিনশত।
| তেত্রিশ) টাকা | এছাড়া ঢালাওভাবে প্রকল্প তৈরী ও বাস্ত-বায়নের নামে একাধিক গাড়ী কেনা হয়ে থাকে এবং একজন |
| কর্মকর্তা একাধিক গাড়ী ব্যবহার করেন | টেলিফোনের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা বিরাজ করছে | এতে রাষ্ট্রের প্রচুর অর্থের |
| অপব্যয় হচ্ছে |
২০০৪ সালের হিসেব অনুযায়ী, বাংলদেশে-১২ লাখ টনের কাছাকাছি লবণের চাহিদা। আমাদের দেশে লবণ উৎপাদন হয়-৯ লাখ ১৩ হাজার টনের মতো। আমরা লবণের চাহিদা মিট করতে পারিনা তাই এক লাখ টন লবণ আমদানীর সিদ্ধান্ত।
২০০৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: ২৯ অক্টোবর শুরু হবে আখ মাড়াই মৌসুম-চিনির উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পৌনে দুই লাখ মেট্রিক টন: চাহিদা ১২ লাখ টন। বছরে আমাদের চিনি আমধানী করতে হয়-১০ লক্ষ টন।
| সরকারী কর্মচারীরা সুন্দর পে-স্কেল পাবেন-ড. আব্দুল মঈন খান |
স্টাফ রিপোর্টার: বিজ্ঞান এবং তথ্য ও প্রযুক্তি যোগাযোগমন্ত্রী আব্দুল মঈন খান, এমপি বলেছেন, কর্মকর্তা এবং কর্মচারী-এ দু'টি শব্দের বিভক্তি দ্বারা শ্রমিকদের প্রকৃত অধিকার অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। এ বিভেদ যতোদিন বিলুপ্ত না হবে ততোদিন শ্রমিকদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন ঘটবে না। মোঃ সালেহউদ্দিন সেলিম বলেন, দেশের মাত্র ৫৫ হাজার সরকারী কর্মকর্তা প্রায় ১.২০(এক লাখ বিশ হাজার) যানবাহন (গাড়ী) ব্যবহার করছেন। এতে গাড়ী ও ড্রাইভারের পিছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। সরকারী কর্মকর্তােদরকে গাড়ীগুলো দিয়ে দিলে সরকার এ খাত থেকে প্রায় ১২(বার) হাজার কোটি টাকা পাবে এবং তেল খরচ বাঁচবে আরো ৪(চার) হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ বছরে ১৬(ষোল) হাজার কোটি টাকার সাশ্রয় কেবলমাত্র সরকারী যানবাহন খাত থেকেই হতে পারে। অপরদিকে, ১৫.২৮(পনর লাখ আটাশ হাজার) সরকারী কর্মচারীর বেতন বাবদ ব্যয় হয় ৮(আট) হাজার কোটি টাকা। ফলে, পে-স্কেলে সর্বোচ্চ ৭৩(তেহাত্তর) হাজার এবং সর্বিনম্ন ১৪,৬০০(চৌদ্দ হাজার ছয়শত) টাকা অর্থাৎ ১: ৫ নির্ধারণ করা হলে সরকারের এ টাকা প্রদানে কোনই সমস্যা হবে না। গঠিত পে-কমিশনে সরকারী কর্মচারী প্রতিনিধি রাখার জন্য তিনি সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছেন।
২০০৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: বাংলা ও ভারত বিভক্তির জন্য হিন্দু সম্প্রদায়ই দায়ী। জিন্নাহর মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনায় বক্তাগণ।
২০০৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, সংসদে প্রশ্নোত্তর: যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেছেন, সাম্প্রতিক বন্যায় সড়ক খাতে ক্ষতি ৮৯৩ কোটি টাকা।
২০০৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: এ সরকারের মেয়াদকালেই মানবাদিকার কমিশন গঠিত হবে: আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ গতকাল ঢাকার হোটেল শেরাটনে আন্তর্জািতক মানবাদিকার সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে বলেছেন। আমাদের মতামত দিবার অধিকার অবশ্যই রয়েছে: ইউএনডিপি প্রতিনিধি।
২০০৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে ময়মনসিংহ থেকে মোঃ শামসুল আলম খান: ময়মনসিংহে আ'লীগের সমাবেশে নেতৃবৃন্দ-আমরা ক্ষমতায় গেলে দাঁতের বদলে দাঁত চোখের বদলে চোখ তোলা হবে।
২০০৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, তামাক শিল্পের রাজস্বের চেয়ে তামাকজনিত রোগের চিকিৎসায় ৩ গুণ বেশী অর্থ ব্যয় হয়: সমীক্ষা রির্পোট।
২০০৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, বিশ্বব্যাংকের উন্নয়ন প্রতিবেদন: ঘুষ ছাড়া বাংলাদেশে ব্যবসা করা যায় না।
২০০৪ সালের ১৪ অক্টোবর, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: ক্যাটারিং খাতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে না উঠাতে পারলে ব্রিটেনে বাংলাদেশীদের হোটেল ব্যবসা ভারতীয়দের হাতে চলে যাবে। উল্লেখ্য, ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর ব্রিটেনে অবস্থানরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশের লোক ব্রিটেনে হোটেল ব্যবসা শুরু করে। ১৯৬২ সালে ব্রিটেনে বাংলাদেশের হোটেল ব্যবসায়ীরা এসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করে। ব্রিটেনে বাংলাদেশীদের ১২ হাজারের উপরে হোটেল রয়েছে। এসব হোটেলে ৮০ হাজারের বেশী বাংলাদেশী লোক কাজ করে। তাছাড়া এসব হোটেলে রয়েছে ৫ হাজারেরও বেশী বিদেশী দক্ষ কর্মী।
২০০৪ সালের ১৯ অক্টোবর, আবদুর রহিম: রাজধানীতে ওয়াসার ৩৩-হাজার এবং সিটি কর্পোেরশনের ১০-হাজার মিলে মোট ম্যানহোলের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৪৩-হাজার। রাজধানীতে ঢাকনাবিহীন ম্যানহোলের সংখ্যা ১০-হাজার।
২০০৪ সালের ২১ অক্টোবর, জেলহত্যা মামলার রায়: (অবসরপ্রাপ্ত রিসালদার মোসলেম উদ্দিন, দফাদার মারফত আলী শাহ এবং এলডি মোঃ আবুল হাশেম মৃধা, এরা সবাই পলাতক রয়েছেন) এ ৩ জনের ফাঁসি। (কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান (অব.), কর্নেল সুলতান শাহরিয়ার রশিদ (অব.), মেজর বজলুল হুদা (অব.), কর্নেল (অব.) খন্দকার আব্দুর রশিদ, মেজর (অব.) শরিফুল হক ডালিম, কর্নেল (অব.) নূর চৌধুরী, কর্নেল (অব.) এম. এ. রাশেদ চৌধুরী, মেজর (অব.) এ. কে. এম. মহিউদ্দিন, মেজর (অব.) আহমেদ শরফুল হোসেন, ক্যাপ্টেন (অব.) এম. এ. মাজেদ, এ ১২ জনের যাবজ্জীবন। এদের মধ্যে তিনজন জেলখানায় বাকী সবাই পলাতক। ৫ জন বেকসুর খালাসপ্রাপ্তরা হলেন: কে. এম. ওবায়দুর রহমান, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, তাহেরউদ্দিন ঠাকুর, নূরুল ইসলাম মঞ্জুর ও মেজর (অব.) খায়রুজ্জামান।
২০০৪ সালের ২৪ অক্টোবর, সাখাওয়াত হোসেন বাদশা: ভূখন্ড রক্ষার ৪ প্রকল্পের কোন অগ্রগতি নেই-সিলেটে সুরমা ও কুশিয়ারার ভাঙ্গনে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকা ভারতের দখলে চলে যাচ্ছে।
২০০৪ সালের ২৮ অক্টোবর, মিজানুর রহমান তোতা: দেশে তুলা আবাদ ও উৎপাদনের সম্ভাবনা: বছরে সাশ্রয় হতে পারে দেড় হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা।
২০০৪ সালের ৫ নভেম্বর, রাজধানীর পান্থপথে নবনির্মিত বসুন্ধরা সিটি মলে জমে উঠেছে দেশের সর্ববৃহৎ বিপণিবিতান বসুন্ধরা সিটি মল। বিশ্বের ১২তম সর্ববৃহৎ এ বিপণিবিতানটিতে ২,৩৩১টি দোকান রয়েছে।
২০০৪ সালের ৮ নভেম্বর, আবদুল গাফফার মাহমুদ: রাজধানীতে কাঁচামাল পরিবহনে ৪টি রুটে ৩৯টি পয়েন্টে চাঁদাবাজি। ৭০ জন পুলিশ সার্জেন্ট চিহ্নিত: প্রতিমাসে কোটি টাকা আদায়।
২০০৪ সালের ১১ নভেম্বর, জাকারিয়া কাজল: রাজধানীতে স্থায়ী কবরের জায়গা নেই। রাজধানীতে গড়ে প্রতি মাসে ২,০০০ হাজার লাশ দাফন করা হয়।
২০০৪ সালের ২২ নভেম্বর, সালাহউদ্দীন বাবলু: ব্যাংকগুলোর পাওনা ৯শ' কোটি টাকা। ১০০০ হাজার রুগ্ন শিল্প মালিক গ্রেফতার আতঙ্কে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
২০০৪ সালের ২২ নভেম্বর, আবদুর রহিম: নিউ বঙ্গবাজারে আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে ছাই হয়ে গেছে প্রায় দু'হাজার দোকান। শতকোটি টাকার ক্ষতি: ব্যবসায়ীরা সর্বস্বান্ত।
২০০৪ সালের ২৩ নভেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: প্রকাশ্যে ধূমপান ও বিজ্ঞাপন প্রচারে নিষেধাজ্ঞাসহ আইন অনুমোদন। প্রস্তাবিত আইনে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের (১৮-বছরের নীচে) কাছে সিগারেট বিড়ি বিক্রি করার ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। অফিস-আদালত, বাস-ট্রেন, লঞ্চ, অডিটরিয়াম, সিনেমা প্রভৃতি জনবহুল স্থানে ধুমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
২০০৪ সালের ২৪ নভেম্বর, ফজলুল বারী: বাজারে শেয়ার সংকট: বিপর্যেয়র আশংকা-পাইব লাইনে একদিনের চাহিদা পূরণের মতো শেয়ার নেই। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশীয় পুঁজি বাজারে তালিকাভুক্ত শেয়ার সংখ্যা মাত্র ১১৮ কোটি ৫৭ লাখ ৯ হাজারটি। এরমধ্যে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ শেয়ারই উদ্যোক্তাদের নিয়ন্ত্রণে। বাকি ৫০ শতাংশের একটি বড় অংশ প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দখলে রয়েছে। ২০০৪ সালের নভেম্বরে এসে এ সংখ্যা ৭৯ হাজারে উন্নীত হয়েছে এবং প্রতিদিনই এ সংখ্যা বাড়ছে।
২০০৪ সালের ২৬ নভেম্বর, কানিজ আফরিনা: আয়োডিন স্বল্পতায় ভূগছে দেশের অর্ধ কোটি মানুষ।
২০০৪ সালের ৩০ নভেম্বর, শিশু পার্কের বিনোদন উপকরণ ঝুঁকিপূর্ণ-১২টির মধ্যে ৮টির মেয়াদ শেষ হয়েছে ১৫-বছর আগে।
২০০৪ সালের ২ ডিসেম্বর, এম. আবদুল্লাহ: ত্রিদেশীয় গ্যাস পাইবলাইন প্রশ্নে সিদ্ধান্ত হবে শীর্ষ পর্যােয়। বছরে ৮০০ কোটি টাকা পাবে বাংলাদেশ। বহুল আলোচিত মায়ানমার-বাংলাদেশ-ভারত ত্রিদেশীয় গ্যাস পাইবলাইন প্রশ্নে সিদ্ধান্ত হবে তিন দেশের সরকারের শীর্ষ পর্যােয়।
২০০৪ সালের ৭ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: তদন্ত রিপোর্ট: গত ২১ নভেম্বর, ২০০৪ সালে রাজধানীর বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ক্ষতি ৫১ কোটি টাকার ওপর। নিউ বঙ্গবাজারে অগ্নিকান্ডের কারণ বৈদ্যুতিক গোলযোগ।
২০০৪ সালের ৮ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: আদালত অবমাননা মামলায় হাইকোর্টের দন্ডাদেশ আপিল বিভাগে বহাল। আইজিপি থাকতে পারছেন না শহুদুল হক।
২০০৪ সালের ৮ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: ১৯৭২ থেকে সকল এমপি, মন্ত্রী, উধ্র্বতন কর্মকর্তা ও বিচারপতিদের দুর্নীিত তদন্ত করতে হবে।-গণতান্ত্রিক ঐক্যজোট।
২০০৫ সালের ১৮ মার্চ, নূরুল আলম শাহীন: ২ লাখ প্রকল্প কর্মচারীর চাকরি পুনর্বহালের সরকারী উদ্যোগ। ১৯৭২ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত।
২০০৫ সালের ১৯ মার্চ, ইউএনবি: রূপকথার বিয়ে-শুনতে রূপকথার গল্প হলেও বাস্তবে ঘটেছে এ ঘটনা। ১৮-বছরের এক যুবক বিয়ে করেছে ৬৫-বছরের এক মহিলাকে। রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার কোনাবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
২০০৫ সালের ২০ মার্চ, নিউইয়র্কে জুমার নামাজে মহিলার ইমামতি। ইমামতি করছেন আমিনা ওয়াদুদ। জুমার নামাজে কোনো মহিলার ইমামতি করার এটাই প্রথম ঘটনা। জুমার নামাজে একজন মহিলার ইমামতি নিয়ে গোটা মুসলিম বিশ্বে তীর্ব বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
২০০৫ সালের ২৬ মার্চ, ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদঃ চলচ্চিত্রের জন্য আনন্দ সংবাদ-সারাবিশ্বে চলচ্চিত্র নির্মােণ শীর্ষ ১০-এ বাংলাদেশ। বছরে টিকিট বিক্রি ৭ বিলিয়ন ডলার।
২০০৫ সালের ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদ: জরিপের তথ্য-নিউইয়র্ক থেকে এনা-৫৬% আমেরিকান মহিলা স্বামীর চেয়ে কুকুরকে বেশী ভালোবাসেন।
২০০৫ সালের ১২ এপ্রিল, সাভারে ৯-তলা ভবন ধসে পড়েছে। স্বজনদের খোঁজে হাজার হাজার মানুষ: ২৫টি লাশ উদ্ধার। রবিবার দিবাগত রাত পৌনে ১টায় আকস্মিকভাবে ৯-তলা ভবনটি মাটির নীচে দেবে যায়। পূর্ব-পশ্চিমে লম্বা বিশালাকার ৯-তলা ভবনটি মুহূর্তেই তিন তলায় পরিণত হয়। মাটির নীচে ভবনটির ৬-তলা দেবে গেছে।
২০০৫ সালের ২১ এপ্রিল, ইনকিলাব: মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) কুরনী গ্রামের এক গাছে ৪২টি কলার ছড়ি।
২০০৫ সালের ১০ মে, ইনকিলাব পত্রিকা থেকে নেয়া: ১৯৭৩ সালে মুসলিম লীগসহ কোন ইসলামী দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেনি। কারণ তারা নিষিদ্ধ ছিল। সে কারণে মোজাফ্ফর ন্যাপ, সিপিবি এবং জাসদ সম্মিলিতভাবে পেয়েছে ১৪.৮৩ শতাংশ ভোট। কিন্তু আসন পেয়েছে মাত্র ১টি। ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগ এবং ইসলামী গণতন্ত্রী দল (আইডিএল) পেয়েছে ১০.৮ শতাংশ ভোট এবং জাতীয় সংসদে পেয়েছে ২০টি আসন। পক্ষান্তরে ন্যাপ, সিপিবি এবং জাসদ সম্মিলিতভাবে পেয়েছে ৭.৪৮ শতাংশ ভোট এবং আসন পেয়েছে ৯টি। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনী মঞ্চে অবতীর্ণ হয়। এ নির্বাচনে জামায়াত পায় ৪.৪৬ শতাংশ ভোট এবং আসন পায় ১০টি। আইডিএল পায় ৪টি আসন। পক্ষান্তরে বামপন্থীরা পায় ৫.০৩ শতাংশ ভোট এবং আসন পায় ১৪টি। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জামায়াত পায় ১২.১৩ শতাংশ ভোট এবং আসন পায় ১৮টি। আইডিএল পায় ১টি আসন। পক্ষান্তরে বামপন্থীরা পায় ৭টি আসন এবং ভোট পায় ৩.৪৯ শতাংশ। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ইসলামী ঐক্যজোট পায় ১টি আসন। কিন্তু কেয়ারটেকার সরকার প্রশ্নে আওয়ামী লীগের সাথে যুগপৎ আন্দোলনের ফলে জামায়াত আসন কমে হয় মাত্র ৩টি এবং ভোট পায় ৮.৬১ শতাংশ। ইসলামী ঐক্যজোট পায় ১টি আসন। বামপন্থীরা ভোট পায় ০.২৩ শতাংশ এবং লাভ করে মাত্র ১টি আসন। ২০০১ সালের নির্বাচনে বামপন্থীরা কোনো আসন পায়নি। জামায়াত পায় ১৭টি আসন এবং ইসলামী ঐক্যজোট পায় ২টি আসন।
উপর্যুক্ত পরিসংখ্যান থেকে দেখা যাচ্ছে যে, ইসলামী শক্তিসমূহ যখন মাঠে থাকে তখন আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির পর জনগণ ভোট দেয় ইসলামী দলসমূহকে। তখন দ্রুত ক্ষয় পেতে থাকে বামপন্থীদের শক্তি ও সমর্থন। আজ নিজেদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ করার আগে ইসলামী দলগুলোকে অনুরোধ করব, মেহেরবানী করে এসব পরিসংখ্যানের ওপর আরেকবার চোখ বুলিয়ে নিন। আজ যদি ১০টি ইসলামী দল ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি মঞ্চে সমবেত হয় তাহলে তারা ১৮ থেকে ২০ শতাংশ ভোট লাভ করবে। বিএনপিও তাদের অন্তত ৩৫টি আসন দিতে বাধ্য হবে। না দিলে বিকল্প চিন্তা। সুতরাং ইসলামী দলসমূহের নেতৃবৃন্দ, আর নিজেদের পায়ে কুড়াল মারবেন না। এখনও সময় আছে এক হওয়ার।
২০০৫ সালের ১৫ মে, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: জাতীয় সংসদের প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় ৩০ সেট কমপিউটার বরাদ্দ দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
২০০৫ সালের ১৮ মে, সাখাওয়াত হোসেন বাদশা: ভারতের আদালতের এক রায়ে 'পুশইন'-কে বৈধতা দেয়া হয়েছে। ভারতের দ্য স্টেটসম্যান পত্রিকা থেকে জানা গেছে, দিল্লী হাইকোর্ট ১৭ মে, এ রায় দিয়েছে। রায়ে বলা হয়, যেসব বাংলাদেশী অবৈধভাবে ভারতে বসবাসের জন্য আসছে তাদের দ্রুত 'চিহ্নিত' করতে হবে এবং 'পুশইন' করা যাবে। দিল্লী হাইকোর্ট এ নিয়ে বাংলাদেশের সাথে আলোচনার বিষয়টিও নাকচ করে দিয়েছে।
২০০৫ সালের ১৯ মে, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: ওয়াসার'র পানিতে প্রচুর ক্লোরিন ব্যবহারের ফলে ঢাকার মানুষ আগামী ১০ বছরে মাথার চুল পড়ে সব টাক হয়ে যাবে।